এনায়েত রসুল
নওরিন যখন জানতে পারলো ওকে মফস্বল শহরের এক অখ্যাত স্কুলে বদলি করা হয়েছে, তখন ওর মন খারাপ হয়ে গেলো। সরকারি চাকুরেদের যখন-তখন যে কোনো জায়গায় বদলি করা হতে পারে, নওরিন তা জানে। তা বলে মুন্সীগঞ্জের মতো শহরে? যে মেয়ের জন্ম ঢাকায়, লেখাপড়া, বেড়ে ওঠা ঢাকায়-অমন একটি ছোট শহরে সে মন টেকাবে কেমন করে?
মন খারাপ করে বাসায় ফিরে এলো নওরিন। সারাটা বিকাল মুখ ভার করে বসে রইলো। শেষে বাবা ফিরে আসার সঙ্গে সঙ্গে তার কাছে কান্নায় ভেঙে পড়লো- বাবা! বলো আমি কী করবো?
নওরিনের বাবা ধীর-স্থির প্রকৃতির মানুষ। অথচ মেয়ের কান্না বিচলিত করে তুললো তাকে। তারপর যখন কান্নার কারণটা জানতে পারলেন, তখন ঘর কাঁপানো হাসিতে ভেঙে পড়লেন তিনি।
নওরিনের এতোক্ষণ রাগ হচ্ছিলো বদলির কাগজটার ওপর- এখন রাগ হলো বাবার ওপর। নওরিন বললো, হাসছো কেনো বাবা? মেয়ের সমস্যা দেখে বাবার হাসি পায়-এমন বাবা আমি প্রথম দেখলাম।
নওরিনের কথা শুনে বাবা আবার হেসে উঠলেন। বাবা বললেন, তোর সমস্যা দেখে হাসি এলো কেনো জানিস? চাকরি জীবনের শুরুতে আমাকে যখন এমন একটা ছোট শহরে বদলি করা হয়েছিলো, আমিও তখন তোর মতো ঘাবড়ে গিয়েছিলাম। ভেবেছিলাম কোর্ট-কাচারি ছেড়ে দিই। শেষে মা যখন সাহস দিয়ে সেখানে পাঠালেন, দেখলাম ভয় পাবার মতো কোনো জায়গাই নেই পৃথিবীতে। মানুষ এবং স্থানকে ভালোবাসলেই ওসব আপন হয়ে যায়।
: তার মানে তুমি আমাকে ইনডায়রেক্টলি মুন্সীগঞ্জ যেতে বলছো?
বাবা বললেন, ইনডায়রেক্টলি নয়-ডায়রেক্টলিই বলছি। সবাই যদি অমন ছোটখাটো শহরগুলোকে এড়াতে চায়, তাহলে ওরা তোর মতো সিনসিয়ার টিচার পাবে কোথায়?
: তাহলে আমাকে যেতে বলছো? অকৃত্রিম অসহায়ত্ব প্রকাশ পেলো নওরিনের কণ্ঠে।
বাবা বললেন, হ্যাঁ মা, তুই যাবি। কোনো সমস্যা হবে না। আর সমস্যা হলে আমি তো আছিই।
২.
সেই অখ্যাত স্কুলের অপরিচিত শিক্ষকরা নওরিনকে যখন পরিচিত জনের মতো আপন করে নিলো, মুহূর্তেই নওরিনের মন থেকে মুছে গেলো সব সংশয়। নওরিন হলো কারো বান্ধবী, কারো বোনঝি, কারো মেয়ের মতো আর কারো আপুমণি-এক দিনেই এক নওরিন হয়ে গেলো সবার।
সিক্সের ক্লাস টিচার করা হলো নওরিনকে। কো-এডুকেশন স্কুল। ছেলেমেয়ে মিলেমিশে এ স্কুলে পড়ে।
নতুন শিক্ষকরা অবশ্য প্রথম দিন পড়ালেখার কথা বলেন না ছাত্রদের সঙ্গে। নওরিনও বললো না। প্রথম নিজের পরিচয় দিলো। বললো, আমার নাম নওরিন। বিক্রমপুরের মেয়ে। তবে ঢাকায়ই জন্ম ও বেড়ে ওঠা। তিন বছর ধরে শিক্ষকতা করছি। এই প্রথম ঢাকা ছেড়ে বাইরে এলাম। তোমাদের দেখেই বোঝা যাচ্ছে তোমরা খুব লক্ষ্মী স্টুডেন্ট। আমি জানি আমাকেও তোমাদের ভালো লাগবে। আমি কি ঠিক বলেছি?
