জলাভূমির মৃত্যুদানব
অনীশ দাস অপু
ওরা দেখতে কুৎসিত, লম্বা মুখে বিশাল দাঁতের সারি সবসময় খাই খাই করে। জলের ওপর শুধু নাকটা ভেসে থাকে, নিঃশব্দে ভেসে বেড়ায়, কুঁতকুঁতে চোখ দু’টো সতর্ক, শিকারের সন্ধানে উন্মুখ। জলার ধারে পানি খেতে আসা অ্যান্টিলোপ, বরাহ কিংবা বাইসন ওদের সহজ টার্গেট, বাগে পেলে মানুষের মাংসেও অরুচি নেই। ভয়ংকর জোর গায়ে, কাঁটাযুক্ত ধারালো লেজওলা লম্বা, ভাসমান কালো শরীরটাকে দূর থেকে দেখে গাছের গুঁড়ি বলে ভ্রম হতে পারে সহজেই। খবরদার ভুলেও যেন ওটার কাছে যাওয়া না হয়, কারণ জলাশয়ের পানিতে ভেসে বেড়ানো সরীসৃপ গোত্রের এই প্রাণীটা সাক্ষাৎ এক মৃত্যুদানব- কুমির!
জলাশয়ের স্থায়ী বাসিন্দা ভয়ংকর এই প্রাণীটির পৃথিবীতে বাস দুই’শ মিলিয়ন বছরেরও বেশি সময় ধরে। মোট ২১ প্রজাতির কুমির আছে সারা দুনিয়ায়, আমেরিকান অ্যালিগেটরসহ। কিন্তু এই প্রাণীটি ক্রমশ নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে পৃথিবীর বুক থেকে। নাইজেরিয়ার একটি জলাভূমিতে শাক-সবজি উৎপাদনের জন্য পানি শুকিয়ে ফেললে তিন বছরের মধ্যে ওই অঞ্চলের সব কুমির অদৃশ্য হয়ে গিয়েছিলো। ১৯৬৭ সালে প্যারিসে এক ধনী আমেরিকান ৭,৫০০ ডলার দিয়ে নোনা পানির একটি কুমিরের চামড়া কিনেছিলেন তার পোর্টেবল বারকে ঢেকে রাখার জন্য। এক জরিপের তথ্য হচ্ছে- উত্তর অস্ট্রেলিয়ার লিভারপুল নদীতে একরাতে কুমির শিকারীরা চল্লিশটি কুমির হত্যা করেছিলো। কুমির হত্যা বন্ধ করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যতই আইন প্রয়োগ করুক না কেন যে হারে এই প্রাণীটির নিধনযজ্ঞ চলছে তাতে এই শতাব্দী শেষ হবার আগেই শুধুমাত্র আমেরিকান অ্যালিগেটর ছাড়া অন্য কোন প্রজাতির কুমির কোথাও থাকবে না।
বিজ্ঞানীরাও ইদানিং কুমিরের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। কিন্তু এই প্রাণীটির ওপর গবেষণা চালানো যে বড্ডই কষ্টকর। কারণ এরা থাকে নির্জন, জনবিরল প্রত্যন্ত এলাকায়, বেশিরভাগ সময় কাদার মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকে চোখের পলকে অদৃশ্য হয়ে যায়। বেশিরভাগ সময় এরা কিছুই করে না, চুপচাপ ঝিমোয়। কিন্তু যখন জেগে ওঠে তখন এদের কাজগুলো দেখার মতোনই হয় বটে।
ডাইনোসররা বহু আগে পটল তুললেও তাদের স্বজাতি কুমিররা কিন্তু এখনও বহাল তবিয়তেই পৃথিবীতে বাস করছে। অন্যান্য সরীসৃপদের তুলনায় এই প্রাণীর মস্তিষ্ক অনেক জটিল। বেশিরভাগ কুমির পাখির মতোই বাসা বাঁধে। মাত্র কিছু প্রজাতি একা থাকতে পছন্দ করে। তাদের হিসহিস, নাক দিয়ে ঘোঁতঘোঁত ইত্যাদি শব্দ কিছু না কিছু অর্থ বহন করে।
পূর্ণ বয়স্ক কুমির ৩ থেকে ২৫ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়, ওজন ১ টনেরও কিছু
বেশি। কিছু প্রজাতির কুমির এক’শ বছরেরও বেশি বাঁচে বলেই বিশেষজ্ঞদের ধারণা।
কুমিরদের মধ্যে নোনা পানির কুমিরগুলো হয় সবচে বেশি ভয়ংকর। ৩৩ ফুট লম্বা
কুমিরেরও দেখা মিলেছে কুইনসল্যান্ডে। ধারণা করা হয়, কুমিররা ভারত থেকে
অস্ট্রেলিয়ায় এসেছে। ফিজির সাগর তলেও বেশ কিছু কুমির বাস করে। কারণ তারা
ঢেউয়ের দোলা একটুও পছন্দ করে না। উত্তর অস্ট্রেলিয়ায় নোনাপানির কুমিরের
সংখ্যা এক সময় মিলিয়নেরও বেশি ছিলো। কিন্তু সংখ্যাটা এখন ৫ হাজারে এসে
ঠেকেছে। নোনাপানির এই কুমিরদের হিংস্রতা সম্পর্কে অনেক গল্প আছে। দ্বিতীয়
বিশ্বযুদ্ধের সময় নাকি বার্মিজ এক জলাভূমিতে হাজারেরও বেশি জাপানিকে
সেখানকার কুমিরগুলো মহাউৎসাহে ভক্ষণ করেছিলো। ১৯৭৬ সালে, ইন্দোনেশিয়ার
একটি ডুবন্ত ফেরি বোটের ৪০ জন আরোহীকে গলাধঃকরণ করেছিলো কুমির।
মানিনগ্রাডের বিশেষজ্ঞরা অবশ্য এসব ঘটনাকে ‘গল্প’ বলে উড়িয়ে দিতে
চেয়েছেন। তাদের ধারণা কুমির নেহায়েতই ভীরু প্রকৃতির প্রাণী, মানুষজন সবসময়
এড়িয়ে চলে। কিন্তু তারপরও বহুবার কুমিরের শিকার হয়েছে মানুষ। কিছুদিন আগে
কুইনসল্যান্ডের এক তরুণ খনি শ্রমিক গিয়েছিল বরাহ শিকারে। তাকে জলাভূমিতে
নেমে সাঁতরাতে দেখে তার এক বন্ধু। তারপর তার আর কোন খোঁজ নেই। পরে
স্থানীয় এক পুলিশ অফিসার হতভাগ্য ছেলেটির আধ খাওয়া শরীর আবিষ্কার করেছিলো
ওই জলাভূমি থেকে ধরা পড়া ১৮ ফুট লম্বা এক কুমিরের পেটে।
তবে মানুষখেকো হিসেবে মোট তিন জাতের কুমিরকে দায়ী করা যায়। এরা হচ্ছে
নোনাপানির কুমির, আফ্রিকার নীল নদের কুমির এবং বৃহৎ আমেরিকান অ্যালিগেটর।
তবে ভারতের মকর নামের এক শ্রেণীর কুমিরও মানুষের ওপর হামলা চালায় তাদের
শান্তি বিঘিœত হলে।
কুমিরদের সম্পর্কে একটি মজার তথ্য হচ্ছে- এরা খাবার চিবোয় না, স্রেফ গিলে
ফেলে। এমনকি পাথরও নাকি গপ করেই গিলে খায় এরা। তবে এদের জারক রস এতোই
শক্তিশালী যে তারা পাথর পর্যন্ত হজম করে ফেলতে পারে।
শুরুতেই বলা হয়েছে, জলাশয়ের এই দানবটি এখন নিশ্চিহ্ন হবার পথে। এর একমাত্র কারণ- এদের চামড়া। কুমিরের চামড়ার তৈরী মানিব্যাগের দাম ১২০০ টাকা, হাতব্যাগ ৮০০০ টাকা। মরা হাতির মতো মরা কুমিরও কুমির শিকারীদের কাছে লাখ টাকা দাম। কেনিয়ার লেক টুরকানাডে ৬৬ সালে ১২০০০ হাজার কুমির ছিল। কিন্তু চোরাশিকারীদের কারণে এই সংখ্যাটা এখন এসে দাঁড়িয়েছে প্রায় শূণ্যের কোঠাতেই।
আফ্রিকার প্রকৃতি কুমিরদের বসবাসের জন্য খুবই কঠিন জায়গা। কিন্তু মানুষ
তার জন্য আরো কঠোর সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আফ্রিকান সরকার দলবদ্ধভাবে কুমির
শিকার বন্ধ করলেও চোরা শিকারীদের দৌরাত্ম একটুও হ্রাস পায়নি।
ভারতে ঘড়িয়াল কুমিরদের রক্ষা করার প্রাণান্ত চেষ্টা চলছে। সারা ভারতে
ঘড়িয়াল কুমিরদের সংখ্যা বর্তমানে মাত্র ষাট, আর নেপালে সম্ভবত চল্লিশ।
ঊনবিংশ শতাব্দী থেকেই এদের সংখ্যা হ্রাস পেতে থাকে রাজা বাদশাদের রাজকীয়
শিকারের কবলে পড়ে। উড়িষ্যায় এক মহারাজা একদিনে এক’শ ঘড়িয়াল হত্যা করেছিলেন
শুধু টার্গেট প্রাকটিশ করতে, এমন কথাও শোনা যায়। তবে পঞ্চাশ-এর দশকের শুরু
থেকে ঘড়িয়ালদের সংখ্যা দ্রুত কমতে থাকে। এর কারণ হচ্ছে বাধ তৈরি, চোরা
শিকার এবং যথেচ্ছ মৎস শিকার।
জেলেরাও কিন্তু কুমির শিকারের জন্য যথেষ্ট দায়ী। কারণ কুমিরকে তারা প্রকৃতির শত্রু মনে করে, ভাবে এগুলো অতিশয় পেটুক, সকল মাছ এরাই সাবাড় করছে। প্রকৃতপক্ষে কুমির খায় খুব কমই , বেশিরভাগ খাবার সঞ্চয় করে রাখে। আর যে সব মাছ তারা শিকার করে সেগুলো জেলেরা সাধারণত ধরে না।
কুমির চাষ লাভজনক ব্যবসা বলে অনেকেই কুমিরের ফার্ম করেছেন। নিউগিনি থেকে জাপান কুমিরের ফার্ম একটি সাধারণ জিনিস। ভারতের উত্তর প্রদেশের দু’টো অঞ্চলে ঘড়িয়াল উৎপাদনের কেন্দ্র রয়েছে। নন্দনকানন বায়োলজিক্যাল পার্কে ২০ ফুট লম্বা ঘড়িয়ালও রয়েছে। তবে আমাদের মীরপুরের চিড়িয়াখানায় শিশু চেহারার যে দু’টি কুমির রয়েছে সেগুলো অন্যান্যদের তুলনায় কিছুই না।
সেন্ট লুসিয়ায় টনি নামে এক ব্যক্তির কুমির খামারে রয়েছে হরেক রকমের কুমির। এদের মধ্যে ৮০ বছর বয়স্ক, ১৪ ফুট লম্বা উলফগ্যাং কুমিরটি খুবই হিংস্র স্বভাবের। সে একবার তার এক ১০ ফুট লম্বা স্বজাতিকে কামড়ে প্রায় মেরে ফেলারই জোগাড় করেছিল। উলফগ্যাং ঐ খামারের কর্তা। ওখানকার সব কুমির তাকে রীতিমত সমঝে চলে। মেরী নামের আরেকটি কুমির, এটি মেয়ে, নভেম্বর মাসে এই পুকুরের পাড়ে গর্ত খুঁড়ে চল্লিশটির মত ডিম পেড়েছিলো। কিন্তু বাচ্চা ফুটে বেরুবার পর উলফগ্যাং সুযোগ বুঝে সেগুলোকে খেয়ে ফেলে। তবে ইদানিং উলফগ্যাং সেই সুযোগ আর পায় না। কারণ মেরী রীতিমত তার বাচ্চাদের পাহারা দিয়ে রাখে।
এরকম আরেকটি ব্যক্তিগত খামারের মালিক ওয়েষ্ট পামবীচের এড এবং ফ্রান্সিন ফ্রয়লিক দম্পতি। তাদের খামারে কুমিরের সংখ্যা ২,৫০০। প্রতি সপ্তাহে এই কুমিরগুলো ৩,০০০ পাউন্ড মাছ এবং মাংস খায়। ফ্রয়লিকরা তাদের খামারে আরো ১০০০ কুমির উৎপাদনের কথা চিন্তা করছেন। কারণ কুমিরের চাষে তাদের আর্থিক লাভের অঙ্কটা নেহায়েত কম না।
কুমিরের চাষ একটি লাভজনক ব্যবসা বলে এদিকে ইদানিং অনেকেই এগিয়ে আসছেন
ব্যক্তিগত উদ্যোগে। এটি একটি শুভ সংবাদ। কিন্তু দুঃসংবাদ হচ্ছে চোরা কুমির
শিকারীদের দৌরাত্ম ক্রমশ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। বেশিরভাগ
জীববিজ্ঞানীদের আশঙ্কা এভাবে কুমির নিধনযজ্ঞ চলতে থাকলে অদূর ভবিষ্যতে আর
কোনো কুমিরই থাকবে না। কুমিরের মাংস অনেকের প্রিয়। এজন্যেও দেদারসে এই
প্রাণীটিকে হত্যা করা হচ্ছে। এই লোভ দমন করা সম্ভব না হলে কোটি বছরের এই
প্রাচীন প্রজাতিটি একদিন হয়তো তার বিলুপ্ত স্বজাতি ডাইনোসরদের মতোই বিলীন
হয়ে যাবে।
বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম/বি: রচনা/এইচআর/মার্চ ০১/১০
- আমরা লক্ষ্মীছাড়ার দল
- মায়ের ভালোবাসা
- আলোর পাখি নাম জোনাকি
- আমাদের প্রথম সরকার
- লৌহমানবী মার্গারেট থ্যাচার
- 'কচি-কাঁচা'র দাদাভাই
- প্রকাশক, যারা প্রকাশ করেন বই
- শাহবাগের গল্প
- পৃথিবীর সবচেয়ে বড়ো গুহা
- এক নজরে ২০১৩-এর বইগুলো
- সালতামামি : খবরাখবর
- গ্রিম ভাইদের সেই বইটি!
- গুপ্তধনের সন্ধানে
- কোরবানির ঈদের কথা
- ক্রিকেট বলের কথা
- বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ
- অলিম্পিকের যতো অনুষঙ্গ
- রবি কবির কুঠিবাড়ি
- মে দিবসের গল্প
- হারিয়ে যাওয়া টাইটানিক, খুঁজে পাওয়া টাইটানিক
- 'আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন'
- বইমেলায় বইয়ের মেলা'র শেষ
- বইমেলায় বইয়ের মেলা- ৫
- বইমেলায় বইয়ের মেলা- ৪
- ২১ ফেব্রুয়ারির প্রথম গান, কবিতা ও প্রভাত ফেরি
- বইমেলায় বইয়ের মেলা- ৩
- পানিতে এরা কারা আবার!
- বইমেলায় বইয়ের মেলা- ২
- বইমেলায় বইয়ের মেলা
- শুধুই তোমাদের জন্য 'হট্টিটি'
- বেজায় খুশির বড়দিন
- ভাষার খোঁজে নেপালে
- ভ্যাম্পায়ার নয়, বাদুড়!
- পানিতে এরা কারা?
- তেভাগা'র রাণীমা
- সেই ৮টি শাশ্বত ডাকটিকিট
- সবচেয়ে সুন্দর জেলিফিশগুলো
- হারাতে বসা পাখিগুলো
- ছবিওয়ালা নজরুল
- ডোরাকাটা জেব্রা
- বার্লিন দেয়ালের গল্প
- সাদাকো আর সহস্র সারস
- বিজ্ঞানের গুণী ছাত্র রবি
- রবীন্দ্রনাথের লেখা 'বিচিত্রিতা'!
- ভয়ংকর যতো হাঙর
- বহু ভাষাবিদ এক জ্ঞান তাপস
- ডেড সি নিয়ে আরো ১
- ভালো আছি ; বাবাকে ছাড়া- অনন্য আজাদ
- ড. আবদুল্লাহ আল-মূতিকে নিয়ে ছেলে আহমদ নাবীলের স্মৃতিকথন 'আমার আব্বা'
- আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাসে ৬ দফা
- দ্রুতগতির উড়ুক্কুরা
- ধাঁধা মিলালেই পুরস্কার
- পরিবেশ কুইজের উৎসবে
- ভয়ংকর-সুন্দরী শুঁয়োপোকা
- মায়ের ভালবাসার দিন
- অবাক করা সবাক নদী
- পৃথিবীর ভয়ঙ্কর সুন্দর সব সড়ক
- আমাজনের গোলাপি ডলফিন
- আমাদের মঙ্গল শোভাযাত্রা
- আকাশ থেকে মহাকাশে
- বিশ্বকাপ ফাইনালের বাকি ৫
- ভূমিকম্প পন্ডিত!
- বিশ্বকাপ ফাইনালের ৪ রোমাঞ্চ
- সাগরতলের ভাস্কর্য রাজ্য
- বঙ্গবন্ধুর ছেলেবেলা
- হারাতে বসা অদ্ভূত বনগুলো
- চলো ঘুরে আসি বিশ্বকাপের চট্টগ্রামে
- বিশ্বকাপের যতো অদ্ভূতুড়ে গল্প
- 'ঢাকার হৃদয় মাঠখানি'
- শহীদ মিনার তৈরির গল্প
- ক্রিকেটের যতো মজারু
- ক্রিকেট মানে ঝিঁঝিঁ পোকা!
- টেনিদা-ঘনাদা-শঙ্কু- ৩ মূর্তি'র গপ্পো
- এই বিশ্বকাপ আসরের যতো স্টেডিয়াম
- ভয়ংকর সুন্দর
- একটি জামার পতাকা হয়ে ওঠার গল্প
- শীতের পিঠার রূপকথা
- বঙ্গবন্ধুর বাড়ি ফেরা
- রংবাহারি পাখির গল্প
- নিউ ইয়ার এলো যেভাবে
- ডিজনিল্যান্ডের ক্রিসমাস
- বড়দিনের গাছ
- সবজান্তা'র ক্রিসমাস
- আমাদের স্মৃতির সৌধ
- জলদস্যু: ব্ল্যাক বিয়ার্ড (শেষ পর্ব)
- জলদস্যু: ব্ল্যাক বিয়ার্ড (৫ম পর্ব)
- ঘুড়ি নিয়ে উৎসব
- জলদস্যু: ব্ল্যাক বিয়ার্ড (৪র্থ পর্ব)
- জলদস্যু: ব্ল্যাক বিয়ার্ড (৪র্থ পর্ব)
- রেইন ফরেস্টের জীব-জন্তু
- কৃষ্ণবিবরের কথা
- জলদস্যু ব্ল্যাকবিয়ার্ড (৩য় পর্ব)
- জলদস্যু: ব্ল্যাক বিয়ার্ড (২য় পর্ব)
- জলদানব টাইগারফিশ
- জলদস্যু: ব্ল্যাক বিয়ার্ড
- নোবেল পুরস্কারের আদ্যোপান্ত
- স্তন্যপায়ী মাছ!
- অক্টোপাসের অষ্টপাশ
- কাঠখেকো ক্যাটফিশ
- না দেখলে আজই দেখো- হীরক রাজার দেশে
- আমাদের জাতীয় কবি'র স্মৃতি নজরুল ইন্সটিটিউট
- বিশ্বসেরা যতো জাদুঘর
- বিচিত্র যতো জাদুঘর
- আজকের সূর্যটা শোক আর মন খারাপের
- সূর্যের বয়স কতো?
- প্রজাপতির বাচ্চা-কাচ্চা
- কোমোডো দ্বীপের ড্রাগন
- ‘ইশান্ত’ এর বন্ধুদের আঁকা ছবির প্রদর্শনী
- সর্প নিয়ে গপ্পো-সপ্পো!
- ইউএফও নিয়ে যতো কান্ড!
- সেরা ৫ কমিক হিরো
- ভয়ংকর সুন্দর ভালকানের পাহাড়!
- ১১ জুলাই : মানুষের সংখ্যা নিয়ে দিবস
- সূর্যের সংসার
- বিষধর ১০ ব্যাঙ এর গপ্পো
- ভারত আবিস্কারের অভিযাত্রা
- গুপ্তধনের সন্ধানে
- বাবা নিয়ে সারাবেলা
- বাবাদের বিচিত্র কাজ
- বিশ্বকাপের এবারের স্টেডিয়ামগুলো
- এভারেস্টের চূড়ায়
- জলদস্যুদের যতো গল্প
- ভ্যাম্পায়ার! ভ্যাম্পায়ার!!
- ফুটবল নক্ষত্র: সেরা কে!
- যতো কাণ্ড বিশ্বকাপে!
- নানা দেশের জাতীয় কবি
- ঝড় ঝাপ্টার কাহিনী
- প্রকৃতির আজব খেয়াল
- মায়ের স্মৃতি মায়ের গল্প
- বিভিন্ন ভাষায় মায়ের ডাক
- অধিকার বিপ্লব আর প্রতিবাদের দিন
- আমাদের যতো নৌকা
- অ্যানিমেশনের মজার জগত
- পাহাড়ি সিংহের বিচিত্র জীবন
- এবারের অ্যাস্ট্রো-অলিম্পিয়াড
- আমার বাবা
- টুঙ্গিপাড়ার খোকা
- সবচে বড় কুকুর জর্জ
- জলাভূমির মৃত্যুদানব
- তাইশানের বাড়ি ফেরা
- ভাষার জন্য যুদ্ধ
- প্রিয় লেখকের প্রিয় বই
- 'বেলজিবুফো' নরকের ব্যাঙ!
- ভীতুর ডিম!
- রঙীন ডাইনোসর!
- ২০১০ এর ১০ শপথ
- ভার্জিনিয়ার চিঠি
- ক্রিসমাস পাজল
- নানা রঙের ক্রিসমাস
- ক্রিসমাস ট্রি অর্নামেন্ট
- ক্রিসমাস স্টকিং
- বুড়ো দাদুর কথা
- স্বাধীনতা শব্দটি কিভাবে আমাদের হলো
- গল্পে ছড়ায় ছবিতে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস
- কাগজের সাপ কামড় দেয় না
- ডামইয়াং এর অ্যাস্ট্রোনমি অলিম্পিয়াডে
- জয়তু শৈশব
- সুডোকু : চেষ্টা করো, ভুল করো, ঠিক করো
- এসো আঁকি মজার কার্টুন
- যাবে নাকি ডিজনিল্যান্ড?
- হারিয়ে যাচ্ছে পান্ডা!
- সোয়াইন ফ্লু: ঘাবড়াও মাৎ, নিজে হও সাবধান
- অনন্য এক কবির গল্প
- আমাদের সূর্য আমাদের 'রবি'
- হিরোশিমার চিলড্রেন্স পিস মন্যুমেন্ট
- 'বাবা' ডাক বিভিন্ন ভাষায়!
- বাবাকে নিয়ে মুভি, বাবার সঙ্গে মুভি
- কল্পনার রোবট, বাস্তবের রোবট
- মায়ের মতো মা
- মে দিবসের ইতিকথা
- ছুঁতে চাই অনন্ত আকাশ
- প্রাণের মেলা- নববর্ষ
- প্রাণের মেলা নববর্ষ
- বুড়ো 'রিপ ভ্যান উইংকেল'
- লাল সবুজের পতাকা
- জীবজগতে বেঁচে থাকার কৌশল- ইকোসিস্টেম
- বুদ্ধিমান ডলফিন
- হাজার বইয়ের রাজ্যে চলো...
- স্মল পক্সের বিরুদ্ধে শিশুদের যুদ্ধ
- টিউলিপ ও রাজকুমারী
- দশই মুহররম
- নাম ছিলো তার প্লুটো
- মাটির হাঁটাহাটি
- সবার প্রিয় মার্ক টোয়েন
- বই পাগল একজন
- গ্যালিলিও ও বৃহস্পতির চাঁদ
- চাঁদের পাহাড়
- চোখের ঢাকনা
- মাটির সেনাবাহিনী
- বিড়ালের ভাষা
- কানের আবার পোষাক!
- চপষ্টিক
- ভালোবাসার লবণ
- এক নজরে বারাক ওবামা
- ২০০৮ সালের নোবেল পুরস্কার যাদের ঘরে গেল...
- দাবার জন্মকথা
- গল্পের জাদুকর ঈশপ
- রেড ইন্ডিয়ান: ভুল নামই যাদের পরিচয়
- হাজার বছরের বিষ্ময় পিরামিড
- মজার কমিকস টিনটিন
- টুথপেস্টের কথা
- ইউএফও: এক অজানা রহস্য
- রেইনফরেস্টের গল্প
- দেশ-বিদেশের ঈদের খুশি
- এনিড ব্লাইটনের গল্প
- বন্ধু সবুজ চিরদিন...
- `হ্যারি পটার গল্পের চিন্তা আমি ট্রেনে বসে পাই...',বললেন জে কে রাউলিং
- ফলের রাজপুত্তুর
- আহা, বাইসাইকেল!
- বৃষ্টি উৎসব
- বাবার জন্য ভালোবাসা
- আমাদের দুখু মিয়া
- মা কে নিয়ে ছড়া কবিতা
- রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই








