চন্দন চৌধুরী
বৃষ্টি হচ্ছে না। মাঠ-ঘাট শুকিয়ে ফেটে চৌচির। মাঠে সবুজ ঘাসগুলোর মরো মরো
অবস্থা। গরুগুলোও দাঁড়িয়ে আছে নির্বাক মেঘের দিকে চেয়ে। চাতকপাখি সেই যে
গলা উঁচিয়ে উপরের দিকে চেয়েছে, নামানোর আর কোনো লক্ষণ নেই। জলরাজ্যেও বেহাল
অবস্থা। শুকিয়ে ক্ষীণকায় হয়ে গেছে নদীনালা। জলজ প্রাণীদেরও আর বসবাসের
অবস্থা নেই। নদী ভরে গেছে চরে। বালিরাশিও চেয়ে আছে যেন মুখ হা করে। জলজ
প্রাণীদের কষ্ট আর দেখে কে! কুমীর চলে এসেছে জল ছেড়ে ডাঙায়, সাথে ব্যাঙেরাও
এসেছে। কিছু জলকীটও চলে এসেছে। আর যেগুলো স্থলে বাঁচতে পারে না, ওরা জলেই
রয়ে গেছে মাছদের সাথে। সাপেরা আশ্রয় নিয়েছে তীরের বনজঙ্গলে। কিন্তু শুধু
ডাঙায় কি আর ওরা বাঁচতে পারে! স্থলে এসেও সাপ, ব্যাঙ, কুমীর আর জলকীটেরা
ভালো থাকতে পারলো না। একদিন তারা একসাথে হয়ে নিজেদের সুখ-দুঃখের কথা আলাপ
করতে লাগলো। কুমীর কাঁদো কাঁদো হয়ে বললো, ‘কী বলবো দুঃখের কথা! আমার দু’টো
ছানাকে শিয়ালে খেয়ে ফেলেছে। সারারাত পাহারা দিয়ে যে-ই চোখ দু’টি বন্ধ
করেছি, ওই সুযোগেই সর্বনাশ করে ফেলেছে শিয়াল।’
সাপ কাঁদতে কাঁদতে বললো, ‘আমার যে সব গিয়েছে। বেজি আমার একমাত্র সঙ্গীকে চিরদিনের জন্য শেষ করে ফেলেছে।’
ব্যাঙ বললো, ‘আমার অবস্থাও খারাপ। শুকনো নদীর মতো নিজেই শুকিয়ে যাচ্ছি। আর কয়েকদিন এভাবে থাকলে আমাকে আর খুঁজেও পাওয়া যাবে না।’
জলকীটেরা বললো, ‘আমরাও অসার আর নিস্তেজ হয়ে পড়েছি। পুঁচকে পিঁপড়েরা পর্যন্ত আমাদের বিরক্ত করছে।’
সাপ বললো, ‘এই অবস্থা থেকে মুক্তির জন্য আমাদের কিছু একটা করতে হবে।’
ব্যাঙ বললো, ‘কী করা যায়, কিছুই তো বুঝতে পারছি না।’
কুমীর বললো, ‘চলো আমরা আবার জলে যাই। ওখানে মাছ আর কিছু জলকীটেরা রয়ে গেছে।
মাছ তো অনেক বিষয়ে জ্ঞান রাখে। তার কাছ থেকে কোনো বুদ্ধি পাওয়া গেলেও যেতে
পারে!’
কুমীর, সাপ, ব্যাঙ আর স্থলবাসী জলকীটেরা জলে নেমে এলো। জলে গিয়ে দেখলো মাছ
আর জলে থাকা বাকি জলকীটের অবস্থা আরও করুণ। ঝাঁঝালো রোদে আগুনের মতো গরম
হয়ে আছে জল। বেশকিছু মাছের শরীরে ফোস্কাও পড়ে গেছে। এসব দেখে স্থল থেকে আসা
কুমীর, সাপ, ব্যাঙ আর জলকীটের মাথা আরও খারাপ হয়ে গেল।
কুমীর বললো, ‘ভাই মাছ, এই অবস্থায় কী করা যায়? তোমার মাথায় যদি কোনো বুদ্ধি থাকে তবে আমাদের বলো।’
মাছ গম্ভীর মুখে বললো, ‘একটা কিছু তো অবশ্যই করতে হবে। ... হ্যাঁ, একটা কাজ
করা যায়। এ ব্যাপারে মেঘের সাথে আমরা একটা চুক্তি করতে পারি।’
‘কী রকম চুক্তি?’
‘চুক্তি তো চুক্তিই। মেঘ আমাদের বৃষ্টি ঝরিয়ে জল উপহার দেবে, আর বিনিময়ে সে আমাদের কাছে যা চাইবে তাই দেব।’
‘কিন্তু মেঘের সাথে এই চুক্তি করবে কে?’
‘সাপ আর ব্যাঙকে স্থলে পাঠাও। ওরা চুক্তি করতে পারবে বলেই আমার বিশ্বাস।’
‘সাপ আর ব্যাঙ কিভাবে মেঘের সাথে চুক্তি করবে?’
‘গাছে পাখি আছে। পাখির সাথে তারা চুক্তিটা সারবে। আর পাখিরা চুক্তি করে দেবে মেঘের সাথে।’
সাপ আর ব্যাঙকে ডাঙায় পাঠানো হলো। অনেক কষ্টের পর পাখির দেখা পেল তারা। সাপ
পাখিকে বললো, ‘পাখি ভাই, আমরা বড় বিপদে পড়ে তোমার কাছে এসেছি।’
পাখি সাপের আর্তকণ্ঠ শুনে বললো, ‘বলো, তোমাদের জন্য আমি কী করতে পারি ?’
‘খরায় আমাদের প্রাণ যায় যায় অবস্থা! তাই আমরা জলের প্রাণীরা মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি মেঘের সাথে একটা চুক্তি করবো।’
‘কী চুক্তি?’
‘চুক্তিটা এরকম- মেঘ আমাদের বৃষ্টি দিবে আর বিনিময়ে সে আমাদের কাছে যা চাইবে তা দিয়েই আমরা তাকে সন্তুষ্ট করবো।’
‘বেশ, সে তো খুব ভালো চুক্তি।’
‘তাহলে তুমি আমাদের সাহায্য করছো?’
‘অবশ্যই, কেন নয়! তোমাদের সাহায্য করলে তো সাথে সাথে আমরাও উপকার পাচ্ছি।
ঠিক আছে, তোমরা এখানেই অপেক্ষা করো, মেঘের সাথে আমি এক্ষুণি কথা বলে আসছি।’
এই কথা বলে পাখি উড়ে গেল আকাশের দিকে। উড়তে উড়তে চলে গেল একেবারে মেঘের
কাছে। গিয়ে বললো, ‘মেঘবন্ধু, তোমার কাছে আমি একটা প্রস্তাব নিয়ে এসেছিলাম।’
মেঘ বললো, ‘কী প্রস্তাব?’
‘জলের প্রাণীদের খুব কষ্ট হচ্ছে। নদী-নালা শুকিয়ে গেছে। তারা চায় তুমি
বৃষ্টি দিয়ে তাদের সাহায্য করো। আর এর বদলে তুমি তাদের কাছে যা চাইবে ওরা
তোমাকে তা-ই দেবে।’
‘উত্তম প্রস্তাব।’
‘তাহলে তুমি তাদের জন্য বৃষ্টি ঝরাচ্ছো!’
‘হ্যাঁ। তবে আগে আমি যা চাইব তা আমাকে দিতে হবে। তাহলেই বৃষ্টি ঝরাবো।’
‘বলো, কী চাও তুমি?’
‘আমার বহুদিনের শখ, সাপের মণির। আমি সাপের মণি চাই।’
‘ঠিক আছে, আমি তাহলে ওদেরকে বলি, তোমার সাপের মণি চাই। আমি তাহলে যাই।
তোমার সাথে পরে দেখা হবে।’ এই বলেই পাখি মেঘের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে চলে
এলো। ফিরে এসে দেখল সাপ আর ব্যাঙ আগ্রহভরে তার ফিরে আসার জন্য অপেক্ষা
করছে। ব্যাঙ বললো, ‘পাখি ভাই, খবর কী?’
‘খবর ভালো। তোমরা যদি মেঘকে সাপের মণি দাও তবে সে বৃষ্টি ঝরাতে রাজি আছে।’
‘ঠিক আছে, আমরা এখন যাচ্ছি। আশা করি মেঘকে আমরা সাপের মণি দিতে পারবো।’
সাপ ও ব্যাঙ জলে ফিরে এলো। সব খুলে বললো বাকিদের। মাছ মাথা ঝাঁকিয়ে বললো,
‘ঠিক আছে, আমাদের মধ্যে যখন সাপ রয়েছে, মণি দিতে কষ্ট হবে না। তবে এজন্য
আমরা সবাই মিলে সাপকে উপযুক্ত অর্থকড়ি প্রদান করবো।’
সকলে মাছের প্রস্তাবটি মেনে নিলো। মিটিং-এ সিদ্ধান্ত নে’য়া হলো, একদিনের
মধ্যেই কড়ি জমা দিয়ে দেওয়া হবে। ক্যাশিয়ার ও মণিবাহক হিসেবে তারা ব্যাঙকে
নিয়োগ করলো।
পরদিন সকালে মাছের সঙ্গে কুমীর আর জলকীটেদের দেখা হলো। কুমীর ও কীটেরা
বললো, ‘মাছ ভাই, বিশেষ একটা কাজে আমাদের দূরে যেতে হচ্ছে, এই নাও আমাদের
কড়ি। তুমি ব্যাঙকে দিয়ে দিও।’ বলেই চলে গেল কুমীর আর জলকীট।
কুমীর ও জলকীটেদের কড়ি নিয়ে মাছ গেলো ব্যাঙের কাছে। বললো, ‘এই নাও ব্যাঙ
ভাই, কুমীর, কীট আর আমার কড়ি। ওরা বিশেষ কাজে দূরে চলে গেছে। আর আমারও একটা
কাজ আছে। যাই, পরে দেখা হবে।’
এতগুলো কড়ি একসাথে পেয়ে ব্যাঙের মনে লোভ দেখা দিল। ভাবলো, সাপকে বোকা
বানিয়ে কড়িগুলো না দিয়ে নিজেই জমিয়ে ব্যবসা করলে কোনোদিন আর খাওয়া-পরা নিয়ে
ভাবতে হবে না। এই ভেবে সে সাপের কাছে গেল। বললো, ‘ভাই সাপ, সেই সকাল থেকে
কুমীর, মাছ আর কীটেদের কোনো দেখা মিলছে না। আমার মনে হয় ওরা কোনো কাজে দূরে
কোথাও গেছে। কিন্তু তোমাকে সম্পূর্ণ কড়ি না দিয়ে মণি নিয়ে যাই কী করে!’
সাপ বললো, ‘নিশ্চয়ই গুরুত্বপূর্ণ কাজে এরা দূরে গেছে। এসে কড়ি দিয়ে দিলেই হবে। এই নাও মণি, তুমি পাখিকে দিয়ে এসো।’
মণি নিয়ে লাফাতে লাফাতে ব্যাঙ চলে এলো পাখির বাসায়। মণিটি পাখিকে দিয়েই সে গাছ থেকে নেমে গেল। এদিকে মণিটিকে পাখি বাসায় রাখতেই তার বাচ্চারা মণিটিকে নিয়ে খেলতে শুরু করলো। হঠাৎ করে বাসা থেকে মাটিতে পড়ে গেল মণিটি। গাছের তলা দিয়ে যাচ্ছিল এক লোক। সে তো সাপের মণি দেখে আর লোভ সামলাতে পারলো না। তাড়াতাড়ি ব্যাগের ভেতর ঢুকিয়ে নিয়ে চলে গেল। পাখি অনেক চেষ্টা করেও মণিটিকে আর উদ্ধার করতে পারলো না।
এদিকে দুইদিন হয়ে গেল সাপ একা বসে আছে। কারো সঙ্গে দেখা নেই। না ব্যাঙ, না কুমীর, না মাছ, এমনকি কীটদেরও! সে ভীষণ চিন্তায় পড়লো।
অন্যদিকে মণি দেওয়ার দুদিন পরও বৃষ্টি শুরু না হওয়ায় ব্যাঙও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়লো। সে আবার গেল পাখির বাসায়। দেখে বাচ্চাসহ পাখিটি উধাও। ব্যাঙ-ও তো পড়লো মহা বিপদে। এমন সময় মাথার উপরে একটা ঘুড়িকে দেখতে পেয়ে বললো, ‘ঘুড়িবন্ধু, দুইদিন আগে মেঘকে দেওয়ার জন্য পাখিকে একটি সাপের মণি দিয়েছিলাম। তুমি কি মেঘের কাছ থেকে একটু খবর এনে দিতে পারবে?’
ঘুড়ি অবাক হয়ে বললো, ‘সাপের মণি!’
‘হ্যাঁ, তার বিনিময়ে মেঘের বৃষ্টি ঝরানোর কথা ছিল।’
‘সে তো খুব ভালো কথা। ঠিক আছে, আমি এখুনি এনে দিচ্ছি তোমার খবর।’
ঘুড়ি মেঘের কাছ থেকে খবর নিয়ে এসে ব্যাঙকে জানালো, ‘পাখি এ ব্যাপারে তিনদিন আগে আলাপ করেছিল বটে, তবে এরপর আর সে মেঘের কাছে যায়নি।’
একথা শুনে ব্যাঙের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়লো। কুমীর, মাছ আর জলকীটদের কড়ি দিয়ে ইতোমধ্যেই সে স্থলে ব্যবসা ফেঁদে বসেছে। আর পাখি যদি সাপের মণি না দিয়ে থাকে তবে বৃষ্টির তো কোনোই সম্ভাবনা নেই।
মাছ ফিরে আসার আগেই ফিরে এলো কুমীর। সাপের সাথে দেখা হতেই বললো, ‘সাপবন্ধু, তুমি বুঝি ব্যাঙের কাছে মণি দাওনি?’
সাপ বললো, ‘তোমরা কড়ি না দিয়ে চলে গেলেও আমি তো মণি দিয়ে দিয়েছি ব্যাঙের কাছে। বৃষ্টি হচ্ছে না কেন কিচ্ছুই তো বুঝতে পারছি না!’
‘কী বলছো! আমি আর জলকীট তো মাছের কাছে কড়ি দিয়ে গেছি।’
‘তাহলে কড়ি গেল কোথায়, আর ব্যাঙই বা গেল কোথায়?’
‘নিশ্চয়ই মাছ কড়িগুলো মেরে দিয়েছে। আর তোমাকে কড়ির জবাব দিতে পারবে না বলেই ব্যাঙ আর ফিরছে না।’
‘হতেও পারে! কিন্তু মণি নিয়ে ব্যাঙ গেলো কোথায়?’
কুমীর রাগে গরগর করতে করতে লাগলো, ‘সব দোষ ওই ব্যাটা মাছের। আজ আসুক মাছ, চিবিয়ে খাব ওকে।’
কিছুক্ষণ পর মাছ আসতেই তেড়ে গেল কুমীর, ‘মাছ, তুমি আমাদের কড়িগুলো সব মেরে দিয়েছ, না?’
মাছ বলল, ‘না! না! বিশ্বাস কর।’
বিশ্বাস করলো না কুমীর। ছুটলো মাছের পিছনে। মাছ প্রাণপণে সাঁতরাতে লাগলো প্রাণ বাঁচাতে। এই ভয়ঙ্কর দৃশ্য দেখে স্থলে উঠে গেল সাপ। দেখে কী, কড়ি নিয়ে বেশ ব্যবসা জমিয়ে বসেছে ব্যাঙ। দেখে সাপের আর বুঝতে বাকি রইলো না ব্যাঙের কু-কর্মের কথা। সাপকে দেখতে পেয়ে ঘটনা বুঝে লাফিয়ে পালাতে লাগলো ব্যাঙ-ও। সাপ বললো, ‘ব্যাঙ, তোকে আমি ছাড়ব না। তুই আমাদের সাথে বেঈমানী করেছিস।’ একথা শুনে ব্যাঙও প্রাণ বাঁচাতে লাফিয়ে লাফিয়ে পালাতে লাগলো আরও দ্রুত। সেই থেকে কুমীর মাছ খেতে শুরু করলো। আর সাপও শুরু করল ব্যাঙ খেতে। অন্যদিকে অপেক্ষাকৃত দূর্বল পেয়ে জলকীটদের খেতে লাগল মাছ আর ব্যাঙ। সেই থেকে জলরাজ্যে শুরু হয়ে গেলো অশান্তি।
- মেয়েটি মাকড়সা হয়ে গেল - কাজী কেয়া
- কাজলকাকা ভূত নয় - ইমতিয়ার শামীম
- অর্পণের মা - আলী হাবিব
- রাশিয়ান রূপকথা: ধপাস ভালুক - রহীম শাহ
- মুখোশ রহস্য - আহমেদ রিয়াজ
- মুরগী ছানা তিতি - আরিফুন নেছা সুখী
- অহংকারী রাজকন্যা - বিএম বরকতউল্লাহ
- পুতুল ভূত - রানা জামান
- রাখাল ও জাদুর আম গাছ - হুমায়ুন কবীর ঢালী
- দুষ্টু ছানাদের গল্প - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- তুতুন - আল নাহিয়ান
- সাইকেল বাবু - লিটন মহন্ত
- রূপকথা নীল পূর্ণিমার সোমেশ্বরী - রবীন ভাবুক
- পরীরাণী - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- সাদাসোনা মেঘ, নীল ঘুড়ি আর খোলা মাঠে একা ছেলেটা - নূর সিদ্দিকী
- অন্ধকারের এক রহস্যমানুষ আর রাজহাঁস - মিন্টু হোসেন
- চকোলেট দৌড় - সোহানা রহমান
- স্কুলপড়ুয়া পাখি, প্রজাপতি আর ছড়া - মেহেরুবা নিশা
- গরুর ঘায়ে! - আহমেদ রিয়াজ
-
ঝুমি ও একটি কুকুর -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
উপন্যাস: পিশাচ-কন্যা -
সামান্থা লি
রূপান্তর: অনীশ দাস অপু - অক্স ও বুল (সায়েন্স ফিকশন গল্প) - আবুল কালাম আজাদ
- আমি ভূত - সোহানা রহমান
- সবুজ মাঠ - শিবলী নোমান
- মন্দ মানুষ - চন্দন চৌধুরী
- ঈদে মুক্তির আনন্দ - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- জোনাকিদের গ্রহে ভয়েজার ১ - মিন্টু হোসেন
- তর্ক-বিতর্ক - পাভেল মহিতুল আলম
- খরচি মামার সাইকেল - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
- লাল জামা - বিএম বরকতউল্লাহ্
- আমার বন্ধু ডোরেমন - আহমেদ রিয়াজ
-
অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস অজানা দ্বীপে অভিযান -
মূল : এডগার অ্যালান পো
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- ঢেউয়ের বন্ধুরা - নূর সিদ্দিকী
- ভাষা - জাহিদুল আলম
- বর্ণান্ধ - মারিয়া হোসেন
- ভূতের সঙ্গে আড়ি - মুহসীন মোসাদ্দেক
- নরহরি দাস - উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
- কাকদের পুরীষ উৎসব! - মহিউদ্দীন আহ্মেদ
- সে সত্যিই ছিল একটা বাচ্চা পরি - মেহেরুবা নিশা
-
মেঘকন্যা আর টুনটুনিছানা -
বিএম বরকতউল্লাহ্
- নবম মাত্রার গোবট - ধ্রুব নীল
-
পরী এবং পরিবেশ -
মাহাবুবুল হাসান নীরু
- দুঃখী বুড়ি ও নেংটি ইঁদুর - বিএম বরকতউল্লাহ্
- ভালো 'মন খারাপ' - চন্দন চৌধুরী
- রকির চাওয়া - জুবায়ের হুসাইন
- মৌমাছি ও কাঠুরিয়া - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- ফিরে দেখা - রবীন ভাবুক
- মতির মাথায় গাব - ধ্রুব নীল
- প্রজাপতি হবো - এনায়েত রসুল
- চাঁদনি-হালুয়া - সঞ্চারিণী
- জলে কোলাহল - চন্দন চৌধুরী
- এক টুকরো মেঘ ও দুঃখী গাছ - বিএম বরকতউল্লাহ
- আমার রোবট 'রবি' - মোঃ মিন্টু হোসেন
- কত আটায় কত রুটি - আবুল কালাম আজাদ
- আংটি - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- শহরে একদিন - আহমেদ রিয়াজ
- পল্টুর বন্ধু - আহসান হাবীব
-
হরর গল্প -
মিস্ট্রেস স্যারি মূল : উইলিয়াম টেন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- নিলেশের অন্য ভূবন - আফরোজা অদিতি
- ভাষার খোঁজে নেপালে - সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ
- গিফট - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- ভূত শিকার - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
-
ডানাকাটা পাখি ও সীম বীজ -
চন্দন চৌধুরী
- গোয়েন্দা মেনু'দা - রবীন ভাবুক
- তিনা আর লাল গোলাপ - আফরোজা অদিতি
- পরীটি কি জাদু জানে - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- আরকনির রুমাল - মোঃ মিন্টু হোসেন
- পুষ্পিতার ঈদ - আফরোজা আদিতি
- হাতির ডিম - আহমেদ রিয়াজ
- কঙ্ক - শুভ অংকুর
- বিন্নির খুশি - এনায়েত রসুল
- প্রান্ত ও তার এ্যাডনোক্সিয়ান বন্ধু (সায়েন্স ফিকশান) - আবুল কালাম আজাদ
- এক যে ছিলো রাসেল - বেবী মওদুদ
- আতঙ্কের প্রহর [রহস্য গল্প] - অনীশ দাস অপু
- ঈদ শপিং - আহসান হাবীব
- উপন্যাস- আলিবাবা ও চালিচার - শিবব্রত বর্মন
- মৌমাছি - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
- সূত্রধর স্যার - জাহিদুল আলম
-
কোনো এক অমাবস্যার রাতে -
আহমেদ রিয়াজ
- বিজ্ঞানী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গড়ে আটকা এক নেকড়ে - মোঃ মিন্টু হোসেন
- প্রজাপতি - এনায়েত রসুল
- পরী এসেছিল - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- বিচ্ছু ভাগনের কাণ্ড - জাহিদুল আলম
- নিশান আর ব্ল্যাকহোল - আফরোজা অদিতি
- পরীর বন্ধু অহনা - এনায়েত রসুল
-
স্যারের বিপদ -
জাহিদুল আলম
-
নতুন স্যার -
আবুল কালাম আজাদ
-
মিকাই-এর বাঘের ছানা -
মিন্টু হোসেন
-
আলুভর্তা -
জান্নি রোদারি
অনুবাদ: জামিল বিন সিদ্দিক -
বেকার আয়না -
জাহিদুল আলম
-
একদিন রাতে ধবধবে বিড়ালটা -
আহমেদ রিয়াজ
- অবাক বইপাঠ - মুনির রানা
- জোকার - শিবব্রত বর্মন
- ইঁদুরের ভোজ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ভৌতিকবাড়ি - অনীশ দাস অপু
- মেলায় মাঠে পিউস - আফরোজা অদিতি
-
মিস্ট্রেস স্যারি -
মূল : উইলিয়াম টেন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
ভয়ঙ্কর এক লোক -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
তেরো তলা -
মূল : ডন উলফসনে
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
টুঙ্গিপাড়ার খোকা -
বেবী মওদুদ
-
রাতের আতঙ্ক -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
বৃক্ষপরী টিয়া -
আফরোজা অদিতি
-
গেকো -
অনীশ দাস অপু
-
ময়না -
আফরোজা অদিতি
-
রাজকন্যা মাঈশা আর বলঢাঁশের গল্প -
আশরাফুল ইসলাম সাগর
-
শেয়াল দেবতার প্রতিহিংসা -
মূল : রবার্ট ব্লচ
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু - ফার্স্ট হওয়ার ঝামেলা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- শূন্যে ডানা মেলে - এনায়েত রসুল
-
একটু উষ্ণতার জন্য -
মূল : হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান এন্ডারসন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
শামন্তীর শীতবেলা -
মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
রাতের অতিথি -
আহমেদ রিয়াজ
- চৈতি আপু - ইমদাদুল হক মিলন
- তেতুল গাছ - আহসান হাবীব
- টুশির গল্প - বেবী মওদুদ
- চড়ুই পাখিদের ঘরের ঘটনা - ধ্রুব এষ
- বিলাই মা বিলাই ছা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- এক শিশি আলতা - এনায়েত রসুল
- কুলরাজা কুলরাণী - শাশ্বত ভট্টাচার্য
- ছায়ার মানুষ - আহমেদ রিয়াজ
- আলতা কন্যার জন্মদিন - মারুফ রেহমান।
- লেজ উঁচিয়ে - আহমেদ রিয়াজ
- ভৌতিক গল্প : থাবা - অনীশ দাস অপু
- রাজার ঈগল পাখি (কম্বোডিয়ার লোককাহিনী) - অনুবাদ: মৃত্যুঞ্জয় রায়
- আকাশ ছুঁয়ে উড়বো - এনায়েত রসুল
- আবু আর বাবু - বেবী মওদুদ
-
ভূতুড়ে বানর -
মূল : স্টিফেন কিং
অনুবাদ : অনীশ দাস অপু - কার ছবি - ইমদাদুল হক মিলন
- ঝন্টু মন্টুর দাদি - আহসান হাবীব
- সন্ধ্যার বিচিত্র ঘটনা - ধ্রুব এষ
-
তিন রাজপুত্র -
অনুবাদ : শিবব্রত বর্মন
মূল গল্প: আইজাক আসিমভ - নওরিনের স্কুল - এনায়েত রসুল
- বংশী নদীর ঘটনা - হামিদ কায়সার
- মাকড়সার চন্দ্র ভ্রমণ - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- ইঁদুর সাহেবার হলিডে - মিজানুর খান
- জাদুর ঢোল - আহমেদ রিয়াজ
- ক্যামডেন কিলার - অনীশ দাস অপু
- পরীর দেশে - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- পিঁপড়ে যখন হাতির বন্ধু - আহমেদ রিয়াজ
- সাগর পরী - মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
বৃষ্টি তুমি এসো না -
অনীশ দাশ অপু
মূল রচনা: আইজাক আসিমভ - ঝমঝমে আষাঢ়ে - আহমেদ রিয়াজ
-
ভৌতিক হাত -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প: কার্ল জ্যাকবির ‘দ্য হ্যান্ড’ -
বাবার জন্য ভালোবাসা -
মুহাম্মদ নাহিয়ান বিন খালেদ
- সেন্টমার্টিনে বাবার সাথে - জারিন তাসনিম অতসী
-
ভৌতিক ঘুড়ি -
অনীশ দাস অপু
মূল: কার্ল জ্যাকবি’র ‘দ্যা কাইট’ - ফুটবল প্রেমিক - রাশেদ শাওন
- ঘটনাটা সত্য - এনায়েত রসুল
- ভুতুড়ে বাড়ি - অনীশ দাস অপু
- ইচ্ছাপূরণ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- মায়ের কাছে ফেরা - বেবী মওদুদ
- স্বপ্ন - শিবব্রত বর্মন
- মেলায় যাবো - এনায়েত রসুল
- কুমড়ো দানব - অনীশ দাস অপু
- আসলে ছবিটা মেঘের - ধ্রুব এষ
- কাশেম আলী গরু চরাতো - আনিসুল হক
-
অদৃশ্য শত্রু -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প : ফিলিপ কে. ডিক - জাদুকর - সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল
-
জানের দুশমন -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প : হেনরি কুটনার - ভালোবাসার সবুজ গাছ - ইমরুল ইউসুফ
- বড়দিনের রাতে - অনীশ দাস অপু
- দেহহীন - শিবব্রত বর্মন
- নীলুর নীল চশমা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- রহস্যভেদী - রকিব হাসান
- দুষ্টু বিড়াল - অনীশ দাস অপু
- অপেক্ষা - মোস্তফা মামুন
- ঈশানপুরের অপুর কান্ড - সুমন কায়সার
- রাজা যখন গাছে - আহমেদ রিয়াজ
- অন্যরকম ভালোলাগা - শুভ অংকুর
- পৃথিবীর জন্য ভালোবাসা (সায়েন্স ফিকশন) - শুভ অংকুর
- কিং মিঠু - মোস্তফা মামুন
- প্রেতাত্মা - অনীশ দাস অপু
- রোবট - আনিসুল হক
- চতুর্দশতম/চৌদ্দ - নঈম তারিক
- জিকুর স্বপ্ন - আহসান হাবীব
- চোর - রকিব হাসান
- ছায়াহীন - শিবব্রত বর্মন
- ঈদের আগের রাত - মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
মেরু ভালুকদের রাজা -
মূল : ফ্রাঙ্ক বাউম
ভাষান্তর : বিদ্যুত - গাধার টুপি - আহমেদ ফারুক
- আলসে বালক আর গরুর গল্প - মো. গোলাম রহমান
- অতি চালাকির সাজা! - এনায়েত রসুল
- মাছরাঙা আর রূপোর চামুচ - মোস্তফা হোসেইন
- হাবা রাকিবের কাণ্ড - মারুফ রেহমান
- বিড়ালের বন্ধুত্ব - রূপান্তর : আবুল বাসার
- গণেশ চ্যাটার্জি আর তার কালো কুকুর - নাফে মোহাম্মদ এনাম
- শিউ-পিউর বন্ধু তানতুলু - নূর সিদ্দিকী
- মেছোভূত - ইকবাল খন্দকার
- অ্যারোসল ভূত - শাকিল ফারুক
- পাঠশালা - আহমেদ রিয়াজ
- যুদ্ধের গল্প - ফরহাদ সাফায়েতুল কবীর
- বোকাতু - আরিফ হাসান
- রূপকথার ইলিশ - অর্জিতা মাধুর্য
- সীনের বাবা সীনের মা - আহমেদ রিয়াজ
- চাঁদ - পান্থ বিহোস
- মায়ের ভাষা - মুহাম্মদ মুনতাসির আলী
- জিন্নাহ'র না জানা গল্প - আহমেদ রিয়াজ
- ঘুম পাহাড়ের আজব পাখি - আ হ মে দ ফা রু ক
- উপহাস - আহমেদ রিয়াজ
-
ড্রাগনের যম ইভান -
মূল : ভ্লাদিমির বাইকো
অনুবাদ: হাসান খুরশীদ রুমি - টিনা আপুর জাদুর কাঠি - এনায়েত রসুল
- তারা পড়তে দেখলে - ধ্রুব এষ
- বাঘ-সিংহের গল্প - আহমেদ রিয়াজ
-
লুকোচুরি -
নিকোলাই নসভ
অনুবাদ: হাসান খুরশীদ রুমী - রহস্যময় কিশোর যোদ্ধা - আহমেদ রিয়াজ
- অদ্ভূতুড়ে কিন্তু ভূতুড়ে নয় - বিজয় মজুমদার
- তিন ভূতুড়ে - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- মরগানস উডসের ভূত - অনীশ দাস অপু
- মহাকাশে সু ভূতের অভিযান - বিধান রিবেরু
- জামাটা কোথায় গেল - আহমেদ রিয়াজ
- মি. হাকলি - নূর সিদ্দিকী
- বুলেট ভাইয়ের হাইজাম্প - মোস্তফা মামুন
-
একা কবরস্থানে -
মূল : অ্যালভিন শোয়ার্জ
অনুবাদ : হাসান খুরশীদ রুমী - তৈল মর্দন - সজ্জাদ কবীর
- ঝিন্টু - মানিক চন্দ্র দাস
- রবীন-মাহিনের মুক্তি... - আহসান হাবীব
- মামার ঘড়ি - পান্থ বিহোস
- তৃষার ভালো লাগা - এনায়েত রসুল
- খরগোশের টাকা চাষ - ভাষান্তর- মৃত্যুঞ্জয় রায়
- ঈদের চাঁদ - আশীষ চক্রবর্ত্তী
-
স্টোরিটেলার -
নিকোলাই নসভ
রূপান্তর : হাসান খুরশীদ রুমী - একটা গাছের চারা - আশরাফুল আলম পিনটু
- পাহাড় যখন সরে যায় - আমীরুল ইসলাম
- ঝিম দুপুরের গল্প - শাকিল ফারুক
- জেলে আর সোনার মাছ - রহীম শাহ
- কুয়োর ব্যাঙের সমুদ্র যাত্রা - বিজয় মজুমদার
- পুতুল - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
-
হানাবাড়ির উন্মাদ -
মূল : ইলেন এ. কিউল
অনুবাদ : অনীশ দাস অপু - চ্যালেঞ্জ! - রকিব হাসান
- রাজা এলেন - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- চুরি বিদ্যা বড়ো বিদ্যা - মোস্তফা মামুন
- আসলে কী ঘটেছিল - ইমদাদুল হক মিলন
- শিয়াল রাজার সাজা - এনায়েত রসুল
- রূপোলি রেণু - আলী ইমাম
- প্যালিনড্রোমিক ফর্ক... - আহসান হাবীব
- ঘড়ি উদ্ধার - আহমেদ রিয়াজ
- অপু আর তপু - আশরাফুল আলম পিন্টু
- সাদা মেঘ ও কাশফুলেরা - আহমেদ রিয়াজ
- মনের ভয় - ফাতেমা ফেরদৌস (পিংকি)
- চাঁদের বন্ধু খরগোশ - রেহানা পারভীন রুমা
- দুষ্টু টুলু - এনায়েত রসুল
- রেডিও - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- ঠাকুরমার ঝুলি এবং ইবু - আহমেদ ফারুক
- আষাঢ়ে হাতি ও রাজার গল্প - আহমেদ রিয়াজ
- সুন্দর - মঈনুল আহসান সাবের
-
ছোট্ট তুষারমানব -
কোরিয়ার রূপকথা
রূপান্তর : মো. গোলাম রহমান - ঘুপুর বন্ধু টুনু আর চি - এনায়েত রসুল
- এটা আমার বাবার গল্প, মায়েরও - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- চাষা ও তার গরু - আহমেদ রিয়াজ
- সহকারী গোয়েন্দা - মোস্তফা মামুন
- লাল বেলুন - আমীরুল ইসলাম
- ডান-বাম - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
-
শেষ যাত্রা -
মূল : কার্ল জ্যাকবি
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু - লিটুর ঘুম আসে না - মোস্তফা মামুন
- ভূতটা খোলা মাঠে একা শুয়ে আছে - আহমেদ রিয়াজ
- কিসমতের বিচার - হুমায়ূন কবীর ঢালী
- নিপুর আশ্রয় - এনায়েত রসুল
- দুই ভূতের কান্ড - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
কান্নার দাগ -
আফ্রিকার রূপকথা
রূপান্তর : আবুল বাসার - নূরী ও পরী - আহমেদ রিয়াজ
-
প্রকৃতি কন্যার দোলনা ঘর -
শোহেইল মতাহির চৌধুরী
- ছোট্ট জাদু-নুড়ি - আমীরুল ইসলাম
- জাদুর আয়না - রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- বিন্নির খুশি - এনায়েত রসুল
- ঘুম পাহাড়ের আজব পাখি - আহমেদ ফারুক







