অনুবাদ: মৃত্যুঞ্জয় রায়
অনেককাল আগের কথা। কম্বোডিয়ায় ছিলো এক রাজা। তার নাম ছিলো ইশো। রাজার ছিলো অদ্ভুত ক্ষমতা। সে পশুপাখিদের কথা বুঝতে পারতো আর সেও পশুপাখিদের ভাষায় কথা বলতে পারতো। রাজার ছিলো একটা পোষা ঈগল পাখি। ঈগল পাখিটা দেখতে ছিলো খুব সন্দর। রাজা সে ঈগল পাখিকে খুব আদর করতো। তার সব কথাই রাজা বিশ্বাস করতো। বিশেষ করে ঈগল যেসব স্বপ্ন দেখতো, রাজা মনে করতো সেগুলো সব সত্যি হবে। রাজার বিশ্বাস, ঈগল কখনো মিথ্যে স্বপ্ন দেখেনা। ঈগলকে রাজা এতটাই ভালবাসতো যে তার সব কথাই সে শুনতো, কখনো তার কোনো কথা ফেলতো না। আর ওদিকে ঈগলও সে সুযোগ নিয়ে রাজার কাছে নিত্য নতুন আব্দার নিয়ে হাজির হতো, তার সব ইচ্ছেকে নির্লজ্জের মতো একের পর এক পূরণ করতো। ঈগল যখন ক্ষুধার্ত হতো সে এসে তখন হয়তো রাজাকে কুর্নিশ করে বলতো, ‘রাজাসাহেব, রাজাসাহেব, আমি না কালরাতে এক অদ্ভুত স্বপ্ন দেখেছি।’
‘কি স্বপ্ন?’ রাজা তখন ঈগলকে প্রশ্ন করতো।
‘দেখলাম আমি একটা নাদুস নুদুস সুন্দর মোষ দিয়ে আমার রাতের ভোজ সারছি।’ অথবা বলতো, ‘আমি একটা বেয়াদব বানরকে দুপুরের ভোজে ঠুকরে ঠুকরে খাচ্ছি।’
রাজা ভাবতো, ঈগলের স্বপ্ন তো মিথ্যে হতে পারে না, সে তো ওদের খাবেই। তাই সে তার রাজ্যের পশুদের হুকুম দিয়ে দিতো, ‘তোমাদের মধ্যে যে মোষটা সবচেয়ে নাদুস নুদুস আর সুন্দর সে মোষটা যেন রাতে সবচেয়ে উঁচু যে পাহাড় তার চূড়ায় উঠে বসে থাকে। তাতে ঈগলের খেতে কষ্ট একটু কম হবে।’ অথবা হয়তো রাজা বলতো, ‘শোনো বানরের দল। তোমাদের মধ্যে নিশ্চয়ই কেউ বাঁদরামিতে সেরা। তাকে খুঁজে বের করো। কাল দুপুরে তাকে সবচেয়ে উঁচু গাছটার ডালে উঠতে বলো। কাল দুপুরে আমার ঈগল পাখি ওকে খাবে।’
কি আর করা! রাজার হুকুম। হুকুম পেয়েই সুন্দর মোষটা চলে যেতো পাহাড় চূড়ায় আর বানরটা চলে যেতো উঁচু গাছের মগডালে। ঈগল মজা করে তার রাত আর দুপুরের ভোজ সারতো মোষ আর বানর খেয়ে।
বনের সব পশুরা তাই সব সময় ভয়ে ভইে থাকতো, কার কখন হুকুম আসে। ঈগলের ইচ্ছের ছুরিতে কে কখন জবাই হবে সব সময় তারা সে আতংকেই থাকতো। ঈগলকে তাই ওরা ঘৃণা করতো। কিন্তু রাজার ভয়ে কেউ কিচ্ছু বলতো না, প্রতিবাদও করতো না। কারণ না জানি কখন রাজা রেগে গিয়ে শেষে সব পশুদেরই মেরে ফেলে!
একদিন ঈগল ভাবলো, একটা সাদা হাতি খেলে কেমন হয়? যথা ভাবা তথা কাজ। সে রাজার কাছে গিয়ে সিংহাসনের হাতলে বসে নত হয়ে তাকে কুর্নিশ করলো, বললো, ‘রাজাসাহেব, কাল রাতে আমি এক অদ্ভুত স্বপ্ন দেখেছি। আমি দেখলাম, আমি একটা সাদা হাতি খাচ্ছি। দূর, কি বোকা আমি, আচ্ছা রাজা সাহেব, আপনিই বলুন, হাতি কখনো সাদা হয়? হাতিরা তো সব দেখতে বিচ্ছিরি কালো।’ এই বলে সে হাসতে লাগলো।
রাজা বললো, ‘কিন্তু ঈগল, তোমার স্বপ্ন তো কখনো মিথ্যে হতে পারেনা। তুমি হয়তো দেখোনি, কিন্তু উত্তরের বনে ওই হ্রদের ধারে কয়েক পাল সাদা হাতি সত্যিই আছে। ঠিক আছে আমি ওদের হুকুম দিয়ে দিচ্ছি। কালই তুমি সাদা হাতি খেতে পারবে।’
এই বলে রাজা দ্রুত তার একদল সৈন্যকে পাঠিয়ে দিলো উত্তরের জঙ্গলে। সৈন্যরা সেখানে গিয়ে দেখে, একটা মা সাদা হাতি তার বাচ্চাকে নিয়ে হ্রদের নীল জলে গা পরিস্কার করছে। সৈন্যরা সেই মা হাতিকে রাজার হুকুম জানিয়ে দিলো, ‘সাদা হাতি শোনো। কাল দুপুরে তুমি তোমার শিশুকে নিয়ে সবচেয়ে উঁচু পাহাড়টায় থাকবে। রাজার ঈগল পাখি স্বপ্ন দেখেছে যে সে একটা সাদা হাতি খাচ্ছে। রাজার ঈগল পাখির স্বপ্ন কখনো মিথ্যে হয়না। সে তোমাদের খাবেই। তাই তোমরা তৈরি থেকো।’
সৈন্যরা চলে যেতেই সাদা হাতি কান্নায় ভেঙ্গে পড়লো, ‘হায় হায়, আমাকে খেয়ে ফেললে তো আমি মরে যাবো। কি হবে আমার বাচ্চাটার। কে দেখবে ওকে?’
সাদা হাতির মরতে খুব ভয়। তাই হ্রদের জলে দাঁড়িয়ে সে কান্না জুড়ে দিলো। হ্রদের পাড়ে ছিলো একটা সুপারি গাছ। সুপারি গাছের মাথায় একটা পেঁচা বসেছিলো। পেঁচা সাদা হাতিকে ওভাবে চিৎকার করে কাঁদতে দেখে জিজ্ঞেস করলো, ‘সাদা হাতি, তোমরা ওভাবে কাঁদছো কেন? কি হয়েছে তোমাদের?’
সাদা হাতি পেঁচাকে দেখে আরও জোরে কেঁদে উঠলো, কাঁদতে কাঁদতে সব ঘটনা খুলে বললো। শুনে পেঁচা বললো, ‘ওহ্, কি দুঃখের কথা। রাজা ইশো কেন এ রকম নির্বোধ বুঝি না। একটা আহাম্মক ঈগলের কথা সব সময় বিশ্বাস করে আর পশুদের প্রাণ নেয়।’
সাদা হাতি আবার কাঁদতে কাঁদতে বললো, ‘পেঁচা, আমি আর কাউকে খুঁজে পাচ্ছি না যে আমাদের সাহায্য করতে পারে। দয়া করে আমাদের তুমি বাঁচাও। আমরা সারা জীবন তোমার গোলাম হয়ে থাকবো, জীবন দিয়ে তোমার সেবা করবো।’
‘ঠিক বলছো তো?’
‘একদম ঠিক পেঁচা। আমাদের তুমি বিশ্বাস করতে পারো।’
‘ঠিক আছে। তাহলে আজ থেকে তোমরা আমার চাকর হয়ে গেলে। দেখি তোমাদের জন্য কি করতে পারি। আমি চললাম তোমাদের জীবন বাঁচাতে রাজার কাছে।’ এই বলে পেঁচা সুপারি গাছ থেকে নেমে এলো।
সাদা হাতি তার পিঠে বসিয়ে ধীরে ধীরে হেঁটে চললো রাজার কাছে। হ্রদ পেরিয়ে পাহাড় ডিঙিয়ে তারা পৌঁছলো রাজবাড়িতে। সেখানে পৌঁছেই পেঁচা সাদা হাতির পিঠ থেকে উড়াল দিয়ে ঢুকে গেলো রাজবাড়ির ভিতরে। একেবারে উড়ে গিয়ে বসলো রাজার সিংহাসনের পাশে, রাজার মুকুটের কাছাকছি। রাজাকে কুর্নিশ করে বললো, ‘মহানুভব রাজার জয় হোক। রাজাসাহেব হোক এই পৃথিবীর অধিশ্বর।’ এভাবে রাজার গুণকীর্তনে মেতে উঠলো পেঁচা। রাজা তাকে থামিয়ে দিয়ে বললো, ‘আহা কি বলবে তাই বলো।’
এরপর পেঁচা তার আসল কথা শুরু করলো, ‘সাদা হাতি আর তার বচ্চাটা আমার চাকর। কেন তাদের মরার হুকুম দিয়েছেন রাজাসাহেব? কি হয়েছে আপনার সাথে?’
