শীতের সকালটা ভারী মিষ্টি লাগছে শামন্তীর। চিলচিলে শীত, ফিনফিনে কুয়াশা,
শিরশিরে শিশির। ধানকাটা হয়ে গেছে অনেক আগেই। বিলের ন্যাড়া মাঠটা শুয়ে আছে
কুয়াশার কাঁথা গায়ে। বিলের কোল ধরে শত শত খেজুর গাছ। কুয়াশা আর শিশির মেখে
গাছগুলো আবছা ছায়ার মতো দাঁড়িয়ে আছে। সব দৃশ্য যেন ঘোলাটে ঘোলাটে। খেজুর
গাছগুলোর পিছন থেকে লাল আভা ছড়িয়ে সূর্য উঠছে, লাল বলের মতো সূর্য। কি
সুন্দর! রোদের আঁচ লাগতেই একটু ওম ওম লাগছে শামন্তীর। চাদরের উপর দিয়ে
শীত-রোদ পরশ বুলিয়ে যাচ্ছে। কি মিষ্টি একটা সকাল। ঘুম থেকে উঠে বারান্দায়
একটা বাঁশের খুঁটি ধরে দাঁড়িয়ে শীতের একটা মিষ্টি সকাল দেখছে ও। শামন্তী
জীবনেও কখনো ঢাকায় এমন একটা শীতের সকাল দেখেনি। গ্রামে তো ওর কখনো যাওয়াই
হয়নি। তাই গ্রাম জায়গাটা যে কি রকম সেটা শামন্তী বোঝেই না। সাত বছরের
শামন্তী অবাক হয়ে শীত সকালের সূর্য ওঠা দেখছে।
শামন্তীকে ওভাবে একা দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে ওর মামাতো বোন সৌমি ছুটে এলো, বললো,
‘আগুন পোহাতি যাবি?’
‘ওটা আবার কী?’ শামন্তী অবাক হয়ে ওকে জিজ্ঞেস করলো।
সৌমি শামন্তীকে একরকম টেনেই নিয়ে গেলো বাড়ির পিছনে। লাউক্ষেতের পাশে একটা
ফাঁকা জায়গায় আগুন জ্বলছে। সেই আগুনকে ঘিরে কতকগুলো ছেলেমেয়ে হাঁটু ভেঙে
বসে আছে। অনি, অন্তু, পাপ্পু, রিনাও আছে ওদের সাথে। শামন্তীকে নিয়ে সৌমি
রিনার পাশে গিয়ে বসলো। ওদের দেখাদেখি শামন্তীও ভয়ে ভয়ে আগুনের দিকে দুহাত
বাড়িয়ে দিলো। বাঃ, ভারি আরাম তো! চাদরেও এতক্ষণ পৌষের শীত মানছিলো না। এখন
বেশ গরম গরম লাগছে। ভাবলো, ঢাকায় ফিরে ওদের ফ্ল্যাটের ছাদে এবার
এপার্টমেন্টের সব বন্ধুদের নিয়ে আগুন পোহানোর মজা করবে। কেউ টের পাবে না,
অতো সকালে কেউ ওঠে নাকি?
ধীরে ধীরে কুয়াশা মরে আসছে, শীত কমছে, রোদ বাড়ছে। আগুনটাও নিভে আসছে। তাই
আগুন পোহানোয় ভাটা পড়লো। এমন সময় লাউ ক্ষেতের ওপাশের রাস্তা দিয়ে একজন বুড়ো
লোককে আসতে দেখে সবাই রসবুড়া আইছে, রসবুড়া আইছে বলে আগুন ফেলে ওদিকে দিলো
ছুট।
রসবুড়ো রসবুড়ো,
শীতে জড়োসড়ো
রসের হাঁড়ি কান্ধে নিয়ে
হুদাই ক্যান ঘুল্লি ঘোরো?
রসের ফোঁটা পিঁপড়া খাও
এক দুই ঠিলা আমায় দাও।
রসবুড়ো কাঁধ থেকে রসের হাঁড়িগুলো উঠোনে নামিয়ে রেখে মাথার মাফলার খুলতে
খুলতে বললো, ‘কই গো নাতিপুতির দল, রস খাতি চালি তাত্তাড়ি চইলে আসো।’ সৌমিও
ততক্ষণে শামন্তীকে নিয়ে রসবুড়োর কাছে এসে হাজির হয়েছে। মাফলারটা কোমরে
বাঁধতে বাঁধতে শামন্তীর দিকে তাকিয়ে রসবুড়ো জিজ্ঞেস করলো, ‘তুমি কিডা গো? এ
যে দেখছি আমাগে গিরামে একখান নতুন পুতুল আইছে। রঙিন পুতুল। কিডা তুমি? নাম
কী?’
‘রসদাদু, অউগ্যা কাইল আইছে। আমাগে ফুফতো বুন। ঢাকা শহরে থাকে। নাম শামন্তী।’
রসবুড়ো শামন্তীর দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করে, ‘রস খাতি পারো তো? তুমারে আমি
জিরান রস খাতি দিবানে। দেখবানে কি রহম টলটলা নিঝল রস, লাল লাল রঙ আর বিজায়
মিঠা। বরফের মতন ঠাণ্ডা। যাও, এহন একখান পাটকাডি আর এট্টা গিলাশ নিয়ে আসো
দেহি।’
রসবুড়োর কথাগুলো বেশ লাগছে শুনতে। একটা সুর আছে। রসবুড়োর কথা শুনে রস
খাওয়ার লোভ হচ্ছে। কিন্তু শামন্তী কিছুতেই বুঝতে পারছে না, রস খেতে
পাটকাঠির দরকার কী। আর সে বস্তুটাই বা কী?
‘ওই ছেমড়ি, তুই দাঁড়া। আমি আনতিছি।’ এই বলে রিনা গেলো গ্লাস আর পাটকাঠি
আনতে। রসবুড়ো একটা খালি মাটির কলসের মুখে গামছা বেঁধে তার ভেতরে হাঁড়ি থেকে
রস ঢালছে। রসের হাঁড়ির মুখে সাদা সাদা ফেনা। টলটলে রস গামছার ভেতর দিয়ে
কলসিতে জমা হচ্ছে। এরই মধ্যে সবাই যে যার গ্লাস আর পাটকাঠি নিয়ে হাজির হলো
রসবুড়োর কাছে। রসবুড়ো একে একে সবার গ্লাস ভরে দিচ্ছে রসে। রসের ভেতর
পাটকাঠি ডুবিয়ে সবাই চোঁ চোঁ করে রস টেনে খাচ্ছে। শামন্তী ঢাকায় দোকান
থেকে কত্ত রকমের জুস কিনে কতদিন যে ওভাবে টেনে খেয়েছে। তাই এ আর নতুন কী।
সেও তাই পাটকাঠি রসে ডুবিয়ে টানতে লাগলো রস। কী মিষ্টি আর ঠাণ্ডা! রস খেয়ে
শামন্তীর মন জুড়িয়ে গেলো। আচ্ছা কেমন করে রস হয়? ভাবতে ভাবতে রসবুড়োকেই দুম
করে জিজ্ঞেস করলো শামন্তী। শামন্তীর কথা শুনে সবাই তো হো হো করে হেসে
উঠলো, ‘এই ছেমড়ি থাহে কুনহানে? খাজুর গাছ চিনিস না?’
‘চিনি তো। ওই তো খেজুর গাছ।’ শামন্তী হাত তুলে দূরে দাঁড়িয়ে থাকা খেজুরগাছগুলো দেখালো।
‘ওই খাজুর গাছতি রস হয়।’ তবুও শামন্তীর ঘোর কাটেনা, মা তো জুসারে কমলা চিপে
রস বের করে। তাহলে রসবুড়োও কি খেজুর গাছ চিপে রস বের করে? কিন্তু না, এ
কথাটা বলা যাবে না। তাহলে সবাই আরো ক্ষেপাবে।
রসবুড়ো আরও এক গ্লাস রস নিয়ে শামন্তীর কাছে এগিয়ে এলো, ‘পুতুল লাতনী, আর
এট্টু রস খাও। তুমারে আমি খাজুর গাছের কাছে নিয়ে যাবানে। তহন দেইখেনে সেই
গাছ কাইটে আমি ক্যামন রস বাইর করি। সেজন্যিই তো মাইনষে আমারে কয় নুরল গাছি।
তা তুমি কিন্তু দুপুরে খাইয়ে দাইয়ে রেডি থাইকো। আমি গাছ কাটতি যাবানে, তহন
তুমারে সাথে নিয়ে যাবানে।’
রসবুড়ো নানির কাছে বাকি রসের হাঁড়িগুলো দিয়ে যে পথে এসেছিলো সে পথেই চলে
গেলো। শামন্তী রসবুড়োর যাওয়ার পথে তাকিয়ে ভাবতে লাগলো, ইস কত কিছুই সে এখনো
জানেনা। কি করে জানবে? স্কুলে ওসব পড়ায় কখনো? না ওসব কোনো বইয়ে লেখা আছে?
ইস, কয়টা দিন যদি রিনা পাপ্পু আর রস বুড়োর সাথে গ্রামটায় বেড়ানো যেতো! কতো
কিছুই যে জানা যাবে! কোনো কিছু দেখে শেখার মজাই আলাদা। সহজে ভোলা যায়না।
নিশ্চই ওর ঢাকার বন্ধুরাও এসব জানেনা। এখান থেকে ফিরে গল্প করতে যা মজা
হবে! শামন্তীর যেন আর সময় কাটেনা। কখন দুপুর হবে? কখন আসবে রসবুড়ো ওকে নিয়ে
যেতে?
রসের আসর ভাঙতেই রিনা পাপ্পুরা পালাপালি খেলায় মেতে উঠলো। একজন চোর। একজন
হাতের তালু দিয়ে চোর সাজা রিনার চোখ চেপে ধরলো। রিনা এখন আর কিছুই দেখতে
পাচ্ছে না। এবার সবাই এক দৌড়ে গিয়ে যে যার সুবিধা মতো জায়গায় লুকিয়ে পড়লো।
শামন্তী দেখলো, পাপ্পু একটা মস্ত শিরিষ গাছের আড়ালে লুকিয়েছে। সেখান থেকেই
আওয়াজ দিলো টুঁউ, কুঁউক..’। চোখ খুলতেই রিনা বলে উঠলো, ‘কিডা কুনহানে পলালো
রে? শামন্তী তু তো দেহিছিস। ক না আমারে।’
কিন্তু চোখ চেপে ধরা মেয়েটা শাসিয়ে উঠলো শামন্তীকে, ‘ওই ছেমরি। খবরদার কবি না। কলি কিন্তু তোর খবর আছে।’
তাই শামন্তীও চুপ। এদিক ওদিক থেকে কেবল রিনার কানে আসছে ‘টুঁউ, কুঁউক..’।
সেই শব্দ ধরেই রিনা পা টিপে টিপে এগোচ্ছে একজনকে লক্ষ্য করে। শিরিষ গাছটার
কাছে গিয়ে চট করে তার আড়ালে চলে গেলো সে। খপ করে ধরে ফেললো পাপ্পুকে। অতএব
খেলার নিয়ম অনুযায়ী পাপ্পু এবার চোর। সেও একইভাবে রিনার মতো চোর সেজে
লুকিয়ে থাকা সবাইকে খুঁজবে। একজনকে খুঁজে পেলে সেইই হবে চোর।
কিন্তু আর পালানো খেলোয়াড়দের খুঁজতে হলো না। সৌমির মা এসেছে সকালের নাস্তা
করার জন্য ডাকতে। বাড়ি থেকে রিনার মাও চেঁচিয়ে ডাকছে খেতে যাওয়ার জন্য।
অতএব খেলা ভাঙলো। শামন্তীকে নিয়ে সৌমি চললো বাড়িতে। মাটির পৈঠায় পিঁড়ি পাতা
হয়েছে। পিঁড়ির সামনে থালায় গুড়ের মতো পাতলা জাউভাত। তার মধ্যে টেনিস বলের
মতো এক দলা নতুন লাল আলুর ভর্তা। পিঁড়িতে বসতেই পাতে পড়লো ঘিয়ের ফোঁটা।
খেতে বসে শামন্তী মামীকে জিজ্ঞেস করলো, ‘মামী, নাস্তা কোথায়?’ শামন্তীরা
ঢাকায় নাস্তা করে হয় রুটি না হয় পাউরুটি দিয়ে। এ আবার কোন বস্তু? পায়েসের
মতো দেখতে।
মামী বললো, ‘খাও শামন্তী। ওটাই তো নাস্তা।’
‘তোমরা পায়েস দিয়ে নাস্তা করো?’
‘না, না। ওটা পায়েস হবে কেনো? ওটা তো জাউভাত। খেয়ে দেখো মজা লাগবে। পায়েস খাবা? সইন্ধা রাইতে নতুন খাজুর পাটালি দিয়ে পায়েস রানবোনে।’
শামন্তী খেয়ে সত্যিই অবাক হয়ে গেলো। কি মিষ্টি ঘ্রাণ আর স্বাদ! গরম গরম
জাউভাতের সাথে ঘি। তার সাথে ঝাঁঝালো সর্ষে তেল দিয়ে মাখা আলু ভর্তা।
অপূর্ব। শামন্তী ভাবলো, এবার ঢাকায় ফিরে এরকম জাউভাত দিয়ে শীতে একদিন
বন্ধুদের নিয়ে পিকনিক করতে হবে। খুব মজা হবে। এমন ভাত নিশ্চয়ই বন্ধুরা কখনো
খায়নি।
একটু পরেই রসবুড়ো এলো, ‘কই গো আমার লতুন পুতুল? যাবা নাকি আমার গাছ কাটা দেখতি?’
শামন্তী মাথা নাড়লো। সাথে সৌমিও চললো। বাড়ির পিছনেই বকুল আপাদের ভিটে।
পাশের জমি থেকে খানিকটা উঁচু। সেখানে বেশ কয়েকটা খেজুর গাছ। রসবুড়ো তর তর
করে তার একটাতে উঠে পড়লো। তার কোমরে একটা তালপাতার ঠুঙ্গিতে গাছি দা ও দড়ি।
কোমরে বাঁধা মাটির ঠিলা। গাছের মাথায় উঠে ধারালো গাছি দা দিয়ে খেজুর গাছের
মাথার একপাশ চাঁছতে শুরু করলো সে। ভাবখানা যেনো ব্লেড দিয়ে কারো মাথা
ন্যাড়া করছে। চাঁছ দিতেই মাথাটা ফর্সা হয়ে উঠলো। আর সে ফর্সা যায়গা দিয়ে
ঘামের মতো রস ঝরতে লাগলো। কাটা জায়গার নীচে একটা বাঁশের নালা মতো কাঠি
বসানো। সে কাঠি বেয়ে ফোঁটায় ফোঁটায় রস পড়তে লাগলো। কাঠির মুখে মাটির
ঠিলাটা বেঁধে দিয়ে রসবুড়ো নেমে এলো। শামন্তীর দিকে তাকিয়ে রসবুড়ো জিজ্ঞেস
করলো, ‘কি গো লাতনী, দেখলে তো কি হরে খাজুর গাছেরতে রস বারোয়?’ রসবুড়ো আর
একটা গাছে উঠতে শুরু করলো।
এমন সময় পাপ্পু এসেছে ওদের ডাকতে। খানার পানি কমেছে। খানাটা কচুরিপানায় ঠাসা। কচুরিপানার দাঁড়ির মধ্যে নাকি কৈ মাছ থাকে। শীতে কৈ মাছেরও ঠাণ্ডা লাগে। কচুরিপানার শেকড়গুলোর মধ্যে লুকিয়ে তাপ খোঁজে। তাই কচুরিপানা ধরে টান দিলেই তার মধ্যে কৈ মাছ পাওয়া যায়। পাপ্পু এখন কৈ মাছ ধরবে। শামন্তী নিশ্চয়ই এভাবে কৈ মাছ ধরা দেখেনি। সব কিছুই নতুন লাগছে। গ্রামে কতো মজা! পাপ্পু বললো ‘তাত্তারি চল্। বেইল হয়ে গেলো তো। কৈ মাছ ধইরে নিয়ে গেলি দেখিস মা ফুলকপি দিয়ে সেগুলো রান্না করবেনে। ফুলকপি দিয়ে কৈ মাছ, যা মজারে খাতি।’ শামন্তী দেখেছে, বাড়ির পাশেই ফুলকপি ক্ষেতে সাদা সাদা ফুলকপি হয়েছে। ওদের কি মজা। বাজারে যেতেই হয় না। দল ধরে এবার ছুটলো খানাটার দিকে। শীতের মধ্যেও পাপ্পু তর তর করে নেমে পড়লো খানাটার পানিতে। কয়েকটা কচুরিপানার ধাপ টেনে তুলতেই তার কালো কালো শেকড়ের মধ্যে লুকিয়ে থাকা কই মাছ উঠে এলো। একটা মাটির ঠিলায় পাপ্পু সেগুলো রাখছে। শামন্তী খানাটার পাড়ে বসে এক দৃষ্টিতে পাপ্পুর সেই অদ্ভুতভাবে কৈ মাছ ধরা দেখছে। ভাবছে, ইস গ্রামে ওরা কতো কিছু পারে। কি মজা করে। শামন্তীদের ঘুম থেকে উঠে শুধু স্কুলে যেতে হয়। স্কুল থেকে ফিরে টিচারের হোমওয়ার্ক করতে হয়, টিচার আসলে আবার বই নিয়ে বসতে হয়। একটু সময় পেলে টিভিতে মিকিমাউস দেখতে হয়। আসলে তো দেশটাই চেনা হচ্ছে না। অথচ এ দেশে কত কিছু আছে। শামন্তী এই এক দিনেই গাঁয়ে এসে বুঝে গেছে, দেশকে জানতে হলে শুধু বই পড়ে কিছু হবে না। মাঝে মাঝে গ্রামের আত্মীয় বাড়িতে বেড়াতেও যেতে হবে।
- কাজলকাকা ভূত নয় - ইমতিয়ার শামীম
- অর্পণের মা - আলী হাবিব
- রাশিয়ান রূপকথা: ধপাস ভালুক - রহীম শাহ
- মুখোশ রহস্য - আহমেদ রিয়াজ
- মুরগী ছানা তিতি - আরিফুন নেছা সুখী
- অহংকারী রাজকন্যা - বিএম বরকতউল্লাহ
- পুতুল ভূত - রানা জামান
- রাখাল ও জাদুর আম গাছ - হুমায়ুন কবীর ঢালী
- দুষ্টু ছানাদের গল্প - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- তুতুন - আল নাহিয়ান
- সাইকেল বাবু - লিটন মহন্ত
- রূপকথা নীল পূর্ণিমার সোমেশ্বরী - রবীন ভাবুক
- পরীরাণী - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- সাদাসোনা মেঘ, নীল ঘুড়ি আর খোলা মাঠে একা ছেলেটা - নূর সিদ্দিকী
- অন্ধকারের এক রহস্যমানুষ আর রাজহাঁস - মিন্টু হোসেন
- চকোলেট দৌড় - সোহানা রহমান
- স্কুলপড়ুয়া পাখি, প্রজাপতি আর ছড়া - মেহেরুবা নিশা
- গরুর ঘায়ে! - আহমেদ রিয়াজ
-
ঝুমি ও একটি কুকুর -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
উপন্যাস: পিশাচ-কন্যা -
সামান্থা লি
রূপান্তর: অনীশ দাস অপু - অক্স ও বুল (সায়েন্স ফিকশন গল্প) - আবুল কালাম আজাদ
- আমি ভূত - সোহানা রহমান
- সবুজ মাঠ - শিবলী নোমান
- মন্দ মানুষ - চন্দন চৌধুরী
- ঈদে মুক্তির আনন্দ - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- জোনাকিদের গ্রহে ভয়েজার ১ - মিন্টু হোসেন
- তর্ক-বিতর্ক - পাভেল মহিতুল আলম
- খরচি মামার সাইকেল - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
- লাল জামা - বিএম বরকতউল্লাহ্
- আমার বন্ধু ডোরেমন - আহমেদ রিয়াজ
-
অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস অজানা দ্বীপে অভিযান -
মূল : এডগার অ্যালান পো
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- ঢেউয়ের বন্ধুরা - নূর সিদ্দিকী
- ভাষা - জাহিদুল আলম
- বর্ণান্ধ - মারিয়া হোসেন
- ভূতের সঙ্গে আড়ি - মুহসীন মোসাদ্দেক
- নরহরি দাস - উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
- কাকদের পুরীষ উৎসব! - মহিউদ্দীন আহ্মেদ
- সে সত্যিই ছিল একটা বাচ্চা পরি - মেহেরুবা নিশা
-
মেঘকন্যা আর টুনটুনিছানা -
বিএম বরকতউল্লাহ্
- নবম মাত্রার গোবট - ধ্রুব নীল
-
পরী এবং পরিবেশ -
মাহাবুবুল হাসান নীরু
- দুঃখী বুড়ি ও নেংটি ইঁদুর - বিএম বরকতউল্লাহ্
- ভালো 'মন খারাপ' - চন্দন চৌধুরী
- রকির চাওয়া - জুবায়ের হুসাইন
- মৌমাছি ও কাঠুরিয়া - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- ফিরে দেখা - রবীন ভাবুক
- মতির মাথায় গাব - ধ্রুব নীল
- প্রজাপতি হবো - এনায়েত রসুল
- চাঁদনি-হালুয়া - সঞ্চারিণী
- জলে কোলাহল - চন্দন চৌধুরী
- এক টুকরো মেঘ ও দুঃখী গাছ - বিএম বরকতউল্লাহ
- আমার রোবট 'রবি' - মোঃ মিন্টু হোসেন
- কত আটায় কত রুটি - আবুল কালাম আজাদ
- আংটি - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- শহরে একদিন - আহমেদ রিয়াজ
- পল্টুর বন্ধু - আহসান হাবীব
-
হরর গল্প -
মিস্ট্রেস স্যারি মূল : উইলিয়াম টেন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- নিলেশের অন্য ভূবন - আফরোজা অদিতি
- ভাষার খোঁজে নেপালে - সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ
- গিফট - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- ভূত শিকার - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
-
ডানাকাটা পাখি ও সীম বীজ -
চন্দন চৌধুরী
- গোয়েন্দা মেনু'দা - রবীন ভাবুক
- তিনা আর লাল গোলাপ - আফরোজা অদিতি
- পরীটি কি জাদু জানে - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- আরকনির রুমাল - মোঃ মিন্টু হোসেন
- পুষ্পিতার ঈদ - আফরোজা আদিতি
- হাতির ডিম - আহমেদ রিয়াজ
- কঙ্ক - শুভ অংকুর
- বিন্নির খুশি - এনায়েত রসুল
- প্রান্ত ও তার এ্যাডনোক্সিয়ান বন্ধু (সায়েন্স ফিকশান) - আবুল কালাম আজাদ
- এক যে ছিলো রাসেল - বেবী মওদুদ
- আতঙ্কের প্রহর [রহস্য গল্প] - অনীশ দাস অপু
- ঈদ শপিং - আহসান হাবীব
- উপন্যাস- আলিবাবা ও চালিচার - শিবব্রত বর্মন
- মৌমাছি - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
- সূত্রধর স্যার - জাহিদুল আলম
-
কোনো এক অমাবস্যার রাতে -
আহমেদ রিয়াজ
- বিজ্ঞানী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গড়ে আটকা এক নেকড়ে - মোঃ মিন্টু হোসেন
- প্রজাপতি - এনায়েত রসুল
- পরী এসেছিল - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- বিচ্ছু ভাগনের কাণ্ড - জাহিদুল আলম
- নিশান আর ব্ল্যাকহোল - আফরোজা অদিতি
- পরীর বন্ধু অহনা - এনায়েত রসুল
-
স্যারের বিপদ -
জাহিদুল আলম
-
নতুন স্যার -
আবুল কালাম আজাদ
-
মিকাই-এর বাঘের ছানা -
মিন্টু হোসেন
-
আলুভর্তা -
জান্নি রোদারি
অনুবাদ: জামিল বিন সিদ্দিক -
বেকার আয়না -
জাহিদুল আলম
-
একদিন রাতে ধবধবে বিড়ালটা -
আহমেদ রিয়াজ
- অবাক বইপাঠ - মুনির রানা
- জোকার - শিবব্রত বর্মন
- ইঁদুরের ভোজ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ভৌতিকবাড়ি - অনীশ দাস অপু
- মেলায় মাঠে পিউস - আফরোজা অদিতি
-
মিস্ট্রেস স্যারি -
মূল : উইলিয়াম টেন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
ভয়ঙ্কর এক লোক -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
তেরো তলা -
মূল : ডন উলফসনে
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
টুঙ্গিপাড়ার খোকা -
বেবী মওদুদ
-
রাতের আতঙ্ক -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
বৃক্ষপরী টিয়া -
আফরোজা অদিতি
-
গেকো -
অনীশ দাস অপু
-
ময়না -
আফরোজা অদিতি
-
রাজকন্যা মাঈশা আর বলঢাঁশের গল্প -
আশরাফুল ইসলাম সাগর
-
শেয়াল দেবতার প্রতিহিংসা -
মূল : রবার্ট ব্লচ
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু - ফার্স্ট হওয়ার ঝামেলা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- শূন্যে ডানা মেলে - এনায়েত রসুল
-
একটু উষ্ণতার জন্য -
মূল : হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান এন্ডারসন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
শামন্তীর শীতবেলা -
মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
রাতের অতিথি -
আহমেদ রিয়াজ
- চৈতি আপু - ইমদাদুল হক মিলন
- তেতুল গাছ - আহসান হাবীব
- টুশির গল্প - বেবী মওদুদ
- চড়ুই পাখিদের ঘরের ঘটনা - ধ্রুব এষ
- বিলাই মা বিলাই ছা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- এক শিশি আলতা - এনায়েত রসুল
- কুলরাজা কুলরাণী - শাশ্বত ভট্টাচার্য
- ছায়ার মানুষ - আহমেদ রিয়াজ
- আলতা কন্যার জন্মদিন - মারুফ রেহমান।
- লেজ উঁচিয়ে - আহমেদ রিয়াজ
- ভৌতিক গল্প : থাবা - অনীশ দাস অপু
- রাজার ঈগল পাখি (কম্বোডিয়ার লোককাহিনী) - অনুবাদ: মৃত্যুঞ্জয় রায়
- আকাশ ছুঁয়ে উড়বো - এনায়েত রসুল
- আবু আর বাবু - বেবী মওদুদ
-
ভূতুড়ে বানর -
মূল : স্টিফেন কিং
অনুবাদ : অনীশ দাস অপু - কার ছবি - ইমদাদুল হক মিলন
- ঝন্টু মন্টুর দাদি - আহসান হাবীব
- সন্ধ্যার বিচিত্র ঘটনা - ধ্রুব এষ
-
তিন রাজপুত্র -
অনুবাদ : শিবব্রত বর্মন
মূল গল্প: আইজাক আসিমভ - নওরিনের স্কুল - এনায়েত রসুল
- বংশী নদীর ঘটনা - হামিদ কায়সার
- মাকড়সার চন্দ্র ভ্রমণ - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- ইঁদুর সাহেবার হলিডে - মিজানুর খান
- জাদুর ঢোল - আহমেদ রিয়াজ
- ক্যামডেন কিলার - অনীশ দাস অপু
- পরীর দেশে - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- পিঁপড়ে যখন হাতির বন্ধু - আহমেদ রিয়াজ
- সাগর পরী - মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
বৃষ্টি তুমি এসো না -
অনীশ দাশ অপু
মূল রচনা: আইজাক আসিমভ - ঝমঝমে আষাঢ়ে - আহমেদ রিয়াজ
-
ভৌতিক হাত -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প: কার্ল জ্যাকবির ‘দ্য হ্যান্ড’ -
বাবার জন্য ভালোবাসা -
মুহাম্মদ নাহিয়ান বিন খালেদ
- সেন্টমার্টিনে বাবার সাথে - জারিন তাসনিম অতসী
-
ভৌতিক ঘুড়ি -
অনীশ দাস অপু
মূল: কার্ল জ্যাকবি’র ‘দ্যা কাইট’ - ফুটবল প্রেমিক - রাশেদ শাওন
- ঘটনাটা সত্য - এনায়েত রসুল
- ভুতুড়ে বাড়ি - অনীশ দাস অপু
- ইচ্ছাপূরণ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- মায়ের কাছে ফেরা - বেবী মওদুদ
- স্বপ্ন - শিবব্রত বর্মন
- মেলায় যাবো - এনায়েত রসুল
- কুমড়ো দানব - অনীশ দাস অপু
- আসলে ছবিটা মেঘের - ধ্রুব এষ
- কাশেম আলী গরু চরাতো - আনিসুল হক
-
অদৃশ্য শত্রু -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প : ফিলিপ কে. ডিক - জাদুকর - সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল
-
জানের দুশমন -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প : হেনরি কুটনার - ভালোবাসার সবুজ গাছ - ইমরুল ইউসুফ
- বড়দিনের রাতে - অনীশ দাস অপু
- দেহহীন - শিবব্রত বর্মন
- নীলুর নীল চশমা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- রহস্যভেদী - রকিব হাসান
- দুষ্টু বিড়াল - অনীশ দাস অপু
- অপেক্ষা - মোস্তফা মামুন
- ঈশানপুরের অপুর কান্ড - সুমন কায়সার
- রাজা যখন গাছে - আহমেদ রিয়াজ
- অন্যরকম ভালোলাগা - শুভ অংকুর
- পৃথিবীর জন্য ভালোবাসা (সায়েন্স ফিকশন) - শুভ অংকুর
- কিং মিঠু - মোস্তফা মামুন
- প্রেতাত্মা - অনীশ দাস অপু
- রোবট - আনিসুল হক
- চতুর্দশতম/চৌদ্দ - নঈম তারিক
- জিকুর স্বপ্ন - আহসান হাবীব
- চোর - রকিব হাসান
- ছায়াহীন - শিবব্রত বর্মন
- ঈদের আগের রাত - মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
মেরু ভালুকদের রাজা -
মূল : ফ্রাঙ্ক বাউম
ভাষান্তর : বিদ্যুত - গাধার টুপি - আহমেদ ফারুক
- আলসে বালক আর গরুর গল্প - মো. গোলাম রহমান
- অতি চালাকির সাজা! - এনায়েত রসুল
- মাছরাঙা আর রূপোর চামুচ - মোস্তফা হোসেইন
- হাবা রাকিবের কাণ্ড - মারুফ রেহমান
- বিড়ালের বন্ধুত্ব - রূপান্তর : আবুল বাসার
- গণেশ চ্যাটার্জি আর তার কালো কুকুর - নাফে মোহাম্মদ এনাম
- শিউ-পিউর বন্ধু তানতুলু - নূর সিদ্দিকী
- মেছোভূত - ইকবাল খন্দকার
- অ্যারোসল ভূত - শাকিল ফারুক
- পাঠশালা - আহমেদ রিয়াজ
- যুদ্ধের গল্প - ফরহাদ সাফায়েতুল কবীর
- বোকাতু - আরিফ হাসান
- রূপকথার ইলিশ - অর্জিতা মাধুর্য
- সীনের বাবা সীনের মা - আহমেদ রিয়াজ
- চাঁদ - পান্থ বিহোস
- মায়ের ভাষা - মুহাম্মদ মুনতাসির আলী
- জিন্নাহ'র না জানা গল্প - আহমেদ রিয়াজ
- ঘুম পাহাড়ের আজব পাখি - আ হ মে দ ফা রু ক
- উপহাস - আহমেদ রিয়াজ
-
ড্রাগনের যম ইভান -
মূল : ভ্লাদিমির বাইকো
অনুবাদ: হাসান খুরশীদ রুমি - টিনা আপুর জাদুর কাঠি - এনায়েত রসুল
- তারা পড়তে দেখলে - ধ্রুব এষ
- বাঘ-সিংহের গল্প - আহমেদ রিয়াজ
-
লুকোচুরি -
নিকোলাই নসভ
অনুবাদ: হাসান খুরশীদ রুমী - রহস্যময় কিশোর যোদ্ধা - আহমেদ রিয়াজ
- অদ্ভূতুড়ে কিন্তু ভূতুড়ে নয় - বিজয় মজুমদার
- তিন ভূতুড়ে - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- মরগানস উডসের ভূত - অনীশ দাস অপু
- মহাকাশে সু ভূতের অভিযান - বিধান রিবেরু
- জামাটা কোথায় গেল - আহমেদ রিয়াজ
- মি. হাকলি - নূর সিদ্দিকী
- বুলেট ভাইয়ের হাইজাম্প - মোস্তফা মামুন
-
একা কবরস্থানে -
মূল : অ্যালভিন শোয়ার্জ
অনুবাদ : হাসান খুরশীদ রুমী - তৈল মর্দন - সজ্জাদ কবীর
- ঝিন্টু - মানিক চন্দ্র দাস
- রবীন-মাহিনের মুক্তি... - আহসান হাবীব
- মামার ঘড়ি - পান্থ বিহোস
- তৃষার ভালো লাগা - এনায়েত রসুল
- খরগোশের টাকা চাষ - ভাষান্তর- মৃত্যুঞ্জয় রায়
- ঈদের চাঁদ - আশীষ চক্রবর্ত্তী
-
স্টোরিটেলার -
নিকোলাই নসভ
রূপান্তর : হাসান খুরশীদ রুমী - একটা গাছের চারা - আশরাফুল আলম পিনটু
- পাহাড় যখন সরে যায় - আমীরুল ইসলাম
- ঝিম দুপুরের গল্প - শাকিল ফারুক
- জেলে আর সোনার মাছ - রহীম শাহ
- কুয়োর ব্যাঙের সমুদ্র যাত্রা - বিজয় মজুমদার
- পুতুল - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
-
হানাবাড়ির উন্মাদ -
মূল : ইলেন এ. কিউল
অনুবাদ : অনীশ দাস অপু - চ্যালেঞ্জ! - রকিব হাসান
- রাজা এলেন - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- চুরি বিদ্যা বড়ো বিদ্যা - মোস্তফা মামুন
- আসলে কী ঘটেছিল - ইমদাদুল হক মিলন
- শিয়াল রাজার সাজা - এনায়েত রসুল
- রূপোলি রেণু - আলী ইমাম
- প্যালিনড্রোমিক ফর্ক... - আহসান হাবীব
- ঘড়ি উদ্ধার - আহমেদ রিয়াজ
- অপু আর তপু - আশরাফুল আলম পিন্টু
- সাদা মেঘ ও কাশফুলেরা - আহমেদ রিয়াজ
- মনের ভয় - ফাতেমা ফেরদৌস (পিংকি)
- চাঁদের বন্ধু খরগোশ - রেহানা পারভীন রুমা
- দুষ্টু টুলু - এনায়েত রসুল
- রেডিও - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- ঠাকুরমার ঝুলি এবং ইবু - আহমেদ ফারুক
- আষাঢ়ে হাতি ও রাজার গল্প - আহমেদ রিয়াজ
- সুন্দর - মঈনুল আহসান সাবের
-
ছোট্ট তুষারমানব -
কোরিয়ার রূপকথা
রূপান্তর : মো. গোলাম রহমান - ঘুপুর বন্ধু টুনু আর চি - এনায়েত রসুল
- এটা আমার বাবার গল্প, মায়েরও - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- চাষা ও তার গরু - আহমেদ রিয়াজ
- সহকারী গোয়েন্দা - মোস্তফা মামুন
- লাল বেলুন - আমীরুল ইসলাম
- ডান-বাম - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
-
শেষ যাত্রা -
মূল : কার্ল জ্যাকবি
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু - লিটুর ঘুম আসে না - মোস্তফা মামুন
- ভূতটা খোলা মাঠে একা শুয়ে আছে - আহমেদ রিয়াজ
- কিসমতের বিচার - হুমায়ূন কবীর ঢালী
- নিপুর আশ্রয় - এনায়েত রসুল
- দুই ভূতের কান্ড - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
কান্নার দাগ -
আফ্রিকার রূপকথা
রূপান্তর : আবুল বাসার - নূরী ও পরী - আহমেদ রিয়াজ
-
প্রকৃতি কন্যার দোলনা ঘর -
শোহেইল মতাহির চৌধুরী
- ছোট্ট জাদু-নুড়ি - আমীরুল ইসলাম
- জাদুর আয়না - রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- বিন্নির খুশি - এনায়েত রসুল
- ঘুম পাহাড়ের আজব পাখি - আহমেদ ফারুক







