সবজান্তা'র ক্রিসমাস
নাবীল
দেখতে দেখতে আবারো বছর ঘুরে চলে এলো ক্রিসমাস, তোমাদের সব প্রস্তুতি শেষ তো? ক্রিসমাসে কি করবে আর কি পড়বে, সবই নিশ্চয়ই ঠিকঠাক করে ফেলেছো। আচ্ছা, ভালো কথা। ক্রিসমাস তো করছো, ক্রিসমাসে যে সব জিনিস না হলেই নয়, সেসব টুকিটাকি জিনিস তো সব চেনোই, তাই না? যারা চেনো, তারাও একবারটি মিলিয়ে নাও তো দেখি, সব ঠিকঠাক বললাম কি না! আর যারা চেনো না, তারা এই সুযোগে খুব করে চিনে নাও, যাতে এরপর থেকে কেউ জিজ্ঞেস করলেই তুমি একেবারে গড়গড় করে সব বলে দিতে পারো, কেমন!
বুড়ো সান্তা ক্লজ
বুড়ো দাদু সান্তাকে তো তোমরা সবাই-ই চেনো। শুধু যে চেনো, তাই নয়, সান্তাকে
সবাই-ই খুবই পছন্দ করো। ওই যে লাল-শাদা জামা গায়ে, মাথায় লাল-শাদা টুপি, আর
ঠোঁটে একটা পাইপ ঝুলিয়ে আটটি রেইন ডিয়ারে (এক রকম হরিণ) টানা উড়ুক্কু
স্লেজে করে ঘুরে বেড়ান যখন যেখানে খুশি। আর ক্রিসমাসের রাতে প্রত্যেক
বাড়িতে যান বুড়ো দাদু, ছাদে তার স্লেজ থামিয়ে চিমনি বেয়ে নেমে আসেন নীচে।
তারপর ঝোলা ভর্তি করে তোমাদের জন্য উপহার রেখে আবার উড়ে যান স্লেজে করে
অন্য বাড়িতে। আবার ডাচদের বুড়ো দাদুটা কিন্তু খানিকটা অন্যরকমের। নাম তার
সিন্টার ক্লাস। তিনি আবার কোনো স্লেজে করে আসেন না। বুড়ো হলে কি হবে, তিনি
আসেন টগবগিয়ে সাদা ঘোড়ায় চেপে।
এই বুড়ো দাদু সান্তা ক্লজের জন্ম কোথায় বলতে পারো? বলা হয়, পাতারা নামের এক শহরে সান্তার জন্ম। নাম তার ছিলো সেন্ট নিকোলাস। তিনি ছিলেন যেমন দয়ালু, তেমনই মহান। জীবনে তিনি অনেক জায়গা ঘুরেছিলেন, অনেক কিছু দেখেছিলেন, অনেক কিছুই জেনেছিলেন। একবার তো রোমান সম্রাটরা তাঁকে বন্দীই করেছিলো। শেষ বয়সে তিনি মাইরা নামের এক জায়গায় চার্চের বিশপ হন। সেখানেই তিনি মারা যান। সেই চার্চের পাশেই তাকে সমাহিত করা হয়। তখনো কিন্তু সান্তা তোমাদের মতো ছোটোদের কাছে এতো জনপ্রিয় ছিলেন না। ছিলেন না ক্রিসমাসের অপরিহার্য অংশও। সান্তা ক্রিসমাসের অংশ হতে শুরু করেন উনিশ শতকের গোড়ার দিকে। ১৮২২ সালে ক্লার্ক মুর নামে এক লোক সান্তাকে নিয়ে একটি কবিতা লেখেন। কবিতাটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। তার কিছুদিন পরেই টমাস নেস্ট নামের এক আমেরিকান ভদ্রলোক হার্পার’স উইকলি নামের এক পত্রিকায় সান্তার ছবি আঁকতে শুরু করেন। সেন্ট নিকোলাসের কাপড়-চোপড়ের অনুকরণে সান্তা ক্লজকেও পরানো হলো লাল-শাদা পোশাক। ব্যস, জনপ্রিয় হতে থাকেন বুড়ো দাদু। আবার কোকাকোলা খেতে তো তোমরা সবাই-ই পছন্দ করো? এই কোকাকোলাও কিন্তু সান্তাকে জনপ্রিয় করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলো। ১৯৩১ সাল থেকে একেবারে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত বুড়ো সান্তাকে নিয়ে ব্যাপক প্রচারণা চালিয়েছিলো তারা। আর এখন তো সান্তা যাকে বলে একেবারে তুমুল জনপ্রিয়! সান্তাকে ছাড়া এখন ক্রিসমাসের কথা ভাবাই যায় না।
ক্রিসমাসের লাল মোজা
তোমরা অনেকেই হয়তো খেয়াল করেছো, ক্রিসমাসের দিন খ্রিস্টধর্মের অনুসারীরা,
তাদের বাসায় কতোগুলো লাল-শাদা মোজা ঝুলিয়ে রাখেন। বিশেষ করে
ইউরোপ-আমেরিকায়, যেখানে বাসায় বাসায় চিমনি থাকে, ফায়ারপ্লেস থাকে, সেখানে
ফায়ারপ্লেসের উপরেই ঝোলানো থাকে এই লাল মোজাগুলো। এই মোজাগুলোকে বলা হয়
ক্রিসমাস স্টকিং। চিমনি দিয়ে বাসায় ঢুকে বুড়ো সান্তা তোমাদের মতো বাচ্চাদের
জন্য এই স্টকিং বা মোজাগুলোতেই দিয়ে যান উপহার। কিভাবে এই মোজাগুলোর
ব্যবহার শুরু হয়েছে, তা নিয়ে কিন্তু অনেকগুলো মজার মজার কাহিনী চালু আছে।
সবগুলো তো আর এখানে শোনানো যাবে না, সবচেয়ে জনপ্রিয় গল্পটাই না হয়
তোমাদেরকে শোনাই, কেমন?
এই গল্পটা আবার সেন্ট নিকোলাসকে নিয়েই। নিকোলাস একদিন রাস্তা দিয়ে
যাচ্ছিলেন। পথে হঠাৎ শুনলেন, এক বাড়িতে এক লোক আহাজারি করছে। লোকটি ভীষণই
গরীব। কিন্তু তার ছিলো তিন-তিনটি মেয়ে। তিন মেয়ের বিয়ে দিতে তো অনেক টাকার
দরকার। কিন্তু অতো টাকা তো তার নেই। তাই সে ওরকম আহাজারি করছিলো। আবার
সেন্ট নিকোলাস তো ভীষণ দয়ালু মানুষ, সব কথা শুনে তার খুব দয়া হলো। তিনি
করলেন কি, এক ব্যাগ ভর্তি স্বর্ণমুদ্রা ছুঁড়ে দিলেন বাসার চিমনি দিয়ে। আর
ব্যাগ গিয়ে পড়লো কোথায় জানো? পড়বি তো পড়, একেবারে একটা মোজার মধ্যে! অবশ্য
মোজাটা আবার গিয়ে পড়লো সেই গরীব লোকটারই সামনে। আর স্বর্ণমুদ্রাগুলো পেয়ে
তার মেয়েদের বিয়ে দিতে প্রয়োজনীয় টাকাও সে পেয়ে গেলো। লোকটির দুঃখও ঘুচে
গেল। তখন থেকে সবাই-ই ক্রিসমাসে চিমনির নীচে ফায়ারপ্লেসের উপরে মোজা রাখা
শুরু করলো, যাতে বুড়ো দাদু তাদের জন্যও উপহার মোজায় ভরে রাখতে পারেন।
অনেকে আবার বলে; না, ক্রিসমাস স্টকিংয়ের রীতি এসেছে হল্যান্ড থেকে। সেখানকার একরকম ঐতিহ্যবাহী জুতো হলো ক্লগ। প্রতি ক্রিসমাসে সেখানকার ছোটো ছোটো বাচ্চারা তাদের ক্লগ বাইরে রেখে দিতো। তাদের বিশ্বাস ছিলো, সান্তা তাদের ক্লগগুলো নানা উপহারে ভর্তি করে দিবে। আর সেখান থেকেই ক্রিসমাস স্টকিং বা ঐ লাল মোজাগুলো ঝোলানোর রীতি শুরু হয়েছে।
ক্রিসমাস ট্রি
বুড়ো দাদুর মতোই এই ক্রিসমাস ট্রিও এখন ক্রিসমাসের একটা অপরিহার্য জিনিস। এখন প্রায় সব বাসাতেই ক্রিসমাসের রাতে ঘরে একটা ক্রিসমাস ট্রি সাজানো হয়। এই ক্রিসমাস ট্রি হতে পারে সত্যিকারের গাছ, আবার নকল গাছও হতে পারে। তবে ক্রিসমাস ট্রি হিসেবে জনপ্রিয় হচ্ছে- ফার গাছ। আর ক্রিসমাসের আগের রাত পর্যন্ত চলে এই গাছটির সাজাগোজ। ক্রিসমাস লাইট, ক্রিসমাস ট্রি অর্নামেন্টস, টিনশেলের মালা আর ক্যান্ডি ক্যান দিয়ে সাজানো হয় পুরো গাছটা। সবার উপরে রাখা হয় একটা তারা কিংবা একটা অ্যাঞ্জেলের প্রতিকৃতি। যখন পুরো গাছটা সাজানো হয়ে যায়, তখন তাকে দেখতে যা সুন্দর লাগে! তোমরা যারা দেখেছো তারা তো সেটা জানোই!
এই ক্রিসমাস ট্রি সাজানোর রীতিও কিন্তু অনেক বছরের পুরোনো। বলতে পারো ক্রিসমাসের অন্য টুকিটাকিগুলোর তুলনায় এটা একেবারেই পুরাকালের একটা রীতি। কারণ, প্রথম ক্রিসমাস ট্রির উল্লেখ পাওয়া যায় সেই আদ্যিকালে, ৭ম শতকে। সে সময় জার্মানির জেইসমার শহরে থাকতেন এক সাধু-সন্ন্যাসী, নাম তার সেন্ট বনিফেস। তিনি জন্মেছিলেন ৬৭২ খ্রিস্টাব্দে, আর মারা যান ৭৫৪ খ্রিস্টাব্দে। তিনি তার জীবনের কোনো এক বছরে প্রচলন করেন ক্রিসমাস ট্রির। আর তার ক্রিসমাস ট্রি প্রচলন করার গল্পটাও বেশ অদ্ভূত। শুনবে সে গল্প?
জার্মানিতে যেসব আদিবাসীরা থাকতো, তাদের মধ্যে একটা দল ছিলো, যাদের বলা হতো নর্স। তারা কিন্তু যীশুখ্রিস্টকে বিশ্বাস করতো না। আর তাই বিশ্বাস করেনি খ্রিস্টান ধর্মেও। তো সেন্ট বনিফেস একদিন দেখলেন কি, একটা ওক গাছের শিকড় থেকে জন্মেছে এক অদ্ভূত কাঁটাওয়ালা গাছ। যাকে বলা হয় ফার ট্রি। তোমরাই বলো, ওক গাছের শিকড় থেকে কি ফার ট্রি জন্মাতে পারে? তাই দেখে তিনি অবাক হয়ে কি কি সব ভাবছিলেন, এমন সময় তার মাথায় খেলে গেলো আরেক পরিকল্পনা। তিনি