শোহেইল মতাহির চৌধুরী
তিনদিনের বন্ধ পুরোটা মাটি করে দিয়েছেন ছবি-আপা। ছবি-আপা মানে আমাদের স্কুলে যে আপা ছবি-আঁকা শেখান। বন্ধে নানুমনিকে দেখতে গ্রামে যাওয়ার কথা। পুকুরঘাটে পিছলে পড়ে ব্যথা পেয়েছেন নানু। বিছানায় শুয়ে আছেন। হাঁটাহাঁটি করতে পারেন না। মা-বাবারা গিয়ে দেখে এসেছে। স্কুল খোলা বলে আমাকে নেয়নি। বন্ধের সময় যাওয়ার কথা। নানুমনি বারবার ফোন করছেন। সবকিছু মোটামুটি ঠিকঠাক। কিন্তু ছবি-আপার জন্য সব ভন্ডুল হয়ে গেলো। আমি বুঝিয়ে বললাম ছবি-আপাকে। কিন্তু তার ঐ একই কথা, “যেখানে ইচ্ছা যাও কিন্তু যেদিন স্কুল খুলবে সেদিনই ছবি প্রতিযোগিতা”।
আমাদের শ্রেণী, মানে তৃতীয় শ্রেণীতে, সবচে ভালো ছবি আঁকে আলিভা - একটা এক নম্বরের হিংসুটে। ও মনে করে ওর মতো ভালো ছবি আর কেউ আঁকতে পারে না। গতবার ‘ফুলের টব’ ছবি এঁকে আমি দ্বিতীয় হলাম। তবু আমার ছবি নিয়ে কত হাসাহাসি আলিভার। নানারকম ভুল ধরে ক্লাশের বন্ধুদের দেখালো। আমি কাউকে কিছু বলিনি। শুধু কষ্টে বাথরুমে গিয়ে কিছুক্ষণ কেঁদেছি।। তখনই মনে মনে ঠিক করেছি, পরেরবার আমি প্রথম হবোই হবো। এখন নানুবাড়ি গেলে আমি ছবি আঁকবো কখন? যত্ন করে আঁকতে গেলে অন্তত: দুইদিন তো লাগবেই। বাবাকে বিষয়টা বলতেই বাবা নানুবাড়ি যাওয়াটা পিছিয়ে দিলো। দারুণ একটা বুদ্ধিও দিলো বাবা। এই বন্ধে ছবি আঁকবো। তারপর আমার ছবি প্রথম হলে সেটা পরের সপ্তায় গিয়ে নানুকে উপহার দিয়ে আসবো।
ছবির বিষয়টা অবশ্য একেবারে পঁচা; ‘আমার ঘর’। কতো কতো ভালো ভালো বিষয় আছে, তা না ঘর-বাড়ি নিয়ে ছবি। ছোটদের কি ঘর-বাড়ি নিয়ে আমার-আমার করা ঠিক? বড়রা যে কত কিছু ভুল-ভাল শেখায়। ছোটদের একদম বুঝতে পারে না তারা।
“মৌটুসি! মধু টস টস করে পড়ে যার গাল থেকে সেই মধুবন্তী মেয়েটা আমার কই?”
এই রে, বাবা চলে এসেছে। এতো তাড়াতাড়ি! ছবিটা তো অর্ধেকও আঁকা হয়নি। বাবা এখনও দরজার বাইরে। বাসার দরজা খোলার আগেই বাবা ডাকাডাকি শুরু করে। আমি অবশ্য দরজা খুলি না। দরজা খুলে মা। তবে মাকে না ডেকে আমাকেই ডাকে বাবা। বাবার ডাকটা আমার ভালোই লাগে। কিন্তু আজকে ভালো লাগছে না।
“মৌটুসি! মধু টস টস করে পড়ে যার গাল থেকে সেই মধুবন্তী মেয়েটা আমার কই?”
বাবার এই এক স্বভাব। একই কথা ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে বলে। বাচ্চাদের ছড়া-কবিতা পড়ার মতো সুর করে। আচ্ছা মধুবন্তী শব্দটার মানে কি? বাবা বানায়নি তো শব্দটা? বানাতেই পারে, বাবা যা পাজি!
তবে বাবা কথা বলে মিস্টি করে। শিশু বিশেষজ্ঞ তো! মিস্টি মিস্টি কথা বলে বাচ্চাদের ইনজেকশন দিতে হয়।
যাই হোক, বাবার মধুমাখা কথায় ভুললে চলবে না। ঝটপট সব ঠিক-ঠাক করে ফেলতে হবে। বাবার রুটিনতো জানি। মাত্র দরজা দিয়ে ঢুকলো। মা এখন বাবার হাত থেকে বাজারের ব্যাগ নিয়ে বুয়াকে দেবে। তারপর টুক-টাক গল্প হবে মা-বাবার। গল্প শেষ হলে বাবা আসবে এদিকে। ইস, হাতে একদম সময় নেই।
“মৌটুসি, মামণি, দেখো বাবা আজ তাড়াতাড়ি চলে এসেছে।” তাইতো! ঘড়িতে মাত্র সাড়ে সাতটা বাজে। তাড়াতাড়ি তো অবশ্যই। সাড়ে আট-টার আগে বাবা চেম্বার থেকে আসে না। তাড়াতাড়ি আসাতেই তো সব গোলমাল লেগে গেলো। নতুবা খাতা-পেন্সিল গুছিয়ে এতক্ষণে ঘুমিয়ে পড়তাম আমি।
“মৌটুসি, বাবা ডাকছে”। মা আবার ডাকাডাকি শুরু করলো কেন? নাহ্, মায়ের ডাকে এখন জবাব দিতে গেলে সব প্যাঁচ লেগে যাবে।
“আছে ওই ঘরে। ছবি আঁকছে। ছোট মাছ আনতে বলেছিলাম, এনেছো? যাও, হাত-মুখ ধুয়ে আসো। টেবিল লাগাতে বলছি”।
মায়ের সাথে এখন গল্প করছে বাবা। নাহ্,
একে বোধহয় গল্প বলে না। গল্প হোক আর যাই হোক, যত বেশিক্ষণ এটা চলবে ততোই আমার লাভ।
রঙ, রংয়ের বাক্স গোছানো হয়ে গেছে। আধা-আঁকা ছবিটা কোথায় রাখবো? এই কাপবোর্ডের উপরে থাকুক। খাবার টেবিলে রং-টং লেগে নাই তো? মা ভীষণ ক্ষেপে যাবে। স্কুলের ব্যাগটা এখbI এখানে? কাপবোর্ড আর দেয়ালের ফাঁকে ওটাকে ছুঁড়ে দেয়া যাক। নাহ্ শব্দ হয়নি। আর কী, আর কী? জামাটা বদলে শোবার পোষাক পড়তে হবে। এই পোষাকে ঘুমালে মা ঘুম থেকে উঠিয়ে দিতে পারে। কিন্তু পোষাক বদলানোর সময় কই?
“মধুস্বরা, মধুগন্ধী, মামণি, দেখো বাবা আজ তোমার জন্য কী নিয়ে এসেছে”? ইস্ রে, বাবার কথা শেষ - এখন আসছে এদিকে। এক দৌড়ে শোবার ঘর। আমার বালিশটা গেল কই? ব্যস, ঝপ্পাস বিছানার মাঝে। মাঝে, মানে বিছানার মাঝেই শুতে হবে। ‘মা একপাশে, বাবা একপাশে; আর মাঝে শোবে - মৌটুসি’।
বড়রা ঘুমানোর ভান করলে নাক ডাকায়। ছোটদের উপায় কী? আহা মাথাটা কাজ করছে না। বাবা শোবার ঘরে ঢোকার আগেই গভীর ঘুমের ভানে চলে যেতে হবে। ‘আয় ঘুম আয়, চোখে মুখে আয়’।
“ওহ্ মামণি! বাবা আসার আগেই তুমি ঘুমিয়ে পড়েছো?”
(হি হি হি। বাবা ভাবছে আমি ঘুমে অচেতন। যাক, বাবাকে ঠকানো গেছে। এখন মা-কে না ডাকলেই হয়।)
“চন্দ্রা! চন্দ্রা! মৌটুসি-তো ঘুমিয়ে পড়েছে। রাতে খেয়েছে তো?”
(মায়ের নাম মোটেও চন্দ্রা না; মায়ের নাম আনোয়ারা খাতুন। চন্দ্রাটা বাবা বানিয়েছে। বিয়ের আগে মা-কে নিয়ে কবিতা লিখতো বাবা। তখন চন্দ্রা নামটা বানিয়েছে। মা মোটেও চাঁদের মত সুন্দরী না। তবে ভীষণ চালাক। ধরে ফেলবে নাতো? টেনশনে বুকটা ঢিপঢিপ করছে।)
“একটু আগেই তো ছবি আঁকছিলো। ঘুমালো কখন? রাতে কিছু খায়ও নি। আমার মনে হয় ভান করছে। তোমার মেয়ে তো”।
(এ্যাu! মা কি বুঝে ফেলেছে? তোমার মেয়ে মানে কি? আমি কি শুধু বাবার মেয়ে হতে পারি? মা বেশি কথা বলে তো, যুক্তি ঠিক রাখতে পারে না।)
“আমার মধুস্বভাবা মেয়েটাকে এতো অবহেলা? একটা মেয়েকে দেখে রাখতে তোমার কত কষ্ট। অথচ আiI আiI বাচ্চা চাও”।
(শুধু মা চায় নাকি? আমিও চাই। বাসায় আমিই ছোট, এটা একদম ভালো লাগে না। একটা ছোট ভাই, নাহ্ একটা বোন হলে ভালো হতো। দেখে-শুনে, বুদ্ধি-পরামর্শ দিয়ে বড় করতাম। মা-বাবা তো অনেক আগে বড় হয়ে গেছে। ওরা বড় হওয়ার বিষয়গুলো ভুলে গেছে।)
“চাইলেই কি আর বাচ্চা মেলে? তোমার মেয়ের জ্বালায় রাতে ঠিকমতো ঘুমাতেই পারছি না। এইটুকy বিছানায় তিনজন শোয়া যায়? বললাম একটা বড় বিছানা কেনো। না হয় মিস্ত্রি ডেকে বিছানাটা একপাশে বাড়িয়ে নাও।”
(এই রে, মা মনে হয় ক্ষেপে যাচ্ছে। কিসব উল্টাপাল্টা বকা শুরু করেছে।)
“তোমার যা বুদ্ধি। বিছানা বড় করলে কী লাভ? তখন দেখবে বিয়ে না দেয়া পh©š— তোমার মেয়ে আর আমাদের বিছানা ছাড়ছে না।”
(এ্যাu! তোমার মেয়ে। এবার দেখি বাবা বলছে মাকে। নাহ্ বাবার বুদ্ধিটা কমেই যাচ্ছে। আমি কি কখনও বিয়ে করবো? প্রশ্নই ওঠে না। মা-বাবার সাথেই সারাটা জীবন এক বিছানায় কাটিয়ে দিতে হবে। মা-বাবাকে ছেড়ে অন্য জায়গায় যাওয়ার কি মানে? অন্য মানুষ কি মা-বাবার মতো হয়?)।
“তা হতে পারে। তোমার মেয়ে তো। তুমি তো কলেজে পড়া পh©š— মায়ের সাথে ঘুমাতে”।
(হি হি হি। জোরে হাসা যাবে না। বাবা দেখছি আমার চেয়েও বাবু ছিলো।)
“আরে না। আম্মার গল্প শুনে তুমি বিশ্বাস করলে? আম্মাই ভয় পেতো। আব্বা যখন কয়েকদিনের জন্য মফস্বলে যেতো, তখন মায়ের বিছানায় গিয়ে ঘুমাতাম”।
(বাবা নিশ্চয়ই লজ্জায় লাল হয়ে গেছে। মা যা দুষ্টু। কায়দা করে মানুষকে লজ্জায় ফেলে দেয়।)
“খামোখাই টাকা খরচ করে যাচ্ছো। ওই ঘরে ও ঘুমাবে মনে করো? তিনমাস ধরে পরে আছে। আজকে আবার কী কিনে এনেছো?”
(থাকুক পরে। আমি কখনো ওই ঘরে ঢুকছি না। আমি ছোট না? আমি কি আর একা একটা ঘরে ঘুমাতে পারি? আমি ঘুমাবো মা-বাবার মাঝখানে।)
“আড়ং-এ এই বালিশটা দেখে ভাল্লাগলো। দেখো একেবারে একটা কাছিমের মতো। এখন না বাচ্চাদের খুব সুন্দর সুন্দর জিনিস পাওয়া যায়। আমাদের সময় এসব ছিল না। আচ্ছা খাবার দাও, ক্ষুধা লেগেছে।”।
যাক, আজকের মত বিপদটা কাটলো। মা-বাবা
চলে গেছে। মা-টা একটু রাগী। কিন্তু বাবাটা বাবু বাবু আছে। কাছিমের মতো বালিশ কিনে
এনেছে। আচ্ছা, এটাতো আমার মাথায় আসেনি। ‘আমার ঘর’
ছবিটায় বালিশটা থাকতে পারে। কাছিমের মতো বালিশ। কোলবালিশটা তরমুজের মতো। বিছানাটা
কলাগাছের ভেলার মতো। বুনো লতা দিয়ে ঘেরা
মশারি। ছাদে ওড়াওড়ি করছে নানা রকম পাখি। মেঝেতে গোল কার্পেটের জলাশয়ে পানি খেতে
এসেছে হরিণ ও বাঘ। রোদ পোহাচ্ছে কুমির। আর ঐ যে মশারির ধার দিয়ে বুনো লতা। তাতে
ঝুলছে শিম্পাঞ্জি।
নতুন করে ছবিটা আঁকতে হবে। কী নাম দেয়া যায়? ‘টারজান-কন্যা মৌটুসির পালকি ঘর’। নাহ্, বাবাতো টারজান না? আমি তাহলে কি করে টারজান কন্যা হবো? ‘জঙ্গল-কন্যা’ লেখা যায়। নাহ্, এটা কেমন জংলি জংলি শোনাচ্ছে। হুম, পেয়েছি; ‘প্রকৃতি-কন্যা’। ‘প্রকৃতি-কন্যা মৌটুসির পালকি-ঘর’।
পালকি-ঘর শুনতে মজা লাগছে। ঘরটা যদি পালকির মত দুলতো তবে আরো মজা হতো। কিন্তু, পালকি শুনলে কেমন বউ-বউ মনে হয় না? মৌটুসিতো কখনো বিয়ে করবে না। সুতরাং, পালকি বাদ। পালকি বদলে কী হতে পারে? দোলনা, দোলনা হতে পারে; পালকি ঘর-এর বদলে ‘দোলনা-ঘর’। বাহ, সবকিছুই মাথার মধ্যেই থাকে। চিন্তা করলেই পাওয়া যায়।
ছবির নামটা বেশ মজার হয়েছে তো! ‘প্রকৃতি-কন্যা মৌটুসির দোলনা-ঘর’। ঘরে একটা বড় দোলনা আঁকতে হবে। বিছানাটাই দোলনার মতো হতে পারে, তাই না? ছবিটা এখন আঁকলেই ভালো হতো। ঘুম থেকে ওঠার পর যদি সবকিছু মনে না থাকে? না, এখন বিছানা থেকে নামার ঝুঁকি নেয়া যাবে না। বরং ঘুমিয়ে যাওয়াই ভালো। ...আয় ঘুম ঝেঁপে...স্বপ্ন দেবো মেপে...
আমাদের ছবি-আপাটা ভীষণ দুষ্টু। আজকে আমাকে কী লজ্জাটা না দিলেন। আমি ভালো মানুষের মত টিচার্স কমনরুমে গেলাম আপার সঙ্গে দেখা করতে। আপাকে বললাম, আপা আমি অন্য কোনো ছবি আঁকি। ‘আমার ঘর’ নিয়ে ছবি আঁকতে ভালো লাগছে না। আপা সাথে সাথে জেরা করা শুরু করলেন।
“কেনো তোমার ভালো লাগছে না মৌটুসি। তোমার ঘরটা কি তোমার অপছন্দ?”
এসব প্রশ্নের কি আর তাড়াতাড়ি জবাব দেয়া যায়। আমি আমতা আমতা করি আর ছবি-আপা মুচকি মুচকি হাসেন। বাসায় তো আমার জন্য একটা ঘর আছে। কিন্তু আমি তো সে ঘরে থাকি না। থাকবো কেন? আমার ভালো লাগে মা-বাবার সাথে ঘুমাতে। আর ডাইনিং টেবিল তো অনেক বড়ো। ওখানেই পড়ালেখা, ছবি আঁকা সব করা যায়। আমি ছাড়া বাসায় তো আর ছোট কেউ নাই। তাহলে, আলাদা ঘরের কি দরকার?
কিন্তু এত কথা তো আর আপাকে বলা যায় না। বললাম, “আমি আসলে মা-বাবার সাথে ঘুমাই”।
আমার কথা শুনেই ছবি আপা হেসে উঠলেন। একেবারে সব দাঁত বের করে হাসি। আর কি যে খুশি। হাসিতে আপা ভেঙে ভেঙে পড়ছেন।
“তাই নাকি মৌটুসি? তুমি মা-বাবার সাথে শোও”।
আপার হাসি দেখে নিজেকে বোকা বোকা লাগছিলো। কি করবো, কি বলবো বুঝতে পারছিলাম না। এর মাঝে ছবি-আপা বাকী সব আপাদেরকেও ডেকে জড়ো করে বললেন, “জানেন আপারা, মৌটুসি না এখনো মা-বাবার সাথে এক বিছানায় ঘুমায়”। এই কথা শুনে সবাই হা হা করে হাসতে লাগলেন।
“আচ্ছা কার পাশে তুমি শোও মৌটুসি? মায়ের পাশে না বাবার পাশে”? প্রশ্নটা করলেন ইংরেজি-আপা। এই আপাটা মহাদুষ্টু। চোখ দেখলে বুঝা যায় ছোটো থাকতে আরো দুষ্টু ছিলেন।
হাহ্ এটা একটা প্রশ্ন হলো? তাদের হাসাহাসি দেখে আমার ভীষণ রাগ হচ্ছিল। কিন্তু বাইরে বুঝতে দিচ্ছিলাম না।
“আমি মা ও বাবার মাঝখানে শুই”। রাগ আটকে রেখে আমি বললাম।
“হাহ, হাহ, হাহ”। আমার কথা শুনেই কমনরুম কাঁপিয়ে হাসতে শুরু করলো আপারা। রাগের বদলে আমার লজ্জা পেতে লাগলো। জোরে এক দৌড় দিয়ে বেরিয়ে এলাম। বুঝলাম, ‘আমার ঘর’ ছবিটাই আঁকতে হবে। এ নিয়ে কথা বলতে গেলে আরো হাসাহাসি করবে আপারা। তারচেয়েও খারাপ হবে যদি ক্লাশে এসে আপা এ কথা সবাইকে বলে দেয়। খুব লজ্জার হবে। তখন ক্লাশের সবাই আমাকে নিয়ে ঠাট্টা-মশকরা করবে। আলিভা যা মিচকে, হয়তো কার্টুন আঁকবে আমাকে নিয়ে। কার্টুনে দেখা যাবে; বিছানার দুই পাশে মা-বাবা বসে রাতভর ঝিমাচ্ছে, দেয়াল ঘড়িতে রাত তিনটা। আর মাঝখানে মৌটুসি গাধার মত নাক ডাকিয়ে ঘুমাচ্ছে। নাকের পাশে বুদ্বুদ আঁকবে, আর ভেতরে লেখে দেবে- গররর, গররর।
নাহ্, এরচেয়েও খারাপ কিছু আঁকবে ও।
মাইশা হয়তো ওর বাবার অফিস থেকে সেই কার্টুন ফটোকপি করে আনবে। তারপর সারা স্কুলে
বিলি করবে দুই ফাজিল মিলে।
আগডুম বাগডুম ভাবতে ভাবতে কখন যে ঘুমিয়ে পড়লাম টের পাইনি। ঘুমের মধ্যে শুনি গুড় গুড় করে ঢাক বাজছে। ঘুমটা গেলো ভেঙে; ক্ষুধার কারণে? নাকি বাবার নাক ডাকার শব্দ শুনে? পেটের ভেতরেই শব্দটা হচ্ছে। অন্যদিনতো ঘুমের মধ্যেই মা খাইয়ে দেয়। আজ দিলো না কেন? মা-টা দুষ্টু হয়ে যাচ্ছে। ভীষণ রাগ হচ্ছে মায়ের ওপর। এত ছোট বাবুর কি এত ক্ষুধা সহ্য হয়?
ঘরে হালকা নীল আলো। ডিমলাইট জ্বলছে। কিন্তু আমার পাশে শুধু মা শুয়ে কেন? বাবা কই? একি! আমি-তো একেবারে বিছানার পাশে। বাবাতো শুয়ে আছে মায়ের ওইপাশে। বিছানার মাঝখান থেকে আমাকে সরালো কে?
নিশ্চই মায়ের কাজ। মা-টা যে কি? এখন আরাম করে ঘুমাচ্ছে। আমাকে বিছানার পাশে সরিয়ে দিয়ে, নিজে বিছানার মাঝে শুয়ে আছে। কেমন বুদ্ধি এটা মায়ের? যদি আমি নীচে পড়ে যেতাম? পড়ে হাত-পা ভাঙতো? তাহলে স্কুলে যেতাম কি করে? আর প্রতিযোগিতার ছবি- আঁকাই হতো না।
রাতে না খেয়ে, ছবি আঁকা বন্ধ করে, বাবাকে ঠকিয়ে তাড়াতাড়ি করে ঘুমালাম। আর সব কেমন বানচাল করে দিলো মা। নিজেই এখন ঘুমিয়ে আছে বিছানার মাঝখানে?
দেবো নাকি মা-কে একটা ধাক্কা।
ইস, কি যে ক্ষুধা লেগেছে। ফ্রিজে খাবার আছে তো? ক্ষুধার কষ্টটা আগে কোনদিন বুঝিনি তো? খুব একটা ক্ষুধাতো আমার লাগে না!
কিন্তু মা কেন ঘুম থেকে তুলে খাওয়ালো না। একথা মনে হলেই কান্না পাচ্ছে ওর। দেবো নাকি ওদের আরামের ঘুম ভেঙে?
কেঁদে ফেলবো নাকি ভ্যাঁ করে?
চোখমুখ কুঁচকে, ঠোঁট উল্টে কিছুক্ষণ বসে থাকলাম। ভাবলাম।
নাহ্, কান্না করাটা ঠিক হবে না। এ নিয়ে পরেরদিন গল্প হবে। হা হা করে হাসবে মা-বাবা। বন্ধুদের রসিয়ে রসিয়ে এই গল্প শোনাবে।
আমার কান্না নিয়ে মজা করতে দেয়া যাবে না। মা-বাবার রাজনীতির কাছে এভাবে হেরে যাওয়া ঠিক হবে না।
আস্তে আস্তে খাবার ঘরে ঢুকে বাতিটা জ্বালালাম। ফ্রিজে রাখা ভাত-তরকারি একেবারে ঠান্ডা বরফ হয়ে আছে। ধ্যাত্ এসব খাওয়া যায় নাকি? বিস্কুটের টিনতো রান্নাঘরে। মা-টা যে কি! নাহ্, এই অন্ধকারে রান্নাঘরে যাওয়া যাবে না। কোকের বোতলটা ফ্রিজ থেকে বের করলাম। এক গ্লাস কোক খাওয়া যাক। খুব ভোরে উঠে বেশি করে নাস্তা করতে হবে। রাতে না খেয়ে আর ঘুমানো যাবে না। যাক, কোক গেলায় ক্ষুধা কিছুটা কমেছে। এখনতো মজাই লাগছে। রাতে একা একা খাওয়াটাতো বেশ মজার!
কেউ দেখছে না যখন, আরো আধা গ্লাস কোক খাওয়া যায়।
দেয়ালে টিকটিকিরা ছুটোছুটি করছে। এগুলো রাতে ঘুমায় না? বাথরুমে যাবো নাকি? না থাক, ওদিকে অন্ধকার। ক্ষুধার জন্য এতোক্ষণ ভয় লাগছিলো না। পেট ভরে যাওয়ার পর আবার ভয় লাগা শুরু হয়েছে। তাড়াতাড়ি লাইট নিভিয়ে শোবার ঘরে চলে এলাম। আচ্ছা, এখন আমি ঘুমাবে কোথায়?
মা-বাবা কি সুন্দর ঘুমাচ্ছে। দেখে যা বিরক্ত লাগছে। মা’রও কি নাক ডাকছে? নাকি জোরে জোরে শ্বাস পড়ছে। বাবা-তো এতো জোরে নাক ডাকাচ্ছে যে মনে হচ্ছে ঘরের মধ্যে চাল-ভাঙার মেশিন চলছে।
কিন্তু আমি ঘুমাবে কোথায়? মায়ের পাশে ওইটুকু জায়গায় কি করে শোবো? নাহ্ মাঝখানেই শুতে হবে। নিজের জায়গা ছাড়া যাবে না। ছোটদেরও অধিকার আছে। অধিকার রক্ষা করতে হয়!
পেছন ফিরে কাত হয়ে শুয়ে আছে মা-বাবা। মাকে মাঝখান থেকে
পাশের দিকে ঠেলে সরিয়ে দিতে হবে। তবে ঘুম ভাঙানো যাবে না। ভীষণ ক্ষেপে যাবে। কোনোরকমে মা-বাবার মাঝে ঢুকে মায়ের পিঠে
ধাক্কানো শুরু করলাম।
“এ্যাই, ধাক্কাও কেনো”
এই রে, মা ভাবছে বাবা ধাক্কাচ্ছে। যদি বুঝতে পারে আমি, তাহলে খবর আছে। হি হি হি, মা মনে হয় ঘুমের মধ্যে কথা বলে।
“এতো ছোট বিছানায় তিনজন ঘুমানো যায়?” ঘুমের মধ্যে কথা বলতে বলতে মা একটু সরে যায়। আমার আর কট্টুক জায়গা লাগে। যাক, জায়গাটা আবার উদ্ধার হলো। বড়দের সাথে বুদ্ধিতে পারা খুব কঠিন। তবে এইদফা সহজেই বিজয় পাওয়া গেছে। এবার মনে হয় ঘুমটা শান্তির হবে।
দ্রুতই ঘুমিয়ে পড়লাম। ঘুমের মাঝে স্বপ্নও শুরু হয়ে গেছে।
দেখি, সবুজ এক পাহাড়ি-পাহাড়ি বাগানে এসেছি আমি। মা-বাবা কেউ সাথে নেই। একেবারে একা।
বাগানটাতেও আর কেউ নেই। বাগানের মাঝখানে গোল একটা লেক। স্বচ্ছ পানির ওপর ভাসছে একজোড়া সাদা রাজহাঁস। একটা মাত্র বাচ্চা ওদের, সোনালী রংয়ের। বাচ্চাটা সাঁতার কাটছে না। বসে আছে বড় একটা হাঁসের পিঠে। বাবা হাঁস হবে হয়তো।
লেকের পাশের গাছগুলোর দিকে চোখ যেতেই অবাক হয়ে গেলাম। ওমা! এ কিরকম গাছ! লিচু গাছের মত যে গাছগুলো সেগুলোয় ঝুলে আছে নানারকম বোতল আর ক্যান; কোনোটায় কোক, কোনোটায় পেপসি, ফান্টা, মিরিন্ডা, আরসি। কি দারুণ! আমগাছের মত গাছগুলোয় ঝুলছে জুসের রঙচঙে প্যাকেট। আর ছোটো ঝোপগুলো চিনতে পারছি না। ওগুলোতে ঝুলে আছে বার্গার। চিকেন বার্গার আমার ভীষণ পছন্দ।
খাবো নাকি একটা বার্গার? কিন্তু বার্গার খেলে পর পিপাসা পাবে যে। ওমা! বার্গার গাছটার নীচেই তো কি সুন্দর একটা বেসিন। পানির কলও আছে। নোংরা নাতো? আস্তে করে কলটা ছাড়লাম। বাহ্, পরিষ্কার ঝকঝকে পানি ঝর ঝর করে পড়ছে কল থেকে। ভারী সুন্দর! ঝর্নার মত পানি বয়ে যাচ্ছে। ঝর ঝর ঝর ঝর। ঝর ঝর ঝর ঝর।
“এ্যাই ওঠো ওঠো। দেখো তোমার মেয়ের কান্ড”
বাবাটা এমন বোকার মতো চ্যাঁচাচ্ছে কেন? ঘুমের মধ্যেই শুনতে পাচ্ছি। যাহ, গেলো স্বপ্নটা কেটে।
“দাঁড়াও চাদর বদলে দিচ্ছি”। মা-ও উঠে পড়েছে দেখছি। “উফ, সব ভিজিয়ে দিয়েছে মেয়েটা”।
(এ্যা, বলে কি মা? স্বপ্নে পানির কলটা দেখা ঠিক হয়নি। কোক খাওয়ার পর একটু সাহস করে বাথরুমে যাওয়াই ঠিক ছিলো। ইস, কি লজ্জার কথা। এতো বড় মেয়ের কী কান্ড! নাহ্, চোখ খোলা যাবে না। ঘুমের ভান করে পড়ে থাকতে হবে।)
“এ্যাই মৌটুসি, উঠ, বাথরুমে যা”। (মা-টা ভীষণ নাছোড়বান্দা।)
“এখন আর বাথরুমে গিয়ে কি হবে। ঘুমাক। তুমি ওর কাপড় বদলে দাও”। (যাক, বাবাটা ভীষণ লক্ষ্মী।)
“হুম, কেমন ঘুমাচ্ছে দেখো। তুমি কই যাচ্ছো”?
“আমি এখানে ঘুমাতে পারবো না। আমাকে একটা চাদর দাও। আমি লিভিংরুমে যাই”।
“লিভিংরুমে ঘুমাবে কি করে? চাদর পাল্টে দিচ্ছি। সকালে তোষক রোদে দিতে হবে। ”
“না, গন্ধ লাগছে নাকে। আমার ঘুম আসবে না। আমি লিভিংরুমে যাচ্ছি”।
(ধ্যাত্তেরি, খুব খারাপ হলো কাজটা। বাবা ঘুমাবে কি করে এখন।)
মটকা মেরে শুয়ে থাকি। মা চাদর পাল্টাচ্ছে। আমার কাপড়ও বদলে দিলো। যাক ঘুমের ভান করে রক্ষা পাওয়া গেছে।
বাবা লিভিংরুমে শুয়েই নাক ডাকানো শুরু করেছে। মাও ঘুমিয়ে একেবারে কাদা হয়ে গেছে। কিন্তু আমারতো ঘুম আসছে না। একদিকে লজ্জা লাগছে আরেকদিকে বাবার জন্য খারাপ লাগছে। নিজের কাছেই নিজেকে কেমন খারাপ লাগছে। বুঝতে পারছি না, কী করা যায়।
বিছানা থেকে নেমে উঁকি দিলাম লিভিংরুমে। কার্পেটে চাদর পেতে শুয়ে আছে বাবা। একেবারে বাচ্চাদের মত হাত-পা ছড়িয়ে চিত্ হয়ে। আহা, বাবাটা বিছানায় এমন করে ঘুমাতে পায় না। সেখানে জায়গা কই এমন হাত-পা ছড়িয়ে ঘুমানোর?
শব্দ না করে বাবার পাশে এসে বসলাম। নীচে একা একা শুয়ে আছে বাবা, ইশ্। বাবাটাকে একদম বাবু বাবু লাগছে। হাত বুলিয়ে দেবো নাকি বাবার মাথায়? বাবার জন্য খুব মায়া লাগছে। নিজের কান্ডটার জন্য আরো খারাপ লাগছে। ধুর, আমার জন্য বাবার এই যন্ত্রণা হলো। বাবার মাথায় হাত রেখে আস্তে করে বললাম, “আই এ্যাম স্যরি, বাবা”।
বাবা ঘুমাচ্ছে। আমার
কথা বাবা শুনতে পেলো না।
আমি নিজের ঘরে ঘুমালে এসব কিছুই ঘটতো না।
আমার ঘরে অবশ্য আমি কখনও ঢুকিনি। সবাই ঘুমাচ্ছে, এখন দেখা যায়। আস্তে করে বাতিটা জ্বালালাম।
বাহ, কি সুন্দর! বিছানাটা
কি মিস্টি, রূপকথার বইয়ের প্রচ্ছদের মত। আর কতো পুতুল বিছানায়!
বালিশটা? একেবারে কাছিমের মত। সবুজ কাছিম। ওমা! কোলবালিশটা
একটা হাসি হাসিমুখ কুমিরের মত। এত সুন্দর করে ঘরটা সাজিয়ে রেখেছে মা-বাবা। তাও আমি মা-বাবার
বিছানা ছাড়তে চাইতাম না? মা ঘুমাচ্ছে। বাবাও ঘুমাচ্ছে লিভিংরুমে। এখনো সকাল হয়নি। নিজের বিছানায় উঠতে নিজেরই লজ্জা লাগছে। এই প্রথম। আহ্ কি নরোম। কাছিম-বালিশটাতো
ভীষণ নরোম। টেডি
বিয়ারটার গায়ে দু’বার বিলি কাটতে কাটতে না কাটতেই আমার চোখ
জুড়ে ঘুম নামলো।
কোথায় যেন তালি বাজছে। এইতো এখানে, এই ঘরে। মা-বাবা তালি দিচ্ছে। বিছানার পাশে দাঁড়িয়ে আছে ওরা। চোখ মেলে পরিস্থিতি বুঝার চেষ্টা করলাম।
“তালি দিচ্ছো কেন তোমরা”
বাবা হো হো করে হাসে। বলে, “মামণি, তালি দিচ্ছি সকাল হয়ে গেছে বলে। তুমি ঘুম থেকে উঠবে। নাস্তা করবে এখন। আর তালি দিচ্ছি তোমার বিছানায় আজই তুমি প্রথম ঘুমালে সেজন্য”।
রাতে বিছানা ভেজানোর ঘটনাটা মনে পড়ে গেলো। লজ্জা লাগছে। এখন চুপচাপ থাকাই ভালো। কিছু বলতে গেলেই লজ্জা দিতে পারে মা-বাবা।
“যাও চট করে মুখ-হাত ধুয়ে এসো। নাস্তা রেডি”। বলেই মা খাবার ঘরের দিকে চলে গেলো। আমিও দৌড়ে বাথরুমে ঢুকলাম।
কোনোরকমে নাস্তা শেষ করে আবার দৌড় দিয়ে নিজের
ঘরে। যাক মা-বাবা রাতের ঘটনা নিয়ে কিছু বলেনি। বুঝেছে বললে আমি লজ্জা পাবো। বাহ্,
ঘরে একটা ছোটো পড়ার টেবিলও আছে। এখানে বসেই তো ছবি আঁকা দেখা যায়। টেবিলে বসলে জানালা দিয়ে
দূরের গাছ-পালাও দেখা যায়। ছবি আঁকার খাতাটা খুলে ঘরটাকে ভালো করে দেখলাম। কী সুন্দর
ঘর! অভিমান করে এতোদিন ঢুকিনি। যাহ্। নিজের বোকামিতে নিজেরই হাসি পাচ্ছে।
কে যেন আমার ভেতরে কথা বলছে। নিজের কথাই
বোধ হয় শুনতে পাচ্ছি। আবছা একটা ছবিও দেখতে পাচ্ছি। নানুবাড়ির গেট। গেটের বাইয়ে
দাঁড়িয়ে আছি আমি। চিত্কার করে ডাকছি “নানুমনি,
নানুমনি আমি এসেছি”। আমার হাতে ধরা আমার আঁকা ছবিটা।
শোহেইল মতাহির চৌধুরী/এবি/০৭ এপ্রিল
- মেয়েটি মাকড়সা হয়ে গেল - কাজী কেয়া
- কাজলকাকা ভূত নয় - ইমতিয়ার শামীম
- অর্পণের মা - আলী হাবিব
- রাশিয়ান রূপকথা: ধপাস ভালুক - রহীম শাহ
- মুখোশ রহস্য - আহমেদ রিয়াজ
- মুরগী ছানা তিতি - আরিফুন নেছা সুখী
- অহংকারী রাজকন্যা - বিএম বরকতউল্লাহ
- পুতুল ভূত - রানা জামান
- রাখাল ও জাদুর আম গাছ - হুমায়ুন কবীর ঢালী
- দুষ্টু ছানাদের গল্প - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- তুতুন - আল নাহিয়ান
- সাইকেল বাবু - লিটন মহন্ত
- রূপকথা নীল পূর্ণিমার সোমেশ্বরী - রবীন ভাবুক
- পরীরাণী - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- সাদাসোনা মেঘ, নীল ঘুড়ি আর খোলা মাঠে একা ছেলেটা - নূর সিদ্দিকী
- অন্ধকারের এক রহস্যমানুষ আর রাজহাঁস - মিন্টু হোসেন
- চকোলেট দৌড় - সোহানা রহমান
- স্কুলপড়ুয়া পাখি, প্রজাপতি আর ছড়া - মেহেরুবা নিশা
- গরুর ঘায়ে! - আহমেদ রিয়াজ
-
ঝুমি ও একটি কুকুর -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
উপন্যাস: পিশাচ-কন্যা -
সামান্থা লি
রূপান্তর: অনীশ দাস অপু - অক্স ও বুল (সায়েন্স ফিকশন গল্প) - আবুল কালাম আজাদ
- আমি ভূত - সোহানা রহমান
- সবুজ মাঠ - শিবলী নোমান
- মন্দ মানুষ - চন্দন চৌধুরী
- ঈদে মুক্তির আনন্দ - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- জোনাকিদের গ্রহে ভয়েজার ১ - মিন্টু হোসেন
- তর্ক-বিতর্ক - পাভেল মহিতুল আলম
- খরচি মামার সাইকেল - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
- লাল জামা - বিএম বরকতউল্লাহ্
- আমার বন্ধু ডোরেমন - আহমেদ রিয়াজ
-
অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস অজানা দ্বীপে অভিযান -
মূল : এডগার অ্যালান পো
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- ঢেউয়ের বন্ধুরা - নূর সিদ্দিকী
- ভাষা - জাহিদুল আলম
- বর্ণান্ধ - মারিয়া হোসেন
- ভূতের সঙ্গে আড়ি - মুহসীন মোসাদ্দেক
- নরহরি দাস - উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
- কাকদের পুরীষ উৎসব! - মহিউদ্দীন আহ্মেদ
- সে সত্যিই ছিল একটা বাচ্চা পরি - মেহেরুবা নিশা
-
মেঘকন্যা আর টুনটুনিছানা -
বিএম বরকতউল্লাহ্
- নবম মাত্রার গোবট - ধ্রুব নীল
-
পরী এবং পরিবেশ -
মাহাবুবুল হাসান নীরু
- দুঃখী বুড়ি ও নেংটি ইঁদুর - বিএম বরকতউল্লাহ্
- ভালো 'মন খারাপ' - চন্দন চৌধুরী
- রকির চাওয়া - জুবায়ের হুসাইন
- মৌমাছি ও কাঠুরিয়া - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- ফিরে দেখা - রবীন ভাবুক
- মতির মাথায় গাব - ধ্রুব নীল
- প্রজাপতি হবো - এনায়েত রসুল
- চাঁদনি-হালুয়া - সঞ্চারিণী
- জলে কোলাহল - চন্দন চৌধুরী
- এক টুকরো মেঘ ও দুঃখী গাছ - বিএম বরকতউল্লাহ
- আমার রোবট 'রবি' - মোঃ মিন্টু হোসেন
- কত আটায় কত রুটি - আবুল কালাম আজাদ
- আংটি - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- শহরে একদিন - আহমেদ রিয়াজ
- পল্টুর বন্ধু - আহসান হাবীব
-
হরর গল্প -
মিস্ট্রেস স্যারি মূল : উইলিয়াম টেন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- নিলেশের অন্য ভূবন - আফরোজা অদিতি
- ভাষার খোঁজে নেপালে - সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ
- গিফট - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- ভূত শিকার - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
-
ডানাকাটা পাখি ও সীম বীজ -
চন্দন চৌধুরী
- গোয়েন্দা মেনু'দা - রবীন ভাবুক
- তিনা আর লাল গোলাপ - আফরোজা অদিতি
- পরীটি কি জাদু জানে - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- আরকনির রুমাল - মোঃ মিন্টু হোসেন
- পুষ্পিতার ঈদ - আফরোজা আদিতি
- হাতির ডিম - আহমেদ রিয়াজ
- কঙ্ক - শুভ অংকুর
- বিন্নির খুশি - এনায়েত রসুল
- প্রান্ত ও তার এ্যাডনোক্সিয়ান বন্ধু (সায়েন্স ফিকশান) - আবুল কালাম আজাদ
- এক যে ছিলো রাসেল - বেবী মওদুদ
- আতঙ্কের প্রহর [রহস্য গল্প] - অনীশ দাস অপু
- ঈদ শপিং - আহসান হাবীব
- উপন্যাস- আলিবাবা ও চালিচার - শিবব্রত বর্মন
- মৌমাছি - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
- সূত্রধর স্যার - জাহিদুল আলম
-
কোনো এক অমাবস্যার রাতে -
আহমেদ রিয়াজ
- বিজ্ঞানী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গড়ে আটকা এক নেকড়ে - মোঃ মিন্টু হোসেন
- প্রজাপতি - এনায়েত রসুল
- পরী এসেছিল - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- বিচ্ছু ভাগনের কাণ্ড - জাহিদুল আলম
- নিশান আর ব্ল্যাকহোল - আফরোজা অদিতি
- পরীর বন্ধু অহনা - এনায়েত রসুল
-
স্যারের বিপদ -
জাহিদুল আলম
-
নতুন স্যার -
আবুল কালাম আজাদ
-
মিকাই-এর বাঘের ছানা -
মিন্টু হোসেন
-
আলুভর্তা -
জান্নি রোদারি
অনুবাদ: জামিল বিন সিদ্দিক -
বেকার আয়না -
জাহিদুল আলম
-
একদিন রাতে ধবধবে বিড়ালটা -
আহমেদ রিয়াজ
- অবাক বইপাঠ - মুনির রানা
- জোকার - শিবব্রত বর্মন
- ইঁদুরের ভোজ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ভৌতিকবাড়ি - অনীশ দাস অপু
- মেলায় মাঠে পিউস - আফরোজা অদিতি
-
মিস্ট্রেস স্যারি -
মূল : উইলিয়াম টেন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
ভয়ঙ্কর এক লোক -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
তেরো তলা -
মূল : ডন উলফসনে
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
টুঙ্গিপাড়ার খোকা -
বেবী মওদুদ
-
রাতের আতঙ্ক -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
বৃক্ষপরী টিয়া -
আফরোজা অদিতি
-
গেকো -
অনীশ দাস অপু
-
ময়না -
আফরোজা অদিতি
-
রাজকন্যা মাঈশা আর বলঢাঁশের গল্প -
আশরাফুল ইসলাম সাগর
-
শেয়াল দেবতার প্রতিহিংসা -
মূল : রবার্ট ব্লচ
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু - ফার্স্ট হওয়ার ঝামেলা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- শূন্যে ডানা মেলে - এনায়েত রসুল
-
একটু উষ্ণতার জন্য -
মূল : হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান এন্ডারসন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
শামন্তীর শীতবেলা -
মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
রাতের অতিথি -
আহমেদ রিয়াজ
- চৈতি আপু - ইমদাদুল হক মিলন
- তেতুল গাছ - আহসান হাবীব
- টুশির গল্প - বেবী মওদুদ
- চড়ুই পাখিদের ঘরের ঘটনা - ধ্রুব এষ
- বিলাই মা বিলাই ছা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- এক শিশি আলতা - এনায়েত রসুল
- কুলরাজা কুলরাণী - শাশ্বত ভট্টাচার্য
- ছায়ার মানুষ - আহমেদ রিয়াজ
- আলতা কন্যার জন্মদিন - মারুফ রেহমান।
- লেজ উঁচিয়ে - আহমেদ রিয়াজ
- ভৌতিক গল্প : থাবা - অনীশ দাস অপু
- রাজার ঈগল পাখি (কম্বোডিয়ার লোককাহিনী) - অনুবাদ: মৃত্যুঞ্জয় রায়
- আকাশ ছুঁয়ে উড়বো - এনায়েত রসুল
- আবু আর বাবু - বেবী মওদুদ
-
ভূতুড়ে বানর -
মূল : স্টিফেন কিং
অনুবাদ : অনীশ দাস অপু - কার ছবি - ইমদাদুল হক মিলন
- ঝন্টু মন্টুর দাদি - আহসান হাবীব
- সন্ধ্যার বিচিত্র ঘটনা - ধ্রুব এষ
-
তিন রাজপুত্র -
অনুবাদ : শিবব্রত বর্মন
মূল গল্প: আইজাক আসিমভ - নওরিনের স্কুল - এনায়েত রসুল
- বংশী নদীর ঘটনা - হামিদ কায়সার
- মাকড়সার চন্দ্র ভ্রমণ - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- ইঁদুর সাহেবার হলিডে - মিজানুর খান
- জাদুর ঢোল - আহমেদ রিয়াজ
- ক্যামডেন কিলার - অনীশ দাস অপু
- পরীর দেশে - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- পিঁপড়ে যখন হাতির বন্ধু - আহমেদ রিয়াজ
- সাগর পরী - মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
বৃষ্টি তুমি এসো না -
অনীশ দাশ অপু
মূল রচনা: আইজাক আসিমভ - ঝমঝমে আষাঢ়ে - আহমেদ রিয়াজ
-
ভৌতিক হাত -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প: কার্ল জ্যাকবির ‘দ্য হ্যান্ড’ -
বাবার জন্য ভালোবাসা -
মুহাম্মদ নাহিয়ান বিন খালেদ
- সেন্টমার্টিনে বাবার সাথে - জারিন তাসনিম অতসী
-
ভৌতিক ঘুড়ি -
অনীশ দাস অপু
মূল: কার্ল জ্যাকবি’র ‘দ্যা কাইট’ - ফুটবল প্রেমিক - রাশেদ শাওন
- ঘটনাটা সত্য - এনায়েত রসুল
- ভুতুড়ে বাড়ি - অনীশ দাস অপু
- ইচ্ছাপূরণ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- মায়ের কাছে ফেরা - বেবী মওদুদ
- স্বপ্ন - শিবব্রত বর্মন
- মেলায় যাবো - এনায়েত রসুল
- কুমড়ো দানব - অনীশ দাস অপু
- আসলে ছবিটা মেঘের - ধ্রুব এষ
- কাশেম আলী গরু চরাতো - আনিসুল হক
-
অদৃশ্য শত্রু -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প : ফিলিপ কে. ডিক - জাদুকর - সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল
-
জানের দুশমন -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প : হেনরি কুটনার - ভালোবাসার সবুজ গাছ - ইমরুল ইউসুফ
- বড়দিনের রাতে - অনীশ দাস অপু
- দেহহীন - শিবব্রত বর্মন
- নীলুর নীল চশমা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- রহস্যভেদী - রকিব হাসান
- দুষ্টু বিড়াল - অনীশ দাস অপু
- অপেক্ষা - মোস্তফা মামুন
- ঈশানপুরের অপুর কান্ড - সুমন কায়সার
- রাজা যখন গাছে - আহমেদ রিয়াজ
- অন্যরকম ভালোলাগা - শুভ অংকুর
- পৃথিবীর জন্য ভালোবাসা (সায়েন্স ফিকশন) - শুভ অংকুর
- কিং মিঠু - মোস্তফা মামুন
- প্রেতাত্মা - অনীশ দাস অপু
- রোবট - আনিসুল হক
- চতুর্দশতম/চৌদ্দ - নঈম তারিক
- জিকুর স্বপ্ন - আহসান হাবীব
- চোর - রকিব হাসান
- ছায়াহীন - শিবব্রত বর্মন
- ঈদের আগের রাত - মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
মেরু ভালুকদের রাজা -
মূল : ফ্রাঙ্ক বাউম
ভাষান্তর : বিদ্যুত - গাধার টুপি - আহমেদ ফারুক
- আলসে বালক আর গরুর গল্প - মো. গোলাম রহমান
- অতি চালাকির সাজা! - এনায়েত রসুল
- মাছরাঙা আর রূপোর চামুচ - মোস্তফা হোসেইন
- হাবা রাকিবের কাণ্ড - মারুফ রেহমান
- বিড়ালের বন্ধুত্ব - রূপান্তর : আবুল বাসার
- গণেশ চ্যাটার্জি আর তার কালো কুকুর - নাফে মোহাম্মদ এনাম
- শিউ-পিউর বন্ধু তানতুলু - নূর সিদ্দিকী
- মেছোভূত - ইকবাল খন্দকার
- অ্যারোসল ভূত - শাকিল ফারুক
- পাঠশালা - আহমেদ রিয়াজ
- যুদ্ধের গল্প - ফরহাদ সাফায়েতুল কবীর
- বোকাতু - আরিফ হাসান
- রূপকথার ইলিশ - অর্জিতা মাধুর্য
- সীনের বাবা সীনের মা - আহমেদ রিয়াজ
- চাঁদ - পান্থ বিহোস
- মায়ের ভাষা - মুহাম্মদ মুনতাসির আলী
- জিন্নাহ'র না জানা গল্প - আহমেদ রিয়াজ
- ঘুম পাহাড়ের আজব পাখি - আ হ মে দ ফা রু ক
- উপহাস - আহমেদ রিয়াজ
-
ড্রাগনের যম ইভান -
মূল : ভ্লাদিমির বাইকো
অনুবাদ: হাসান খুরশীদ রুমি - টিনা আপুর জাদুর কাঠি - এনায়েত রসুল
- তারা পড়তে দেখলে - ধ্রুব এষ
- বাঘ-সিংহের গল্প - আহমেদ রিয়াজ
-
লুকোচুরি -
নিকোলাই নসভ
অনুবাদ: হাসান খুরশীদ রুমী - রহস্যময় কিশোর যোদ্ধা - আহমেদ রিয়াজ
- অদ্ভূতুড়ে কিন্তু ভূতুড়ে নয় - বিজয় মজুমদার
- তিন ভূতুড়ে - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- মরগানস উডসের ভূত - অনীশ দাস অপু
- মহাকাশে সু ভূতের অভিযান - বিধান রিবেরু
- জামাটা কোথায় গেল - আহমেদ রিয়াজ
- মি. হাকলি - নূর সিদ্দিকী
- বুলেট ভাইয়ের হাইজাম্প - মোস্তফা মামুন
-
একা কবরস্থানে -
মূল : অ্যালভিন শোয়ার্জ
অনুবাদ : হাসান খুরশীদ রুমী - তৈল মর্দন - সজ্জাদ কবীর
- ঝিন্টু - মানিক চন্দ্র দাস
- রবীন-মাহিনের মুক্তি... - আহসান হাবীব
- মামার ঘড়ি - পান্থ বিহোস
- তৃষার ভালো লাগা - এনায়েত রসুল
- খরগোশের টাকা চাষ - ভাষান্তর- মৃত্যুঞ্জয় রায়
- ঈদের চাঁদ - আশীষ চক্রবর্ত্তী
-
স্টোরিটেলার -
নিকোলাই নসভ
রূপান্তর : হাসান খুরশীদ রুমী - একটা গাছের চারা - আশরাফুল আলম পিনটু
- পাহাড় যখন সরে যায় - আমীরুল ইসলাম
- ঝিম দুপুরের গল্প - শাকিল ফারুক
- জেলে আর সোনার মাছ - রহীম শাহ
- কুয়োর ব্যাঙের সমুদ্র যাত্রা - বিজয় মজুমদার
- পুতুল - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
-
হানাবাড়ির উন্মাদ -
মূল : ইলেন এ. কিউল
অনুবাদ : অনীশ দাস অপু - চ্যালেঞ্জ! - রকিব হাসান
- রাজা এলেন - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- চুরি বিদ্যা বড়ো বিদ্যা - মোস্তফা মামুন
- আসলে কী ঘটেছিল - ইমদাদুল হক মিলন
- শিয়াল রাজার সাজা - এনায়েত রসুল
- রূপোলি রেণু - আলী ইমাম
- প্যালিনড্রোমিক ফর্ক... - আহসান হাবীব
- ঘড়ি উদ্ধার - আহমেদ রিয়াজ
- অপু আর তপু - আশরাফুল আলম পিন্টু
- সাদা মেঘ ও কাশফুলেরা - আহমেদ রিয়াজ
- মনের ভয় - ফাতেমা ফেরদৌস (পিংকি)
- চাঁদের বন্ধু খরগোশ - রেহানা পারভীন রুমা
- দুষ্টু টুলু - এনায়েত রসুল
- রেডিও - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- ঠাকুরমার ঝুলি এবং ইবু - আহমেদ ফারুক
- আষাঢ়ে হাতি ও রাজার গল্প - আহমেদ রিয়াজ
- সুন্দর - মঈনুল আহসান সাবের
-
ছোট্ট তুষারমানব -
কোরিয়ার রূপকথা
রূপান্তর : মো. গোলাম রহমান - ঘুপুর বন্ধু টুনু আর চি - এনায়েত রসুল
- এটা আমার বাবার গল্প, মায়েরও - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- চাষা ও তার গরু - আহমেদ রিয়াজ
- সহকারী গোয়েন্দা - মোস্তফা মামুন
- লাল বেলুন - আমীরুল ইসলাম
- ডান-বাম - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
-
শেষ যাত্রা -
মূল : কার্ল জ্যাকবি
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু - লিটুর ঘুম আসে না - মোস্তফা মামুন
- ভূতটা খোলা মাঠে একা শুয়ে আছে - আহমেদ রিয়াজ
- কিসমতের বিচার - হুমায়ূন কবীর ঢালী
- নিপুর আশ্রয় - এনায়েত রসুল
- দুই ভূতের কান্ড - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
কান্নার দাগ -
আফ্রিকার রূপকথা
রূপান্তর : আবুল বাসার - নূরী ও পরী - আহমেদ রিয়াজ
-
প্রকৃতি কন্যার দোলনা ঘর -
শোহেইল মতাহির চৌধুরী
- ছোট্ট জাদু-নুড়ি - আমীরুল ইসলাম
- জাদুর আয়না - রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- বিন্নির খুশি - এনায়েত রসুল
- ঘুম পাহাড়ের আজব পাখি - আহমেদ ফারুক







