সালতামামি : খবরাখবর
নাবীল আল জাহান
শেষ হয়ে গেল ২০১২ সাল। আবারো এল নতুন বছর, আবার নতুন করে শুরু হবে দিনগণনা। তবে পুরোনো বছরটি ফুরিয়ে গেলেও, পুরোনো বছরের সব কাজই কিন্তু থেকে যাবে। তো, পুরোনো হয়ে যাওয়া ২০১২ সালটিতে তোমাদের কী কী হয়েছিল, মনে আছে? কোন কোন খবরাখবর দিয়েছিলাম তোমাদেরকে? তোমাদের জন্য কোন কোন আয়োজন হয়েছিল বছরজুড়ে? ভুলে গেলেও সমস্যা নেই, সে সব খবরাখবর থেকে বাছাই করা সংবাদগুলো নিয়ে, এবার কিডজ তোমাদেরকে একটা আস্ত সালতামামি-ই বানিয়ে দিল। এক নজরে দেখে নাও তোমাদের জন্য গত বছরের আয়োজনগুলো।
প্রতি বছরের মতো এ বছরও, বছরের শুরুতেই ‘৫ম আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র উৎসব বাংলাদেশ’ আয়োজন করে চিলড্রেন্স ফিল্ম সোসাইটি। উৎসবটিতে মোট ৪০টি দেশের ২০০-রও বেশি সিনেমা দেখানো হয়। আর জানোই তো, পুরো উৎসবটাই তোমাদের; আয়োজনও করা হয় তোমাদের জন্য, আয়োজনের বিভিন্ন দায়িত্বেও থাকে তোমাদের মতো শিশুরা।
এ বছর উৎসবটি হয় ২১-২৭ জানুয়ারি। আর এবছরের উৎসবটির বিশেষত্ব কী ছিল জানো? এবার উৎসবটি একযোগে হয়েছে ৭টি বিভাগীয় জেলাতেই; মানে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট, খুলনা, রংপুর আর বরিশালে।
৭টি বিভাগীয় জেলাতে মোটমাট ২০টি ভেন্যুতে হয় এবারের উৎসবটি। বরাবরের মতোই, কেন্দ্রীয় ভেন্যু রাজধানীর শাহবাগের পাবলিক লাইব্রেরি অডিটোরিয়াম। ঢাকার অন্যান্য ভেন্যুগুলোর মধ্যে আছে- বৃটিশ কাউন্সিল (ফুলার রোড), রুশ বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি কেন্দ্র (আরসিসি), আলিয়ঁস ফ্রসেজ (ধানমন্ডি ও উত্তরা), আল নাহিয়ান কমপ্লেক্স (মিরপুর), ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় (সোবহানবাগ) ও কলেজ অব লেদার টেকনোলজি (হাজারীবাগ)। এছাড়া চট্টগ্রামের ভেন্যুগুলো হল- আলিয়ঁস ফ্রসেজ, থিয়েটার ইন্সটিটিউট, ফুলকি স্কুল, হলি ফ্যামিলি টিউটোরিয়াল, সবুজ সংঘ মাঠ ও দুর্বার স্কাউট মাঠ। রাজশাহীতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ অডিটোরিয়াম, সিলেটে সিলেট অডিটোরিয়াম, খুলনায় খুলনা বিভাগীয় জাদুঘর অডিটোরিয়াম, রংপুরে রংপুর জিলা স্কুল অডিটোরিয়াম এবং বরিশালে অশ্বিনী কুমার টাউন হলে সিনেমা দেখানো হয়।
উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ছিল ২১ জানুয়ারি শনিবার, বিকাল ৪টায়, কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরীতে। উদ্বোধন করেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) এ কে খন্দকার। আর সভাপতিত্ব করেন মুস্তাফা মনোয়ার। আর সমাপনী অনুষ্ঠান হয় ২৭ জানুয়ারি সন্ধ্যায়।
উৎসবে তোমাদের জন্য আমাদের দেশের সিনেমা তো ছিলই, আরো ছিল আমেরিকা, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, স্পেন, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, ইরান, মেক্সিকো, রাশিয়াসহ মোটমাট ৪০টি দেশের দুইশটিরও বেশি সিনেমা। আর শুধু যে এই মুভিগুলোই দেখানো হয় তাই না, ছিল তোমাদের মতো শিশুদের তৈরি ৩২টি সিনেমাও। এগুলো নিয়ে ওরা রীতিমতো প্রতিদ্ব›িদ্বতা করেছে; আর যে ৫টা সিনেমা জয়ী হয়, তার নির্মাতারা পেয়েছে ক্রেস্ট, সার্টিফিকেট আর আরেকটা সিনেমা বানানোর জন্য ২৫ হাজার টাকা!
উৎসবটির সমাপনী অনুষ্ঠান আয়োজিত হয় ২৭ জানুয়ারি, শুক্রবার। ঢাকার পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে। আর সেই অনুষ্ঠানেই ৫জন বিজয়ীর হাতে পুরস্কার তুলে দেয়া হয়। প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়ে কারা পুরস্কার পেলো জানতে ইচ্ছে করছে? বলছি, শোনো- প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছে মো. তৌকির ইসলাম (সিনেমা: দ্য ইউনিট)। দ্বিতীয় ও তৃতীয় হয়েছে যথাক্রমে রায়হান আহম্মেদ (সিনেমা: ৩ নভেম্বর) ও আবুল কালাম আজাদ (সিনেমা: চ্যাপলিন রিটার্নস)। এ ছাড়াও বিশেষ পুরস্কার পেয়েছে আরো দু’জন- আবির ফেরদৌস (সিনেমা: ৩... ২... ১... ০ অ্যাকশন) ও নাফিসা ফাতেহা (সিনেমা: বর্ণহীন)।
শিল্পী কামরুল হাসানের নাম শুনেছো না? তিনি হলেন এ দেশের বিখ্যাত ছবি-আঁকিয়েদের অন্যতম। তিনি অবশ্য পটুয়া কামরুল হাসান নামেই বেশি পরিচিত। আর ২০১২ সালে তাঁর কতোতম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হলো জানো? ২৪তম। তিনি মারা গেছেন ১৯৮৮ সালের ২ ফেব্রæয়ারি। তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ‘শতাব্দীর কামরুল উদযাপন পরিষদ’ তোমাদের জন্য আয়োজন করেছিল ছবি আঁকার প্রতিযোগিতা। প্রতিযোগিতাটি আয়োজিত হয় ফেব্রুয়ারির ৩ তারিখ, শুক্রবার সকাল ১১টায়; শিশু একাডেমী প্রাঙ্গণে।
সুন্দর করে লেখ বাংলা বর্ণমালা
আমাদের সবার প্রিয় এই বাংলা বর্ণমালা কত্তো সুন্দর! আর এই বর্ণমালাকে যারা সুন্দর করে লিখতে পারে, তাদেরকে তো বর্ণমালার শিল্পীই বলা দরকার, তাই না? জানো নাকি, এই বর্ণমালা কে কতো চমৎকার করে লিখতে পারে সে বিষয়ে প্রতিবছরই একটা প্রতিযোগিতা হয়? প্রতি বছর একুশে ফেব্রুয়ারির ঠিক পরের শুক্রবারই আয়োজিত হয় এ অনুষ্ঠান। তার মানে, ২০১২ সালে অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়েছিল ২৪ ফেব্রæয়ারি, শুক্রবার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় অবস্থিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে সারা দিনব্যাপী আয়োজিত এই অনুষ্ঠান শুরু হয়েছিল সকাল ৮টায়।
আর সবচেয়ে ভালো খবর কোনটা জানো? অনুষ্ঠানটার ২৫ বছর পূর্তি হয়ে গেল এ বছর। আর ২৫ বছর পূর্তি উদযাপন করতে এ বছরের প্রতিযোগিতাটির আয়োজন করা হয়েছে সারা দেশজুড়ে। প্রতিযোগিতাটির আয়োজক, কারক নাট্য সম্প্রদায় নামের একটি নাটকের সংগঠন। এবারের প্রতিযোগিতার স্লোগান ছিল- এসো রক্তে জেতা বর্ণমালা সুন্দর করে লিখি।
বর্ণ লিখন প্রতিযোগিতায় প্রতিযোগীদের কী লিখতে হয়েছিল বলতে পারো? ওদের লিখতে হয়েছিল বাংলা বর্ণমালার সবগুলো বর্ণ। স্বরবর্ণ-ব্যঞ্জনবর্ণ সব। আর প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য শিশুদেরকে তিনটি বিভাগে ভাগ করা হয়েছিল- যারা এখনো প্রথম শ্রেণীতেও ওঠেনি, তারা ক বিভাগে; যারা প্রথম শ্রেণীতে পড়ে, তারা খ বিভাগে; আর যারা দ্বিতীয় শ্রেণীতে পড়ে তারা গ বিভাগে।
এখন যারা আরো বড়, তারা কী করবে? তাদের জন্যও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ ছিল। ৩য় থেকে ৫ম শ্রেণী পড়ুয়াদের প্রতিযোগিতা ছিল, কে কতো সুন্দর করে ভাষা শহীদদের নাম লিখতে পারে। সব ভালবাসা আর শ্রদ্ধা মিশিয়ে রঙিন অক্ষরে ভাষা শহীদদের নাম লিখতে হবে। আর সেই অনুষ্ঠানে কিন্তু ভাষা সৈনিকেরা যারা এখনো বেঁচে আছেন, তাঁরাও এসেছিলেন; এসেছিলেন আব্দুল লতিফ, কামাল লোহানীসহ আরো অনেকেই।
অনুষ্ঠানে আরো ছিল একদম ছোট্টদের ‘হাতে খড়ি’র আয়োজন। হাতে খড়ি তো বোঝোই, ঐ যে তুমি একদম প্রথম যেদিন লিখেছিলে, সেদিন তোমার বাবা-মা যে উৎসব করেছিলেন। আর উৎসবে যে শিশুরা হাতে খড়ি নিতে গিয়েছিল, তাদের হাতে খড়ি কারা দিয়েছেন, জানো? স্বয়ং ভাষাসৈনিকেরা। হাতে খড়ি নেওয়ার পর ওদেরকে শহীদ মিনারে আলপনা আঁকতেও দেওয়া হয়েছিল। অবশ্য, সত্যি সত্যি আলপনা আঁকেনি; একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে শহীদ মিনারে যে আলপনা আঁকা হয়েছিল, তার উপরেই হাত ঘুরিয়েছে ওরা।
পরে বিকেল ৩টায় প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান করা হয়। আর এরপর ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সেই অনুষ্ঠানে সারগাম ললিতকলা একাডেমীর শিল্পীরা সবাইকে একুশের গান গেয়ে শোনান।
গোটা ফেব্রুয়ারি মাসজুড়েই তো বইমেলা হয়। সেই বইমেলার নাম তো জানোই- অমর একুশে গ্রন্থমেলা। কিন্তু সে তো সব্বার জন্য বইমেলা। শুধু তোমাদের জন্য আস্ত একটা বইমেলা হওয়া উচিত না? সেটাও কিন্তু হয়েছে ২০১২ সালে। আর সে বইমেলাটির আয়োজন করেছিল বাংলাদেশ শিশু একাডেমী।
বইমেলাটির নাম ছিল ‘বাংলাদেশ শিশু একাডেমী বইমেলা ২০১২’। শুধু তোমাদের জন্যই আয়োজিত এই বইমেলাটির স্লোগান ছিল, ‘পড়বো যতো জানবো ততো, বন্ধু নাই বইয়ের মতো’। কী সুন্দর না স্লোগানটা? আর মেলাটি চলেছিল ১৫ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত। মানে, মোটমাট ১২ দিনব্যাপী বইমেলা। কোথায় হয়েছিল? ঢাকার রমনায় অবস্থিত শিশু একাডেমী প্রাঙ্গণে। মেলায় অংশ নিয়েছে মোট ৮৭টি প্রকাশনা।
আই-টি মেলা: মাই ই-কিডস ক্যাম্প
এখন তো তথ্যপ্রযুক্তির যুগ; কম্পিউটার, ইন্টারনেট- এসব ছাড়া একটি দিনের কথাও কী ভাবা যায়? আচ্ছা, তোমাদের জন্য একটা ই-মেলা হলে কেমন হয় বলো তো? শুধুই তোমাদের জন্য এমন একটা ই-মেলার আয়োজন হয়েছিল ১৬ মার্চ। শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৫টা পর্যন্ত মেলাটি হয়েছে রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ কলাবাগান ক্লাব মাঠে। আর মেলাটির আয়োজন করেছিল ই-মিডিয়া আর ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল স্কুল। মেলাটির নাম কী ছিল? ‘মাই ই-কিডস ক্যাম্প ২০১২’।
সকালে বেলুন আর পায়রা উড়িয়ে মেলার উদ্বোধন করেন দুই লেখক আনিসুল হক ও ইমদাদুল হক মিলন। আর মেলায় এসেছিল ঢাকা ও আশপাশের প্রায় দেড়শ স্কুলের কয়েক হাজার শিশু-কিশোর। সঙ্গে ওদের বাবা-মা আর শিক্ষকেরাও এসেছিলেন।
মেলায় কী কী আয়োজন ছিল? ছিল আইটি মেলা, ইন্টারনেট জোন, গেমস কর্নার, পাপেট শো, টয় ট্রেইন, বাউন্সি বল, স্ট্রিট ম্যাজিক, আরো কতো মজার মজার সব আয়োজন। সঙ্গে ছিল মজার মজার সব প্রতিযোগিতাও- ডিজিটাল আর্ট, কম্পিউটার গেইমসের মতো ইন্টারনেটভিত্তিক প্রতিযোগিতার পাশাপাশি রচনা প্রতিযোগিতা, সঙ্গীত প্রতিযোগিতা, আবৃত্তি প্রতিযোগিতা আর যেমন খুশি তেমন সাজো প্রতিযোগিতাও ছিল।
শুধু তাই না, মেলায় তোমাদের মতো যারা এসেছিল, তাদের গান শোনাবার জন্য এসেছিল ক্লোজ আপ ওয়ান আর চ্যানেল আই ক্ষুদে গানরাজের গায়কেরাও।
জয়নুল আবেদীন আর্ট স্কুলের নাম শুনেছো? এই আর্ট স্কুলের একটি শাখা আছে গাজীপুর জেলার টঙ্গীতে। জয়নুল আবেদীন আর্ট স্কুলের এই টঙ্গী শাখা ২০১২ সালে আয়োজন করেছিল এক শিশু চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনীর।
এটি ছিল প্রতিযোগিতাটির অষ্টম আয়োজন। ‘অষ্টম শিশু চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনী ২০১২’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়েছিল ৩০ সেপ্টেম্বর, রবিবার বিকেল ৪টায়; জাতীয় জাদুঘরের সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এসেছিলেন বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ। তিনি শুধু অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণাই করেননি, পুরস্কারপ্রাপ্ত শিশুদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণও করেন। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কানাডা, নরওয়ে ও সুইডেনের রাষ্ট্রদূতগণ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের অধ্যাপক রোকেয়া সুলতানা, সাবেক পররাষ্ট্র সচিব ফারুক সোবহান এবং আব্দুল মোনেম লিমিটেডের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এস এম মাইনুদ্দিন মোনেম।
অলিম্পিক গেইমসের কথা মনে আছে তো? সেই যে পুরো পৃথিবীর ক্রীড়াবিদরা মিলে লন্ডনে গিয়ে রাজ্যের খেলায় অংশ নিল। সেই অলিম্পিক গেইমসকে উপলক্ষ করে আমাদের দেশেই, বৃটিশ কাউন্সিল এক চিত্রাঙ্কণ প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিল। প্রতিযোগিতার স্লোগান ছিল- ‘অলিম্পিক দেখ ছবি আঁকো’। আর সেই চিত্রাঙ্কণ প্রতিযোগিতা ছিল শুধুই তোমাদের মতো শিশুদের নিয়ে।
পরে, ৬ অক্টোবর, শনিবার, রাজধানী ঢাকার ফুলার রোডের বৃটিশ কাউন্সিলে ওই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে এক মিলনমেলার আয়োজন করা হয়েছিল। তাতে এসেছিল অংশগ্রহণকারী সব্বাই। সেদিন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরষ্কার দেওয়া হয়েছে।
প্রতিযোগিতাটি আয়োজিত হয়েছিল দু’টি পর্বে। প্রথম পর্বে, দেশের বিভিন্ন জেলার খুদে আঁকিয়েরা অংশ নেয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে খুদে আঁকিয়েরা ওদের ছবি পাঠিয়েছিল ঢাকার বৃটিশ কাউন্সিলে। ছবি এসেছিল প্রায় দেড় হাজার। সেই ছবিগুলো থেকে তিনটি গ্রæপের জন্য বাছাই করা হয়েছিল ৩০টি করে মোট ৯০টি ছবি। আর সেই বাছাই করার কাজে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন শিল্পী হাশেম খান। তাদের বাছাই করা এই ৯০টি ছবি-ই চূড়ান্ত পর্বে তিনটি গ্রুপে প্রতিযোগিতা করে।
চূড়ান্ত পর্বে প্রতিযোগিতা করা ছবিগুলো থেকে, প্রতি গ্রুপ থেকে তিনটি ছবিকে পুরষ্কৃত করা হয়। বিজয়ীদের পুরষ্কারের পাশাপাশি সার্টিফিকেট আর ক্রেস্টও দেওয়া হয়। এছাড়াও, সকল প্রতিযোগীকেই দেওয়া হয়েছে সার্টিফিকেট।
ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০১২-তে 'চিলড্রেন্স ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড'
এ বছর ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০১২ কবে কোথায় আয়োজিত হয়েছে তা তো জানোই; ৬-৮ ডিসেম্বর, আগারগাঁওয়ের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক কনফারেন্স সেন্টারে। আসল খবর যেটা, এই আয়োজনে শুধু তোমাদের জন্যই একটা আয়োজন ছিল, ‘চিলড্রেন ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড’ শিরোনামে।
চিলড্রেন ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড অনুষ্ঠিত হয় ৮ ডিসেম্বর, দুপুর ২.৩০ মিনিট থেকে বিকাল ৪.৩০ মিনিট পর্যন্ত। অনুষ্ঠানটিতে তোমাদের ভাবনাগুলো তুলে ধরে বিভিন্ন স্কুলের ৬ষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা। তোমাদের কোন কোন ভাবনার কথা ওরা বলেছিল? আগামী দিনের প্রযুক্তি, শিক্ষা, পরিবেশ এবং উন্নত শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে তোমাদের স্বপ্নের কথা।
বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম/এনজে/সাগর/ডিসেম্বর ৩১/১২
- মায়ের ভালোবাসা
- আলোর পাখি নাম জোনাকি
- আমাদের প্রথম সরকার
- লৌহমানবী মার্গারেট থ্যাচার
- 'কচি-কাঁচা'র দাদাভাই
- প্রকাশক, যারা প্রকাশ করেন বই
- শাহবাগের গল্প
- পৃথিবীর সবচেয়ে বড়ো গুহা
- এক নজরে ২০১৩-এর বইগুলো
- সালতামামি : খবরাখবর
- গ্রিম ভাইদের সেই বইটি!
- গুপ্তধনের সন্ধানে
- কোরবানির ঈদের কথা
- ক্রিকেট বলের কথা
- বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ
- অলিম্পিকের যতো অনুষঙ্গ
- রবি কবির কুঠিবাড়ি
- মে দিবসের গল্প
- হারিয়ে যাওয়া টাইটানিক, খুঁজে পাওয়া টাইটানিক
- 'আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন'
- বইমেলায় বইয়ের মেলা'র শেষ
- বইমেলায় বইয়ের মেলা- ৫
- বইমেলায় বইয়ের মেলা- ৪
- ২১ ফেব্রুয়ারির প্রথম গান, কবিতা ও প্রভাত ফেরি
- বইমেলায় বইয়ের মেলা- ৩
- পানিতে এরা কারা আবার!
- বইমেলায় বইয়ের মেলা- ২
- বইমেলায় বইয়ের মেলা
- শুধুই তোমাদের জন্য 'হট্টিটি'
- বেজায় খুশির বড়দিন
- ভাষার খোঁজে নেপালে
- ভ্যাম্পায়ার নয়, বাদুড়!
- পানিতে এরা কারা?
- তেভাগা'র রাণীমা
- সেই ৮টি শাশ্বত ডাকটিকিট
- সবচেয়ে সুন্দর জেলিফিশগুলো
- হারাতে বসা পাখিগুলো
- ছবিওয়ালা নজরুল
- ডোরাকাটা জেব্রা
- বার্লিন দেয়ালের গল্প
- সাদাকো আর সহস্র সারস
- বিজ্ঞানের গুণী ছাত্র রবি
- রবীন্দ্রনাথের লেখা 'বিচিত্রিতা'!
- ভয়ংকর যতো হাঙর
- বহু ভাষাবিদ এক জ্ঞান তাপস
- ডেড সি নিয়ে আরো ১
- ভালো আছি ; বাবাকে ছাড়া- অনন্য আজাদ
- ড. আবদুল্লাহ আল-মূতিকে নিয়ে ছেলে আহমদ নাবীলের স্মৃতিকথন 'আমার আব্বা'
- আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাসে ৬ দফা
- দ্রুতগতির উড়ুক্কুরা
- ধাঁধা মিলালেই পুরস্কার
- পরিবেশ কুইজের উৎসবে
- ভয়ংকর-সুন্দরী শুঁয়োপোকা
- মায়ের ভালবাসার দিন
- অবাক করা সবাক নদী
- পৃথিবীর ভয়ঙ্কর সুন্দর সব সড়ক
- আমাজনের গোলাপি ডলফিন
- আমাদের মঙ্গল শোভাযাত্রা
- আকাশ থেকে মহাকাশে
- বিশ্বকাপ ফাইনালের বাকি ৫
- ভূমিকম্প পন্ডিত!
- বিশ্বকাপ ফাইনালের ৪ রোমাঞ্চ
- সাগরতলের ভাস্কর্য রাজ্য
- বঙ্গবন্ধুর ছেলেবেলা
- হারাতে বসা অদ্ভূত বনগুলো
- চলো ঘুরে আসি বিশ্বকাপের চট্টগ্রামে
- বিশ্বকাপের যতো অদ্ভূতুড়ে গল্প
- 'ঢাকার হৃদয় মাঠখানি'
- শহীদ মিনার তৈরির গল্প
- ক্রিকেটের যতো মজারু
- ক্রিকেট মানে ঝিঁঝিঁ পোকা!
- টেনিদা-ঘনাদা-শঙ্কু- ৩ মূর্তি'র গপ্পো
- এই বিশ্বকাপ আসরের যতো স্টেডিয়াম
- ভয়ংকর সুন্দর
- একটি জামার পতাকা হয়ে ওঠার গল্প
- শীতের পিঠার রূপকথা
- বঙ্গবন্ধুর বাড়ি ফেরা
- রংবাহারি পাখির গল্প
- নিউ ইয়ার এলো যেভাবে
- ডিজনিল্যান্ডের ক্রিসমাস
- বড়দিনের গাছ
- সবজান্তা'র ক্রিসমাস
- আমাদের স্মৃতির সৌধ
- জলদস্যু: ব্ল্যাক বিয়ার্ড (শেষ পর্ব)
- জলদস্যু: ব্ল্যাক বিয়ার্ড (৫ম পর্ব)
- ঘুড়ি নিয়ে উৎসব
- জলদস্যু: ব্ল্যাক বিয়ার্ড (৪র্থ পর্ব)
- জলদস্যু: ব্ল্যাক বিয়ার্ড (৪র্থ পর্ব)
- রেইন ফরেস্টের জীব-জন্তু
- কৃষ্ণবিবরের কথা
- জলদস্যু ব্ল্যাকবিয়ার্ড (৩য় পর্ব)
- জলদস্যু: ব্ল্যাক বিয়ার্ড (২য় পর্ব)
- জলদানব টাইগারফিশ
- জলদস্যু: ব্ল্যাক বিয়ার্ড
- নোবেল পুরস্কারের আদ্যোপান্ত
- স্তন্যপায়ী মাছ!
- অক্টোপাসের অষ্টপাশ
- কাঠখেকো ক্যাটফিশ
- না দেখলে আজই দেখো- হীরক রাজার দেশে
- আমাদের জাতীয় কবি'র স্মৃতি নজরুল ইন্সটিটিউট
- বিশ্বসেরা যতো জাদুঘর
- বিচিত্র যতো জাদুঘর
- আজকের সূর্যটা শোক আর মন খারাপের
- সূর্যের বয়স কতো?
- প্রজাপতির বাচ্চা-কাচ্চা
- কোমোডো দ্বীপের ড্রাগন
- ‘ইশান্ত’ এর বন্ধুদের আঁকা ছবির প্রদর্শনী
- সর্প নিয়ে গপ্পো-সপ্পো!
- ইউএফও নিয়ে যতো কান্ড!
- সেরা ৫ কমিক হিরো
- ভয়ংকর সুন্দর ভালকানের পাহাড়!
- ১১ জুলাই : মানুষের সংখ্যা নিয়ে দিবস
- সূর্যের সংসার
- বিষধর ১০ ব্যাঙ এর গপ্পো
- ভারত আবিস্কারের অভিযাত্রা
- গুপ্তধনের সন্ধানে
- বাবা নিয়ে সারাবেলা
- বাবাদের বিচিত্র কাজ
- বিশ্বকাপের এবারের স্টেডিয়ামগুলো
- এভারেস্টের চূড়ায়
- জলদস্যুদের যতো গল্প
- ভ্যাম্পায়ার! ভ্যাম্পায়ার!!
- ফুটবল নক্ষত্র: সেরা কে!
- যতো কাণ্ড বিশ্বকাপে!
- নানা দেশের জাতীয় কবি
- ঝড় ঝাপ্টার কাহিনী
- প্রকৃতির আজব খেয়াল
- মায়ের স্মৃতি মায়ের গল্প
- বিভিন্ন ভাষায় মায়ের ডাক
- অধিকার বিপ্লব আর প্রতিবাদের দিন
- আমাদের যতো নৌকা
- অ্যানিমেশনের মজার জগত
- পাহাড়ি সিংহের বিচিত্র জীবন
- এবারের অ্যাস্ট্রো-অলিম্পিয়াড
- আমার বাবা
- টুঙ্গিপাড়ার খোকা
- সবচে বড় কুকুর জর্জ
- জলাভূমির মৃত্যুদানব
- তাইশানের বাড়ি ফেরা
- ভাষার জন্য যুদ্ধ
- প্রিয় লেখকের প্রিয় বই
- 'বেলজিবুফো' নরকের ব্যাঙ!
- ভীতুর ডিম!
- রঙীন ডাইনোসর!
- ২০১০ এর ১০ শপথ
- ভার্জিনিয়ার চিঠি
- ক্রিসমাস পাজল
- নানা রঙের ক্রিসমাস
- ক্রিসমাস ট্রি অর্নামেন্ট
- ক্রিসমাস স্টকিং
- বুড়ো দাদুর কথা
- স্বাধীনতা শব্দটি কিভাবে আমাদের হলো
- গল্পে ছড়ায় ছবিতে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস
- কাগজের সাপ কামড় দেয় না
- ডামইয়াং এর অ্যাস্ট্রোনমি অলিম্পিয়াডে
- জয়তু শৈশব
- সুডোকু : চেষ্টা করো, ভুল করো, ঠিক করো
- এসো আঁকি মজার কার্টুন
- যাবে নাকি ডিজনিল্যান্ড?
- হারিয়ে যাচ্ছে পান্ডা!
- সোয়াইন ফ্লু: ঘাবড়াও মাৎ, নিজে হও সাবধান
- অনন্য এক কবির গল্প
- আমাদের সূর্য আমাদের 'রবি'
- হিরোশিমার চিলড্রেন্স পিস মন্যুমেন্ট
- 'বাবা' ডাক বিভিন্ন ভাষায়!
- বাবাকে নিয়ে মুভি, বাবার সঙ্গে মুভি
- কল্পনার রোবট, বাস্তবের রোবট
- মায়ের মতো মা
- মে দিবসের ইতিকথা
- ছুঁতে চাই অনন্ত আকাশ
- প্রাণের মেলা- নববর্ষ
- প্রাণের মেলা নববর্ষ
- বুড়ো 'রিপ ভ্যান উইংকেল'
- লাল সবুজের পতাকা
- জীবজগতে বেঁচে থাকার কৌশল- ইকোসিস্টেম
- বুদ্ধিমান ডলফিন
- হাজার বইয়ের রাজ্যে চলো...
- স্মল পক্সের বিরুদ্ধে শিশুদের যুদ্ধ
- টিউলিপ ও রাজকুমারী
- দশই মুহররম
- নাম ছিলো তার প্লুটো
- মাটির হাঁটাহাটি
- সবার প্রিয় মার্ক টোয়েন
- বই পাগল একজন
- গ্যালিলিও ও বৃহস্পতির চাঁদ
- চাঁদের পাহাড়
- চোখের ঢাকনা
- মাটির সেনাবাহিনী
- বিড়ালের ভাষা
- কানের আবার পোষাক!
- চপষ্টিক
- ভালোবাসার লবণ
- এক নজরে বারাক ওবামা
- ২০০৮ সালের নোবেল পুরস্কার যাদের ঘরে গেল...
- দাবার জন্মকথা
- গল্পের জাদুকর ঈশপ
- রেড ইন্ডিয়ান: ভুল নামই যাদের পরিচয়
- হাজার বছরের বিষ্ময় পিরামিড
- মজার কমিকস টিনটিন
- টুথপেস্টের কথা
- ইউএফও: এক অজানা রহস্য
- রেইনফরেস্টের গল্প
- দেশ-বিদেশের ঈদের খুশি
- এনিড ব্লাইটনের গল্প
- বন্ধু সবুজ চিরদিন...
- `হ্যারি পটার গল্পের চিন্তা আমি ট্রেনে বসে পাই...',বললেন জে কে রাউলিং
- ফলের রাজপুত্তুর
- আহা, বাইসাইকেল!
- বৃষ্টি উৎসব
- বাবার জন্য ভালোবাসা
- আমাদের দুখু মিয়া
- মা কে নিয়ে ছড়া কবিতা
- রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই








