মোঃ মিন্টু হোসেন
নীতু, মনির, আসমা, নিলয় আর রনি গোল হয়ে মাদুরের ওপর বসেছে। এক্ষুণি দাদী
এসে পড়বেন। আজ দাদীর কাছে গল্প শোনার জন্য সবাই অপেক্ষা করছে।
নিলয় বললো, ‘আজ দাদী আমাদের মজার একটা গল্প শোনাতে চেয়েছেন। কী যে মজা হবে! আজ নিশ্চয়ই দাদী আমাদের বাঘের গল্প বলবেন।’
নীতু বলে ওঠে, ‘নাহ! আমার মনে হয় দাদী আজ রূপকথার গল্প শোনাবেন।’
রনির আর তর সইছে না। কখন যে দাদী আসবেন। ‘কই দাদী এখনো আসছে না কেন?’
‘এই যে, তোমরা সবাই এসে গেছো দেখছি। সবাই গোল হয়ে বসেও গেছো।’ বলতে বলতে মাদুরের ওপর দাদী বসে পড়লেন।
‘দাদী এসে গেছে, দাদী এসে গেছে’ সবাই একসঙ্গে চিৎকার জুড়ে দিলো।
‘দাদী আজ কি গল্প শোনাবে তুমি?’ আসমা জিজ্ঞেস করে।
দাদী বললেন, ‘কি গল্প শুনতে চাও?’
‘দাদী আজ মজার একটা গল্প বলো না! একটা রূপকথার গল্প, যাতে বাঘ আছে, পক্সখীরাজ ঘোড়া আছে, আর আছে সুন্দর সুন্দর পরীরা।’ বললো মনির।
‘তা বেশ। তোমাদের আজ একটা ছোটো মেয়ের গল্প শোনাবো, যে কিনা রূপকথার গল্পতেও
আছে আবার এখন তোমাদের যে গল্প বলবো সেটিও শুনছে।’ দাদী বলে।
সবাই তো অবাক। সবার চোখ সরু হয়ে গেলো। এদিক ওদিক তাকাতে থাকলো। কোথায় সে ছোটো মেয়েটি!
‘দাদী, সে কি এখানে সত্যিই আছে?’ নীতু জিজ্ঞেস করে।
‘হ্যাঁ’।
সবাই অবাক।
দাদী শুরু করলেন।
‘গ্রিস দেশের নাম শুনেছো তোমরা?’
সবাই মাথা নাড়ায়।
‘প্রাচীন কালে এ গ্রিক দেশে কতো কতো মজার ঘটনা ঘটতো। তাদের কতো ইতিহাস
রয়েছে। আমাদের বাংলাদেশের যেমন অনেক ইতিহাস রয়েছে তেমনি। গ্রিস আর ট্রয়ের
যুদ্ধ তো কতো বড় ঘটনা। তোমরা যখন বড়ো হবে, ইতিহাস পড়লে কতো কিছু জানতে
পারবে।’
‘দেশটি ছিলো সমুদ্রের পাশে। দেশটি জুড়ে ছিলো বন। তারপর গ্রাম। আর ছোটো ছোটো
শহর। সেই সব গ্রামে কতো রকম মানুষ বাস করতো। কেউ ছিলো কৃষক, কেউ জেলে আবার
কেউ রাজার কর্মচারী। সেখানে একটা কৃষক পরিবারে একটা মেয়ের জন্ম হলো। বাবা
মা শখ করে ওর নাম রাখলেন আরকনি। সে মেয়েটিকে সবাই এক নামেই চিনতো। চিনবে না
কেন? ছোট্টো একটা মেয়ের যে দারুণ একটা গুণ ছিলো। আর সে দেখতেও ছিলো পরীর
মতো সুন্দর। তার ছিলো মাথাভর্তি কালো চুল। সেগুলো সুন্দর করে বেণী বাঁধতো।
তার চোখগুলো ছিলো আরো সুন্দর। সে হাঁটার সময় একটু দুলে দুলে হাঁটত। খুব
সুন্দর একটা মেয়ে ছিলো আরকনি।’
‘দাদী, কাউকে তো এখানে দেখছি না! তুমি যে বললে এখানে সে তোমার গল্প শুনছে।
তো কই সে? বলো না দাদী, আরকনি কোথায়?’ রনি ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করে।
দাদী হেসে ফেললেন। বললেন, ‘আগে পুরো গল্পটি শোনো। তারপর তোমরা নিশ্চয়ই আরকনিকে দেখতে পাবে।’
সবাই চারপাশে তাকাতে লাগলো। কেউ যেন বিশ্বাসই করতে পারছে না, এখানে ওদের মধ্যেই আরকনি বসে আছে।
‘দাদী তো আরকনির কি হলো?’ রনি জিজ্ঞেস করে।
‘ছোটো মেয়ে আরকনি খুব সুন্দর করে রুমাল বুনতে পারতো। তার মতো সুন্দর করে
পুরো গ্রিস দেশের আর কেউই তখন রুমাল বুনতে পারতো না। তার এ গুণের কথা ছড়িয়ে
পড়েছিলো সবখানে।’
‘আরকনির বাবা ছিলো কৃষক। আর ওর মা ওর জন্মের সময়ই মারা গিয়েছিলেন। ওর খুব
দুঃখ। তার উপর ওরা ছিলো খুব গরীব। বাবা সারাদিন মাঠে কাজ করে। আরকনি বাড়িতে
বসে বসে একা একা রুমাল বোনে। সে রুমালে কতোকিছু ফুটিয়ে তোলে। তার নিজের
দুঃখের কথা, গ্রিসের ফসলের মাঠ, গ্রামের ছোটো ছেলেমেয়ে, রাজা-রাণী, আর
সেদেশের বীর যোদ্ধাদের ছবি।’
‘দাদী, আরকনি তো ছোটো মেয়ে। আবার গরীবও। তো সুতা পেতো কোথায় সে?’ আসমা প্রশ্ন করলো।
‘তা শুনবে? শোনো তবে। আরকনিদের বাড়ির কাছেই ছিলো বুড়ি পলিনীর বাড়ি। বুড়ি
পলিনীর বয়স যে কতো হবে কেউই বলতে পারে না। পারবে কি করে? কেউ তেমন গুণতেই
পারতো না। পলিনী বুড়ি বসে বসে চরকায় সুতা কাটতো আর গান গাইতো।’
‘কি গান গাইতো বুড়ি পলিনী?’ রনির প্রশ্ন।
‘গ্রিসের পালাগান।’
‘ছোটো আরকনি, পলিনী বুড়িকে খুবই পছন্দ করতো। পলিনী বুড়ি আরকনিকে কাছে পেলেই
গ্রিসের রূপকথা শোনাতো। সে বুড়িই সুতা কেটে আরকনিকে দিতো। কতো রকম সুতা।
লাল-নীল-বেগুনী, কত্তো রঙের সুতা। সে সুতা দিয়েই আরকনি রুমাল তৈরি করতো।
‘একদিন রাজবাড়ীতে উৎসব শুরু হলো। সারা রাজ্যের সবার দাওয়াত। সবাইকে রাজা
খাওয়াবেন। মিষ্টান্ন, ফল-ফলাদি, মাংসসহ কত্তো কত্তো খাবার। যে যতোটা খেতে
পারে, কোনো মানা নেই।
‘সবাই রাজবাড়িতে খেতে ছুটেছে। ছোটো-বড়ো কেউ বাদ নেই। আরকনিরও খুব শখ। সে
রাজবাড়ী দেখতে যাবে। কিন্তু কে তাকে নিয়ে যাবে? তার বাবা সারাদিন মাঠে মাঠে
কাজ করে। তাই বাবার সাথে তার যাওয়া হবে না। সঙ্গী শুধু এক পলিনী বুড়ি। সে
ভালো করে হাঁটতে পারে না।’
‘দাদী, ও দাদী তবে কি পলিনী রাজবাড়িতে যেতে পারেনি?’ নীতু জিজ্ঞেস করে।
‘পেরেছিলো বৈকি। বুড়ি পলিনীই বললো, ও আরকনি আয়, আমরা দুজন আস্তে আস্তে হেঁটে হেঁটে চলে যাবো।
‘আরকনির ভারি ভয় করলো। রাজবাড়ি কতোদূর! আর একটা আস্ত বন পেরিয়ে ওদের যেতে
হবে। তবুও তার মন চাইছিলো রাজবাড়ি দেখতে। আরকনি শুনেছে রাজবাড়িতেও নাকি
সুন্দর একটা মেয়ে আছে। ওর নাম রাজকন্যা ‘অ্যাথিনি’। সে নাকি খুবই মিষ্টি
মেয়ে। সবার সঙ্গে কথা বলে। অ্যাথিনিকে দেখার বড়ো শখ আরকনির। তাই সে পলিনীকে
বললো চলো আমরা বেরিয়ে পড়ি।
‘এরপর দুজন মিলে রাজবাড়ির দিকে হাঁটতে থাকলো। হাঁটতে হাঁটতে বুড়ি পলিনী তো
হাঁপিয়ে ওঠে। তারপর দুজন মিলে একটু জিরোয়, আবার হাঁটে। আরকনি তার সঙ্গে করে
রুমাল বুনন কাঠি আর একগাদা সুঁতা এনেছে। ওরা যখনই বসে জিরোয় তখনই সে রুমাল
বুনতে বসে। ওর ইচ্ছা হয়েছে, রাজকন্যা অ্যাথিনীর সঙ্গে যখন ওর দেখা হবে তখন
সে সুন্দর রুমালটা উপহার দেবে। এজন্য সুন্দর করে রুমাল বুনছিলো সে।
‘হাঁটতে হাঁটতে রাত হয়ে গেলো। ওরা বনের মধ্যে চলে এসেছে। একসময় বনের মধ্যে
একটা বড়ো গাছ দেখা গেলো। সেখানে বসে দুজন ভাবছে, আর তো এখন যাওয়া যাবেনা।
এখানে একটু বসি। তারা যখন বসে পড়লো তখনই ক্লান্ত হয়ে পলিনী বুড়ি ঘুমিয়ে
পড়লো।
‘বনের মধ্যে অন্ধকারে ভারী ভয় করতে লাগলো আরকনির। একসময় হঠাৎ একটা আলো
দেখতে পেলো সে। আলোটা ধীরে ধীরে ওর কাছে চলে এলো। আরকনি দেখলো আরেকটা ছোটো
মেয়ে আলো নিয়ে বনের মধ্যে ওর সঙ্গে দেখা করতে এসেছে।
‘কে তুমি?’ আরকনি প্রশ্ন করলো।
‘আমার নাম এরিস।’
‘তুমি এ বনের মধ্যে কি করছো একা একা?’
‘আমিতো বনেই থাকি’ এখানেই আমার বাড়ি।
‘কেন? কি করো তুমি এখানে?’
‘আমার কথা থাক, তোমার নাম কি আগে তাই বলো দেখি।’
‘আমার নাম আরকনি। আমাদের গ্রাম অনেক দূরের পথ। আমরা রাজবাড়িতে যাচ্ছি।
সেখানে রাজা সবাইকে দাওয়াত দিয়েছেন। রাজকন্যা অ্যাথিনিও সবার সঙ্গে দেখা
করছেন। আমি তার সঙ্গেই দেখা করতে যাচ্ছি।’
‘তাই নাকি! আমিও যাবো। আমাকে তোমাদের সঙ্গে নেবে?’
‘চলো। তবে আমরা তো আবার সকালে রওনা দিবো। তখন তুমিও আমাদের সঙ্গে যেও। আচ্ছা, তুমি কোথায় থাকো?’
‘আমি থাকি, ঐযে পুরোনো একটা বাড়ি আছে ওখানে। যাবে তুমি আমার সঙ্গে? তোমার সঙ্গে এ বুড়িটা আবার কে?’
‘ওর নাম পলিনী। ও ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে।’
‘ঠিক আছে তুমি একাই চলো। আমাদের বাড়িতে থাকবে আজ রাতে। বুড়ি এখানেই ঘুমাক।
এখানে কোনো বাঘ বা হিংস্র কিছু নেই। তাই বুড়ি নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারবে।’
‘ঠিক আছো চলো এরিস। তোমার সঙ্গে যাই।’
‘তুমি হাতে এটা কি এনেছো?’
‘আমি তো রুমাল বুনি। এটা আমি রাজকন্যা অ্যাথিনীর জন্য তৈরি করছি।’
‘দেখি, দেখি সুন্দর তো!’
‘দাদী, এরপর কি হলো? এরিসটা আবার বনের মধ্যে কিভাবে এলো? ও কে?’
দাদী বললেন, ‘এরিসকে চেনো না। ইংরেজি ‘এরর’ শব্দটার অর্থ জানো? এরর মানে
হলো ভুল। ‘এরর’ শব্দটাও এরিস থেকেই এসেছে। তার মানে হলো, বনের মধ্যে যে
এরিস মেয়েটার সঙ্গে আরকনির দেখা হলো, সে মেয়েটা মোটেও ভাল কেউ নয়। মানে ও
হলো ডাইনী।’
‘দাদী ডাইনী বলে তো কিছু নেই, তাই না? তবে, তুমি যে বললে ও ডাইনী।’ নিলয় জিজ্ঞেস করলো।
‘গ্রিস দেশে যারা জাদুবিদ্যা জানতো তাদের ডাইনী বলা হতো।’ দাদী বললেন।
‘তোমরা একটু চুপ করবে? দাদী তারপর কি হলো তাড়াতাড়ি বলো’, আর তর সইছে না
রনির। কারণ ওর চোখ চারপাশে ঘুরছে। দাদী বলেছে এ ঘরেই আরকনি আছে। রনি তাকে
খুঁজে বের করবেই।
‘তারপর কি হলো? তারপর এরিস আরকনিকে নিয়ে পুরোনো একটা ঘরের মধ্যে নিয়ে গেলো। তারপর সে ঘরে আলোটা রেখে বললো তুমি ঘুমাও।
‘তুমি ঘুমাবে না?’
‘আমি একটু আসছি।’
‘এরপর এরিস সে ঘরের দরজাটা বাইরে থেকে আটকে দিলো। ঘরে অল্প আলোতে বসে রুমাল
বুনতে লাগলো আরকনি। রাত পেরিয়ে গেলো। তবুও সে রুমাল বুনেই চললো। তার কোনো
ঘুম নেই। তার সুঁতা প্রায় ফুরিয়ে এলো, রুমাল বোনা শেষ প্রায়। এক সময় ঘুমিয়ে
পড়লো আরকনি।’
এদিকে, এরিস অন্য ঘরে ঘুমাতে লাগলো। সকালে উঠে দেখে আরকনির ঘরে সুন্দর একটা
রুমাল। তার খুব লোভ হলো। সে রুমালটি চুরি করে নিলো। ভাবলো রাজকন্যা
অ্যাথিনিকে সে নিজেই এটি উপহার দেবে। কিন্তু এরিস তো আর রুমাল বুনতে পারে
না। আরকনি যদি বলে সে রুমাল তৈরি করেছে তবে তো এরিসের কোনো নাম হবে না। তাই
কুমতলব আঁটলো ডাইনি এরিস। সে আরকনির ঘরে দরজা আটকে দিয়ে এবার নিজের
যাদুবিদ্যা কাজে লাগালো। সে নিজেই আরকনি সেজে বসলো। তারপর গেল বুড়ির কাছে।
এদিকে বুড়ি পলিনীও ঘুম থেকে জেগে উঠলো। সে কিচ্ছুটি বুঝতে পারলো না।’
দুজন মিলে রাজবাড়ি পৌঁছে গেলো।
রাজকন্যা অ্যাথিনী খুব সুন্দর একটা রুমাল পেয়ে তো খুব খুশি। সে তখন আরকনির
রূপ ধরে থাকা এরিসকে তার নিজের কক্ষে নিয়ে গেলো। তারপর তাকে কত্তো কিছু
খেতে দিলো।
আর এদিকে, দুঃখী আরকনি ঘরের মধ্যে ঘুম থেকে জেগে উঠে দেখলো তার রুমাল নেই।
এমনকি ঘরের দরজাও বন্ধ। তার খুব কান্না পেলো। মনের দুঃখে সে আবারও রুমাল
বুনতে শুরু করলো। কিন্তু সুঁতা তো আর নেই। কি দিয়ে রুমাল বুনবে সে? সে তখন
দেখলো সূর্যের আলো পড়ছে ঘরের এক ছোটো ফাঁক দিয়ে। সেখানে গিয়ে সূর্যের আলো
আর চোখের পানি থেকে এক সুতা তৈরি করে ফেললো আরকনি। সেটা দিয়ে তার
বুননকাঠিতে সূক্ষ একটা রুমাল তৈরি করতে লাগলো সে। তার সাথে কিভাবে এরিস
প্রতারণা করেছে সে কাহিনীই সে মিহি রুমালে লিখতে লাগলো। দুঃখী আরকনি এভাবেই
রুমাল বুনতে থাকলো।
‘এরিস যখন রাজকন্যা অ্যাথিনীর ঘরে বসে মজা করে খাচ্ছে তখন রাজকন্যা
অ্যাথিনী রুমালের দিকে তাকিয়ে সুন্দর একটা মেয়েকে দেখতে পেলো। তারপর সে
এরিসের রূপ ধরে থাকা আরকনিকে প্রশ্ন করলো- তোমার বাড়ি কোথায় আবার বলো তো?
থতমত খেয়ে সে বললো- ‘বনের মধ্যে’। বুদ্ধিমতি রাজকন্যা অ্যাথিনি ধরে ফেললো
এটা নিশ্চয়ই এ মেয়েটির হাতে বোনা রুমাল নয়। তুমি সত্যি রুমাল বুনতে পারো?
যদি পারো তো তোমার বুননকাঠি কই?
‘ধরা পড়ে গেলো এরিস। রাজকন্যা অ্যাথিনীও কিন্তু গোপনে জাদুবিদ্যা চর্চা
করতো। কারণ তখন গ্রিসের সব রাজকন্যাদের জাদুবিদ্যা পড়ানো হতো। রাজকন্যা
অ্যাথিনী তার জাদুর বলে এরিসের চালাকি ধরে ফেলে তাকে আটক করতে বললেন। সাথে
সাথে রাজ পেয়াদারা ডাইনী এরিসকে আটক করে নিয়ে গেলো।’
‘কিন্তু দাদী এতো গেলো এরিসের কথা। আরকনির কি হলো? সে কি সে ঘরের মধ্যেই আটকে থাকলো?’ নীতু প্রশ্ন করলো।
‘দুঃখী আরকনি সে ঘরের মধ্যেই চিরকাল রুমাল বুনতে থাকলো।’
‘কিন্তু দাদী তুমি যে বললে, আরকনি এ ঘরেই আছে। আমি তো এখনো দেখতে পেলাম না।’ রনি বললো।
এতোক্ষণ চুপচাপ বসে ছিলো মনির। সে বললো, ‘দাদী, আমি পেয়েছি। সত্যি আমি পেয়েছি।’
দাদী হেসে ফেললেন।
সবাই একসঙ্গে বলে উঠলো, ‘কোথায়, কোথায়?’
হঠাৎ ঘরের কোনের দিকে মনির আঙ্গুল তুলে দেখালো, ‘ঐযে ওখানে।’
সবাই অবাক হয়ে তাকিয়ে দেখলো ঘরের কোণে একটা ছোটো মাকড়সা সুন্দর রুমালের মতো জাল বুনছে।
- মেয়েটি মাকড়সা হয়ে গেল - কাজী কেয়া
- কাজলকাকা ভূত নয় - ইমতিয়ার শামীম
- অর্পণের মা - আলী হাবিব
- রাশিয়ান রূপকথা: ধপাস ভালুক - রহীম শাহ
- মুখোশ রহস্য - আহমেদ রিয়াজ
- মুরগী ছানা তিতি - আরিফুন নেছা সুখী
- অহংকারী রাজকন্যা - বিএম বরকতউল্লাহ
- পুতুল ভূত - রানা জামান
- রাখাল ও জাদুর আম গাছ - হুমায়ুন কবীর ঢালী
- দুষ্টু ছানাদের গল্প - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- তুতুন - আল নাহিয়ান
- সাইকেল বাবু - লিটন মহন্ত
- রূপকথা নীল পূর্ণিমার সোমেশ্বরী - রবীন ভাবুক
- পরীরাণী - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- সাদাসোনা মেঘ, নীল ঘুড়ি আর খোলা মাঠে একা ছেলেটা - নূর সিদ্দিকী
- অন্ধকারের এক রহস্যমানুষ আর রাজহাঁস - মিন্টু হোসেন
- চকোলেট দৌড় - সোহানা রহমান
- স্কুলপড়ুয়া পাখি, প্রজাপতি আর ছড়া - মেহেরুবা নিশা
- গরুর ঘায়ে! - আহমেদ রিয়াজ
-
ঝুমি ও একটি কুকুর -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
উপন্যাস: পিশাচ-কন্যা -
সামান্থা লি
রূপান্তর: অনীশ দাস অপু - অক্স ও বুল (সায়েন্স ফিকশন গল্প) - আবুল কালাম আজাদ
- আমি ভূত - সোহানা রহমান
- সবুজ মাঠ - শিবলী নোমান
- মন্দ মানুষ - চন্দন চৌধুরী
- ঈদে মুক্তির আনন্দ - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- জোনাকিদের গ্রহে ভয়েজার ১ - মিন্টু হোসেন
- তর্ক-বিতর্ক - পাভেল মহিতুল আলম
- খরচি মামার সাইকেল - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
- লাল জামা - বিএম বরকতউল্লাহ্
- আমার বন্ধু ডোরেমন - আহমেদ রিয়াজ
-
অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস অজানা দ্বীপে অভিযান -
মূল : এডগার অ্যালান পো
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- ঢেউয়ের বন্ধুরা - নূর সিদ্দিকী
- ভাষা - জাহিদুল আলম
- বর্ণান্ধ - মারিয়া হোসেন
- ভূতের সঙ্গে আড়ি - মুহসীন মোসাদ্দেক
- নরহরি দাস - উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
- কাকদের পুরীষ উৎসব! - মহিউদ্দীন আহ্মেদ
- সে সত্যিই ছিল একটা বাচ্চা পরি - মেহেরুবা নিশা
-
মেঘকন্যা আর টুনটুনিছানা -
বিএম বরকতউল্লাহ্
- নবম মাত্রার গোবট - ধ্রুব নীল
-
পরী এবং পরিবেশ -
মাহাবুবুল হাসান নীরু
- দুঃখী বুড়ি ও নেংটি ইঁদুর - বিএম বরকতউল্লাহ্
- ভালো 'মন খারাপ' - চন্দন চৌধুরী
- রকির চাওয়া - জুবায়ের হুসাইন
- মৌমাছি ও কাঠুরিয়া - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- ফিরে দেখা - রবীন ভাবুক
- মতির মাথায় গাব - ধ্রুব নীল
- প্রজাপতি হবো - এনায়েত রসুল
- চাঁদনি-হালুয়া - সঞ্চারিণী
- জলে কোলাহল - চন্দন চৌধুরী
- এক টুকরো মেঘ ও দুঃখী গাছ - বিএম বরকতউল্লাহ
- আমার রোবট 'রবি' - মোঃ মিন্টু হোসেন
- কত আটায় কত রুটি - আবুল কালাম আজাদ
- আংটি - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- শহরে একদিন - আহমেদ রিয়াজ
- পল্টুর বন্ধু - আহসান হাবীব
-
হরর গল্প -
মিস্ট্রেস স্যারি মূল : উইলিয়াম টেন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- নিলেশের অন্য ভূবন - আফরোজা অদিতি
- ভাষার খোঁজে নেপালে - সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ
- গিফট - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- ভূত শিকার - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
-
ডানাকাটা পাখি ও সীম বীজ -
চন্দন চৌধুরী
- গোয়েন্দা মেনু'দা - রবীন ভাবুক
- তিনা আর লাল গোলাপ - আফরোজা অদিতি
- পরীটি কি জাদু জানে - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- আরকনির রুমাল - মোঃ মিন্টু হোসেন
- পুষ্পিতার ঈদ - আফরোজা আদিতি
- হাতির ডিম - আহমেদ রিয়াজ
- কঙ্ক - শুভ অংকুর
- বিন্নির খুশি - এনায়েত রসুল
- প্রান্ত ও তার এ্যাডনোক্সিয়ান বন্ধু (সায়েন্স ফিকশান) - আবুল কালাম আজাদ
- এক যে ছিলো রাসেল - বেবী মওদুদ
- আতঙ্কের প্রহর [রহস্য গল্প] - অনীশ দাস অপু
- ঈদ শপিং - আহসান হাবীব
- উপন্যাস- আলিবাবা ও চালিচার - শিবব্রত বর্মন
- মৌমাছি - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
- সূত্রধর স্যার - জাহিদুল আলম
-
কোনো এক অমাবস্যার রাতে -
আহমেদ রিয়াজ
- বিজ্ঞানী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গড়ে আটকা এক নেকড়ে - মোঃ মিন্টু হোসেন
- প্রজাপতি - এনায়েত রসুল
- পরী এসেছিল - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- বিচ্ছু ভাগনের কাণ্ড - জাহিদুল আলম
- নিশান আর ব্ল্যাকহোল - আফরোজা অদিতি
- পরীর বন্ধু অহনা - এনায়েত রসুল
-
স্যারের বিপদ -
জাহিদুল আলম
-
নতুন স্যার -
আবুল কালাম আজাদ
-
মিকাই-এর বাঘের ছানা -
মিন্টু হোসেন
-
আলুভর্তা -
জান্নি রোদারি
অনুবাদ: জামিল বিন সিদ্দিক -
বেকার আয়না -
জাহিদুল আলম
-
একদিন রাতে ধবধবে বিড়ালটা -
আহমেদ রিয়াজ
- অবাক বইপাঠ - মুনির রানা
- জোকার - শিবব্রত বর্মন
- ইঁদুরের ভোজ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ভৌতিকবাড়ি - অনীশ দাস অপু
- মেলায় মাঠে পিউস - আফরোজা অদিতি
-
মিস্ট্রেস স্যারি -
মূল : উইলিয়াম টেন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
ভয়ঙ্কর এক লোক -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
তেরো তলা -
মূল : ডন উলফসনে
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
টুঙ্গিপাড়ার খোকা -
বেবী মওদুদ
-
রাতের আতঙ্ক -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
বৃক্ষপরী টিয়া -
আফরোজা অদিতি
-
গেকো -
অনীশ দাস অপু
-
ময়না -
আফরোজা অদিতি
-
রাজকন্যা মাঈশা আর বলঢাঁশের গল্প -
আশরাফুল ইসলাম সাগর
-
শেয়াল দেবতার প্রতিহিংসা -
মূল : রবার্ট ব্লচ
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু - ফার্স্ট হওয়ার ঝামেলা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- শূন্যে ডানা মেলে - এনায়েত রসুল
-
একটু উষ্ণতার জন্য -
মূল : হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান এন্ডারসন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
শামন্তীর শীতবেলা -
মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
রাতের অতিথি -
আহমেদ রিয়াজ
- চৈতি আপু - ইমদাদুল হক মিলন
- তেতুল গাছ - আহসান হাবীব
- টুশির গল্প - বেবী মওদুদ
- চড়ুই পাখিদের ঘরের ঘটনা - ধ্রুব এষ
- বিলাই মা বিলাই ছা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- এক শিশি আলতা - এনায়েত রসুল
- কুলরাজা কুলরাণী - শাশ্বত ভট্টাচার্য
- ছায়ার মানুষ - আহমেদ রিয়াজ
- আলতা কন্যার জন্মদিন - মারুফ রেহমান।
- লেজ উঁচিয়ে - আহমেদ রিয়াজ
- ভৌতিক গল্প : থাবা - অনীশ দাস অপু
- রাজার ঈগল পাখি (কম্বোডিয়ার লোককাহিনী) - অনুবাদ: মৃত্যুঞ্জয় রায়
- আকাশ ছুঁয়ে উড়বো - এনায়েত রসুল
- আবু আর বাবু - বেবী মওদুদ
-
ভূতুড়ে বানর -
মূল : স্টিফেন কিং
অনুবাদ : অনীশ দাস অপু - কার ছবি - ইমদাদুল হক মিলন
- ঝন্টু মন্টুর দাদি - আহসান হাবীব
- সন্ধ্যার বিচিত্র ঘটনা - ধ্রুব এষ
-
তিন রাজপুত্র -
অনুবাদ : শিবব্রত বর্মন
মূল গল্প: আইজাক আসিমভ - নওরিনের স্কুল - এনায়েত রসুল
- বংশী নদীর ঘটনা - হামিদ কায়সার
- মাকড়সার চন্দ্র ভ্রমণ - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- ইঁদুর সাহেবার হলিডে - মিজানুর খান
- জাদুর ঢোল - আহমেদ রিয়াজ
- ক্যামডেন কিলার - অনীশ দাস অপু
- পরীর দেশে - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- পিঁপড়ে যখন হাতির বন্ধু - আহমেদ রিয়াজ
- সাগর পরী - মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
বৃষ্টি তুমি এসো না -
অনীশ দাশ অপু
মূল রচনা: আইজাক আসিমভ - ঝমঝমে আষাঢ়ে - আহমেদ রিয়াজ
-
ভৌতিক হাত -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প: কার্ল জ্যাকবির ‘দ্য হ্যান্ড’ -
বাবার জন্য ভালোবাসা -
মুহাম্মদ নাহিয়ান বিন খালেদ
- সেন্টমার্টিনে বাবার সাথে - জারিন তাসনিম অতসী
-
ভৌতিক ঘুড়ি -
অনীশ দাস অপু
মূল: কার্ল জ্যাকবি’র ‘দ্যা কাইট’ - ফুটবল প্রেমিক - রাশেদ শাওন
- ঘটনাটা সত্য - এনায়েত রসুল
- ভুতুড়ে বাড়ি - অনীশ দাস অপু
- ইচ্ছাপূরণ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- মায়ের কাছে ফেরা - বেবী মওদুদ
- স্বপ্ন - শিবব্রত বর্মন
- মেলায় যাবো - এনায়েত রসুল
- কুমড়ো দানব - অনীশ দাস অপু
- আসলে ছবিটা মেঘের - ধ্রুব এষ
- কাশেম আলী গরু চরাতো - আনিসুল হক
-
অদৃশ্য শত্রু -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প : ফিলিপ কে. ডিক - জাদুকর - সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল
-
জানের দুশমন -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প : হেনরি কুটনার - ভালোবাসার সবুজ গাছ - ইমরুল ইউসুফ
- বড়দিনের রাতে - অনীশ দাস অপু
- দেহহীন - শিবব্রত বর্মন
- নীলুর নীল চশমা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- রহস্যভেদী - রকিব হাসান
- দুষ্টু বিড়াল - অনীশ দাস অপু
- অপেক্ষা - মোস্তফা মামুন
- ঈশানপুরের অপুর কান্ড - সুমন কায়সার
- রাজা যখন গাছে - আহমেদ রিয়াজ
- অন্যরকম ভালোলাগা - শুভ অংকুর
- পৃথিবীর জন্য ভালোবাসা (সায়েন্স ফিকশন) - শুভ অংকুর
- কিং মিঠু - মোস্তফা মামুন
- প্রেতাত্মা - অনীশ দাস অপু
- রোবট - আনিসুল হক
- চতুর্দশতম/চৌদ্দ - নঈম তারিক
- জিকুর স্বপ্ন - আহসান হাবীব
- চোর - রকিব হাসান
- ছায়াহীন - শিবব্রত বর্মন
- ঈদের আগের রাত - মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
মেরু ভালুকদের রাজা -
মূল : ফ্রাঙ্ক বাউম
ভাষান্তর : বিদ্যুত - গাধার টুপি - আহমেদ ফারুক
- আলসে বালক আর গরুর গল্প - মো. গোলাম রহমান
- অতি চালাকির সাজা! - এনায়েত রসুল
- মাছরাঙা আর রূপোর চামুচ - মোস্তফা হোসেইন
- হাবা রাকিবের কাণ্ড - মারুফ রেহমান
- বিড়ালের বন্ধুত্ব - রূপান্তর : আবুল বাসার
- গণেশ চ্যাটার্জি আর তার কালো কুকুর - নাফে মোহাম্মদ এনাম
- শিউ-পিউর বন্ধু তানতুলু - নূর সিদ্দিকী
- মেছোভূত - ইকবাল খন্দকার
- অ্যারোসল ভূত - শাকিল ফারুক
- পাঠশালা - আহমেদ রিয়াজ
- যুদ্ধের গল্প - ফরহাদ সাফায়েতুল কবীর
- বোকাতু - আরিফ হাসান
- রূপকথার ইলিশ - অর্জিতা মাধুর্য
- সীনের বাবা সীনের মা - আহমেদ রিয়াজ
- চাঁদ - পান্থ বিহোস
- মায়ের ভাষা - মুহাম্মদ মুনতাসির আলী
- জিন্নাহ'র না জানা গল্প - আহমেদ রিয়াজ
- ঘুম পাহাড়ের আজব পাখি - আ হ মে দ ফা রু ক
- উপহাস - আহমেদ রিয়াজ
-
ড্রাগনের যম ইভান -
মূল : ভ্লাদিমির বাইকো
অনুবাদ: হাসান খুরশীদ রুমি - টিনা আপুর জাদুর কাঠি - এনায়েত রসুল
- তারা পড়তে দেখলে - ধ্রুব এষ
- বাঘ-সিংহের গল্প - আহমেদ রিয়াজ
-
লুকোচুরি -
নিকোলাই নসভ
অনুবাদ: হাসান খুরশীদ রুমী - রহস্যময় কিশোর যোদ্ধা - আহমেদ রিয়াজ
- অদ্ভূতুড়ে কিন্তু ভূতুড়ে নয় - বিজয় মজুমদার
- তিন ভূতুড়ে - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- মরগানস উডসের ভূত - অনীশ দাস অপু
- মহাকাশে সু ভূতের অভিযান - বিধান রিবেরু
- জামাটা কোথায় গেল - আহমেদ রিয়াজ
- মি. হাকলি - নূর সিদ্দিকী
- বুলেট ভাইয়ের হাইজাম্প - মোস্তফা মামুন
-
একা কবরস্থানে -
মূল : অ্যালভিন শোয়ার্জ
অনুবাদ : হাসান খুরশীদ রুমী - তৈল মর্দন - সজ্জাদ কবীর
- ঝিন্টু - মানিক চন্দ্র দাস
- রবীন-মাহিনের মুক্তি... - আহসান হাবীব
- মামার ঘড়ি - পান্থ বিহোস
- তৃষার ভালো লাগা - এনায়েত রসুল
- খরগোশের টাকা চাষ - ভাষান্তর- মৃত্যুঞ্জয় রায়
- ঈদের চাঁদ - আশীষ চক্রবর্ত্তী
-
স্টোরিটেলার -
নিকোলাই নসভ
রূপান্তর : হাসান খুরশীদ রুমী - একটা গাছের চারা - আশরাফুল আলম পিনটু
- পাহাড় যখন সরে যায় - আমীরুল ইসলাম
- ঝিম দুপুরের গল্প - শাকিল ফারুক
- জেলে আর সোনার মাছ - রহীম শাহ
- কুয়োর ব্যাঙের সমুদ্র যাত্রা - বিজয় মজুমদার
- পুতুল - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
-
হানাবাড়ির উন্মাদ -
মূল : ইলেন এ. কিউল
অনুবাদ : অনীশ দাস অপু - চ্যালেঞ্জ! - রকিব হাসান
- রাজা এলেন - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- চুরি বিদ্যা বড়ো বিদ্যা - মোস্তফা মামুন
- আসলে কী ঘটেছিল - ইমদাদুল হক মিলন
- শিয়াল রাজার সাজা - এনায়েত রসুল
- রূপোলি রেণু - আলী ইমাম
- প্যালিনড্রোমিক ফর্ক... - আহসান হাবীব
- ঘড়ি উদ্ধার - আহমেদ রিয়াজ
- অপু আর তপু - আশরাফুল আলম পিন্টু
- সাদা মেঘ ও কাশফুলেরা - আহমেদ রিয়াজ
- মনের ভয় - ফাতেমা ফেরদৌস (পিংকি)
- চাঁদের বন্ধু খরগোশ - রেহানা পারভীন রুমা
- দুষ্টু টুলু - এনায়েত রসুল
- রেডিও - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- ঠাকুরমার ঝুলি এবং ইবু - আহমেদ ফারুক
- আষাঢ়ে হাতি ও রাজার গল্প - আহমেদ রিয়াজ
- সুন্দর - মঈনুল আহসান সাবের
-
ছোট্ট তুষারমানব -
কোরিয়ার রূপকথা
রূপান্তর : মো. গোলাম রহমান - ঘুপুর বন্ধু টুনু আর চি - এনায়েত রসুল
- এটা আমার বাবার গল্প, মায়েরও - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- চাষা ও তার গরু - আহমেদ রিয়াজ
- সহকারী গোয়েন্দা - মোস্তফা মামুন
- লাল বেলুন - আমীরুল ইসলাম
- ডান-বাম - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
-
শেষ যাত্রা -
মূল : কার্ল জ্যাকবি
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু - লিটুর ঘুম আসে না - মোস্তফা মামুন
- ভূতটা খোলা মাঠে একা শুয়ে আছে - আহমেদ রিয়াজ
- কিসমতের বিচার - হুমায়ূন কবীর ঢালী
- নিপুর আশ্রয় - এনায়েত রসুল
- দুই ভূতের কান্ড - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
কান্নার দাগ -
আফ্রিকার রূপকথা
রূপান্তর : আবুল বাসার - নূরী ও পরী - আহমেদ রিয়াজ
-
প্রকৃতি কন্যার দোলনা ঘর -
শোহেইল মতাহির চৌধুরী
- ছোট্ট জাদু-নুড়ি - আমীরুল ইসলাম
- জাদুর আয়না - রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- বিন্নির খুশি - এনায়েত রসুল
- ঘুম পাহাড়ের আজব পাখি - আহমেদ ফারুক