এবার ফার গাছ কেটে বানালেন ক্রিসমাস ট্রি। এভাবেই প্রথম ক্রিসমাস ট্রিটা বানানো হয়েছিলো। চালু করলেন ক্রিসমাস ট্রি তৈরির রীতি। কিন্তু তারপরই যে ক্রিসমাস ট্রি তৈরির রীতি জনপ্রিয় হয়ে গিয়েছিলো, সবাই প্রতি বছর ক্রিসমাসে ক্রিসমাস ট্রি সাজাতো, এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় না। পরে ১৫ শতকে এসে লিভোনিয়া (এখনকার এস্তোনিয়া আর লাটভিয়া) আর ১৬ শতকে এসে উত্তর জার্মানিতে পুরোদমে ক্রিসমাস ট্রির রীতি প্রচলিত হয়।
ক্রিসমাস ট্রি অর্নামেন্ট
ক্রিসমাস ট্রির কথা তো শুনলেই, এবার শোনো ক্রিসমাস ট্রি সাজানোর কথা।
ক্রিসমাস ট্রি সাজাতে তো অনেক কিছুই ব্যবহার করা হয়। এগুলোকে বলা হয়
ক্রিসমাস ট্রি অর্নামেন্টস। আচ্ছা, তোমাদের কি মনে হয় এই অর্নামেন্টসগুলো
এমনি এমনি শুধু সাজানোর জন্যই ব্যবহার করা হয়? আসলে কিন্তু মোটেও তা নয়। এই
অর্নামেন্টসগুলোর প্রত্যেকটারই আলাদা আলাদা অর্থ আছে। প্রত্যেক
অর্নামেন্টসই কিছু না কিছু গুরুত্বপূর্ণ অর্থ বহন করে। কি, সেই অর্থগুলো
জানতে ইচ্ছে হচ্ছে? আচ্ছা চলো তাহলে সেগুলো জেনে নিই।
ক্রিসমাস ট্রির একেবারে মাথায় ব্যবহার করা হয় একটা তারা অথবা একটা অ্যাঞ্জেল বা স্বর্গদূত। এই অ্যাঞ্জেল ঈশ্বরের সুরক্ষার প্রতীক। আর তারা দিয়ে বোঝানো হয়, ঈশ্বর আমাদের পরিচালনা করছেন। আবার তুমি যদি ক্রিসমাস ট্রি গুলো একটু ভালোমতো খেয়াল করো, তাহলে দেখবে প্রত্যেকটা গাছে কিছু নকল আপেল ঝুলিয়ে দেয়া হয়েছে। এই আপেলগুলো সুস্বাস্থ্যের প্রতীক। গাছগুলোতে কিছু পাখিও থাকে। এগুলো দিয়ে বোঝায় হাসি-খুশি মনকে। আবার ক্রিসমাসের দিনে গরীব-দুখীদের দান করতে হয়। তাদেরকে একেবারেই নিঃস্বার্থভাবে এই দান করতে হয়। এই দানের প্রতীক হিসেবে ক্রিসমাস ট্রিতে রাখা হয় মোমবাতি। ক্রিসমাসের পবিত্রতা বোঝানোর জন্য ট্রিতে পায়রা বা ঘুঘু ব্যবহার করা হয়। মানুষে মানুষে বন্ধুত্বের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয় আঙুর আর ভালুক বা টেডি বিয়ার। মা মেরি আর সৌন্দর্য বোঝানোর জন্য ব্যবহার করা হয় গোলাপ। আবার ঈশ্বরের প্রতি ভক্তির প্রতীক হিসেবে রাখা হয় ভেড়া। জ্ঞানের প্রতীক হিসেবে থাকে পেঁচা। আর সুনামের জন্য ব্যবহার করা হয় কোন প্রতীক জানো? একেবারে সান্তা ক্লজকেই!
আচ্ছা, তোমরা কি কখনো লক্ষ্য করেছো, ক্রিসমাসে কয়েকটা রংকে খুবই প্রাধান্য দেয়া হয়? ক্রিসমাসের সবকিছুতেই ঘুরেফিরে ঐ রংগুলোই বেশি থাকে? যারা খেয়াল করোনি, তারা এখন থেকে খেয়াল করো। দেখবে, ক্রিসমাসে সোনালি, সবুজ আর লাল- সব জায়গাতেই এই তিনটা রং থাকবেই। ভাবছো, তা তো থাকতেই পারো! এ নিয়ে এতো কথা বলার কি আছে! আছে আছে, এই রংগুলোরও কিন্তু মানে আছে! বিশ্বাস হচ্ছে না? তবে শোনোই না।
খ্রিষ্টানদের ধর্মানুসারে ঈশ্বর যখন দেখলেন, পৃথিবীতে একের পর এক মহাপুরুষ পাঠিয়েও কিছু হচ্ছে না, মানুষ কোনোমতেই খারাপ কাজ থেকে নিজেদের বিরত রাখতে পারছে না, তখন তিনি পৃথিবীতে পাঠালেন যীশুকে। যীশু পৃথিবীতে এলেন মানুষকে খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখতে, মানুষকে ভালো পথে নিয়ে আসতে। ঈশ্বরের এই অনুকম্পার প্রতি সম্মান জানাতে ক্রিসমাসে সোনালি রং ব্যবহার করা হয়।
যীশু তো আসলেন, কিন্তু তাতে পৃথিবীতে খারাপ মানুষ একেবারে শেষ হয়ে গেলো না। তারা সবাই মিলে যীশুর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করলেন। আর মানুষের জন্য যীশুও মাথা পেতে নিলেন তার সাজা। তাকে ক্রুশবিদ্ধ করা হোলো। তার শরীর থেকে তাজা তাজা রক্ত ঝরতে লাগলো। সেই রক্তের সঙ্গে ঝরতে লাগলো মানুষের জন্য যীশুর ভালোবাসা। মানুষের প্রতি যীশুর এই ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে ক্রিসমাসে লাল রং ব্যবহার করা হয়।
মানুষকে ভালোবেসে যীশু ক্রুশবিদ্ধ হলেন, প্রাণ দিলেন, আর তারপর তাকে নেয়া হলো কবরে। কিন্তু কবরে তো জীবনের শেষ নয়, এরপরও তো আছে আরেকটি জীবন। আর সেই জীবন অনন্ত, অসীম। তাই যীশু কবর থেকে উঠে এলেন, তিনদিনের মাথায় যীশু পুনরুত্থান করলেন। মানুষকে দেখিয়ে দিয়ে গেলেন, পার্থিব জীবনটাই সবকিছু নয়, এরপরও জীবন আছে। জীবন অনন্ত, অসীম। আর তার এই পুনরুত্থানের প্রতি সম্মান জানিয়ে ব্যবহার করা হয় সবুজ রং।
যারা আগে থেকেই এগুলোর কথা জানতে, তারা মিলিয়ে কি দেখলে? আমি কি কোনো ভুল বলেছি? তাহলে অবশ্যই আমাকে জানাবে কিন্তু। আর যারা জানতে না, তারা ঠিকঠিক খুব করে শিখে নিয়েছো তো? এবারে কেউ জিজ্ঞেস করলে নিশ্চয়ই আর মাথা চুলকোতে হবে না। একেবারে বুক টানটান করে গড়গড় করে বলে দিতে পারবে, তাই না? তোমাদের সবাইকেই ক্রিসমাসের শুভেচ্ছা। খুব মজা করে ক্রিসমাস করো। আর যা বললাম, সেগুলো চুপিচুপি মিলিয়ে দেখো, সব টুকিটাকি জিনিসগুলো ঠিকঠাক মতো আছে কিনা। না থাকলে তখন বড়োদের ডেকে একেবারে ভারিক্কি চালে দেখিয়ে দেবে, এটা ঠিক নয়, ওটা ওখানে হবে। তখন কেমন মজা হবে একবার চিন্তা করে দেখো দেখি!
বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম/নাবীল/এসএ/সাগর/এইচআর/ডিসেম্বর ২০/১০
- মায়ের ভালোবাসা
- আলোর পাখি নাম জোনাকি
- আমাদের প্রথম সরকার
- লৌহমানবী মার্গারেট থ্যাচার
- 'কচি-কাঁচা'র দাদাভাই
- প্রকাশক, যারা প্রকাশ করেন বই
- শাহবাগের গল্প
- পৃথিবীর সবচেয়ে বড়ো গুহা
- এক নজরে ২০১৩-এর বইগুলো
- সালতামামি : খবরাখবর
- গ্রিম ভাইদের সেই বইটি!
- গুপ্তধনের সন্ধানে
- কোরবানির ঈদের কথা
- ক্রিকেট বলের কথা
- বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ
- অলিম্পিকের যতো অনুষঙ্গ
- রবি কবির কুঠিবাড়ি
- মে দিবসের গল্প
- হারিয়ে যাওয়া টাইটানিক, খুঁজে পাওয়া টাইটানিক
- 'আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন'
- বইমেলায় বইয়ের মেলা'র শেষ
- বইমেলায় বইয়ের মেলা- ৫
- বইমেলায় বইয়ের মেলা- ৪
- ২১ ফেব্রুয়ারির প্রথম গান, কবিতা ও প্রভাত ফেরি
- বইমেলায় বইয়ের মেলা- ৩
- পানিতে এরা কারা আবার!
- বইমেলায় বইয়ের মেলা- ২
- বইমেলায় বইয়ের মেলা
- শুধুই তোমাদের জন্য 'হট্টিটি'
- বেজায় খুশির বড়দিন
- ভাষার খোঁজে নেপালে
- ভ্যাম্পায়ার নয়, বাদুড়!
- পানিতে এরা কারা?
- তেভাগা'র রাণীমা
- সেই ৮টি শাশ্বত ডাকটিকিট
- সবচেয়ে সুন্দর জেলিফিশগুলো
- হারাতে বসা পাখিগুলো
- ছবিওয়ালা নজরুল
- ডোরাকাটা জেব্রা
- বার্লিন দেয়ালের গল্প
- সাদাকো আর সহস্র সারস
- বিজ্ঞানের গুণী ছাত্র রবি
- রবীন্দ্রনাথের লেখা 'বিচিত্রিতা'!
- ভয়ংকর যতো হাঙর
- বহু ভাষাবিদ এক জ্ঞান তাপস
- ডেড সি নিয়ে আরো ১
- ভালো আছি ; বাবাকে ছাড়া- অনন্য আজাদ
- ড. আবদুল্লাহ আল-মূতিকে নিয়ে ছেলে আহমদ নাবীলের স্মৃতিকথন 'আমার আব্বা'
- আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাসে ৬ দফা
- দ্রুতগতির উড়ুক্কুরা
- ধাঁধা মিলালেই পুরস্কার
- পরিবেশ কুইজের উৎসবে
- ভয়ংকর-সুন্দরী শুঁয়োপোকা
- মায়ের ভালবাসার দিন
- অবাক করা সবাক নদী
- পৃথিবীর ভয়ঙ্কর সুন্দর সব সড়ক
- আমাজনের গোলাপি ডলফিন
- আমাদের মঙ্গল শোভাযাত্রা
- আকাশ থেকে মহাকাশে
- বিশ্বকাপ ফাইনালের বাকি ৫
- ভূমিকম্প পন্ডিত!
- বিশ্বকাপ ফাইনালের ৪ রোমাঞ্চ
- সাগরতলের ভাস্কর্য রাজ্য
- বঙ্গবন্ধুর ছেলেবেলা
- হারাতে বসা অদ্ভূত বনগুলো
- চলো ঘুরে আসি বিশ্বকাপের চট্টগ্রামে
- বিশ্বকাপের যতো অদ্ভূতুড়ে গল্প
- 'ঢাকার হৃদয় মাঠখানি'
- শহীদ মিনার তৈরির গল্প
- ক্রিকেটের যতো মজারু
- ক্রিকেট মানে ঝিঁঝিঁ পোকা!
