আহসান হাবীব
-আমি মরলে বাহাত্তর ঘন্টা পর কবর দিবি
-কেন দাদি?
-দিবি কিনা বল... আগে কথা দে
-আচ্ছা কথা দিলাম
-বাহাত্তর ঘন্টা পর কবর দিলেতো দাদি তোমার শরীরর থেকে পঁচা গন্ধ ছুটবে
-আহ ঝন্টু বাজে কথা বলবি না। ছোট ভাইকে বড় ভাই মন্টু ধমক লাগায়। ‘আচ্ছা দাদি কারণটা বলবে না? ’
-আছে কারণ আছে ...
-কি কারণ সেইটা খুলে বল না
-তোরা বুঝবি না
-বুঝবো বুঝবো... বুঝায়া বললেই বুঝবো
-তাইলে বলি শোন... আমার একটা সমস্যা আছে ... মৃত্যু ভয় আমার নাই, বয়স হইছে মরব, সেইটাই স্বাভাবিক
-দাদি তোমার বয়স কত হইল?
-তিরাশী পার করছি
-আহ ঝন্টু কথার মাঝে কথা বলিস... দাদি তুমি বল...মৃত্যু ভয় তোমার নাই তারপর?
-হ্যাঁ... যা বলছিলাম, মৃত্যু ভয় আমার নাই ... তবে একটা ভয় আমার আছে...
-সেটা কি?
-সেটা হচ্ছে। ধর আমি মরলাম তোরা কবর দিলি। মাটির নিচে চলে গেলাম। অন্ধকার কবর। হঠাৎ বাইচা উঠলাম তখন কি হবে? তাই বলছিলাম বাহাত্তর ঘন্টা পর যখন নিশ্চিত হবি আমি সত্যিই মরছি... তখন...
ছোট নাতী ঝন্টু হি হি করে হেসে উঠে। ‘মরলে কেউ আবার বেঁচে উঠে নাকি?’
-আহ ঝন্টু, কথার মাঝে ডিসটার্ব করবি নাতো... দাদি তোমার সমস্যাটা ধরতে পেরেছি। ইন্টারেস্টিং সমস্যা। আচ্ছা এক -কাজ করলে কেমন হয় দাদি ?
-কি কাজ?
-ধর আমরা বাড়ির পিছনে একটা মিথ্যা কবর খুড়লাম তোমার জন্য , সেখানে মাঝে মাঝে তুমি শুয়ে থাকলে, আমরা উপর দিয়ে কবরটা ঢেকে দিলাম...
-মানে?
-মানে... আগে থেকেই কবরে থাকার একটা প্র্যাকটিস... তাহলে কবরের অন্ধকারের ভয়টা কেটে যাবে তোমার । কবরের ভিতরে যদি বেঁচেও যাও তখন আর সমস্যা হবে না ।
দাদি মোসাম্মাত ফাতেমা বেগম বুঝতে পারলেন তার নাতি দুইটা আসলে তার সাথে ফাজলামো করছে। তার মনটা খারাপ হয়ে গেল। বুড়ো বয়সে এখন ঘরের এক কোনায় পড়ে থাকেন। কেউ খুব একটা খোঁজ খবর নেয় না। এই নাতি দুইটা মাঝে মধ্যে আসে। তাদের সাথে খোলামেলা কথা বলেন, কিন্তু আজ বুঝলেন এরা আসলে ফাজলামো করতে আসে। তিনি ধরতে পারেন না।
-কি দাদি আইডিয়াটা কেমন?
-ভাল
-কবর কি তাহলে খুড়বো ?
মোসাম্মাত ফাতেমা বেগম তার চশমার ফাক দিয়ে তীক্ষè দৃষ্টিতে তাকান। বড় নাতিটার ঠোটে সুক্ষ্ম একটা হাসি। আর ছোটটা দাঁত বের করে আছে আগে থেকেই।
-তোমরা এখন যাও ... পরে কথা হবে। কাঁপা হাতে তিনি বালিশটা ঝাড়েন। বালিশের নীচ থেকে তজবিটা খুঁজে নিয়ে অভ্যস্থ হাতে টিপতে থাকেন... ।
... সেইদিনই মোসাম্মাত ফাতেমা বেগম মারা গেলেন ভোর চারটায়। সবাই টের পেল সকাল আটটায়। ফাতেমা বেগমের ছেলে আদনান সাফি ঠিক বুঝলেন না তার কাঁদাটা উচিৎ হবে কিনা। তবে এটা ঠিক তার কান্না আসছিল না। এবং তিনি আশ্চর্য হয়ে আবিস্কার করলেন কেউ কাঁদছে না তার মার জন্য। বড় দুই বোন আর এক ভাই বিদেশে থাকে। তাদের জানানো হল ফোন করে। বড় ভাই আর এক বোন কোনো রি-এ্যাকশন দেখালো না, আরেক বোন অবশ্য ফোঁপানের মত একটা শব্দ করলো বলে মনে হল... অবশ্য আদনান সাফির শুনতে ভুলও হতে পারে।
তবে বাসার সবাই খুব দ্রুতই ব্যাস্ত হয়ে গেল তাকে কবর দেওয়ার জন্য। এক ফাকে স্ত্রীকে ডেকে আদনান সাফি বললেন ছেলেদের স্কুল থেকে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করো। মা মারা গেলেন...
- ওদের পরীক্ষা চলছে না... ফাইনাল পরীক্ষা !
-ও
আদনান সাফি আর কথা খুঁজে পাননা। তিনিও অন্যদের সাথে ব্যস্ত হয়ে পরেন কবর দেয়ার যোগাড় যন্ত্র করতে।
মন্টু আর ঝন্টু যখন ফিরে এলো বাসায়, তখন তাদের দাদির লাশ নিয়ে বের হওয়ার প্রস্তুতি চলছে। বড় ছেলে মন্টু অবাক হল তবে ততটা রিএ্যাক্ট করল না, কিন্তু ছোটটা ভেউ ভেউ করে কাঁদতে লাগল ‘দাদি দাদি’ বলে। আদনান সাফির বুকের ভিতর একটা কষ্ট এবার ঠেলে বের হয়ে আসতে চাইল। তিনি ফিস ফিস করে বললেন ‘মারে আমার মা... তোরে কত অবহেলা করছি...’ টপ টপ করে পানি পড়তে লাগলো তার চোখ দিয়ে। তিনি পকেটে হাত দিয়ে রুমাল খুঁজলেন । রুমাল নেই।
এই সময় বড় ছেলে মন্টু এল
-বাবা একটু কথা ছিল
-কি কথা?
-একটু এদিকে আস।
আড়ালে নিয়ে গিয়ে মন্টু যা বলল অবাক হলেন আদনান সাফি।
-দাদিকে বাহাত্তর ঘন্টা পর কবর দিলে হয় না?
-মানে?
-না মানে কাল দাদি সেরকমই বলছিলেন... তার নাকি একটা ভয় হয় কবরের ভিতর যদি তিনি বেঁচে উঠেন। সেজন্য বাহাত্তর ঘন্টা পর ...
