মুনির রানা
বাবার একটা মজার আর্কাইভ আছে। কতোরকম জিনিস যে আছে তাতে। অ্যালুমিনিয়ামের চামচ, কাঁচের কাপ (এতে করে নাকি আগে লোকে একরকম পানীয় খেতো), মোমবাতি (লম্বা মতো একটা জিনিস, বিদ্যুৎ চলে গেলে (!) নাকি এটা জ্বালিয়ে রাতের অন্ধকার দুর করার চেষ্টা করা হতো) আরো অনেক জিনিস। তবে আমার আগ্রহটা যে জিনিসে সেটি হলো বই। দুই পিঠে লেখা এমন কিছু কাগজকে একত্র করে এ বই বানানো হতো। আগের দিনে মানুষ নাকি বই পড়ে জ্ঞানী হতো। ২৩শ বা ২৪শ সালেরও বেশ কিছু পুরনো বইও আছে বাবার কাছে। বাবা বলেন এগুলো নাকি ইতিহাসের দলিল। এগুলো পড়লে আগেকার দিনের মানুষ সম্পর্কে অনেক কিছু জানা যায়। বাবাকে অবশ্য আমি কখনো বইগুলো পড়তে দেখিনি। মা তো ওর ধারে কাছেও যায় না।
বাবার আর্কাইভে ঢোকা আমার বারণ। কিন্তু তবু আমি লুকিয়ে মাঝে মাঝে ঢুকি। কাল বাবা সেন্টারে যাওয়ার পরে এক ফাঁকে আর্কাইভ থেকে আমি একটা বই সরিয়ে নিয়ে এসেছি। দু হাজার পাঁচ সালের বই এটা। এতো পুরনো বই এর আগে আমি দেখিনি। বইটা হাতে নেয়ার পর অদ্ভুত একটা আনন্দ হলো আমার। একটু উল্টে পাল্টে দেখলাম। পাতাগুলো হলুদ হয়ে গেছে। কোথাও কোথাও লেখাগুলো কিছুটা ঝাপসা। তবে অধিকাংশই পড়া যায়। পুরনো ধাঁচের হরফ হলেও বাক্যগুলো শেষ পর্যন্ত বোঝা যায়। তাছাড়া পড়ার জন্য বিশেষ কষ্ট করতে হবে না। আমাদের বাসায় রিডিং মেশিন আছে। যে কোন লেখা তার মধ্যে ঢুকিয়ে দিলে এখনকার চলতি ভাষায় সেটাকে বদলে দিতে পারবে সে।
চুপিচুপি সযতনে বইটা নিয়ে আমি আর্কাইভ থেকে বেরিয়ে সোজা আমার গোলঘরটায় চলে এলাম।
মা ওয়ালটিভিতে বান্ধবীদের সঙ্গে আড্ডা দিচিছল। চান্সে আমি রিডিং মেশিনটা বের করে পড়া শুরু করলাম। কিছুদূর পড়লাম, কিন্তু কিছুই বুঝলাম না। মেশিনে কোন গোলমাল আছে কিনা সেটা একবার চেক করে দেখলাম। না, মেশিন ঠিকই আছে। ভাবলাম হয়তো বইয়ের মধ্যেই কোথাও গোলমাল আছে । বইয়ের বিবরণ আমাদের পরিচিত গ্রহের সাথে মেলে না। আবার গোড়া থেকে খুব মনোযোগ দিয়ে পড়তে লাগলাম। এবার ধীরে ধীরে আমার মনে একটা সন্দেহ দেখা দিলো : এটা এই পৃথিবীর কাহিনী তো?
বইয়ের যেখান থেকে শুরু সেখানে রবিন নামে এক ছেলের বর্ণনা করতে গিয়ে বলা হয়েছে
‘রবিনটা এতো দুষ্টু, কখন যে কি করে বসে। ও আসছে শুনলেই ওর দাদুর চুল খাড়া হয়ে যায় ভয়ে।’
এটুকু পরে আমার ভুরুতে একটা ভাঁজ পড়লো। ভয় পেলে আমার গায়ের লোম মাঝে-মধ্যে খাড়া হয় বটে। কিন্তু মাথার চুল কখনো খাড়া হয়েছে বলে মনে পড়ে না।
কি জানি আগেকার দিনে হয়তো হতো। ব্রাত্য তো বলে আগেকার দিনে মানুষ নাকি ৩ বেলা পেট পুরে খেতো। খাওয়া-দাওয়ার চিন্তাতেই নাকি অধিকাংশ মানুষের রাতে ঘুম হতো না। ব্রাত্য খুব উন্নতমানের রোবট। ওর আই কিউ বেশ ভাল। তবে ওর সব কথা আমি বিশ্বাস করি না। ব্রাত্য’র সাথে অনেকদিন আমার যোগাযোগ নেই। অতিরিক্ত চিন্তা করার ফলে ওর সিপিইউ তে গোলমাল লেগেছে। ও এখন স্যানাটোরিয়ামে আছে। ও থাকলে এ কাহিনীরও হয়তো একটা ব্যাখ্যা দাঁড় করিয়ে দিত।
যাকগে বইয়ের কথায় ফিরে আসি।
বইয়ে এরপরের বর্ণনা দেখি আরো ভয়াবহ। লেখক লিখেছেন,
‘রবিনের কাজ কারবার দেখলে সবার চোখ কপালে উঠে যায়।’
এ জায়গাটা পড়ে আমার শরীর আতঙ্কে শিরশিরিয়ে উঠলো। এটা কিভাবে সম্ভব আমার মাথায় ঢুকলো না। মানুষের চোখ কপালে কিভাবে ওঠে! আর চোখটা কি ভিতরের দিক থেকে উপরের দিকে ওঠে নাকি বাইরে বের হয়ে তারপর উপরে ওঠে। এই ব্যাপারে পরিষ্কার কিছু বলা নেই। সম্ভবত বাইরে থেকেই ঘটতো ব্যাপারটা। একটু পরে আরেক জায়গায় গিয়ে আমার মনে এই ধারণাটা বদ্ধমূল হলো । সেখানে লেখা আছে-
‘ বুড়ো লোকটা ঘরের এক কোণ থেকে আরেক কোণে ঘুরে বেড়াতে লাগলো। রবিনের চোখ বুড়ো লোকটাকে অনুসরণ করতে লাগলো।’
এটা পড়ে আমার শরীরে রীতিমতো ঘাম দেখা দিল। গায়ের লোম খাড়া হয়ে গেল।
আমি দৃশ্যটা কল্পনা করার চেষ্টা করলাম। একটা মানুষের চোখ তার কোটর থেকে বের হয়ে আরেকটা লোককে অনুসরণ করে চলেছে। চোখগুলো কি ঘুরতে ঘুরতে মানে বলের মতো গড়িয়ে গড়িয়ে ঘুরছিল, নাকি বাতাসে শুধু ভেসে ভেসে যাচিছল। দ্রুত, নাকি ধীরে। চোখের এরকম কান্ড-কারখানায় গল্পের ভিতর কাউকে বিস্মিত হতে দেখা যায়নি। এটাই আমাকে অবাক করেছে বেশি। এমন একটা অদ্ভুত ঘটনা কারো নজরেই পড়লো না তা তো হতে পারে না। তার মানে ব্যপারটা সবার কাছে খুবই স্বাভাবিক ছিল বোঝা যাচেছ। চোখ যে আবার তার কোটরে ফিরে এসেছিল সেটার উল্লেখ নেই। তবে কাহিনী পড়ে ধরে নেয়া যায় সেটা হয়েছিল। বাহুল্য বিবেচনায় লেখক তার উল্লেখ করেননি হয়তো।
কিন্তু এহ বাহ্য! এর পরের লাইনগুলো পরে আমার মাথাতো রীতিমতো তাজ্জিম মাজ্জিম করতে লাগলো। হৃৎপিন্ড ধ্বকধ্বক করতে লাগলো। ঐ বুড়ো লোকটার প্রসঙ্গেই বলা হয়েছে। ঐ ব্যাটাই গল্পের ভিলেন। তাকে পাকড়াও করতে রবিনের দল তক্কে তক্কে ছিল।
তো এরপরে একজায়গায় লিখেছে ,
বুড়ো লোকটার তেলেসমাতি দেখে রবিনের বন্ধুদের মাথা ঘুরে গেল।
মাথা ঘুরে যাওয়ার পরও যে তাদের শারিরীক কোন সমস্যা হয়েছে তার কোন ইঙ্গিত নেই। অর্থাৎ ধরে নেয়া যায় হয়নি। শুধু এটা নয়, কয়েক জায়গায় যেমন ৫৬ পৃষ্ঠায় দেখলাম রবিনের এক বন্ধু ওর কাছে এসে বলছে
রবিন আমি ভুল করে জর্দা দেয়া পান খেয়ে ফেলেছি। আমি শেষ। আমার মাথা বনবন করে ঘুরছে।’
কল্পনায় একবার দৃশ্যটা দেখে নিলাম। একটা ছেলের মাথা বনবন করে ঘুরছে। এর আগে শুধু ঘোরায় সমস্যা হয়নি। কিন্তু এখন বনবন করে ঘোরার ফলে যে সমস্যা হচেছ তা বেশ পরিস্কার। ঘাড়ের উপর একটা মাথা বনবন করে ঘুরছে- ব্যাপারটা আমার কাছে বেশ মজার মনে হলো। ইশ্শ একবার যদি দেখতে পারতাম।
এতক্ষণ পড়তে পড়তে আতঙ্ক থেকে কিছুটা আত্মস্থ হয়ে উঠেছি আমি। সিজিয়ামের দেয়ালে হেলান দিয়ে কিছুটা বোঝার চেষ্টা করছি ব্যাপারটা কি। এর মধ্যে মা আমাকে একবার দেখে গেছে। তার মন এখন খুবই ভালো। বই পড়তে দেখেও আমাকে বকলো না। আমার উত্তেজনা দেখে মা একবার শুধু আমাকে জিজ্ঞেস করলো কি ব্যাপার বর্ণ, কি পড়ছিস অত টানটান হয়ে।
বললাম একটা বই।
কবেকার।
২ হাজারের।
কি আছে ওতে।
আমি কিছু বললাম না। আমি জানি আমার ধারণার কথা বললে মা আমাকে পাগল ঠাউরাবে। বইটা নিয়ে আমি পেছনের ক্রিস্টাল বারান্দায় চলে এলাম। রিডিং মেশিনে পড়তে শরু করলাম আবার।
কাহিনীতে এরপর রবিনের দল একটা পরামর্শ করতে বসে। তখন একজন আবার বলে ওঠে বুড়োটার ব্যাগ সার্চ করতে হবে গোপনে। সার্চ করার কথা শুনেই রবিনের বন্ধু অসীম ভয় পেয়ে গেল। ভয়ে ওর মাথা খারাপ হয়ে গেল।
এটা কি ব্রাত্য’র মতো ব্যাপার কিনা বুঝলাম না। এখানে এসে গল্পে বেশ উত্তেজনা টের পেলাম। এরপরও অনেক অস্বাভাবিক ঘটনাই ঘটলো। অস্বাভাবিক অবশ্য আমার কাছে। সেসময়ে নিশ্চয়ই এটা অস্বাভাবিক ছিল না। থাকলে নিশ্চয়ই লেখক সেটা কোথাও না কোথাও উল্লেখ করতেন।
খুব দ্রুত আমি পৃষ্ঠা উল্টাতে লাগলাম। একেবারে শেষে গিয়ে পেলাম সবচেয়ে বড় চমকটা। ওদের মিশন সফল হওয়ার পর অর্থাৎ বুড়ো বদমাশটাকে হাতেনাতে ধরার পর লেখকের বর্ণনা অনুযায়ী
রবিন ও তার বন্ধুরা আনন্দে আটখানা হয়ে লাফাতে লাগলো।
ওরা ছিল ৪ জন। প্রত্যেকে দু টুকরা হয়েছিল নাকি এক একজনই আট টুকরা হয়েছিল তা বুঝলাম না। সম্ভবত পরেরটাই। চোখ বুঁজে আমি দৃশ্যটা কল্পনা করতে লাগলাম। আহা, এক একটা দেহ আট টুকরা হয়ে নেচে নেচে বেড়াচেছ সবুজ মাঠের উপর। কী অসাধারণ দৃশ্য।
রবিনের বাহিনীর মিশন সফল হওয়ায় আমার খুবই ভাল লাগলো।
বইটা বন্ধ করে আমি ভাবতে লাগলাম। এবং ভাবতে ভাবতে আমি নিশ্চিত হলাম, বলা যায়, আবিষ্কার করলাম যে, এই দুনিয়ায় ২ হাজার সালের দিকে ভিনগ্রহের কোন প্রাণী বাস করতো। তারা এই গ্রহে আগ্রাসন চালিয়েছিল কিনা আমি জানি না। এটাও জানি না কিভাবে তারা এই দুনিয়া থেকে হারিয়ে গেল। কিন্তু আমি এটা নিশ্চিত যে তারা ছিল। এ ছাড়া এই বইয়ের আর কোন ব্যাখ্যা আমি পাই না।
আমার দাদু বলেছিলেন আগেকার দিনের মানুষ নাকি শরীরকে জয় করতে পেরেছিল। নানা রকম মন্ত্র তন্ত্রের সাধনা করে তারা নাকি শরীর নিয়ে যা খুশি তাই করতে পারতো। শরীরের যে কোন অংশকে তারা অবলীলায় আলাদা করতে পারতো। চোখ হাত পা। বিনা কষ্টে বিনা যন্ত্রণায়। সেসব মন্ত্র নিষিদ্ধ হয়েছে অনেক আগেই। কিন্তু এ বইটা যে সময়ের তখন মানুষ মন্ত্র যুগের চেয়েও এগিয়েছিল তাতে কোন সন্দেহ নেই।
আমাদের বিজ্ঞানপল্লীর লোকেরা ভিনগ্রহের প্রাণীর সন্ধানে প্রাণপাত করছে। এই বই পেলে তারা চমকে উঠবে সন্দেহ নেই। তার আগে আমি ঠিক করলাম ইশতি ভাইয়া আর অন্তি আপুকে চমকে দেব।
আমি ব্যালকনি থেকে নেমে এলাম নিচের ছোট্ট মাঠে। আমার কি যে আনন্দ লাগছিল এমন একটা দারুণ জিনিস আবিষ্কার করে। আমার এই আবিষ্কারের খবর এখনো কেউ জানেনা। আনন্দে আমি নাচতে লাগলাম ঘুরে ঘুরে।
- মেয়েটি মাকড়সা হয়ে গেল - কাজী কেয়া
- কাজলকাকা ভূত নয় - ইমতিয়ার শামীম
- অর্পণের মা - আলী হাবিব
- রাশিয়ান রূপকথা: ধপাস ভালুক - রহীম শাহ
- মুখোশ রহস্য - আহমেদ রিয়াজ
- মুরগী ছানা তিতি - আরিফুন নেছা সুখী
- অহংকারী রাজকন্যা - বিএম বরকতউল্লাহ
- পুতুল ভূত - রানা জামান
- রাখাল ও জাদুর আম গাছ - হুমায়ুন কবীর ঢালী
- দুষ্টু ছানাদের গল্প - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- তুতুন - আল নাহিয়ান
- সাইকেল বাবু - লিটন মহন্ত
- রূপকথা নীল পূর্ণিমার সোমেশ্বরী - রবীন ভাবুক
- পরীরাণী - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- সাদাসোনা মেঘ, নীল ঘুড়ি আর খোলা মাঠে একা ছেলেটা - নূর সিদ্দিকী
- অন্ধকারের এক রহস্যমানুষ আর রাজহাঁস - মিন্টু হোসেন
- চকোলেট দৌড় - সোহানা রহমান
- স্কুলপড়ুয়া পাখি, প্রজাপতি আর ছড়া - মেহেরুবা নিশা
- গরুর ঘায়ে! - আহমেদ রিয়াজ
-
ঝুমি ও একটি কুকুর -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
উপন্যাস: পিশাচ-কন্যা -
সামান্থা লি
রূপান্তর: অনীশ দাস অপু - অক্স ও বুল (সায়েন্স ফিকশন গল্প) - আবুল কালাম আজাদ
- আমি ভূত - সোহানা রহমান
- সবুজ মাঠ - শিবলী নোমান
- মন্দ মানুষ - চন্দন চৌধুরী
- ঈদে মুক্তির আনন্দ - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- জোনাকিদের গ্রহে ভয়েজার ১ - মিন্টু হোসেন
- তর্ক-বিতর্ক - পাভেল মহিতুল আলম
- খরচি মামার সাইকেল - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
- লাল জামা - বিএম বরকতউল্লাহ্
- আমার বন্ধু ডোরেমন - আহমেদ রিয়াজ
-
অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস অজানা দ্বীপে অভিযান -
মূল : এডগার অ্যালান পো
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- ঢেউয়ের বন্ধুরা - নূর সিদ্দিকী
- ভাষা - জাহিদুল আলম
- বর্ণান্ধ - মারিয়া হোসেন
- ভূতের সঙ্গে আড়ি - মুহসীন মোসাদ্দেক
- নরহরি দাস - উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
- কাকদের পুরীষ উৎসব! - মহিউদ্দীন আহ্মেদ
- সে সত্যিই ছিল একটা বাচ্চা পরি - মেহেরুবা নিশা
-
মেঘকন্যা আর টুনটুনিছানা -
বিএম বরকতউল্লাহ্
- নবম মাত্রার গোবট - ধ্রুব নীল
-
পরী এবং পরিবেশ -
মাহাবুবুল হাসান নীরু
- দুঃখী বুড়ি ও নেংটি ইঁদুর - বিএম বরকতউল্লাহ্
- ভালো 'মন খারাপ' - চন্দন চৌধুরী
- রকির চাওয়া - জুবায়ের হুসাইন
- মৌমাছি ও কাঠুরিয়া - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- ফিরে দেখা - রবীন ভাবুক
- মতির মাথায় গাব - ধ্রুব নীল
- প্রজাপতি হবো - এনায়েত রসুল
- চাঁদনি-হালুয়া - সঞ্চারিণী
- জলে কোলাহল - চন্দন চৌধুরী
- এক টুকরো মেঘ ও দুঃখী গাছ - বিএম বরকতউল্লাহ
- আমার রোবট 'রবি' - মোঃ মিন্টু হোসেন
- কত আটায় কত রুটি - আবুল কালাম আজাদ
- আংটি - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- শহরে একদিন - আহমেদ রিয়াজ
- পল্টুর বন্ধু - আহসান হাবীব
-
হরর গল্প -
মিস্ট্রেস স্যারি মূল : উইলিয়াম টেন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- নিলেশের অন্য ভূবন - আফরোজা অদিতি
- ভাষার খোঁজে নেপালে - সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ
- গিফট - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- ভূত শিকার - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
-
ডানাকাটা পাখি ও সীম বীজ -
চন্দন চৌধুরী
- গোয়েন্দা মেনু'দা - রবীন ভাবুক
- তিনা আর লাল গোলাপ - আফরোজা অদিতি
- পরীটি কি জাদু জানে - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- আরকনির রুমাল - মোঃ মিন্টু হোসেন
- পুষ্পিতার ঈদ - আফরোজা আদিতি
- হাতির ডিম - আহমেদ রিয়াজ
- কঙ্ক - শুভ অংকুর
- বিন্নির খুশি - এনায়েত রসুল
- প্রান্ত ও তার এ্যাডনোক্সিয়ান বন্ধু (সায়েন্স ফিকশান) - আবুল কালাম আজাদ
- এক যে ছিলো রাসেল - বেবী মওদুদ
- আতঙ্কের প্রহর [রহস্য গল্প] - অনীশ দাস অপু
- ঈদ শপিং - আহসান হাবীব
- উপন্যাস- আলিবাবা ও চালিচার - শিবব্রত বর্মন
- মৌমাছি - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
- সূত্রধর স্যার - জাহিদুল আলম
-
কোনো এক অমাবস্যার রাতে -
আহমেদ রিয়াজ
- বিজ্ঞানী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গড়ে আটকা এক নেকড়ে - মোঃ মিন্টু হোসেন
- প্রজাপতি - এনায়েত রসুল
- পরী এসেছিল - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- বিচ্ছু ভাগনের কাণ্ড - জাহিদুল আলম
- নিশান আর ব্ল্যাকহোল - আফরোজা অদিতি
- পরীর বন্ধু অহনা - এনায়েত রসুল
-
স্যারের বিপদ -
জাহিদুল আলম
-
নতুন স্যার -
আবুল কালাম আজাদ
-
মিকাই-এর বাঘের ছানা -
মিন্টু হোসেন
-
আলুভর্তা -
জান্নি রোদারি
অনুবাদ: জামিল বিন সিদ্দিক -
বেকার আয়না -
জাহিদুল আলম
-
একদিন রাতে ধবধবে বিড়ালটা -
আহমেদ রিয়াজ
- অবাক বইপাঠ - মুনির রানা
- জোকার - শিবব্রত বর্মন
- ইঁদুরের ভোজ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ভৌতিকবাড়ি - অনীশ দাস অপু
- মেলায় মাঠে পিউস - আফরোজা অদিতি
-
মিস্ট্রেস স্যারি -
মূল : উইলিয়াম টেন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
ভয়ঙ্কর এক লোক -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
তেরো তলা -
মূল : ডন উলফসনে
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
টুঙ্গিপাড়ার খোকা -
বেবী মওদুদ
-
রাতের আতঙ্ক -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
বৃক্ষপরী টিয়া -
আফরোজা অদিতি
-
গেকো -
অনীশ দাস অপু
-
ময়না -
আফরোজা অদিতি
-
রাজকন্যা মাঈশা আর বলঢাঁশের গল্প -
আশরাফুল ইসলাম সাগর
-
শেয়াল দেবতার প্রতিহিংসা -
মূল : রবার্ট ব্লচ
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু - ফার্স্ট হওয়ার ঝামেলা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- শূন্যে ডানা মেলে - এনায়েত রসুল
-
একটু উষ্ণতার জন্য -
মূল : হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান এন্ডারসন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
শামন্তীর শীতবেলা -
মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
রাতের অতিথি -
আহমেদ রিয়াজ
- চৈতি আপু - ইমদাদুল হক মিলন
- তেতুল গাছ - আহসান হাবীব
- টুশির গল্প - বেবী মওদুদ
- চড়ুই পাখিদের ঘরের ঘটনা - ধ্রুব এষ
- বিলাই মা বিলাই ছা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- এক শিশি আলতা - এনায়েত রসুল
- কুলরাজা কুলরাণী - শাশ্বত ভট্টাচার্য
- ছায়ার মানুষ - আহমেদ রিয়াজ
- আলতা কন্যার জন্মদিন - মারুফ রেহমান।
- লেজ উঁচিয়ে - আহমেদ রিয়াজ
- ভৌতিক গল্প : থাবা - অনীশ দাস অপু
- রাজার ঈগল পাখি (কম্বোডিয়ার লোককাহিনী) - অনুবাদ: মৃত্যুঞ্জয় রায়
- আকাশ ছুঁয়ে উড়বো - এনায়েত রসুল
- আবু আর বাবু - বেবী মওদুদ
-
ভূতুড়ে বানর -
মূল : স্টিফেন কিং
অনুবাদ : অনীশ দাস অপু - কার ছবি - ইমদাদুল হক মিলন
- ঝন্টু মন্টুর দাদি - আহসান হাবীব
- সন্ধ্যার বিচিত্র ঘটনা - ধ্রুব এষ
-
তিন রাজপুত্র -
অনুবাদ : শিবব্রত বর্মন
মূল গল্প: আইজাক আসিমভ - নওরিনের স্কুল - এনায়েত রসুল
- বংশী নদীর ঘটনা - হামিদ কায়সার
- মাকড়সার চন্দ্র ভ্রমণ - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- ইঁদুর সাহেবার হলিডে - মিজানুর খান
- জাদুর ঢোল - আহমেদ রিয়াজ
- ক্যামডেন কিলার - অনীশ দাস অপু
- পরীর দেশে - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- পিঁপড়ে যখন হাতির বন্ধু - আহমেদ রিয়াজ
- সাগর পরী - মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
বৃষ্টি তুমি এসো না -
অনীশ দাশ অপু
মূল রচনা: আইজাক আসিমভ - ঝমঝমে আষাঢ়ে - আহমেদ রিয়াজ
-
ভৌতিক হাত -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প: কার্ল জ্যাকবির ‘দ্য হ্যান্ড’ -
বাবার জন্য ভালোবাসা -
মুহাম্মদ নাহিয়ান বিন খালেদ
- সেন্টমার্টিনে বাবার সাথে - জারিন তাসনিম অতসী
-
ভৌতিক ঘুড়ি -
অনীশ দাস অপু
মূল: কার্ল জ্যাকবি’র ‘দ্যা কাইট’ - ফুটবল প্রেমিক - রাশেদ শাওন
- ঘটনাটা সত্য - এনায়েত রসুল
- ভুতুড়ে বাড়ি - অনীশ দাস অপু
- ইচ্ছাপূরণ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- মায়ের কাছে ফেরা - বেবী মওদুদ
- স্বপ্ন - শিবব্রত বর্মন
- মেলায় যাবো - এনায়েত রসুল
- কুমড়ো দানব - অনীশ দাস অপু
- আসলে ছবিটা মেঘের - ধ্রুব এষ
- কাশেম আলী গরু চরাতো - আনিসুল হক
-
অদৃশ্য শত্রু -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প : ফিলিপ কে. ডিক - জাদুকর - সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল
-
জানের দুশমন -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প : হেনরি কুটনার - ভালোবাসার সবুজ গাছ - ইমরুল ইউসুফ
- বড়দিনের রাতে - অনীশ দাস অপু
- দেহহীন - শিবব্রত বর্মন
- নীলুর নীল চশমা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- রহস্যভেদী - রকিব হাসান
- দুষ্টু বিড়াল - অনীশ দাস অপু
- অপেক্ষা - মোস্তফা মামুন
- ঈশানপুরের অপুর কান্ড - সুমন কায়সার
- রাজা যখন গাছে - আহমেদ রিয়াজ
- অন্যরকম ভালোলাগা - শুভ অংকুর
- পৃথিবীর জন্য ভালোবাসা (সায়েন্স ফিকশন) - শুভ অংকুর
- কিং মিঠু - মোস্তফা মামুন
- প্রেতাত্মা - অনীশ দাস অপু
- রোবট - আনিসুল হক
- চতুর্দশতম/চৌদ্দ - নঈম তারিক
- জিকুর স্বপ্ন - আহসান হাবীব
- চোর - রকিব হাসান
- ছায়াহীন - শিবব্রত বর্মন
- ঈদের আগের রাত - মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
মেরু ভালুকদের রাজা -
মূল : ফ্রাঙ্ক বাউম
ভাষান্তর : বিদ্যুত - গাধার টুপি - আহমেদ ফারুক
- আলসে বালক আর গরুর গল্প - মো. গোলাম রহমান
- অতি চালাকির সাজা! - এনায়েত রসুল
- মাছরাঙা আর রূপোর চামুচ - মোস্তফা হোসেইন
- হাবা রাকিবের কাণ্ড - মারুফ রেহমান
- বিড়ালের বন্ধুত্ব - রূপান্তর : আবুল বাসার
- গণেশ চ্যাটার্জি আর তার কালো কুকুর - নাফে মোহাম্মদ এনাম
- শিউ-পিউর বন্ধু তানতুলু - নূর সিদ্দিকী
- মেছোভূত - ইকবাল খন্দকার
- অ্যারোসল ভূত - শাকিল ফারুক
- পাঠশালা - আহমেদ রিয়াজ
- যুদ্ধের গল্প - ফরহাদ সাফায়েতুল কবীর
- বোকাতু - আরিফ হাসান
- রূপকথার ইলিশ - অর্জিতা মাধুর্য
- সীনের বাবা সীনের মা - আহমেদ রিয়াজ
- চাঁদ - পান্থ বিহোস
- মায়ের ভাষা - মুহাম্মদ মুনতাসির আলী
- জিন্নাহ'র না জানা গল্প - আহমেদ রিয়াজ
- ঘুম পাহাড়ের আজব পাখি - আ হ মে দ ফা রু ক
- উপহাস - আহমেদ রিয়াজ
-
ড্রাগনের যম ইভান -
মূল : ভ্লাদিমির বাইকো
অনুবাদ: হাসান খুরশীদ রুমি - টিনা আপুর জাদুর কাঠি - এনায়েত রসুল
- তারা পড়তে দেখলে - ধ্রুব এষ
- বাঘ-সিংহের গল্প - আহমেদ রিয়াজ
-
লুকোচুরি -
নিকোলাই নসভ
অনুবাদ: হাসান খুরশীদ রুমী - রহস্যময় কিশোর যোদ্ধা - আহমেদ রিয়াজ
- অদ্ভূতুড়ে কিন্তু ভূতুড়ে নয় - বিজয় মজুমদার
- তিন ভূতুড়ে - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- মরগানস উডসের ভূত - অনীশ দাস অপু
- মহাকাশে সু ভূতের অভিযান - বিধান রিবেরু
- জামাটা কোথায় গেল - আহমেদ রিয়াজ
- মি. হাকলি - নূর সিদ্দিকী
- বুলেট ভাইয়ের হাইজাম্প - মোস্তফা মামুন
-
একা কবরস্থানে -
মূল : অ্যালভিন শোয়ার্জ
অনুবাদ : হাসান খুরশীদ রুমী - তৈল মর্দন - সজ্জাদ কবীর
- ঝিন্টু - মানিক চন্দ্র দাস
- রবীন-মাহিনের মুক্তি... - আহসান হাবীব
- মামার ঘড়ি - পান্থ বিহোস
- তৃষার ভালো লাগা - এনায়েত রসুল
- খরগোশের টাকা চাষ - ভাষান্তর- মৃত্যুঞ্জয় রায়
- ঈদের চাঁদ - আশীষ চক্রবর্ত্তী
-
স্টোরিটেলার -
নিকোলাই নসভ
রূপান্তর : হাসান খুরশীদ রুমী - একটা গাছের চারা - আশরাফুল আলম পিনটু
- পাহাড় যখন সরে যায় - আমীরুল ইসলাম
- ঝিম দুপুরের গল্প - শাকিল ফারুক
- জেলে আর সোনার মাছ - রহীম শাহ
- কুয়োর ব্যাঙের সমুদ্র যাত্রা - বিজয় মজুমদার
- পুতুল - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
-
হানাবাড়ির উন্মাদ -
মূল : ইলেন এ. কিউল
অনুবাদ : অনীশ দাস অপু - চ্যালেঞ্জ! - রকিব হাসান
- রাজা এলেন - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- চুরি বিদ্যা বড়ো বিদ্যা - মোস্তফা মামুন
- আসলে কী ঘটেছিল - ইমদাদুল হক মিলন
- শিয়াল রাজার সাজা - এনায়েত রসুল
- রূপোলি রেণু - আলী ইমাম
- প্যালিনড্রোমিক ফর্ক... - আহসান হাবীব
- ঘড়ি উদ্ধার - আহমেদ রিয়াজ
- অপু আর তপু - আশরাফুল আলম পিন্টু
- সাদা মেঘ ও কাশফুলেরা - আহমেদ রিয়াজ
- মনের ভয় - ফাতেমা ফেরদৌস (পিংকি)
- চাঁদের বন্ধু খরগোশ - রেহানা পারভীন রুমা
- দুষ্টু টুলু - এনায়েত রসুল
- রেডিও - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- ঠাকুরমার ঝুলি এবং ইবু - আহমেদ ফারুক
- আষাঢ়ে হাতি ও রাজার গল্প - আহমেদ রিয়াজ
- সুন্দর - মঈনুল আহসান সাবের
-
ছোট্ট তুষারমানব -
কোরিয়ার রূপকথা
রূপান্তর : মো. গোলাম রহমান - ঘুপুর বন্ধু টুনু আর চি - এনায়েত রসুল
- এটা আমার বাবার গল্প, মায়েরও - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- চাষা ও তার গরু - আহমেদ রিয়াজ
- সহকারী গোয়েন্দা - মোস্তফা মামুন
- লাল বেলুন - আমীরুল ইসলাম
- ডান-বাম - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
-
শেষ যাত্রা -
মূল : কার্ল জ্যাকবি
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু - লিটুর ঘুম আসে না - মোস্তফা মামুন
- ভূতটা খোলা মাঠে একা শুয়ে আছে - আহমেদ রিয়াজ
- কিসমতের বিচার - হুমায়ূন কবীর ঢালী
- নিপুর আশ্রয় - এনায়েত রসুল
- দুই ভূতের কান্ড - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
কান্নার দাগ -
আফ্রিকার রূপকথা
রূপান্তর : আবুল বাসার - নূরী ও পরী - আহমেদ রিয়াজ
-
প্রকৃতি কন্যার দোলনা ঘর -
শোহেইল মতাহির চৌধুরী
- ছোট্ট জাদু-নুড়ি - আমীরুল ইসলাম
- জাদুর আয়না - রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- বিন্নির খুশি - এনায়েত রসুল
- ঘুম পাহাড়ের আজব পাখি - আহমেদ ফারুক