সঙ্গে সঙ্গে সারাটা ক্লাসরুম গমগম করে উঠলো- ঠিক বলেছো আপুমণি।
নওরিন জিজ্ঞেস করলো, তোমরা কি সব টিচারকেই তুমি করে বলো?
আবার ছাত্রছাত্রীরা এককণ্ঠে জবাব দিলো- না। শুধু তোমাকে।
নওরিন অভিভ‚ত হলো। মিষ্টি হেসে বললো, ঠিক আছে। স্কুল অথরিটির যদি আপত্তি না থাকে- আমারও আপত্তি নেই। এবার তোমাদের পরিচয় বলো। প্রথম বলবে মেয়েরা- তারপর ছেলেরা।
নওরিনের কথা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে একটি ছেলে দাঁড়িয়ে বললো, তা হবে না আপুমণি। সব সময় মেয়েরা সব সুযোগ আগে পায়। আজ পরিচয় আগে বলবো আমরা।
নওরিন বললো, না ভাই, আজ আমি যেমন বলেছি তেমনি হবে। প্রথম বলবে মেয়েরা- তারপর তোমরা। তবে আমি কথা দিচ্ছি, এরপর থেকে পড়া ধরবো ছেলেদের আগে, হোম টাস্ক না আনলেও ছেলেদের সাজা দেবো আগে। সব কিছুই মেয়েদের আগে করা হয়-এ অপবাদ ঘুচিয়ে দেবো। সমাধানটা তোমাদের মনের মতো হয়েছে তো?
সঙ্গে সঙ্গে মেয়েরা হ্যাঁ আর ছেলেরা না বলে চেঁচিয়ে উঠলো।
নওরিন বললো, দেখা যাচ্ছে তোমরা নিজ নিজ দাবিতে অটল। কিন্তু দু’পক্ষকে তো একসঙ্গে সুযোগ দেয়া যাবে না। তাতে হট্টগোল বেধে যাবে। আমি বরং একটা প্রশ্ন করি। ছেলে বা মেয়েদের মধ্যে যাদের জবাব সঠিক হবে তারা আগে বলবে।
এবার পিনপতন নীরবতা নেমে এলো ক্লাসরুমে। সবার চোখ স্থির হলো নওরিনের ওপর। নওরিন বললো, আমি তিনটি বিখ্যাত বইয়ের নাম বলবো। তোমরা বলবে মূল বইটি কোন ভাষায় লেখা এবং লেখকের নাম কী। দেশ কোথায় তা বলতে পারলে আমি আরো খুশি হবো। আমার প্রশ্ন হলো, লা মিজারেবল, দ্য সি উল্ফ এবং ওয়ার অ্যান্ড পিস বই তিনটি কোন্ কোন্ ভাষায় লেখা এবং কে লিখেছেন?
প্রশ্ন করার আগে থেকেই ক্লাসরুমে পিনপতন নীরবতা নেমে এসেছিলো। এবার সেই নীরবতা আরো গাঢ় হলো। নওরিন বিপুল আশা নিয়ে একবার তাকালো ছেলেদের দিকে, একবার মেয়েদের। কিন্তু কোনো পক্ষ থেকেই জবাব এলো না। আরো কিছুটা সময় কেটে যাওয়ার পর নওরিন বললো, বুঝেছি। প্রশ্নটা কঠিন হয়ে গেছে। আমি বলে দিচ্ছি। লা মিজারেবল লিখেছেন, ফরাসি লেখক ভিক্টর হুগো। দ্য সি উল্ফ ইংরেজি ভাষায় লেখা বই। লিখেছেন আমেরিকান লেখক জ্যাক লন্ডন। আর রাশিয়ান লেখক লিও টলস্টয় রুশ ভাষায় লিখেছেন ওয়ার অ্যান্ড পিস। আচ্ছা, অন্য প্রশ্ন করি। ‘ব্যথার দান’ আর ‘শেষের কবিতা’ নামে দুটো বই আছে। নাম শুনেছো?
এবার সমস্বরে ভেসে এলো- শুনেছি। আমাদের স্কুল লাইব্রেরিতে আছে। নজরুল ইসলাম আর রবীন্দ্রনাথের বই।
: গুড। বোঝা যাচ্ছে বাংলা সাহিত্য সম্পর্কে তোমাদের কিছু জানা আছে। এবার বলো তো এ দুটো বইয়ের ভেতর কবিতার বই কোনটি?
মুচকি মুচকি হেসে নতুন প্রশ্ন ছুড়ে দিলো নওরিন। ছেলেরা চুপ করে রইলো। একটি মেয়ে বললো, আমি বলবো আপুমণি?
নওরিন বললো, অবশ্যই বলবে। কোন্টা কবিতার বই, বলো।
মেয়েটি বললো ‘শেষের কবিতা’। আমি পড়িনি। তবে নাম দেখেই বুঝে গেছি।
সঙ্গে সঙ্গে একটি ছেলে বললো, আমরাও জানতাম শেষের কবিতা কবিতার বই। কিন্তু তোমাদের সুযোগ দেয়ার জন্য কিছু বলিনি।
নওরিনের খুব ভালো লাগলো সহজ-সরল ছেলেমেয়েগুলোর সহজ-সরল ঝগড়া। সঠিক জবাব কেউ দিতে পারেনি-এ কথাটা ওদের বলা দরকার। কিন্তু ইচ্ছে করেই বললো না নওরিন। শুধু বললো, শেষের কবিতা বইটা অবশ্যই পড়বে। ব্যথার দানও পড়বে। তাহলেই বুঝতে পারবে কি মজার জবাব দিয়েছো তোমরা। এবার শুরু হোক পরিচয়ের পালা। আমার ডান পাশে মেয়েরা বসেছে- বাঁ পাশে ছেলেরা। প্রথম ডান পাশ থেকে একজন তোমার পরিচয় বলো- তারপর বাঁ পাশ থেকে একজন। ঠিক আছে? আর কোনো সমস্যা নেই তো?
আবার একসঙ্গে একটা শব্দ হলো- না।
৩.
প্রথম দিনেই সহকর্মী আর ছাত্র-ছাত্রীরা আপন করে নিলো নওরিনকে। আর নওরিন অবাক হয়ে উপলব্ধি করলো, বাবার কথাই ঠিক। ভয় পাবার মতো কোনো জায়গাই নেই পৃথিবীতে। আপন করে নিলে সব মানুষই আপন হয়ে যায়।
পরের দিন টিচার্স রুমে বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলো নওরিন। এমন সময় স্কুল পিয়ন শফি এসে বললো, ম্যাডাম! অফিস রুমে আপনার ফোন এসেছে।
নওরিন বিব্রত বোধ করলো ফোনের কথা শুনে। অফিস রুম মানে হেড স্যারের রুম। সেখানে গিয়ে ফোন ধরতে হবে? এখানে আসতে না আসতেই ফোন এলো! কে না কে ফোন করেছে কে জানে? ভদ্রলোক কিছু না আবার মনে করে বসেন।
একরাশ সঙ্কোচ নিয়ে হেডস্যারের রুমে ঢুকলো নওরিন। হেড স্যার মনোযোগ দিয়ে কাজ করছিলেন। নওরিন রুমে ঢুকতেই উঠে দাঁড়ালেন তিনি। বললেন, ফোন ধরার জন্য আপনাকে ডেকে আনাতে হলো, সরি। আমাদের অবশ্য আরেকটা ফোন এসে যাবে। ওটা টিচার্স রুমের জন্য। নিন, কথা বলুন। আমি ক্লাস রুমগুলো একটু ঘুরে আসি।
নওরিন রিসিভার তুলতেই ও পাশ থেকে ভেসে এলো বাবার কণ্ঠ- কেমন আছিস মা? তোর জন্য খুব চিন্তায় আছি।
বাবা ফোন করেছেন দেখে এক পলকে ঝরঝরে হয়ে গেলো নওরিনের মনটা। নওরিন বললো, আগে বলো তুমি কেমন আছো বাবা? ঠিক মতো খাওয়া-দাওয়া করছো তো। আবুল চাচা আসছেন তো নিয়মিত? মকবুলকে বলে এসেছি সকাল-বিকাল দুধ দেয়ার জন্য। দুধ খাও তো বাবা?
বাবা বললেন, থাম। থাম তো মা থাম। আমাকে তোর প্রশ্নগুলোর জবাব দিতে দে।
: দাও জবাব। ভালো আছো তো বাবা?
বাবা বললেন, হ্যাঁ, ভালো আছি। তবে তোর চিন্তায় মনটা কেমন কেমন করছে।
তোর নানা সমস্যা। সে সব কথা ভেবে।
: ওমা! আমার আবার কোন্ সমস্যা?
অবাক হয়ে জানতে চাইলো নওরিন। বাবা বললেন, একটা মফস্বল শহরের অখ্যাত স্কুলে পোস্টিং হলো। সহকর্মীরা কীভাবে নিচ্ছেন তোকে। স্টুডেন্টদের কন্ট্রোল করতে পারছিস কি-না- এমন হাজারো প্রশ দিশেহারা করে রাখে আমাকে। তবে মন খারাপ করিস না। আমি শিক্ষা সচিবের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি বলেছেন দু’এক মাসের মধ্যেই তোকে ঢাকা নিয়ে আসবেন।
নওরিন বললো, সর্বনাশ বাবা! এমন কাজ তুমি ভুলেও করো না।
: কেনো?
ওপাশ থেকে ভেসে এলো বাবার বিস্মিত কণ্ঠ। নওরিন বললো, কারণ আমি এখানেই থেকে যেতে চাই। তোমার সেই কথাটার সত্যতা আমি পেয়ে গেছি বাবা।
: কোন্ কথাটার?
: ওই যে সেই কথাটা- ভয় পাবার মতো কোনো জায়গাই নেই পৃথিবীতে। আপন করে নিলেই সব মানুষ আপন হয়ে যায়। এখানকার সবকিছু আমার আপন হয়ে গেছে বাবা। আমিও সবার আপন হয়ে গেছি।
বাবা বললেন, আপন তো হবিই। তুই যে আমার মেয়ে। যাক, খুব ভালো লাগছে তোর কথা শুনে।
নওরিন বললো, আমার আরো ভালো লাগবে তুমি যদি ভালো থাকো। আজ তবে রাখি বাবা। নিজের প্রতি যত্ন নিও।
ক্রেডলের ওপর রিসিভার রেখে এক বুক ভালো লাগা নিয়ে টিচার্স রুমের দিকে ফিরে চললো নওরিন।
- মেয়েটি মাকড়সা হয়ে গেল - কাজী কেয়া
- কাজলকাকা ভূত নয় - ইমতিয়ার শামীম
- অর্পণের মা - আলী হাবিব
- রাশিয়ান রূপকথা: ধপাস ভালুক - রহীম শাহ
- মুখোশ রহস্য - আহমেদ রিয়াজ
- মুরগী ছানা তিতি - আরিফুন নেছা সুখী
- অহংকারী রাজকন্যা - বিএম বরকতউল্লাহ
- পুতুল ভূত - রানা জামান
- রাখাল ও জাদুর আম গাছ - হুমায়ুন কবীর ঢালী
- দুষ্টু ছানাদের গল্প - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- তুতুন - আল নাহিয়ান
- সাইকেল বাবু - লিটন মহন্ত
- রূপকথা নীল পূর্ণিমার সোমেশ্বরী - রবীন ভাবুক
- পরীরাণী - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- সাদাসোনা মেঘ, নীল ঘুড়ি আর খোলা মাঠে একা ছেলেটা - নূর সিদ্দিকী
- অন্ধকারের এক রহস্যমানুষ আর রাজহাঁস - মিন্টু হোসেন
- চকোলেট দৌড় - সোহানা রহমান
- স্কুলপড়ুয়া পাখি, প্রজাপতি আর ছড়া - মেহেরুবা নিশা
- গরুর ঘায়ে! - আহমেদ রিয়াজ
-
ঝুমি ও একটি কুকুর -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
উপন্যাস: পিশাচ-কন্যা -
সামান্থা লি
রূপান্তর: অনীশ দাস অপু - অক্স ও বুল (সায়েন্স ফিকশন গল্প) - আবুল কালাম আজাদ
- আমি ভূত - সোহানা রহমান
- সবুজ মাঠ - শিবলী নোমান
- মন্দ মানুষ - চন্দন চৌধুরী
- ঈদে মুক্তির আনন্দ - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- জোনাকিদের গ্রহে ভয়েজার ১ - মিন্টু হোসেন
- তর্ক-বিতর্ক - পাভেল মহিতুল আলম
- খরচি মামার সাইকেল - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
- লাল জামা - বিএম বরকতউল্লাহ্
- আমার বন্ধু ডোরেমন - আহমেদ রিয়াজ
-
অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস অজানা দ্বীপে অভিযান -
মূল : এডগার অ্যালান পো
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- ঢেউয়ের বন্ধুরা - নূর সিদ্দিকী
- ভাষা - জাহিদুল আলম
- বর্ণান্ধ - মারিয়া হোসেন
- ভূতের সঙ্গে আড়ি - মুহসীন মোসাদ্দেক
- নরহরি দাস - উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
- কাকদের পুরীষ উৎসব! - মহিউদ্দীন আহ্মেদ
- সে সত্যিই ছিল একটা বাচ্চা পরি - মেহেরুবা নিশা
-
মেঘকন্যা আর টুনটুনিছানা -
বিএম বরকতউল্লাহ্
- নবম মাত্রার গোবট - ধ্রুব নীল
-
পরী এবং পরিবেশ -
মাহাবুবুল হাসান নীরু
- দুঃখী বুড়ি ও নেংটি ইঁদুর - বিএম বরকতউল্লাহ্
- ভালো 'মন খারাপ' - চন্দন চৌধুরী
- রকির চাওয়া - জুবায়ের হুসাইন
- মৌমাছি ও কাঠুরিয়া - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- ফিরে দেখা - রবীন ভাবুক
- মতির মাথায় গাব - ধ্রুব নীল
- প্রজাপতি হবো - এনায়েত রসুল
- চাঁদনি-হালুয়া - সঞ্চারিণী
- জলে কোলাহল - চন্দন চৌধুরী
- এক টুকরো মেঘ ও দুঃখী গাছ - বিএম বরকতউল্লাহ
- আমার রোবট 'রবি' - মোঃ মিন্টু হোসেন
- কত আটায় কত রুটি - আবুল কালাম আজাদ
- আংটি - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- শহরে একদিন - আহমেদ রিয়াজ
- পল্টুর বন্ধু - আহসান হাবীব
-
হরর গল্প -
মিস্ট্রেস স্যারি মূল : উইলিয়াম টেন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- নিলেশের অন্য ভূবন - আফরোজা অদিতি
- ভাষার খোঁজে নেপালে - সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ
- গিফট - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- ভূত শিকার - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
-
ডানাকাটা পাখি ও সীম বীজ -
চন্দন চৌধুরী
- গোয়েন্দা মেনু'দা - রবীন ভাবুক
- তিনা আর লাল গোলাপ - আফরোজা অদিতি
- পরীটি কি জাদু জানে - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- আরকনির রুমাল - মোঃ মিন্টু হোসেন
- পুষ্পিতার ঈদ - আফরোজা আদিতি
- হাতির ডিম - আহমেদ রিয়াজ
- কঙ্ক - শুভ অংকুর
- বিন্নির খুশি - এনায়েত রসুল
- প্রান্ত ও তার এ্যাডনোক্সিয়ান বন্ধু (সায়েন্স ফিকশান) - আবুল কালাম আজাদ
- এক যে ছিলো রাসেল - বেবী মওদুদ
- আতঙ্কের প্রহর [রহস্য গল্প] - অনীশ দাস অপু
- ঈদ শপিং - আহসান হাবীব
- উপন্যাস- আলিবাবা ও চালিচার - শিবব্রত বর্মন
- মৌমাছি - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
- সূত্রধর স্যার - জাহিদুল আলম
-
কোনো এক অমাবস্যার রাতে -
আহমেদ রিয়াজ
- বিজ্ঞানী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গড়ে আটকা এক নেকড়ে - মোঃ মিন্টু হোসেন
- প্রজাপতি - এনায়েত রসুল
- পরী এসেছিল - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- বিচ্ছু ভাগনের কাণ্ড - জাহিদুল আলম
- নিশান আর ব্ল্যাকহোল - আফরোজা অদিতি
- পরীর বন্ধু অহনা - এনায়েত রসুল
-
স্যারের বিপদ -
জাহিদুল আলম
-
নতুন স্যার -
আবুল কালাম আজাদ
-
মিকাই-এর বাঘের ছানা -
মিন্টু হোসেন
-
আলুভর্তা -
জান্নি রোদারি
অনুবাদ: জামিল বিন সিদ্দিক -
বেকার আয়না -
জাহিদুল আলম
-
একদিন রাতে ধবধবে বিড়ালটা -
আহমেদ রিয়াজ
- অবাক বইপাঠ - মুনির রানা
- জোকার - শিবব্রত বর্মন
- ইঁদুরের ভোজ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ভৌতিকবাড়ি - অনীশ দাস অপু
- মেলায় মাঠে পিউস - আফরোজা অদিতি
-
মিস্ট্রেস স্যারি -
মূল : উইলিয়াম টেন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
ভয়ঙ্কর এক লোক -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
তেরো তলা -
মূল : ডন উলফসনে
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
টুঙ্গিপাড়ার খোকা -
বেবী মওদুদ
-
রাতের আতঙ্ক -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
বৃক্ষপরী টিয়া -
আফরোজা অদিতি
-
গেকো -
অনীশ দাস অপু
-
ময়না -
আফরোজা অদিতি
-
রাজকন্যা মাঈশা আর বলঢাঁশের গল্প -
আশরাফুল ইসলাম সাগর
-
শেয়াল দেবতার প্রতিহিংসা -
মূল : রবার্ট ব্লচ
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু - ফার্স্ট হওয়ার ঝামেলা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- শূন্যে ডানা মেলে - এনায়েত রসুল
-
একটু উষ্ণতার জন্য -
মূল : হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান এন্ডারসন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
শামন্তীর শীতবেলা -
মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
রাতের অতিথি -
আহমেদ রিয়াজ
- চৈতি আপু - ইমদাদুল হক মিলন
- তেতুল গাছ - আহসান হাবীব
- টুশির গল্প - বেবী মওদুদ
- চড়ুই পাখিদের ঘরের ঘটনা - ধ্রুব এষ
- বিলাই মা বিলাই ছা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- এক শিশি আলতা - এনায়েত রসুল
- কুলরাজা কুলরাণী - শাশ্বত ভট্টাচার্য
- ছায়ার মানুষ - আহমেদ রিয়াজ
- আলতা কন্যার জন্মদিন - মারুফ রেহমান।
- লেজ উঁচিয়ে - আহমেদ রিয়াজ
- ভৌতিক গল্প : থাবা - অনীশ দাস অপু
- রাজার ঈগল পাখি (কম্বোডিয়ার লোককাহিনী) - অনুবাদ: মৃত্যুঞ্জয় রায়
- আকাশ ছুঁয়ে উড়বো - এনায়েত রসুল
- আবু আর বাবু - বেবী মওদুদ
-
ভূতুড়ে বানর -
মূল : স্টিফেন কিং
অনুবাদ : অনীশ দাস অপু - কার ছবি - ইমদাদুল হক মিলন
- ঝন্টু মন্টুর দাদি - আহসান হাবীব
- সন্ধ্যার বিচিত্র ঘটনা - ধ্রুব এষ
-
তিন রাজপুত্র -
অনুবাদ : শিবব্রত বর্মন
মূল গল্প: আইজাক আসিমভ - নওরিনের স্কুল - এনায়েত রসুল
- বংশী নদীর ঘটনা - হামিদ কায়সার
- মাকড়সার চন্দ্র ভ্রমণ - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- ইঁদুর সাহেবার হলিডে - মিজানুর খান
- জাদুর ঢোল - আহমেদ রিয়াজ
- ক্যামডেন কিলার - অনীশ দাস অপু
- পরীর দেশে - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- পিঁপড়ে যখন হাতির বন্ধু - আহমেদ রিয়াজ
- সাগর পরী - মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
বৃষ্টি তুমি এসো না -
অনীশ দাশ অপু
মূল রচনা: আইজাক আসিমভ - ঝমঝমে আষাঢ়ে - আহমেদ রিয়াজ
-
ভৌতিক হাত -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প: কার্ল জ্যাকবির ‘দ্য হ্যান্ড’ -
বাবার জন্য ভালোবাসা -
মুহাম্মদ নাহিয়ান বিন খালেদ
- সেন্টমার্টিনে বাবার সাথে - জারিন তাসনিম অতসী
-
ভৌতিক ঘুড়ি -
অনীশ দাস অপু
মূল: কার্ল জ্যাকবি’র ‘দ্যা কাইট’ - ফুটবল প্রেমিক - রাশেদ শাওন
- ঘটনাটা সত্য - এনায়েত রসুল
- ভুতুড়ে বাড়ি - অনীশ দাস অপু
- ইচ্ছাপূরণ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- মায়ের কাছে ফেরা - বেবী মওদুদ
- স্বপ্ন - শিবব্রত বর্মন
- মেলায় যাবো - এনায়েত রসুল
- কুমড়ো দানব - অনীশ দাস অপু
- আসলে ছবিটা মেঘের - ধ্রুব এষ
- কাশেম আলী গরু চরাতো - আনিসুল হক
-
অদৃশ্য শত্রু -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প : ফিলিপ কে. ডিক - জাদুকর - সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল
-
জানের দুশমন -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প : হেনরি কুটনার - ভালোবাসার সবুজ গাছ - ইমরুল ইউসুফ
- বড়দিনের রাতে - অনীশ দাস অপু
- দেহহীন - শিবব্রত বর্মন
- নীলুর নীল চশমা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- রহস্যভেদী - রকিব হাসান
- দুষ্টু বিড়াল - অনীশ দাস অপু
- অপেক্ষা - মোস্তফা মামুন
- ঈশানপুরের অপুর কান্ড - সুমন কায়সার
- রাজা যখন গাছে - আহমেদ রিয়াজ
- অন্যরকম ভালোলাগা - শুভ অংকুর
- পৃথিবীর জন্য ভালোবাসা (সায়েন্স ফিকশন) - শুভ অংকুর
- কিং মিঠু - মোস্তফা মামুন
- প্রেতাত্মা - অনীশ দাস অপু
- রোবট - আনিসুল হক
- চতুর্দশতম/চৌদ্দ - নঈম তারিক
- জিকুর স্বপ্ন - আহসান হাবীব
- চোর - রকিব হাসান
- ছায়াহীন - শিবব্রত বর্মন
- ঈদের আগের রাত - মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
মেরু ভালুকদের রাজা -
মূল : ফ্রাঙ্ক বাউম
ভাষান্তর : বিদ্যুত - গাধার টুপি - আহমেদ ফারুক
- আলসে বালক আর গরুর গল্প - মো. গোলাম রহমান
- অতি চালাকির সাজা! - এনায়েত রসুল
- মাছরাঙা আর রূপোর চামুচ - মোস্তফা হোসেইন
- হাবা রাকিবের কাণ্ড - মারুফ রেহমান
- বিড়ালের বন্ধুত্ব - রূপান্তর : আবুল বাসার
- গণেশ চ্যাটার্জি আর তার কালো কুকুর - নাফে মোহাম্মদ এনাম
- শিউ-পিউর বন্ধু তানতুলু - নূর সিদ্দিকী
- মেছোভূত - ইকবাল খন্দকার
- অ্যারোসল ভূত - শাকিল ফারুক
- পাঠশালা - আহমেদ রিয়াজ
- যুদ্ধের গল্প - ফরহাদ সাফায়েতুল কবীর
- বোকাতু - আরিফ হাসান
- রূপকথার ইলিশ - অর্জিতা মাধুর্য
- সীনের বাবা সীনের মা - আহমেদ রিয়াজ
- চাঁদ - পান্থ বিহোস
- মায়ের ভাষা - মুহাম্মদ মুনতাসির আলী
- জিন্নাহ'র না জানা গল্প - আহমেদ রিয়াজ
- ঘুম পাহাড়ের আজব পাখি - আ হ মে দ ফা রু ক
- উপহাস - আহমেদ রিয়াজ
-
ড্রাগনের যম ইভান -
মূল : ভ্লাদিমির বাইকো
অনুবাদ: হাসান খুরশীদ রুমি - টিনা আপুর জাদুর কাঠি - এনায়েত রসুল
- তারা পড়তে দেখলে - ধ্রুব এষ
- বাঘ-সিংহের গল্প - আহমেদ রিয়াজ
-
লুকোচুরি -
নিকোলাই নসভ
অনুবাদ: হাসান খুরশীদ রুমী - রহস্যময় কিশোর যোদ্ধা - আহমেদ রিয়াজ
- অদ্ভূতুড়ে কিন্তু ভূতুড়ে নয় - বিজয় মজুমদার
- তিন ভূতুড়ে - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- মরগানস উডসের ভূত - অনীশ দাস অপু
- মহাকাশে সু ভূতের অভিযান - বিধান রিবেরু
- জামাটা কোথায় গেল - আহমেদ রিয়াজ
- মি. হাকলি - নূর সিদ্দিকী
- বুলেট ভাইয়ের হাইজাম্প - মোস্তফা মামুন
-
একা কবরস্থানে -
মূল : অ্যালভিন শোয়ার্জ
অনুবাদ : হাসান খুরশীদ রুমী - তৈল মর্দন - সজ্জাদ কবীর
- ঝিন্টু - মানিক চন্দ্র দাস
- রবীন-মাহিনের মুক্তি... - আহসান হাবীব
- মামার ঘড়ি - পান্থ বিহোস
- তৃষার ভালো লাগা - এনায়েত রসুল
- খরগোশের টাকা চাষ - ভাষান্তর- মৃত্যুঞ্জয় রায়
- ঈদের চাঁদ - আশীষ চক্রবর্ত্তী
-
স্টোরিটেলার -
নিকোলাই নসভ
রূপান্তর : হাসান খুরশীদ রুমী - একটা গাছের চারা - আশরাফুল আলম পিনটু
- পাহাড় যখন সরে যায় - আমীরুল ইসলাম
- ঝিম দুপুরের গল্প - শাকিল ফারুক
- জেলে আর সোনার মাছ - রহীম শাহ
- কুয়োর ব্যাঙের সমুদ্র যাত্রা - বিজয় মজুমদার
- পুতুল - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
-
হানাবাড়ির উন্মাদ -
মূল : ইলেন এ. কিউল
অনুবাদ : অনীশ দাস অপু - চ্যালেঞ্জ! - রকিব হাসান
- রাজা এলেন - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- চুরি বিদ্যা বড়ো বিদ্যা - মোস্তফা মামুন
- আসলে কী ঘটেছিল - ইমদাদুল হক মিলন
- শিয়াল রাজার সাজা - এনায়েত রসুল
- রূপোলি রেণু - আলী ইমাম
- প্যালিনড্রোমিক ফর্ক... - আহসান হাবীব
- ঘড়ি উদ্ধার - আহমেদ রিয়াজ
- অপু আর তপু - আশরাফুল আলম পিন্টু
- সাদা মেঘ ও কাশফুলেরা - আহমেদ রিয়াজ
- মনের ভয় - ফাতেমা ফেরদৌস (পিংকি)
- চাঁদের বন্ধু খরগোশ - রেহানা পারভীন রুমা
- দুষ্টু টুলু - এনায়েত রসুল
- রেডিও - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- ঠাকুরমার ঝুলি এবং ইবু - আহমেদ ফারুক
- আষাঢ়ে হাতি ও রাজার গল্প - আহমেদ রিয়াজ
- সুন্দর - মঈনুল আহসান সাবের
-
ছোট্ট তুষারমানব -
কোরিয়ার রূপকথা
রূপান্তর : মো. গোলাম রহমান - ঘুপুর বন্ধু টুনু আর চি - এনায়েত রসুল
- এটা আমার বাবার গল্প, মায়েরও - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- চাষা ও তার গরু - আহমেদ রিয়াজ
- সহকারী গোয়েন্দা - মোস্তফা মামুন
- লাল বেলুন - আমীরুল ইসলাম
- ডান-বাম - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
-
শেষ যাত্রা -
মূল : কার্ল জ্যাকবি
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু - লিটুর ঘুম আসে না - মোস্তফা মামুন
- ভূতটা খোলা মাঠে একা শুয়ে আছে - আহমেদ রিয়াজ
- কিসমতের বিচার - হুমায়ূন কবীর ঢালী
- নিপুর আশ্রয় - এনায়েত রসুল
- দুই ভূতের কান্ড - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
কান্নার দাগ -
আফ্রিকার রূপকথা
রূপান্তর : আবুল বাসার - নূরী ও পরী - আহমেদ রিয়াজ
-
প্রকৃতি কন্যার দোলনা ঘর -
শোহেইল মতাহির চৌধুরী
- ছোট্ট জাদু-নুড়ি - আমীরুল ইসলাম
- জাদুর আয়না - রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- বিন্নির খুশি - এনায়েত রসুল
- ঘুম পাহাড়ের আজব পাখি - আহমেদ ফারুক