-তোমার দাদি মারা গেছেন, ডাক্তার ডেথ সার্টিফিকেট দিয়ে গেছেন।
-ও। বড় ছেলে চুপ করে যায়।
মোসাম্মাত ফাতেমা বেগম মারা গেলেন ভোর চারটায়। আর দুপুর তিনটার ভিতর তাকে কবর দিয়ে ফিরে এলেন সবাই। একটা জলজ্যান্ত মানুষ নাই হয়ে গেল। আদনান সাফি ফিরে এসে দেখেন মায়ের ঘরটা ঝাড়পোছ করা হচ্ছে। আগেই কথা ছিল এই ঘরটা খালি হলে ছোট ছেলে ঝন্টুকে দেয়া হবে। কারণ ঝন্টু বড় হয়েছে তার একটা আলাদা রুম দরকার। এতদিন দুই ভাই এক সাথে ছিল এখন... মন্টুর রুমে মন্টু একা থাকবে আর মার রুমে ঝন্টু ।
আদনান সাফি বারান্দায় এসে বসলেন।
-চা খাবে? স্ত্রী শোভা নরম গলায় বলে
-না
-শুয়ে একটু বিশ্রাম নাও।
কথা বলেন না আদনান সাফি। তার স্ত্রী কি তার মার প্রতি আরেকটু সদয় হতে পারত না? তিনি বূঝতেন তার স্ত্রী বৃদ্ধা শাশুরীকে অতটা পছন্দ করতেন না। অবশ্যই তাকেই বা দোষ দিয়ে কি হবে সেতো বাইরের মেয়ে । তিনি নিজেই কি মাকে সেভাবে দেখভাল করেছেন? না। আদনান সাফি পকেটে হাত দিয়ে রুমাল খুঁজেন।
রাত দেড়টার দিকে আদনান সাফি ধরমর করে উঠে বসেন।
-কি হল তোমার?
-একটু কবরস্থানে যাব
-কেন?
-মা মরেন নি বেঁচে আছেন...
-কি বলছ?
-ঠিকই বলছি মার ডাক শুনলাম... স্পষ্ট...
আদনান সাফি সবাইকে অবাক করে দিয়ে গাড়ির চাবি নিয়ে ছুটলেন একাই । রাত তখন দেড়টার বেশি বাজে। হতভম্ব স্ত্রী দাড়িয়ে রইলেন দরজা ধরে তিনি কি করবেন বুঝতে পাছেন না। এই পাগলামোর মানে কি। বাইরে ঝুপ ঝুপ বৃষ্টি হচ্ছে।
কবরস্থানের গেট খোলাই ছিল। আদনান সাফিকে উদভ্রান্তের মত ঢুকতে দেখে একজন কবর খোদক তার সঙ্গ নিল
-স্যার কি হইছে?
-তোমরা কেউ একজন আস আমার সাথে । আমার মা বেঁচে আছেন।
মায়ের কবরটির সামনে এসে তিনি নিজেই কোদাল নিয়ে পাগলের মত মাটি সরাতে লাগলেন। নরম মাটি সদ্য কবর দেয়া হয়েছে, দ্রুত মাটি সরে বাঁশ চাটাই বের হয়ে গেল... নিজ হাতেই দ্রুত সরালেন তিনি। কবর খোদক তরুনটিও হাত লাগাল বাঁশ চাটাই সরাতে। আরে একি কবরের ভিতর সত্যি সত্যি মা বেঁচে আছেন! মা বসে আছেন কবরের কোনায় জড়োসরো হয়ে।
-মা?
-বাবা তুই আসছিস? আমাকে উঠা...
-মা মারে, মা... আমার হাত ধর। প্রচন্ড কষ্টে আদনান সাফির চোখে পানি এস যায়।
-তুই নিচে নেমে আমারে উঠা বাবা ... আমার উঠার শক্তি নাই। এখানে অনেক পানি জমে গেছে দেখ।
সত্যিই তাই বৃষ্টির পানি চুইয়ে চুইয়ে জমেছে । লাফ দিয়ে নামলেন আদনান সাফি কবরের ভিতর । পাজাকলে করে মাকে কোলে তুলে নিলেন। মা একটা হাত দিয়ে শিশুর মত গলা জরিয়ে ধরলেন আদনানের। বৃষ্টিতে চুল ভিজে গেছে মায়ের। কাফনের কাপড়টাও ভেজা। মা অল্প অল্প কাপছেন।
-এই যে ভাই আমার একটা হাত ধরেন মাকে এক হাতে জড়িয়ে ধরে কবর থেকে উঠার জন্য একটা হাত বাড়িয়ে দিলেন কবর খোদক লোকটার দিকে ।
লোকটাও এগিয়ে এল হাত ধরতে।
গেটে গাড়ির শব্দ শুনে শোভা ঝন্টু ,মন্টু ছুটে গেল নিচে। বাবা এসেছেন। তারা অবাক হয়ে দেখল বাবা হাপাতে হাপাতে সিড়ি দিয়ে উঠে আসছেন। দু হাতে অদৃশ্য কিছু একটা ধরে আছেন তিনি। সারা গায়ে কাঁদা-পানি মাখা। হাসি মুখে বলে উঠলেন
-দেখ দেখ মাকে নিয়ে এসেছি, মা বেঁচে আছেন। জলদি একটা শুকনো কাপড় টাপড় কিছু দাও... জলদি করো...
- মেয়েটি মাকড়সা হয়ে গেল - কাজী কেয়া
- কাজলকাকা ভূত নয় - ইমতিয়ার শামীম
- অর্পণের মা - আলী হাবিব
- রাশিয়ান রূপকথা: ধপাস ভালুক - রহীম শাহ
- মুখোশ রহস্য - আহমেদ রিয়াজ
- মুরগী ছানা তিতি - আরিফুন নেছা সুখী
- অহংকারী রাজকন্যা - বিএম বরকতউল্লাহ
- পুতুল ভূত - রানা জামান
- রাখাল ও জাদুর আম গাছ - হুমায়ুন কবীর ঢালী
- দুষ্টু ছানাদের গল্প - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- তুতুন - আল নাহিয়ান
- সাইকেল বাবু - লিটন মহন্ত
- রূপকথা নীল পূর্ণিমার সোমেশ্বরী - রবীন ভাবুক
- পরীরাণী - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- সাদাসোনা মেঘ, নীল ঘুড়ি আর খোলা মাঠে একা ছেলেটা - নূর সিদ্দিকী
- অন্ধকারের এক রহস্যমানুষ আর রাজহাঁস - মিন্টু হোসেন
- চকোলেট দৌড় - সোহানা রহমান
- স্কুলপড়ুয়া পাখি, প্রজাপতি আর ছড়া - মেহেরুবা নিশা
- গরুর ঘায়ে! - আহমেদ রিয়াজ
-
ঝুমি ও একটি কুকুর -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
উপন্যাস: পিশাচ-কন্যা -
সামান্থা লি
রূপান্তর: অনীশ দাস অপু - অক্স ও বুল (সায়েন্স ফিকশন গল্প) - আবুল কালাম আজাদ
- আমি ভূত - সোহানা রহমান
- সবুজ মাঠ - শিবলী নোমান
- মন্দ মানুষ - চন্দন চৌধুরী
- ঈদে মুক্তির আনন্দ - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- জোনাকিদের গ্রহে ভয়েজার ১ - মিন্টু হোসেন
- তর্ক-বিতর্ক - পাভেল মহিতুল আলম
- খরচি মামার সাইকেল - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
- লাল জামা - বিএম বরকতউল্লাহ্
- আমার বন্ধু ডোরেমন - আহমেদ রিয়াজ
-
অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস অজানা দ্বীপে অভিযান -
মূল : এডগার অ্যালান পো
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- ঢেউয়ের বন্ধুরা - নূর সিদ্দিকী
- ভাষা - জাহিদুল আলম
- বর্ণান্ধ - মারিয়া হোসেন
- ভূতের সঙ্গে আড়ি - মুহসীন মোসাদ্দেক
- নরহরি দাস - উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
- কাকদের পুরীষ উৎসব! - মহিউদ্দীন আহ্মেদ
- সে সত্যিই ছিল একটা বাচ্চা পরি - মেহেরুবা নিশা
-
মেঘকন্যা আর টুনটুনিছানা -
বিএম বরকতউল্লাহ্
- নবম মাত্রার গোবট - ধ্রুব নীল
-
পরী এবং পরিবেশ -
মাহাবুবুল হাসান নীরু
- দুঃখী বুড়ি ও নেংটি ইঁদুর - বিএম বরকতউল্লাহ্
- ভালো 'মন খারাপ' - চন্দন চৌধুরী
- রকির চাওয়া - জুবায়ের হুসাইন
- মৌমাছি ও কাঠুরিয়া - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- ফিরে দেখা - রবীন ভাবুক
- মতির মাথায় গাব - ধ্রুব নীল
- প্রজাপতি হবো - এনায়েত রসুল
- চাঁদনি-হালুয়া - সঞ্চারিণী
- জলে কোলাহল - চন্দন চৌধুরী
- এক টুকরো মেঘ ও দুঃখী গাছ - বিএম বরকতউল্লাহ
- আমার রোবট 'রবি' - মোঃ মিন্টু হোসেন
- কত আটায় কত রুটি - আবুল কালাম আজাদ
- আংটি - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- শহরে একদিন - আহমেদ রিয়াজ
- পল্টুর বন্ধু - আহসান হাবীব
-
হরর গল্প -
মিস্ট্রেস স্যারি মূল : উইলিয়াম টেন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- নিলেশের অন্য ভূবন - আফরোজা অদিতি
- ভাষার খোঁজে নেপালে - সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ
- গিফট - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- ভূত শিকার - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
-
ডানাকাটা পাখি ও সীম বীজ -
চন্দন চৌধুরী
- গোয়েন্দা মেনু'দা - রবীন ভাবুক
- তিনা আর লাল গোলাপ - আফরোজা অদিতি
- পরীটি কি জাদু জানে - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- আরকনির রুমাল - মোঃ মিন্টু হোসেন
- পুষ্পিতার ঈদ - আফরোজা আদিতি
- হাতির ডিম - আহমেদ রিয়াজ
- কঙ্ক - শুভ অংকুর
- বিন্নির খুশি - এনায়েত রসুল
- প্রান্ত ও তার এ্যাডনোক্সিয়ান বন্ধু (সায়েন্স ফিকশান) - আবুল কালাম আজাদ
- এক যে ছিলো রাসেল - বেবী মওদুদ
- আতঙ্কের প্রহর [রহস্য গল্প] - অনীশ দাস অপু
- ঈদ শপিং - আহসান হাবীব
- উপন্যাস- আলিবাবা ও চালিচার - শিবব্রত বর্মন
- মৌমাছি - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
- সূত্রধর স্যার - জাহিদুল আলম
-
কোনো এক অমাবস্যার রাতে -
আহমেদ রিয়াজ
- বিজ্ঞানী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গড়ে আটকা এক নেকড়ে - মোঃ মিন্টু হোসেন
- প্রজাপতি - এনায়েত রসুল
- পরী এসেছিল - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- বিচ্ছু ভাগনের কাণ্ড - জাহিদুল আলম
- নিশান আর ব্ল্যাকহোল - আফরোজা অদিতি
- পরীর বন্ধু অহনা - এনায়েত রসুল
-
স্যারের বিপদ -
জাহিদুল আলম
-
নতুন স্যার -
আবুল কালাম আজাদ
-
মিকাই-এর বাঘের ছানা -
মিন্টু হোসেন
-
আলুভর্তা -
জান্নি রোদারি
অনুবাদ: জামিল বিন সিদ্দিক -
বেকার আয়না -
জাহিদুল আলম
-
একদিন রাতে ধবধবে বিড়ালটা -
আহমেদ রিয়াজ
- অবাক বইপাঠ - মুনির রানা
- জোকার - শিবব্রত বর্মন
- ইঁদুরের ভোজ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ভৌতিকবাড়ি - অনীশ দাস অপু
- মেলায় মাঠে পিউস - আফরোজা অদিতি
-
মিস্ট্রেস স্যারি -
মূল : উইলিয়াম টেন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
ভয়ঙ্কর এক লোক -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
তেরো তলা -
মূল : ডন উলফসনে
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
টুঙ্গিপাড়ার খোকা -
বেবী মওদুদ
-
রাতের আতঙ্ক -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
বৃক্ষপরী টিয়া -
আফরোজা অদিতি
-
গেকো -
অনীশ দাস অপু
-
ময়না -
আফরোজা অদিতি
-
রাজকন্যা মাঈশা আর বলঢাঁশের গল্প -
আশরাফুল ইসলাম সাগর
-
শেয়াল দেবতার প্রতিহিংসা -
মূল : রবার্ট ব্লচ
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু - ফার্স্ট হওয়ার ঝামেলা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- শূন্যে ডানা মেলে - এনায়েত রসুল
-
একটু উষ্ণতার জন্য -
মূল : হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান এন্ডারসন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
শামন্তীর শীতবেলা -
মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
রাতের অতিথি -
আহমেদ রিয়াজ
- চৈতি আপু - ইমদাদুল হক মিলন
- তেতুল গাছ - আহসান হাবীব
- টুশির গল্প - বেবী মওদুদ
- চড়ুই পাখিদের ঘরের ঘটনা - ধ্রুব এষ
- বিলাই মা বিলাই ছা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- এক শিশি আলতা - এনায়েত রসুল
- কুলরাজা কুলরাণী - শাশ্বত ভট্টাচার্য
- ছায়ার মানুষ - আহমেদ রিয়াজ
- আলতা কন্যার জন্মদিন - মারুফ রেহমান।
- লেজ উঁচিয়ে - আহমেদ রিয়াজ
- ভৌতিক গল্প : থাবা - অনীশ দাস অপু
- রাজার ঈগল পাখি (কম্বোডিয়ার লোককাহিনী) - অনুবাদ: মৃত্যুঞ্জয় রায়
- আকাশ ছুঁয়ে উড়বো - এনায়েত রসুল
- আবু আর বাবু - বেবী মওদুদ
-
ভূতুড়ে বানর -
মূল : স্টিফেন কিং
অনুবাদ : অনীশ দাস অপু - কার ছবি - ইমদাদুল হক মিলন
- ঝন্টু মন্টুর দাদি - আহসান হাবীব
- সন্ধ্যার বিচিত্র ঘটনা - ধ্রুব এষ
-
তিন রাজপুত্র -
অনুবাদ : শিবব্রত বর্মন
মূল গল্প: আইজাক আসিমভ - নওরিনের স্কুল - এনায়েত রসুল
- বংশী নদীর ঘটনা - হামিদ কায়সার
- মাকড়সার চন্দ্র ভ্রমণ - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- ইঁদুর সাহেবার হলিডে - মিজানুর খান
- জাদুর ঢোল - আহমেদ রিয়াজ
- ক্যামডেন কিলার - অনীশ দাস অপু
- পরীর দেশে - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- পিঁপড়ে যখন হাতির বন্ধু - আহমেদ রিয়াজ
- সাগর পরী - মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
বৃষ্টি তুমি এসো না -
অনীশ দাশ অপু
মূল রচনা: আইজাক আসিমভ - ঝমঝমে আষাঢ়ে - আহমেদ রিয়াজ
-
ভৌতিক হাত -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প: কার্ল জ্যাকবির ‘দ্য হ্যান্ড’ -
বাবার জন্য ভালোবাসা -
মুহাম্মদ নাহিয়ান বিন খালেদ
- সেন্টমার্টিনে বাবার সাথে - জারিন তাসনিম অতসী
-
ভৌতিক ঘুড়ি -
অনীশ দাস অপু
মূল: কার্ল জ্যাকবি’র ‘দ্যা কাইট’ - ফুটবল প্রেমিক - রাশেদ শাওন
- ঘটনাটা সত্য - এনায়েত রসুল
- ভুতুড়ে বাড়ি - অনীশ দাস অপু
- ইচ্ছাপূরণ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- মায়ের কাছে ফেরা - বেবী মওদুদ
- স্বপ্ন - শিবব্রত বর্মন
- মেলায় যাবো - এনায়েত রসুল
- কুমড়ো দানব - অনীশ দাস অপু
- আসলে ছবিটা মেঘের - ধ্রুব এষ
- কাশেম আলী গরু চরাতো - আনিসুল হক
-
অদৃশ্য শত্রু -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প : ফিলিপ কে. ডিক - জাদুকর - সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল
-
জানের দুশমন -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প : হেনরি কুটনার - ভালোবাসার সবুজ গাছ - ইমরুল ইউসুফ
- বড়দিনের রাতে - অনীশ দাস অপু
- দেহহীন - শিবব্রত বর্মন
- নীলুর নীল চশমা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- রহস্যভেদী - রকিব হাসান
- দুষ্টু বিড়াল - অনীশ দাস অপু
- অপেক্ষা - মোস্তফা মামুন
- ঈশানপুরের অপুর কান্ড - সুমন কায়সার
- রাজা যখন গাছে - আহমেদ রিয়াজ
- অন্যরকম ভালোলাগা - শুভ অংকুর
- পৃথিবীর জন্য ভালোবাসা (সায়েন্স ফিকশন) - শুভ অংকুর
- কিং মিঠু - মোস্তফা মামুন
- প্রেতাত্মা - অনীশ দাস অপু
- রোবট - আনিসুল হক
- চতুর্দশতম/চৌদ্দ - নঈম তারিক
- জিকুর স্বপ্ন - আহসান হাবীব
- চোর - রকিব হাসান
- ছায়াহীন - শিবব্রত বর্মন
- ঈদের আগের রাত - মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
মেরু ভালুকদের রাজা -
মূল : ফ্রাঙ্ক বাউম
ভাষান্তর : বিদ্যুত - গাধার টুপি - আহমেদ ফারুক
- আলসে বালক আর গরুর গল্প - মো. গোলাম রহমান
- অতি চালাকির সাজা! - এনায়েত রসুল
- মাছরাঙা আর রূপোর চামুচ - মোস্তফা হোসেইন
- হাবা রাকিবের কাণ্ড - মারুফ রেহমান
- বিড়ালের বন্ধুত্ব - রূপান্তর : আবুল বাসার
- গণেশ চ্যাটার্জি আর তার কালো কুকুর - নাফে মোহাম্মদ এনাম
- শিউ-পিউর বন্ধু তানতুলু - নূর সিদ্দিকী
- মেছোভূত - ইকবাল খন্দকার
- অ্যারোসল ভূত - শাকিল ফারুক
- পাঠশালা - আহমেদ রিয়াজ
- যুদ্ধের গল্প - ফরহাদ সাফায়েতুল কবীর
- বোকাতু - আরিফ হাসান
- রূপকথার ইলিশ - অর্জিতা মাধুর্য
- সীনের বাবা সীনের মা - আহমেদ রিয়াজ
- চাঁদ - পান্থ বিহোস
- মায়ের ভাষা - মুহাম্মদ মুনতাসির আলী
- জিন্নাহ'র না জানা গল্প - আহমেদ রিয়াজ
- ঘুম পাহাড়ের আজব পাখি - আ হ মে দ ফা রু ক
- উপহাস - আহমেদ রিয়াজ
-
ড্রাগনের যম ইভান -
মূল : ভ্লাদিমির বাইকো
অনুবাদ: হাসান খুরশীদ রুমি - টিনা আপুর জাদুর কাঠি - এনায়েত রসুল
- তারা পড়তে দেখলে - ধ্রুব এষ
- বাঘ-সিংহের গল্প - আহমেদ রিয়াজ
-
লুকোচুরি -
নিকোলাই নসভ
অনুবাদ: হাসান খুরশীদ রুমী - রহস্যময় কিশোর যোদ্ধা - আহমেদ রিয়াজ
- অদ্ভূতুড়ে কিন্তু ভূতুড়ে নয় - বিজয় মজুমদার
- তিন ভূতুড়ে - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- মরগানস উডসের ভূত - অনীশ দাস অপু
- মহাকাশে সু ভূতের অভিযান - বিধান রিবেরু
- জামাটা কোথায় গেল - আহমেদ রিয়াজ
- মি. হাকলি - নূর সিদ্দিকী
- বুলেট ভাইয়ের হাইজাম্প - মোস্তফা মামুন
-
একা কবরস্থানে -
মূল : অ্যালভিন শোয়ার্জ
অনুবাদ : হাসান খুরশীদ রুমী - তৈল মর্দন - সজ্জাদ কবীর
- ঝিন্টু - মানিক চন্দ্র দাস
- রবীন-মাহিনের মুক্তি... - আহসান হাবীব
- মামার ঘড়ি - পান্থ বিহোস
- তৃষার ভালো লাগা - এনায়েত রসুল
- খরগোশের টাকা চাষ - ভাষান্তর- মৃত্যুঞ্জয় রায়
- ঈদের চাঁদ - আশীষ চক্রবর্ত্তী
-
স্টোরিটেলার -
নিকোলাই নসভ
রূপান্তর : হাসান খুরশীদ রুমী - একটা গাছের চারা - আশরাফুল আলম পিনটু
- পাহাড় যখন সরে যায় - আমীরুল ইসলাম
- ঝিম দুপুরের গল্প - শাকিল ফারুক
- জেলে আর সোনার মাছ - রহীম শাহ
- কুয়োর ব্যাঙের সমুদ্র যাত্রা - বিজয় মজুমদার
- পুতুল - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
-
হানাবাড়ির উন্মাদ -
মূল : ইলেন এ. কিউল
অনুবাদ : অনীশ দাস অপু - চ্যালেঞ্জ! - রকিব হাসান
- রাজা এলেন - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- চুরি বিদ্যা বড়ো বিদ্যা - মোস্তফা মামুন
- আসলে কী ঘটেছিল - ইমদাদুল হক মিলন
- শিয়াল রাজার সাজা - এনায়েত রসুল
- রূপোলি রেণু - আলী ইমাম
- প্যালিনড্রোমিক ফর্ক... - আহসান হাবীব
- ঘড়ি উদ্ধার - আহমেদ রিয়াজ
- অপু আর তপু - আশরাফুল আলম পিন্টু
- সাদা মেঘ ও কাশফুলেরা - আহমেদ রিয়াজ
- মনের ভয় - ফাতেমা ফেরদৌস (পিংকি)
- চাঁদের বন্ধু খরগোশ - রেহানা পারভীন রুমা
- দুষ্টু টুলু - এনায়েত রসুল
- রেডিও - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- ঠাকুরমার ঝুলি এবং ইবু - আহমেদ ফারুক
- আষাঢ়ে হাতি ও রাজার গল্প - আহমেদ রিয়াজ
- সুন্দর - মঈনুল আহসান সাবের
-
ছোট্ট তুষারমানব -
কোরিয়ার রূপকথা
রূপান্তর : মো. গোলাম রহমান - ঘুপুর বন্ধু টুনু আর চি - এনায়েত রসুল
- এটা আমার বাবার গল্প, মায়েরও - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- চাষা ও তার গরু - আহমেদ রিয়াজ
- সহকারী গোয়েন্দা - মোস্তফা মামুন
- লাল বেলুন - আমীরুল ইসলাম
- ডান-বাম - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
-
শেষ যাত্রা -
মূল : কার্ল জ্যাকবি
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু - লিটুর ঘুম আসে না - মোস্তফা মামুন
- ভূতটা খোলা মাঠে একা শুয়ে আছে - আহমেদ রিয়াজ
- কিসমতের বিচার - হুমায়ূন কবীর ঢালী
- নিপুর আশ্রয় - এনায়েত রসুল
- দুই ভূতের কান্ড - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
কান্নার দাগ -
আফ্রিকার রূপকথা
রূপান্তর : আবুল বাসার - নূরী ও পরী - আহমেদ রিয়াজ
-
প্রকৃতি কন্যার দোলনা ঘর -
শোহেইল মতাহির চৌধুরী
- ছোট্ট জাদু-নুড়ি - আমীরুল ইসলাম
- জাদুর আয়না - রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- বিন্নির খুশি - এনায়েত রসুল
- ঘুম পাহাড়ের আজব পাখি - আহমেদ ফারুক







