Main Story

ইউএফও নিয়ে যতো কান্ড!

নাবীল

একটা চাকতি আকাশ থেকে উড়ে এলো প্রচন্ড জোরে। আর সেই চাকতির ভেতর থেকে নামতে লাগলো সব কিম্ভুত কিমাকার চেহারার এলিয়েন। সিনেমায় তো আমরা এমনটিই দেখে থাকি। আর এই ফ্লাইং সসারের গল্প তো সবাই-ই কমবেশি শুনেছো। আমরা বেশিরভাগ সময় গল্প আর সিনেমার মাধ্যমে এদের সঙ্গে পরিচিত হলেও বাস্তবেও নাকি বহুবার এমনটি হয়েছে। এরকম অদ্ভুত আকাশযান পৃথিবীতে নাকি হরহামেশাই দেখা গেছে। এগুলো নিয়ে রীতিমতো গবেষণাও হয়েছে। সে গবেষণায় অবশ্য কিছু বিষয়ের কোনো ব্যাখ্যাই বিজ্ঞানীরা দাঁড় করাতে পারেননি। এজন্য বিজ্ঞানীরা এই আকাশযানগুলোর নাম দিয়েছেন আনআইডেন্টিফাইং ফ্লাইং অবজেক্ট বা সংক্ষেপে ইউএফও। এগুলো আবার সবচে বেশি পরিচিত ফ্লাইং সসার নামে। কি এখন নামটা খুব পরিচিত লাগছে, তাই না!

ইউএফও নিয়ে আলোচনার শুরু বলা যায় কেনেথ আর্নল্ড নামের মার্কিন মুলুকের এক বৈমানিক আকাশে উজ্জ্বল প্লেটের মতো একটি বিমান বা আকাশযান দেখার পরে, সেটা ১৯৪৭ সালের ২৪ জুন। তখন সেটি ফ্লাইং সসার ও ফ্লাইং ডিস্ক নামে পরিচিত ও আলোচিত হয়ে উঠেছিলো। পরে ১৯৫২ সালে আমেরিকান এয়ার ফোর্স বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করার সময় ‘ইউএফও’ শব্দটি প্রথম ব্যবহার করে।

তবে ইউএফওর ইতিহাস কিন্তু আরো অনেক অনেক বছর আগের, এতো নতুন কিছু নয়। পৃথিবীতে ইউএফও বা ফ্লাইং সসারের মতো আকাশযান বহু আগে থেকেই দেখা গেছে। তবে সেগুলোর সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। কারণ এখনো মানুষ প্রায়ই প্লেন, বেলুন, পাখি, তারা বা নক্ষত্র এমনকি ভাসমান গোলাকার মেঘ দেখেও ইউএফও ভেবে ভুল করে।

প্রাচীনকালের মানুষেরা বিভিন্ন পাহাড়ের গুহায় নানান ধরনের ছবি আঁকতো। এই ছবিগুলোকে বলা হয় গুহাচিত্র। এরকম অনেক গুহাচিত্রেই ইউএফও’র মতো বস্তুর ছবি দেখা গেছে। পন্ডিতরা এগুলোকে পৌরাণিক ছবি বা দেবদূতের ছবি বলে থাকেন। তবে চীনা পন্ডিত ও বিজ্ঞানী সেন কুও (জন্ম ১০৩১, মৃত্যু ১০৯৫ খ্রিস্টাব্দ) ইউএফও’র উপরে একটা আস্ত বই-ই লিখে গিয়েছিলেন। বইটির নাম ‘ড্রিম পুল এসে’স’ (১০৮৮ খ্রিস্টাব্দ)। বইটিতে তিনি দুই প্রত্যক্ষদর্শীর প্রমাণও লিখেছেন। তাদের একজন চীনের আনহুই, আরেকজন জিয়াংসু শহরের বাসিন্দা। তারা নাকি রাতের বেলা একটি দরজাবিশিষ্ট গোলাকার উড়ুক্কু বস্তু দেখেছিলেন। এগুলোর ভেতর থেকে আলো আসছিলো আর খুব দ্রুত সেটি উড়ে চলে গিয়েছিলো।

