এনায়েত রসুল
ছোট পাখি মা মুনিয়া ছোট্ট মেয়ে চিচিকে নিয়ে যে বনে বাস করে, সেই বনের নাম
তমাল বন। তমাল বনে চিচিরা ছাড়াও রয়েছে অনেক পাখির বসবাস। রোজ সকালে দল
বেঁধে উড়ে যায় ওরা-ফিরে আসে শেষ বিকেলে। বাসায় বসে চিচি দেখে পাখিদের
ওড়াউড়ি। যতো দেখে ততোই মন খারাপ হয় ওর। কারণ চিচির ডানায় এখনো পালক
গজায়নি-আর পালক গজায়নি বলে চিচি উড়তেও পারছে না।
চিচিদের বাসা ইউক্যালিপটাস গাছের ডালে। সেই গাছের উল্টো দিকের কদম গাছে
থাকে এক প্যাঁচা। কয়েকদিন আগে উড়তে গিয়ে চিচি পড়ে গিয়েছিলো। সে সময় নিচ
থেকে ওকে তুলে এনেছিলো প্যাঁচা। তাই প্যাঁচার ওপর মা মুনিয়ার কৃতজ্ঞতার
অন্ত নেই। সারাটা ক্ষণ শুধু প্যাঁচো দাদা প্যাঁচো দাদা বলে প্রশংসা করে
প্যাঁচা'র। অথচ চিচির খুব একটা ভালো লাগে না প্যাঁচাকে। কারণ জিজ্ঞেস করলে
বলে, প্যাঁচা আলসে পাখি। আলসে পাখিদের দু’চোখে দেখতে পারি না আমি।
এখন সন্ধ্যা নামি নামি করছে। সেই যে সকালে বেরিয়েছে মা মুনিয়া, এখনো ফিরে
আসেনি। বাসায় একাকী বসে আছে চিচি। ওকে একাকী বসে থাকতে দেখে প্যাঁচা এসে
বসলো ইউক্যালিপটাস গাছের ডালে। তারপর জিজ্ঞেস করলো-তোর মা কোথায় রে?
চিচি বললো, খাবার আনতে গেছে।
প্যাঁচা বললো, সে তো সকালের কথা! এখনো ফেরেনি? খেয়েছিস কিছু?
চিচি কথা না বলে ডানে-বাঁয়ে মাথা নাড়ালো।
প্যাঁচা বললো, কিছু খাসনি তাহলে? আমার কাছে শুঁয়োপোকা আছে-খাবি?
চিচি বললো, হুম্।
সঙ্গে সঙ্গে প্যাঁচা দুটো শুঁয়োপোকা এনে দিলো চিচিকে। চিচি খুব মজা করে
খেলো পোকা দুটো। আর মনে মনে ভাবলো, মা মুনিয়া ঠিকই বলেন। প্যাঁচো মামু খুব
ভালো প্রতিবেশী। শুধু শুধুই আমি অপছন্দ করি তাকে।
এসব ভাবছে চিচি, এমন সময় ফিরে এলো মা মুনিয়া। এসেই একগাদা কৈফিয়ত দিলো-উফ্!
কী যে সমস্যা! এদিকে কোনো খাবারই পাওয়া যায় না। খাবারের খোঁজে গিয়েছিলাম
অনেক দূর। সন্ধ্যা নেমে আসছে। তাই খাবার না নিয়েই ফিরে এলাম।
ফিরে তো এলে। এখন খাবে কী?
জিজ্ঞেস করলো প্যাঁচা। মা মুনিয়া বললো, সে কথা ভেবে ক‚ল পাচ্ছি না। আমি
নাহয় না খেয়েই থাকবো। কিন্তু চিচিটা না খেয়ে রাত কাটাবে কেমন করে?
মা মুনিয়ার কথা শুনে চিচি বললো, আমার জন্যে ভেবো না মা। প্যাঁচো মামু আমাকে
শুঁয়োপোকা খেতে দিয়েছে। উহ্ মা! কী যে নরম মাংস, কী যে মজার স্বাদ, বোঝাতে
পারবো না।
মা মুনিয়া বললো, আমাকে আর স্বাদ বোঝাতে হবে না। প্যাঁচো দাদা যে তোর জন্যে
খাবারের ব্যবস্থা করেছেন, তা শুনে খুবই ভালো লাগছে। আর প্যাঁচো দাদা তোমাকে
বলি, বারবার তুমি শুধু ঋণীই করে রাখছো।
প্যাঁচা বললো, বোনের বিপদে-আপদে ভাই পাশে থাকবে-এটাই তো নিয়ম। তো দিদি, এখন আমি যাই। সকালে দেখা হবে।
দুই.
কয়েকদিন ধরেই চিচির ডানা দুটো খসখস করছিলো। চিচি চিন্তিত ছিলো এ নিয়ে। তার
ওপর আজ যখন দেখলো সেই ডানা দুটোর রং অন্য রকম লাগছে, তখন চিচি ঘাবড়ে গেলো।
মা মুনিয়াকে ডেকে বললো, দেখো দেখো মা, কী অবাক কাণ্ড! আমার ডানা দুটো রঙিন
হয়েছে।
মা মুনিয়া ডানা দুটো নেড়েচেড়ে দেখে বললো, রঙিন দেখাচ্ছে কেন জানিস? তোর
ডানা দুটোয় পালক উঠেছে। তুই এখন উড়তে পারবি। প্রথম প্রথম এ বাসা থেকে তোর
প্যাঁচো মামার বাসা পর্যন্ত-পরে সারা আকাশে উড়বি।
মা মুনিয়া বেরিয়ে যাওয়ার পর আকাশে ডানা মেললো চিচি। কথা ছিলো কদম গাছ
পর্যন্ত উড়বে, কিন্তু উড়ে গেলো অনেক দূর। উড়ে উড়ে এক মাঠের ওপর এসে পড়লো
চিচি। সেই মাঠে মহিষের পিঠে চড়ে একটা ছেলে ঘুরে বেড়াচ্ছিলো। তা দেখে চিচিরও
ইচ্ছে হলো অমন করে ঘুরে বেড়াতে। ও তখন নেমে বসলো একটা মহিষের পিঠে। অমনি
মহিষ লেজ তুলে চিচিকে মারলো এক বাড়ি। সঙ্গে সঙ্গে ছিটকে পড়লো চিচি। বারবার
চেষ্টা করেও উড়তে পারলো না।
সে সময় মাঠের উপর দিয়ে উড়ে যাচ্ছিলো প্যাঁচা। সে দেখলো তার মুনিয়া দিদির মেয়েটা মুখ থুবড়ে পড়ে আছে! ব্যাপার কী?
প্যাঁচা জিজ্ঞেস করলো-তুই ওখানে কী করছিস, চিচি?
চিচি বললো, কী আর করবো, উড়তে চেষ্টা করছি-উড়তে পারছি না। পাখা দুটো টনটন করছে।
প্যাঁচা বললো, তাহলে এক কাজ কর। আমার পিঠে উঠে বোস, পৌঁছে দিই তোকে।
অবশেষে তাই করলো চিচি। প্যাঁচার পিঠে চড়ে পৌঁছে গেলো তমাল বনে।
পরদিন চিচি ঘটালো আরেক ঘটনা। উড়ে উড়ে চিচি চলে গেলো অন্য এক বনে। সেখানে ওর পরিচয় হলো এক টিয়ে পাখির সঙ্গে। টিয়ের নাম ট্যাট্যা।
চিচি খুব ছোট্ট পাখি। তাই টিপ্পনি কেটে ট্যাট্যা জিজ্ঞেস করলো-এ্যাই পুঁচকে! কী নাম তোর?
চিচি বললো, আমার নাম চিচি। মা মুনিয়ার মেয়ে আমি। তমাল বনের ইউক্যালিপটাস গাছে আমাদের বাসা। আকাশ ছুঁই ছুঁই মাথা ওই গাছটার।
ট্যাট্যা বললো, তুই তো খুব বাচাল রে! জিজ্ঞেস করলাম নাম-শোনালি চৌদ্দগুষ্ঠীর ইতিহাস।
চিচি বললো, আমি এমনই। শোনো, আমাদের বাসা থেকে আকাশ দেখা যায়।
ট্যাট্যা নাক সিটকিয়ে বললো, আকাশ দেখা যাক আর পাতাল দেখা যাক, গাছের ডালে
বাসা। এ বাসার কোনো নিশ্চয়তা আছে? একটু জোরে বাতাস এলেই ধপাস। আর আমার বাসা
কোথায় জানিস?
কোথায়?
এই বটগাছের খোড়লে। বাসা তো নয়, যেনো রাজপ্রাসাদ। রোদ-বৃষ্টিতে কষ্ট হয় না।
কিন্তু প্রাণ জুড়ানো হাওয়া তো লাগে না গায়ে। আকাশও দেখা যায় না।
খুব সাজিয়ে-গুছিয়ে নিজের বাসার সুবিধাগুলো জানালো চিচি। কিন্তু ট্যাট্যা
বললো, আমার ধারণা, গাছের ডালে যে সব বাসা, অমন বাসায় কোনো সভ্য পাখি থাকে
না।
ট্যাট্যার কথা শুনে মেজাজ বিগড়ে গেলো চিচির-কী বলতে চায় ট্যাট্যা! যারা
গাছের ডালে বাসা বেঁধে থাকে, তারা সভ্য নয়? ঠিক আছে, অসভ্যতা কাকে বলে তা
আজ দেখিয়ে দেবে চিচি।
ট্যাট্যার কাছে অপমানিত হয়ে চুপ করে বসে রইলো চিচি। আর চিচিকে থম ধরে বসে
থাকতে দেখে ট্যাট্যা উড়ে গিয়ে বসলো অন্য গাছে। চিচি তো এমন সুযোগেরই
অপেক্ষায় ছিলো। ট্যাট্যা অন্য গাছে গিয়ে বসতেই চিচি গিয়ে ঢুকলো ট্যাট্যার
খোড়লের বাসায়। সেখানে বিছানো ছিলো কচি ঘাসের নরম বিছানা। চিচি ওগুলো ফেলে
দিলো বাইরে। রাতে খাবে বলে ডাসা ডাসা ডুমুর এনে রেখেছিলো। ধারালো নখ দিয়ে
আঁচড়ে-পিঁচড়ে নষ্ট করে দিলো সেগুলো। তারপর চলে এলো নিজের বাসায়। তবে তাতে
খুব এটা লাভ হলো না। চিচি ওর নাম-ঠিকানা জানিয়ে ছিলো ট্যাট্যাকে। সেই
ঠিকানা খুঁজে খুঁজে একটু পরেই ট্যাট্যা এসে হাজির হলো চিচিদের বাসায়। এসেই
চিৎকার করে বললো, এই মুনিয়া! তোমার পাজি মেয়েটার বিচার করো। নইলে আমি
যাচ্ছেতাই কাণ্ড ঘটিয়ে ছাড়বো।
মা মুনিয়া জিজ্ঞেস করতে যাচ্ছিলো চিচি কী করেছে, তার আগেই চেঁচিয়ে উঠলো
চিচি-এ্যাই ট্যাট্যা! এতো জোরে চেঁচাবে না। এটা ভদ্র পাখির বাসা।
ট্যাট্যা বললো, হাজারবার চেঁচাবো। তুই আমার বাসা তছনছ করে এলি কেন? তোর মা
যদি বিচার না করে, তাহলে আমি ঈগল রাজার কাছে যাবো। তখন বুঝবি মজা।
কদম গাছের ডালে বসে ট্যাট্যা আর চিচির কথা শুনছিলো প্যাঁচা। এবার নেমে এসে সে জিজ্ঞেস করলো-ভাই সাহেবের নাম কী?
ট্যাট্যা।
গম্ভীর কণ্ঠে জবাব দিলো ট্যাট্যা। অমনি হই হই করে উঠলো প্যাঁচা-আরে তাই নাকি! তুমিই ট্যাট্যা?
ট্যাট্যা বললো, হ্যাঁ, আমিই ট্যাট্যা। কেন, শুনেছেন নাকি আমার নাম?
প্যাঁচা বললো, শুনিনি মানে! কে না জানে তোমার নাম! ভদ্র, সভ্য,
মিষ্টভাষী-আরো কতো গুণ রয়েছে তোমার! সেই তুমি এসেছো চিচির মতো একটা ছোট্ট
মেয়ের নামে নালিশ জানাতে? এটা কিন্তু তোমার সুনামের সঙ্গে মানানসই নয়। অথচ
তুমি যদি তোমার অভিযোগ ফিরিয়ে নাও, তোমার মহত্ত্বের কথা ছড়িয়ে পড়বে
চারদিকে।
প্যাঁচার কথা শুনে এক সেকেন্ড কী ভাবলো ট্যাট্যা। তারপর বললো, আচ্ছা,
ফিরিয়ে নিলাম। আমি এখন যাই। ওই পুঁচকেটাকে নিয়ে আমার বাসায় যেও মা মুনিয়া।
মা মুনিয়া বললো, আচ্ছা, তুমিও বেড়াতে এসো।
তিন.
তিনদিন আগে খাবার আনতে গিয়েছিলো প্যাঁচা-আর ফিরে আসেনি। মা মুনিয়ার তাই মন খারাপ।
মা মুনিয়াকে চুপ করে বসে থাকতে দেখে চিচি বললো, কী অবাক কাণ্ড জানো? আগে
প্যাঁচো মামুকে আমার ভালোই লাগতো না। এখন মনে হচ্ছে, মামুর মতো ভালো পাখি
আর একটিও নেই এ বনে। মামু নেই- মনে হচ্ছে বন শূন্য হয়ে গেছে!
বিকেলে চিচিকে রেখে মা মুনিয়া গেছে খাবার আনতে। সে সুযোগে চিচি ডানা মেললো
আকাশে। কখনো মেঘ ছুঁয়ে কখনো আকাশ ছুঁয়ে উড়ে উড়ে চিচি এসে পড়লো এক গ্রামের
ওপর। অনেকক্ষণ উড়ে জিরোবার জন্যে চিচি গিয়ে বসলো এক চালতা গাছের ডালে। আর
তার পরপরই ওর কানে ভেসে এলো অদ্ভুত এক করুণ চিৎকার- চি..চি...রে...
সেই চিৎকার শুনে অবাক হলো চিচি। এই অচেনা গ্রামে নাম ধরে ওকে কে ডাকে?
অবাক চিচি এদিক-ওদিক তাকাতেই দেখতে পেলো গাছে নিচের সুন্দর একটা ঘরের ভেতর
ঘুরঘুর করছে ওর প্যাঁচো মামু। আর ঘরটার পাশে বসে আছে ছোট একটা ছেলে।
চিচি জিজ্ঞেস করলো-প্যাঁচো মামু, অমন সুন্দর ঘরে বসে তুমি কী করছো?
প্যাঁচা বললো, এই দুষ্ট ছেলেটা আমাকে আটকে রেখেছে। তাই পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি।
তাই? তো পালাচ্ছো না কেন?
কি করে পালাবো! খাঁচাটা খুব শক্ত। পালানো মনে হয় সম্ভব হবে না।
চিচি বললো, সম্ভব হবে না কেনো! একটু বুদ্ধি খরচ করলেই পালাতে পারবে। খাঁচাও ভাঙতে হবে না তোমাকে।
তাই নাকি? কী করতে হবে বল্ তো?
বিপুল কৌত‚হল নিয়ে প্যাঁচা তাকালো চিচির দিকে। চিচি বললো, মানুষরা তো মরা
পাখি পোষে না। তুমি মরে যাওয়ার ভান করো। তাহলেই ছেলেটা ফেলে দেবে তোমাকে।
সেই সুযোগে...
এটুকু মাত্র বলেছে চিচি, অমনি চেঁচিয়ে উঠলো প্যাঁচা- আর বলিস না, আর বলিস না। আমি বুঝতে পেরেছি কী করতে হবে আমাকে।
এ কথা বলে প্যাঁচা দম খিঁচে চোখ বন্ধ করে চিৎপটাং হয়ে খাঁচার ভেতর শুয়ে
পড়লো। এ দৃশ্য দেখে ছেলেটা চিৎকার করে ডাকলো ওর মাকে। মা এসে দেখলেন
প্যাঁচাটা জিভ বের করে চিৎ হয়ে শুয়ে আছে।
মা বললেন, আহারে, পাখিটা মরে গেছে। কী আর করবি! ওকে চালতা গাছের নিচে রেখে দে। তোর বাবা ফিরে এসে কবর দিয়ে দেবেন।
মায়ের কথা মতোই কাজ করলো ছেলেটি- প্যাঁচাও চিচির কথা মতো কাজ করলো। যেই ওকে
খাঁচা থেকে বের করে চালতা গাছের নিচে রাখা হলো, অমনি চিচি চেঁচিয়ে বললো,
পালাও! প্যাঁচো মামু পালাও ...! প্যাঁচাও উড়ে পালালো।
চার.
দুপুরে মা মুনিয়া ফিরে এলে প্যাঁচা খুব প্রশংসা করলো চিচির। বললো, জানো মুনিয়া দিদি! তোমার মেয়ের বুদ্ধি মতো কাজ করেই আজ আমি জীবন নিয়ে ফিরে এসেছি। নইলে বাকি জীবনটা খাঁচার ভেতরই কাটাতে হতো।
চিচি বললো, শুধু শুধু আমার প্রশংসা করছো। আসলে তুমি খুব ভালো পাখি। আল্লাহ তাই বিপদ থেকে রক্ষা করেছেন তোমাকে।
প্যাঁচা বললো, এ কথাটাও বুদ্ধিমতীর মতো বলেছিস। সব কিছুই হয় আল্লাহর ইচ্ছায়। তো আমি এখন যাই দিদি। তোমরা ভালো থেকো।
প্যাঁচা চলে যাওয়ার পর চিচি বললো, প্যাঁচো মামুর বিপদে কাজে লাগতে পেরে খুব ভালো লাগছে মা।
মা মুনিয়া বললো, ভালো তো লাগবেই। ভালো কাজ করার তৃপ্তিই আলাদা। সারা জীবন প্যাঁচো দাদা আমাদের উপকার করেছেন। তুই জীবন বাঁচিয়ে তার কিছুটা পরিশোধ করেছিস। ভালো লাগারই কথা। আয় বাছা, আমার বুকে আয়। আজ তোকে বুকে নিয়ে ঘুমোবো।
চিচি সেঁটে গেলো মা মুনিয়ার বুকের সঙ্গে। কিন্তু চিচির মনে হলো মায়ের বুকটা যেন আগের মতো নেই- ফুলে-ফেঁপে প্রশস্ত হয়ে গেছে ওটা! প্রশস্ত হতেই পারে। সন্তানরা ভালো কাজ করলে সব বাবা-মায়ের বুকই অমন প্রশস্ত হয়ে ওঠে।
- বাবার মুখে হাসির জন্য - বিএম বরকতউল্লাহ্
- বাবা - হুমায়ূন কবীর ঢালী
- হেস্কু - মাহফুজুর রহমান
- বুদ্ধি - সাদিয়া ইসলাম বৃষ্টি
- নজরুল ও জুটুর গল্প - রহীম শাহ
- মেয়েটি মাকড়সা হয়ে গেল - কাজী কেয়া
- কাজলকাকা ভূত নয় - ইমতিয়ার শামীম
- অর্পণের মা - আলী হাবিব
- রাশিয়ান রূপকথা: ধপাস ভালুক - রহীম শাহ
- মুখোশ রহস্য - আহমেদ রিয়াজ
- মুরগী ছানা তিতি - আরিফুন নেছা সুখী
- অহংকারী রাজকন্যা - বিএম বরকতউল্লাহ
- পুতুল ভূত - রানা জামান
- রাখাল ও জাদুর আম গাছ - হুমায়ুন কবীর ঢালী
- দুষ্টু ছানাদের গল্প - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- তুতুন - আল নাহিয়ান
- সাইকেল বাবু - লিটন মহন্ত
- রূপকথা নীল পূর্ণিমার সোমেশ্বরী - রবীন ভাবুক
- পরীরাণী - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- সাদাসোনা মেঘ, নীল ঘুড়ি আর খোলা মাঠে একা ছেলেটা - নূর সিদ্দিকী
- অন্ধকারের এক রহস্যমানুষ আর রাজহাঁস - মিন্টু হোসেন
- চকোলেট দৌড় - সোহানা রহমান
- স্কুলপড়ুয়া পাখি, প্রজাপতি আর ছড়া - মেহেরুবা নিশা
- গরুর ঘায়ে! - আহমেদ রিয়াজ
-
ঝুমি ও একটি কুকুর -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
উপন্যাস: পিশাচ-কন্যা -
সামান্থা লি
রূপান্তর: অনীশ দাস অপু - অক্স ও বুল (সায়েন্স ফিকশন গল্প) - আবুল কালাম আজাদ
- আমি ভূত - সোহানা রহমান
- সবুজ মাঠ - শিবলী নোমান
- মন্দ মানুষ - চন্দন চৌধুরী
- ঈদে মুক্তির আনন্দ - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- জোনাকিদের গ্রহে ভয়েজার ১ - মিন্টু হোসেন
- তর্ক-বিতর্ক - পাভেল মহিতুল আলম
- খরচি মামার সাইকেল - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
- লাল জামা - বিএম বরকতউল্লাহ্
- আমার বন্ধু ডোরেমন - আহমেদ রিয়াজ
-
অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস অজানা দ্বীপে অভিযান -
মূল : এডগার অ্যালান পো
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- ঢেউয়ের বন্ধুরা - নূর সিদ্দিকী
- ভাষা - জাহিদুল আলম
- বর্ণান্ধ - মারিয়া হোসেন
- ভূতের সঙ্গে আড়ি - মুহসীন মোসাদ্দেক
- নরহরি দাস - উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
- কাকদের পুরীষ উৎসব! - মহিউদ্দীন আহ্মেদ
- সে সত্যিই ছিল একটা বাচ্চা পরি - মেহেরুবা নিশা
-
মেঘকন্যা আর টুনটুনিছানা -
বিএম বরকতউল্লাহ্
- নবম মাত্রার গোবট - ধ্রুব নীল
-
পরী এবং পরিবেশ -
মাহাবুবুল হাসান নীরু
- দুঃখী বুড়ি ও নেংটি ইঁদুর - বিএম বরকতউল্লাহ্
- ভালো 'মন খারাপ' - চন্দন চৌধুরী
- রকির চাওয়া - জুবায়ের হুসাইন
- মৌমাছি ও কাঠুরিয়া - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- ফিরে দেখা - রবীন ভাবুক
- মতির মাথায় গাব - ধ্রুব নীল
- প্রজাপতি হবো - এনায়েত রসুল
- চাঁদনি-হালুয়া - সঞ্চারিণী
- জলে কোলাহল - চন্দন চৌধুরী
- এক টুকরো মেঘ ও দুঃখী গাছ - বিএম বরকতউল্লাহ
- আমার রোবট 'রবি' - মোঃ মিন্টু হোসেন
- কত আটায় কত রুটি - আবুল কালাম আজাদ
- আংটি - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- শহরে একদিন - আহমেদ রিয়াজ
- পল্টুর বন্ধু - আহসান হাবীব
-
হরর গল্প -
মিস্ট্রেস স্যারি মূল : উইলিয়াম টেন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- নিলেশের অন্য ভূবন - আফরোজা অদিতি
- ভাষার খোঁজে নেপালে - সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ
- গিফট - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- ভূত শিকার - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
-
ডানাকাটা পাখি ও সীম বীজ -
চন্দন চৌধুরী
- গোয়েন্দা মেনু'দা - রবীন ভাবুক
- তিনা আর লাল গোলাপ - আফরোজা অদিতি
- পরীটি কি জাদু জানে - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- আরকনির রুমাল - মোঃ মিন্টু হোসেন
- পুষ্পিতার ঈদ - আফরোজা আদিতি
- হাতির ডিম - আহমেদ রিয়াজ
- কঙ্ক - শুভ অংকুর
- বিন্নির খুশি - এনায়েত রসুল
- প্রান্ত ও তার এ্যাডনোক্সিয়ান বন্ধু (সায়েন্স ফিকশান) - আবুল কালাম আজাদ
- এক যে ছিলো রাসেল - বেবী মওদুদ
- আতঙ্কের প্রহর [রহস্য গল্প] - অনীশ দাস অপু
- ঈদ শপিং - আহসান হাবীব
- উপন্যাস- আলিবাবা ও চালিচার - শিবব্রত বর্মন
- মৌমাছি - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
- সূত্রধর স্যার - জাহিদুল আলম
-
কোনো এক অমাবস্যার রাতে -
আহমেদ রিয়াজ
- বিজ্ঞানী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গড়ে আটকা এক নেকড়ে - মোঃ মিন্টু হোসেন
- প্রজাপতি - এনায়েত রসুল
- পরী এসেছিল - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- বিচ্ছু ভাগনের কাণ্ড - জাহিদুল আলম
- নিশান আর ব্ল্যাকহোল - আফরোজা অদিতি
- পরীর বন্ধু অহনা - এনায়েত রসুল
-
স্যারের বিপদ -
জাহিদুল আলম
-
নতুন স্যার -
আবুল কালাম আজাদ
-
মিকাই-এর বাঘের ছানা -
মিন্টু হোসেন
-
আলুভর্তা -
জান্নি রোদারি
অনুবাদ: জামিল বিন সিদ্দিক -
বেকার আয়না -
জাহিদুল আলম
-
একদিন রাতে ধবধবে বিড়ালটা -
আহমেদ রিয়াজ
- অবাক বইপাঠ - মুনির রানা
- জোকার - শিবব্রত বর্মন
- ইঁদুরের ভোজ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ভৌতিকবাড়ি - অনীশ দাস অপু
- মেলায় মাঠে পিউস - আফরোজা অদিতি
-
মিস্ট্রেস স্যারি -
মূল : উইলিয়াম টেন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
ভয়ঙ্কর এক লোক -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
তেরো তলা -
মূল : ডন উলফসনে
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
টুঙ্গিপাড়ার খোকা -
বেবী মওদুদ
-
রাতের আতঙ্ক -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
বৃক্ষপরী টিয়া -
আফরোজা অদিতি
-
গেকো -
অনীশ দাস অপু
-
ময়না -
আফরোজা অদিতি
-
রাজকন্যা মাঈশা আর বলঢাঁশের গল্প -
আশরাফুল ইসলাম সাগর
-
শেয়াল দেবতার প্রতিহিংসা -
মূল : রবার্ট ব্লচ
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু - ফার্স্ট হওয়ার ঝামেলা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- শূন্যে ডানা মেলে - এনায়েত রসুল
-
একটু উষ্ণতার জন্য -
মূল : হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান এন্ডারসন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
শামন্তীর শীতবেলা -
মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
রাতের অতিথি -
আহমেদ রিয়াজ
- চৈতি আপু - ইমদাদুল হক মিলন
- তেতুল গাছ - আহসান হাবীব
- টুশির গল্প - বেবী মওদুদ
- চড়ুই পাখিদের ঘরের ঘটনা - ধ্রুব এষ
- বিলাই মা বিলাই ছা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- এক শিশি আলতা - এনায়েত রসুল
- কুলরাজা কুলরাণী - শাশ্বত ভট্টাচার্য
- ছায়ার মানুষ - আহমেদ রিয়াজ
- আলতা কন্যার জন্মদিন - মারুফ রেহমান।
- লেজ উঁচিয়ে - আহমেদ রিয়াজ
- ভৌতিক গল্প : থাবা - অনীশ দাস অপু
- রাজার ঈগল পাখি (কম্বোডিয়ার লোককাহিনী) - অনুবাদ: মৃত্যুঞ্জয় রায়
- আকাশ ছুঁয়ে উড়বো - এনায়েত রসুল
- আবু আর বাবু - বেবী মওদুদ
-
ভূতুড়ে বানর -
মূল : স্টিফেন কিং
অনুবাদ : অনীশ দাস অপু - কার ছবি - ইমদাদুল হক মিলন
- ঝন্টু মন্টুর দাদি - আহসান হাবীব
- সন্ধ্যার বিচিত্র ঘটনা - ধ্রুব এষ
-
তিন রাজপুত্র -
অনুবাদ : শিবব্রত বর্মন
মূল গল্প: আইজাক আসিমভ - নওরিনের স্কুল - এনায়েত রসুল
- বংশী নদীর ঘটনা - হামিদ কায়সার
- মাকড়সার চন্দ্র ভ্রমণ - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- ইঁদুর সাহেবার হলিডে - মিজানুর খান
- জাদুর ঢোল - আহমেদ রিয়াজ
- ক্যামডেন কিলার - অনীশ দাস অপু
- পরীর দেশে - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- পিঁপড়ে যখন হাতির বন্ধু - আহমেদ রিয়াজ
- সাগর পরী - মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
বৃষ্টি তুমি এসো না -
অনীশ দাশ অপু
মূল রচনা: আইজাক আসিমভ - ঝমঝমে আষাঢ়ে - আহমেদ রিয়াজ
-
ভৌতিক হাত -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প: কার্ল জ্যাকবির ‘দ্য হ্যান্ড’ -
বাবার জন্য ভালোবাসা -
মুহাম্মদ নাহিয়ান বিন খালেদ
- সেন্টমার্টিনে বাবার সাথে - জারিন তাসনিম অতসী
-
ভৌতিক ঘুড়ি -
অনীশ দাস অপু
মূল: কার্ল জ্যাকবি’র ‘দ্যা কাইট’ - ফুটবল প্রেমিক - রাশেদ শাওন
- ঘটনাটা সত্য - এনায়েত রসুল
- ভুতুড়ে বাড়ি - অনীশ দাস অপু
- ইচ্ছাপূরণ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- মায়ের কাছে ফেরা - বেবী মওদুদ
- স্বপ্ন - শিবব্রত বর্মন
- মেলায় যাবো - এনায়েত রসুল
- কুমড়ো দানব - অনীশ দাস অপু
- আসলে ছবিটা মেঘের - ধ্রুব এষ
- কাশেম আলী গরু চরাতো - আনিসুল হক
-
অদৃশ্য শত্রু -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প : ফিলিপ কে. ডিক - জাদুকর - সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল
-
জানের দুশমন -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প : হেনরি কুটনার - ভালোবাসার সবুজ গাছ - ইমরুল ইউসুফ
- বড়দিনের রাতে - অনীশ দাস অপু
- দেহহীন - শিবব্রত বর্মন
- নীলুর নীল চশমা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- রহস্যভেদী - রকিব হাসান
- দুষ্টু বিড়াল - অনীশ দাস অপু
- অপেক্ষা - মোস্তফা মামুন
- ঈশানপুরের অপুর কান্ড - সুমন কায়সার
- রাজা যখন গাছে - আহমেদ রিয়াজ
- অন্যরকম ভালোলাগা - শুভ অংকুর
- পৃথিবীর জন্য ভালোবাসা (সায়েন্স ফিকশন) - শুভ অংকুর
- কিং মিঠু - মোস্তফা মামুন
- প্রেতাত্মা - অনীশ দাস অপু
- রোবট - আনিসুল হক
- চতুর্দশতম/চৌদ্দ - নঈম তারিক
- জিকুর স্বপ্ন - আহসান হাবীব
- চোর - রকিব হাসান
- ছায়াহীন - শিবব্রত বর্মন
- ঈদের আগের রাত - মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
মেরু ভালুকদের রাজা -
মূল : ফ্রাঙ্ক বাউম
ভাষান্তর : বিদ্যুত - গাধার টুপি - আহমেদ ফারুক
- আলসে বালক আর গরুর গল্প - মো. গোলাম রহমান
- অতি চালাকির সাজা! - এনায়েত রসুল
- মাছরাঙা আর রূপোর চামুচ - মোস্তফা হোসেইন
- হাবা রাকিবের কাণ্ড - মারুফ রেহমান
- বিড়ালের বন্ধুত্ব - রূপান্তর : আবুল বাসার
- গণেশ চ্যাটার্জি আর তার কালো কুকুর - নাফে মোহাম্মদ এনাম
- শিউ-পিউর বন্ধু তানতুলু - নূর সিদ্দিকী
- মেছোভূত - ইকবাল খন্দকার
- অ্যারোসল ভূত - শাকিল ফারুক
- পাঠশালা - আহমেদ রিয়াজ
- যুদ্ধের গল্প - ফরহাদ সাফায়েতুল কবীর
- বোকাতু - আরিফ হাসান
- রূপকথার ইলিশ - অর্জিতা মাধুর্য
- সীনের বাবা সীনের মা - আহমেদ রিয়াজ
- চাঁদ - পান্থ বিহোস
- মায়ের ভাষা - মুহাম্মদ মুনতাসির আলী
- জিন্নাহ'র না জানা গল্প - আহমেদ রিয়াজ
- ঘুম পাহাড়ের আজব পাখি - আ হ মে দ ফা রু ক
- উপহাস - আহমেদ রিয়াজ
-
ড্রাগনের যম ইভান -
মূল : ভ্লাদিমির বাইকো
অনুবাদ: হাসান খুরশীদ রুমি - টিনা আপুর জাদুর কাঠি - এনায়েত রসুল
- তারা পড়তে দেখলে - ধ্রুব এষ
- বাঘ-সিংহের গল্প - আহমেদ রিয়াজ
-
লুকোচুরি -
নিকোলাই নসভ
অনুবাদ: হাসান খুরশীদ রুমী - রহস্যময় কিশোর যোদ্ধা - আহমেদ রিয়াজ
- অদ্ভূতুড়ে কিন্তু ভূতুড়ে নয় - বিজয় মজুমদার
- তিন ভূতুড়ে - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- মরগানস উডসের ভূত - অনীশ দাস অপু
- মহাকাশে সু ভূতের অভিযান - বিধান রিবেরু
- জামাটা কোথায় গেল - আহমেদ রিয়াজ
- মি. হাকলি - নূর সিদ্দিকী
- বুলেট ভাইয়ের হাইজাম্প - মোস্তফা মামুন
-
একা কবরস্থানে -
মূল : অ্যালভিন শোয়ার্জ
অনুবাদ : হাসান খুরশীদ রুমী - তৈল মর্দন - সজ্জাদ কবীর
- ঝিন্টু - মানিক চন্দ্র দাস
- রবীন-মাহিনের মুক্তি... - আহসান হাবীব
- মামার ঘড়ি - পান্থ বিহোস
- তৃষার ভালো লাগা - এনায়েত রসুল
- খরগোশের টাকা চাষ - ভাষান্তর- মৃত্যুঞ্জয় রায়
- ঈদের চাঁদ - আশীষ চক্রবর্ত্তী
-
স্টোরিটেলার -
নিকোলাই নসভ
রূপান্তর : হাসান খুরশীদ রুমী - একটা গাছের চারা - আশরাফুল আলম পিনটু
- পাহাড় যখন সরে যায় - আমীরুল ইসলাম
- ঝিম দুপুরের গল্প - শাকিল ফারুক
- জেলে আর সোনার মাছ - রহীম শাহ
- কুয়োর ব্যাঙের সমুদ্র যাত্রা - বিজয় মজুমদার
- পুতুল - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
-
হানাবাড়ির উন্মাদ -
মূল : ইলেন এ. কিউল
অনুবাদ : অনীশ দাস অপু - চ্যালেঞ্জ! - রকিব হাসান
- রাজা এলেন - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- চুরি বিদ্যা বড়ো বিদ্যা - মোস্তফা মামুন
- আসলে কী ঘটেছিল - ইমদাদুল হক মিলন
- শিয়াল রাজার সাজা - এনায়েত রসুল
- রূপোলি রেণু - আলী ইমাম
- প্যালিনড্রোমিক ফর্ক... - আহসান হাবীব
- ঘড়ি উদ্ধার - আহমেদ রিয়াজ
- অপু আর তপু - আশরাফুল আলম পিন্টু
- সাদা মেঘ ও কাশফুলেরা - আহমেদ রিয়াজ
- মনের ভয় - ফাতেমা ফেরদৌস (পিংকি)
- চাঁদের বন্ধু খরগোশ - রেহানা পারভীন রুমা
- দুষ্টু টুলু - এনায়েত রসুল
- রেডিও - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- ঠাকুরমার ঝুলি এবং ইবু - আহমেদ ফারুক
- আষাঢ়ে হাতি ও রাজার গল্প - আহমেদ রিয়াজ
- সুন্দর - মঈনুল আহসান সাবের
-
ছোট্ট তুষারমানব -
কোরিয়ার রূপকথা
রূপান্তর : মো. গোলাম রহমান - ঘুপুর বন্ধু টুনু আর চি - এনায়েত রসুল
- এটা আমার বাবার গল্প, মায়েরও - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- চাষা ও তার গরু - আহমেদ রিয়াজ
- সহকারী গোয়েন্দা - মোস্তফা মামুন
- লাল বেলুন - আমীরুল ইসলাম
- ডান-বাম - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
-
শেষ যাত্রা -
মূল : কার্ল জ্যাকবি
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু - লিটুর ঘুম আসে না - মোস্তফা মামুন
- ভূতটা খোলা মাঠে একা শুয়ে আছে - আহমেদ রিয়াজ
- কিসমতের বিচার - হুমায়ূন কবীর ঢালী
- নিপুর আশ্রয় - এনায়েত রসুল
- দুই ভূতের কান্ড - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
কান্নার দাগ -
আফ্রিকার রূপকথা
রূপান্তর : আবুল বাসার - নূরী ও পরী - আহমেদ রিয়াজ
-
প্রকৃতি কন্যার দোলনা ঘর -
শোহেইল মতাহির চৌধুরী
- ছোট্ট জাদু-নুড়ি - আমীরুল ইসলাম
- জাদুর আয়না - রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- বিন্নির খুশি - এনায়েত রসুল
- ঘুম পাহাড়ের আজব পাখি - আহমেদ ফারুক