‘ওহ্, এই কথা? শোনো পেঁচা। আমার ঈগল পাখি কাল রাতে স্বপ্ন দেখেছে যে সে একটা সাদা হাতি ভোজন করছে। আমার ঈগলের স্বপ্ন কখনো মিথ্যে হতে পারে না। তাই তোমার চাকরদের অবশ্যই মরতে হবে, আমার ঈগল যাতে ওদের খেতে পারে সেজন্য ওদের আমি পাহাড়ে থাকতে বলেছি।’এ কথা শুনে পেঁচা খুব দুঃখ পেলো, সে তার ডানা ছড়িয়ে আড়মোড়া ভেঙ্গে বললো, ‘রাজামশাই, আপনি কি আপনার ঈগলের স্বপ্ন বিশ্বাস করেন? আপনি কি নিশ্চিত যে ঈগলের স্বপ্ন সব সময় সত্যি হয়?’
‘পেঁচা!’ পেঁচার এসব প্যাঁচাল শুনে খুব রেগে গেলো রাজা, বললো, ‘তুমি জানো তুমি কি বলছো? যখনই ঈগল কোনো স্বপ্ন দেখে আমি তা অবশ্যই বিশ্বাস করি আর আমি নিশ্চিত যে তা অবশ্যই সত্যি হবে।’
‘ওহ্, অবশ্যই, অবশ্যই রাজা। আপনার কথাই ঠিক। আমি কি কখনো আপনার কথা অমান্য করতে পারি? না আপনার সাথে কোনো তর্ক করতে পারি? এখন আমি সত্যিই বুঝতে পারলাম কেন আমার চাকর সাদা হাতি আজ অবশ্যই মরবে।’ এ কথা বলে পেঁচা খানিক্ষণ চুপ করে রইলো। সে এবার এমন ভান করলো যে তার খুব ঘুম পাচ্ছে। সে একটা হাই তুলে বললো, ‘রাজাসাহেব, আমি সত্যিই দুঃখিত। আমাকে ক্ষমা করুন। ওহ্, কাল সারারাত ধরে আমি খুব কাঁকড়া আর ইঁদুর ধরে বেড়িয়েছি। রাতে একটুও ঘুমুতে পারিনি। এখন খুব ক্লান্ত লাগছে, বড্ড ঘুম পাচ্ছে। দয়া করে আমাকে দুদণ্ড ঘুমুতে দিন। এরপরই আমি আমার সাদা হাতিদের নিয়ে চলে যাব। ওদের রেখে যাবো পাহাড়ের কোলে। আর আপনাকে বিরক্ত করবো না রাজাসাহেব।’ এই বলে পেঁচা ঘুমিয়ে পড়লো। না, না, আসলে সে ঘুমের ভান করলো। মাথা কাৎ করে ঘাড়ের উপর রেখে চোখ বন্ধ করলো।
কিছক্ষণ এভাবে ঘুমিয়ে থাকার পর হঠাৎ সে জেগে উঠলো। আস্তে আস্তে ডানা ছড়িয়ে আড়মোড়া ভাঙ্গতে লাগলো। তির তির করে পালক কাঁপলো আর তার মুখের এপাশ থেকে ওপাশ পর্যন্ত একটা সুখের হাসি খেলে গেলো। রাজা জিজ্ঞেস করলো, ‘হাসছো কেনো পেঁচা? কি হয়েছে তোমার? এত খুশি খুশি লাগছে কেনো তোমাকে?’
‘রাজাসাহেব, ঘুমের ভেতর এই মাত্র আমি একটা মধুর স্বপ্ন দেখেছি। নিশ্চয়ই এই স্বপ্ন আমার জন্য সৌভাগ্য বয়ে আনবে।’এ কথা শুনে রাজা কৌতুহলী হয়ে উঠলো। জিজ্ঞেস করলো, ‘কি এমন স্বপ্ন তুমি দেখলে, বলো বলো, শিগগিরই বলো আমাকে।’
‘না, না, রাজাসাহেব। আমার স্বপ্নটা এতোই মধুর যে সে স্বপ্নের কথা আপনাকে বলা যাবেনা। না, না রাজাসাহেব আমি সে কথা আপনাকে বলতে পারবো না।’
রাজা পেঁচার কথা শুনে রেগে গেলো, বললো, ‘ঢং কোরোনা। কাছে এসো। বলো, আমাকে তোমার মধুর স্বপ্নের কথা, কানে কানে বলো।’
পেঁচা কিছুক্ষণ ইতস্তত করলো, তারপর রাজার খুব কাছে এসে বলতে শুরু করলো, ‘রাজাসাহেব, আমি স্বপ্ন দেখলাম, আপনার স্ত্রী উমা আমাকে খুব ভালবাসছে, এতটাই ভালবাসছে যে খুব শিগ্গিরই আমরা বিয়ে করতে যাচ্ছি। আমি আমার স্বপ্নর কথা খুব বিশ্বাস করি। আমার জীবনে কোনো স্বপ্ন কখনো মিথ্যে হয়নি। সুতরাং রাজাসাহেব এক্ষুণি আপনি আপনার স্ত্রী উমাকে ডাকুন। আমরা একে অপরকে বিয়ে করবো।’
রাজা পেঁচার এরূপ স্বপ্নের কথা শুনে যারপর নাই রেগে গেলো, ‘নির্বোধ। আমি কখনো বিশ্বাস করিনা যে তোমার স্বপ্ন কখনো সত্যি হবে। তুমি একটা আস্ত গাধা ছাড়া আর কিছুই না। বোকা কোথাকার!’
পেঁচা রাজার কথায় না রেগে ধীরে ধীরে ধৈর্য্যরে সাথে জবাব দিতে লাগলো, ‘মহানুভব রাজা, রাজ্যের প্রতিপালক। আপনি বলছেন যে আপনি আমার স্বপ্নের কথা বিশ্বাস করেন না, আমার স্বপ্ন কখনো সত্যি হতে পারে না। তাহলে আপনার ঈগলের স্বপ্ন? কেন বিশ্বাস করছেন যে তার স্বপ্ন সত্যি হবে? আপনি রাজা। সবার জন্যই আপনার বিচার সমান হওয়া উচিত। কারণ ঈগল আর আমি উভয়ই পাখি। আমাদের দুজনের জন্য দুরকম বিচার কেন হবে?’
পেঁচার কথা শুনে রাজা মহাফাঁপড়ে পড়ে গেলো। গভীরভাবে চিন্তা করতে লাগলো, পেঁচার কথায় যুক্তি আছে। সুতরাং সে আর কোনো যুক্তি দিয়ে নিজেকে রক্ষা করার চেষ্টা করলো না। বললো, ‘ঠিক আছে পেঁচা, এখন তুমি তোমার চাকর সাদা হাতিদের নিয়ে যেতে পারো। ওদের আমি ক্ষমা করে দিলাম।’এ কথা শুনে পেঁচা খুবই আনন্দিত হলো, নতজানু হয়ে রাজাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বললো, ‘বিদায়, রাজাসাহেব। বিদায়। অন্ধভাবে যেন আর কাউকে কখনো বিশ্বাস না করেন, তাতে অনেক ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।’ রাজবাড়ি থেকে বেরিয়ে পেঁচা মা-সাদা হাতি ও তার বাচ্চাকে নিয়ে বাড়ি ফিরে চললো।
- মেয়েটি মাকড়সা হয়ে গেল - কাজী কেয়া
- কাজলকাকা ভূত নয় - ইমতিয়ার শামীম
- অর্পণের মা - আলী হাবিব
- রাশিয়ান রূপকথা: ধপাস ভালুক - রহীম শাহ
- মুখোশ রহস্য - আহমেদ রিয়াজ
- মুরগী ছানা তিতি - আরিফুন নেছা সুখী
- অহংকারী রাজকন্যা - বিএম বরকতউল্লাহ
- পুতুল ভূত - রানা জামান
- রাখাল ও জাদুর আম গাছ - হুমায়ুন কবীর ঢালী
- দুষ্টু ছানাদের গল্প - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- তুতুন - আল নাহিয়ান
- সাইকেল বাবু - লিটন মহন্ত
- রূপকথা নীল পূর্ণিমার সোমেশ্বরী - রবীন ভাবুক
- পরীরাণী - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- সাদাসোনা মেঘ, নীল ঘুড়ি আর খোলা মাঠে একা ছেলেটা - নূর সিদ্দিকী
- অন্ধকারের এক রহস্যমানুষ আর রাজহাঁস - মিন্টু হোসেন
- চকোলেট দৌড় - সোহানা রহমান
- স্কুলপড়ুয়া পাখি, প্রজাপতি আর ছড়া - মেহেরুবা নিশা
- গরুর ঘায়ে! - আহমেদ রিয়াজ
-
ঝুমি ও একটি কুকুর -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
উপন্যাস: পিশাচ-কন্যা -
সামান্থা লি
রূপান্তর: অনীশ দাস অপু - অক্স ও বুল (সায়েন্স ফিকশন গল্প) - আবুল কালাম আজাদ
- আমি ভূত - সোহানা রহমান
- সবুজ মাঠ - শিবলী নোমান
- মন্দ মানুষ - চন্দন চৌধুরী
- ঈদে মুক্তির আনন্দ - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- জোনাকিদের গ্রহে ভয়েজার ১ - মিন্টু হোসেন
- তর্ক-বিতর্ক - পাভেল মহিতুল আলম
- খরচি মামার সাইকেল - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
- লাল জামা - বিএম বরকতউল্লাহ্
- আমার বন্ধু ডোরেমন - আহমেদ রিয়াজ
-
অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস অজানা দ্বীপে অভিযান -
মূল : এডগার অ্যালান পো
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- ঢেউয়ের বন্ধুরা - নূর সিদ্দিকী
- ভাষা - জাহিদুল আলম
- বর্ণান্ধ - মারিয়া হোসেন
- ভূতের সঙ্গে আড়ি - মুহসীন মোসাদ্দেক
- নরহরি দাস - উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
- কাকদের পুরীষ উৎসব! - মহিউদ্দীন আহ্মেদ
- সে সত্যিই ছিল একটা বাচ্চা পরি - মেহেরুবা নিশা
-
মেঘকন্যা আর টুনটুনিছানা -
বিএম বরকতউল্লাহ্
- নবম মাত্রার গোবট - ধ্রুব নীল
-
পরী এবং পরিবেশ -
মাহাবুবুল হাসান নীরু
- দুঃখী বুড়ি ও নেংটি ইঁদুর - বিএম বরকতউল্লাহ্
- ভালো 'মন খারাপ' - চন্দন চৌধুরী
- রকির চাওয়া - জুবায়ের হুসাইন
- মৌমাছি ও কাঠুরিয়া - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- ফিরে দেখা - রবীন ভাবুক
- মতির মাথায় গাব - ধ্রুব নীল
- প্রজাপতি হবো - এনায়েত রসুল
- চাঁদনি-হালুয়া - সঞ্চারিণী
- জলে কোলাহল - চন্দন চৌধুরী
- এক টুকরো মেঘ ও দুঃখী গাছ - বিএম বরকতউল্লাহ
- আমার রোবট 'রবি' - মোঃ মিন্টু হোসেন
- কত আটায় কত রুটি - আবুল কালাম আজাদ
- আংটি - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- শহরে একদিন - আহমেদ রিয়াজ
- পল্টুর বন্ধু - আহসান হাবীব
-
হরর গল্প -
মিস্ট্রেস স্যারি মূল : উইলিয়াম টেন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- নিলেশের অন্য ভূবন - আফরোজা অদিতি
- ভাষার খোঁজে নেপালে - সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ
- গিফট - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- ভূত শিকার - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
-
ডানাকাটা পাখি ও সীম বীজ -
চন্দন চৌধুরী
- গোয়েন্দা মেনু'দা - রবীন ভাবুক
- তিনা আর লাল গোলাপ - আফরোজা অদিতি
- পরীটি কি জাদু জানে - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- আরকনির রুমাল - মোঃ মিন্টু হোসেন
- পুষ্পিতার ঈদ - আফরোজা আদিতি
- হাতির ডিম - আহমেদ রিয়াজ
- কঙ্ক - শুভ অংকুর
- বিন্নির খুশি - এনায়েত রসুল
- প্রান্ত ও তার এ্যাডনোক্সিয়ান বন্ধু (সায়েন্স ফিকশান) - আবুল কালাম আজাদ
- এক যে ছিলো রাসেল - বেবী মওদুদ
- আতঙ্কের প্রহর [রহস্য গল্প] - অনীশ দাস অপু
- ঈদ শপিং - আহসান হাবীব
- উপন্যাস- আলিবাবা ও চালিচার - শিবব্রত বর্মন
- মৌমাছি - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
- সূত্রধর স্যার - জাহিদুল আলম
-
কোনো এক অমাবস্যার রাতে -
আহমেদ রিয়াজ
- বিজ্ঞানী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গড়ে আটকা এক নেকড়ে - মোঃ মিন্টু হোসেন
- প্রজাপতি - এনায়েত রসুল
- পরী এসেছিল - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- বিচ্ছু ভাগনের কাণ্ড - জাহিদুল আলম
- নিশান আর ব্ল্যাকহোল - আফরোজা অদিতি
- পরীর বন্ধু অহনা - এনায়েত রসুল
-
স্যারের বিপদ -
জাহিদুল আলম
-
নতুন স্যার -
আবুল কালাম আজাদ
-
মিকাই-এর বাঘের ছানা -
মিন্টু হোসেন
-
আলুভর্তা -
জান্নি রোদারি
অনুবাদ: জামিল বিন সিদ্দিক -
বেকার আয়না -
জাহিদুল আলম
-
একদিন রাতে ধবধবে বিড়ালটা -
আহমেদ রিয়াজ
- অবাক বইপাঠ - মুনির রানা
- জোকার - শিবব্রত বর্মন
- ইঁদুরের ভোজ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ভৌতিকবাড়ি - অনীশ দাস অপু
- মেলায় মাঠে পিউস - আফরোজা অদিতি
-
মিস্ট্রেস স্যারি -
মূল : উইলিয়াম টেন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
ভয়ঙ্কর এক লোক -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
তেরো তলা -
মূল : ডন উলফসনে
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
টুঙ্গিপাড়ার খোকা -
বেবী মওদুদ
-
রাতের আতঙ্ক -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
বৃক্ষপরী টিয়া -
আফরোজা অদিতি
-
গেকো -
অনীশ দাস অপু
-
ময়না -
আফরোজা অদিতি
-
রাজকন্যা মাঈশা আর বলঢাঁশের গল্প -
আশরাফুল ইসলাম সাগর
-
শেয়াল দেবতার প্রতিহিংসা -
মূল : রবার্ট ব্লচ
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু - ফার্স্ট হওয়ার ঝামেলা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- শূন্যে ডানা মেলে - এনায়েত রসুল
-
একটু উষ্ণতার জন্য -
মূল : হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান এন্ডারসন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
শামন্তীর শীতবেলা -
মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
রাতের অতিথি -
আহমেদ রিয়াজ
- চৈতি আপু - ইমদাদুল হক মিলন
- তেতুল গাছ - আহসান হাবীব
- টুশির গল্প - বেবী মওদুদ
- চড়ুই পাখিদের ঘরের ঘটনা - ধ্রুব এষ
- বিলাই মা বিলাই ছা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- এক শিশি আলতা - এনায়েত রসুল
- কুলরাজা কুলরাণী - শাশ্বত ভট্টাচার্য
- ছায়ার মানুষ - আহমেদ রিয়াজ
- আলতা কন্যার জন্মদিন - মারুফ রেহমান।
- লেজ উঁচিয়ে - আহমেদ রিয়াজ
- ভৌতিক গল্প : থাবা - অনীশ দাস অপু
- রাজার ঈগল পাখি (কম্বোডিয়ার লোককাহিনী) - অনুবাদ: মৃত্যুঞ্জয় রায়
- আকাশ ছুঁয়ে উড়বো - এনায়েত রসুল
- আবু আর বাবু - বেবী মওদুদ
-
ভূতুড়ে বানর -
মূল : স্টিফেন কিং
অনুবাদ : অনীশ দাস অপু - কার ছবি - ইমদাদুল হক মিলন
- ঝন্টু মন্টুর দাদি - আহসান হাবীব
- সন্ধ্যার বিচিত্র ঘটনা - ধ্রুব এষ
-
তিন রাজপুত্র -
অনুবাদ : শিবব্রত বর্মন
মূল গল্প: আইজাক আসিমভ - নওরিনের স্কুল - এনায়েত রসুল
- বংশী নদীর ঘটনা - হামিদ কায়সার
- মাকড়সার চন্দ্র ভ্রমণ - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- ইঁদুর সাহেবার হলিডে - মিজানুর খান
- জাদুর ঢোল - আহমেদ রিয়াজ
- ক্যামডেন কিলার - অনীশ দাস অপু
- পরীর দেশে - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- পিঁপড়ে যখন হাতির বন্ধু - আহমেদ রিয়াজ
- সাগর পরী - মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
বৃষ্টি তুমি এসো না -
অনীশ দাশ অপু
মূল রচনা: আইজাক আসিমভ - ঝমঝমে আষাঢ়ে - আহমেদ রিয়াজ
-
ভৌতিক হাত -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প: কার্ল জ্যাকবির ‘দ্য হ্যান্ড’ -
বাবার জন্য ভালোবাসা -
মুহাম্মদ নাহিয়ান বিন খালেদ
- সেন্টমার্টিনে বাবার সাথে - জারিন তাসনিম অতসী
-
ভৌতিক ঘুড়ি -
অনীশ দাস অপু
মূল: কার্ল জ্যাকবি’র ‘দ্যা কাইট’ - ফুটবল প্রেমিক - রাশেদ শাওন
- ঘটনাটা সত্য - এনায়েত রসুল
- ভুতুড়ে বাড়ি - অনীশ দাস অপু
- ইচ্ছাপূরণ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- মায়ের কাছে ফেরা - বেবী মওদুদ
- স্বপ্ন - শিবব্রত বর্মন
- মেলায় যাবো - এনায়েত রসুল
- কুমড়ো দানব - অনীশ দাস অপু
- আসলে ছবিটা মেঘের - ধ্রুব এষ
- কাশেম আলী গরু চরাতো - আনিসুল হক
-
অদৃশ্য শত্রু -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প : ফিলিপ কে. ডিক - জাদুকর - সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল
-
জানের দুশমন -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প : হেনরি কুটনার - ভালোবাসার সবুজ গাছ - ইমরুল ইউসুফ
- বড়দিনের রাতে - অনীশ দাস অপু
- দেহহীন - শিবব্রত বর্মন
- নীলুর নীল চশমা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- রহস্যভেদী - রকিব হাসান
- দুষ্টু বিড়াল - অনীশ দাস অপু
- অপেক্ষা - মোস্তফা মামুন
- ঈশানপুরের অপুর কান্ড - সুমন কায়সার
- রাজা যখন গাছে - আহমেদ রিয়াজ
- অন্যরকম ভালোলাগা - শুভ অংকুর
- পৃথিবীর জন্য ভালোবাসা (সায়েন্স ফিকশন) - শুভ অংকুর
- কিং মিঠু - মোস্তফা মামুন
- প্রেতাত্মা - অনীশ দাস অপু
- রোবট - আনিসুল হক
- চতুর্দশতম/চৌদ্দ - নঈম তারিক
- জিকুর স্বপ্ন - আহসান হাবীব
- চোর - রকিব হাসান
- ছায়াহীন - শিবব্রত বর্মন
- ঈদের আগের রাত - মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
মেরু ভালুকদের রাজা -
মূল : ফ্রাঙ্ক বাউম
ভাষান্তর : বিদ্যুত - গাধার টুপি - আহমেদ ফারুক
- আলসে বালক আর গরুর গল্প - মো. গোলাম রহমান
- অতি চালাকির সাজা! - এনায়েত রসুল
- মাছরাঙা আর রূপোর চামুচ - মোস্তফা হোসেইন
- হাবা রাকিবের কাণ্ড - মারুফ রেহমান
- বিড়ালের বন্ধুত্ব - রূপান্তর : আবুল বাসার
- গণেশ চ্যাটার্জি আর তার কালো কুকুর - নাফে মোহাম্মদ এনাম
- শিউ-পিউর বন্ধু তানতুলু - নূর সিদ্দিকী
- মেছোভূত - ইকবাল খন্দকার
- অ্যারোসল ভূত - শাকিল ফারুক
- পাঠশালা - আহমেদ রিয়াজ
- যুদ্ধের গল্প - ফরহাদ সাফায়েতুল কবীর
- বোকাতু - আরিফ হাসান
- রূপকথার ইলিশ - অর্জিতা মাধুর্য
- সীনের বাবা সীনের মা - আহমেদ রিয়াজ
- চাঁদ - পান্থ বিহোস
- মায়ের ভাষা - মুহাম্মদ মুনতাসির আলী
- জিন্নাহ'র না জানা গল্প - আহমেদ রিয়াজ
- ঘুম পাহাড়ের আজব পাখি - আ হ মে দ ফা রু ক
- উপহাস - আহমেদ রিয়াজ
-
ড্রাগনের যম ইভান -
মূল : ভ্লাদিমির বাইকো
অনুবাদ: হাসান খুরশীদ রুমি - টিনা আপুর জাদুর কাঠি - এনায়েত রসুল
- তারা পড়তে দেখলে - ধ্রুব এষ
- বাঘ-সিংহের গল্প - আহমেদ রিয়াজ
-
লুকোচুরি -
নিকোলাই নসভ
অনুবাদ: হাসান খুরশীদ রুমী - রহস্যময় কিশোর যোদ্ধা - আহমেদ রিয়াজ
- অদ্ভূতুড়ে কিন্তু ভূতুড়ে নয় - বিজয় মজুমদার
- তিন ভূতুড়ে - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- মরগানস উডসের ভূত - অনীশ দাস অপু
- মহাকাশে সু ভূতের অভিযান - বিধান রিবেরু
- জামাটা কোথায় গেল - আহমেদ রিয়াজ
- মি. হাকলি - নূর সিদ্দিকী
- বুলেট ভাইয়ের হাইজাম্প - মোস্তফা মামুন
-
একা কবরস্থানে -
মূল : অ্যালভিন শোয়ার্জ
অনুবাদ : হাসান খুরশীদ রুমী - তৈল মর্দন - সজ্জাদ কবীর
- ঝিন্টু - মানিক চন্দ্র দাস
- রবীন-মাহিনের মুক্তি... - আহসান হাবীব
- মামার ঘড়ি - পান্থ বিহোস
- তৃষার ভালো লাগা - এনায়েত রসুল
- খরগোশের টাকা চাষ - ভাষান্তর- মৃত্যুঞ্জয় রায়
- ঈদের চাঁদ - আশীষ চক্রবর্ত্তী
-
স্টোরিটেলার -
নিকোলাই নসভ
রূপান্তর : হাসান খুরশীদ রুমী - একটা গাছের চারা - আশরাফুল আলম পিনটু
- পাহাড় যখন সরে যায় - আমীরুল ইসলাম
- ঝিম দুপুরের গল্প - শাকিল ফারুক
- জেলে আর সোনার মাছ - রহীম শাহ
- কুয়োর ব্যাঙের সমুদ্র যাত্রা - বিজয় মজুমদার
- পুতুল - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
-
হানাবাড়ির উন্মাদ -
মূল : ইলেন এ. কিউল
অনুবাদ : অনীশ দাস অপু - চ্যালেঞ্জ! - রকিব হাসান
- রাজা এলেন - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- চুরি বিদ্যা বড়ো বিদ্যা - মোস্তফা মামুন
- আসলে কী ঘটেছিল - ইমদাদুল হক মিলন
- শিয়াল রাজার সাজা - এনায়েত রসুল
- রূপোলি রেণু - আলী ইমাম
- প্যালিনড্রোমিক ফর্ক... - আহসান হাবীব
- ঘড়ি উদ্ধার - আহমেদ রিয়াজ
- অপু আর তপু - আশরাফুল আলম পিন্টু
- সাদা মেঘ ও কাশফুলেরা - আহমেদ রিয়াজ
- মনের ভয় - ফাতেমা ফেরদৌস (পিংকি)
- চাঁদের বন্ধু খরগোশ - রেহানা পারভীন রুমা
- দুষ্টু টুলু - এনায়েত রসুল
- রেডিও - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- ঠাকুরমার ঝুলি এবং ইবু - আহমেদ ফারুক
- আষাঢ়ে হাতি ও রাজার গল্প - আহমেদ রিয়াজ
- সুন্দর - মঈনুল আহসান সাবের
-
ছোট্ট তুষারমানব -
কোরিয়ার রূপকথা
রূপান্তর : মো. গোলাম রহমান - ঘুপুর বন্ধু টুনু আর চি - এনায়েত রসুল
- এটা আমার বাবার গল্প, মায়েরও - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- চাষা ও তার গরু - আহমেদ রিয়াজ
- সহকারী গোয়েন্দা - মোস্তফা মামুন
- লাল বেলুন - আমীরুল ইসলাম
- ডান-বাম - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
-
শেষ যাত্রা -
মূল : কার্ল জ্যাকবি
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু - লিটুর ঘুম আসে না - মোস্তফা মামুন
- ভূতটা খোলা মাঠে একা শুয়ে আছে - আহমেদ রিয়াজ
- কিসমতের বিচার - হুমায়ূন কবীর ঢালী
- নিপুর আশ্রয় - এনায়েত রসুল
- দুই ভূতের কান্ড - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
কান্নার দাগ -
আফ্রিকার রূপকথা
রূপান্তর : আবুল বাসার - নূরী ও পরী - আহমেদ রিয়াজ
-
প্রকৃতি কন্যার দোলনা ঘর -
শোহেইল মতাহির চৌধুরী
- ছোট্ট জাদু-নুড়ি - আমীরুল ইসলাম
- জাদুর আয়না - রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- বিন্নির খুশি - এনায়েত রসুল
- ঘুম পাহাড়ের আজব পাখি - আহমেদ ফারুক