এরপরেও অবশ্য ইউএফও দেখার ঘটনা বন্ধ ছিলো না। মানুষ প্রায়ই এরকম বস্তু দেখেছে। তবে সেগুলো নিয়ে তখন খুব বেশি গবেষণা বা তদন্ত হয়নি। তাই সেগুলোর সত্যতা নিয়ে সন্দেহ থেকেই গেছে।

চীনের সেই ঘটনার পরের উল্লেখযোগ্য ইউএফও দেখার ঘটনা ঘটেছিলো ১২৩৫ সালে। এবারে কিন্তু ইউএফও দেখা গিয়েছিলো চীনের পাশের দেশ জাপানে। এই বছর সেপ্টেম্বর মাসে জেনারেল ইয়োরিতসুমে আর তার সেনাবাহিনী কিয়োটোতে গোলক আকৃতির এক অস্থির আলো দেখেন। তারা ঘটনাটির খুবই অদ্ভুত একটি ব্যাখ্যা বের করেন। তারা চিন্তা করলেন যে, প্রচন্ড বায়ুর কারণে আকাশের কোনো তারাকে কাঁপতে দেখা যাচ্ছে!

এরপর আবারো এমনি আরেকটি ঘটনা ঘটেছিলো ১৫৬১ সালে। এবারের ঘটনাস্থল জার্মানির ন্যুরেমবার্গ। সেখানে তখন যুদ্ধ চলছিলো। কিন্তু সে যুদ্ধের খবরকে ছাপিয়ে পত্র-পত্রিকায় আরেকটি খবর বেশি গুরুত্ব পেয়ে গেলো। কারা যেনো আকাশে একটি গোলাকার বস্তু দেখেছে। গোলাকার বস্তুটির চারপাশে নাকি আবার অনেকগুলো নলের মতো কি একটা বের হয়েছিলো! বেশ জল্পনা-কল্পনা চললো ঘটনাটি নিয়ে, তারপরে একসময় অমীমাংসিতভাবেই সেটি চাপা পড়ে গেলো।

এরপর আবার ইউএফও দেখা গেলো ১৮৬৮ সালের জুলাই মাসে, এবারে চিলিতে। চিলির কপিয়াগো শহরে অন্যান্য ইউএফওগুলোর মতোই কিছু গোলাকার অজানা বস্তু দেখা গিয়েছিলো। আর এর কিছুদিন পরেই আবারও সেখানে ইউএফও দেখা গেলো। এবারে দেখা গেলো কতোগুলো তারার সারি আকাশ পাড়ি দিচ্ছে। এবারে কিন্তু বিজ্ঞানীদের টনক নড়লো। এই ঘটনার পর থেকেই বিজ্ঞানীরা ইউএফও দেখার ঘটনাগুলো লিপিবদ্ধ করা শুরু করলেন। আর এজন্য চিলির এই ইউএফও দেখার ঘটনাটি ইউএফও বিজ্ঞানের জগতে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা।

চিলির ঘটনাটির পর থেকে যেন ঘনঘন এই অদ্ভুত যান দেখা দিতে শুরু করলো। ১৮৭৮ সালেই আবার দেখা গেলো সেই রহস্যময় ইউএফও। এবারে খোদ আমেরিকাতেই। সেখানকার এক কৃষক জন মার্টিন ২৫ জানুয়ারি উড়ন্ত চাকতিটি দেখেন। এটির বর্ণনায় তিনি জানিয়েছিলেন যে, সেটি কালো, বড়ো আর বৃত্তাকার দেখতে। চমৎকার গতিতে সেটি নাকি উড়ে গিয়েছিলো। এবারই প্রথম ইউএফওকে প্লেটের সঙ্গে তুলনা করা হয়, যা এখন ইউএফও’র সংজ্ঞার ভেতরেই ঢুকে গেছে।

এর মাত্র ৫ বছর পরেই আবারো ইউএফও দেখা গেলো। ১৮৮৩ সালের আগস্ট মাসে মেক্সিকোতে। এবারে খোদ এক জ্যোতির্বিজ্ঞানীই দেখলেন ইউএফও। জোসেফ বনিল্লা নামের সেই বিজ্ঞানী টেলিস্কোপ দিয়ে সূর্য পর্যবেক্ষণ করছিলেন। এমন সময় তিনি মণির মতো রঙীন কিছু বস্তু দেখলেন। বস্তুগুলোর ছবিও তুলেছিলেন তিনি। সেটাও যে ইউএফও ছিলো তা কি আর বলতে!

১৯০৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে যেনো নতুন কিছু দেখলো পৃথিবীবাসী। এই অদ্ভুত যান প্রথমবারের মতো সাগরের বুকে উড়াল দিলো। আমেরিকার সান ফ্রান্সিসকোর কাছাকাছি প্রশান্ত মহাসাগরে এক জাহাজের তিনজন নাবিক সেই উড়ন্ত বস্তুগুলো দেখার কথা জানালো। তাদের একজন লেফটেন্যান্ট ফ্রাঙ্ক স্কলফিল্ড। পরে তিনি প্রশান্ত মহাসাগরের চিফ কমান্ডারও হয়েছিলেন। স্কলফিল্ড ঘটনাটির বিবরণ দিয়েছিলেন। আকাশে নাকি তিনটি গোলক আকৃতির উজ্জ্বল বস্তু মেঘের নিচ দিয়ে উড়ে যাচ্ছিলো। হঠাৎ তারা দিক পরিবর্তন করে মেঘের উপরে উঠে যায়। আর তার কয়েক মিনিট পরে সেগুলো পৃথিবী ছেড়ে চলে যায়।

এরপর আবারো ইউএফও দেখা গিয়েছিলো ১৯১৬ সালে। এক বৃটিশ বৈমানিক জানুয়ারি মাসে ইউএফওটি দেখতে পেয়েছিলেন। আকাশে প্লেন চালানোর সময় রোচফোর্ডের কাছে তিনি মেঘের মাঝে একসারি আলো দেখতে পান। অনেকটা যেনো একটা জানালা থেকে আসা  এক ফালি আলোর মতো। আলোটি আস্তে আস্তে উজ্জ্বল হতে থাকে এবং একসময় হঠাৎ করেই উধাও হয়ে যায়।


 

তবে এই উড়ন্ত চাকতি বা ফ্লাইং সসারের দেখা পাওয়া দিক থেকে ১৯২৬ সালটি ছিলো খুবই উল্লেখযোগ্য। এই এক বছরেই তিন-তিন বার ইউএফও দেখা গিয়েছিলো। প্রথম ঘটনাটি ঘটে জানুয়ারিতে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক বৈমানিক তার প্রতিবেদনে লেখেন, উইচিটা, কানসাস আর কলোরাডোতে প্লেন চালানোর সময় তিনি আকাশে মোট ছয়টি ম্যানহোলের ঢাকনা উড়তে দেখেছেন! পরের ঘটনাটি ঘটেছিলো তিব্বতে। নিকোলাস ব্রিচ তিব্বতের কোকোনর অঞ্চলের হুম্বল্ট পর্বতমালা ভ্রমণ করছিলেন। তিনি ও তার ভ্রমণসঙ্গীরা ৫ আগস্ট দেখেন- বড়ো, স্বচ্ছ আর ডিম্বাকৃতি উজ্জ্বল একটা বস্তু দ্রুতগতিতে আকাশে উড়ে যাচ্ছে। বস্তুটি তাদের শিবির অতিক্রম করে তার দিক পরিবর্তন করে। এরপর দক্ষিণ থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে এটি যাত্রা করে আর কিছুক্ষণের ভেতরেই নীল আকাশে হারিয়ে যায়। পরের ঘটনাটি ঘটে সেপ্টেম্বরে। আবারও সেই মার্কিন মুলুকেই। নেভাডায় এক ডাকবাহী প্লেনের চালক হঠাৎ আবিষ্কার করেন যে, একটি বড়ো পাখাহীন নলওয়ালা বস্তু তার প্লেনের কাছ দিয়েই উড়ছে। তিনি বাধ্য হয়েই কাছের এয়ারপোর্টে জরুরী অবতরণ করেন।

এরপরে ইউএফও দেখা দিয়েছিলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়। সেসময় প্রশান্ত মহাসাগরে আর ইউরোপের বিভিন্ন জায়গায় প্লেনকে কিছু অদ্ভুত জিনিস অনুসরণ করতে শুরু করেছিলো। এগুলোর কোনো কোনোটি ছিলো ধাতব গোলকের মতো; আর কোনো কোনোটি ছিলো আলোর বলের মতো দেখতে। তবে যুদ্ধের মধ্যে এটিই একমাত্র ইউএফও দেখতে পাওয়ার ঘটনা নয়। ১৯৪২ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি লস অ্যাঞ্জেলেস আর ক্যালিফোর্নিয়ায় রাডারে কিছু বিমান ধরা পড়ে। কিন্তু সেগুলো কোন দেশের, তা শনাক্ত করা যায়নি। আর এদিকে মার্কিন সেনাবাহিনী তো ভেবেই বসলো যে, জাপানিরাই শনাক্ত করা যায় না এমনতরো যুদ্ধবিমান পাঠিয়ে দিয়েছে। তাই তারা তাড়াতাড়ি তাদের এ্যান্টি এয়ারক্র্যাফট মিসাইল ছুঁড়ে দিলো। কিন্তু পরে জানা গেলো- জাপান ওগুলো পাঠায়নি!

আর ১৯৪৬ সালে তো সুইডিশ সেনাবাহিনীকে ইউএফও ভূতেই পেয়ে বসলো! তারা তো ১ বছরে ২০০০ রিপোর্ট পাঠালো ইউএফও দেখার। তবে ধারণা করা হয়, এর অধিকাংশই ছিলো বিভিন্ন নক্ষত্র বা তারা, উল্কা ও আকাশের অন্যান্য জিনিস। তবে এর অনেকগুলোই রাডারে ধরা পড়েছিলো। শেষ পর্যন্ত সবাই বিশ্বাস করতে বাধ্য হয়েছিলো যে, রাডারে ধরা পড়া বস্তুগুলোর অনেকগুলোই ছিলো ভিনগ্রহের!

অবশ্য এরপর থেকে ভিনগ্রহবাসীরা বলা যায় গা ঢাকাই দিয়েছে। কারণ তারপর প্রায় ৬০ বছর পেরিয়ে গেলেও তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য ইউএফও দেখার ঘটনা আর ঘটেনি। তাই বলে অবশ্য আগের ঘটনাগুলোকে ফেলেও দেয়া যায় না। হয়তো তারা অন্য কোনো প্রযুক্তিতে এবারে চলাচল শুরু করেছে।

নিশ্চয়ই জানতে ইচ্ছে করছে, এতো এতো ফ্লাইং সসার দেখা গেলো, বিজ্ঞানীরা কি করছেন? ভিনগ্রহবাসীদের যান বলে পরিচিত ইউএফওগুলো নিয়ে তো বিজ্ঞানের একটা আলাদা শাখাই খোলা হয়েছে। সেটাকে বলা হয় ইউএফওলজি। এটার জন্য আলাদা জাদুঘরও বানানো হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল ইউএফও মিউজিয়াম নামের জাদুঘরটির একটি শাখা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্রোসওয়েলে, আরেকটি শাখা তুরস্কের ইস্তাম্বুলে।

ইউএফও নিয়ে শুধু বিজ্ঞানীরাই নন, বিভিন্ন দেশের সরকারও গবেষণার কাজে হাত দিয়েছিলো। অনেক দেশেই সরকারি উদ্যোগে ভিনগ্রহবাসীদের নিয়ে গবেষণা করা হয়েছে। এই তালিকায় আমেরিকা, বৃটেন, রাশিয়া, জাপান, ফ্রান্স, স্পেন থেকে শুরু করে পেরু, বেলজিয়াম, সুইডেন, ব্রাজিল, মেক্সিকো, চিলি ও উরুগুয়েও আছে। এই গবেষণাগুলোর মধ্যে কিছু কিছু গবেষণা তো বেশ আলোড়নই ফেলে দিয়েছিলো বলা যায়। প্রথমে গবেষণা শুরু করেছিলো সুইডিশ সেনাবাহিনী। সুইডিশ সেনাবাহিনীতে সসার দেখার ধুম পড়ে গেলে ১৯৪৬ সালেই তারা ঘোস্ট রকেট ইনভেস্টিগেশন নামে একটি গবেষণা প্রকল্প শুরু করে। তারপরের বছরেই আমেরিকান এয়ার ফোর্স প্রজেক্ট সাইন ও প্রজেক্ট গ্রুজ নামে আরো দুটি প্রকল্প হাতে নেয়।

নিশ্চিত কোনো প্রমাণ বের করতে না পারলেও বিজ্ঞানীরা কিন্তু ইউএফওগুলোর কিছু নির্দিষ্ট প্রকারভেদ তৈরি করেছেন। এ পর্যন্ত যতো ইউএফও দেখা গেছে, তারা কয়েকটি বিশেষ আকৃতির মধ্যেই ছিলো। সবচে’ পরিচিত আকৃতি হলো চাকতির মতো গোলাকার। এখন ইউএফও বললেই আমাদের চোখে এই আকৃতিই ভেসে ওঠে। এছাড়া বেশ কিছু ঘটনায় লম্বাটে ত্রিভুজাকৃতির ইউএফও দেখা গেছে। তবে এই প্যাটার্নের ইউএফও শুধু রাতেই দেখা গেছে। কলমের মতো লম্বা ও গোলাকৃতির কিছু ইউএফও-ও দেখা গেছে। এছাড়াও বুমেরাংয়ের মতো, তীরের মতো দেখতে, পিরামিডের মতো, সিলিন্ডারের মতো, এমনকি বরফি আকৃতির ইউএফও-ও দেখা গেছে।

বিজ্ঞানীরা যদিও এখনো প্রমাণ করতে পারেননি যে, ফ্লাইং সসার বা ইউএফওগুলোতে করে সত্যি সত্যিই এলিয়েনরা ঘুরে বেড়ায়, তবে তারা কিন্তু এখনো পুরো ব্যাপারটিকে উড়িয়েও দিতে পারছেন না। কারণ, অনেকগুলো ঘটনারই তারা কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। আর এখনো অধিকাংশ মানুষই মনে করে সসারগুলো আসলে এলিয়েনদেরই ছিলো। তবে তারা যেহেতু এখনো মানুষের কোনো ক্ষতিই করেনি, এটুকু নিশ্চিত করেই বলা যায়, এলিয়েন বা ভিনগ্রহবাসীরা আর যাই হোক, মানুষের কোনো অনিষ্ট করার ইচ্ছে নেই তাদের। তারা হয়তো কোনোদিন মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্বও করতে পারে। এখন কেবল অপেক্ষা, বিজ্ঞানীরা অদ্ভুতুড়ে সসারগুলোর রহস্য উদ্ঘাটন করতে পারেন কিনা।


বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম/নাবীল/শুভ/এইচআর/জুলাই ২২/১০