বিড়ালের ভাষা
ফারজানা হক
প্রাচীনকালে বিড়াল পুরোপুরি বুনো একটা জন্তু ছিলো। তারপর এরা কেমন করে যেন মানুষের পোষা প্রাণী হয়ে গেল। তাও প্রায় কয়েক হাজার বছর আগের কথা। এরা এখন আমাদের আশেপাশেই থাকে। একটা সময় ছিলো যখন প্রাচীন মিশরে বিড়ালকে দেবী হিসেবে ধরা হতো। মিশরীয়রা তাদের বিড়াল দেবীর নাম দিয়েছিলো নেফাদেত দেবী। তাদের তখন রীতিমতো ধুমধাম করে পূজো দেয়া হতো। বোঝ অবস্থা!
হাজার বছর ধরে বিড়াল আমাদের আশেপাশে আছে। এরা আমাদের বাড়ীতে ঘুমায়, খায়, আরও কত কী! নিশ্চয়ই ভাবছো, বিড়াল নিয়ে আর চিন্তাভাবনার কী আছে, তাই না? বিড়াল আমাদের আশেপাশে থাকলেও এদের সম্পর্কে আসলে আমরা সবকিছু জানি না। এই যেমন ধরো, বিড়াল কী করে ঘড়ঘড় শব্দ করে, এ প্রক্রিয়া মানুষ জেনেছে মাত্রই কিছুদিন হলো।
পৃথিবীতে ছোট-বড় যত বিড়াল আছে (একবারে বাঘ-সিংহ সহ) সব বিড়ালই ঘড়ঘড় শব্দ
করতে পারে। তুমি, আমি কিংবা বেশিরভাগ প্রাণীই কিন্তু এই কাজটা করতে পারি
না। তাহলে বিড়াল কী করে ঘড়ঘড় শব্দ করে? খুবই সমপ্রতি চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা এ
ধাঁধাঁর সমাধান করেছেন।
যখন কোন বিড়াল ঘড়ঘড় করে তখন বেশ একটা কাঁপুনি টের পাওয়া যায়। এই সময়
বিড়ালের শরীরের যে কোন জায়গায় হাত দিলেই তা টের পাওয়া যায়। কাঁপুনির
জন্যেই কিন্তু বিড়ালের এই ঘড়ঘড়ানি বেশ রহস্যময় একটা বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছিলো।
ঘড়ঘড় শব্দটা বিড়ালের কোথায় তৈরি হয়? বুকে নাকি গলায়?
বিড়ালের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ছোট্ট মাইক্রোফোন চেপে ধরে বিজ্ঞানীরা
নিশ্চিত হয়েছেন- এই শব্দ তৈরি হয় বিড়ালের গলায়। ঠিক ল্যারিংস বরাবর। Larynx এর বাংলা হচ্ছে স্বরযন্ত্র। শরীরের বিভিন্ন স্থানে মাইক্রোফোন
লাগিয়ে আরেকটা জিনিস বোঝা গেছে। তা হচ্ছে ঘড়ঘড় শব্দের বেশির ভাগই আসে মুখ
এবং নাক দিয়ে।
ঘড়ঘড়ানি কোন রাস্তায় বেরুচ্ছে তা আসলে মূল বিষয় না। কারণ ওই একই রাস্তা,
মানে নাক এবং মুখ দিয়েই অন্যান্য শব্দ বের হয়। আমরা যখন কথা বলি তখন শব্দ
স্বরযন্ত্রে তৈরি হয়ে মুখ দিয়ে বের হয়।
যখন আমরা কথা বলি বা বিড়াল মিউ মিউ শব্দ করে, তখন স্বরযন্ত্রের মধ্যে
পাতলা পর্দার মতো টিস্যুর কাঁপুনিতে তৈরি হয় শব্দ। এই পাতলা পর্দাগুলোকে
বলা হয় ভোকাল কর্ড। কথা বলার সময় আমরা বুক থেকে যে, বাতাস প্রেরণ করি তাতে
ভোকাল কর্ড কাঁপে। কোন বাদ্যযন্ত্রের পর্দা বা তার কাঁপলে যেমন শব্দ তৈরি
হয় এখানেও সেই একই বিষয়।
ভোকাল কর্ডের সাহায্যে বিড়াল মিউ মিউ করে। ঘড়ঘড় করার জন্যে আলাদা কিছু আছে
কিনা বিজ্ঞানীরা তাই খুঁজছিলেন। সেরকম কিছু পাওয়া গেল না। তখন তারা ধারণা
করলেন, বোধহয় বুকের কোন পেশীয় মাধ্যমে বিড়ালরা ঘড়ঘড় করে। অন্য কিছু খোঁজার
কারণ আছে। বিড়াল বা আমরা যখন কথা বলি (বিড়াল কথা বলেনা, মিউ মিউ করে) তখন
আমরা বাতাস ছাড়ি। তুমি অবশ্য শ্বাস নিতে নিতে কথা বলার চেষ্টা করে দেখতে
পারো। কিছু বিড়াল শ্বাস ছাড়া বা গ্রহণ করা দুসময়তেই ঘড়ঘড় শব্দ করতে পারে।
অদ্ভুত না?
আরও একটি বিষয় আছে। বিড়ালের মিউমিউ এর যে তীক্ষ্মতা তার চেয়ে ঘড়ঘড়ানির
তীক্ষ্মতা অনেক কম। বিড়ালের মিউমিউ এর সময় বা আমাদের কথা বলার সময় ভোকাল
কর্ড প্রতি সেকেন্ডে দুইশ বার বা তারচে বেশি পরিমাণ কাঁপে। কিছু ঘড়ঘড়ানির
কম্পাংক প্রতি সেকেন্ডে মাত্র পঁচিশবার।
মিউ-এর সময় শেষের দিকে তীক্ষ্মতা যেমন কমে ঘড়ঘড়ের সময় কিন্তু তা হয় না। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তীক্ষ্মতা একই থাকে।
আরও মজার বিষয় হচ্ছে, আমাদের পোষা বিড়াল এবং বনের বাঘের ঘড়ঘড়ানির
তীক্ষ্মতা একই রকম। সমস্যাটা এখানেই। বিশাল একটা ঘন্টার ঢং ঢং শব্দের
তীক্ষ্মতা কিছু ছোট ঘন্টার টিং টিং শব্দের তীক্ষ্মতার চেয়ে কম। বিড়ালের
ক্ষেত্রেও বড় এবং ছোট আকারের জন্যে একই কথা প্রযোজ্য হবার কথা ছিলো।
শেষ আরেকটা সমস্যার কথা বলি। বিড়ালের ঘড়ঘড়ানির সময় এর স্বরযন্ত্রের কিছু
পেশী বৈদ্যুতিক সিগনাল প্রেরণ করে। তাতে দেখা যায় এরা প্রতি সেকেন্ডে
পঁচিশ বার কাঁপে।
এবার ঘড়ঘড়ানির যাবতীয় রহস্যের সমাধান টুকু বলি।
বিড়ালের ঘড়ঘড়ানির মধ্যে শ্বাস ছাড়ার কোন কৌশল নেই। মূল কৌশল এর ভোকাল
কর্ডে। এরা ঘড়ঘড়ানির সময় বাতাসকে একবারে বেরুতে দেয় না। একটু একটু করে বের
করে। ঘড়ঘড়ানির সময় বিড়ালের মস্তিষ্ক স্বরযন্ত্রের বিশেষ পেশীতে সিগনাল
পাঠায়। তখন দু’পাশের ভোকাল কর্ড একসাথে ঢেউ এর মতো করে আটকে যায়। একে বলে
পিঞ্চিং মেকানিজম। এর পর আটকে যাওয়া ভোকাল কর্ড অল্প একটু খুলে অল্প একটু
বাতাস বেরবার সিগনাল আসে ব্রেইন থেকে। ভোকাল কর্ড খোলে, বাতাস বের হয়। একে
বলে রিলাক্সিং মেকানিজম। এই পিঞ্চিং এবং রিলাক্সিং মেকানিজম হয় প্রতি
সেকেন্ডে পঁচিশবার।
বিড়াল তো অনেক সময়ই ঘড়ঘড় করে। এ ব্যাটা যদি জানতো, প্রক্রিয়াটা এতো জটিল তাহলে বোধহয় ভয়েই ঘড়ঘড়ানি বন্ধ করে দিতো। 
বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম/ফারজানা হক/এবি/এমআইআর/০৪ ডিসেম্বর
- বাংলা ভাষায় মুদ্রিত প্রথম বই
- চুরুলিয়ার ডাকাবুকো ছেলেটি
- আমরা লক্ষ্মীছাড়ার দল
- মায়ের ভালোবাসা
- আলোর পাখি নাম জোনাকি
- আমাদের প্রথম সরকার
- লৌহমানবী মার্গারেট থ্যাচার
- 'কচি-কাঁচা'র দাদাভাই
- প্রকাশক, যারা প্রকাশ করেন বই
- শাহবাগের গল্প
- পৃথিবীর সবচেয়ে বড়ো গুহা
- এক নজরে ২০১৩-এর বইগুলো
- সালতামামি : খবরাখবর
- গ্রিম ভাইদের সেই বইটি!
- গুপ্তধনের সন্ধানে
- কোরবানির ঈদের কথা
- ক্রিকেট বলের কথা
- বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ
- অলিম্পিকের যতো অনুষঙ্গ
- রবি কবির কুঠিবাড়ি
- মে দিবসের গল্প
- হারিয়ে যাওয়া টাইটানিক, খুঁজে পাওয়া টাইটানিক
- 'আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন'
- বইমেলায় বইয়ের মেলা'র শেষ
- বইমেলায় বইয়ের মেলা- ৫
- বইমেলায় বইয়ের মেলা- ৪
- ২১ ফেব্রুয়ারির প্রথম গান, কবিতা ও প্রভাত ফেরি
- বইমেলায় বইয়ের মেলা- ৩
- পানিতে এরা কারা আবার!
- বইমেলায় বইয়ের মেলা- ২
- বইমেলায় বইয়ের মেলা
- শুধুই তোমাদের জন্য 'হট্টিটি'
- বেজায় খুশির বড়দিন
- ভাষার খোঁজে নেপালে
- ভ্যাম্পায়ার নয়, বাদুড়!
- পানিতে এরা কারা?
- তেভাগা'র রাণীমা
- সেই ৮টি শাশ্বত ডাকটিকিট
- সবচেয়ে সুন্দর জেলিফিশগুলো
- হারাতে বসা পাখিগুলো
- ছবিওয়ালা নজরুল
- ডোরাকাটা জেব্রা
- বার্লিন দেয়ালের গল্প
- সাদাকো আর সহস্র সারস
- বিজ্ঞানের গুণী ছাত্র রবি
- রবীন্দ্রনাথের লেখা 'বিচিত্রিতা'!
- ভয়ংকর যতো হাঙর
- বহু ভাষাবিদ এক জ্ঞান তাপস
- ডেড সি নিয়ে আরো ১
- ভালো আছি ; বাবাকে ছাড়া- অনন্য আজাদ
- ড. আবদুল্লাহ আল-মূতিকে নিয়ে ছেলে আহমদ নাবীলের স্মৃতিকথন 'আমার আব্বা'
- আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাসে ৬ দফা
- দ্রুতগতির উড়ুক্কুরা
- ধাঁধা মিলালেই পুরস্কার
- পরিবেশ কুইজের উৎসবে
- ভয়ংকর-সুন্দরী শুঁয়োপোকা
- মায়ের ভালবাসার দিন
- অবাক করা সবাক নদী
- পৃথিবীর ভয়ঙ্কর সুন্দর সব সড়ক
- আমাজনের গোলাপি ডলফিন
- আমাদের মঙ্গল শোভাযাত্রা
- আকাশ থেকে মহাকাশে
- বিশ্বকাপ ফাইনালের বাকি ৫
- ভূমিকম্প পন্ডিত!
- বিশ্বকাপ ফাইনালের ৪ রোমাঞ্চ
- সাগরতলের ভাস্কর্য রাজ্য
- বঙ্গবন্ধুর ছেলেবেলা
- হারাতে বসা অদ্ভূত বনগুলো
- চলো ঘুরে আসি বিশ্বকাপের চট্টগ্রামে
- বিশ্বকাপের যতো অদ্ভূতুড়ে গল্প
- 'ঢাকার হৃদয় মাঠখানি'
- শহীদ মিনার তৈরির গল্প
- ক্রিকেটের যতো মজারু
- ক্রিকেট মানে ঝিঁঝিঁ পোকা!
- টেনিদা-ঘনাদা-শঙ্কু- ৩ মূর্তি'র গপ্পো
- এই বিশ্বকাপ আসরের যতো স্টেডিয়াম
- ভয়ংকর সুন্দর
- একটি জামার পতাকা হয়ে ওঠার গল্প
- শীতের পিঠার রূপকথা
- বঙ্গবন্ধুর বাড়ি ফেরা
- রংবাহারি পাখির গল্প
- নিউ ইয়ার এলো যেভাবে
- ডিজনিল্যান্ডের ক্রিসমাস
- বড়দিনের গাছ
- সবজান্তা'র ক্রিসমাস
- আমাদের স্মৃতির সৌধ
- জলদস্যু: ব্ল্যাক বিয়ার্ড (শেষ পর্ব)
- জলদস্যু: ব্ল্যাক বিয়ার্ড (৫ম পর্ব)
- ঘুড়ি নিয়ে উৎসব
- জলদস্যু: ব্ল্যাক বিয়ার্ড (৪র্থ পর্ব)
- জলদস্যু: ব্ল্যাক বিয়ার্ড (৪র্থ পর্ব)
- রেইন ফরেস্টের জীব-জন্তু
- কৃষ্ণবিবরের কথা
- জলদস্যু ব্ল্যাকবিয়ার্ড (৩য় পর্ব)
- জলদস্যু: ব্ল্যাক বিয়ার্ড (২য় পর্ব)
- জলদানব টাইগারফিশ
- জলদস্যু: ব্ল্যাক বিয়ার্ড
- নোবেল পুরস্কারের আদ্যোপান্ত
- স্তন্যপায়ী মাছ!
- অক্টোপাসের অষ্টপাশ
- কাঠখেকো ক্যাটফিশ
- না দেখলে আজই দেখো- হীরক রাজার দেশে
- আমাদের জাতীয় কবি'র স্মৃতি নজরুল ইন্সটিটিউট
- বিশ্বসেরা যতো জাদুঘর
- বিচিত্র যতো জাদুঘর
- আজকের সূর্যটা শোক আর মন খারাপের
- সূর্যের বয়স কতো?
- প্রজাপতির বাচ্চা-কাচ্চা
- কোমোডো দ্বীপের ড্রাগন
- ‘ইশান্ত’ এর বন্ধুদের আঁকা ছবির প্রদর্শনী
- সর্প নিয়ে গপ্পো-সপ্পো!
- ইউএফও নিয়ে যতো কান্ড!
- সেরা ৫ কমিক হিরো
- ভয়ংকর সুন্দর ভালকানের পাহাড়!
- ১১ জুলাই : মানুষের সংখ্যা নিয়ে দিবস
- সূর্যের সংসার
- বিষধর ১০ ব্যাঙ এর গপ্পো
- ভারত আবিস্কারের অভিযাত্রা
- গুপ্তধনের সন্ধানে
- বাবা নিয়ে সারাবেলা
- বাবাদের বিচিত্র কাজ
- বিশ্বকাপের এবারের স্টেডিয়ামগুলো
- এভারেস্টের চূড়ায়
- জলদস্যুদের যতো গল্প
- ভ্যাম্পায়ার! ভ্যাম্পায়ার!!
- ফুটবল নক্ষত্র: সেরা কে!
- যতো কাণ্ড বিশ্বকাপে!
- নানা দেশের জাতীয় কবি
- ঝড় ঝাপ্টার কাহিনী
- প্রকৃতির আজব খেয়াল
- মায়ের স্মৃতি মায়ের গল্প
- বিভিন্ন ভাষায় মায়ের ডাক
- অধিকার বিপ্লব আর প্রতিবাদের দিন
- আমাদের যতো নৌকা
- অ্যানিমেশনের মজার জগত
- পাহাড়ি সিংহের বিচিত্র জীবন
- এবারের অ্যাস্ট্রো-অলিম্পিয়াড
- আমার বাবা
- টুঙ্গিপাড়ার খোকা
- সবচে বড় কুকুর জর্জ
- জলাভূমির মৃত্যুদানব
- তাইশানের বাড়ি ফেরা
- ভাষার জন্য যুদ্ধ
- প্রিয় লেখকের প্রিয় বই
- 'বেলজিবুফো' নরকের ব্যাঙ!
- ভীতুর ডিম!
- রঙীন ডাইনোসর!
- ২০১০ এর ১০ শপথ
- ভার্জিনিয়ার চিঠি
- ক্রিসমাস পাজল
- নানা রঙের ক্রিসমাস
- ক্রিসমাস ট্রি অর্নামেন্ট
- ক্রিসমাস স্টকিং
- বুড়ো দাদুর কথা
- স্বাধীনতা শব্দটি কিভাবে আমাদের হলো
- গল্পে ছড়ায় ছবিতে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস
- কাগজের সাপ কামড় দেয় না
- ডামইয়াং এর অ্যাস্ট্রোনমি অলিম্পিয়াডে
- জয়তু শৈশব
- সুডোকু : চেষ্টা করো, ভুল করো, ঠিক করো
- এসো আঁকি মজার কার্টুন
- যাবে নাকি ডিজনিল্যান্ড?
- হারিয়ে যাচ্ছে পান্ডা!
- সোয়াইন ফ্লু: ঘাবড়াও মাৎ, নিজে হও সাবধান
- অনন্য এক কবির গল্প
- আমাদের সূর্য আমাদের 'রবি'
- হিরোশিমার চিলড্রেন্স পিস মন্যুমেন্ট
- 'বাবা' ডাক বিভিন্ন ভাষায়!
- বাবাকে নিয়ে মুভি, বাবার সঙ্গে মুভি
- কল্পনার রোবট, বাস্তবের রোবট
- মায়ের মতো মা
- মে দিবসের ইতিকথা
- ছুঁতে চাই অনন্ত আকাশ
- প্রাণের মেলা- নববর্ষ
- প্রাণের মেলা নববর্ষ
- বুড়ো 'রিপ ভ্যান উইংকেল'
- লাল সবুজের পতাকা
- জীবজগতে বেঁচে থাকার কৌশল- ইকোসিস্টেম
- বুদ্ধিমান ডলফিন
- হাজার বইয়ের রাজ্যে চলো...
- স্মল পক্সের বিরুদ্ধে শিশুদের যুদ্ধ
- টিউলিপ ও রাজকুমারী
- দশই মুহররম
- নাম ছিলো তার প্লুটো
- মাটির হাঁটাহাটি
- সবার প্রিয় মার্ক টোয়েন
- বই পাগল একজন
- গ্যালিলিও ও বৃহস্পতির চাঁদ
- চাঁদের পাহাড়
- চোখের ঢাকনা
- মাটির সেনাবাহিনী
- বিড়ালের ভাষা
- কানের আবার পোষাক!
- চপষ্টিক
- ভালোবাসার লবণ
- এক নজরে বারাক ওবামা
- ২০০৮ সালের নোবেল পুরস্কার যাদের ঘরে গেল...
- দাবার জন্মকথা
- গল্পের জাদুকর ঈশপ
- রেড ইন্ডিয়ান: ভুল নামই যাদের পরিচয়
- হাজার বছরের বিষ্ময় পিরামিড
- মজার কমিকস টিনটিন
- টুথপেস্টের কথা
- ইউএফও: এক অজানা রহস্য
- রেইনফরেস্টের গল্প
- দেশ-বিদেশের ঈদের খুশি
- এনিড ব্লাইটনের গল্প
- বন্ধু সবুজ চিরদিন...
- `হ্যারি পটার গল্পের চিন্তা আমি ট্রেনে বসে পাই...',বললেন জে কে রাউলিং
- ফলের রাজপুত্তুর
- আহা, বাইসাইকেল!
- বৃষ্টি উৎসব
- বাবার জন্য ভালোবাসা
- আমাদের দুখু মিয়া
- মা কে নিয়ে ছড়া কবিতা
- রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই








