আশরাফুল আলম পিন্টু
ওরা দুই ভাই।
অপু আর তপু।
অপু বড়। তপু ছোট।
গলির শেষ মাথার বাড়িটা ওদের। সাজানো গোছানো বাড়ি। চমৎকার বাড়ির সামনে ছোট বাগান। ঘাসের মাঠ। নরম নরম ঘাস। শহর হলেও শান্ত গলি। সব বাড়িতেই গাছপালা। ফলের গাছ। ফুলের গাছ। আম। কাঁঠাল। নারিকেল। গোলাপ। হাসনুহেনা। পাতাবাহার। আরো কত কী! কত পাখির আনাগোনা। ডাকাডাকি।
আনন্দে দিন কাটে অপু আর তপুর। হেসেখেলে কাটিয়ে দেয় সারাবেলা।
কখনো খেলে বাড়ির বাগানে। কখনো বারান্দায়। কখনো ঘরে। অনেক খেলনা ওদের। কখনো চলে যায় খালার বাড়ি। গলি পেরুলে বড় রাস্তা। সেই রাস্তায় রাজ্যের ভিড়। বাস। মিনিবাস। রিকশা। সাইকেল।
বড় রাস্তার ওপারে একটা গলি। সেই গলি ধরে গেলে তেমাথা। তেমাথার ডানদিকের গলিতে খালার বাড়ি। খালাবাড়ি মানে দেদার মজা।
আনন্দে দিন কাটে ওদের। কিন্তু অপুর একটা দুঃখ আছে। ভীষণ দুঃখ। মাঝে মাঝে মন খারাপ হয়ে যায়।
দুঃখটা হল তপুকে নিয়ে। তপু ওর কাছে একটা সাক্ষাৎ সমস্যা। বিরক্তিকর। অপু ভাবে- আরে, তুই হচ্ছিস ছোট। আমার ছোটভাই। ছোটর মতো থাকবি। আমি বড়ভাই। একটু মান্যিগণ্যি করবি। তা নয় শুধু বেয়াদবি। আদব-কায়দার ধার ধারবি না! তাহলে আর কীসের ছোটভাই তুই!
অপু কী করবে ভেবে পায় না।
তপুকে নিয়ে খুব সমস্যায় থাকে অপু। একটা না একটা সমস্যা বাঁধাবেই বাঁধাবে।
অপুর একটা ছোট সাইকেল আছে। তপু পারে না তবু সাইকেল চালাতে চায়। চালানো শিখতে চায়। বায়না ধরে। কাঁদে।
অপু বলে, তুই ছোট। চালাতে পারবি না তো!
তাহলে তুমি চালাও। আমাকে নিয়ে চালাও।
চড় খাবি কিন্তু।
অপুর কথা শেষ না হতেই ভ্যাঁ। তপুর কান্না শুনে মা ছুটে আসেন। কী রে, কী হয়েছে।
তপু নালিশ জানায়।
মা বলেন, অপু, তুই বড়ভাই। ওকে নিয়ে সাইকেল চালালে কী হয়! যা, একটু চড়িয়ে নিয়ে আয়।
রাগ জমে অপুর। করার কিছু নেই। তপু ততক্ষণে চড়ে বসেছে সাইকেলের সামনের রডে। ওকে নিয়ে বেরুতেই হয়। গলিপথে অনিচ্ছায় সাইকেল চালায়।
শুধু কি সাইকেল চড়া। অপু যেখানে যাবে পিছু নেবে তপু। পিছু পিছু যাবে
সেখানেই। লুকিয়ে যাওয়ারও উপায় নেই। ঠিকই পিছু নেবে। এমনই নাছোড় একটা।
বিকেলে অপু ফুটবল নিয়ে বেরুলে পেছনে তপু। বন্ধুদের সঙ্গে অপু ফুটবল খেলে।
মাঠে নেমে পড়ে তপুও। ছুটে গিয়ে ফুটবল ধরে। লাথি মারতে পারে না। খালি খালি
ছুটোছুটি। পড়ে গিয়ে কাঁদে। ভন্ডুল হয় খেলা।
বাবা তপুকেও একটা বল কিনে দিয়েছেন। ছোট বল। সেটা ধরবে না। অপুর ফুটবলটা নিয়েই কাড়াকাড়ি।
কী যে সমস্যা! কী যে বিপদ!
অপু যা করবে, তপুরও তা করা চাই।
অপু যেভাবে হাঁটে- সেভাবে হাঁটবে তপু।
অপু যেটা খেলবে- সেটাই খেলবে তপু।
অপু যেভাবে কথা বলে- সেভাবে কথা বলার চেষ্টা করবে তপু।
অপু যেটা খাবে- সেটাই খাবে তপু।
মোটকথা অপুর সব কিছু নকল করে তপু। বড়ভাই যা করে, ছোটভাইও সেটাই করে। পারুক আর না পারুক। বড়ভাইকে তার অনুকরণ করা চা-ই চাই।
তপুকে নিয়ে তাই মহাঝামেলায় আছে অপু।
ঠিকমতো খেলতে পারে না বন্ধুদের সঙ্গে।
শান্তিমতো কোথাও যেতে পারে না। বেড়াতে পারে না প্রাণখুলে। খেতে পারে না মন ভরে। কথা বলতে পারে না। হাসতেও পারে না।
ছোটভাইকে তাই ওর মোটেও পছন্দ নয়।
পছন্দ হবে কী করে! এভাবে পিছু লেগে থাকলে কাহাতক সহ্য হয়! নাকি ভালো লাগে? মন ভার হয়ে থাকে অপুর। মাঝে মাঝে রেগেও যায়। বকাঝকা করে।
আমি যা করি তুই তা করিস কেন?
আমার ভালো লাগে।
ভালো লাগলেও অমন করবি না। বুঝলি! ধমক দেয় অপু।
আমার ইচ্ছে। নিলাজের মতো জবাব দেয় তপু।
আমাকে নকল করতে তোর লজ্জা করে না?
না। করে না।
আমি যা করি- তুই তা-ই করিস। তুই তো একটা নকলবাজ।
মোটেও না। আমিও তোমার মতোই। বড় হয়ে তোমার মতো হব।
বাজে বকবি না। এখন থেকে আমার পিছু নিবি না আর। সব কিছু তোর নিজের মতো করবি।
অপুর কথায় কোনো কাজ হয় না। বড়ভাইকে পাত্তাই দেয় না তপু। চালচলন তার আগের
মতোই। অপুর পিছু নেয়। অপুর সব কাজ নকল করে। অপু ছবি আঁকতে বসলে তপুও বসে
পড়ে পাশে। কাগজ আর রংতুলি টানাটানি করে। পাতা জুড়ে কী সব আঁকে। হিজিবিজি।
অপুর মতো পারে না। তবু আঁকে। অপুর মতো হতে চায়। সবার নজর কাড়তে চায় তপু।
অপুর মনের দুঃখ বুঝতে চায় না। রেগে মারতে গেলে মা তেড়ে আসেন। বলেন, তোরই
তো ছোটভাই।
বাবা বলেন, মিলেমিশে থাকলেই তো ঝামেলা হয় না।
বাবা-মাকে বোঝাতে পারে না অপু। তারা ওর সমস্যাটা বুঝতে চান না। সব দোষ যেন
ওরই। শুধু মা-বাবাই নন- সবাই কেবল তপুর দিকটা দেখেন। ছোট বলে সবাই কদর করে
ওরই। বড়ভাই হয়ে অপু যেন অন্যায় করে ফেলেছে। মহা অন্যায়। অপুর দিকে কেউ নজর
দেয় না।
এই যে অপু অত চমৎকার গান গাইতে পারে। হারমোনিয়াম বাজাতে পারে। সবাই তা
জানেও। কিন্তু ক’জন ওর গানের তারিফ করে! অথচ দেখো, তপু গান গাইতে পারে
না, খালি খালি হারমোনিয়ামের রিড চেপে বেসুরো গায়। তা দেখে সবার কেমন
আনন্দ। তপুকে ঘিরে বাজানো দেখে। গান শোনে মজা করে। হাসে। আবার হাততালিও
দেয়। বাহ্বা দিয়ে বলে ওঠে, চমৎকার! চমৎকার!
চমৎকার না ছাই! মনে মনে গজর গজর করে অপু। আমাকে নকল করা হচ্ছে! আবার বাহ্বাও পাচ্ছে পুরোটা। যেন দুনিয়ার সেরা গায়ক!
অপুর দুঃখ কী একটা দুটো! অনেক। অনেক।
সব অপুর কপাল। মন্দ কপাল, নচ্ছার ছোটভাইটা ওকে জ্বালিয়ে মারছে। জীবনটা
ভাজা ভাজা হয়ে যাচ্ছে। তপুকে ছেড়ে সে বন্ধুদের সঙ্গে খেলতে পারে না। খালার
বাড়িতে যেতে পারে না একা। তপু পিছু নেবেই। কোনো দিন একা যেতে চাইলে তপু
কান্না জুড়ে দেয়। সে কী কান্না!
চিৎকার করে ডাকে, ভাইয়া, দাঁড়াও- দাঁড়াও। আমাকে নিয়ে যাও। আমিও যাব। দাঁড়াও। দাঁড়াও।
না দাঁড়িয়ে উপায় নেই অপুর। না দাঁড়ালে মা ডেকে থামান। থমথমে গলায় বলেন,
অপু, ওকে নিয়ে যা। ছোটভাইটা কাঁদছে। আর তুই ঢ্যাঙ ঢ্যাঙ করে চললি
খালাবাড়ি। দিন দিন স্বার্থপর হচ্ছিস দেখছি!
কী আর করবে অপু! দাঁড়াতে হয় তপুর জন্যে। তপু সেজেগুজে আসে। নিয়ে যেতে হয়
খালার বাড়িতে। রাগে গা জ্বলতে থাকে অপুর। সেই রাগ থাকে সারাদিন। কিন্তু ওর
রাগ যেন কোনো ব্যাপারই নয় তপুর কাছে। বড়ভাইকে অনুকরণ ওর থেমে থাকে না।
একদিন খালার বাড়ি যাচ্ছিল অপু। যথারীতি ওর পিছু নিয়েছে তপু। পিছু পিছু সেও হাঁটছিল। রাগে হাঁটার গতি বাড়িয়ে দিল অপু।
থামো। থামো। আসে- হাঁটো। অত জোরে হাঁটছ কেন? পেছন থেকে ডাকল তপু। ওর ডাকে অপু থামল না। পিছু ফিরে দেখলও না।
দাঁড়াও না! আমি জোরে হাঁটতে পারছি না। পিছিয়ে পড়ছি। দাঁড়াও। দাঁড়াও। আবার চিৎকার করল তপু।
অপু দাঁড়াল না। হনহন করে হেঁটে চলল গলিপথ ধরে। বড় রাস্তাও পার হয়ে গেল
ঢুকে। পড়ল খালাবাড়ির গলিপথে। কিছুদূর যাওয়ার পর পিছু ফিরল। দেখল, তপু
নেই। পিছিয়ে পড়েছে নিশ্চয়। ব্যস্ত রাস্তা। একা পার হতে পারবে কি? পথ
হারিয়ে যায় নি তো? চিন্তা করল অপু। ছোটভাই হারিয়ে যাক তা চায় নি। জব্দ
করার জন্য একটু জোরে হেঁটেছে এই যা! তাতে পথ হারানোর কথা নয়। বাড়ি ফিরে
যাওয়ার ছেলেও নয় তপু। তাহলে!
ওর জন্য পাগল হয়ে যাব! মনে মনে ভাবল অপু। থামল না। তবে হাঁটার গতি কমিয়ে
দিল। ভাবল, তপু ঠিকই ধরে ফেলবে ওকে। ঠিকই হাজির হবে পেছনে। হাঁটতে হাঁটতে
খালাবাড়ি পৌঁছল অপু। তখন তপুর কোনো পাত্তা নেই। পেছনে কোথাও দেখা গেল না
ওকে।
খালা অপুকে একা দেখে জানতে চাইলেন, তপু কোথায়? আসে নি তোমার সঙ্গে? অসুখ করে নি তো?
অপু বলল, না। তপু ভালোই আছে। এসে যাবে এখনই। পিছিয়ে পড়েছে একটু। আমার মতো জোরে হাঁটতে পারে না তো!
খালা হেসে বললেন, তপু তাহলে ঠিকই বলে। তুমি নাকি পৃথিবীর সেরা জোরে হাঁটা মানুষ। হাঁটা প্রতিযোগিতায় ফার্স্ট হবে!
শুনে গর্ব হল অপুর। বলল, হ্যাঁ আমি খুব জোরে হাঁটতে পারি। দৌড়াতেও পারি জোরে। ইশকুলে ফার্স্ট হয়েছি।
খালা আবার হাসলেন, তপু তাহলে মিথ্যে বলে নি। সবার চেয়ে সেরা দৌড়বিদ তুমি- তপু এ কথা বলেছে আমাকে।
তপু বলেছে? খালার কথা শুনে অবাক অপু।
হ্যাঁ। তপু বলেছে। তুমি সুন্দর ছবি আঁকো। সাইকেল চালাতে পারো। ভালো ফুটবল খেলো- সবই তো তপুর কাছে শুনেছি।
বলো কী খালা!
কেন, তুমি জানো না- তপু তোমার মতো ভাইকে নিয়ে গর্ব করে।
তপু ওকে নিয়ে গর্ব করে- এমন কথা ভাবতেই পারে না অপু। খালার কথা বিশ্বাসই করতে পারছে না।
অপু বলল, তা কী করে হয়! তপু সব সময় আমার পিছু লেগে থাকে। আমি যা করি সেও
তা-ই করে। জ্বালিয়ে মারে আমাকে। আস্ত নকলবাজ একটা। হয়তো তাই। তুমি যা করো,
তপুও তা-ই করার চেষ্টা করে। খালা ওর মাথায় হাত বুলিয়ে আবার বললেন, এতে
দোষের কিছু নেই। ছোটরা তো বড়দের দেখেই শেখে। তুমি ওর বড়ভাই। ও তো তোমার
কাছেই শিখবে। তপু তোমার মতো হতে চায়। তার কাছে তুমিই সেরা।
ভুল ভাঙল অপুর। ছোটভাই ওকে কত বড় মনে করে। অপু কি আসলেই সেরা? লজ্জায় পড়ে
গেল অপু। তপুকে সে কতই না গালমন্দ করেছে! দূরে দূরে থাকতে চেয়েছে। অপছন্দ
করেছে। অথচ তপু ওর কাছে কাছে থাকে। ওকে পছন্দ করে। ভালোবাসে, ওকে নিয়ে
গর্ব করে। আর সেই ছোটভাইকে কিনা ফেলে এসেছে গলিপথে?
আর দাঁড়াল না অপু। বেরিয়ে এল দরজার বাইরে। খালা বললেন, কী হল! চললে যে?
তপুকে খুঁজতে যাচ্ছি। বলে তাড়াতাড়ি গলিপথ ধরে ছুটে গেল অপু। অর্ধেক পথ
যেতেই তপুকে দেখতে পেল। গলির তেমাথায় দাঁড়িয়ে আছে। কোনদিকে যাবে বুঝতে
পারে নি।
অপুকে দেখেই এগিয়ে এল তপু। বলল, তুমি নিতে আসবে আমি জানতাম।
তাই এখানে দাঁড়িয়ে আছিস বুঝি? ছোটভাইয়ের হাত ধরে অপু।
না, আমি রাস্তা চিনি না তো। এখানে এসে বুঝতে পারি নি কোনদিকে যাব।
আয়। ছোটভাইয়ের দিকে তাকিয়ে হাসল অপু। পিঠ চাপড়ে আদর করল। বলল, তুই খুব ভালো, আয় আমার সঙ্গে।
দুইভাই খালাবাড়ি গেল। পুরো পথ বড়ভাইয়ের আঙুল ধরে হাঁটল তপু। যেন পথ হারিয়ে না যায়।
তারপর?
বাড়ি ফিরল ওরা। বাড়ি ফিরে হারমোনিয়াম নিয়ে বসল অপু। তপুকে শেখাল কীভাবে বাজাতে হয়। গান গাইতে হয়।
অপু মনে মনে ঠিক করল, ছোটভাইকে শিখিয়ে দেবে কীভাবে সাইকেল চালাতে হয়। কীভাবে ফুটবল খেলতে হয়। কীভাবে আঁকতে হয় সুন্দর ছবি।
তারপর?
সেই থেকে দুইভাইয়ে খুব মিল।
- মেয়েটি মাকড়সা হয়ে গেল - কাজী কেয়া
- কাজলকাকা ভূত নয় - ইমতিয়ার শামীম
- অর্পণের মা - আলী হাবিব
- রাশিয়ান রূপকথা: ধপাস ভালুক - রহীম শাহ
- মুখোশ রহস্য - আহমেদ রিয়াজ
- মুরগী ছানা তিতি - আরিফুন নেছা সুখী
- অহংকারী রাজকন্যা - বিএম বরকতউল্লাহ
- পুতুল ভূত - রানা জামান
- রাখাল ও জাদুর আম গাছ - হুমায়ুন কবীর ঢালী
- দুষ্টু ছানাদের গল্প - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- তুতুন - আল নাহিয়ান
- সাইকেল বাবু - লিটন মহন্ত
- রূপকথা নীল পূর্ণিমার সোমেশ্বরী - রবীন ভাবুক
- পরীরাণী - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- সাদাসোনা মেঘ, নীল ঘুড়ি আর খোলা মাঠে একা ছেলেটা - নূর সিদ্দিকী
- অন্ধকারের এক রহস্যমানুষ আর রাজহাঁস - মিন্টু হোসেন
- চকোলেট দৌড় - সোহানা রহমান
- স্কুলপড়ুয়া পাখি, প্রজাপতি আর ছড়া - মেহেরুবা নিশা
- গরুর ঘায়ে! - আহমেদ রিয়াজ
-
ঝুমি ও একটি কুকুর -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
উপন্যাস: পিশাচ-কন্যা -
সামান্থা লি
রূপান্তর: অনীশ দাস অপু - অক্স ও বুল (সায়েন্স ফিকশন গল্প) - আবুল কালাম আজাদ
- আমি ভূত - সোহানা রহমান
- সবুজ মাঠ - শিবলী নোমান
- মন্দ মানুষ - চন্দন চৌধুরী
- ঈদে মুক্তির আনন্দ - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- জোনাকিদের গ্রহে ভয়েজার ১ - মিন্টু হোসেন
- তর্ক-বিতর্ক - পাভেল মহিতুল আলম
- খরচি মামার সাইকেল - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
- লাল জামা - বিএম বরকতউল্লাহ্
- আমার বন্ধু ডোরেমন - আহমেদ রিয়াজ
-
অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস অজানা দ্বীপে অভিযান -
মূল : এডগার অ্যালান পো
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- ঢেউয়ের বন্ধুরা - নূর সিদ্দিকী
- ভাষা - জাহিদুল আলম
- বর্ণান্ধ - মারিয়া হোসেন
- ভূতের সঙ্গে আড়ি - মুহসীন মোসাদ্দেক
- নরহরি দাস - উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
- কাকদের পুরীষ উৎসব! - মহিউদ্দীন আহ্মেদ
- সে সত্যিই ছিল একটা বাচ্চা পরি - মেহেরুবা নিশা
-
মেঘকন্যা আর টুনটুনিছানা -
বিএম বরকতউল্লাহ্
- নবম মাত্রার গোবট - ধ্রুব নীল
-
পরী এবং পরিবেশ -
মাহাবুবুল হাসান নীরু
- দুঃখী বুড়ি ও নেংটি ইঁদুর - বিএম বরকতউল্লাহ্
- ভালো 'মন খারাপ' - চন্দন চৌধুরী
- রকির চাওয়া - জুবায়ের হুসাইন
- মৌমাছি ও কাঠুরিয়া - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- ফিরে দেখা - রবীন ভাবুক
- মতির মাথায় গাব - ধ্রুব নীল
- প্রজাপতি হবো - এনায়েত রসুল
- চাঁদনি-হালুয়া - সঞ্চারিণী
- জলে কোলাহল - চন্দন চৌধুরী
- এক টুকরো মেঘ ও দুঃখী গাছ - বিএম বরকতউল্লাহ
- আমার রোবট 'রবি' - মোঃ মিন্টু হোসেন
- কত আটায় কত রুটি - আবুল কালাম আজাদ
- আংটি - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- শহরে একদিন - আহমেদ রিয়াজ
- পল্টুর বন্ধু - আহসান হাবীব
-
হরর গল্প -
মিস্ট্রেস স্যারি মূল : উইলিয়াম টেন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- নিলেশের অন্য ভূবন - আফরোজা অদিতি
- ভাষার খোঁজে নেপালে - সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ
- গিফট - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- ভূত শিকার - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
-
ডানাকাটা পাখি ও সীম বীজ -
চন্দন চৌধুরী
- গোয়েন্দা মেনু'দা - রবীন ভাবুক
- তিনা আর লাল গোলাপ - আফরোজা অদিতি
- পরীটি কি জাদু জানে - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- আরকনির রুমাল - মোঃ মিন্টু হোসেন
- পুষ্পিতার ঈদ - আফরোজা আদিতি
- হাতির ডিম - আহমেদ রিয়াজ
- কঙ্ক - শুভ অংকুর
- বিন্নির খুশি - এনায়েত রসুল
- প্রান্ত ও তার এ্যাডনোক্সিয়ান বন্ধু (সায়েন্স ফিকশান) - আবুল কালাম আজাদ
- এক যে ছিলো রাসেল - বেবী মওদুদ
- আতঙ্কের প্রহর [রহস্য গল্প] - অনীশ দাস অপু
- ঈদ শপিং - আহসান হাবীব
- উপন্যাস- আলিবাবা ও চালিচার - শিবব্রত বর্মন
- মৌমাছি - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
- সূত্রধর স্যার - জাহিদুল আলম
-
কোনো এক অমাবস্যার রাতে -
আহমেদ রিয়াজ
- বিজ্ঞানী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গড়ে আটকা এক নেকড়ে - মোঃ মিন্টু হোসেন
- প্রজাপতি - এনায়েত রসুল
- পরী এসেছিল - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- বিচ্ছু ভাগনের কাণ্ড - জাহিদুল আলম
- নিশান আর ব্ল্যাকহোল - আফরোজা অদিতি
- পরীর বন্ধু অহনা - এনায়েত রসুল
-
স্যারের বিপদ -
জাহিদুল আলম
-
নতুন স্যার -
আবুল কালাম আজাদ
-
মিকাই-এর বাঘের ছানা -
মিন্টু হোসেন
-
আলুভর্তা -
জান্নি রোদারি
অনুবাদ: জামিল বিন সিদ্দিক -
বেকার আয়না -
জাহিদুল আলম
-
একদিন রাতে ধবধবে বিড়ালটা -
আহমেদ রিয়াজ
- অবাক বইপাঠ - মুনির রানা
- জোকার - শিবব্রত বর্মন
- ইঁদুরের ভোজ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ভৌতিকবাড়ি - অনীশ দাস অপু
- মেলায় মাঠে পিউস - আফরোজা অদিতি
-
মিস্ট্রেস স্যারি -
মূল : উইলিয়াম টেন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
ভয়ঙ্কর এক লোক -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
তেরো তলা -
মূল : ডন উলফসনে
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
টুঙ্গিপাড়ার খোকা -
বেবী মওদুদ
-
রাতের আতঙ্ক -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
বৃক্ষপরী টিয়া -
আফরোজা অদিতি
-
গেকো -
অনীশ দাস অপু
-
ময়না -
আফরোজা অদিতি
-
রাজকন্যা মাঈশা আর বলঢাঁশের গল্প -
আশরাফুল ইসলাম সাগর
-
শেয়াল দেবতার প্রতিহিংসা -
মূল : রবার্ট ব্লচ
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু - ফার্স্ট হওয়ার ঝামেলা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- শূন্যে ডানা মেলে - এনায়েত রসুল
-
একটু উষ্ণতার জন্য -
মূল : হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান এন্ডারসন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
শামন্তীর শীতবেলা -
মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
রাতের অতিথি -
আহমেদ রিয়াজ
- চৈতি আপু - ইমদাদুল হক মিলন
- তেতুল গাছ - আহসান হাবীব
- টুশির গল্প - বেবী মওদুদ
- চড়ুই পাখিদের ঘরের ঘটনা - ধ্রুব এষ
- বিলাই মা বিলাই ছা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- এক শিশি আলতা - এনায়েত রসুল
- কুলরাজা কুলরাণী - শাশ্বত ভট্টাচার্য
- ছায়ার মানুষ - আহমেদ রিয়াজ
- আলতা কন্যার জন্মদিন - মারুফ রেহমান।
- লেজ উঁচিয়ে - আহমেদ রিয়াজ
- ভৌতিক গল্প : থাবা - অনীশ দাস অপু
- রাজার ঈগল পাখি (কম্বোডিয়ার লোককাহিনী) - অনুবাদ: মৃত্যুঞ্জয় রায়
- আকাশ ছুঁয়ে উড়বো - এনায়েত রসুল
- আবু আর বাবু - বেবী মওদুদ
-
ভূতুড়ে বানর -
মূল : স্টিফেন কিং
অনুবাদ : অনীশ দাস অপু - কার ছবি - ইমদাদুল হক মিলন
- ঝন্টু মন্টুর দাদি - আহসান হাবীব
- সন্ধ্যার বিচিত্র ঘটনা - ধ্রুব এষ
-
তিন রাজপুত্র -
অনুবাদ : শিবব্রত বর্মন
মূল গল্প: আইজাক আসিমভ - নওরিনের স্কুল - এনায়েত রসুল
- বংশী নদীর ঘটনা - হামিদ কায়সার
- মাকড়সার চন্দ্র ভ্রমণ - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- ইঁদুর সাহেবার হলিডে - মিজানুর খান
- জাদুর ঢোল - আহমেদ রিয়াজ
- ক্যামডেন কিলার - অনীশ দাস অপু
- পরীর দেশে - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- পিঁপড়ে যখন হাতির বন্ধু - আহমেদ রিয়াজ
- সাগর পরী - মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
বৃষ্টি তুমি এসো না -
অনীশ দাশ অপু
মূল রচনা: আইজাক আসিমভ - ঝমঝমে আষাঢ়ে - আহমেদ রিয়াজ
-
ভৌতিক হাত -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প: কার্ল জ্যাকবির ‘দ্য হ্যান্ড’ -
বাবার জন্য ভালোবাসা -
মুহাম্মদ নাহিয়ান বিন খালেদ
- সেন্টমার্টিনে বাবার সাথে - জারিন তাসনিম অতসী
-
ভৌতিক ঘুড়ি -
অনীশ দাস অপু
মূল: কার্ল জ্যাকবি’র ‘দ্যা কাইট’ - ফুটবল প্রেমিক - রাশেদ শাওন
- ঘটনাটা সত্য - এনায়েত রসুল
- ভুতুড়ে বাড়ি - অনীশ দাস অপু
- ইচ্ছাপূরণ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- মায়ের কাছে ফেরা - বেবী মওদুদ
- স্বপ্ন - শিবব্রত বর্মন
- মেলায় যাবো - এনায়েত রসুল
- কুমড়ো দানব - অনীশ দাস অপু
- আসলে ছবিটা মেঘের - ধ্রুব এষ
- কাশেম আলী গরু চরাতো - আনিসুল হক
-
অদৃশ্য শত্রু -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প : ফিলিপ কে. ডিক - জাদুকর - সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল
-
জানের দুশমন -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প : হেনরি কুটনার - ভালোবাসার সবুজ গাছ - ইমরুল ইউসুফ
- বড়দিনের রাতে - অনীশ দাস অপু
- দেহহীন - শিবব্রত বর্মন
- নীলুর নীল চশমা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- রহস্যভেদী - রকিব হাসান
- দুষ্টু বিড়াল - অনীশ দাস অপু
- অপেক্ষা - মোস্তফা মামুন
- ঈশানপুরের অপুর কান্ড - সুমন কায়সার
- রাজা যখন গাছে - আহমেদ রিয়াজ
- অন্যরকম ভালোলাগা - শুভ অংকুর
- পৃথিবীর জন্য ভালোবাসা (সায়েন্স ফিকশন) - শুভ অংকুর
- কিং মিঠু - মোস্তফা মামুন
- প্রেতাত্মা - অনীশ দাস অপু
- রোবট - আনিসুল হক
- চতুর্দশতম/চৌদ্দ - নঈম তারিক
- জিকুর স্বপ্ন - আহসান হাবীব
- চোর - রকিব হাসান
- ছায়াহীন - শিবব্রত বর্মন
- ঈদের আগের রাত - মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
মেরু ভালুকদের রাজা -
মূল : ফ্রাঙ্ক বাউম
ভাষান্তর : বিদ্যুত - গাধার টুপি - আহমেদ ফারুক
- আলসে বালক আর গরুর গল্প - মো. গোলাম রহমান
- অতি চালাকির সাজা! - এনায়েত রসুল
- মাছরাঙা আর রূপোর চামুচ - মোস্তফা হোসেইন
- হাবা রাকিবের কাণ্ড - মারুফ রেহমান
- বিড়ালের বন্ধুত্ব - রূপান্তর : আবুল বাসার
- গণেশ চ্যাটার্জি আর তার কালো কুকুর - নাফে মোহাম্মদ এনাম
- শিউ-পিউর বন্ধু তানতুলু - নূর সিদ্দিকী
- মেছোভূত - ইকবাল খন্দকার
- অ্যারোসল ভূত - শাকিল ফারুক
- পাঠশালা - আহমেদ রিয়াজ
- যুদ্ধের গল্প - ফরহাদ সাফায়েতুল কবীর
- বোকাতু - আরিফ হাসান
- রূপকথার ইলিশ - অর্জিতা মাধুর্য
- সীনের বাবা সীনের মা - আহমেদ রিয়াজ
- চাঁদ - পান্থ বিহোস
- মায়ের ভাষা - মুহাম্মদ মুনতাসির আলী
- জিন্নাহ'র না জানা গল্প - আহমেদ রিয়াজ
- ঘুম পাহাড়ের আজব পাখি - আ হ মে দ ফা রু ক
- উপহাস - আহমেদ রিয়াজ
-
ড্রাগনের যম ইভান -
মূল : ভ্লাদিমির বাইকো
অনুবাদ: হাসান খুরশীদ রুমি - টিনা আপুর জাদুর কাঠি - এনায়েত রসুল
- তারা পড়তে দেখলে - ধ্রুব এষ
- বাঘ-সিংহের গল্প - আহমেদ রিয়াজ
-
লুকোচুরি -
নিকোলাই নসভ
অনুবাদ: হাসান খুরশীদ রুমী - রহস্যময় কিশোর যোদ্ধা - আহমেদ রিয়াজ
- অদ্ভূতুড়ে কিন্তু ভূতুড়ে নয় - বিজয় মজুমদার
- তিন ভূতুড়ে - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- মরগানস উডসের ভূত - অনীশ দাস অপু
- মহাকাশে সু ভূতের অভিযান - বিধান রিবেরু
- জামাটা কোথায় গেল - আহমেদ রিয়াজ
- মি. হাকলি - নূর সিদ্দিকী
- বুলেট ভাইয়ের হাইজাম্প - মোস্তফা মামুন
-
একা কবরস্থানে -
মূল : অ্যালভিন শোয়ার্জ
অনুবাদ : হাসান খুরশীদ রুমী - তৈল মর্দন - সজ্জাদ কবীর
- ঝিন্টু - মানিক চন্দ্র দাস
- রবীন-মাহিনের মুক্তি... - আহসান হাবীব
- মামার ঘড়ি - পান্থ বিহোস
- তৃষার ভালো লাগা - এনায়েত রসুল
- খরগোশের টাকা চাষ - ভাষান্তর- মৃত্যুঞ্জয় রায়
- ঈদের চাঁদ - আশীষ চক্রবর্ত্তী
-
স্টোরিটেলার -
নিকোলাই নসভ
রূপান্তর : হাসান খুরশীদ রুমী - একটা গাছের চারা - আশরাফুল আলম পিনটু
- পাহাড় যখন সরে যায় - আমীরুল ইসলাম
- ঝিম দুপুরের গল্প - শাকিল ফারুক
- জেলে আর সোনার মাছ - রহীম শাহ
- কুয়োর ব্যাঙের সমুদ্র যাত্রা - বিজয় মজুমদার
- পুতুল - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
-
হানাবাড়ির উন্মাদ -
মূল : ইলেন এ. কিউল
অনুবাদ : অনীশ দাস অপু - চ্যালেঞ্জ! - রকিব হাসান
- রাজা এলেন - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- চুরি বিদ্যা বড়ো বিদ্যা - মোস্তফা মামুন
- আসলে কী ঘটেছিল - ইমদাদুল হক মিলন
- শিয়াল রাজার সাজা - এনায়েত রসুল
- রূপোলি রেণু - আলী ইমাম
- প্যালিনড্রোমিক ফর্ক... - আহসান হাবীব
- ঘড়ি উদ্ধার - আহমেদ রিয়াজ
- অপু আর তপু - আশরাফুল আলম পিন্টু
- সাদা মেঘ ও কাশফুলেরা - আহমেদ রিয়াজ
- মনের ভয় - ফাতেমা ফেরদৌস (পিংকি)
- চাঁদের বন্ধু খরগোশ - রেহানা পারভীন রুমা
- দুষ্টু টুলু - এনায়েত রসুল
- রেডিও - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- ঠাকুরমার ঝুলি এবং ইবু - আহমেদ ফারুক
- আষাঢ়ে হাতি ও রাজার গল্প - আহমেদ রিয়াজ
- সুন্দর - মঈনুল আহসান সাবের
-
ছোট্ট তুষারমানব -
কোরিয়ার রূপকথা
রূপান্তর : মো. গোলাম রহমান - ঘুপুর বন্ধু টুনু আর চি - এনায়েত রসুল
- এটা আমার বাবার গল্প, মায়েরও - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- চাষা ও তার গরু - আহমেদ রিয়াজ
- সহকারী গোয়েন্দা - মোস্তফা মামুন
- লাল বেলুন - আমীরুল ইসলাম
- ডান-বাম - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
-
শেষ যাত্রা -
মূল : কার্ল জ্যাকবি
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু - লিটুর ঘুম আসে না - মোস্তফা মামুন
- ভূতটা খোলা মাঠে একা শুয়ে আছে - আহমেদ রিয়াজ
- কিসমতের বিচার - হুমায়ূন কবীর ঢালী
- নিপুর আশ্রয় - এনায়েত রসুল
- দুই ভূতের কান্ড - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
কান্নার দাগ -
আফ্রিকার রূপকথা
রূপান্তর : আবুল বাসার - নূরী ও পরী - আহমেদ রিয়াজ
-
প্রকৃতি কন্যার দোলনা ঘর -
শোহেইল মতাহির চৌধুরী
- ছোট্ট জাদু-নুড়ি - আমীরুল ইসলাম
- জাদুর আয়না - রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- বিন্নির খুশি - এনায়েত রসুল
- ঘুম পাহাড়ের আজব পাখি - আহমেদ ফারুক







