জ্বরে চোখ লাল হয়ে আছে খোকার। মা পানিতে কাপড় ভিজিয়ে ভিজিয়ে কপালে রেখে
জ্বর কমানোর চেষ্টা করছেন। বন্যায় ভেসে গেছে চারদিক। কাল রাত থেকে আবার
বৃষ্টি নেমেছে। খোকা কী কারও কথা শোনে? ডিঙ্গি নৌকায় সঙ্গীদের নিয়ে ঘুরতে
গিয়েছিল। নৌকা উল্টে সবাই পানিতে পড়ে হাবুডুবু। ভিজে একেবারে জবুথবু।
ভাগ্যিস আক্কাস তাদের সঙ্গে ছিল। নৌকা আবার সোজা করে সবাইকে টেনে টেনে তুলে
ফেলে। না হলে কে কোথায় ভেসে চলে যেতো কে জানে!
বন্যার পানি তো খেয়েছে। সেই সঙ্গে ঠান্ডাটাও ধরেছে। মা তেল গরম করে বুকে
পিঠে মালিস করে দেন। গরম দুধ খাওয়ান। কিন্তু জ্বর ঠিকই এলো রাতে। হাঁচি
উঠলে থামে না। নাক দিয়ে সর্দি পড়ছেই। টেনেটুনেও থামানো যাচ্ছে না। সারারাত
মাথা ব্যথায় উহ্আহ্ করেছে। ঘুমুতে পারেনি এক মূহুর্তও। ভোরের দিকে ঘুম এসে
খোকার দুচোখে যেন কাজল পরিয়ে দিয়েছে। সেই ঘুম ভাঙলো অনেক বেলায়। চোখ মেলতেই
দেখে মা কপালে পানি পট্টি দিচ্ছে। মেজ বুজি তার পায়ে হাত বুলিয়ে দিচ্ছে।
সবাই দাঁড়িয়ে তাকে দেখছে।
মা জিজ্ঞেস করে, “কেমন লাগছে বাবা ? ক্ষুধা লাগছে তোমার?” খোকা মায়ের কোলে
মাথা গুজে দেয়। কোন কথা বলার শক্তি যেন নাই। মা তার মাথাটা ধরে বালিশে রেখে
কপালে চুমু খান। মাথা ভর্তি কালো চুলে হাত বুলিয়ে দেন।
বলেন, ‘শুয়ে থাকো মানিক আমার, আমি তোমার জন্য জাউ ভাত রাঁধছি, নিয়া আসি।
মুরগীর সালুন দিয়া খাইবা।’ মায়ের সঙ্গে আক্কাস গেলো। ছোট ফুফু তার মাথার
কাছে বসেন। মাথায় হাত বুলিয়ে দেন।
তারা এসে খোকার মুখের কাছে মুখ নিয়ে বলে, ‘ও মিয়া ভাই, তুমি জলদি ভালা হইয়া
ওঠো।’ খোকা হাসে। জিজ্ঞেস করে ‘কেন রে ? এবার কোথায় গিয়ে নৌকা ওল্টাবি?’
তারা বলে, ‘আর তোমাকে বাড়ি থেকে বেরুতে দিবে না মামী। আর ঘুরবা কই ?
বন্যার পানি তো নামে নি মিয়াভাই। স্কুল মাঠ ছাড়িয়ে ক্লাশে ঢুকে পড়েছে। আর
কদিন যাক না, এই ঘরের ভেতরে পানি ঢুকে যাবে।’
খোকা তার কথা শুনে বলে, ‘তাহলে তো কালিদাস, আবু, মান্নান সবার বাড়িতে পানি
ঢুকে পড়েছে। ওরা তো নীচু জায়গায় থাকে। নিশ্চয় খুব খারাপ অবস্থায় আছে।’
তারা বলে, ‘হ কষ্ট তো সবারই হবে।’
মা এক বাটি জাউ ভাত ও মুরগীর পাতলা ঝোল নিয়ে এসে বসেন। ফুফু তাকে তুলে বসিয়ে দেয়। মেজ
বুজী তার গায়ে কাঁথাটা ভালো করে জড়িয়ে দেয়।
মা চামচে করে তুলে তাকে খাইয়ে দেন। এক চামচ মুখে নিতেই খোকার মুখ যেন তেতো
হয়ে যায়। সে বলে ‘ও মা লেবু নাই লেবু মাখায়া দাও।’ মা বুজীকে লেবু আনতে
পাঠায়। খোকার মুখে মুরগীর গোস্ত তুলে দেন। খোকা আবার বলে, ‘ও মা একটা ডিম
ভাজা খামু?’ মা হাসেন। আক্কাসকে বলেন, ‘যা তোর বুজীকে ক’ একটা ডিম ভাইজা
দিবে।’
লেবু টিপে রস মাখিয়ে মা আবার তাকে খাইয়ে দেন। খুব ক্ষিধা পেয়েছিল বলে খোকা
খেতে লাগলো। ডিমভাজা এলে মা খাইয়ে দেন। খোকা জিজ্ঞেস করে ‘তোমরা সবাই ভাত
খাইছ মা?’
আমেনা বলে, ‘তোমাকে নিয়েই তো সবাই ব্যস্ত। তুমি যে পানিতে পড়ে কাহিল হয়ে
এলে - মা তো তোমার কাছেই বসা। আমরা খাইছি। মিয়া ভাই, মা কিন্তু খায়নি।’
তারাও বলে ওঠে, ‘সত্য মিয়া ভাই, মামী কিন্তু কিছু খায়নি। খালি বসে বসে কাঁদছে।’
খোকা মায়ের গলা জড়িয়ে ধরে জিজ্ঞেস করে ‘সত্যই মা, তুমি কিছুই খাওনি কাল থেকে?’
মা তার মুখে শেষ খাবারটুকু তুলে দিয়ে বলেন, ‘তুমি ওগো কথা শোন ক্যান বাজান ? এখন খাব। তুমি তো ভালো হইয়া উঠছ বাপ আমার।’
পানি খাইয়ে আচলে মুখ মুছিয়ে মা তাকে ভালো করে শুইয়ে দেন। বলেন, ‘এবার একটু
ঘুম যাও - শরীর ভালা হইয়া যাব। আজ শুককুর বার তোমার আব্বা আসবেন ?’
আব্বার কথায় খোকার দুচোখ চঞ্চল হয়ে ওঠে। জিজ্ঞেস করে ‘আর কতখনে আসবে মা?’
মেজ বুজি বলে, ‘তুই এখন ঘুম যা ভাই। আব্বার আসতে সাঁঝ হয়ে যাবে। বাইরে বৃষ্টি হচ্ছে।’
মা সবাইকে ডেকে নিয়ে গেল। তারা আর আমেনা থাকলো। খোকা তাদের দিকে তাকিয়ে
বলে, ‘বাইরে খুব বৃষ্টি হচ্ছে না রে ? আব্বার খুব কষ্ট হবে আসতে। তোরা
দুজন হ্যারিকেন আর ছাতা নিয়ে দাঁড়ায়ে থাকিস। আমি তো আজ থাকতে পারব না।
আব্বার যেন কোনও কষ্ট না হয়।’
তারা বলে ‘তুমি চিন্তা করো না মিয়াভাই। বৃষ্টি হয়তো থাইমা যাইতে পারে।’
খোকা বলে, ‘নারে তারা। শ্রাবণ মাসের শেষ এখন। বিষ্টি এখন সহজে থামে না।’
তারা খোকার মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে থাকে। খোকার হাতটা ধরে বসে থাকে। খোকা জিজ্ঞেস করে, ‘মা খুব কাঁদছে না রে?’
তারা বলে, ‘কাঁদবো না? তোমার কিছু হলে মামী তো চিক্কুর পাইরা কান্দে। কাল
বিকাল থেকে তোমার কাছে বইসা আছে। রাতে যখন খুব জ্বর আসলো বালতি করে পানি
এনে মাথায় ঢালছে। আইজ জ্বর না কমলে তো কবরেজ চাচা আসতো।’ খোকা হাসে। বলে,
‘কবরেজ চাচার ওষুধ আমি খাইতে পারি না বলেই তো জ্বর নেমেছে।’
মাথা ব্যাথাটা এখনও যায়নি। পাশ ফিরে খোলা দরোজা দিয়ে বাইরেটা দেখতে পায়।
বৃষ্টির শব্দ অনেক হালকা হয়ে আসছে। জবা ফুল ফুটে আছে। ভেজা সবুজ পাতা দেখতে
কত সুন্দর। ভুলুটা বারান্দায় গুটিশুটি মেরে শুয়ে আছে। ওকে কী কেউ খেতে
দিয়েছে? খোকার হাতে ছাড়া আর কারুর হাতেই খেতে চায় না। বৃষ্টির জন্য বাইরে
ঘুরতেও পারেনি বেচারা। আর সেই বোঁচা বানরটা নিশ্চয় পাকঘরের কোনায় পড়ে আছে।
বৃষ্টিতে সেওতো কোথাও যেতে পারে নাই নিশ্চয়।
বৃষ্টিটা ভালোই নেমেছে। চারদিক কেমন অন্ধকারের ছায়া। ঘরের পেছনে চলাচলের
রাস্তাটায় বন্যার পানি জমেছে বলেই মানুষ কম, সাইকেলের ঘন্টি নেই। একটা
নৌকা গেলো। কাজী বাড়ির বড় নানা যাচ্ছে মনে হলো। বন্যার পানি যখন জমেছে তখন
কদিন থাকবে। সেই ভাদ্র’র মাঝামাঝিতে নেমে যেতে পারে। এতোদিন স্কুল বন্ধ,
মাঠের কাজ নাই, হাট-বাজারও বসবে কোথায়? মানুষের যাতায়াতে কষ্ট হবে। কাজ না
থাকলে তো ঘরে বসে থাকতে হবে। খাবে কী? নদী খাল-বিল ভাসিয়ে ঘরে ঘরে পানি
ঢুকে পড়ে - এটা তো বড় কষ্টের।
কাঁথাটা আবারও গায়ে টেনেটুনে খোকা ঘুমিয়ে যায়। জ্বরটা একেবারে যায়নি। মাথা
শুধু নয় হাত পাও বেশ ব্যথা করছে। ও ঘরে নাসের কেঁদেই চলেছে। মা, বুজি কী
শুনছে না? তাহলে কোলে নিচ্ছে না কেন। কোথাও বুঝি কাঠঠোকরা ডাকছে ঠুন ঠুন
ঠুন শব্দ তুলে। খোকার চোখে ঘুম নেমে এলো।
‘ও খোকা, খোকা.... বাজান আমার... সোনা আমার.... লক্ষী আমার ওঠো বাবা। ...
মানিক আমার ধন আমার, বাজান আমার.... তাকাও বাবা, দেখো তোমার আব্বা আসছেন।
চোখ মেলো বাবা ....।’
খোকা পাশ ফিরে ঘুমিয়েই থাকে। বড় ক্লান্তি তাকে ঘিরে ধরেছে। আজ শুধু ঘুমিয়েই থাকতে ইচ্ছে করছে তার।
‘ও বাপধন ওঠো বাবা।.... তোমার আব্বা আসছেন।..... ওঠো বাবা। .... দ্যাখো
তোমার জন্য কি আনছেন। ও খোকা, সোনা আমার .... চাঁদের কণা আমার। বীর
বাহাদুর আমার। ... ওঠো বাবাজান আমার । ...’ বুজি মায়ের পিঠে হাত রেখে বলে,
‘ও মা খোকা তো ঘুমায়া আছে। থাক আর ডাকবা না। ঘুম শেষ হলেই নিজেই উঠবে নে।
ঘুমা ভাইডি।’
বুজি তার গায় কাঁথাটা ভালো করে জড়িয়ে দেয়। কপালে হাত বুলিয়ে বলে, ‘ও মা, জ্বর তো অনেক নেমেছে মা। এক্কেরে গেলেই খোকার ঘুম ভাঙ্গবে।’
আব্বা বসে বসে দেখছেন খোকাকে। সেই দিনের আলো মোছার আগেই এসেছেন।
বললেন “আককাসকে পাঠিয়ে তুমি ভালো করেছিলে সায়েরা। এতো বৃষ্টি দেখে ভাবছিলাম এ হপ্তায় আসব না।’
মা বললেন, ‘খোকার এমন জ্বর। আবার পানিতে পড়িছে, তাই চিন্তা করে পাঠালাম।
জ্বর হইলে খোকা আবার বার্লি, বিস্কুট, বেদানা খাইতে চায়। ঘরে তো কিছু নাই।
বানের পানিতে বাজারও বসে না কদিন।’
বাবা বললেন, ‘আর খোকাকে এখানে রাখব না। আমার কাছে গোপালগঞ্জ নিয়া রাখুম।
সেখানে স্কুলে ভর্তি করায়ে দেব। গ্রামে থাকলে ও নিজের স্বাধীন মতো চলে।’
মা চিন্তিত হয়ে বলেন, ‘ওকে শহরে নিয়ে যাবেন? আমি থাকুম কেমনে খোকারে ছাড়া।
ওরে খাওয়াবে কে? আমার রান্না ছাড়া তো ও খাইতেই চায় না। না, না, আপনি ওরে
নিয়া যাবেন না।’ মা একেবারে কাঁদতে শুরু করে।
বাবা বলেন, ‘অভ্যাস করতে হবে খোকারে ছাইড়া থাকতে। খোকা এখন বড় হচ্ছে। ওর
লেখাপড়ায় মনোযোগী হওয়া দরকার। ওকে তো বড় হতে হবে। অনেক বড় হবে আমার খোকা।
তোমার বাপজান ওর জন্মের সময় নাম রেখে বলছিলেন না খোকার জগৎ জোড়া নাম হবে।’
মা তবুও কাঁদতে থাকে, ‘খোকাকে ছাইড়ে আমি থাকুম না।’
বুজি মাকে সান্তনা দেয়। বলে, ‘কাঁদো কেন মা ? শহর তো কাছেই। বাবার সঙ্গে প্রায় হপ্তায় আসবো নে।’
বাবা বললেন, ‘বেশ তো তোমরা সবাই চলো।’
মা বলে ওঠেন, ‘ও মা তাই হয় নাকি। ঘর খালি থুয়ে সবাই যামু কেমনে? ঘরে
সাঁঝবেলা বাতি দেবে কে? ফকির আসলে ভিক্ষা না নিয়া চলি যাবে। আমি বাড়ি ছাইড়া
যামু না।’
বাবা বললেন, ‘তুমি জেদ করে কথা বললে তো হবে না। আমার ছেলের ভবিষ্যৎ চিন্তা করেই
ওকে নিয়ে যেতে হবে। এখানে পড়ে থাকলে ও পৃথিবীটা চিনবে কি করে ? মানুষকে জানবে কী ভাবে।’
বাইরে তখন বৃষ্টি থেমে গেছে। রাত নেমেছে গভীর অন্ধকার নিয়ে। আকাশ
মেঘাচ্ছন্ন। খোকার ঘুম ভাঙ্গে। দু’হাত দুপাশে ছড়িয়ে হাই তোলে। জ্বর হালকা
থাকলেও মাথা ব্যথাটা আছেই।
মাকে কাছে না দেখে ডাকে ‘ও মা তুমি কই ?’ মা পাশের ঘর থেকে ছুটে আসেন।
বলেন, ‘কী হয়েছে বাপধন। ক্ষিধা লাগছে খুব, না?’ খোকার কপালে চুমু খান।
হ্যারিকেনের আবছা আলোয় আব্বাকে হঠাৎ দেখে খোকা খুব খুশি হয়।
উঠে বসে বলে, ‘আব্বা কখন আসলেন’? আব্বা কাছে এসে তাকে জড়িয়ে ধরেন। মা
দু’জনকে রেখে বেরিয়ে যান খোকার জন্য খাবার আনতে। বাবাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে
থাকে খোকা।
‘আব্বা আপনি কখন আসলেন? আমার জ্বরের জন্য আজ ঘাটে যেতে পারি নাই। আপনার কষ্ট হয় নাই তো।’
আব্বা খোকাকে আদর করতে করতে বলেন, ‘আমি সব শুনেছি। তুমি পানিতে পড়ে গিয়েছিলে। জ্বরে কাহিল হয়ে গেছ একেবারে।’
মা খাবার নিয়ে ঘরে ঢুকলেন। দুধভাত, চাঁপা কলা দিয়ে মাখানো। মা তাকে খাইয়ে
দিলেন। আব্বা বাইরে বারান্দায় গিয়ে পায়চারি করতে লাগলেন। আব্বার কথা শুনেই
খোকা বুঝে গেছে তিনি খুব চিন্তিত। আব্বা কখনও তার ওপর রাগ করতে পারেন না।
বকা ঝকাও দিতে পারেন না। তবে কোন আদেশ নির্দেশ দিলে খোকা চুপচাপ শুনে যায়।
কোন উত্তর দেয় না। মায়ের কোলের কাছে বসে খোকা দুধভাত খায়। মা কত কথা বলে।
সে কোন উত্তর দেয় না।
রাতে আব্বা তার কাছে শুয়ে থাকলেন। কত উপদেশ দিলেন। শহরের গল্প শোনালেন।
সাহেব পুলিশরা ঘোড়ায় চড়ে ঘুরে বেড়ায়। কোথাও গোলমাল হলে চাবুক দিয়ে মারে।
তাদের বাড়ির পেছনে একটা বড় দিঘি আছে যেখানে সারাবছর লাল-সাদা শাপলা ফোটে।
দিঘির মাছ খুব মিষ্টি।
সকালে ঘুম ভাঙ্গতেই খোকা দেখে আব্বা উঠে গেছেন। সে কাঁথা সরিয়ে উঠে বসে।
তারপর পাশের ঘরে ঢুকে দেখে বিছানায় নাসের ঘুমুচ্ছে। তার পাশে ছোট বোন হেলেন
ঘুমিয়ে আছে।
খোকা ঘর ছেড়ে বারান্দায় আসে। বৃষ্টি নেই। রোদদুরও নেই। সূর্য ওঠেনি। একদল
চড়–ই বরই গাছটায় খুব হৈ চৈ করছে। উঠোনে বন্যার পানি ঢুকেছে। তার ওপর বাঁশ
বসিয়ে পাকঘর ও পায়খানায় যাবার ব্যবস্থা করা হয়েছে। খোকা মাকে ডাকে। পাকঘর
থেকে মাইজ্যা বুজি আগে বের হয়ে আসে।
দুপুর বেলা খাওয়া দাওয়া শেষ হলে মা কীসব গোছগাছ করতে থাকে। খোকা দেখে তার
কাপড় চোপড়ও গোছান হচ্ছে। আব্বা বললেন, ‘খোকা তুমি কাল সকালে আমার সঙ্গে
যাচ্ছ।’
খোকা আবাক হয়। বাবার হাত ধরে জিজ্ঞেস করে ‘আমি, আমি কেন যাবো ?’
বাবা বলেন, ‘এখন থেকে তুমি আমার কাছে থেকে লেখাপড়া করবে। ’
খোকা জিজ্ঞেস করে ‘আর মা। মা যাবে না? আমি মায়ের কাছে থাকবো আব্বা।’
বাবা বলেন, ‘আর কোনও কথা নয় খোকা। তুমি আমার সঙ্গে কাল যাচ্ছ।’
খোকা মা’কে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে থাকে, ‘তোমাকে রেখে আমি যাবো না মা। তোমাকে
ছেড়ে আমি থাকতে পারবো না।’ মা কোনও উত্তর দেন না। কিন্তু তার চোখ দু’টোও
জলে ভেসে যাচ্ছে। সে রাতে আব্বা তাকে অনেক বোঝালেন। বললেন, ‘লেখাপড়ার জন্য
কত ছেলে শহরে যায়। কলকাতায় যায়। তুমিও একদিন বড় হয়ে কলকাতা পড়তে যাবে।
তোমাকে তো অনেক বড় হতে হবে বাবা।’
খোকা মন খারাপ করা একটা কষ্ট পায়। এই টুঙ্গিপাড়া গ্রাম, মা ও অন্য
আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, ভুলু, গাছ পালা, উঠোনের বরই গাছ, বড় দিঘির সেই
মাছরাঙ্গা পাখিটা, স্কুলের খেলার মাঠ, পাটগাতি নদীর ঘাটের নৌকাগুলো, বোঁচা
বানরটা, খাল আর বাইগার নদী সব ছেড়ে যেতে হবে। সেই অচেনা - অজানা শহরে
মাঠ-ঘাট - গাছপালা - মানুষগুলো কেমন হবে? তারাও কি তাকে ভালোবাসবে!
এই টুঙ্গিপাড়ার বাতাস সে বুক ভরে নিয়েছে। এখানকার মানুষ তাকে কত ভালোবাসে।
সব ছেড়ে যেতে হবে। খোকা রাতে বাবার কাছে শোয়। বাবা তার মাথায় হাত বুলিয়ে
দেন। বাবার গলা জড়িয়ে ধরে না শুলে তার তো ঘুমই আসে না। ঘুমুনোর আগে নিজের
মনের সঙ্গে কথা বলে খোকা, এই টুঙ্গিপাড়া আমার জননী জন্মভূমি। আজ শহরে গিয়ে
লেখাপড়া করলেও আমি তার কাছে বার বার ফিরে আসবো। এই টুঙ্গিপাড়ার মানুষ আমার
আত্মীয়। আমি তাদের দু:খ কষ্ট অভাব মুছে দেবো। আমি সারাজীবন বাঙালি হয়ে
থাকবো। আমি এই টুঙ্গিপাড়ার মাটির গভীরে একদিন মিশে যাব। পৃথিবীর আর কোথাও
গিয়ে আমি শান্তি পাবো না।
পরদিন সকালে বাবার বজরা নৌকাটা ঠিক ঠাক করা হলো। মা খাবার রান্না করে দিলেন
পথে খাবার জন্য। বাবা তাড়া দিয়ে নৌকায় উঠতে গেলেন। মা’কে জড়িয়ে ধরে খোকা
হাউমাউ করে কাঁদতে থাকে।
বলে “মাগো, তোমাকে ছেড়ে কোথাও যাই নি। কোথাও থাকিনি। বলো কেমন করে থাকবো মা।”
ছোট ফুফু, মেজ বুজি সবাই তাকে সান্তনা দিতে থাকে। “কাইন্দো না। মাকে দেখতেই
আসবা। গোপালগঞ্জে তোমার আব্বার সঙ্গে থাকবা। কোন চিন্তা কইরো না।” আক্কাস
কাঁদতে কাঁদতে তার হাত ধরে টেনে নিয়ে চলে ঘাটে বজরায় তুলতে। আককাসও সঙ্গে
যাবে। ভুলু আর বোঁচা বানরটাও চলেছে সবার সঙ্গে। তাদের মাথায় হাত বুলিয়ে
বলে, “তোমরা ভালো হয়ে থেকো। হেলেন তোমাদের দেখাশোনা করবে। তোমাদের খাওয়াবে।
একবারে মন খারাপ করবে না। আমি ঠিক ছুটির সময় চলে আসব। এ্যাই হেলেন তোর
দায়িত্বে ওরা থাকবে। কোনো চিন্তা করবি না। আমি লেখাপড়া করে যখন বড় হবো তখন
তোর সব পাওনা শোধ করে দেবো।”
খোকা চোখ মুছতে মুছতে ফিরে ফিরে তাকায়। মা, ছোট ফুপু, মেজ বুজি বড় উঠোন
পর্যন্ত এলো। মায়ের কোলে নাসের। চোখ মেলে যেন বড়ভাইকে দেখছে। খোকা তাকে আদর
করে চুমু খায়। মা খোকাকে জড়িয়ে ধরেন। তার কপালে চুমু খেয়ে আদরে ভরিয়ে
দিলেন। বুকে জড়িয়ে ধরলেন মমতায়। মাইজা বুজি তার গায় হাত বুলিয়ে দিলো। তারাও
কাঁদছিল আর সব সঙ্গীদের সঙ্গে। পাশের বাড়ির চাচারা চাচীরা সবাই এলন। ওরা
ঘাট পর্যন্ত এলো বন্যার পানিতে হেঁটে হেঁটে। ঘাটে এসে সোজা বজরায় উঠে খোকা
ভেতরে গিয়ে বসে। আর পিছু ফিরে দেখতে ইচ্ছে হলো না। বাবা শুয়ে আছেন। বেশ
ছোট্ট বজরা নৌকা। মাঝি দু’জন। ছেড়ে দিতেই তর তর করে ছুটে চললো।
আকাশে তখন সূর্য উঠেছে। তার আলোয় চারদিক আলোকিত। গাছপালা পাতার ফাঁক দিয়ে
সেই আলোর চমক ছড়িয়ে পড়েছে। বর্ষার দিনে সূর্য উঠলে চারদিক কেমন সুন্দর হয়ে
ওঠে। খোকা বসে বসে এইসব দৃশ্য দেখছিল। বাবা তাকে কাছে টেনে কোলে বসান।
বুকের মধ্যে জড়িয়ে ধরেন। গালের সঙ্গে গাল মিলিয়ে বলেন, ‘আমার খোকা বড়
লক্ষীছেলে। খোকার মন খুব ভালো। লেখাপড়া করে খোকা একদিন বড় হবে। দেশের জন্য
কাজ করবে। মানুষের সেবা করবে।”
খোকা কিছুক্ষণ চুপচাপ থাকে। তারপর বাবার বুকে মুখ লুকিয়ে কাঁদতে কাঁদতে বলে
‘তারপর একদিন টুঙ্গিপাড়া ফিরে আসবো। আর কোথাও যাবো না। কোথাও না।’
১৭.৩.২০১১
- বাবার মুখে হাসির জন্য - বিএম বরকতউল্লাহ্
- বাবা - হুমায়ূন কবীর ঢালী
- হেস্কু - মাহফুজুর রহমান
- বুদ্ধি - সাদিয়া ইসলাম বৃষ্টি
- নজরুল ও জুটুর গল্প - রহীম শাহ
- মেয়েটি মাকড়সা হয়ে গেল - কাজী কেয়া
- কাজলকাকা ভূত নয় - ইমতিয়ার শামীম
- অর্পণের মা - আলী হাবিব
- রাশিয়ান রূপকথা: ধপাস ভালুক - রহীম শাহ
- মুখোশ রহস্য - আহমেদ রিয়াজ
- মুরগী ছানা তিতি - আরিফুন নেছা সুখী
- অহংকারী রাজকন্যা - বিএম বরকতউল্লাহ
- পুতুল ভূত - রানা জামান
- রাখাল ও জাদুর আম গাছ - হুমায়ুন কবীর ঢালী
- দুষ্টু ছানাদের গল্প - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- তুতুন - আল নাহিয়ান
- সাইকেল বাবু - লিটন মহন্ত
- রূপকথা নীল পূর্ণিমার সোমেশ্বরী - রবীন ভাবুক
- পরীরাণী - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- সাদাসোনা মেঘ, নীল ঘুড়ি আর খোলা মাঠে একা ছেলেটা - নূর সিদ্দিকী
- অন্ধকারের এক রহস্যমানুষ আর রাজহাঁস - মিন্টু হোসেন
- চকোলেট দৌড় - সোহানা রহমান
- স্কুলপড়ুয়া পাখি, প্রজাপতি আর ছড়া - মেহেরুবা নিশা
- গরুর ঘায়ে! - আহমেদ রিয়াজ
-
ঝুমি ও একটি কুকুর -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
উপন্যাস: পিশাচ-কন্যা -
সামান্থা লি
রূপান্তর: অনীশ দাস অপু - অক্স ও বুল (সায়েন্স ফিকশন গল্প) - আবুল কালাম আজাদ
- আমি ভূত - সোহানা রহমান
- সবুজ মাঠ - শিবলী নোমান
- মন্দ মানুষ - চন্দন চৌধুরী
- ঈদে মুক্তির আনন্দ - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- জোনাকিদের গ্রহে ভয়েজার ১ - মিন্টু হোসেন
- তর্ক-বিতর্ক - পাভেল মহিতুল আলম
- খরচি মামার সাইকেল - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
- লাল জামা - বিএম বরকতউল্লাহ্
- আমার বন্ধু ডোরেমন - আহমেদ রিয়াজ
-
অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস অজানা দ্বীপে অভিযান -
মূল : এডগার অ্যালান পো
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- ঢেউয়ের বন্ধুরা - নূর সিদ্দিকী
- ভাষা - জাহিদুল আলম
- বর্ণান্ধ - মারিয়া হোসেন
- ভূতের সঙ্গে আড়ি - মুহসীন মোসাদ্দেক
- নরহরি দাস - উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
- কাকদের পুরীষ উৎসব! - মহিউদ্দীন আহ্মেদ
- সে সত্যিই ছিল একটা বাচ্চা পরি - মেহেরুবা নিশা
-
মেঘকন্যা আর টুনটুনিছানা -
বিএম বরকতউল্লাহ্
- নবম মাত্রার গোবট - ধ্রুব নীল
-
পরী এবং পরিবেশ -
মাহাবুবুল হাসান নীরু
- দুঃখী বুড়ি ও নেংটি ইঁদুর - বিএম বরকতউল্লাহ্
- ভালো 'মন খারাপ' - চন্দন চৌধুরী
- রকির চাওয়া - জুবায়ের হুসাইন
- মৌমাছি ও কাঠুরিয়া - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- ফিরে দেখা - রবীন ভাবুক
- মতির মাথায় গাব - ধ্রুব নীল
- প্রজাপতি হবো - এনায়েত রসুল
- চাঁদনি-হালুয়া - সঞ্চারিণী
- জলে কোলাহল - চন্দন চৌধুরী
- এক টুকরো মেঘ ও দুঃখী গাছ - বিএম বরকতউল্লাহ
- আমার রোবট 'রবি' - মোঃ মিন্টু হোসেন
- কত আটায় কত রুটি - আবুল কালাম আজাদ
- আংটি - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- শহরে একদিন - আহমেদ রিয়াজ
- পল্টুর বন্ধু - আহসান হাবীব
-
হরর গল্প -
মিস্ট্রেস স্যারি মূল : উইলিয়াম টেন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- নিলেশের অন্য ভূবন - আফরোজা অদিতি
- ভাষার খোঁজে নেপালে - সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ
- গিফট - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- ভূত শিকার - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
-
ডানাকাটা পাখি ও সীম বীজ -
চন্দন চৌধুরী
- গোয়েন্দা মেনু'দা - রবীন ভাবুক
- তিনা আর লাল গোলাপ - আফরোজা অদিতি
- পরীটি কি জাদু জানে - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- আরকনির রুমাল - মোঃ মিন্টু হোসেন
- পুষ্পিতার ঈদ - আফরোজা আদিতি
- হাতির ডিম - আহমেদ রিয়াজ
- কঙ্ক - শুভ অংকুর
- বিন্নির খুশি - এনায়েত রসুল
- প্রান্ত ও তার এ্যাডনোক্সিয়ান বন্ধু (সায়েন্স ফিকশান) - আবুল কালাম আজাদ
- এক যে ছিলো রাসেল - বেবী মওদুদ
- আতঙ্কের প্রহর [রহস্য গল্প] - অনীশ দাস অপু
- ঈদ শপিং - আহসান হাবীব
- উপন্যাস- আলিবাবা ও চালিচার - শিবব্রত বর্মন
- মৌমাছি - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
- সূত্রধর স্যার - জাহিদুল আলম
-
কোনো এক অমাবস্যার রাতে -
আহমেদ রিয়াজ
- বিজ্ঞানী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গড়ে আটকা এক নেকড়ে - মোঃ মিন্টু হোসেন
- প্রজাপতি - এনায়েত রসুল
- পরী এসেছিল - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- বিচ্ছু ভাগনের কাণ্ড - জাহিদুল আলম
- নিশান আর ব্ল্যাকহোল - আফরোজা অদিতি
- পরীর বন্ধু অহনা - এনায়েত রসুল
-
স্যারের বিপদ -
জাহিদুল আলম
-
নতুন স্যার -
আবুল কালাম আজাদ
-
মিকাই-এর বাঘের ছানা -
মিন্টু হোসেন
-
আলুভর্তা -
জান্নি রোদারি
অনুবাদ: জামিল বিন সিদ্দিক -
বেকার আয়না -
জাহিদুল আলম
-
একদিন রাতে ধবধবে বিড়ালটা -
আহমেদ রিয়াজ
- অবাক বইপাঠ - মুনির রানা
- জোকার - শিবব্রত বর্মন
- ইঁদুরের ভোজ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ভৌতিকবাড়ি - অনীশ দাস অপু
- মেলায় মাঠে পিউস - আফরোজা অদিতি
-
মিস্ট্রেস স্যারি -
মূল : উইলিয়াম টেন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
ভয়ঙ্কর এক লোক -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
তেরো তলা -
মূল : ডন উলফসনে
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
টুঙ্গিপাড়ার খোকা -
বেবী মওদুদ
-
রাতের আতঙ্ক -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
বৃক্ষপরী টিয়া -
আফরোজা অদিতি
-
গেকো -
অনীশ দাস অপু
-
ময়না -
আফরোজা অদিতি
-
রাজকন্যা মাঈশা আর বলঢাঁশের গল্প -
আশরাফুল ইসলাম সাগর
-
শেয়াল দেবতার প্রতিহিংসা -
মূল : রবার্ট ব্লচ
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু - ফার্স্ট হওয়ার ঝামেলা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- শূন্যে ডানা মেলে - এনায়েত রসুল
-
একটু উষ্ণতার জন্য -
মূল : হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান এন্ডারসন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
শামন্তীর শীতবেলা -
মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
রাতের অতিথি -
আহমেদ রিয়াজ
- চৈতি আপু - ইমদাদুল হক মিলন
- তেতুল গাছ - আহসান হাবীব
- টুশির গল্প - বেবী মওদুদ
- চড়ুই পাখিদের ঘরের ঘটনা - ধ্রুব এষ
- বিলাই মা বিলাই ছা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- এক শিশি আলতা - এনায়েত রসুল
- কুলরাজা কুলরাণী - শাশ্বত ভট্টাচার্য
- ছায়ার মানুষ - আহমেদ রিয়াজ
- আলতা কন্যার জন্মদিন - মারুফ রেহমান।
- লেজ উঁচিয়ে - আহমেদ রিয়াজ
- ভৌতিক গল্প : থাবা - অনীশ দাস অপু
- রাজার ঈগল পাখি (কম্বোডিয়ার লোককাহিনী) - অনুবাদ: মৃত্যুঞ্জয় রায়
- আকাশ ছুঁয়ে উড়বো - এনায়েত রসুল
- আবু আর বাবু - বেবী মওদুদ
-
ভূতুড়ে বানর -
মূল : স্টিফেন কিং
অনুবাদ : অনীশ দাস অপু - কার ছবি - ইমদাদুল হক মিলন
- ঝন্টু মন্টুর দাদি - আহসান হাবীব
- সন্ধ্যার বিচিত্র ঘটনা - ধ্রুব এষ
-
তিন রাজপুত্র -
অনুবাদ : শিবব্রত বর্মন
মূল গল্প: আইজাক আসিমভ - নওরিনের স্কুল - এনায়েত রসুল
- বংশী নদীর ঘটনা - হামিদ কায়সার
- মাকড়সার চন্দ্র ভ্রমণ - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- ইঁদুর সাহেবার হলিডে - মিজানুর খান
- জাদুর ঢোল - আহমেদ রিয়াজ
- ক্যামডেন কিলার - অনীশ দাস অপু
- পরীর দেশে - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- পিঁপড়ে যখন হাতির বন্ধু - আহমেদ রিয়াজ
- সাগর পরী - মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
বৃষ্টি তুমি এসো না -
অনীশ দাশ অপু
মূল রচনা: আইজাক আসিমভ - ঝমঝমে আষাঢ়ে - আহমেদ রিয়াজ
-
ভৌতিক হাত -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প: কার্ল জ্যাকবির ‘দ্য হ্যান্ড’ -
বাবার জন্য ভালোবাসা -
মুহাম্মদ নাহিয়ান বিন খালেদ
- সেন্টমার্টিনে বাবার সাথে - জারিন তাসনিম অতসী
-
ভৌতিক ঘুড়ি -
অনীশ দাস অপু
মূল: কার্ল জ্যাকবি’র ‘দ্যা কাইট’ - ফুটবল প্রেমিক - রাশেদ শাওন
- ঘটনাটা সত্য - এনায়েত রসুল
- ভুতুড়ে বাড়ি - অনীশ দাস অপু
- ইচ্ছাপূরণ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- মায়ের কাছে ফেরা - বেবী মওদুদ
- স্বপ্ন - শিবব্রত বর্মন
- মেলায় যাবো - এনায়েত রসুল
- কুমড়ো দানব - অনীশ দাস অপু
- আসলে ছবিটা মেঘের - ধ্রুব এষ
- কাশেম আলী গরু চরাতো - আনিসুল হক
-
অদৃশ্য শত্রু -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প : ফিলিপ কে. ডিক - জাদুকর - সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল
-
জানের দুশমন -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প : হেনরি কুটনার - ভালোবাসার সবুজ গাছ - ইমরুল ইউসুফ
- বড়দিনের রাতে - অনীশ দাস অপু
- দেহহীন - শিবব্রত বর্মন
- নীলুর নীল চশমা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- রহস্যভেদী - রকিব হাসান
- দুষ্টু বিড়াল - অনীশ দাস অপু
- অপেক্ষা - মোস্তফা মামুন
- ঈশানপুরের অপুর কান্ড - সুমন কায়সার
- রাজা যখন গাছে - আহমেদ রিয়াজ
- অন্যরকম ভালোলাগা - শুভ অংকুর
- পৃথিবীর জন্য ভালোবাসা (সায়েন্স ফিকশন) - শুভ অংকুর
- কিং মিঠু - মোস্তফা মামুন
- প্রেতাত্মা - অনীশ দাস অপু
- রোবট - আনিসুল হক
- চতুর্দশতম/চৌদ্দ - নঈম তারিক
- জিকুর স্বপ্ন - আহসান হাবীব
- চোর - রকিব হাসান
- ছায়াহীন - শিবব্রত বর্মন
- ঈদের আগের রাত - মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
মেরু ভালুকদের রাজা -
মূল : ফ্রাঙ্ক বাউম
ভাষান্তর : বিদ্যুত - গাধার টুপি - আহমেদ ফারুক
- আলসে বালক আর গরুর গল্প - মো. গোলাম রহমান
- অতি চালাকির সাজা! - এনায়েত রসুল
- মাছরাঙা আর রূপোর চামুচ - মোস্তফা হোসেইন
- হাবা রাকিবের কাণ্ড - মারুফ রেহমান
- বিড়ালের বন্ধুত্ব - রূপান্তর : আবুল বাসার
- গণেশ চ্যাটার্জি আর তার কালো কুকুর - নাফে মোহাম্মদ এনাম
- শিউ-পিউর বন্ধু তানতুলু - নূর সিদ্দিকী
- মেছোভূত - ইকবাল খন্দকার
- অ্যারোসল ভূত - শাকিল ফারুক
- পাঠশালা - আহমেদ রিয়াজ
- যুদ্ধের গল্প - ফরহাদ সাফায়েতুল কবীর
- বোকাতু - আরিফ হাসান
- রূপকথার ইলিশ - অর্জিতা মাধুর্য
- সীনের বাবা সীনের মা - আহমেদ রিয়াজ
- চাঁদ - পান্থ বিহোস
- মায়ের ভাষা - মুহাম্মদ মুনতাসির আলী
- জিন্নাহ'র না জানা গল্প - আহমেদ রিয়াজ
- ঘুম পাহাড়ের আজব পাখি - আ হ মে দ ফা রু ক
- উপহাস - আহমেদ রিয়াজ
-
ড্রাগনের যম ইভান -
মূল : ভ্লাদিমির বাইকো
অনুবাদ: হাসান খুরশীদ রুমি - টিনা আপুর জাদুর কাঠি - এনায়েত রসুল
- তারা পড়তে দেখলে - ধ্রুব এষ
- বাঘ-সিংহের গল্প - আহমেদ রিয়াজ
-
লুকোচুরি -
নিকোলাই নসভ
অনুবাদ: হাসান খুরশীদ রুমী - রহস্যময় কিশোর যোদ্ধা - আহমেদ রিয়াজ
- অদ্ভূতুড়ে কিন্তু ভূতুড়ে নয় - বিজয় মজুমদার
- তিন ভূতুড়ে - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- মরগানস উডসের ভূত - অনীশ দাস অপু
- মহাকাশে সু ভূতের অভিযান - বিধান রিবেরু
- জামাটা কোথায় গেল - আহমেদ রিয়াজ
- মি. হাকলি - নূর সিদ্দিকী
- বুলেট ভাইয়ের হাইজাম্প - মোস্তফা মামুন
-
একা কবরস্থানে -
মূল : অ্যালভিন শোয়ার্জ
অনুবাদ : হাসান খুরশীদ রুমী - তৈল মর্দন - সজ্জাদ কবীর
- ঝিন্টু - মানিক চন্দ্র দাস
- রবীন-মাহিনের মুক্তি... - আহসান হাবীব
- মামার ঘড়ি - পান্থ বিহোস
- তৃষার ভালো লাগা - এনায়েত রসুল
- খরগোশের টাকা চাষ - ভাষান্তর- মৃত্যুঞ্জয় রায়
- ঈদের চাঁদ - আশীষ চক্রবর্ত্তী
-
স্টোরিটেলার -
নিকোলাই নসভ
রূপান্তর : হাসান খুরশীদ রুমী - একটা গাছের চারা - আশরাফুল আলম পিনটু
- পাহাড় যখন সরে যায় - আমীরুল ইসলাম
- ঝিম দুপুরের গল্প - শাকিল ফারুক
- জেলে আর সোনার মাছ - রহীম শাহ
- কুয়োর ব্যাঙের সমুদ্র যাত্রা - বিজয় মজুমদার
- পুতুল - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
-
হানাবাড়ির উন্মাদ -
মূল : ইলেন এ. কিউল
অনুবাদ : অনীশ দাস অপু - চ্যালেঞ্জ! - রকিব হাসান
- রাজা এলেন - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- চুরি বিদ্যা বড়ো বিদ্যা - মোস্তফা মামুন
- আসলে কী ঘটেছিল - ইমদাদুল হক মিলন
- শিয়াল রাজার সাজা - এনায়েত রসুল
- রূপোলি রেণু - আলী ইমাম
- প্যালিনড্রোমিক ফর্ক... - আহসান হাবীব
- ঘড়ি উদ্ধার - আহমেদ রিয়াজ
- অপু আর তপু - আশরাফুল আলম পিন্টু
- সাদা মেঘ ও কাশফুলেরা - আহমেদ রিয়াজ
- মনের ভয় - ফাতেমা ফেরদৌস (পিংকি)
- চাঁদের বন্ধু খরগোশ - রেহানা পারভীন রুমা
- দুষ্টু টুলু - এনায়েত রসুল
- রেডিও - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- ঠাকুরমার ঝুলি এবং ইবু - আহমেদ ফারুক
- আষাঢ়ে হাতি ও রাজার গল্প - আহমেদ রিয়াজ
- সুন্দর - মঈনুল আহসান সাবের
-
ছোট্ট তুষারমানব -
কোরিয়ার রূপকথা
রূপান্তর : মো. গোলাম রহমান - ঘুপুর বন্ধু টুনু আর চি - এনায়েত রসুল
- এটা আমার বাবার গল্প, মায়েরও - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- চাষা ও তার গরু - আহমেদ রিয়াজ
- সহকারী গোয়েন্দা - মোস্তফা মামুন
- লাল বেলুন - আমীরুল ইসলাম
- ডান-বাম - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
-
শেষ যাত্রা -
মূল : কার্ল জ্যাকবি
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু - লিটুর ঘুম আসে না - মোস্তফা মামুন
- ভূতটা খোলা মাঠে একা শুয়ে আছে - আহমেদ রিয়াজ
- কিসমতের বিচার - হুমায়ূন কবীর ঢালী
- নিপুর আশ্রয় - এনায়েত রসুল
- দুই ভূতের কান্ড - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
কান্নার দাগ -
আফ্রিকার রূপকথা
রূপান্তর : আবুল বাসার - নূরী ও পরী - আহমেদ রিয়াজ
-
প্রকৃতি কন্যার দোলনা ঘর -
শোহেইল মতাহির চৌধুরী
- ছোট্ট জাদু-নুড়ি - আমীরুল ইসলাম
- জাদুর আয়না - রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- বিন্নির খুশি - এনায়েত রসুল
- ঘুম পাহাড়ের আজব পাখি - আহমেদ ফারুক







