ঠক, ঠক, ঠক।
ঘরের দরজায় আলতো টোকা।
সারাদিন বনে-জঙ্গলে ঘুরে সন্ধের ঠিক আগে আগে ঘরে ঢুকেছেন কাঠুরে। ঘর বটে
একখানা। হু হু করে ঠাণ্ডা বাতাস ঢুকছে। বরফও পড়ছে। বরফের স্তূপ জমেছে ঘরের
উপর। ওই বরফের চাপে কখন যে ঘরখানা হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ে কে জানে! দরজায় টোকা
পড়লেও মনে হয় ঘরটা বুঝি দুলছে। কিন্তু ঘরটা যেন ওই টোকা টেরও পেলো না। অথচ
শব্দ হলো বেশ। কে এলো তাহলে এই রাতে?
রাতের খাবার নিয়ে কেবল বসে ছিলেন তারা। ঘরটায় দুজন মাত্র মানুষ। কাঠুরে আর
তার বউ। দরজায় টোকার শব্দ পেয়ে দুজনই উঠে দাঁড়ালেন। একজন আরেকজনের দিকে
তাকালেন। ফিস ফিস শব্দে কাঠুরে বললেন, কে এলো এই ঠাণ্ডার রাতে?
কাঠুরে বউ বললেন, কোনো অতিথি নয় তো?
অতিথির কথা শুনে বেশ খুশি হলেন কাঠুরে। অনেক দিন কোনো অতিথি আসেন না তাদের ঘরে।
কাঠুরে খুশি খুশি কণ্ঠে বললেন, অতিথি! রাতের খাবারটা তাহলে আড্ডা দিতে দিতে খাওয়া যাবে। কী বলো?
কাঠুরে বউ বললেন, হু। আজ একটু বেশি করেই স্যুপ করেছি। দুজন অতিথি এলেও সমস্যা হবে না।
কাঠুরে বললেন, যাই, দরজাটা খুলে দিয়ে আসি। দেখি কেমন অতিথি এলো।
দরজা খুলেই অবাক হলেন কাঠুরে। চেঁচিয়ে বললেন, ও মা! কোথায় অতিথি? আমি তো কাউকেই দেখতে পাচ্ছি না।
বলেই আবার আলতো করে দরজাটা আটকে দিলেন। বসলেন রাতের খাবার খেতে।
তখনই আবার ঠক, ঠক, ঠক।
আবার উঠে দাঁড়ালেন কাঠুরে। দরজার দিকে এগুতে যাবেন, ঠিক তক্ষুণি কাঠুরে বউ বললেন, যেও না। ওটা নিশ্চয়ই তুষার ঝড়ের শব্দ।
কাঁধ ঝাঁকিয়ে খাবার সামনে নিয়ে আবার বসলেন কাঠুরে। আবার তখন, ঠক-ঠক-ঠক।
বউয়ের দিকে তাকিয়ে কাঠুরে বললেন, ওটা নিশ্চয়ই তুষার ঝড়ের শব্দ। কী বলো।
কাঠুরে বউ বললেন, এবার কিন্তু শব্দটা তুষার ঝড়ের বলে মনে হচ্ছে না। সত্যি সত্যি কেউ দরজায় টোকা দিচ্ছে। তুমি ঠিক মতো দেখেছ তো?
কাঠুরে বললেন, সন্দেহ থাকলে নিজেই গিয়ে দেখে এসো।
এবার কাঠুরে বউ দরজা খুললেন। ইতি উতি তাকালেন। কিন্তু কাউকে চোখে পড়ল না।
দরজাটা বন্ধ করতে যাবেন, তখনই কে যেন বলে ওঠল, আজ রাতটা থাকতে দেবেন মা?
মাথা নিচু করে তাকালেন কাঠুরে বউ। ছোট্ট একটা মানুষ। অন্ধকারে চেহারাটা ঠিক
দেখা যাচ্ছে না। তবে কণ্ঠ শুনে মনে হচ্ছে মানুষটা ছোট-শিশু।
কাঠুরে বউ বললেন, কেন দিবনা? প্রভু যিশু নিশ্চয়ই কোনো অতিথিকে ঘরের দরজা থেকে বিদায় দিতেননা? এসো এসো।
বলেই হাত ধরে শিশুটিকে টেনে নিলেন ঘরে। তারপর দরজা আটকে দিয়ে বললেন, কী
ঠাণ্ডা বাইরে! এসো বাছা। আমাদের ঘরে তো আগুন নেই। ওই বাতিটার কাছে গিয়ে
বসো। একটু হলেও আরাম পাবে। ইশ, ঠাণ্ডায় একেবারে জমে গেছো দেখছি।
এবার অতিথিকে দেখে খাবার ছেড়ে উঠে দাঁড়ালেন কাঠুরে। বললেন, ঘরে আগুন নেই তো কী হয়েছে। আগুনের ব্যবস্থা করবো। অতিথির আরাম নিয়ে কথা।
ঘর গরম করার চুল্লিতে কাঠ দিলেন কাঠুরে। আগুন জ্বালালেন। আগুনটা জ্বলতে চায়
নি। বেশ ঝামেলা করে তবে জ্বলেছে। কাঠগুলো এখনও স্যাঁতস্যাঁতে। ততক্ষণে
অতিথির খাবারের আয়োজন সেরে ফেলেছেন কাঠুরে বউ। বিশেষ দিনের জন্য একটা খাবার
সরিয়ে রেখেছিলেন। সেটাই বের করলেন এখন। তারপর সুন্দর করে সাজিয়ে অতিথির
সামনে দিলেন।
কিন্তু খাবারে হাত দিচ্ছে না অতিথি।
কাঠুরে বললেন, আমাদের খাবার তোমার পছন্দ হবে তো বাছা?
কাঠুরে বউ বললেন, এরচেয়ে বেশি কিছু আর নেই আমাদের।
অতিথি শিশু বলল, না না। ওতেই হবে।
কাঠুরে বউ এবার তার অতিথির দিকে ভালো মতো তাকালেন। কী সুন্দর মুখখানা। গোল গোল চোখ। কিন্তু অতিথির দুচোখের কোনায় পানি কেন?
আদুরে গলায় জানতে চাইলেন কাঠুরে বউ, তুমি কার ছেলে গো? বাড়ির কথা মনে পড়ছে? মায়ের কথা?
কাঠুরে বললেন, আমাদের কোনো কথায় তুমি কষ্ট পেয়েছো? কিংবা আমাদের কোনো আচরণ...
অতিথি শিশু বললো, না। কিন্তু আপনারা এতো ভালো কেন? আরো কয়েকটা ঘরে
গিয়েছিলাম। কেউ একটা রাতের জন্য ঠাঁই দিতে চায়নি। এই ছোট্ট কুঁড়েঘরে দুজনের
থাকতেই কষ্ট। অথচ আপনারা আমাকে ভিখারি নয়, অতিথির মতোই আশ্রয় দিলেন। সেটা
ভেবেই...
কাঠুরে বললেন, ছিঃ ছিঃ। অমন কথা মুখেও আনতে নেই। দরজায় টোকা শুনে অতিথির
কথা ভেবে আমরা খুশিই হয়েছিলাম। কিন্তু অতিথিকে দেখে হতাশ হয়েছি।
শিশু অতিথি বলল, কেন?
কাঠুরে বললেন, আমাদের অতিথি এত্তোটুকুন বলে। প্রথমে দরজা খুলে তো আমি নিচের
দিকেই তাকাইনি। অথচ...। সে যাই হোক অতিথি পেয়েই আমরা খুশি। এখন
যত্তোটুকুনই হোক। আমাদের কাছে অতিথি মানেই যিশু।
অনেক সময় নিয়ে রাতের খাবার সারলেন কাঠুরে আর তার বউ। খাবারের পর নিজেদের
বিছানাটা ছেড়ে দিলেন অতিথিকে। গরম কাপড় দিয়ে ভালো করে শরীর ঢেকে দিলেন,
যাতে ফাঁক-ফোকর দিয়ে আসা ঠাণ্ডা বাতাসে অতিথির কষ্ট না হয়। আর নিজেরা শরীর
ভাঁজ করে বসে রইলেন আগুনের পাশে। সারারাত। বসে বসেই ঘুমোলেন। ঘুম ভাঙলো সেই
ভোরে। কাঠুরের তখন কাঠ কাঠতে যাওয়ার সময়। প্রতিদিন এমন ভোরেই ঘর থেকে
বেরিয়ে যান। ঘুম ভাঙতেই দেখলেন অতিথি বসে আছে বিছানার উপর। যেন তাদের ঘুম
ভাঙার অপেক্ষাতেই ছিলো। কাঠুরেকে জাগতে দেখেই বললো, আমি এখন যাবো। মা কি
ঘুমুচ্ছেন?
সঙ্গে সঙ্গে উঠে বসে পড়লেন কাঠুরে বউ। বললেন, এখন যাবে কোথায়?
অতিথি শিশু বললো, অ-নে-ক দূর।
কাঠুরে জানতে চাইলেন, আমাদের এখানেই থেকে যাওনা? আমি তোমার মা হবো। তোমার মা নেই?
অতিথি শিশু বললো, আছেন।
কাঠুরে বউ আবার জানতে চাইলেন, তোমার ঘর নেই?
অতিথি শিশু বললো, এই দুনিয়াটাই আমার ঘর।
বলেই বিছানা থেকে নামলো। তারপর কাঠুরের হাতে একটা ডাল দিয়ে বললো, এটা ঘরের আঙিনায় লাগিয়ে দেবেন।
তারপর ঘরের দরজা খুলে নিজেই বেরিয়ে গেলো। কোথায় গেলো?
ডালখানা হাতে নিয়ে ঘরের বাইরে উঁকি-ঝুকি মারলেন কাঠুরে। দেখতে পেলেন না
কাউকে। কাঠুরে বউও এদিক ওদিক তাকালেন। কারুর চিহ্নটি পেলেন না।
কোনোরকমে ডালখানা মাটিতে পুঁতে কাঠ কাটতে বেরিয়ে গেলেন কাঠুরে।
তারপর চলে গেলো অনেক দিন। প্রতি রাতে খাবারের সময় সেই অতিথির কথা ভাবেন
কাঠুরে আর কাঠুরে বউ। কোনোদিন দরজায় একটু খানি শব্দ হলেই ছুটে যান কাঠুরে
বউ। দরজা খুলে বাইরে তাকান। উপরে-নিচে, ডানে-বামে। নাহ্। এমনিই শব্দ। কোনো
অতিথির দেখা মেলে না। গহীন অরণ্যে কাঠুরেদের এই ছোট্ট ঘরখানায় অতিথি হতে
অতিথিদের বয়েই গেছে!
দেখতে দেখতে বড়দিন চলে এলো। বড়দিনের আগের রাতে খেতে বসে কেন যেন সেই অতিথির
কথা খুব মনে পড়ছে তাদের। কাঠুরে বউ বললেন, আমাদের সেদিনের অতিথির কথা মনে
আছে তোমার? তার পরিচয়টাই তো জানা হলো না আজো।
কাঠুরে বললেন, অতিথির পরিচয় জানতে চাওয়া ঠিক নয়। অতিথি তো অতিথিই। সে যে-ই হোক।
কাঠুরে বউ বললেন, তবু। ওকে আগে কখনো কোথাও দেখেছিলে?
কাঠুরে বললেন, নাহ্। আবার খুব চেনা চেনাও লাগছিলো।
আলাপে আলাপে রাতের খাবার সেরে ফেললেন দুজন। তারপর বিছানায় শুয়ে পড়লেন। আগামীকাল বড়দিন। সকাল সকাল গির্জায় যেতে হবে প্রার্থনা করতে। সবচেয়ে কাছের গির্জাটাও এখান থেকে অনেক দূর।
পরদিন সকালে ঘুম ভাঙতেই কাঠুরে বললেন, মেরি ক্রিসমাস।
কাঠুরে বউও বললেন, মেরি ক্রিসমাস।
বিছানা থেকে বাইরে এলেন কাঠুরে বউ। আর কাঠুরে তখনও আড়মোড়া ভাঙছিলেন বিছানায় শুয়ে শুয়ে। আরো কিছুক্ষণ বিছানায় গড়াগড়ি দেয়ার ইচ্ছে ছিল তার। কিন্তু কাঠুরে বউয়ের চিৎকারে এক লাফে বিছানা থেকে নেমে চলে এলেন বাইরে। বললেন, এত চেঁচাচ্ছো কেন?
কাঠুরে বউ কিছু না বলে আঙুল দিয়ে দেখালেন। কী দেখালেন?
উঠানে গাছটা দেখেই কাঠুরে অবাক হয়ে বললেন, এটা তো সেই গাছটা। মনে আছে তোমার?
কাঠুরে বউ মাথা নাড়লেন, খুব মনে আছে তার। সেই সকালের কথা। এমনি এক সকাল ছিল তখন। সেই অতিথি শিশু ডালটা দিয়েছিল কাঠুরের হাতে। তারপর সেই ডালটা যে এতবড় একটা গাছ হয়ে যাবে কে ভেবেছিল? আর ওই গাছটি যে সোনালি আপেলে ভরে থাকবে, কে জানতো? কাঠুরে বউয়ের কতদিনের শখ ছিল, ক্রিসমাসের দিন আপেলের পাই খাবেন। কিন্তু তার গোপন ইচ্ছের কথা সেই অতিথি জানলো কেমন করে? তাহলে কি সেদিনের সেই অতিথি সামান্য একজন অতিথি ছিলেন না? তবে কি স্বয়ং যিশু অতিথি হয়ে তাদের এই ভাঙা কুটিরে এসেছিলেন? তাহলে সেই রাতে যে শিশু অতিথি হয়ে তাদের সেবা নিয়েছিলেন, সেই শিশুই তাহলে যিশু!
নয় তো কি!
(গ্রীক উপকথা অবলম্বনে)
- বাবা - হুমায়ূন কবীর ঢালী
- হেস্কু - মাহফুজুর রহমান
- বুদ্ধি - সাদিয়া ইসলাম বৃষ্টি
- নজরুল ও জুটুর গল্প - রহীম শাহ
- মেয়েটি মাকড়সা হয়ে গেল - কাজী কেয়া
- কাজলকাকা ভূত নয় - ইমতিয়ার শামীম
- অর্পণের মা - আলী হাবিব
- রাশিয়ান রূপকথা: ধপাস ভালুক - রহীম শাহ
- মুখোশ রহস্য - আহমেদ রিয়াজ
- মুরগী ছানা তিতি - আরিফুন নেছা সুখী
- অহংকারী রাজকন্যা - বিএম বরকতউল্লাহ
- পুতুল ভূত - রানা জামান
- রাখাল ও জাদুর আম গাছ - হুমায়ুন কবীর ঢালী
- দুষ্টু ছানাদের গল্প - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- তুতুন - আল নাহিয়ান
- সাইকেল বাবু - লিটন মহন্ত
- রূপকথা নীল পূর্ণিমার সোমেশ্বরী - রবীন ভাবুক
- পরীরাণী - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- সাদাসোনা মেঘ, নীল ঘুড়ি আর খোলা মাঠে একা ছেলেটা - নূর সিদ্দিকী
- অন্ধকারের এক রহস্যমানুষ আর রাজহাঁস - মিন্টু হোসেন
- চকোলেট দৌড় - সোহানা রহমান
- স্কুলপড়ুয়া পাখি, প্রজাপতি আর ছড়া - মেহেরুবা নিশা
- গরুর ঘায়ে! - আহমেদ রিয়াজ
-
ঝুমি ও একটি কুকুর -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
উপন্যাস: পিশাচ-কন্যা -
সামান্থা লি
রূপান্তর: অনীশ দাস অপু - অক্স ও বুল (সায়েন্স ফিকশন গল্প) - আবুল কালাম আজাদ
- আমি ভূত - সোহানা রহমান
- সবুজ মাঠ - শিবলী নোমান
- মন্দ মানুষ - চন্দন চৌধুরী
- ঈদে মুক্তির আনন্দ - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- জোনাকিদের গ্রহে ভয়েজার ১ - মিন্টু হোসেন
- তর্ক-বিতর্ক - পাভেল মহিতুল আলম
- খরচি মামার সাইকেল - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
- লাল জামা - বিএম বরকতউল্লাহ্
- আমার বন্ধু ডোরেমন - আহমেদ রিয়াজ
-
অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস অজানা দ্বীপে অভিযান -
মূল : এডগার অ্যালান পো
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- ঢেউয়ের বন্ধুরা - নূর সিদ্দিকী
- ভাষা - জাহিদুল আলম
- বর্ণান্ধ - মারিয়া হোসেন
- ভূতের সঙ্গে আড়ি - মুহসীন মোসাদ্দেক
- নরহরি দাস - উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
- কাকদের পুরীষ উৎসব! - মহিউদ্দীন আহ্মেদ
- সে সত্যিই ছিল একটা বাচ্চা পরি - মেহেরুবা নিশা
-
মেঘকন্যা আর টুনটুনিছানা -
বিএম বরকতউল্লাহ্
- নবম মাত্রার গোবট - ধ্রুব নীল
-
পরী এবং পরিবেশ -
মাহাবুবুল হাসান নীরু
- দুঃখী বুড়ি ও নেংটি ইঁদুর - বিএম বরকতউল্লাহ্
- ভালো 'মন খারাপ' - চন্দন চৌধুরী
- রকির চাওয়া - জুবায়ের হুসাইন
- মৌমাছি ও কাঠুরিয়া - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- ফিরে দেখা - রবীন ভাবুক
- মতির মাথায় গাব - ধ্রুব নীল
- প্রজাপতি হবো - এনায়েত রসুল
- চাঁদনি-হালুয়া - সঞ্চারিণী
- জলে কোলাহল - চন্দন চৌধুরী
- এক টুকরো মেঘ ও দুঃখী গাছ - বিএম বরকতউল্লাহ
- আমার রোবট 'রবি' - মোঃ মিন্টু হোসেন
- কত আটায় কত রুটি - আবুল কালাম আজাদ
- আংটি - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- শহরে একদিন - আহমেদ রিয়াজ
- পল্টুর বন্ধু - আহসান হাবীব
-
হরর গল্প -
মিস্ট্রেস স্যারি মূল : উইলিয়াম টেন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- নিলেশের অন্য ভূবন - আফরোজা অদিতি
- ভাষার খোঁজে নেপালে - সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ
- গিফট - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- ভূত শিকার - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
-
ডানাকাটা পাখি ও সীম বীজ -
চন্দন চৌধুরী
- গোয়েন্দা মেনু'দা - রবীন ভাবুক
- তিনা আর লাল গোলাপ - আফরোজা অদিতি
- পরীটি কি জাদু জানে - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- আরকনির রুমাল - মোঃ মিন্টু হোসেন
- পুষ্পিতার ঈদ - আফরোজা আদিতি
- হাতির ডিম - আহমেদ রিয়াজ
- কঙ্ক - শুভ অংকুর
- বিন্নির খুশি - এনায়েত রসুল
- প্রান্ত ও তার এ্যাডনোক্সিয়ান বন্ধু (সায়েন্স ফিকশান) - আবুল কালাম আজাদ
- এক যে ছিলো রাসেল - বেবী মওদুদ
- আতঙ্কের প্রহর [রহস্য গল্প] - অনীশ দাস অপু
- ঈদ শপিং - আহসান হাবীব
- উপন্যাস- আলিবাবা ও চালিচার - শিবব্রত বর্মন
- মৌমাছি - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
- সূত্রধর স্যার - জাহিদুল আলম
-
কোনো এক অমাবস্যার রাতে -
আহমেদ রিয়াজ
- বিজ্ঞানী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গড়ে আটকা এক নেকড়ে - মোঃ মিন্টু হোসেন
- প্রজাপতি - এনায়েত রসুল
- পরী এসেছিল - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- বিচ্ছু ভাগনের কাণ্ড - জাহিদুল আলম
- নিশান আর ব্ল্যাকহোল - আফরোজা অদিতি
- পরীর বন্ধু অহনা - এনায়েত রসুল
-
স্যারের বিপদ -
জাহিদুল আলম
-
নতুন স্যার -
আবুল কালাম আজাদ
-
মিকাই-এর বাঘের ছানা -
মিন্টু হোসেন
-
আলুভর্তা -
জান্নি রোদারি
অনুবাদ: জামিল বিন সিদ্দিক -
বেকার আয়না -
জাহিদুল আলম
-
একদিন রাতে ধবধবে বিড়ালটা -
আহমেদ রিয়াজ
- অবাক বইপাঠ - মুনির রানা
- জোকার - শিবব্রত বর্মন
- ইঁদুরের ভোজ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ভৌতিকবাড়ি - অনীশ দাস অপু
- মেলায় মাঠে পিউস - আফরোজা অদিতি
-
মিস্ট্রেস স্যারি -
মূল : উইলিয়াম টেন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
ভয়ঙ্কর এক লোক -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
তেরো তলা -
মূল : ডন উলফসনে
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
টুঙ্গিপাড়ার খোকা -
বেবী মওদুদ
-
রাতের আতঙ্ক -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
বৃক্ষপরী টিয়া -
আফরোজা অদিতি
-
গেকো -
অনীশ দাস অপু
-
ময়না -
আফরোজা অদিতি
-
রাজকন্যা মাঈশা আর বলঢাঁশের গল্প -
আশরাফুল ইসলাম সাগর
-
শেয়াল দেবতার প্রতিহিংসা -
মূল : রবার্ট ব্লচ
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু - ফার্স্ট হওয়ার ঝামেলা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- শূন্যে ডানা মেলে - এনায়েত রসুল
-
একটু উষ্ণতার জন্য -
মূল : হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান এন্ডারসন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
শামন্তীর শীতবেলা -
মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
রাতের অতিথি -
আহমেদ রিয়াজ
- চৈতি আপু - ইমদাদুল হক মিলন
- তেতুল গাছ - আহসান হাবীব
- টুশির গল্প - বেবী মওদুদ
- চড়ুই পাখিদের ঘরের ঘটনা - ধ্রুব এষ
- বিলাই মা বিলাই ছা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- এক শিশি আলতা - এনায়েত রসুল
- কুলরাজা কুলরাণী - শাশ্বত ভট্টাচার্য
- ছায়ার মানুষ - আহমেদ রিয়াজ
- আলতা কন্যার জন্মদিন - মারুফ রেহমান।
- লেজ উঁচিয়ে - আহমেদ রিয়াজ
- ভৌতিক গল্প : থাবা - অনীশ দাস অপু
- রাজার ঈগল পাখি (কম্বোডিয়ার লোককাহিনী) - অনুবাদ: মৃত্যুঞ্জয় রায়
- আকাশ ছুঁয়ে উড়বো - এনায়েত রসুল
- আবু আর বাবু - বেবী মওদুদ
-
ভূতুড়ে বানর -
মূল : স্টিফেন কিং
অনুবাদ : অনীশ দাস অপু - কার ছবি - ইমদাদুল হক মিলন
- ঝন্টু মন্টুর দাদি - আহসান হাবীব
- সন্ধ্যার বিচিত্র ঘটনা - ধ্রুব এষ
-
তিন রাজপুত্র -
অনুবাদ : শিবব্রত বর্মন
মূল গল্প: আইজাক আসিমভ - নওরিনের স্কুল - এনায়েত রসুল
- বংশী নদীর ঘটনা - হামিদ কায়সার
- মাকড়সার চন্দ্র ভ্রমণ - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- ইঁদুর সাহেবার হলিডে - মিজানুর খান
- জাদুর ঢোল - আহমেদ রিয়াজ
- ক্যামডেন কিলার - অনীশ দাস অপু
- পরীর দেশে - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- পিঁপড়ে যখন হাতির বন্ধু - আহমেদ রিয়াজ
- সাগর পরী - মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
বৃষ্টি তুমি এসো না -
অনীশ দাশ অপু
মূল রচনা: আইজাক আসিমভ - ঝমঝমে আষাঢ়ে - আহমেদ রিয়াজ
-
ভৌতিক হাত -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প: কার্ল জ্যাকবির ‘দ্য হ্যান্ড’ -
বাবার জন্য ভালোবাসা -
মুহাম্মদ নাহিয়ান বিন খালেদ
- সেন্টমার্টিনে বাবার সাথে - জারিন তাসনিম অতসী
-
ভৌতিক ঘুড়ি -
অনীশ দাস অপু
মূল: কার্ল জ্যাকবি’র ‘দ্যা কাইট’ - ফুটবল প্রেমিক - রাশেদ শাওন
- ঘটনাটা সত্য - এনায়েত রসুল
- ভুতুড়ে বাড়ি - অনীশ দাস অপু
- ইচ্ছাপূরণ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- মায়ের কাছে ফেরা - বেবী মওদুদ
- স্বপ্ন - শিবব্রত বর্মন
- মেলায় যাবো - এনায়েত রসুল
- কুমড়ো দানব - অনীশ দাস অপু
- আসলে ছবিটা মেঘের - ধ্রুব এষ
- কাশেম আলী গরু চরাতো - আনিসুল হক
-
অদৃশ্য শত্রু -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প : ফিলিপ কে. ডিক - জাদুকর - সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল
-
জানের দুশমন -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প : হেনরি কুটনার - ভালোবাসার সবুজ গাছ - ইমরুল ইউসুফ
- বড়দিনের রাতে - অনীশ দাস অপু
- দেহহীন - শিবব্রত বর্মন
- নীলুর নীল চশমা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- রহস্যভেদী - রকিব হাসান
- দুষ্টু বিড়াল - অনীশ দাস অপু
- অপেক্ষা - মোস্তফা মামুন
- ঈশানপুরের অপুর কান্ড - সুমন কায়সার
- রাজা যখন গাছে - আহমেদ রিয়াজ
- অন্যরকম ভালোলাগা - শুভ অংকুর
- পৃথিবীর জন্য ভালোবাসা (সায়েন্স ফিকশন) - শুভ অংকুর
- কিং মিঠু - মোস্তফা মামুন
- প্রেতাত্মা - অনীশ দাস অপু
- রোবট - আনিসুল হক
- চতুর্দশতম/চৌদ্দ - নঈম তারিক
- জিকুর স্বপ্ন - আহসান হাবীব
- চোর - রকিব হাসান
- ছায়াহীন - শিবব্রত বর্মন
- ঈদের আগের রাত - মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
মেরু ভালুকদের রাজা -
মূল : ফ্রাঙ্ক বাউম
ভাষান্তর : বিদ্যুত - গাধার টুপি - আহমেদ ফারুক
- আলসে বালক আর গরুর গল্প - মো. গোলাম রহমান
- অতি চালাকির সাজা! - এনায়েত রসুল
- মাছরাঙা আর রূপোর চামুচ - মোস্তফা হোসেইন
- হাবা রাকিবের কাণ্ড - মারুফ রেহমান
- বিড়ালের বন্ধুত্ব - রূপান্তর : আবুল বাসার
- গণেশ চ্যাটার্জি আর তার কালো কুকুর - নাফে মোহাম্মদ এনাম
- শিউ-পিউর বন্ধু তানতুলু - নূর সিদ্দিকী
- মেছোভূত - ইকবাল খন্দকার
- অ্যারোসল ভূত - শাকিল ফারুক
- পাঠশালা - আহমেদ রিয়াজ
- যুদ্ধের গল্প - ফরহাদ সাফায়েতুল কবীর
- বোকাতু - আরিফ হাসান
- রূপকথার ইলিশ - অর্জিতা মাধুর্য
- সীনের বাবা সীনের মা - আহমেদ রিয়াজ
- চাঁদ - পান্থ বিহোস
- মায়ের ভাষা - মুহাম্মদ মুনতাসির আলী
- জিন্নাহ'র না জানা গল্প - আহমেদ রিয়াজ
- ঘুম পাহাড়ের আজব পাখি - আ হ মে দ ফা রু ক
- উপহাস - আহমেদ রিয়াজ
-
ড্রাগনের যম ইভান -
মূল : ভ্লাদিমির বাইকো
অনুবাদ: হাসান খুরশীদ রুমি - টিনা আপুর জাদুর কাঠি - এনায়েত রসুল
- তারা পড়তে দেখলে - ধ্রুব এষ
- বাঘ-সিংহের গল্প - আহমেদ রিয়াজ
-
লুকোচুরি -
নিকোলাই নসভ
অনুবাদ: হাসান খুরশীদ রুমী - রহস্যময় কিশোর যোদ্ধা - আহমেদ রিয়াজ
- অদ্ভূতুড়ে কিন্তু ভূতুড়ে নয় - বিজয় মজুমদার
- তিন ভূতুড়ে - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- মরগানস উডসের ভূত - অনীশ দাস অপু
- মহাকাশে সু ভূতের অভিযান - বিধান রিবেরু
- জামাটা কোথায় গেল - আহমেদ রিয়াজ
- মি. হাকলি - নূর সিদ্দিকী
- বুলেট ভাইয়ের হাইজাম্প - মোস্তফা মামুন
-
একা কবরস্থানে -
মূল : অ্যালভিন শোয়ার্জ
অনুবাদ : হাসান খুরশীদ রুমী - তৈল মর্দন - সজ্জাদ কবীর
- ঝিন্টু - মানিক চন্দ্র দাস
- রবীন-মাহিনের মুক্তি... - আহসান হাবীব
- মামার ঘড়ি - পান্থ বিহোস
- তৃষার ভালো লাগা - এনায়েত রসুল
- খরগোশের টাকা চাষ - ভাষান্তর- মৃত্যুঞ্জয় রায়
- ঈদের চাঁদ - আশীষ চক্রবর্ত্তী
-
স্টোরিটেলার -
নিকোলাই নসভ
রূপান্তর : হাসান খুরশীদ রুমী - একটা গাছের চারা - আশরাফুল আলম পিনটু
- পাহাড় যখন সরে যায় - আমীরুল ইসলাম
- ঝিম দুপুরের গল্প - শাকিল ফারুক
- জেলে আর সোনার মাছ - রহীম শাহ
- কুয়োর ব্যাঙের সমুদ্র যাত্রা - বিজয় মজুমদার
- পুতুল - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
-
হানাবাড়ির উন্মাদ -
মূল : ইলেন এ. কিউল
অনুবাদ : অনীশ দাস অপু - চ্যালেঞ্জ! - রকিব হাসান
- রাজা এলেন - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- চুরি বিদ্যা বড়ো বিদ্যা - মোস্তফা মামুন
- আসলে কী ঘটেছিল - ইমদাদুল হক মিলন
- শিয়াল রাজার সাজা - এনায়েত রসুল
- রূপোলি রেণু - আলী ইমাম
- প্যালিনড্রোমিক ফর্ক... - আহসান হাবীব
- ঘড়ি উদ্ধার - আহমেদ রিয়াজ
- অপু আর তপু - আশরাফুল আলম পিন্টু
- সাদা মেঘ ও কাশফুলেরা - আহমেদ রিয়াজ
- মনের ভয় - ফাতেমা ফেরদৌস (পিংকি)
- চাঁদের বন্ধু খরগোশ - রেহানা পারভীন রুমা
- দুষ্টু টুলু - এনায়েত রসুল
- রেডিও - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- ঠাকুরমার ঝুলি এবং ইবু - আহমেদ ফারুক
- আষাঢ়ে হাতি ও রাজার গল্প - আহমেদ রিয়াজ
- সুন্দর - মঈনুল আহসান সাবের
-
ছোট্ট তুষারমানব -
কোরিয়ার রূপকথা
রূপান্তর : মো. গোলাম রহমান - ঘুপুর বন্ধু টুনু আর চি - এনায়েত রসুল
- এটা আমার বাবার গল্প, মায়েরও - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- চাষা ও তার গরু - আহমেদ রিয়াজ
- সহকারী গোয়েন্দা - মোস্তফা মামুন
- লাল বেলুন - আমীরুল ইসলাম
- ডান-বাম - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
-
শেষ যাত্রা -
মূল : কার্ল জ্যাকবি
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু - লিটুর ঘুম আসে না - মোস্তফা মামুন
- ভূতটা খোলা মাঠে একা শুয়ে আছে - আহমেদ রিয়াজ
- কিসমতের বিচার - হুমায়ূন কবীর ঢালী
- নিপুর আশ্রয় - এনায়েত রসুল
- দুই ভূতের কান্ড - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
কান্নার দাগ -
আফ্রিকার রূপকথা
রূপান্তর : আবুল বাসার - নূরী ও পরী - আহমেদ রিয়াজ
-
প্রকৃতি কন্যার দোলনা ঘর -
শোহেইল মতাহির চৌধুরী
- ছোট্ট জাদু-নুড়ি - আমীরুল ইসলাম
- জাদুর আয়না - রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- বিন্নির খুশি - এনায়েত রসুল
- ঘুম পাহাড়ের আজব পাখি - আহমেদ ফারুক







