রবীন ভাবুক
গ্রীষ্মের ছুটির ঘনঘটায় ঠিক মতো বাড়ীর কাজটাও বুঝে নিতে পারলো না শুভ। কাল
থেকে ২৩ দিনের লম্বা ছুটি ওর। বাবা বলেছে এবার সবাইকে নিয়ে গ্রামের বাড়ি
যাবে। উত্তেজনায় খুব সকালেই ঘুম ভেঙ্গে গেল শুভর। ঘরে কোন সাড়াশব্দ নেই।
তড়াক করে বিছানায় উঠে বসে মনে মনে ভাবলো, যাহ্ দেরি হয়ে গেল! সবাই বুঝি ওকে
ফেলে রেখেই চলে গেলো। বুকটা দুরুদুরু করতে লাগলো। শুভ তাড়াতাড়ি বাবা-মা’র
রুমের দিকে গেলো। গিয়ে দেখে বাবা-মা ঘুমুচ্ছে। হঠাৎ করেই দেয়ালে রাখা ঘড়ির
দিকে চোখ পড়লো। মাত্র সারে চারটা বাজে। লজ্জা পেয়ে গেলো ও।
অবশেষে শেষ হলো সব প্রস্তুতি। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ওরা রওনা হলো বরিশালের
উদ্দেশ্যে। ওদের গ্রামের বাড়ির নাম সাগরদী। ওদের পূর্বপুরুষ নাকি ওখানকার
জমিদার ছিলো। আজও নাকি ওদের বাড়ি পনেরো বিঘা জায়গা জুড়ে। সেই পুরানো আমলের
কিছু কিছু বিল্ডিং-ও এখনো আছে। বাড়ির চারিদিক ঝোপ-জঙ্গলে ভরা। এই তো
কিছুদিন আগেও নাকি বাড়ির পাশের বাগানে বাঘের ভয় ছিলো। বাড়ির দক্ষিণ দিকের
জঙ্গলে নাকি তেঁতুল গাছে ভুতও থাকে! তাই সহজে কেউ ওই পথ মাড়ায় না। ওরা
সন্ধ্যা নাগাদ বাড়ি এসে পৌঁছালো। সকলেই একে একে ওদের সাথে পরিচিত হলো। তবে
শুভ’র বেশি ভালো লেগেছে সবার ছোট পল্টুকে। ও যেন কথার রাজা। সবই যেনো
বোঝে, এমন একটা ভাব। পল্টু শুভর কানে কানে বললো, এখনও একজনের সাথে তোমার
পরিচয় হয়নি।
- কার সাথে?
- বারে, সে তো আমাদের মেনুদা।
- মেনুদা! ধুর এটা কারো নাম হয় নাকি!
- বারে, হবে না কেন? ওর নাম আসলে অনন্ত। দাদা চাইতো বড় হয়ে মিলিটারি হবে। তা তো হতে পারলো না, তাই তাকে হাফ নামে ডাকি মেনুদা।
পল্টু ফোকলা দাঁত বের করে হাসতে থাকে। আর তাই শুনে শুভর তো হাসতে হাসতে প্রাণ যায় যায় অবস্থা!
এর মধ্যে পল্টু বললো-
- ওই তো চলে এলো। মেনুদা এসো এসো। এই হলো শুভ দা। শুভ দা এই তো মেনুদা।
এরপর জমে গেল ওদের গল্প। সে কী গল্প! শুনতে শুনতে যেনো শুভর গায়ে কাঁটা দেয়। রাতে ঘুমাতে গিয়ে নানা কথা মাথায় এসে জমতে লাগলো শুভর।
সকালে গুঞ্জনের শব্দে শুভর ঘুম ভাঙলো। কিন্তু ঠিক বুঝতে পারছে না কি হয়েছে।
পল্টুটাকেও দেখা যাচ্ছে না ওর কাছ থেকে জেনে নিবে। কিছুক্ষণ বাদেই পল্টু এসে হাজির। পল্টু আস্তে আস্তে বললো-
- জানি তো দাদা তুমি কি নিয়ে চিন্তা করছো। চলো তোমাকে বলছি।
- হ্যা, চল তো কি হয়েছে শুনি।
- আসলে ঠাকুর মার একটা মূর্তি হারিয়েছে। শুনেছি ওটা ঠাকুমার শ্বশুর
দিয়েছিলেন। জানি না, একটা মাটির মূর্তির জন্য এত কান্না কেন। বাজার থেকে আর
একটা কিনে নিলেই তো হয়।
কথা শেষ না হতেই মেনুদা এসে হাজির। সে বললো-
- নারে পল্টু, ওটা মাটির না। মূর্তিটার অনেক দাম। খুব মূল্যবান পাথরের। তবে
বুঝতে পারছি না কেন যে হঠাৎ ওটা চুরি হলো। কে নিতে পারে ওটা?
