আহমেদ রিয়াজ
একদিন একটা পিঁপড়ে হয়ে গেলো একটা হাতির বন্ধু। কেমন করে হলো কেউ জানে না। পিঁপড়ে আর হাতিই বুঝতে পারেনি যে ওরা বন্ধু হয়ে গেছে। তবে হয়ে গেছে। পিঁপড়ে আর হাতি বন্ধু হওয়ার পর দুজনের সে কী মিল! প্রতিদিন ভোর হলেই বনের বিশাল মাঠে গিয়ে হাজির হয় দুজন। মাঠের পাশেই এক পায়ে দাঁড়িয়ে আছে বেশ কয়েকটা নারকেল গাছ। পিঁপড়ে সেই নারকেল গাছ বেয়ে ওঠে। তারপর সুবিধা মতো নারকেলের এমন একটা পাতায় বসে- যাতে হাতির কানের কাছে থাকতে পারে। আর হাতি সেই নারকেল গাছের কাছে গিয়ে দাঁড়ায়। দুজন গল্প করে। হাসি তামাশা করে। মজা করে। সুখ-দুঃখের আলাপ জমায়। মাঝে মাঝে ঝড়ো বাতাস আসে। বাতাসে নারকেল পাতা দুলে ওঠে। সেই বাতাসের ঝাপটায় পিঁপড়ে ছিটকে কোথায় চলে যায়! হাতি বুঝতে পারে না। ঠিকই বন্ধুকে খুঁজে বের করে ফেলে হাতি। তারপর নিজের শুঁড়ে করে নিয়ে বসিয়ে দেয় নারকেলের পাতায়। বন্ধু পিঁপড়ের সাথে গল্প করার লোভে প্রতিদিন হাতিও চলে আসে ওই মাঠে।
একদিন হাতি এল না। সেদিন সেই ভোর থেকে হাতির জন্য অপেক্ষা করতে থাকে পিঁপড়ে। কিন্তু হাতির দেখা নেই। বাতাসের ঝাপটায় বেশ কয়েকবার ছিটকে পড়েছিল ও। বেয়াড়া বাতাস কখন ঝাপটা মারে বোঝা যায় না। বুঝতে পারলে আগেই নারকেল পাতা কামড়ে ধরে রাখত। একটু আয়েশ করে বসতে গেলেই হঠাৎ ঝাপটা মারে। ছিটকে ফেলে দূরে। ওখান থেকে আবার হেঁটে হেঁটে চলে আসে পিঁপড়ে। হাতির অপেক্ষায় থাকতে থাকতে সকাল গড়িয়ে দুপুর, দুপুর গড়িয়ে বিকেল হয়। বিকেল গড়িয়ে সন্ধে নামব নামব করে। পিঁপড়ে তবু অপেক্ষায় থাকে। পশ্চিম আকাশে ডুব দিচ্ছে সূর্য। পিঁপড়ে তা-ও অপেক্ষা করে। সূর্য পুরো ডুব দেয়, এক ফোঁটা রোদও থাকে না আর- তবু বন্ধুর অপেক্ষায় থাকে পিঁপড়ে। প্রায় অন্ধকার হয়ে আসে, তখন বাড়ির পথ ধরে পিঁপড়ে।

ঘরে ফিরে মায়ের সামনে পড়ে। হইচই শুরু করে দেন মা, এতক্ষণ কোথায় ছিলি হতচ্ছাড়া?
হতচ্ছাড়া পিঁপড়ে বলে, বড় মাঠে।
পিঁপড়ে মা এবার অবাক হয়ে জানতে চান, ওখানে কী? আজ তো ওখানে আমাদের কেউ যায়নি।
এমনিতেই বন্ধুর সাথে দেখা না হওয়ায় ভীষণ মন খারাপ পিঁপড়ের। তার ওপর মায়ের বকাবকি। ভালো লাগে না। হতচ্ছাড়া পিঁপড়ে মায়ের সামনে থেকে চলে যাচ্ছিল। ওর খুব খিদে পেয়েছে। দলে দলে পিঁপড়েরা খেতে যাচ্ছে। কোনো একটা দলে ভিড়ে যেতে চায় ও। কিন্তু মা আজ ওকে কড়া পাহারায় রেখেছেন। আর কী করে, চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইল মায়ের সামনে। মা আবার বললেন, জবাব দিচ্ছিস না কেন? বল ওখানে কী করছিলি?
মায়ের কাছে ভুল কথা বলে লাভ নেই। তাই সত্যি কথাটাই বলল হতচ্ছাড়া, বন্ধুর জন্য অপেক্ষা করছিলাম।
মা অবাক হয়ে বললেন, বন্ধুর জন্য বড় মাঠে গিয়ে অপেক্ষা করতে হবে কেন?
হতচ্ছাড়া বেশ গর্বের সাথে বলল, আমার বন্ধুটা অনেক বড় কি না।
মা বললেন, কার সাথে বন্ধুত্ব পাতিয়েছিস শুনি?
হতচ্ছাড়া বলল, একটা হাতি আমার বন্ধু।
ব্যস। এটা শুনেই খুশিতে গদ গদ হয়ে গেলেন মা। চেঁচিয়ে বলতে লাগলেন, এই শুনেছ তোমরা সবাই- একটা হাতি আমাদের হতচ্ছাড়ার বন্ধু।
কিন্তু এখানে কেউ মায়ের কথায় পাত্তা দিচ্ছিল না। তক্ষুণি মা হতচ্ছাড়াকে নিয়ে ছুটলেন খাবার ঘরে। ওদের দলের সব পিঁপড়েরা একসাথে খায়। এই দলে আছে প্রায় তিনশো পিঁপড়ে। আর ওদের কলোনিতে আছে প্রায় পঁচিশ হাজার পিঁপড়ে। খাবার ঘরে ঢুকেই মা চেঁচাতে শুরু করলেন, তোমরা শুনেছ- একটা হাতি আমাদের হতচ্ছাড়ার বন্ধু।
তখনই গমগমে শব্দ শোনা গেল। ওটা ওদের দলনেতার কণ্ঠ। দলনেতা বললেন, কথাটা তুমি এর আগেও একবার বলেছ। একই কথা দুবার বলা কোনো পিঁপড়ের মানায় না। সময় অপচয় হয়।
মা কী যেন একটা বলতে চাইলেন, তার আগেই দলনেতা আবার বললেন- একটা হাতির সাথে আমাদের হতচ্ছাড়ার বন্ধুত্ব হয়েছে। এটা ভালো খবর নয়। ও গত বারোদিন দলের সাথে খাবারের খোঁজে যায়নি। এতে আমাদের খাবার মজুদ অনেক কম হয়েছে। এটা মোটেও ঠিক হয়নি। শীত আসতে বেশি দেরি নেই। এখন আমাদের আরো পরিশ্রম করা দরকার। তাছাড়া আমাদের দলে পা কাটা অনেক পিঁপড়ে আছে। ওরা খাবারের খোঁজে যেতে পারে না। ওদের খাবার জোগাড় করার দায়িত্বও আমাদের দলের সুস্থ সবল পিঁপড়েদের। কথাটা মনে রেখ।
তবু মা আবার বলতে চাইলেন, একটা হাতি আমাদের হতচ্ছাড়ার বন্ধু। বিষয়টা আপনি বুঝতে পারছেন? এটা আমাদের জন্য কতবড় ভাগ্য জানেন?
দলনেতা বলল, তুমি একই কথা আবারও বলেছ। এটা আমাদের জন্য ভাগ্য হবে কেন? হাতির সাথে বন্ধুত্ব হওয়ার আমাদের হতচ্ছাড়াও কি হাতি হয়ে যাবে নাকি?
এবার সব পিঁপড়েরা খিক খিক করে হেসে ওঠল। বড্ড অপমান লাগল মায়ের। মা এবার হতচ্ছাড়ার শুঁড়ে আলতো করে কামড় দিয়ে বললেন, দলের নেতার কথা মেনে চলতে পারিস না?
পরদিন ভোর না হতেই বড় মাঠে গিয়ে হাজির হল হতচ্ছাড়া পিঁপড়ে। এর অনেকক্ষণ পর সূর্য উঁকি দিল। তারও অনেকক্ষণ পর হাতিটা এল। কী যে খুশি হল আমাদের হতচ্ছাড়া পিঁপড়ে। খুশিতে ও বেশ কয়েকটা ডিগবাজী খেল নারকেল পাতার ওপর। ভাগ্যিস তখন বাতাস ঝাপটা মারেনি ওকে।
হাতিটা ওর কাছে আসতেই পিঁপড়ে জানতে চাইল, গতকাল কোথায় ছিলে বন্ধু?
হাতি বলল, গতকাল গিয়েছিলাম ওই লামা পাহাড়ের ওপাশে। অনেক দূর। বিশাল একটা কলাবাগানের খোঁজ পেয়েছি আমরা। গতকাল পেটপুরে কলাগাছ খেয়েছি।
পিঁপড়ে অভিমানের সুরে বলল, আর আমি সারাদিন এখানে তোমার জন্য অপেক্ষা করেছি। একটু বলে গেলে কী হতো বন্ধু?
সত্যিই তো! বন্ধু পিঁপড়েকে একটু বলে গেলে আহামরি কোনো ক্ষতি হতো না। কিন্তু কেমন করে বলবে? ওরা যে সেই ভোরে রওনা হয়ে গিয়েছিল। হাতি বলল, আমি সত্যিই খুব দুঃখিত বন্ধু।
তারপর পিঁপড়ে আর হাতি অনেক গল্প করল। অনেক মজা করল। পিঁপড়ে গতরাতের ঘটনা বলল হাতিকে। শুনে হাতি খুব দুঃখ পেল। বিদায় নেয়ার আগে হাতি বলল, তোমার দলের সবাইকে আমি নিমন্ত্রণ করতে চাই। আসবে আমাদের বাড়ি?
পিঁপড়ের খুশি কে দেখে? যাবে মানে? পুরো দল নিয়ে যাবে। পিঁপড়ে বলল, মানে আমাদের কলোনিতে যত পিঁপড়ে আছে, সবাইকেই নিমন্ত্রন করছ?
হাতি বলল, কলোনিতে কতজন আছো তোমরা?
পিঁপড়ে বলল, পঁচিশ হাজারের মতো।
হাতি বলল, পঁচিশ লাখ হলেও সমস্যা নেই। কবে আসবে বলো? আগামী কাল?
পিঁপড়ে বলল, ঠিক আছে আগামীকাল।
খবরটা সবাইকে দেয়ার জন্য ছুটল পিঁপড়ে। এটা কি কম কথা! পুরো কলোনির সবাইকে নিমন্ত্রণ জানিয়েছে হতচ্ছাড়ার এক বন্ধু। খবরটা শুনেই তোলপাড় শুরু হয়ে গেল কলোনিতে। এবং রানীও শুনলেন। আর শুনেই রানী ডেকে পাঠালেন হতচ্ছাড়াটাকে। হতচ্ছাড়া মায়ের খুশি তখন দ্যাখে কে? সমানে বক বক করতে লাগলেন তিনি, আমাদের হতচ্ছাড়ার জন্যই আমরা সবাই কারো বাড়িতে নিমন্ত্রণ পেলাম। এমন বন্ধু কজনের আছে? সারাজীবন চেষ্টা করলেও তো একটা পিঁপড়ে ওদের মতো একটা কলোনির সবাইকে নিমন্ত্রণ করে খাওয়াতে পারবে না।
সে রাতে রানীর সাথে রাতের খাবার খেল হতচ্ছাড়া।
পরদিন সকাল হতেই দলে দলে পিঁপড়ে রওনা হয়ে গেল বড় মাঠের কাছে। আর ওদের রানী
চললেন একটি পালকিতে করে। মাঠে গিয়েই দ্যাখে হাতিটা ওদের নেয়ার জন্য
দাঁড়িয়ে আছে। এবার হাতির পিছন পিছন চলল, সুবিশাল এক পিঁপড়ের ঝাঁক।
অনেকগুলো দলে ভাগ হয়ে ওরা চলতে লাগল। পথে কত পিঁপড়েখেকো পড়ল। কিন্তু
হতচ্ছাড়ার বন্ধু হাতির জন্য একটা পিঁপড়েও খেতে পারল না। সেই সকালে রওনা
দিয়েছে ওরা। তারপর হাতির বাড়ি পৌঁছাতে পৌঁছাতে বিকেল। ভালোই হয়েছে। সবাই
একেবারে পেট পুরে খেয়ে নেবে- যাতে আর তিনদিন কিছুই খেতে না হয়। তিনদিনের
খাবার জমা হয়ে থাকবে। হাতির মতো বন্ধু আর কারো নেই কেন?
হাতিটা ওদের সাদরে নিয়ে ঢোকাল ওর ঘরে। পুরো কলোনির পিঁপড়েই এঁটে গেল একটা
ঘরে। হাতির ঘরটা বিশাল এক গুহার মধ্যে। রোদ বৃষ্টি ঝড় কোনো কিছুই হামলা
করতে পারে না।
হাতিরা কত্তধরনের খাবার খেতে দিল পিঁপড়েদের। বড় বড় পাকা কলা দিল। গতকাল
ওরা লামা পাহাড়ের ওপাশ থেকে নিয়ে এসেছে। গাছ থেকে মধু পেড়ে দিয়েছে। বন
থেকে আরো কিছু মিষ্টি ফল এনে দিয়েছে। এত্ত খাবার দেখে তো পিঁপড়েরা
মহাখুশি। ওরা খেলও পেট পুরে। পুরো খাবার খেয়ে শেষও করতে পারল না। অনেক
খাবার রয়ে গেল।
নিমন্ত্রন খেতে খেতে সন্ধে পেরিয়ে রাত নেমে এল। এই রাতের বেলা কেমন করে
যাবে ওরা? হতচ্ছাড়ার বন্ধু হাতি বলল, যাওয়ার দরকার কী। আজ রাতের মতো থেকে
যাও সবাই। কত বড় থাকার ঘর আমার। তোমরা অনায়াসে থাকতে পারো। আমার তো কোনো
অসুবিধেই হবে না।
হাতির কথা শুনে পুরো কলোনির পিঁপড়েরা এত খুশি হলো যে বলার মতো নয়। রানী
পিঁপড়ে হাতির মাথায় আর্শীবাদও করতে চাইলেন। কিন্তু সেটা খুব ঝক্কির
ব্যাপার বলে বাদ দেয়া হলো। আর কী। রাতের বেলা পিঁপড়েরা আরো খাবার খেল।
বিকেলে যে খাবার দেয়া হয়েছিল ওদের, সেগুলোই রাতেও খেল। তবু সব খাবার খেয়ে
শেষ করতে পারল না। অনেক রাত পর্যন্ত খেল। তারপর খাবারে উপরেই অনেকে ঘুমিয়ে
পড়ল। ঘুম থেকে একটু জেগেই খায়। খেতে খেতেই ঘুমলো। ঘুম থেকে উঠেও খেল। খেয়ে
খেয়ে একদিনেই একেকটা পিঁপড়ে হয়ে গেল ইয়া বড় বড়।
পরদিন সকাল সকাল আবার বেরিয়ে পড়ল ওরা। যাবার আগে রানী পিঁপড়েও হাতির দলকে
নিমন্ত্রণ জানিয়ে গেলেন। কথা হল ঠিক একমাস পর হাতির দল যাবে পিঁপড়েদের
কলোনিতে। কারণ হাতির খাবার জোগাতে ওদের একমাস লেগে যাবে।
এই একমাস আমাদের হতচ্ছাড়া পিঁপড়েটাও বেশ খেটেছে। এমনকি রাতেও খেটেছে ওদের
অনেকে। আর খাবার জমিয়েছে। এতই খাবার জমিয়েছে যে, ওদের যে খাবার জমানোর ঘর
আছে, সেটাও ভরে গিয়েছে। শেষে অনেক পিঁপড়ে নিজেরা বাইরে থেকে ওদের ঘরে
খাবার রেখেছে।
একমাস পর একদিন এসে হাজির হল হাতির দল। দলে খুব বেশি হাতি নেই। মাত্র তেরোটা। যেহেতু হাতিদের ঘরে নিয়ে বসানোর সুযোগ নেই, কাজেই ওদের বাইরেই বসতে দিল পিঁপড়েরা। রানী পিঁপড়ে নিজে এসে হাতির দলের তদারকি করতে লাগলেন। কিন্তু ঘরে না বসিয়ে বাইরে বসানোতে রাগ করল দুটো হাতি। রাগে ফুঁসতে থাকল। কিছু বলল না। এরপর এল খাবার। খাবার দেখে হোঃ হোঃ করে হাসতে শুরু করল ওই হাতি দুটো। একটা কলাগাছের কেবল একটা বাকলের সমান খাবার জোগাড় করতে পেরেছে ওরা। এটা দিয়ে কী হবে? একটা হাতিরও তো কিছু হবে না। রাগে কাঁপতে লাগল ওই হাতি দুটো। হতচ্ছাড়ার বন্ধু হাতি ওদের বোঝাতে লাগল। বলল, দেখো আমরা এসেছি নামকাওয়াস্তে নিমন্ত্রণে। তোমরা ভালো করেই জানো পিঁপড়ে আমাদের একবেলাও একজনকেও পেটপুরে খাওয়াতে পারবে না। সে যোগ্যতা ওদের নেই।
রাগী একটা হাতি বলল, তাহলে নিমন্ত্রণ করল কেন?
হতচ্ছাড়ার বন্ধু হাতি বলল, এটা কেবল বন্ধুত্ব রক্ষার খাতিরে।
আরেকটা রাগী হাতি বলল, তাই বলে একটা পিঁপড়েরা সাথে তোমার বন্ধুত্ব! আবার ওই পিঁপড়ের বন্ধুত্ব রক্ষা করার জন্য খাতিরও করতে হল?
বলেই রাগে হন হন করে চলে গেল। ওর পিছন পিছন অন্য রাগী হাতিটাও চলে গেল। আহ্! যেন হাঁপ ছেড়ে বাঁচল হাতিটা। ওরা এসেছে কেবল পিঁপড়েদের সাথে মজা করতে। কিন্তু পুরো পিঁপড়ে পাড়ায় হই হই পড়ে গিয়েছে। পিঁপড়েদের যে যা পারে- নাচ, গান, খেলা- সব করে দেখাতে লাগল হাতির দলকে। এবার হাতির পালা। দুটো হাতি যেই নাচ শুরু করল, অমনি কেঁপে ওঠল মাটি। হঠাৎ একটা হাতির পায়ের তলায় চাপা পড়ল পিঁপড়েদের কলোনি। অমনি ছুটো ছুটি শুরু হয়ে গেল পিঁপড়েদের। পিঁপড়েদের ছুটোছুটি দেখে হাতিদের মধ্যেও ছুটোছুটি শুরু হল। এই ছুটোছুটিতে হাতিদের পায়ের তলায় চাপা পড়ে মাটির সাথে একেবারেই মিশে গেল পিঁপড়েদের কলোনিটা। মাটির তলায়ও ওদের কিছু ঘরবাড়ি ছিল। সেগুলো নষ্ট হল। প্রায় দশবছর ধরে ওরা এই কলোনি বানিয়েছে। এখন সেই কলোনি নেই বললেই চলে। শুধু যে কলোনি চাপা পড়েছে তা নয়, হাতির পায়ের তলায়ও চাপা পড়েছে অসংখ্য পিঁপড়ে। মারা গেল অনেক অনেক পিঁপড়ে। আহত হল অনেক অনেক পিঁপড়ে। কেউ পা হারাল, কেউ শুঁড় হারালো, কারো পিছনের দিক থেতলে গেল, কারো পেট গেলে গেল। আর হাতির বন্ধু হতচ্ছাড়ার কোনো খবরই পাওয়া গেল না। অনেক খুঁজল ওর বন্ধু হাতি। পেল না। ওই দিনটা পিঁপড়েদের জন্য হাতি ট্র্যাজেডি হয়ে রইল।
কয়েকদিন হাতিটা খুব মন খারাপ ছিল বন্ধু পিঁপড়ে ও তার কলোনির পিঁপড়েদের জন্য। একসময় আর কিছুই মনে রইল না ওর। তবু যখন পিঁপড়ে দ্যাখে, তখন বন্ধুর কথা মনে পড়ে। মনে পড়ে সেই দুর্ঘটনার কথা। মনে পড়ে ওরা একদিন গিয়েছিল পিঁপড়েদের সাথে মজা করার জন্য। সেই মজাটা একসময় পিঁপড়েদের দুর্ভাগ্যের কারণ হয়ে গেল।
পিঁপড়ের যদি হাতির মতো বন্ধু থাকে, তাহলে এমন দুর্ভাগ্য পিঁপড়েদের হতেই পারে। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। এটা যদি হাতি বা পিঁপড়ে বুঝতো!
- কাজলকাকা ভূত নয় - ইমতিয়ার শামীম
- অর্পণের মা - আলী হাবিব
- রাশিয়ান রূপকথা: ধপাস ভালুক - রহীম শাহ
- মুখোশ রহস্য - আহমেদ রিয়াজ
- মুরগী ছানা তিতি - আরিফুন নেছা সুখী
- অহংকারী রাজকন্যা - বিএম বরকতউল্লাহ
- পুতুল ভূত - রানা জামান
- রাখাল ও জাদুর আম গাছ - হুমায়ুন কবীর ঢালী
- দুষ্টু ছানাদের গল্প - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- তুতুন - আল নাহিয়ান
- সাইকেল বাবু - লিটন মহন্ত
- রূপকথা নীল পূর্ণিমার সোমেশ্বরী - রবীন ভাবুক
- পরীরাণী - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- সাদাসোনা মেঘ, নীল ঘুড়ি আর খোলা মাঠে একা ছেলেটা - নূর সিদ্দিকী
- অন্ধকারের এক রহস্যমানুষ আর রাজহাঁস - মিন্টু হোসেন
- চকোলেট দৌড় - সোহানা রহমান
- স্কুলপড়ুয়া পাখি, প্রজাপতি আর ছড়া - মেহেরুবা নিশা
- গরুর ঘায়ে! - আহমেদ রিয়াজ
-
ঝুমি ও একটি কুকুর -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
উপন্যাস: পিশাচ-কন্যা -
সামান্থা লি
রূপান্তর: অনীশ দাস অপু - অক্স ও বুল (সায়েন্স ফিকশন গল্প) - আবুল কালাম আজাদ
- আমি ভূত - সোহানা রহমান
- সবুজ মাঠ - শিবলী নোমান
- মন্দ মানুষ - চন্দন চৌধুরী
- ঈদে মুক্তির আনন্দ - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- জোনাকিদের গ্রহে ভয়েজার ১ - মিন্টু হোসেন
- তর্ক-বিতর্ক - পাভেল মহিতুল আলম
- খরচি মামার সাইকেল - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
- লাল জামা - বিএম বরকতউল্লাহ্
- আমার বন্ধু ডোরেমন - আহমেদ রিয়াজ
-
অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস অজানা দ্বীপে অভিযান -
মূল : এডগার অ্যালান পো
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- ঢেউয়ের বন্ধুরা - নূর সিদ্দিকী
- ভাষা - জাহিদুল আলম
- বর্ণান্ধ - মারিয়া হোসেন
- ভূতের সঙ্গে আড়ি - মুহসীন মোসাদ্দেক
- নরহরি দাস - উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
- কাকদের পুরীষ উৎসব! - মহিউদ্দীন আহ্মেদ
- সে সত্যিই ছিল একটা বাচ্চা পরি - মেহেরুবা নিশা
-
মেঘকন্যা আর টুনটুনিছানা -
বিএম বরকতউল্লাহ্
- নবম মাত্রার গোবট - ধ্রুব নীল
-
পরী এবং পরিবেশ -
মাহাবুবুল হাসান নীরু
- দুঃখী বুড়ি ও নেংটি ইঁদুর - বিএম বরকতউল্লাহ্
- ভালো 'মন খারাপ' - চন্দন চৌধুরী
- রকির চাওয়া - জুবায়ের হুসাইন
- মৌমাছি ও কাঠুরিয়া - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- ফিরে দেখা - রবীন ভাবুক
- মতির মাথায় গাব - ধ্রুব নীল
- প্রজাপতি হবো - এনায়েত রসুল
- চাঁদনি-হালুয়া - সঞ্চারিণী
- জলে কোলাহল - চন্দন চৌধুরী
- এক টুকরো মেঘ ও দুঃখী গাছ - বিএম বরকতউল্লাহ
- আমার রোবট 'রবি' - মোঃ মিন্টু হোসেন
- কত আটায় কত রুটি - আবুল কালাম আজাদ
- আংটি - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- শহরে একদিন - আহমেদ রিয়াজ
- পল্টুর বন্ধু - আহসান হাবীব
-
হরর গল্প -
মিস্ট্রেস স্যারি মূল : উইলিয়াম টেন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- নিলেশের অন্য ভূবন - আফরোজা অদিতি
- ভাষার খোঁজে নেপালে - সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ
- গিফট - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- ভূত শিকার - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
-
ডানাকাটা পাখি ও সীম বীজ -
চন্দন চৌধুরী
- গোয়েন্দা মেনু'দা - রবীন ভাবুক
- তিনা আর লাল গোলাপ - আফরোজা অদিতি
- পরীটি কি জাদু জানে - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- আরকনির রুমাল - মোঃ মিন্টু হোসেন
- পুষ্পিতার ঈদ - আফরোজা আদিতি
- হাতির ডিম - আহমেদ রিয়াজ
- কঙ্ক - শুভ অংকুর
- বিন্নির খুশি - এনায়েত রসুল
- প্রান্ত ও তার এ্যাডনোক্সিয়ান বন্ধু (সায়েন্স ফিকশান) - আবুল কালাম আজাদ
- এক যে ছিলো রাসেল - বেবী মওদুদ
- আতঙ্কের প্রহর [রহস্য গল্প] - অনীশ দাস অপু
- ঈদ শপিং - আহসান হাবীব
- উপন্যাস- আলিবাবা ও চালিচার - শিবব্রত বর্মন
- মৌমাছি - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
- সূত্রধর স্যার - জাহিদুল আলম
-
কোনো এক অমাবস্যার রাতে -
আহমেদ রিয়াজ
- বিজ্ঞানী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গড়ে আটকা এক নেকড়ে - মোঃ মিন্টু হোসেন
- প্রজাপতি - এনায়েত রসুল
- পরী এসেছিল - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- বিচ্ছু ভাগনের কাণ্ড - জাহিদুল আলম
- নিশান আর ব্ল্যাকহোল - আফরোজা অদিতি
- পরীর বন্ধু অহনা - এনায়েত রসুল
-
স্যারের বিপদ -
জাহিদুল আলম
-
নতুন স্যার -
আবুল কালাম আজাদ
-
মিকাই-এর বাঘের ছানা -
মিন্টু হোসেন
-
আলুভর্তা -
জান্নি রোদারি
অনুবাদ: জামিল বিন সিদ্দিক -
বেকার আয়না -
জাহিদুল আলম
-
একদিন রাতে ধবধবে বিড়ালটা -
আহমেদ রিয়াজ
- অবাক বইপাঠ - মুনির রানা
- জোকার - শিবব্রত বর্মন
- ইঁদুরের ভোজ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ভৌতিকবাড়ি - অনীশ দাস অপু
- মেলায় মাঠে পিউস - আফরোজা অদিতি
-
মিস্ট্রেস স্যারি -
মূল : উইলিয়াম টেন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
ভয়ঙ্কর এক লোক -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
তেরো তলা -
মূল : ডন উলফসনে
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
টুঙ্গিপাড়ার খোকা -
বেবী মওদুদ
-
রাতের আতঙ্ক -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
বৃক্ষপরী টিয়া -
আফরোজা অদিতি
-
গেকো -
অনীশ দাস অপু
-
ময়না -
আফরোজা অদিতি
-
রাজকন্যা মাঈশা আর বলঢাঁশের গল্প -
আশরাফুল ইসলাম সাগর
-
শেয়াল দেবতার প্রতিহিংসা -
মূল : রবার্ট ব্লচ
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু - ফার্স্ট হওয়ার ঝামেলা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- শূন্যে ডানা মেলে - এনায়েত রসুল
-
একটু উষ্ণতার জন্য -
মূল : হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান এন্ডারসন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
শামন্তীর শীতবেলা -
মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
রাতের অতিথি -
আহমেদ রিয়াজ
- চৈতি আপু - ইমদাদুল হক মিলন
- তেতুল গাছ - আহসান হাবীব
- টুশির গল্প - বেবী মওদুদ
- চড়ুই পাখিদের ঘরের ঘটনা - ধ্রুব এষ
- বিলাই মা বিলাই ছা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- এক শিশি আলতা - এনায়েত রসুল
- কুলরাজা কুলরাণী - শাশ্বত ভট্টাচার্য
- ছায়ার মানুষ - আহমেদ রিয়াজ
- আলতা কন্যার জন্মদিন - মারুফ রেহমান।
- লেজ উঁচিয়ে - আহমেদ রিয়াজ
- ভৌতিক গল্প : থাবা - অনীশ দাস অপু
- রাজার ঈগল পাখি (কম্বোডিয়ার লোককাহিনী) - অনুবাদ: মৃত্যুঞ্জয় রায়
- আকাশ ছুঁয়ে উড়বো - এনায়েত রসুল
- আবু আর বাবু - বেবী মওদুদ
-
ভূতুড়ে বানর -
মূল : স্টিফেন কিং
অনুবাদ : অনীশ দাস অপু - কার ছবি - ইমদাদুল হক মিলন
- ঝন্টু মন্টুর দাদি - আহসান হাবীব
- সন্ধ্যার বিচিত্র ঘটনা - ধ্রুব এষ
-
তিন রাজপুত্র -
অনুবাদ : শিবব্রত বর্মন
মূল গল্প: আইজাক আসিমভ - নওরিনের স্কুল - এনায়েত রসুল
- বংশী নদীর ঘটনা - হামিদ কায়সার
- মাকড়সার চন্দ্র ভ্রমণ - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- ইঁদুর সাহেবার হলিডে - মিজানুর খান
- জাদুর ঢোল - আহমেদ রিয়াজ
- ক্যামডেন কিলার - অনীশ দাস অপু
- পরীর দেশে - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- পিঁপড়ে যখন হাতির বন্ধু - আহমেদ রিয়াজ
- সাগর পরী - মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
বৃষ্টি তুমি এসো না -
অনীশ দাশ অপু
মূল রচনা: আইজাক আসিমভ - ঝমঝমে আষাঢ়ে - আহমেদ রিয়াজ
-
ভৌতিক হাত -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প: কার্ল জ্যাকবির ‘দ্য হ্যান্ড’ -
বাবার জন্য ভালোবাসা -
মুহাম্মদ নাহিয়ান বিন খালেদ
- সেন্টমার্টিনে বাবার সাথে - জারিন তাসনিম অতসী
-
ভৌতিক ঘুড়ি -
অনীশ দাস অপু
মূল: কার্ল জ্যাকবি’র ‘দ্যা কাইট’ - ফুটবল প্রেমিক - রাশেদ শাওন
- ঘটনাটা সত্য - এনায়েত রসুল
- ভুতুড়ে বাড়ি - অনীশ দাস অপু
- ইচ্ছাপূরণ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- মায়ের কাছে ফেরা - বেবী মওদুদ
- স্বপ্ন - শিবব্রত বর্মন
- মেলায় যাবো - এনায়েত রসুল
- কুমড়ো দানব - অনীশ দাস অপু
- আসলে ছবিটা মেঘের - ধ্রুব এষ
- কাশেম আলী গরু চরাতো - আনিসুল হক
-
অদৃশ্য শত্রু -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প : ফিলিপ কে. ডিক - জাদুকর - সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল
-
জানের দুশমন -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প : হেনরি কুটনার - ভালোবাসার সবুজ গাছ - ইমরুল ইউসুফ
- বড়দিনের রাতে - অনীশ দাস অপু
- দেহহীন - শিবব্রত বর্মন
- নীলুর নীল চশমা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- রহস্যভেদী - রকিব হাসান
- দুষ্টু বিড়াল - অনীশ দাস অপু
- অপেক্ষা - মোস্তফা মামুন
- ঈশানপুরের অপুর কান্ড - সুমন কায়সার
- রাজা যখন গাছে - আহমেদ রিয়াজ
- অন্যরকম ভালোলাগা - শুভ অংকুর
- পৃথিবীর জন্য ভালোবাসা (সায়েন্স ফিকশন) - শুভ অংকুর
- কিং মিঠু - মোস্তফা মামুন
- প্রেতাত্মা - অনীশ দাস অপু
- রোবট - আনিসুল হক
- চতুর্দশতম/চৌদ্দ - নঈম তারিক
- জিকুর স্বপ্ন - আহসান হাবীব
- চোর - রকিব হাসান
- ছায়াহীন - শিবব্রত বর্মন
- ঈদের আগের রাত - মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
মেরু ভালুকদের রাজা -
মূল : ফ্রাঙ্ক বাউম
ভাষান্তর : বিদ্যুত - গাধার টুপি - আহমেদ ফারুক
- আলসে বালক আর গরুর গল্প - মো. গোলাম রহমান
- অতি চালাকির সাজা! - এনায়েত রসুল
- মাছরাঙা আর রূপোর চামুচ - মোস্তফা হোসেইন
- হাবা রাকিবের কাণ্ড - মারুফ রেহমান
- বিড়ালের বন্ধুত্ব - রূপান্তর : আবুল বাসার
- গণেশ চ্যাটার্জি আর তার কালো কুকুর - নাফে মোহাম্মদ এনাম
- শিউ-পিউর বন্ধু তানতুলু - নূর সিদ্দিকী
- মেছোভূত - ইকবাল খন্দকার
- অ্যারোসল ভূত - শাকিল ফারুক
- পাঠশালা - আহমেদ রিয়াজ
- যুদ্ধের গল্প - ফরহাদ সাফায়েতুল কবীর
- বোকাতু - আরিফ হাসান
- রূপকথার ইলিশ - অর্জিতা মাধুর্য
- সীনের বাবা সীনের মা - আহমেদ রিয়াজ
- চাঁদ - পান্থ বিহোস
- মায়ের ভাষা - মুহাম্মদ মুনতাসির আলী
- জিন্নাহ'র না জানা গল্প - আহমেদ রিয়াজ
- ঘুম পাহাড়ের আজব পাখি - আ হ মে দ ফা রু ক
- উপহাস - আহমেদ রিয়াজ
-
ড্রাগনের যম ইভান -
মূল : ভ্লাদিমির বাইকো
অনুবাদ: হাসান খুরশীদ রুমি - টিনা আপুর জাদুর কাঠি - এনায়েত রসুল
- তারা পড়তে দেখলে - ধ্রুব এষ
- বাঘ-সিংহের গল্প - আহমেদ রিয়াজ
-
লুকোচুরি -
নিকোলাই নসভ
অনুবাদ: হাসান খুরশীদ রুমী - রহস্যময় কিশোর যোদ্ধা - আহমেদ রিয়াজ
- অদ্ভূতুড়ে কিন্তু ভূতুড়ে নয় - বিজয় মজুমদার
- তিন ভূতুড়ে - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- মরগানস উডসের ভূত - অনীশ দাস অপু
- মহাকাশে সু ভূতের অভিযান - বিধান রিবেরু
- জামাটা কোথায় গেল - আহমেদ রিয়াজ
- মি. হাকলি - নূর সিদ্দিকী
- বুলেট ভাইয়ের হাইজাম্প - মোস্তফা মামুন
-
একা কবরস্থানে -
মূল : অ্যালভিন শোয়ার্জ
অনুবাদ : হাসান খুরশীদ রুমী - তৈল মর্দন - সজ্জাদ কবীর
- ঝিন্টু - মানিক চন্দ্র দাস
- রবীন-মাহিনের মুক্তি... - আহসান হাবীব
- মামার ঘড়ি - পান্থ বিহোস
- তৃষার ভালো লাগা - এনায়েত রসুল
- খরগোশের টাকা চাষ - ভাষান্তর- মৃত্যুঞ্জয় রায়
- ঈদের চাঁদ - আশীষ চক্রবর্ত্তী
-
স্টোরিটেলার -
নিকোলাই নসভ
রূপান্তর : হাসান খুরশীদ রুমী - একটা গাছের চারা - আশরাফুল আলম পিনটু
- পাহাড় যখন সরে যায় - আমীরুল ইসলাম
- ঝিম দুপুরের গল্প - শাকিল ফারুক
- জেলে আর সোনার মাছ - রহীম শাহ
- কুয়োর ব্যাঙের সমুদ্র যাত্রা - বিজয় মজুমদার
- পুতুল - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
-
হানাবাড়ির উন্মাদ -
মূল : ইলেন এ. কিউল
অনুবাদ : অনীশ দাস অপু - চ্যালেঞ্জ! - রকিব হাসান
- রাজা এলেন - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- চুরি বিদ্যা বড়ো বিদ্যা - মোস্তফা মামুন
- আসলে কী ঘটেছিল - ইমদাদুল হক মিলন
- শিয়াল রাজার সাজা - এনায়েত রসুল
- রূপোলি রেণু - আলী ইমাম
- প্যালিনড্রোমিক ফর্ক... - আহসান হাবীব
- ঘড়ি উদ্ধার - আহমেদ রিয়াজ
- অপু আর তপু - আশরাফুল আলম পিন্টু
- সাদা মেঘ ও কাশফুলেরা - আহমেদ রিয়াজ
- মনের ভয় - ফাতেমা ফেরদৌস (পিংকি)
- চাঁদের বন্ধু খরগোশ - রেহানা পারভীন রুমা
- দুষ্টু টুলু - এনায়েত রসুল
- রেডিও - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- ঠাকুরমার ঝুলি এবং ইবু - আহমেদ ফারুক
- আষাঢ়ে হাতি ও রাজার গল্প - আহমেদ রিয়াজ
- সুন্দর - মঈনুল আহসান সাবের
-
ছোট্ট তুষারমানব -
কোরিয়ার রূপকথা
রূপান্তর : মো. গোলাম রহমান - ঘুপুর বন্ধু টুনু আর চি - এনায়েত রসুল
- এটা আমার বাবার গল্প, মায়েরও - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- চাষা ও তার গরু - আহমেদ রিয়াজ
- সহকারী গোয়েন্দা - মোস্তফা মামুন
- লাল বেলুন - আমীরুল ইসলাম
- ডান-বাম - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
-
শেষ যাত্রা -
মূল : কার্ল জ্যাকবি
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু - লিটুর ঘুম আসে না - মোস্তফা মামুন
- ভূতটা খোলা মাঠে একা শুয়ে আছে - আহমেদ রিয়াজ
- কিসমতের বিচার - হুমায়ূন কবীর ঢালী
- নিপুর আশ্রয় - এনায়েত রসুল
- দুই ভূতের কান্ড - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
কান্নার দাগ -
আফ্রিকার রূপকথা
রূপান্তর : আবুল বাসার - নূরী ও পরী - আহমেদ রিয়াজ
-
প্রকৃতি কন্যার দোলনা ঘর -
শোহেইল মতাহির চৌধুরী
- ছোট্ট জাদু-নুড়ি - আমীরুল ইসলাম
- জাদুর আয়না - রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- বিন্নির খুশি - এনায়েত রসুল
- ঘুম পাহাড়ের আজব পাখি - আহমেদ ফারুক







