আমাদের যতো নৌকা
অদ্বিতী ডি. কস্তা
তুমি জানো, আমিও জানি, সবাই জানে এদেশ নদীমাতৃক দেশ। আর যেহেতু নদীমাতৃক দেশ কাজেই এদেশে নৌকাও থাকবে বেশি, এটাই তো হবার কথা। ঠিক তাই। আমাদের দেশে নদীর বুকে ঢেউ এর সঙ্গে দোল খেতে খেতে চলে অসংখ্য নৌকা। কখনো কি ভেবে দেখেছো, যে দেশে এতো নদী সে দেশে কতো ধরনের নৌকা রয়েছে? ভাবছো, নৌকা তো নৌকাই, এর আবার ধরন কি! কিন্তু না, কতো ধরনের নৌকাই যে আছে বাংলাদেশে তার কোন ইয়ত্তা নেই। কি অবাক হচ্ছো? আজ তোমাদের বাংলাদেশের নৌকার গল্পই শোনাবো।
বাংলাদেশের একেক অঞ্চলে একেক ধরনের নৌকার দেখা মেলে। তাদের যেমন আলাদা গঠন তেমনি আলাদা তাদের ধারণ করার ক্ষমতাও। কিন্তু দুঃখের কথা কি জানো, এই নৌকাগুলোর অধিকাংশই আজ বিলুপ্তির খাতায় ঠাঁই পেয়েছে। মানে, আমরা চাইলেও আর এখন সেই নৌকাগুলো দেখতে পারবো না।
আগের দিনে বড় বড় গাছের গুঁড়ির মাঝখানটা খোদাই করে নৌকা বানানো হত। পরে বাঁশ, বেত দিয়েও নৌকা বানানো হতো। শেষ পযর্ন্ত অবশ্য কাঠ দিয়েই নৌকা বানানোর শুরু হয়, তবে খোদাই করে নয়, কাঠের তক্তা দিয়ে। নৌকা কি দিয়ে বানানো হয় তা তো জানলাম। এবারে তবে চলো বাংলাদেশের নৌকার গল্প শুনি।
সাম্পান
সমুদ্রের উত্তাল ঢেউয়ে ভেসে বেড়ায় সাম্পান। চিটাগাং, কুতুবদিয়া এসব এলাকায়
বেশ সাম্পান নৌকার দেখা মেলে। এই নৌকাগুলোর সামনের দিকটা উঁচু আর বাঁকানো
হয়, পিছনটা থাকে সোজা। প্রয়োজনে এর সঙ্গে পাল থাকে আবার কখনও থাকে না। এর
মাঝির সংখ্যাও কম। এক মাঝিচালিত এই নৌকাটি যাত্রী পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত
হয়। এটি ল¤^ায় হয় ৫.৪০-৬.১০ মিটার এবং চওড়া হয় ১.৪০-১.৫৫ মিটার পর্যন্ত।
একসময় বড় আকারেরও সাম্পান দেখা যেতো কুতুবদিয়া অঞ্চলে যা এখন বিলুপ্ত হয়ে
গেছে। এই সাম্পান গুলোর দৈর্ঘ্য ১২.৮০ থেকে ১৪.৬৫ মিটার পর্যন্ত হতো এবং
প্রস্থ ছিলো ৪.৬০ থেকে ৫.২০ মিটার। সাত জন করে মাঝি থাকতো আর থাকতো তিনকোণা
আকারের তিনটি করে পাল। এই সাম্পানগুলো ব্যবহৃত হতো মাল পরিবহনের জন্য।

গয়না
এই নৌকাটির নাম কিন্তু মজার, গয়না। দুঃখজনক হলেও সত্যি এই নৌকাটিও নাম
লিখিয়েছে বিলুপ্তির খাতায়। গয়নার নৌকাটি আকৃতিতে মাঝারি ধরণের, দৈর্ঘ্যে
৭.৬০ থেকে ১২.৮০ মিটার পর্যন্ত হতো আর প্রস্থে হতো ১.৮০ থেকে ৩.০ পর্যন্ত।
এদের দেখা মিলতো কিশোরগঞ্জ অঞ্চলে। মূলত যাত্রী পারাপারের কাজেই এদের
ব্যবহার করা হতো। একবারে প্রায় ২৫-৩৫ জন পর্যন্ত যাত্রী বহন করার ক্ষমতা
ছিলো এই নৌকাটির। আবার রাজশাহী অঞ্চলে এর থেকেও বড় আকারের গয়না নৌকার দেখা
মিলতো। এদের দৈর্ঘ্য ছিলো প্রায় ১৪.৬০-১৮.২০ মিটার। এরা আকারে যেমন বড়ো
তেমনি এ নৌকায় বেশী সংখ্যক যাত্রীও উঠতে পারতো। এতে যাত্রী উঠতে পারতো
প্রায় ৪০-৫০জন। ছোট খাটো একটা বাসের সমান, তাই না?
বজরা
আগের দিনে ধনী লোকেরা শখ করে নৌকা ভ্রমণে যেতেন। তাদের কাছে বেশ জনপ্রিয়
ছিলো বজরা নামের নৌকাগুলো। বজরাতে তারা একরকম প্রায় তাদের ঘরবাড়ি বানিয়ে
নিতেন। ফলে এতে খাবারদাবার থেকে শুরু করে সব ধরনের সুযোগ সুবিধাই থাকতো।
বজরাতে থাকতো ঘর, আবার তাতে জানালাও থাকতো। মজার ব্যাপার তাই না? ঠিক যেন
ভেসে বেড়ানো একটি বাড়ি। কোনটিতে আবার পালও থাকতো। এতে থাকতো চারজন করে
মাঝি। এর দৈর্ঘ্য ছিলো ১৩.৭২ থেকে ১৪.৬৫ মিটার পর্যন্ত আর প্রস্থ ২.২৫ থেকে
৩.২০ মিটার পর্যন্ত। বজরা মূলত সিরাজগঞ্জ ও পাবনা অঞ্চলে দেখা যেতো।
বাইচ
নৌকা বাইচ দেখেছো কখনও? এটি কিন্তু আমাদের দেশের একটি জনপ্রিয় খেলা। আগে
দেশের অনেক জায়গাতেই বাইচের নৌকা ছিলো। এখনও কিছু কিছু অঞ্চলে এর দেখা
মেলে। বাইচের নৌকা লম্বায় ১৫০ থেকে ২০০ ফুট পর্যন্ত হয়। অনেক বড়, তাই না?
প্রতিযোগিতার সময় এতে ২৫ থেকে ১০০ জন পর্যন্ত মাঝি থাকতে পারে। আগে
নবাব-বাদশাহরা বাইচের আয়োজন করতেন। এসব বাইচের নৌকার সুন্দর সুন্দর নাম
দেয়া হতো। যেমন, পক্সখীরাজ, ঝড়ের পাখি, দ্বীপরাজ, সোনারতরী আরো কতো কি!
কিশোরগঞ্জ, পাবনা, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, নোয়াখালি, কুমিল্লা ইত্যাদি অঞ্চলে
এসব নৌকার দেখা মিলবে।
জোড়া নৌকা
পাশাপাশি একসঙ্গে দুটি নৌকা ভাসতে দেখেছো কখনও? মানে দুটি নৌকা মিলে একটি
নৌকা। এলোমেলো লাগছে ঠিক না! কখনও যদি রাজশাহীতে গিয়ে চোখকান খোলা রাখো
তাহলে হয়তো দেখতেও পারো এ ধরনের নৌকা। পাশাপাশি দুটো নৌকা জোড়া লাগিয়ে এই
নৌকা বানানো হয়। এগুলি ল¤^ায় প্রায় ১৩.৭০ থেকে ১৬.৭৫ মিটার হয়ে থাকে আর
চওড়া হয় ৫.৫০ থেকে ৬.১০ মিটার পর্যন্ত। এ নৌকায় মাঝি থাকে ৫-৬ জন। এটি মূলত
মালবাহী নৌকা।
ময়ূরপঙ্ক্ষী
রূপকথার গল্পে তো ময়ূরপঙ্ক্ষী নাও এর কথা শুনেছো, তাই না? বর্তমানে খুব কম
হলেও বাস্তবেও কিন্তু এই নৌকাটি দেখা যায়। এই নৌকাটিও রাজা বাদশাহদের সৌখিন
বস্তু ছিলো। এর সামনের দিকটা দেখতে ময়ূরের মতো বলে এর নাম দেয়া হয়েছে
ময়ূরপঙ্ক্ষী। এ নৌকাগুলি দৈর্ঘ্যে ১১.৪০ থেকে ১৩.৭৫ মিটার পর্যন্ত হয় আর
প্রস্থে ২.৭৫ থেকে ৩.০ মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে। এ নৌকা চালাতে চার জন মাঝি
প্রয়োজন। এই নৌকায় থাকতো দুটো করে পাল।

মাছ ধরার নৌকা
মাছ ধরার নাম শুনেই বোঝা যাচ্ছে এর বৈশিষ্ট্যটা কি। জেলেরা এ নৌকাগুলোতে
ভেসে ভেসে দূর নদীর বুকে মাছ ধরে। কিন্তু জানো এই অতি সাধারণ মাছ ধরার
নৌকারও আবার রকমফের আছে। কোনোগুলো আকারে হয় ছোট আবার কোনোগুলো হয় বড়ো।
যেমন বরিশাল অঞ্চলের নদীতে মাঝারি আকারের এক ধরনের মাঝ ধরার নৌকার দেখা
পাওয়া যায়। এদের দৈর্ঘ্য প্রায় ৭.৩৯ থেকে ৯.১০ মিটার হয়। এতে ৩ জন মাঝি বা
জেলে থাকে। আবার চাঁদপুরে আরেক ধরনের মাছ ধরার নৌকা দেখা যেতো। এগুলির
দৈর্ঘ্য ছিলো ৯.১৫ থেকে ১১.৪৫ মিটার পর্যন্ত। যদিও এখন আর এই নৌকাগুলো দেখা
যায় না। এতে মাঝি থাকতো ৮-১০জন করে। উপক‚লীয় চট্টগ্রাম অঞ্চলে বড় আকারের
মাছ ধরার নৌকার দেখা মিলবে। সমুদ্রের উত্তাল ঢেউয়ে ভেসে এগুলো মাছ ধরে।
এদের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৫.২৫ থেকে ১৮.৫ মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।

ডিঙ্গি
গ্রাম বাংলার সবচে পরিচিত নৌকাটির নাম হচ্ছে ডিঙ্গি। নদীর তীরে যারা বসবাস
করেন তাদের সকলেই প্রায় এ নৌকাটি ব্যবহার করেন নদী পারাপার বা অন্যান্য
কাজে। আকারে ছোট বলে এই নৌকাটি চালাতে একজন মাঝিই যথেষ্ট। যদিও একজন মাঝিই
চালাতে পারে কিন্তু মাঝে মাঝে এতে পালও লাগানো হয়।

বালার
নদীমাতৃক আমাদের এই দেশে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় মালামাল পাঠানো বা
যাতায়াতের জন্য নদী একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। ব্যবসা ও বাণিজ্যের জন্য সেই
আগেকার সময় থেকে এখনো পর্যন্ত নৌকা ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কুষ্টিয়া অঞ্চলে
তেমনি এক প্রকার নৌকার দেখা মেলে। এদের নাম বালার। এগুলো আকারে অনেক বড় হয়
আর প্রায় ১২-৫৬ টন পর্যন্ত মালামাল বহন করতে পারে। এরা দৈর্ঘ্যে ১২-১৮
মিটার হয়ে থাকে আর বৈঠা বায় ১০-১২ জন মাঝি এবং পাল থাকে দুটো করে। ভাবো
একবার, কি বিশাল ব্যাপার!
বাতনাই বা পদি
বালারের মতো খুলনা অঞ্চলে ব্যবসা বাণিজ্যের জন্য যে নৌকা ব্যবহৃত হতো এদের নাম হলো বাতনাই বা পদি। বালারের বর্ণনা শুনে যদি অবাক হয়ে থাকো তবে আরও অবাক হবার মতো কথা এখন বলবো। কারণ, এই নৌকাগুলি চালাতে ১৭-১৮ জন মাঝি লাগতো আর এগুলো দৈর্ঘ্যে হতো প্রায় ১৫.২৫-২১.৩৫ মিটার পর্যন্ত। এতে করে ১৪০-১৬০ টন মাল বহন করা যেতো আর ছিলো বিশাল আকারের চারকোণা একটি পাল। কিন্তু এখন এই দৈত্যাকৃতির নৌকাটি আর দেখা যায় না।
আমাদের এই ছোট সুন্দর বাংলাদেশের নদীতে এক সময় বিভিন্ন ধরনের নৌকা ভেসে বেড়াতো। কিন্তু দুঃখের ব্যাপার হলো দিন দিন এর সংখ্যা কমে যাচ্ছে। অনেক নৌকার নামই চলে গেছে বিলুপ্তির খাতায়। এই নামগুলো এখন শুধু গল্পে বা বইতেই পাওয়া যায়। আমাদের দেশের ঐতিহ্যের সঙ্গে নৌকার এই বিচিত্র ভিন্নতার কিন্তু গভীর একটা সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু এখন প্রায় বিলুপ্ত হয়ে যাবার পথেই এই ঐতিহ্য। এ ঐতিহ্যর কথা স্মরণ করে রাখতেই যেন সম্প্রতি বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে বিলুপ্তপ্রায় ৫০ টি নৌকা নিয়ে একটি চমৎকার প্রদর্শনী হচ্ছে। এই প্রদর্শনীটি চলবে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত। কাজেই বাঙালী হিসেবে আমাদের অবশ্যই এই নৌকাগুলো দেখে আসা উচিত। তবে চলো পড়ার পর্ব তো শেষ এবারে সবাই মিলে গিয়ে একবার দেখে আসি আমাদের সেই ঐতিহ্য।
বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম/অদ্বিতী/শুভ/এইচআর/এপ্রিল ১৩/১০
- মায়ের ভালোবাসা
- আলোর পাখি নাম জোনাকি
- আমাদের প্রথম সরকার
- লৌহমানবী মার্গারেট থ্যাচার
- 'কচি-কাঁচা'র দাদাভাই
- প্রকাশক, যারা প্রকাশ করেন বই
- শাহবাগের গল্প
- পৃথিবীর সবচেয়ে বড়ো গুহা
- এক নজরে ২০১৩-এর বইগুলো
- সালতামামি : খবরাখবর
- গ্রিম ভাইদের সেই বইটি!
- গুপ্তধনের সন্ধানে
- কোরবানির ঈদের কথা
- ক্রিকেট বলের কথা
- বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ
- অলিম্পিকের যতো অনুষঙ্গ
- রবি কবির কুঠিবাড়ি
- মে দিবসের গল্প
- হারিয়ে যাওয়া টাইটানিক, খুঁজে পাওয়া টাইটানিক
- 'আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন'
- বইমেলায় বইয়ের মেলা'র শেষ
- বইমেলায় বইয়ের মেলা- ৫
- বইমেলায় বইয়ের মেলা- ৪
- ২১ ফেব্রুয়ারির প্রথম গান, কবিতা ও প্রভাত ফেরি
- বইমেলায় বইয়ের মেলা- ৩
- পানিতে এরা কারা আবার!
- বইমেলায় বইয়ের মেলা- ২
- বইমেলায় বইয়ের মেলা
- শুধুই তোমাদের জন্য 'হট্টিটি'
- বেজায় খুশির বড়দিন
- ভাষার খোঁজে নেপালে
- ভ্যাম্পায়ার নয়, বাদুড়!
- পানিতে এরা কারা?
- তেভাগা'র রাণীমা
- সেই ৮টি শাশ্বত ডাকটিকিট
- সবচেয়ে সুন্দর জেলিফিশগুলো
- হারাতে বসা পাখিগুলো
- ছবিওয়ালা নজরুল
- ডোরাকাটা জেব্রা
- বার্লিন দেয়ালের গল্প
- সাদাকো আর সহস্র সারস
- বিজ্ঞানের গুণী ছাত্র রবি
- রবীন্দ্রনাথের লেখা 'বিচিত্রিতা'!
- ভয়ংকর যতো হাঙর
- বহু ভাষাবিদ এক জ্ঞান তাপস
- ডেড সি নিয়ে আরো ১
- ভালো আছি ; বাবাকে ছাড়া- অনন্য আজাদ
- ড. আবদুল্লাহ আল-মূতিকে নিয়ে ছেলে আহমদ নাবীলের স্মৃতিকথন 'আমার আব্বা'
- আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাসে ৬ দফা
- দ্রুতগতির উড়ুক্কুরা
- ধাঁধা মিলালেই পুরস্কার
- পরিবেশ কুইজের উৎসবে
- ভয়ংকর-সুন্দরী শুঁয়োপোকা
- মায়ের ভালবাসার দিন
- অবাক করা সবাক নদী
- পৃথিবীর ভয়ঙ্কর সুন্দর সব সড়ক
- আমাজনের গোলাপি ডলফিন
- আমাদের মঙ্গল শোভাযাত্রা
- আকাশ থেকে মহাকাশে
- বিশ্বকাপ ফাইনালের বাকি ৫
- ভূমিকম্প পন্ডিত!
- বিশ্বকাপ ফাইনালের ৪ রোমাঞ্চ
- সাগরতলের ভাস্কর্য রাজ্য
- বঙ্গবন্ধুর ছেলেবেলা
- হারাতে বসা অদ্ভূত বনগুলো
- চলো ঘুরে আসি বিশ্বকাপের চট্টগ্রামে
- বিশ্বকাপের যতো অদ্ভূতুড়ে গল্প
- 'ঢাকার হৃদয় মাঠখানি'
- শহীদ মিনার তৈরির গল্প
- ক্রিকেটের যতো মজারু
- ক্রিকেট মানে ঝিঁঝিঁ পোকা!
- টেনিদা-ঘনাদা-শঙ্কু- ৩ মূর্তি'র গপ্পো
- এই বিশ্বকাপ আসরের যতো স্টেডিয়াম
- ভয়ংকর সুন্দর
- একটি জামার পতাকা হয়ে ওঠার গল্প
- শীতের পিঠার রূপকথা
- বঙ্গবন্ধুর বাড়ি ফেরা
- রংবাহারি পাখির গল্প
- নিউ ইয়ার এলো যেভাবে
- ডিজনিল্যান্ডের ক্রিসমাস
- বড়দিনের গাছ
- সবজান্তা'র ক্রিসমাস
- আমাদের স্মৃতির সৌধ
- জলদস্যু: ব্ল্যাক বিয়ার্ড (শেষ পর্ব)
- জলদস্যু: ব্ল্যাক বিয়ার্ড (৫ম পর্ব)
- ঘুড়ি নিয়ে উৎসব
- জলদস্যু: ব্ল্যাক বিয়ার্ড (৪র্থ পর্ব)
- জলদস্যু: ব্ল্যাক বিয়ার্ড (৪র্থ পর্ব)
- রেইন ফরেস্টের জীব-জন্তু
- কৃষ্ণবিবরের কথা
- জলদস্যু ব্ল্যাকবিয়ার্ড (৩য় পর্ব)
- জলদস্যু: ব্ল্যাক বিয়ার্ড (২য় পর্ব)
- জলদানব টাইগারফিশ
- জলদস্যু: ব্ল্যাক বিয়ার্ড
- নোবেল পুরস্কারের আদ্যোপান্ত
- স্তন্যপায়ী মাছ!
- অক্টোপাসের অষ্টপাশ
- কাঠখেকো ক্যাটফিশ
- না দেখলে আজই দেখো- হীরক রাজার দেশে
- আমাদের জাতীয় কবি'র স্মৃতি নজরুল ইন্সটিটিউট
- বিশ্বসেরা যতো জাদুঘর
- বিচিত্র যতো জাদুঘর
- আজকের সূর্যটা শোক আর মন খারাপের
- সূর্যের বয়স কতো?
- প্রজাপতির বাচ্চা-কাচ্চা
- কোমোডো দ্বীপের ড্রাগন
- ‘ইশান্ত’ এর বন্ধুদের আঁকা ছবির প্রদর্শনী
- সর্প নিয়ে গপ্পো-সপ্পো!
- ইউএফও নিয়ে যতো কান্ড!
- সেরা ৫ কমিক হিরো
- ভয়ংকর সুন্দর ভালকানের পাহাড়!
- ১১ জুলাই : মানুষের সংখ্যা নিয়ে দিবস
- সূর্যের সংসার
- বিষধর ১০ ব্যাঙ এর গপ্পো
- ভারত আবিস্কারের অভিযাত্রা
- গুপ্তধনের সন্ধানে
- বাবা নিয়ে সারাবেলা
- বাবাদের বিচিত্র কাজ
- বিশ্বকাপের এবারের স্টেডিয়ামগুলো
- এভারেস্টের চূড়ায়
- জলদস্যুদের যতো গল্প
- ভ্যাম্পায়ার! ভ্যাম্পায়ার!!
- ফুটবল নক্ষত্র: সেরা কে!
- যতো কাণ্ড বিশ্বকাপে!
- নানা দেশের জাতীয় কবি
- ঝড় ঝাপ্টার কাহিনী
- প্রকৃতির আজব খেয়াল
- মায়ের স্মৃতি মায়ের গল্প
- বিভিন্ন ভাষায় মায়ের ডাক
- অধিকার বিপ্লব আর প্রতিবাদের দিন
- আমাদের যতো নৌকা
- অ্যানিমেশনের মজার জগত
- পাহাড়ি সিংহের বিচিত্র জীবন
- এবারের অ্যাস্ট্রো-অলিম্পিয়াড
- আমার বাবা
- টুঙ্গিপাড়ার খোকা
- সবচে বড় কুকুর জর্জ
- জলাভূমির মৃত্যুদানব
- তাইশানের বাড়ি ফেরা
- ভাষার জন্য যুদ্ধ
- প্রিয় লেখকের প্রিয় বই
- 'বেলজিবুফো' নরকের ব্যাঙ!
- ভীতুর ডিম!
- রঙীন ডাইনোসর!
- ২০১০ এর ১০ শপথ
- ভার্জিনিয়ার চিঠি
- ক্রিসমাস পাজল
- নানা রঙের ক্রিসমাস
- ক্রিসমাস ট্রি অর্নামেন্ট
- ক্রিসমাস স্টকিং
- বুড়ো দাদুর কথা
- স্বাধীনতা শব্দটি কিভাবে আমাদের হলো
- গল্পে ছড়ায় ছবিতে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস
- কাগজের সাপ কামড় দেয় না
- ডামইয়াং এর অ্যাস্ট্রোনমি অলিম্পিয়াডে
- জয়তু শৈশব
- সুডোকু : চেষ্টা করো, ভুল করো, ঠিক করো
- এসো আঁকি মজার কার্টুন
- যাবে নাকি ডিজনিল্যান্ড?
- হারিয়ে যাচ্ছে পান্ডা!
- সোয়াইন ফ্লু: ঘাবড়াও মাৎ, নিজে হও সাবধান
- অনন্য এক কবির গল্প
- আমাদের সূর্য আমাদের 'রবি'
- হিরোশিমার চিলড্রেন্স পিস মন্যুমেন্ট
- 'বাবা' ডাক বিভিন্ন ভাষায়!
- বাবাকে নিয়ে মুভি, বাবার সঙ্গে মুভি
- কল্পনার রোবট, বাস্তবের রোবট
- মায়ের মতো মা
- মে দিবসের ইতিকথা
- ছুঁতে চাই অনন্ত আকাশ
- প্রাণের মেলা- নববর্ষ
- প্রাণের মেলা নববর্ষ
- বুড়ো 'রিপ ভ্যান উইংকেল'
- লাল সবুজের পতাকা
- জীবজগতে বেঁচে থাকার কৌশল- ইকোসিস্টেম
- বুদ্ধিমান ডলফিন
- হাজার বইয়ের রাজ্যে চলো...
- স্মল পক্সের বিরুদ্ধে শিশুদের যুদ্ধ
- টিউলিপ ও রাজকুমারী
- দশই মুহররম
- নাম ছিলো তার প্লুটো
- মাটির হাঁটাহাটি
- সবার প্রিয় মার্ক টোয়েন
- বই পাগল একজন
- গ্যালিলিও ও বৃহস্পতির চাঁদ
- চাঁদের পাহাড়
- চোখের ঢাকনা
- মাটির সেনাবাহিনী
- বিড়ালের ভাষা
- কানের আবার পোষাক!
- চপষ্টিক
- ভালোবাসার লবণ
- এক নজরে বারাক ওবামা
- ২০০৮ সালের নোবেল পুরস্কার যাদের ঘরে গেল...
- দাবার জন্মকথা
- গল্পের জাদুকর ঈশপ
- রেড ইন্ডিয়ান: ভুল নামই যাদের পরিচয়
- হাজার বছরের বিষ্ময় পিরামিড
- মজার কমিকস টিনটিন
- টুথপেস্টের কথা
- ইউএফও: এক অজানা রহস্য
- রেইনফরেস্টের গল্প
- দেশ-বিদেশের ঈদের খুশি
- এনিড ব্লাইটনের গল্প
- বন্ধু সবুজ চিরদিন...
- `হ্যারি পটার গল্পের চিন্তা আমি ট্রেনে বসে পাই...',বললেন জে কে রাউলিং
- ফলের রাজপুত্তুর
- আহা, বাইসাইকেল!
- বৃষ্টি উৎসব
- বাবার জন্য ভালোবাসা
- আমাদের দুখু মিয়া
- মা কে নিয়ে ছড়া কবিতা
- রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই








