ভয়ংকর সুন্দর
শুভ অংকুর
সাপ কথাটা শুনলেই ভিতরে যেন কেমন করে ওঠে, তাই না? মুহূর্তেই মনে হয়
কিলবিলে একটা বিষধর প্রাণীর কথা। মনে হয় এই বুঝি সামনে ফণা তুলে দাঁড়িয়ে
গেলো কোনো বিষধর সাপ। তবে যাই বলো না কেন, সাপ যতই হিংস্র আর বিষাক্ত হোক
না কেন, সুন্দর সুন্দর বেশ কিছু সাপও কিন্তু রয়েছে। আহা..., দাঁড়াও
দাঁড়াও..., কথা শুনে ক্ষেপে গেলে তো হবে না। বলি নি তো যে সাপগুলো ভালো।
বলেছি, দেখতে সুন্দরের কথা। মানে ভয়ঙ্কর সুন্দর আর কি। আজকে চলো আমরা
পৃথিবীর সবচেয়ে রঙিন আর সুন্দর সাপগুলোর সঙ্গে পরিচিত হয়ে আসি।
ব্রাজিলের রঙধনু বোয়া (Brazilian Rainbow Boa)
প্রথমেই ভাবছো এ আবার কেমন নাম। বোয়া হলো অজগরের একটা জাত। এদের বিষ নেই
ঠিকই তবে শিকারকে জড়িয়ে ধরে দুমড়িয়ে মুচড়িয়ে খেয়ে ফেলে। তবে সে আবার কেন
রঙধনুর মতো, তাই তো প্রশ্ন? দেখলে অবশ্য এ কথা বলতে না। কারণ সাপটি দেখতে
সত্যিই রঙধনুর মতো। হরেক রকম রঙে রঙিন এই সাপটিকে তাই সবার প্রথমে রাখতেই
হচ্ছে। এখন নিশ্চয়ই জানতে চাইছো এদেরকে কোথায় পাওয়া যায়? এদেরকে দেখা যায়
দক্ষিণ আমেরিকাতে।
সবুজ গেছো অজগর (Emerald Tree Boa)
এটি একটি বিষহীন সাপ। এদেরকেও দক্ষিণ আমেরিকার রেইন ফরেস্টে দেখতে পাওয়া
যায়। গায়ের রঙ পুরো সবুজ, আর থাকেও গাছে গাছে। এজন্যই এর নাম হয়েছে সবুজ
গেছো অজগর। প্রাপ্তবয়স্ক হলে এরা প্রায় ৬ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে।
এদের সামনে যে দাঁত দুটো আছে সেগুলো অন্য যে কোনো বিষহীন সাপের চেয়ে বড়।
যখন কারো শরীরের রঙ অর্থাৎ চামড়া, চুল এবং চোখে স্বাভাবিক রঙ থাকে না তাকে অ্যালবিনো বলা হয়। সেরকমই একটি অজগর হলো এই সাপটি। অর্থাৎ এই সাপটিও স্বাভাবিক অজগরের মতো নয়। অন্তত রঙের দিক থেকে তো নয়ই। অদ্ভূত সুন্দর এর গায়ের রঙ। ভারতীয় উপমহাদেশে যতগুলো অজগর দেখা যায় তার মধ্যে এরাই সবচেয়ে বড় হয়ে থাকে। আর যদি সারা বিশ্বের কথা চিন্তা করা যায় তবে এটি দৈর্ঘ্যরে দিক থেকে ৬ষ্ঠ স্থান দখল করে আছে। এদেরকে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার রেইন ফরেস্টেও দেখা যায়।
নামের মতো এই সাপটিও দেখতে আসাধারণ। লাল আর সাদার অপূর্ব মিশ্রণে সাপটির চেহারা সত্যিই আকর্ষণীয়। এদেরকে পাওয়া যায় মেক্সিকোর সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকায়। গড়ে এরা ৪২ ইঞ্চি দীর্ঘ হয়ে থাকে। তবে ব্যাপার হলো গিয়ে এদেরও কিন্তু বিষ নেই।
এই ইঁদুরখেকো সাপটিকে সাধারণত উত্তর আমেরিকাতে দেখা যায়। এদেরকে অবশ্য ভুট্টা ক্ষেতের সাপও বলা হয়। কারণ এরা ভুট্টার জমিতে থাকে আর সেখানে যত ইঁদুর আছে সেগুলো ধরে ধরে খায়। তবে তাদের শরীরের বাহারি রঙ বেশ আকর্ষণীয়। সেদিক থেকে চিন্তা করলে এই সাপগুলোও সুন্দর সাপের তালিকাতেই পড়ে। প্রাপ্তবয়স্ক ইঁদুরখেকোগুলো ১.২ থেকে ১.৮ মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
বাহারি বুটিদার চেহারার জন্যই এই প্রজাতির অজগর সাপকে কার্পেট অজগর বলা হয়ে থাকে। তবে কোনো কোনো সময় এদেরকে ডায়মন্ড অজগরও বলা হয়। এই সাপের শরীরে চমৎকার কিছু নকশা দেখা যায়। সৌন্দর্যের দিক থেকে এরাও কোনো অংশে কম যায় না। কার্পেট অজগর পাওয়া যায় অস্ট্রেলিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং নিউ গিনিতে। এদের গড় দৈর্ঘ্য ২ থেকে ৪ মিটার এবং একেকটার ওজন ১৫ কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে।
জানো, সাপেরও শিং থাকে। বিশ্বাস হচ্ছে না? শিংওলা এই সাপটি দেখা যায় আফ্রিকার জঙ্গলে। শুধু শিং না, এদের সারা শরীরে আছে বাহারি রঙের নকশা। এই কারণেও এরা বিখ্যাত। এই সাপটি কিন্তু বিষাক্ত। কাজেই যদি কখনো এই সাপের সামনাসামনি হয়েই যাও, তবে এদের সৌন্দর্যে সবকিছু ভুলে গিয়ে আবার ধরতে চলে যেও না। তাহলেই কিন্তু কম্মো কাবার। এদের গড় দৈর্ঘ্য ৭২ সেমি থেকে ১০৭ সেমি পর্যন্ত হয়।
মোজার মধ্যে এবং অন্যান্য জায়গায় হরেক রকম রঙের রাবার ব্যবহার করা হয়। এ তো তোমাদের অজানা নয়। যদি এরকম একটি রাবার বেশ নড়েচড়ে বেড়ায় তবে কেমন লাগবে! হ্যাঁ, রাবার ঠিক নড়েচড়ে না কিন্তু এক ধরণের সাপ আছে যেগুলো দেখতে রাবারের মতো, অনেক রঙ তাদের গায়ে। আর এগুলো তো নড়েচড়ে বেড়াবেই। এদেরকে দেখা যায় আমেরিকাতে। তবে এদের তেমন বিষ নেই। কাজেই তেমন বিপজ্জনক হিসেবে এগুলোকে ধরা হয় না।
স্বর্গীয় গেছো সাপ (Paradise Tree Snake)
ভাবছো নিশ্চয়ই, এ আবার কেমন কথা!স্বর্গ থেকে নেমে এলো নাকি এই সাপ! আসলে
ব্যাপারটা তা নয়। এদের শরীরের উজ্জ্বল রঙের কারণে দেখতে লাগে অসাধারণ
সুন্দর। এ কারণেই এদেরকে বলা হয় স্বর্গীয় সাপ। এদের আরো একটা নাম রয়েছে।
কোনো কোনো জায়গায় উড়ন্ত সাপ নামেও ডাকা হয় এদেরকে। এরা গাছের উপর থেকে ১০০
মিটার পর্যন্ত লাফ দিতে পারে। এজন্যই এই নামকরণ। এই স্বর্গীয় গেছো
সাপগুলোকে পাওয়া যায় এশিয়াতেই।
নীল উপকূলীয় সাপ (Blue Coral Snake)
বেগুনী অথবা গাঢ় নীল রঙের এই সাপটিকে পাওয়া যায় ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর এবং থাইল্যান্ডে। মজার ব্যাপার হচ্ছে সাপটির পুরো গায়ের রঙ নীল হলেও মাথা এবং লেজের রঙ গাঢ় লাল রঙের। এ কারণেই একে দেখতে অসাধারণ সুন্দর লাগে। তবে এও কিন্তু ভয়ংকর সুন্দর। মানে হলো এটিও বিষধর সাপ।বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম/এসএ/সাগর/এইচআর/জানুয়ারি ২৭/১১
- মায়ের ভালোবাসা
- আলোর পাখি নাম জোনাকি
- আমাদের প্রথম সরকার
- লৌহমানবী মার্গারেট থ্যাচার
- 'কচি-কাঁচা'র দাদাভাই
- প্রকাশক, যারা প্রকাশ করেন বই
- শাহবাগের গল্প
- পৃথিবীর সবচেয়ে বড়ো গুহা
- এক নজরে ২০১৩-এর বইগুলো
- সালতামামি : খবরাখবর
- গ্রিম ভাইদের সেই বইটি!
- গুপ্তধনের সন্ধানে
- কোরবানির ঈদের কথা
- ক্রিকেট বলের কথা
- বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ
- অলিম্পিকের যতো অনুষঙ্গ
- রবি কবির কুঠিবাড়ি
- মে দিবসের গল্প
- হারিয়ে যাওয়া টাইটানিক, খুঁজে পাওয়া টাইটানিক
- 'আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন'
- বইমেলায় বইয়ের মেলা'র শেষ
- বইমেলায় বইয়ের মেলা- ৫
- বইমেলায় বইয়ের মেলা- ৪
- ২১ ফেব্রুয়ারির প্রথম গান, কবিতা ও প্রভাত ফেরি
- বইমেলায় বইয়ের মেলা- ৩
- পানিতে এরা কারা আবার!
- বইমেলায় বইয়ের মেলা- ২
- বইমেলায় বইয়ের মেলা
- শুধুই তোমাদের জন্য 'হট্টিটি'
- বেজায় খুশির বড়দিন
- ভাষার খোঁজে নেপালে
- ভ্যাম্পায়ার নয়, বাদুড়!
- পানিতে এরা কারা?
- তেভাগা'র রাণীমা
- সেই ৮টি শাশ্বত ডাকটিকিট
- সবচেয়ে সুন্দর জেলিফিশগুলো
- হারাতে বসা পাখিগুলো
- ছবিওয়ালা নজরুল
- ডোরাকাটা জেব্রা
- বার্লিন দেয়ালের গল্প
- সাদাকো আর সহস্র সারস
- বিজ্ঞানের গুণী ছাত্র রবি
- রবীন্দ্রনাথের লেখা 'বিচিত্রিতা'!
- ভয়ংকর যতো হাঙর
- বহু ভাষাবিদ এক জ্ঞান তাপস
- ডেড সি নিয়ে আরো ১
- ভালো আছি ; বাবাকে ছাড়া- অনন্য আজাদ
- ড. আবদুল্লাহ আল-মূতিকে নিয়ে ছেলে আহমদ নাবীলের স্মৃতিকথন 'আমার আব্বা'
- আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাসে ৬ দফা
- দ্রুতগতির উড়ুক্কুরা
- ধাঁধা মিলালেই পুরস্কার
- পরিবেশ কুইজের উৎসবে
- ভয়ংকর-সুন্দরী শুঁয়োপোকা
- মায়ের ভালবাসার দিন
- অবাক করা সবাক নদী
- পৃথিবীর ভয়ঙ্কর সুন্দর সব সড়ক
- আমাজনের গোলাপি ডলফিন
- আমাদের মঙ্গল শোভাযাত্রা
- আকাশ থেকে মহাকাশে
- বিশ্বকাপ ফাইনালের বাকি ৫
- ভূমিকম্প পন্ডিত!
- বিশ্বকাপ ফাইনালের ৪ রোমাঞ্চ
- সাগরতলের ভাস্কর্য রাজ্য
- বঙ্গবন্ধুর ছেলেবেলা
- হারাতে বসা অদ্ভূত বনগুলো
- চলো ঘুরে আসি বিশ্বকাপের চট্টগ্রামে
- বিশ্বকাপের যতো অদ্ভূতুড়ে গল্প
- 'ঢাকার হৃদয় মাঠখানি'
- শহীদ মিনার তৈরির গল্প
- ক্রিকেটের যতো মজারু
- ক্রিকেট মানে ঝিঁঝিঁ পোকা!
- টেনিদা-ঘনাদা-শঙ্কু- ৩ মূর্তি'র গপ্পো
- এই বিশ্বকাপ আসরের যতো স্টেডিয়াম
- ভয়ংকর সুন্দর
- একটি জামার পতাকা হয়ে ওঠার গল্প
- শীতের পিঠার রূপকথা
- বঙ্গবন্ধুর বাড়ি ফেরা
- রংবাহারি পাখির গল্প
- নিউ ইয়ার এলো যেভাবে
- ডিজনিল্যান্ডের ক্রিসমাস
- বড়দিনের গাছ
- সবজান্তা'র ক্রিসমাস
- আমাদের স্মৃতির সৌধ
- জলদস্যু: ব্ল্যাক বিয়ার্ড (শেষ পর্ব)
- জলদস্যু: ব্ল্যাক বিয়ার্ড (৫ম পর্ব)
- ঘুড়ি নিয়ে উৎসব
- জলদস্যু: ব্ল্যাক বিয়ার্ড (৪র্থ পর্ব)
- জলদস্যু: ব্ল্যাক বিয়ার্ড (৪র্থ পর্ব)
- রেইন ফরেস্টের জীব-জন্তু
- কৃষ্ণবিবরের কথা
- জলদস্যু ব্ল্যাকবিয়ার্ড (৩য় পর্ব)
- জলদস্যু: ব্ল্যাক বিয়ার্ড (২য় পর্ব)
- জলদানব টাইগারফিশ
- জলদস্যু: ব্ল্যাক বিয়ার্ড
- নোবেল পুরস্কারের আদ্যোপান্ত
- স্তন্যপায়ী মাছ!
- অক্টোপাসের অষ্টপাশ
- কাঠখেকো ক্যাটফিশ
- না দেখলে আজই দেখো- হীরক রাজার দেশে
- আমাদের জাতীয় কবি'র স্মৃতি নজরুল ইন্সটিটিউট
- বিশ্বসেরা যতো জাদুঘর
- বিচিত্র যতো জাদুঘর
- আজকের সূর্যটা শোক আর মন খারাপের
- সূর্যের বয়স কতো?
- প্রজাপতির বাচ্চা-কাচ্চা
- কোমোডো দ্বীপের ড্রাগন
- ‘ইশান্ত’ এর বন্ধুদের আঁকা ছবির প্রদর্শনী
- সর্প নিয়ে গপ্পো-সপ্পো!
- ইউএফও নিয়ে যতো কান্ড!
- সেরা ৫ কমিক হিরো
- ভয়ংকর সুন্দর ভালকানের পাহাড়!
- ১১ জুলাই : মানুষের সংখ্যা নিয়ে দিবস
- সূর্যের সংসার
- বিষধর ১০ ব্যাঙ এর গপ্পো
- ভারত আবিস্কারের অভিযাত্রা
- গুপ্তধনের সন্ধানে
- বাবা নিয়ে সারাবেলা
- বাবাদের বিচিত্র কাজ
- বিশ্বকাপের এবারের স্টেডিয়ামগুলো
- এভারেস্টের চূড়ায়
- জলদস্যুদের যতো গল্প
- ভ্যাম্পায়ার! ভ্যাম্পায়ার!!
- ফুটবল নক্ষত্র: সেরা কে!
- যতো কাণ্ড বিশ্বকাপে!
- নানা দেশের জাতীয় কবি
- ঝড় ঝাপ্টার কাহিনী
- প্রকৃতির আজব খেয়াল
- মায়ের স্মৃতি মায়ের গল্প
- বিভিন্ন ভাষায় মায়ের ডাক
- অধিকার বিপ্লব আর প্রতিবাদের দিন
- আমাদের যতো নৌকা
- অ্যানিমেশনের মজার জগত
- পাহাড়ি সিংহের বিচিত্র জীবন
- এবারের অ্যাস্ট্রো-অলিম্পিয়াড
- আমার বাবা
- টুঙ্গিপাড়ার খোকা
- সবচে বড় কুকুর জর্জ
- জলাভূমির মৃত্যুদানব
- তাইশানের বাড়ি ফেরা
- ভাষার জন্য যুদ্ধ
- প্রিয় লেখকের প্রিয় বই
- 'বেলজিবুফো' নরকের ব্যাঙ!
- ভীতুর ডিম!
- রঙীন ডাইনোসর!
- ২০১০ এর ১০ শপথ
- ভার্জিনিয়ার চিঠি
- ক্রিসমাস পাজল
- নানা রঙের ক্রিসমাস
- ক্রিসমাস ট্রি অর্নামেন্ট
- ক্রিসমাস স্টকিং
- বুড়ো দাদুর কথা
- স্বাধীনতা শব্দটি কিভাবে আমাদের হলো
- গল্পে ছড়ায় ছবিতে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস
- কাগজের সাপ কামড় দেয় না
- ডামইয়াং এর অ্যাস্ট্রোনমি অলিম্পিয়াডে
- জয়তু শৈশব
- সুডোকু : চেষ্টা করো, ভুল করো, ঠিক করো
- এসো আঁকি মজার কার্টুন
- যাবে নাকি ডিজনিল্যান্ড?
- হারিয়ে যাচ্ছে পান্ডা!
- সোয়াইন ফ্লু: ঘাবড়াও মাৎ, নিজে হও সাবধান
- অনন্য এক কবির গল্প
- আমাদের সূর্য আমাদের 'রবি'
- হিরোশিমার চিলড্রেন্স পিস মন্যুমেন্ট
- 'বাবা' ডাক বিভিন্ন ভাষায়!
- বাবাকে নিয়ে মুভি, বাবার সঙ্গে মুভি
- কল্পনার রোবট, বাস্তবের রোবট
- মায়ের মতো মা
- মে দিবসের ইতিকথা
- ছুঁতে চাই অনন্ত আকাশ
- প্রাণের মেলা- নববর্ষ
- প্রাণের মেলা নববর্ষ
- বুড়ো 'রিপ ভ্যান উইংকেল'
- লাল সবুজের পতাকা
- জীবজগতে বেঁচে থাকার কৌশল- ইকোসিস্টেম
- বুদ্ধিমান ডলফিন
- হাজার বইয়ের রাজ্যে চলো...
- স্মল পক্সের বিরুদ্ধে শিশুদের যুদ্ধ
- টিউলিপ ও রাজকুমারী
- দশই মুহররম
- নাম ছিলো তার প্লুটো
- মাটির হাঁটাহাটি
- সবার প্রিয় মার্ক টোয়েন
- বই পাগল একজন
- গ্যালিলিও ও বৃহস্পতির চাঁদ
- চাঁদের পাহাড়
- চোখের ঢাকনা
- মাটির সেনাবাহিনী
- বিড়ালের ভাষা
- কানের আবার পোষাক!
- চপষ্টিক
- ভালোবাসার লবণ
- এক নজরে বারাক ওবামা
- ২০০৮ সালের নোবেল পুরস্কার যাদের ঘরে গেল...
- দাবার জন্মকথা
- গল্পের জাদুকর ঈশপ
- রেড ইন্ডিয়ান: ভুল নামই যাদের পরিচয়
- হাজার বছরের বিষ্ময় পিরামিড
- মজার কমিকস টিনটিন
- টুথপেস্টের কথা
- ইউএফও: এক অজানা রহস্য
- রেইনফরেস্টের গল্প
- দেশ-বিদেশের ঈদের খুশি
- এনিড ব্লাইটনের গল্প
- বন্ধু সবুজ চিরদিন...
- `হ্যারি পটার গল্পের চিন্তা আমি ট্রেনে বসে পাই...',বললেন জে কে রাউলিং
- ফলের রাজপুত্তুর
- আহা, বাইসাইকেল!
- বৃষ্টি উৎসব
- বাবার জন্য ভালোবাসা
- আমাদের দুখু মিয়া
- মা কে নিয়ে ছড়া কবিতা
- রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই








