মোঃ মিন্টু হোসেন
ঢাকার এক স্কুলে নবম শ্রেণীতে পড়ে সাগর, এবারের গ্রীষ্মের ছুটিটা সে তার
মেজো মামার বাড়িতেই কাটাতে চায়। মেজো মামা থাকেন সিলেটে, সেখানে মামাতো ভাই
রেজার সঙ্গে তার খুবই জমবে! কিন্তু ছুটিটা তো প্রায় শেষই হয়ে আসছে!
কমলগঞ্জ এলাকায় মেজো মামার চাকরি। কিন্তু যেতে চাইলেই তো আর যাওয়া হয়ে ওঠে
না। ছুটির প্রায় শেষদিকে এসে সাগরের কপাল খুললো। বড়ো মামা আর মামী ঢাকা
থেকে সিলেটে যাচ্ছেন। ঠিক হলো সাগরকে সঙ্গে নেবেন তারা।
মেজো মামী আর রেজা সাগরকে দেখে তো মহাখুশি। দিনের বেলাটা বেশ আনন্দেই কাটলো
সাগরের। কমলগঞ্জ দারুণ একটা এলাকা। ছোটো ছোটো টিলা আর ঘন জঙ্গলে ঘেরা একটা
গ্রাম। সে ঘুরে ফিরে দেখলো চারপাশটা। দেখে তো সে মুগ্ধ হয়ে গেলো। রাত হলে
শুয়ে পড়লো সাগর। তখন সবেমাত্র ঘুম ঘুম চোখ তার। হঠাৎ দূর থেকে কেমন যেন
একটা শব্দ ভেসে এলো। মনে হলো অনেক দূর থেকে ভেসে আসছে সে শব্দটা।
হু..হু..হু..হু..হুম। হু..হু..হু..হু..হুম। আবারও শব্দটা শুনতে পেলো সাগর।
এবার যেন খুব কাছে। খুব ভয় পেলো ও। কিসের শব্দ? পাশে ছিলো মামাতো ভাই রেজা।
ওতো ঘুমিয়ে কাদা। তবু ওকে ডাকবে ভাবলো। তারপর মনে হলো, ও যদি ভাবে আমি ভয়
পেয়েছি, তাহলে কি হবে! ভয়ে ভয়ে ঘুমিয়ে পড়লো সে।
সকালে নাস্তার টেবিলে দেখতে পেল, সবাই যেন গোল বাধিয়েছে। মেজো মামী সাগরকে
জিজ্ঞাসা করলেন- কোনো সমস্যা হয়েছে কিনা। সাগর বললো, না কোনো সমস্যা হয়নি।
তবে রাতে ভয়ানক একটা শব্দ শুনেছিলাম, ওটা কিসের শব্দ? এবার মেজো মামা মুখ
খুললেন। বললেন, ওটা বাঘের ডাক।
সাগর বললো- বাঘ তো হালুম, হালুম ডাকে কিন্তু এরকমটি কেন ডাকলো! মেজো মামা
বুঝিয়ে বললেন, এটা রয়েল বেঙ্গল টাইগার নয়; হয়তো কোনো চিতা বা নেকড়ে টেকড়ে
হবে। কিন্তু সিলেটের এ অঞ্চলে নেকড়ে বা চিতা আসবে কোত্থেকে? মামা বললেন,
চা-বাগান আর ছোটো-বড়ো জঙ্গলের মধ্যে বাঘটা হয়তো লুকিয়েছে। এ অঞ্চলটাতে বাঘ
না থাকলেও হয়তো হিমালয়ের কোনো অঞ্চল থেকে খাবারের খোঁজে চলেও আসতে পারে।
সাগর ভয় পেলো।
মামা বাঘটা আবার আক্রমণ করে বসবে নাতো? মামা বললেন না, না, এটা ততো হিংস্র
নয়। তবে, শ্রমিকরা নাকি জানিয়েছে, বাঘটা এখন উত্তরের জঙ্গলের দিকে রয়েছে,
গতকাল আস্ত একটা গরু ধরে নিয়ে গেছে।
সারাদিন বাঘের কথাটা ভেবে ভেবেই দিনটা কাটলো সাগরের। মামা-মামী আর রেজার
সঙ্গে পুরো এলাকটা ঘুরে দেখলো ভালো করে। তবে, মনের মধ্যে সবসময় উঁকি
দিচ্ছিল ঐখানে বুঝি বাঘটা লুকিয়ে আছে। রাতে আবারও সে ডাকটা শোনা গেলো।
তবে, এবার আরো জোরে। ভয়ংকর হিংস্র সে ডাক। রক্ত হিম হয়ে এলো।
পরের দিন সকালে মামা বললেন, বাঘটা ভয়ানক হিংস্র হয়ে উঠেছে। আজ রাতে এক
শ্রমিকের বাড়িতে আক্রমণ করে ছোটো বাচ্চাটাকে নিয়ে যেতে চেয়েছিলো। শ্রমিক
মারতে গেলে তাকে কামড়ে দিয়েছে।
সাগর জিজ্ঞাসা করলো, মামা বাঘটা কতো বড়ো? মামা বললেন, শ্রমিকরা বলছে ওটা
নাকি আকারে অনেক বড়ো। ওটা চিতাবাঘ হবার সম্ভাবনাই বেশি। মামা বললেন, আজ
রাতে বাঘটাকে মারার পরিকল্পনা করেছে।
মামা বাঘ মারা তো ঠিক নয়। তবে, কেন মারবে ওটাকে? মামা বললেন ঠিক মারা নয়,
তবে ওটাকে ধরে সংরক্ষিত বনে ছেড়ে দেয়া হবে। কিভাবে বাঘটাকে ধরা হবে বা কে
ওর সামনে যাবে?
মামা বললেন শ্রমিকরা আজ রাতে গড় করবে।
সাগর বললো- কি করবে মামা?
-‘গড়’
-‘গড়’সেটা কি মামা?
-গড় মানে হলো ফাঁদ। বাঘটাকে ধরতে ফাঁদ পাতা হবে। উঁচু উঁচু জাল দিয়ে চারপাশ
ঘিরে ফেলা হবে। তার চারদিকে মশাল জ্বালিয়ে দেয়া হবে। শিকারীরা চারপাশে
মাচা পেতে বসে থাকবে। তারপর বাঘটি বেরোলেই তাকে জাল দিয়ে আটকে ফেলা হবে।
অনেক লোক আর আগুন দেখে বাঘটি ভয় পেয়ে বোকার মতো কাণ্ড করে বসবে।
কিন্তু মামা যদি উল্টা হয়, যেমন, সে হিংস্র হয়ে গেলো বা আক্রমণ করে বসলো?
‘এ কাজ কেবল সাহসী শিকারীরাই করতে পারে। আর চারপাশে তো জাল দিয়ে ঘেরা থাকছেই। শিকারীরা জালের মধ্যে ঢুকে বাঘটিকে পাকড়াও করবে।’
মামা বাঘটি যদি ওখানে না থাকে?
বাঘরা একটু বিলাসী হয়তো। তাই একটা বাঘ শিকার করার পর কয়েকদিন একটা জায়গায়
আস্তানা গাড়ে। যতোদিন খাবার না ফুরোয় ততোদিন আর শিকার করে না। শুনলাম এ
বাঘটি একটা টিলায় আস্তানা গেড়েছে। সে টিলাটি ঘিরেই গড় তৈরি করা হচ্ছে।
মামা ওরা কি নিশ্চিত বাঘটি টিলাতে আস্তানা গেড়েছে?
হ্যাঁ, ওরা রক্তের দাগ দেখেছে। আর দেখেছে বাঘটি একটা গুহায় আস্তানা গেড়েছে।
সাগর মামাকে বলেই ফেললো, মামা আমি গড় দেখবো।
মামা বললেন- ঠিক আছে, রাতে তৈরি থেকো।
রাত দশটার পর মামার সঙ্গে বেরিয়ে পড়লো সাগর। ওর সঙ্গী হয়েছে রেজা। রেজা
অবশ্য এর আগে আরেকবার গড় দেখার সুযোগ পেয়েছিলো। সেবার কি কি হয়েছিলো সে
ঘটনা শোনানোর পুরো সুযোগটির ব্যবহার করে ফেললো সে। একসঙ্গে যেতে যেতে এমন
সব রোমহর্ষক ঘটনা বলতে শুরু করলো সে, তা শুনে রীতিমতো ভয়ই করতে লাগলো
সাগরের। মামা মুচকি মুচকি হাসতে লাগলেন।
গড়ের কাছে পৌঁছাতে প্রায় একঘন্টার বেশি সময় লাগলো। রেডিয়ামের আলোয় ক্যাসিও ঘড়িটাতে সময় দেখে নিলো সে।
গড়ের কাছে পৌঁছে তো সাগরের চোখই ছানাবড়া। গড় কোথায়? এতো দেখা যায় একটা
কুঁড়েঘর। তার সামনে মশাল জ্বলছে। কুঁড়ের মধ্যে বাঁশের মাচা পাতা। সেখানে
কয়েকজন বসে স্থানীয় ভাষায় গল্প করছে। একটু দূরেই দেখা গেলো কয়েকজন লোক কি
যেন একটা গোল করে ঘিরে বসেছে। ভালো করে খেয়াল করে সাগর দেখলো তারা একটা
হাড়িতে কিছু একটা রান্না করার চেষ্টা করছে। ওদের এগিয়ে যেতে দেখেই কাঁধে
গামছা ঝোলানো, একটু ভদ্রগোছের একটা লোক এগিয়ে এলো। মেজো মামাকে কি যেন
বললো। তারপর দুজনে হাসতে লাগলো। মামা সাগরকে পরিচয় করিয়ে দিলেন। আর রেজা
চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকলো। লোকটি চলে গেলো।
ওরা আরো সামনের দিকে এগিয়ে গেলো। কিছুদুর গিয়ে দেখে আবারও কিছু লোক কুঁড়ে
করে বসেছে। সাগর জিজ্ঞেস করলো মামা এরা কারা? এভাবে কি করছে?
-এরাই তো গড় পাহারা দিচ্ছে। এভাবে পুরো টিলাটাকে ঘিরে রয়েছে বেশ কিছু মাচা।
প্রতিটির পাশেই লোকজন পাহারা দিচ্ছে। এভাবে লোক দেখা গেলেও সাগর গড় দেখতে
পেলোনা। রেজা ওকে দূরে একটা আলোর দিকে খেয়াল করতে বললো। ওখানেই নাকি গড়।
একটু ভালো করে তাকিয়ে দেখলো, দড়ির জাল টানানো হয়েছে আর তার একটু দূরেই
জ্বলছে মশাল।
এভাবে ঘুরে দেখতে অনেক রাত হয়ে গেলো। সাগরের উত্তেজনা বাড়ছিলো, কখন বাঘ ধরা
হবে? কিন্তু কোনো উৎসাহ কারো মধ্যেই দেখা যাচ্ছেনা। এদিকে ঘুম আসছে। সাগর
আর রেজার বাড়ি ফিরতে মন চাইছিলো। মামা মনের অবস্থা বুঝতে পারলেন। আবার
অনেকটা পথ হেঁটেই যেহেতু ফিরতে হবে তাই তিনি বললেন- তোমরা বাড়ি যাও।
রাত প্রায় ২ টা বাজে। ওরা বাড়ি ফিরবে কিভাবে? মেজো মামা কি করবে? মামা ওদের
মনের অবস্থা আঁচ করে বললেন- আমি রাতে এখানেই থাকবো। এরা আমার পরিচিত।
তোমাদের বাড়ি পৌঁছে দেবার ব্যবস্থা করছি। একটু পরে গামছা ঘাড়ে করে বেড়ানো
সে লোকটি ওদের পৌঁছে দেবার জন্য এলো। সাগর ওর নামটি জেনে নিয়েছিলো- রমজান
আলী।
সে রাতে বাড়িতে ফিরে কিছুতেই ঘুম এলোনা সাগরের। আজ রাতে আর বাঘের ডাকও শোনা
গেলোনা। একসময় ঘুমিয়ে পড়লো সে। স্বপ্ন দেখলো- ডোরাকাটা একটা ইয়া বড়ো বাঘ
তার গলায় আবার কেশর! ঘুমের মধ্যেই হাসি পেলো ওর। বাঘের আবার কেশর হয় নাকি!
কেশর তো হয় সিংহের।
সকালবেলায় নাস্তার টেবিলে মামার দেখা মিললো। সাগর তো উত্তেজনা চেপে রাখতে পারছিলো না।
মামা বাঘ কি ধরা পড়েছে?
মামা ঘুম জড়ানো গলায় বললেন- নাহ! সে ব্যাটায় গড় করা দেখেই হয়তো চম্পট দিয়েছে। সাগরের মনটা উত্তেজনার বদলে নিরাশায় ভরে গেলো।
চারদিন পার হয়ে গেছে। আবারো স্কুল খুলছে। অনেক পড়াশোনা বাকি। সাগরকে ঢাকায়
ফিরতে হলো। ঢাকায় ফিরে ক্লান্তিভরা দুচোখ নিয়ে আবারও বিছানায় গেলো সে।
এবারে সে স্বপ্ন দেখলো- সিলেটের সবুজ ঘন বনে একটা নেকড়ে বাঘ ঘুরছে, কিন্তু
তার চারপাশে গড়। সাগর কেন জানি, গড়ের একটা কোনা কেটে দিয়েছে, সেখান দিয়ে
দ্রুত ছুটে পালাচ্ছে ভয়ংকর নেকড়েটা।
- বাবা - হুমায়ূন কবীর ঢালী
- হেস্কু - মাহফুজুর রহমান
- বুদ্ধি - সাদিয়া ইসলাম বৃষ্টি
- নজরুল ও জুটুর গল্প - রহীম শাহ
- মেয়েটি মাকড়সা হয়ে গেল - কাজী কেয়া
- কাজলকাকা ভূত নয় - ইমতিয়ার শামীম
- অর্পণের মা - আলী হাবিব
- রাশিয়ান রূপকথা: ধপাস ভালুক - রহীম শাহ
- মুখোশ রহস্য - আহমেদ রিয়াজ
- মুরগী ছানা তিতি - আরিফুন নেছা সুখী
- অহংকারী রাজকন্যা - বিএম বরকতউল্লাহ
- পুতুল ভূত - রানা জামান
- রাখাল ও জাদুর আম গাছ - হুমায়ুন কবীর ঢালী
- দুষ্টু ছানাদের গল্প - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- তুতুন - আল নাহিয়ান
- সাইকেল বাবু - লিটন মহন্ত
- রূপকথা নীল পূর্ণিমার সোমেশ্বরী - রবীন ভাবুক
- পরীরাণী - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- সাদাসোনা মেঘ, নীল ঘুড়ি আর খোলা মাঠে একা ছেলেটা - নূর সিদ্দিকী
- অন্ধকারের এক রহস্যমানুষ আর রাজহাঁস - মিন্টু হোসেন
- চকোলেট দৌড় - সোহানা রহমান
- স্কুলপড়ুয়া পাখি, প্রজাপতি আর ছড়া - মেহেরুবা নিশা
- গরুর ঘায়ে! - আহমেদ রিয়াজ
-
ঝুমি ও একটি কুকুর -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
উপন্যাস: পিশাচ-কন্যা -
সামান্থা লি
রূপান্তর: অনীশ দাস অপু - অক্স ও বুল (সায়েন্স ফিকশন গল্প) - আবুল কালাম আজাদ
- আমি ভূত - সোহানা রহমান
- সবুজ মাঠ - শিবলী নোমান
- মন্দ মানুষ - চন্দন চৌধুরী
- ঈদে মুক্তির আনন্দ - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- জোনাকিদের গ্রহে ভয়েজার ১ - মিন্টু হোসেন
- তর্ক-বিতর্ক - পাভেল মহিতুল আলম
- খরচি মামার সাইকেল - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
- লাল জামা - বিএম বরকতউল্লাহ্
- আমার বন্ধু ডোরেমন - আহমেদ রিয়াজ
-
অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস অজানা দ্বীপে অভিযান -
মূল : এডগার অ্যালান পো
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- ঢেউয়ের বন্ধুরা - নূর সিদ্দিকী
- ভাষা - জাহিদুল আলম
- বর্ণান্ধ - মারিয়া হোসেন
- ভূতের সঙ্গে আড়ি - মুহসীন মোসাদ্দেক
- নরহরি দাস - উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
- কাকদের পুরীষ উৎসব! - মহিউদ্দীন আহ্মেদ
- সে সত্যিই ছিল একটা বাচ্চা পরি - মেহেরুবা নিশা
-
মেঘকন্যা আর টুনটুনিছানা -
বিএম বরকতউল্লাহ্
- নবম মাত্রার গোবট - ধ্রুব নীল
-
পরী এবং পরিবেশ -
মাহাবুবুল হাসান নীরু
- দুঃখী বুড়ি ও নেংটি ইঁদুর - বিএম বরকতউল্লাহ্
- ভালো 'মন খারাপ' - চন্দন চৌধুরী
- রকির চাওয়া - জুবায়ের হুসাইন
- মৌমাছি ও কাঠুরিয়া - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- ফিরে দেখা - রবীন ভাবুক
- মতির মাথায় গাব - ধ্রুব নীল
- প্রজাপতি হবো - এনায়েত রসুল
- চাঁদনি-হালুয়া - সঞ্চারিণী
- জলে কোলাহল - চন্দন চৌধুরী
- এক টুকরো মেঘ ও দুঃখী গাছ - বিএম বরকতউল্লাহ
- আমার রোবট 'রবি' - মোঃ মিন্টু হোসেন
- কত আটায় কত রুটি - আবুল কালাম আজাদ
- আংটি - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- শহরে একদিন - আহমেদ রিয়াজ
- পল্টুর বন্ধু - আহসান হাবীব
-
হরর গল্প -
মিস্ট্রেস স্যারি মূল : উইলিয়াম টেন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- নিলেশের অন্য ভূবন - আফরোজা অদিতি
- ভাষার খোঁজে নেপালে - সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ
- গিফট - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- ভূত শিকার - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
-
ডানাকাটা পাখি ও সীম বীজ -
চন্দন চৌধুরী
- গোয়েন্দা মেনু'দা - রবীন ভাবুক
- তিনা আর লাল গোলাপ - আফরোজা অদিতি
- পরীটি কি জাদু জানে - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- আরকনির রুমাল - মোঃ মিন্টু হোসেন
- পুষ্পিতার ঈদ - আফরোজা আদিতি
- হাতির ডিম - আহমেদ রিয়াজ
- কঙ্ক - শুভ অংকুর
- বিন্নির খুশি - এনায়েত রসুল
- প্রান্ত ও তার এ্যাডনোক্সিয়ান বন্ধু (সায়েন্স ফিকশান) - আবুল কালাম আজাদ
- এক যে ছিলো রাসেল - বেবী মওদুদ
- আতঙ্কের প্রহর [রহস্য গল্প] - অনীশ দাস অপু
- ঈদ শপিং - আহসান হাবীব
- উপন্যাস- আলিবাবা ও চালিচার - শিবব্রত বর্মন
- মৌমাছি - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
- সূত্রধর স্যার - জাহিদুল আলম
-
কোনো এক অমাবস্যার রাতে -
আহমেদ রিয়াজ
- বিজ্ঞানী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গড়ে আটকা এক নেকড়ে - মোঃ মিন্টু হোসেন
- প্রজাপতি - এনায়েত রসুল
- পরী এসেছিল - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- বিচ্ছু ভাগনের কাণ্ড - জাহিদুল আলম
- নিশান আর ব্ল্যাকহোল - আফরোজা অদিতি
- পরীর বন্ধু অহনা - এনায়েত রসুল
-
স্যারের বিপদ -
জাহিদুল আলম
-
নতুন স্যার -
আবুল কালাম আজাদ
-
মিকাই-এর বাঘের ছানা -
মিন্টু হোসেন
-
আলুভর্তা -
জান্নি রোদারি
অনুবাদ: জামিল বিন সিদ্দিক -
বেকার আয়না -
জাহিদুল আলম
-
একদিন রাতে ধবধবে বিড়ালটা -
আহমেদ রিয়াজ
- অবাক বইপাঠ - মুনির রানা
- জোকার - শিবব্রত বর্মন
- ইঁদুরের ভোজ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ভৌতিকবাড়ি - অনীশ দাস অপু
- মেলায় মাঠে পিউস - আফরোজা অদিতি
-
মিস্ট্রেস স্যারি -
মূল : উইলিয়াম টেন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
ভয়ঙ্কর এক লোক -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
তেরো তলা -
মূল : ডন উলফসনে
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
টুঙ্গিপাড়ার খোকা -
বেবী মওদুদ
-
রাতের আতঙ্ক -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
বৃক্ষপরী টিয়া -
আফরোজা অদিতি
-
গেকো -
অনীশ দাস অপু
-
ময়না -
আফরোজা অদিতি
-
রাজকন্যা মাঈশা আর বলঢাঁশের গল্প -
আশরাফুল ইসলাম সাগর
-
শেয়াল দেবতার প্রতিহিংসা -
মূল : রবার্ট ব্লচ
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু - ফার্স্ট হওয়ার ঝামেলা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- শূন্যে ডানা মেলে - এনায়েত রসুল
-
একটু উষ্ণতার জন্য -
মূল : হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান এন্ডারসন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
শামন্তীর শীতবেলা -
মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
রাতের অতিথি -
আহমেদ রিয়াজ
- চৈতি আপু - ইমদাদুল হক মিলন
- তেতুল গাছ - আহসান হাবীব
- টুশির গল্প - বেবী মওদুদ
- চড়ুই পাখিদের ঘরের ঘটনা - ধ্রুব এষ
- বিলাই মা বিলাই ছা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- এক শিশি আলতা - এনায়েত রসুল
- কুলরাজা কুলরাণী - শাশ্বত ভট্টাচার্য
- ছায়ার মানুষ - আহমেদ রিয়াজ
- আলতা কন্যার জন্মদিন - মারুফ রেহমান।
- লেজ উঁচিয়ে - আহমেদ রিয়াজ
- ভৌতিক গল্প : থাবা - অনীশ দাস অপু
- রাজার ঈগল পাখি (কম্বোডিয়ার লোককাহিনী) - অনুবাদ: মৃত্যুঞ্জয় রায়
- আকাশ ছুঁয়ে উড়বো - এনায়েত রসুল
- আবু আর বাবু - বেবী মওদুদ
-
ভূতুড়ে বানর -
মূল : স্টিফেন কিং
অনুবাদ : অনীশ দাস অপু - কার ছবি - ইমদাদুল হক মিলন
- ঝন্টু মন্টুর দাদি - আহসান হাবীব
- সন্ধ্যার বিচিত্র ঘটনা - ধ্রুব এষ
-
তিন রাজপুত্র -
অনুবাদ : শিবব্রত বর্মন
মূল গল্প: আইজাক আসিমভ - নওরিনের স্কুল - এনায়েত রসুল
- বংশী নদীর ঘটনা - হামিদ কায়সার
- মাকড়সার চন্দ্র ভ্রমণ - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- ইঁদুর সাহেবার হলিডে - মিজানুর খান
- জাদুর ঢোল - আহমেদ রিয়াজ
- ক্যামডেন কিলার - অনীশ দাস অপু
- পরীর দেশে - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- পিঁপড়ে যখন হাতির বন্ধু - আহমেদ রিয়াজ
- সাগর পরী - মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
বৃষ্টি তুমি এসো না -
অনীশ দাশ অপু
মূল রচনা: আইজাক আসিমভ - ঝমঝমে আষাঢ়ে - আহমেদ রিয়াজ
-
ভৌতিক হাত -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প: কার্ল জ্যাকবির ‘দ্য হ্যান্ড’ -
বাবার জন্য ভালোবাসা -
মুহাম্মদ নাহিয়ান বিন খালেদ
- সেন্টমার্টিনে বাবার সাথে - জারিন তাসনিম অতসী
-
ভৌতিক ঘুড়ি -
অনীশ দাস অপু
মূল: কার্ল জ্যাকবি’র ‘দ্যা কাইট’ - ফুটবল প্রেমিক - রাশেদ শাওন
- ঘটনাটা সত্য - এনায়েত রসুল
- ভুতুড়ে বাড়ি - অনীশ দাস অপু
- ইচ্ছাপূরণ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- মায়ের কাছে ফেরা - বেবী মওদুদ
- স্বপ্ন - শিবব্রত বর্মন
- মেলায় যাবো - এনায়েত রসুল
- কুমড়ো দানব - অনীশ দাস অপু
- আসলে ছবিটা মেঘের - ধ্রুব এষ
- কাশেম আলী গরু চরাতো - আনিসুল হক
-
অদৃশ্য শত্রু -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প : ফিলিপ কে. ডিক - জাদুকর - সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল
-
জানের দুশমন -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প : হেনরি কুটনার - ভালোবাসার সবুজ গাছ - ইমরুল ইউসুফ
- বড়দিনের রাতে - অনীশ দাস অপু
- দেহহীন - শিবব্রত বর্মন
- নীলুর নীল চশমা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- রহস্যভেদী - রকিব হাসান
- দুষ্টু বিড়াল - অনীশ দাস অপু
- অপেক্ষা - মোস্তফা মামুন
- ঈশানপুরের অপুর কান্ড - সুমন কায়সার
- রাজা যখন গাছে - আহমেদ রিয়াজ
- অন্যরকম ভালোলাগা - শুভ অংকুর
- পৃথিবীর জন্য ভালোবাসা (সায়েন্স ফিকশন) - শুভ অংকুর
- কিং মিঠু - মোস্তফা মামুন
- প্রেতাত্মা - অনীশ দাস অপু
- রোবট - আনিসুল হক
- চতুর্দশতম/চৌদ্দ - নঈম তারিক
- জিকুর স্বপ্ন - আহসান হাবীব
- চোর - রকিব হাসান
- ছায়াহীন - শিবব্রত বর্মন
- ঈদের আগের রাত - মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
মেরু ভালুকদের রাজা -
মূল : ফ্রাঙ্ক বাউম
ভাষান্তর : বিদ্যুত - গাধার টুপি - আহমেদ ফারুক
- আলসে বালক আর গরুর গল্প - মো. গোলাম রহমান
- অতি চালাকির সাজা! - এনায়েত রসুল
- মাছরাঙা আর রূপোর চামুচ - মোস্তফা হোসেইন
- হাবা রাকিবের কাণ্ড - মারুফ রেহমান
- বিড়ালের বন্ধুত্ব - রূপান্তর : আবুল বাসার
- গণেশ চ্যাটার্জি আর তার কালো কুকুর - নাফে মোহাম্মদ এনাম
- শিউ-পিউর বন্ধু তানতুলু - নূর সিদ্দিকী
- মেছোভূত - ইকবাল খন্দকার
- অ্যারোসল ভূত - শাকিল ফারুক
- পাঠশালা - আহমেদ রিয়াজ
- যুদ্ধের গল্প - ফরহাদ সাফায়েতুল কবীর
- বোকাতু - আরিফ হাসান
- রূপকথার ইলিশ - অর্জিতা মাধুর্য
- সীনের বাবা সীনের মা - আহমেদ রিয়াজ
- চাঁদ - পান্থ বিহোস
- মায়ের ভাষা - মুহাম্মদ মুনতাসির আলী
- জিন্নাহ'র না জানা গল্প - আহমেদ রিয়াজ
- ঘুম পাহাড়ের আজব পাখি - আ হ মে দ ফা রু ক
- উপহাস - আহমেদ রিয়াজ
-
ড্রাগনের যম ইভান -
মূল : ভ্লাদিমির বাইকো
অনুবাদ: হাসান খুরশীদ রুমি - টিনা আপুর জাদুর কাঠি - এনায়েত রসুল
- তারা পড়তে দেখলে - ধ্রুব এষ
- বাঘ-সিংহের গল্প - আহমেদ রিয়াজ
-
লুকোচুরি -
নিকোলাই নসভ
অনুবাদ: হাসান খুরশীদ রুমী - রহস্যময় কিশোর যোদ্ধা - আহমেদ রিয়াজ
- অদ্ভূতুড়ে কিন্তু ভূতুড়ে নয় - বিজয় মজুমদার
- তিন ভূতুড়ে - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- মরগানস উডসের ভূত - অনীশ দাস অপু
- মহাকাশে সু ভূতের অভিযান - বিধান রিবেরু
- জামাটা কোথায় গেল - আহমেদ রিয়াজ
- মি. হাকলি - নূর সিদ্দিকী
- বুলেট ভাইয়ের হাইজাম্প - মোস্তফা মামুন
-
একা কবরস্থানে -
মূল : অ্যালভিন শোয়ার্জ
অনুবাদ : হাসান খুরশীদ রুমী - তৈল মর্দন - সজ্জাদ কবীর
- ঝিন্টু - মানিক চন্দ্র দাস
- রবীন-মাহিনের মুক্তি... - আহসান হাবীব
- মামার ঘড়ি - পান্থ বিহোস
- তৃষার ভালো লাগা - এনায়েত রসুল
- খরগোশের টাকা চাষ - ভাষান্তর- মৃত্যুঞ্জয় রায়
- ঈদের চাঁদ - আশীষ চক্রবর্ত্তী
-
স্টোরিটেলার -
নিকোলাই নসভ
রূপান্তর : হাসান খুরশীদ রুমী - একটা গাছের চারা - আশরাফুল আলম পিনটু
- পাহাড় যখন সরে যায় - আমীরুল ইসলাম
- ঝিম দুপুরের গল্প - শাকিল ফারুক
- জেলে আর সোনার মাছ - রহীম শাহ
- কুয়োর ব্যাঙের সমুদ্র যাত্রা - বিজয় মজুমদার
- পুতুল - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
-
হানাবাড়ির উন্মাদ -
মূল : ইলেন এ. কিউল
অনুবাদ : অনীশ দাস অপু - চ্যালেঞ্জ! - রকিব হাসান
- রাজা এলেন - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- চুরি বিদ্যা বড়ো বিদ্যা - মোস্তফা মামুন
- আসলে কী ঘটেছিল - ইমদাদুল হক মিলন
- শিয়াল রাজার সাজা - এনায়েত রসুল
- রূপোলি রেণু - আলী ইমাম
- প্যালিনড্রোমিক ফর্ক... - আহসান হাবীব
- ঘড়ি উদ্ধার - আহমেদ রিয়াজ
- অপু আর তপু - আশরাফুল আলম পিন্টু
- সাদা মেঘ ও কাশফুলেরা - আহমেদ রিয়াজ
- মনের ভয় - ফাতেমা ফেরদৌস (পিংকি)
- চাঁদের বন্ধু খরগোশ - রেহানা পারভীন রুমা
- দুষ্টু টুলু - এনায়েত রসুল
- রেডিও - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- ঠাকুরমার ঝুলি এবং ইবু - আহমেদ ফারুক
- আষাঢ়ে হাতি ও রাজার গল্প - আহমেদ রিয়াজ
- সুন্দর - মঈনুল আহসান সাবের
-
ছোট্ট তুষারমানব -
কোরিয়ার রূপকথা
রূপান্তর : মো. গোলাম রহমান - ঘুপুর বন্ধু টুনু আর চি - এনায়েত রসুল
- এটা আমার বাবার গল্প, মায়েরও - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- চাষা ও তার গরু - আহমেদ রিয়াজ
- সহকারী গোয়েন্দা - মোস্তফা মামুন
- লাল বেলুন - আমীরুল ইসলাম
- ডান-বাম - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
-
শেষ যাত্রা -
মূল : কার্ল জ্যাকবি
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু - লিটুর ঘুম আসে না - মোস্তফা মামুন
- ভূতটা খোলা মাঠে একা শুয়ে আছে - আহমেদ রিয়াজ
- কিসমতের বিচার - হুমায়ূন কবীর ঢালী
- নিপুর আশ্রয় - এনায়েত রসুল
- দুই ভূতের কান্ড - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
কান্নার দাগ -
আফ্রিকার রূপকথা
রূপান্তর : আবুল বাসার - নূরী ও পরী - আহমেদ রিয়াজ
-
প্রকৃতি কন্যার দোলনা ঘর -
শোহেইল মতাহির চৌধুরী
- ছোট্ট জাদু-নুড়ি - আমীরুল ইসলাম
- জাদুর আয়না - রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- বিন্নির খুশি - এনায়েত রসুল
- ঘুম পাহাড়ের আজব পাখি - আহমেদ ফারুক