মেনু দা একটু ভেবে বললো-
- চলতো দেখি জানতে পারি কিনা ওটা কে নিলো।
শুভ কেমন যেনো একটু গোয়েন্দা কাহিনীর গন্ধ পেল।
ওরা বাইরে চলে এলো। বাড়ির উত্তরের জঙ্গলটা পেরিয়ে একটা ঢিবির উপর আসতেই
দেখলো, বাড়ির কাজের ছেলে মিহির দাপাতে দাপাতে ছুটে আসছে। ওরা কাছে গিয়ে তো
অবাক! পল্টু বললো-
- একি মিহির তোমার মুখ-হাত ফুঁলে এমন চাল কুমড়া হলো কি করে? কি হয়েছে? তোমার হাতে কি হয়েছে? ছিলে গেছে কিভাবে?
- খোকা বাবু, আমি গরু বাঁধতে গিয়ে মৌমাছির কামড় খেয়েছি। ওই দিকে যেয়ো না। তাহলে তোমাকেও কামড়াবে। আমি এখন যাই। খুব ব্যথা করছে।
মিহির হনহনিয়ে চলে গেল। মেনুদা বললো-
- গাধা কোথাকার, গরু বাঁধতে গিয়ে মৌমাছির বাসার কাছে কেন যায়! বোকামি করলে কামড় খাবে না। চলো শুভ সামনে যাই।
ওরা সামনে
যেতেই দেখলো একটা আমড়া গাছে অনেক গুলো ভ্রমর ভনভন করে উড়ছে। মেনুদা বললো-
- চলো চলো। এখান থেকেই ওই গাধাটা কামড় খেয়েছে। তাড়াতাড়ি সরে পড়ি, তা না হলে আমাদেরকেও ছাড়বে না।
কিছুক্ষণ বাদে ওরা বাড়ি চলে এলো। কোন কিছুই মাথায় খেলছে না। ওরা এসে ঠাকুমার কাছে গিয়ে বসে রইলো। ঠাকুমা মূর্তিটি রাখার বাক্সটা হাতে নিয়ে মন খারাপ করে বসে আছে। পল্টু বললো-
খুব খিদে পেয়েছে। বলে মিহিরকে জোরে ডেকে বললো-
- মিহির তাড়াতাড়ি কিছু খেতে দাও, আমাদের খিদে পেয়েছে।
পল্টু এবার ঠাকুমাকে বললো-
- কিভাবে হারালো ওটা ঠাকুমা?
- যা ভাগ বদমাশ। আমি মরি মনের কষ্টে আর ও এসেছে জানতে। শুভ বললো-
- আহা একটু বলোই না কিভাবে হলো?
- আরে কাল খাবার পর রাতে ঘুমাতে যাবার আগে চশমাটা খুলে রেখেছি। হঠাৎ ও ঘরে শব্দ পেয়ে ছুটে যাই। গিয়ে দেখি একটা বিদঘুটে মাথা মোটা কে যেন বাক্সটা থেকে ওটা বের করছে। আমি যখন বললাম কে কে, তখন সে বাক্সটা ফেলে মূর্তিটা রেখে পালিয়ে গেলো।
মিহির এসে খাবার দিয়ে চলে যাবে এমন সময় ঠাকুমা বললো-
- মিহির তুই কি কাল ও-ঘরে গিয়েছিলি?
- না তো বড় মা। আমি কখন গেলাম?
- ঠিক আছে তুই যা, আমার জন্য জল গরম দিতে বল।
সবাই যে যার মত হৈ চৈ করছে। এমন সময় মেনুদা বললো-
- চল তো পল্টু।
- কোথায় যাব এই অবেলায়? বাবা বকবে যে।
- চল, কিছু হবে না। একটু ঘুরে আসি। শুভ চলো যাই।
মেনুদা ওদের নিয়ে ঢিবির পাশে সেই আম গাছটার কাছে এলো। খানিক ভেবে বললো-
- এক কাজ কর। কিছু খড় জড়ো কর।
খড় জড়ো করতেই পকেট থেকে ম্যাচ বের করে বললো-
- খুব সাবধানে! খড় গুলো ওই ভ্রমরের বাসার নিচে দিতে হবে।
ওরা খুব সাবধানে খড়গুলো ভ্রমরের বাসার নিচে দিলো। মেনু আস্তে করে খড়ে আগুন দিয়ে বললো চল দূরে যাই, তা না হলে ভ্রমরগুলোও আমাদের ছাড়বে না। কিছুক্ষণ পর মেনুদা বললো-
- চল ভ্রমর গুলো দূরে চলে গেছে। এবার দেখবি আসল মজা।
ওরা আস্তে আস্তে ভ্রমরের বাসার কাছে গেল। মেনুদা ভ্রমরের বাসার মধ্যে হাত ঢুকিয়ে দিয়ে খানিক বাদেই হাতে করে বের করে আনলো সেই মূর্তিটা। ওরা তো অবাক! শুভ্রর চোখ বড়ো বড়ো হয়ে গেলো। পল্টু তো হাঁ করে রইলো। খুব কষ্টে পল্টু বললো-
- মেনুদা তুমি কি ভাবে জানলে এটা এখানে?
- তা পরে বলবো। চল, এখন চোরকে পাকড়াও করতে হবে। বুঝলি তো চোর কে?
- কে?
- আরে ওই মিহির। অবশ্য সাথে বড়ো কেউ আছে। তা নাহলে এ কাজ করার সাহস ওর হোতো না। শোন, এই কথা আর মূর্তি পাওয়ার কথা কাউকে বলার দরকার নেই। এখন চল একটু থানায় যাবো। কাজ আছে। রাতে দেখবি আসল খেলা।
ওরা চলে গেলো।
শুভর ভেতর কেমন যেন উত্তেজনা ভর করছে। রাত বাড়ছে। ওরা ভ্রমরের বাসাওয়ালা সেই আমড়া গাছের কাছেই একটা ঝোপের আড়ালে লুকিয়ে আছে। মশা মামারাও আজ খেপেছে। খুব মজা করে রক্ত খাচ্ছে। এমন সময় ফিস ফিস শব্দ পেলো ওরা। হঠাৎ দেখলো মিহির আর সাথে আরো দু’জন ওই আম গাছের নিচে চলে এসেছে। কিছুক্ষণ পর মিহির সেই ভ্রমরের বাসার মধ্যে হাত ঢুকিয়ে একটা মূর্তি বের করে এনেছে। এমন সময় মেনুদা ওদের সামনে এক লাফে হাজির। ওরা তো ভূত দেখার মতো চমকে উঠলো। ভয় সামলে নিয়ে একজন আবার মেনুদাকে একটা লাঠি দিয়ে জোরসে মারলো। সাথে সাথে শুভ্ররাও আড়াল থেকে এক চিৎকার দিয়ে বেরিয়ে এলো। এমন সময় ওদের সবাইকে অবাক করে দিয়ে পুলিশ আড়াল থেকে বের হয়ে এলো, আর মিহিরসহ সবাইকে ধরে ফেললো। আর ততোক্ষণে চিৎকার চেঁচামেচি শুনে বাড়ির সবাই ছুটে এলো। এসেই জিজ্ঞেস করলো-
- কি হয়েছে এতো রাতে। পল্টু তোরা এখানে এতো রাতে কি করছিস? আবার পুলিশই বা কেন?
তখন একজন পুলিশ বললো-
- আমি বলছি শুনুন। এরপর এক এক করে সব খুলে বললো পুলিশটা।
শুনে তো সবার চোখ বড় বড় হয়ে গেল। এবার মিহিরের হাত থেকে মূর্তিটা কেড়ে নিয়ে ঠাকুরমার হাতে দিলো পুলিশ। কিন্তু ঠাকুরমা তো অবাক। তিনি বললেন-
- বারে! এটাতো মাটির মূর্তি। আসলটা নয়।
মেনুদা বললো- আসলটা আমার কাছে। ওটা সরিয়ে আমিই ওখানে নকলটা রেখেছি, যাতে ওদের হাতে-নাতে ধরতে পারি। আবার যদি না পেয়ে ওরা অস্বীকার করে তাই। এই বলে জামার ভেতর থেকে আসল মূর্তিটা বের করে আনলো।
পল্টু বললো-
- তুমি আবার এটা কখন রাখলে?
- সন্ধ্যার পর যখন আমি বাড়ি থেকে তোদের ওখানে যাচ্ছিলাম, তখন বাজার থেকে এটা কিনে এনে রেখেছিলাম। আর বাজারে যখন যাই তখন এই লোক গুলোর সাথে মিহিরকে কথা বলতে দেখি। তখন আমি আড়ি পেতে ওদের কথা শুনি।
পল্টু বললো- কিন্তু তা বিকালে হলে আমরা তো মূর্তি পেয়েছি দুপুরে।
- হ্যাঁ। ওরা আজ এখানে আসবে এটা শুনেছি সন্ধ্যায়। আর মূর্তি যে মিহির নিয়েছে তা বুঝতে পেরেছি দুপুরেই। কিভাবে? তাহলে বলছি শোন- ঠাকুমার সাথে যখন কথা বলছি তখনই বুঝতে পেরেছি। ঠাকুমা যখন মিহিরকে বললো ‘কাল তুই কি আমার ঘরে গিয়েছিলি?’, তখনই এই চিন্তা মাথায় এলো। প্রথমত, কাল ঠাকুমা চশমা ছাড়া ছিলো। তাই মিহিরকে বিদঘুটে দেখেছিলো। কারণ চশমা ছাড়া ঠাকুমা কিছুই ভাল দেখতে পায় না। আর আজ চশমা চোখে মিহিরকে ভ্রমরের কামড়ে ওই বিদঘুটে চেহারায় দেখেই ঠাকুমার মনে সন্দেহ হয়েছিলো। সেই থেকেই শুরু। এরপর যখন দেখলাম সেই বাক্সটার গায়ে রক্তের দাগ তখন আরো সন্দেহ হলো। পল্টু তোর মনে আছে, মিহিরের হাতে সেই ক্ষতের দাগ?
পল্টু মাথা নাড়ে। এরপর আবার বলতে শুরু করলো মেনুদা-
- ঠাকুমা যখন কাল বলেছিলো ‘কে?’, তখন তাড়াহুড়া করতে গিয়ে মিহিরের হাত কেটে যায়। এই হলো আরো পরিস্কার। আরো পরিস্কার হলাম, যখন চিন্তা করলাম মিহির গরু বাঁধতে গিয়ে ওই ভ্রমরের বাসার কাছে যাবে কেন? তাছাড়া ভ্রমর তো আর বেছে বেছে ওর মাথায় আর ডান হাতেই কামড়াবে না। তার মানে হলো ও ডান হাত দিয়ে ভ্রমরের বাসায় মূর্তিটা রেখেছিলো আর ভ্রমর তখনই ডান হাতে আর মাথায় বেশি কামড়ায়। বাঁ হাতের ফোলাটাও একটু কম। ওকে অনেক টাকা দেবে বলেছিলো বলেই মিহির এত কষ্ট সত্তে¡ও এই কাজ করেছে। তাছাড়া ওর হাত ফোলার জন্য ঔষধ আনার উসিলায় বাজারে গিয়েছিলো ওদের চুরির খবরটা দিতে। ব্যস, হয়ে গেলো।
ঠাকুমা বললো, বারে, তোরা তো গোয়েন্দা হয়ে গেলি।
পুলিশ ফিরে বললো, ঠিক তাই। ওরা যে কী কাজ করেছে তা ওরা নিজেরাই জানে না। এটা হলো একটি চক্র। দেশের মূল্যবান মূর্তিগুলো এরা চুরি করে বিদেশে পাচার করে। কোন ভাবেই এদেরকে আমরা ধরতে পারছিলাম না। মেনুদা, এর জন্য সরকার কিন্তু তোমাদেরকে পুরস্কার দেবে। তোমরা আজ আমাদের দেশের জন্য একটা বড় কাজ করে দিয়েছো। সাবাস!
এরপর থেকে পল্টুর পাকামিটা আরো একটু বেশিই বেড়ে গেল। যখন পল্টুকে কেউ বলে কী রে গোয়েন্দা, কেমন আছিস? তখন গর্বে সে যে একটা মাথা ঝাড়া দেয় না!
- মেয়েটি মাকড়সা হয়ে গেল - কাজী কেয়া
- কাজলকাকা ভূত নয় - ইমতিয়ার শামীম
- অর্পণের মা - আলী হাবিব
- রাশিয়ান রূপকথা: ধপাস ভালুক - রহীম শাহ
- মুখোশ রহস্য - আহমেদ রিয়াজ
- মুরগী ছানা তিতি - আরিফুন নেছা সুখী
- অহংকারী রাজকন্যা - বিএম বরকতউল্লাহ
- পুতুল ভূত - রানা জামান
- রাখাল ও জাদুর আম গাছ - হুমায়ুন কবীর ঢালী
- দুষ্টু ছানাদের গল্প - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- তুতুন - আল নাহিয়ান
- সাইকেল বাবু - লিটন মহন্ত
- রূপকথা নীল পূর্ণিমার সোমেশ্বরী - রবীন ভাবুক
- পরীরাণী - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- সাদাসোনা মেঘ, নীল ঘুড়ি আর খোলা মাঠে একা ছেলেটা - নূর সিদ্দিকী
- অন্ধকারের এক রহস্যমানুষ আর রাজহাঁস - মিন্টু হোসেন
- চকোলেট দৌড় - সোহানা রহমান
- স্কুলপড়ুয়া পাখি, প্রজাপতি আর ছড়া - মেহেরুবা নিশা
- গরুর ঘায়ে! - আহমেদ রিয়াজ
-
ঝুমি ও একটি কুকুর -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
উপন্যাস: পিশাচ-কন্যা -
সামান্থা লি
রূপান্তর: অনীশ দাস অপু - অক্স ও বুল (সায়েন্স ফিকশন গল্প) - আবুল কালাম আজাদ
- আমি ভূত - সোহানা রহমান
- সবুজ মাঠ - শিবলী নোমান
- মন্দ মানুষ - চন্দন চৌধুরী
- ঈদে মুক্তির আনন্দ - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- জোনাকিদের গ্রহে ভয়েজার ১ - মিন্টু হোসেন
- তর্ক-বিতর্ক - পাভেল মহিতুল আলম
- খরচি মামার সাইকেল - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
- লাল জামা - বিএম বরকতউল্লাহ্
- আমার বন্ধু ডোরেমন - আহমেদ রিয়াজ
-
অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস অজানা দ্বীপে অভিযান -
মূল : এডগার অ্যালান পো
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- ঢেউয়ের বন্ধুরা - নূর সিদ্দিকী
- ভাষা - জাহিদুল আলম
- বর্ণান্ধ - মারিয়া হোসেন
- ভূতের সঙ্গে আড়ি - মুহসীন মোসাদ্দেক
- নরহরি দাস - উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
- কাকদের পুরীষ উৎসব! - মহিউদ্দীন আহ্মেদ
- সে সত্যিই ছিল একটা বাচ্চা পরি - মেহেরুবা নিশা
-
মেঘকন্যা আর টুনটুনিছানা -
বিএম বরকতউল্লাহ্
- নবম মাত্রার গোবট - ধ্রুব নীল
-
পরী এবং পরিবেশ -
মাহাবুবুল হাসান নীরু
- দুঃখী বুড়ি ও নেংটি ইঁদুর - বিএম বরকতউল্লাহ্
- ভালো 'মন খারাপ' - চন্দন চৌধুরী
- রকির চাওয়া - জুবায়ের হুসাইন
- মৌমাছি ও কাঠুরিয়া - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- ফিরে দেখা - রবীন ভাবুক
- মতির মাথায় গাব - ধ্রুব নীল
- প্রজাপতি হবো - এনায়েত রসুল
- চাঁদনি-হালুয়া - সঞ্চারিণী
- জলে কোলাহল - চন্দন চৌধুরী
- এক টুকরো মেঘ ও দুঃখী গাছ - বিএম বরকতউল্লাহ
- আমার রোবট 'রবি' - মোঃ মিন্টু হোসেন
- কত আটায় কত রুটি - আবুল কালাম আজাদ
- আংটি - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- শহরে একদিন - আহমেদ রিয়াজ
- পল্টুর বন্ধু - আহসান হাবীব
-
হরর গল্প -
মিস্ট্রেস স্যারি মূল : উইলিয়াম টেন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- নিলেশের অন্য ভূবন - আফরোজা অদিতি
- ভাষার খোঁজে নেপালে - সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ
- গিফট - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- ভূত শিকার - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
-
ডানাকাটা পাখি ও সীম বীজ -
চন্দন চৌধুরী
- গোয়েন্দা মেনু'দা - রবীন ভাবুক
- তিনা আর লাল গোলাপ - আফরোজা অদিতি
- পরীটি কি জাদু জানে - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- আরকনির রুমাল - মোঃ মিন্টু হোসেন
- পুষ্পিতার ঈদ - আফরোজা আদিতি
- হাতির ডিম - আহমেদ রিয়াজ
- কঙ্ক - শুভ অংকুর
- বিন্নির খুশি - এনায়েত রসুল
- প্রান্ত ও তার এ্যাডনোক্সিয়ান বন্ধু (সায়েন্স ফিকশান) - আবুল কালাম আজাদ
- এক যে ছিলো রাসেল - বেবী মওদুদ
- আতঙ্কের প্রহর [রহস্য গল্প] - অনীশ দাস অপু
- ঈদ শপিং - আহসান হাবীব
- উপন্যাস- আলিবাবা ও চালিচার - শিবব্রত বর্মন
- মৌমাছি - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
- সূত্রধর স্যার - জাহিদুল আলম
-
কোনো এক অমাবস্যার রাতে -
আহমেদ রিয়াজ
- বিজ্ঞানী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গড়ে আটকা এক নেকড়ে - মোঃ মিন্টু হোসেন
- প্রজাপতি - এনায়েত রসুল
- পরী এসেছিল - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- বিচ্ছু ভাগনের কাণ্ড - জাহিদুল আলম
- নিশান আর ব্ল্যাকহোল - আফরোজা অদিতি
- পরীর বন্ধু অহনা - এনায়েত রসুল
-
স্যারের বিপদ -
জাহিদুল আলম
-
নতুন স্যার -
আবুল কালাম আজাদ
-
মিকাই-এর বাঘের ছানা -
মিন্টু হোসেন
-
আলুভর্তা -
জান্নি রোদারি
অনুবাদ: জামিল বিন সিদ্দিক -
বেকার আয়না -
জাহিদুল আলম
-
একদিন রাতে ধবধবে বিড়ালটা -
আহমেদ রিয়াজ
- অবাক বইপাঠ - মুনির রানা
- জোকার - শিবব্রত বর্মন
- ইঁদুরের ভোজ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ভৌতিকবাড়ি - অনীশ দাস অপু
- মেলায় মাঠে পিউস - আফরোজা অদিতি
-
মিস্ট্রেস স্যারি -
মূল : উইলিয়াম টেন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
ভয়ঙ্কর এক লোক -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
তেরো তলা -
মূল : ডন উলফসনে
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
টুঙ্গিপাড়ার খোকা -
বেবী মওদুদ
-
রাতের আতঙ্ক -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
বৃক্ষপরী টিয়া -
আফরোজা অদিতি
-
গেকো -
অনীশ দাস অপু
-
ময়না -
আফরোজা অদিতি
-
রাজকন্যা মাঈশা আর বলঢাঁশের গল্প -
আশরাফুল ইসলাম সাগর
-
শেয়াল দেবতার প্রতিহিংসা -
মূল : রবার্ট ব্লচ
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু - ফার্স্ট হওয়ার ঝামেলা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- শূন্যে ডানা মেলে - এনায়েত রসুল
-
একটু উষ্ণতার জন্য -
মূল : হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান এন্ডারসন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
শামন্তীর শীতবেলা -
মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
রাতের অতিথি -
আহমেদ রিয়াজ
- চৈতি আপু - ইমদাদুল হক মিলন
- তেতুল গাছ - আহসান হাবীব
- টুশির গল্প - বেবী মওদুদ
- চড়ুই পাখিদের ঘরের ঘটনা - ধ্রুব এষ
- বিলাই মা বিলাই ছা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- এক শিশি আলতা - এনায়েত রসুল
- কুলরাজা কুলরাণী - শাশ্বত ভট্টাচার্য
- ছায়ার মানুষ - আহমেদ রিয়াজ
- আলতা কন্যার জন্মদিন - মারুফ রেহমান।
- লেজ উঁচিয়ে - আহমেদ রিয়াজ
- ভৌতিক গল্প : থাবা - অনীশ দাস অপু
- রাজার ঈগল পাখি (কম্বোডিয়ার লোককাহিনী) - অনুবাদ: মৃত্যুঞ্জয় রায়
- আকাশ ছুঁয়ে উড়বো - এনায়েত রসুল
- আবু আর বাবু - বেবী মওদুদ
-
ভূতুড়ে বানর -
মূল : স্টিফেন কিং
অনুবাদ : অনীশ দাস অপু - কার ছবি - ইমদাদুল হক মিলন
- ঝন্টু মন্টুর দাদি - আহসান হাবীব
- সন্ধ্যার বিচিত্র ঘটনা - ধ্রুব এষ
-
তিন রাজপুত্র -
অনুবাদ : শিবব্রত বর্মন
মূল গল্প: আইজাক আসিমভ - নওরিনের স্কুল - এনায়েত রসুল
- বংশী নদীর ঘটনা - হামিদ কায়সার
- মাকড়সার চন্দ্র ভ্রমণ - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- ইঁদুর সাহেবার হলিডে - মিজানুর খান
- জাদুর ঢোল - আহমেদ রিয়াজ
- ক্যামডেন কিলার - অনীশ দাস অপু
- পরীর দেশে - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- পিঁপড়ে যখন হাতির বন্ধু - আহমেদ রিয়াজ
- সাগর পরী - মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
বৃষ্টি তুমি এসো না -
অনীশ দাশ অপু
মূল রচনা: আইজাক আসিমভ - ঝমঝমে আষাঢ়ে - আহমেদ রিয়াজ
-
ভৌতিক হাত -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প: কার্ল জ্যাকবির ‘দ্য হ্যান্ড’ -
বাবার জন্য ভালোবাসা -
মুহাম্মদ নাহিয়ান বিন খালেদ
- সেন্টমার্টিনে বাবার সাথে - জারিন তাসনিম অতসী
-
ভৌতিক ঘুড়ি -
অনীশ দাস অপু
মূল: কার্ল জ্যাকবি’র ‘দ্যা কাইট’ - ফুটবল প্রেমিক - রাশেদ শাওন
- ঘটনাটা সত্য - এনায়েত রসুল
- ভুতুড়ে বাড়ি - অনীশ দাস অপু
- ইচ্ছাপূরণ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- মায়ের কাছে ফেরা - বেবী মওদুদ
- স্বপ্ন - শিবব্রত বর্মন
- মেলায় যাবো - এনায়েত রসুল
- কুমড়ো দানব - অনীশ দাস অপু
- আসলে ছবিটা মেঘের - ধ্রুব এষ
- কাশেম আলী গরু চরাতো - আনিসুল হক
-
অদৃশ্য শত্রু -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প : ফিলিপ কে. ডিক - জাদুকর - সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল
-
জানের দুশমন -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প : হেনরি কুটনার - ভালোবাসার সবুজ গাছ - ইমরুল ইউসুফ
- বড়দিনের রাতে - অনীশ দাস অপু
- দেহহীন - শিবব্রত বর্মন
- নীলুর নীল চশমা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- রহস্যভেদী - রকিব হাসান
- দুষ্টু বিড়াল - অনীশ দাস অপু
- অপেক্ষা - মোস্তফা মামুন
- ঈশানপুরের অপুর কান্ড - সুমন কায়সার
- রাজা যখন গাছে - আহমেদ রিয়াজ
- অন্যরকম ভালোলাগা - শুভ অংকুর
- পৃথিবীর জন্য ভালোবাসা (সায়েন্স ফিকশন) - শুভ অংকুর
- কিং মিঠু - মোস্তফা মামুন
- প্রেতাত্মা - অনীশ দাস অপু
- রোবট - আনিসুল হক
- চতুর্দশতম/চৌদ্দ - নঈম তারিক
- জিকুর স্বপ্ন - আহসান হাবীব
- চোর - রকিব হাসান
- ছায়াহীন - শিবব্রত বর্মন
- ঈদের আগের রাত - মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
মেরু ভালুকদের রাজা -
মূল : ফ্রাঙ্ক বাউম
ভাষান্তর : বিদ্যুত - গাধার টুপি - আহমেদ ফারুক
- আলসে বালক আর গরুর গল্প - মো. গোলাম রহমান
- অতি চালাকির সাজা! - এনায়েত রসুল
- মাছরাঙা আর রূপোর চামুচ - মোস্তফা হোসেইন
- হাবা রাকিবের কাণ্ড - মারুফ রেহমান
- বিড়ালের বন্ধুত্ব - রূপান্তর : আবুল বাসার
- গণেশ চ্যাটার্জি আর তার কালো কুকুর - নাফে মোহাম্মদ এনাম
- শিউ-পিউর বন্ধু তানতুলু - নূর সিদ্দিকী
- মেছোভূত - ইকবাল খন্দকার
- অ্যারোসল ভূত - শাকিল ফারুক
- পাঠশালা - আহমেদ রিয়াজ
- যুদ্ধের গল্প - ফরহাদ সাফায়েতুল কবীর
- বোকাতু - আরিফ হাসান
- রূপকথার ইলিশ - অর্জিতা মাধুর্য
- সীনের বাবা সীনের মা - আহমেদ রিয়াজ
- চাঁদ - পান্থ বিহোস
- মায়ের ভাষা - মুহাম্মদ মুনতাসির আলী
- জিন্নাহ'র না জানা গল্প - আহমেদ রিয়াজ
- ঘুম পাহাড়ের আজব পাখি - আ হ মে দ ফা রু ক
- উপহাস - আহমেদ রিয়াজ
-
ড্রাগনের যম ইভান -
মূল : ভ্লাদিমির বাইকো
অনুবাদ: হাসান খুরশীদ রুমি - টিনা আপুর জাদুর কাঠি - এনায়েত রসুল
- তারা পড়তে দেখলে - ধ্রুব এষ
- বাঘ-সিংহের গল্প - আহমেদ রিয়াজ
-
লুকোচুরি -
নিকোলাই নসভ
অনুবাদ: হাসান খুরশীদ রুমী - রহস্যময় কিশোর যোদ্ধা - আহমেদ রিয়াজ
- অদ্ভূতুড়ে কিন্তু ভূতুড়ে নয় - বিজয় মজুমদার
- তিন ভূতুড়ে - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- মরগানস উডসের ভূত - অনীশ দাস অপু
- মহাকাশে সু ভূতের অভিযান - বিধান রিবেরু
- জামাটা কোথায় গেল - আহমেদ রিয়াজ
- মি. হাকলি - নূর সিদ্দিকী
- বুলেট ভাইয়ের হাইজাম্প - মোস্তফা মামুন
-
একা কবরস্থানে -
মূল : অ্যালভিন শোয়ার্জ
অনুবাদ : হাসান খুরশীদ রুমী - তৈল মর্দন - সজ্জাদ কবীর
- ঝিন্টু - মানিক চন্দ্র দাস
- রবীন-মাহিনের মুক্তি... - আহসান হাবীব
- মামার ঘড়ি - পান্থ বিহোস
- তৃষার ভালো লাগা - এনায়েত রসুল
- খরগোশের টাকা চাষ - ভাষান্তর- মৃত্যুঞ্জয় রায়
- ঈদের চাঁদ - আশীষ চক্রবর্ত্তী
-
স্টোরিটেলার -
নিকোলাই নসভ
রূপান্তর : হাসান খুরশীদ রুমী - একটা গাছের চারা - আশরাফুল আলম পিনটু
- পাহাড় যখন সরে যায় - আমীরুল ইসলাম
- ঝিম দুপুরের গল্প - শাকিল ফারুক
- জেলে আর সোনার মাছ - রহীম শাহ
- কুয়োর ব্যাঙের সমুদ্র যাত্রা - বিজয় মজুমদার
- পুতুল - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
-
হানাবাড়ির উন্মাদ -
মূল : ইলেন এ. কিউল
অনুবাদ : অনীশ দাস অপু - চ্যালেঞ্জ! - রকিব হাসান
- রাজা এলেন - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- চুরি বিদ্যা বড়ো বিদ্যা - মোস্তফা মামুন
- আসলে কী ঘটেছিল - ইমদাদুল হক মিলন
- শিয়াল রাজার সাজা - এনায়েত রসুল
- রূপোলি রেণু - আলী ইমাম
- প্যালিনড্রোমিক ফর্ক... - আহসান হাবীব
- ঘড়ি উদ্ধার - আহমেদ রিয়াজ
- অপু আর তপু - আশরাফুল আলম পিন্টু
- সাদা মেঘ ও কাশফুলেরা - আহমেদ রিয়াজ
- মনের ভয় - ফাতেমা ফেরদৌস (পিংকি)
- চাঁদের বন্ধু খরগোশ - রেহানা পারভীন রুমা
- দুষ্টু টুলু - এনায়েত রসুল
- রেডিও - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- ঠাকুরমার ঝুলি এবং ইবু - আহমেদ ফারুক
- আষাঢ়ে হাতি ও রাজার গল্প - আহমেদ রিয়াজ
- সুন্দর - মঈনুল আহসান সাবের
-
ছোট্ট তুষারমানব -
কোরিয়ার রূপকথা
রূপান্তর : মো. গোলাম রহমান - ঘুপুর বন্ধু টুনু আর চি - এনায়েত রসুল
- এটা আমার বাবার গল্প, মায়েরও - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- চাষা ও তার গরু - আহমেদ রিয়াজ
- সহকারী গোয়েন্দা - মোস্তফা মামুন
- লাল বেলুন - আমীরুল ইসলাম
- ডান-বাম - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
-
শেষ যাত্রা -
মূল : কার্ল জ্যাকবি
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু - লিটুর ঘুম আসে না - মোস্তফা মামুন
- ভূতটা খোলা মাঠে একা শুয়ে আছে - আহমেদ রিয়াজ
- কিসমতের বিচার - হুমায়ূন কবীর ঢালী
- নিপুর আশ্রয় - এনায়েত রসুল
- দুই ভূতের কান্ড - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
কান্নার দাগ -
আফ্রিকার রূপকথা
রূপান্তর : আবুল বাসার - নূরী ও পরী - আহমেদ রিয়াজ
-
প্রকৃতি কন্যার দোলনা ঘর -
শোহেইল মতাহির চৌধুরী
- ছোট্ট জাদু-নুড়ি - আমীরুল ইসলাম
- জাদুর আয়না - রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- বিন্নির খুশি - এনায়েত রসুল
- ঘুম পাহাড়ের আজব পাখি - আহমেদ ফারুক