- টেনিদা-ঘনাদা-শঙ্কু- ৩ মূর্তি'র গপ্পো
- এই বিশ্বকাপ আসরের যতো স্টেডিয়াম
- ভয়ংকর সুন্দর
- একটি জামার পতাকা হয়ে ওঠার গল্প
- শীতের পিঠার রূপকথা
- বঙ্গবন্ধুর বাড়ি ফেরা
- রংবাহারি পাখির গল্প
- নিউ ইয়ার এলো যেভাবে
- ডিজনিল্যান্ডের ক্রিসমাস
- বড়দিনের গাছ
- সবজান্তা'র ক্রিসমাস
- আমাদের স্মৃতির সৌধ
- জলদস্যু: ব্ল্যাক বিয়ার্ড (শেষ পর্ব)
- জলদস্যু: ব্ল্যাক বিয়ার্ড (৫ম পর্ব)
- ঘুড়ি নিয়ে উৎসব
- জলদস্যু: ব্ল্যাক বিয়ার্ড (৪র্থ পর্ব)
- জলদস্যু: ব্ল্যাক বিয়ার্ড (৪র্থ পর্ব)
- রেইন ফরেস্টের জীব-জন্তু
- কৃষ্ণবিবরের কথা
- জলদস্যু ব্ল্যাকবিয়ার্ড (৩য় পর্ব)
- জলদস্যু: ব্ল্যাক বিয়ার্ড (২য় পর্ব)
- জলদানব টাইগারফিশ
- জলদস্যু: ব্ল্যাক বিয়ার্ড
- নোবেল পুরস্কারের আদ্যোপান্ত
- স্তন্যপায়ী মাছ!
- অক্টোপাসের অষ্টপাশ
- কাঠখেকো ক্যাটফিশ
- না দেখলে আজই দেখো- হীরক রাজার দেশে
- আমাদের জাতীয় কবি'র স্মৃতি নজরুল ইন্সটিটিউট
- বিশ্বসেরা যতো জাদুঘর
- বিচিত্র যতো জাদুঘর
- আজকের সূর্যটা শোক আর মন খারাপের
- সূর্যের বয়স কতো?
- প্রজাপতির বাচ্চা-কাচ্চা
- কোমোডো দ্বীপের ড্রাগন
- ‘ইশান্ত’ এর বন্ধুদের আঁকা ছবির প্রদর্শনী
- সর্প নিয়ে গপ্পো-সপ্পো!
- ইউএফও নিয়ে যতো কান্ড!
- সেরা ৫ কমিক হিরো
- ভয়ংকর সুন্দর ভালকানের পাহাড়!
- ১১ জুলাই : মানুষের সংখ্যা নিয়ে দিবস
- সূর্যের সংসার
- বিষধর ১০ ব্যাঙ এর গপ্পো
- ভারত আবিস্কারের অভিযাত্রা
- গুপ্তধনের সন্ধানে
- বাবা নিয়ে সারাবেলা
- বাবাদের বিচিত্র কাজ
- বিশ্বকাপের এবারের স্টেডিয়ামগুলো
- এভারেস্টের চূড়ায়
- জলদস্যুদের যতো গল্প
- ভ্যাম্পায়ার! ভ্যাম্পায়ার!!
- ফুটবল নক্ষত্র: সেরা কে!
- যতো কাণ্ড বিশ্বকাপে!
- নানা দেশের জাতীয় কবি
- ঝড় ঝাপ্টার কাহিনী
- প্রকৃতির আজব খেয়াল
- মায়ের স্মৃতি মায়ের গল্প
- বিভিন্ন ভাষায় মায়ের ডাক
- অধিকার বিপ্লব আর প্রতিবাদের দিন
- আমাদের যতো নৌকা
- অ্যানিমেশনের মজার জগত
- পাহাড়ি সিংহের বিচিত্র জীবন
- এবারের অ্যাস্ট্রো-অলিম্পিয়াড
- আমার বাবা
- টুঙ্গিপাড়ার খোকা
- সবচে বড় কুকুর জর্জ
- জলাভূমির মৃত্যুদানব
- তাইশানের বাড়ি ফেরা
- ভাষার জন্য যুদ্ধ
- প্রিয় লেখকের প্রিয় বই
- 'বেলজিবুফো' নরকের ব্যাঙ!
- ভীতুর ডিম!
- রঙীন ডাইনোসর!
- ২০১০ এর ১০ শপথ
- ভার্জিনিয়ার চিঠি
- ক্রিসমাস পাজল
- নানা রঙের ক্রিসমাস
- ক্রিসমাস ট্রি অর্নামেন্ট
- ক্রিসমাস স্টকিং
- বুড়ো দাদুর কথা
- স্বাধীনতা শব্দটি কিভাবে আমাদের হলো
- গল্পে ছড়ায় ছবিতে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস
- কাগজের সাপ কামড় দেয় না
- ডামইয়াং এর অ্যাস্ট্রোনমি অলিম্পিয়াডে
- জয়তু শৈশব
- সুডোকু : চেষ্টা করো, ভুল করো, ঠিক করো
- এসো আঁকি মজার কার্টুন
- যাবে নাকি ডিজনিল্যান্ড?
- হারিয়ে যাচ্ছে পান্ডা!
- সোয়াইন ফ্লু: ঘাবড়াও মাৎ, নিজে হও সাবধান
- অনন্য এক কবির গল্প
- আমাদের সূর্য আমাদের 'রবি'
- হিরোশিমার চিলড্রেন্স পিস মন্যুমেন্ট
- 'বাবা' ডাক বিভিন্ন ভাষায়!
- বাবাকে নিয়ে মুভি, বাবার সঙ্গে মুভি
- কল্পনার রোবট, বাস্তবের রোবট
- মায়ের মতো মা
- মে দিবসের ইতিকথা
- ছুঁতে চাই অনন্ত আকাশ
- প্রাণের মেলা- নববর্ষ
- প্রাণের মেলা নববর্ষ
- বুড়ো 'রিপ ভ্যান উইংকেল'
- লাল সবুজের পতাকা
- জীবজগতে বেঁচে থাকার কৌশল- ইকোসিস্টেম
- বুদ্ধিমান ডলফিন
- হাজার বইয়ের রাজ্যে চলো...
- স্মল পক্সের বিরুদ্ধে শিশুদের যুদ্ধ
- টিউলিপ ও রাজকুমারী
- দশই মুহররম
- নাম ছিলো তার প্লুটো
- মাটির হাঁটাহাটি
- সবার প্রিয় মার্ক টোয়েন
- বই পাগল একজন
- গ্যালিলিও ও বৃহস্পতির চাঁদ
- চাঁদের পাহাড়
- চোখের ঢাকনা
- মাটির সেনাবাহিনী
- বিড়ালের ভাষা
- কানের আবার পোষাক!
- চপষ্টিক
- ভালোবাসার লবণ
- এক নজরে বারাক ওবামা
- ২০০৮ সালের নোবেল পুরস্কার যাদের ঘরে গেল...
- দাবার জন্মকথা
- গল্পের জাদুকর ঈশপ
- রেড ইন্ডিয়ান: ভুল নামই যাদের পরিচয়
- হাজার বছরের বিষ্ময় পিরামিড
- মজার কমিকস টিনটিন
- টুথপেস্টের কথা
- ইউএফও: এক অজানা রহস্য
- রেইনফরেস্টের গল্প
- দেশ-বিদেশের ঈদের খুশি
- এনিড ব্লাইটনের গল্প
- বন্ধু সবুজ চিরদিন...
- `হ্যারি পটার গল্পের চিন্তা আমি ট্রেনে বসে পাই...',বললেন জে কে রাউলিং
- ফলের রাজপুত্তুর
- আহা, বাইসাইকেল!
- বৃষ্টি উৎসব
- বাবার জন্য ভালোবাসা
- আমাদের দুখু মিয়া
- মা কে নিয়ে ছড়া কবিতা
- রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই








