মোস্তফা মামুন
বুলেট ভাই ঠিক করেছে এবার খেলোয়াড় হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে। স্কুলের ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় সবগুলো ইভেন্টে অংশ নেবে, সবাইকে হারাবে। হারিয়ে জানিয়ে দেবে এতদিন তাকে নিয়ে যারা তুচ্ছাতাচ্ছিল্য করেছে তারা সব মুর্খ এবং আহাম্মক। প্রতিযোগিতা শেষে সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার হাতে নিয়ে কীভাবে ছবির জন্য পোজ দেবে সেই প্র্যাকটিসও হয়ে গেছে। ঠিক হয়েছে ছবিটা তুলব আমি। এবং জাহাঙ্গীর ছবিঘর থেকে সেটা ফ্রেম করা হবে।
বুলেট ভাই অবশ্য নিশ্চিত হতে পারছে না। সেরা খেলোয়াড় হওয়া নিয়ে নয়। আমার ছবি তোলা নিয়ে। বলল, “তুই ছবিটা ঠিকঠাক তুলতে পারবি তো? নইলে বল, শহর থেকে বড় ক্যামেরাম্যান নিয়ে আসি। আমার মামাতো ভাই জহির খুব ভালো ছবি তুলতে পারে। না পারলে বল!”
“আমি পারব।”, আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলি। ছবি তোলার ছ-ও জানি না বটে, কিন্তু বুলেট ভাই সেরা খেলোয়াড় হতে পারলে আমি ছবি তুলতে পারব না কেন?
“আমি অবশ্য ভরসা পাচ্ছি না। সব কাজে গোলমাল পাকানো তো তোর অভ্যাস।”
“বললাম তো আমি পারব।”
“আমার সন্দেহ আছে, কিন্তু কী আর করা যাবে, চাচ্ছিস যখন। আমি আবার নতুন প্রতিভা বিকাশের পক্ষে। আমি যদি তোদের সুযোগ না দেই তাহলে দেবেটা কে?!”
“তাও তো ঠিক।”
“তাহলে সেই কথাই রইল।”
“কী কথা?”
“তুই আজ থেকেই ছবি তোলা প্র্যাকটিস শুরু করে দে।”
“কিন' আমার তো ক্যামেরা নেই।”
“তা তোদের আছে-টা কী? শুধু মুখ ছাড়া তো আর কিছু দেখি না।”
আমার আরও অনেক কিছু আছে। বলার মতো আছে বহু কিছু, কিন্তু বেশি বললে বুলেট ভাই ক্ষেপে যেতে পারে। ক্ষেপে গিয়ে হয়ত আমাদের বাদ দিয়ে একা একাই খেলোয়াড় হতে নামবে। এটা তো আমরা জানিই যে সে একা কোনো কাজ পারে না। কাজেই তার সঙ্গে থাকতে হবে। গোলমালটা সামাল দিতে হবে। তাছাড়া খুব আকর্ষণীয় কিছু ব্যাপারও সে ঘটাবে নিশ্চিত। সেটা কাছ থেকে দেখার লোভও আছে।
তাই বুলেট ভাই-র শত আঁকাবাঁকা কথা সত্বেও আমি রাজি। ‘আমি কিছু পারি না’ ‘কিছু জানি না’ এসব মেনে নিতেও আপত্তি করি না।
সেদিন বিকালেই বুলেট ভাই বাসায় হাজির। আমি তখন বাজারের টাকার হিসাব
মেলাচ্ছিলাম। মুরগীর মাংসের কেজি এখন ১৩০ টাকা, এখান থেকে সর্বোচ্চ কত
টাকা মেরে দিলে ঝুঁকি নেই সেই জটিল অংকটা করছি। তখন বুলেট ভাইয়ের হানা।
“এই বোকারাম করছিস কী?”
“কিছু টাকা যোগাড়ের চেষ্টা করছি।”
“টাকা কেন?”
“আরে তুমি সেরা খেলোয়াড় হবে। তারপর আমাদের একটা সংবর্ধনা সভার আয়োজন করতে
হবে না! স্কুল তো তোমাকে ১২০ টাকা দামের একটা শিল্ড দিয়েই দায়িত্ব শেষ করে
ফেলবে।”
“ভালো। খুব ভালো। তোর বুদ্ধি খুলে যাচ্ছে। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আমি তোর নাম বদলে দেব।”
“বদলে কী রাখবে?”
“বোকারাম থেকে বুদ্ধিরাম।”
“সেটা তো আগেও বলেছিলে। কিন্তু কথা রাখোনি।”
“আগে আর এখন কী এক হল! তোদের এজন্য কোনো উন্নতি হবে না। খালি অতীত নিয়ে
পড়ে থাকিস। ভবিষ্যত ভাবতে হবে। এই জাতির উন্নতি হয় না কেন জানিস! খালি
পুরনো কাসুন্দি ঘাঁটে।”
“ঠিক আছে এখন থেকে নতুন কাসুন্দি ঘাঁটব।”
“কাজ শুরু করেছিস?”
“কী?”
“ঐ যে ছবি তোলা প্র্যাকটিস। একা তো কোনো কাজ পারিস না। আয় আমি তোকে দেখিয়ে দেই।”
“কিন্তু ক্যামেরা!”
“সেটাও আছে।”
বুলেট ভাই তার পকেট থেকে ছোট্ট একটা ক্যামেরা বের করল।
আমি কিছু জিজ্ঞেস করার আগেই বলল, “খবরদার প্রশ্ন নয়। এদেশের কেউ কোনো কথার উত্তর দিতে চায় না। খালি প্রশ্ন।”
“কিন' ক্যামেরা!”
“ধর। এই যে এটাকে বলে শাটার। এভাবে ধরে টিপ দিবি। দাঁড়া এখনই না। আমি গিয়ে জায়গামতো দাঁড়াই। দাঁড়া হাতটা তুলি।”
“বুলেট ভাই হাতটা তুলল। আমাদের ঘরের একটা ফুলদানি নিয়ে সেটাকেই ট্রফি মনে করে দারুণ একটা পোজও দিল। এটা পোস্টার হলে দারুণ মানাত।”
কিছুক্ষণ প্র্যাকটিসের পর চলে যেতে যেতে বলল, “ক্যামেরাটা লুকিয়ে রাখবি।
আর যখন কেউ থাকবে না তখন প্র্যাকটিস করবি। মনে রাখিস, এটা যোগাড় করতে আমার
অনেক কষ্ট হয়েছে।”
“কিন্তু কার ক্যামেরা?”
“প্রশ্ন নয়। কাজ।”
আমি আর কথা বাড়ালাম না। একটা ক্যামেরা কয়েকদিন আমার জিম্মায় থাকবে-এটা এতই আনন্দের ব্যাপার যে কথা বাড়ালে যদি ক্যামেরার আসল মালিক বেরিয়ে যায়। যদি জানা যায় ক্যামেরাটা চুরি করে আনা! তারচেয়ে চুপ থাকাই ভালো। সমস্যা একটাই- কাউকে গল্পটা বলা যাবে না! এই নিয়ে গর্ব করা যাবে না।
বুলেট ভাই চলে গেলে আমি বারবার ক্যামেরাটা দেখলাম। অকারণে দুটো-একটা টিপ
দিলাম। আর খেয়াল করলাম আমার ঘরে দামী জিনিস লুকানোর কোনো জায়গা
নেই। ভরসার
কথা এটাই যে এই ঘরে কেউ খুব একটা আসে না। তাই খাটের নীচে পুরনো বই রাখার
ট্রাংকে লুকিয়ে চলে খেলাম মাঠে। মাঠে গিয়ে খেলার ফাঁকে বারবার মনে পড়তে
থাকল ক্যামেরাটার কথা। কেউ নিয়ে যায়নি তো! এমনিতে আমার চেষ্টা থাকে খেলা
যতক্ষণ সম্ভব গড়ানো, মাগরেবের আজান পড়লে আমি বলি, “মুয়াজজিন ভুল করে আগে
আজান দিয়ে ফেলেছে। আরও কিছুক্ষণ খেলি। আরেকটা ওভার খেলা যাবে।” কিন্তু আজ
আমি বারবার অপেক্ষা করতে থাকলাম, কখন আজান দেবে? মুয়াজজিন সাহেব কি আজান
দিতে ভুলে গেলেন নাকি? দুর!
বুলেট ভাই ফেরার পথে ফিসফিস করে বলল, “গিয়েই একটু প্র্যাকটিস করবি! আমি
ভেবে দেখলাম শুধু সেরা খেলোয়াড় হওয়ার পরের ছবিটা তুললে হবে না। ওটা তো
সবাই তুলবে। তুই খেলা চলাকালীন ছবিও তুলবি। ধর, আমি দৌড়াচ্ছি, লাফ
দিচ্ছি-এসব ছবিও থাকতে হবে। পুরস্কার পেয়ে দেঁতো হাসি হাসছে-এসব ছবির দিন
শেষ। এখন চাই লাইভলি ছবি। ছবিতে প্রাণ থাকতে হবে।”
বুলেট ভাই নাম লেখাল সবগুলো ইভেন্টে। ১০০ মিটার থেকে শুরু করে ১৫০০ মিটার।
হাইজাম্প, লংজাম্পও বাদ দিল না। ভেবেছিলাম গেমস টিচার আশরাফ স্যার
হা-রে-রে-রে করে উঠবেন, কিন্তু তিনি নির্বিকার। বললেন, “এটা খুব ভালো কথা
যে আমাদের কেউ একজন সাহস করে সবগুলো ইভেন্টে নাম লেখাচ্ছে। খেলায় জিততে
সাহস লাগে না, অংশ নিতে সাহস লাগে!”
“ব্যাপার কী!”
বুলেট ভাই বলল, “স্যারের সঙ্গে কাল আমার কথা হয়েছে।”
“কী কথা?”
স্যারকে মনে করিয়ে দিয়েছি গতবারের কথা।
তা সেটা মনে হলে স্যারের অবশ্য আপত্তি করার কথা নয়। গতবার পর্যন্তু বুলেট ভাই ছিল দর্শক। দর্শক হয়ে যে যন্ত্রণা করেছেন স্যার সেটার ভয়েই এবার তাকে খেলোয়াড় হিসেবে মেনে নিয়েছেন। গতবার প্রতিযোগিতার দিন বুলেট ভাই একটা পুরনো টিন নিয়ে এসেছিল মাঠে, সঙ্গে একটা কাঠের টুকরা। তারপর সারাদিন টিনে কাঠ পিটিয়ে যেসব গান গেয়েছিল তার একটা ছিল আশরাফ স্যারকে নিয়ে। একটা হিন্দি গানের প্যারোডিতে আশরাফ স্যারের নাম এসেছিল। স্যার হাঁটেন নাচের ভঙ্গি করে, তার দিকে সুষ্পষ্ট ইঙ্গিত করে গাওয়া গান, শুনে তিনি ক্ষেপে আগুন হয়ে গিয়েছিলেন। হেড স্যারকে গিয়ে বললেন, “স্যার এই ফেল্টুটাকে এবার স্কুল থেকে বের না করে দিলে আমি থাকব না।”
গানটা এত চমৎকার হয়েছিল যে আমি খেয়াল করেছি হেড স্যারও মুচকি-মুচকি
হেসেছেন। স্যার তাই ঠাণ্ডা মাথায় বললেন, “এত রাগ করলে হবে আশরাফ সাহেব।
এটা তো একটা প্রতিভার ব্যাপার!”
“আমাকে ব্যঙ্গ করে গান গাইছে আর এর মধ্যে আপনি প্রতিভা দেখলেন!”
“আপনাকে ব্যঙ্গ করছে কোথায়? গানে যেরকম বলল, একজন স্যার কিছুই পারেন না, খালি চাপা মারেন, আপনি কি সেরকম নাকি?”
পৌরনীতির দেলোয়ার স্যার ঠোঁট উল্টিয়ে বলেন, “এরকম হলে তো আপনাকেই বহিষ্কার করা উচিত।”
এরপর আর আশরাফ স্যার কথা বাড়াননি। কিন্তু কথাটা তার মাথায় রয়ে গেছে। কাজেই
এবার বুলেট ভাই যখন দৌড়াতে চায় তখন তো তার খুশিই হওয়ার কথা। খেলোয়াড় হলে
নিশ্চয়ই টিন বাজিয়ে গান গাইতে পারবে না। তাকে দৌড়াতে হবে। আর সেটা ঠিকঠাক
না পারলে তার শাসনের সুযোগ আছে। স্যার তাই রাজি। সব ইভেন্টেই বুলেট ভাই
অংশ নেবে। দৌড়-লাফ-ধাপ-ঝাঁপ সবকিছুতে।
প্রথম ইভেন্ট ছিল হাইজাম্প। হাইজাম্পের নিয়মটা হলো একেবারে শুরুতে একটা
ন্যুনতম উচ্চতা ঠিক করে দেয়া হয়, যেটা সব প্রতিযোগী পেরোতে পারার কথা।
উচ্চতাটা ঠিক হয়েছিল ৪ ফুট। বুলেট ভাই আপত্তি করে বলল, “৪ ফুট তো
বাচ্চাদের উচ্চতা। আমাদের শুরু হোক সাড়ে ৪ ফুট থেকে।”
কিন্তু অন্যরা তাতে রাজি নয়। বুলেট ভাইও সাড়ে ৪ ফুটের নীচের উচ্চতায় লাফ দিয়ে নিজেকে বাচ্চাদের স্তরে নামাতে রাজি নয়।
আশরাফ স্যার বুলেট ভাইয়ের পক্ষ নিয়ে বেশ হম্বিতম্বি করলেন। “কিচ্ছু পারে
না” “বানরের দল”- বলে গালাগালিও করলেন কিছু। পরে ঠিক হল, অন্যরা ৪ ফুট
থেকেই লাফানো শুরু করবে, বুলেট ভাই শুরু করবেন সাড়ে ৪ ফুট থেকে।
বুলেট ভাই আমাদের দিকে তাকিয়ে জয়ের হাসি হাসল।
আমরা তখন এর ভেতরের ব্যাপারটা ধরতে পারলাম না। পারলাম একটু পরে। যখন
দেখলাম সাড়ে ৪ ফুট আসতে আসতেই ১০ প্রতিযোগীর ৮ জন বাদ পড়ে গেছে। মানে সাড়ে
৪ ফুটের জন্য লাফ দেবে দুজন। এর একজন ক্লাস টেনের রহিম ভাই, বুলেট ভাইয়ের
এক বছর জুনিয়র, কিন্তু বুলেট ভাই ক্লাস সিক্স থেকে প্রতি বছর একবার করে
ফেল করায় রহিম ভাই টেনে, বুলেট ভাই এখনও আমাদের সঙ্গে ক্লাস এইটে।
চরম উত্তেজনা। একটা লাফ দিয়েই বুলেট ভাই স্কুলের হাইজাম্প চ্যাম্পিয়ন হয়ে যাবে। আমরা হাততালি দিচ্ছি আকাশ-বাতাস ফাটিয়ে। ঠিক হলো, প্রথমে রহিম ভাই জাম্প দেবে। মানে সে যদি না পারে এবং তার পরের লাফে বুলেট ভাই পেরিয়ে যায় তাহলে বুলেট ভাই-ই সেরা।
রহিম ভাই দৌড় শুরু করল। দেখলাম তার ক্লাসমেটরা ছাড়া সবাই তার বিরুদ্ধে।
বুলেট ভাই ফেল করে বটে, স্যারদের বিপাকে ফেলে, তবু তার আকার-প্রকারে যে
একটা আকর্ষণীয় ব্যাপার আছে সেজন্য আজ সবাই বুলেট ভাইয়ের পক্ষে।
রহিম ভাই লাফ দিল। আর পেরোনোর সময় পায়ে লেগে জাম্পের ওপরের বারটা পড়ে গেল। তার মানে সে পেরোতে পারেনি।
এবার বুলেট ভাই। লাফ দিয়ে পেরোলেই হয়।
বুলেট ভাইয়ের খেলোয়াড়ি প্রতিভার সঙ্গে আমাদের কোনো পরিচয় নেই। ফুটবলে যার-তার পায়ে লাথি মারে বলে তাকে আমরা রেফারি বানিয়ে দিয়েছি, ক্রিকেটে সে আম্পায়ার, কোনো মাঠেই তাকে কোনো কৃতিত্ব দেখাতে দেখিনি, তাছাড়া যে শরীর তা খেলার উপযুক্ত নয় একটুও, তবু কেন যেন ভরসা পাই। বুলেট ভাইয়ের মধ্যে তো এমন অনেক কিছু আছে যা কোনো না কোনো সময় আমরা প্রথম আবিষ্কার করি। হয়ত সে পারবে। না হলে এমন আত্মবিশ্বাসে আমাকে ক্যামেরা দিয়েছে কেন? নিশ্চয়ই পারবে। স্কুলের স্যাররা পর্যন্তু তার হয়ে হাততালি দিচ্ছেন।
বুলেট ভাই দৌড় শুরু করল। খুবই হাস্যকর ভঙ্গির দৌড়। হাইজাম্প বা লংজাম্প দিতে হলে একটা সময় এসে দৌড়ের গতি বাড়াতে হয়, তার জোরেই দূরত্ব পেরোয় সবাই, কিন্তু বুলেট ভাই যেন জগিং করছে এমন হেলে-দুলে দৌড়াচ্ছে।
আমি অবশ্য আমার দায়িত্ব ভুলিনি। ছবি তোলার জন্য পজিশন নিয়ে দাঁড়িয়ে আছি।
ক্যামেরাটা নিয়ে একটু সমস্যা অবশ্য হয়েছে। আমি প্রথম যখন বের করি তখন
বুলেট ভাইয়ের বাবা এসে জানতে চাইলেন, “এটা আমি কোথায় পেলাম! মিথ্যা করে
বলেছি, আমার এক খালাত ভাই বিদেশ থেকে আমাকে পাঠিয়েছে।”
তিনি ক্যামেরাটা ভালো করে দেখে বললেন, “ঠিক আছে ছবি ওঠাও। পরে কথা বলব।”
জানা গেল, “বুলেট ভাইয়ের মামা তাদের বাড়িতে বেড়াতে এসে এরকম একটা ক্যামেরা হারিয়ে ফেলেছিলেন।”
তার মানে সন্ধ্যায়ই আমি ক্যামেরা-চোর হিসেবে মার খেতে পারি, কিন্তু বুলেট ভাই খেলায় জিতলে নিশ্চয়ই কিছু একটা ব্যবস্থা করে ফেলবে।
কাজেই টেনশন ভুলে আমি জায়গামতো দাঁড়াই। বুলেট ভাই যখন লাফটা দেবে তখনই ধরতে হবে। একেবারে লাইভ ছবি।
বুলেট ভাই লাফ দিচ্ছে। আমি ক্যামেরা টিপলাম। এবং ক্যামেরার ফোকাসে দেখলাম
লাফটা উপরের দিকে না দিয়ে বুলেট ভাই উল্টা ঘুরে দৌড় দিল। ঠিক যে সময় সে
উচ্চতাটা দেখে ভয় পেয়ে উল্টা ঘুরে পালাচ্ছে সেই মুহূর্তের ছবিটা সি'র হয়ে
গেছে ক্যামেরায়।
বুলেট ভাই সেই যে উল্টা ঘুরে দৌড় শুরু করল সেই দৌড় কোথায় শেষ হয়েছিল সে
সম্পর্কে কেউ নিশ্চিত নয়। কেউ বলে বাড়িতে ঢুকে কম্বলের নীচ পর্যন্ত। কারো
মতে, শহর ছেড়ে বাইরে গিয়ে তবেই থেমেছিল, যেখানে চেনা কেউ তাকে দেখবে না।
কাজেই বুলেট ভাইয়ের পুরষ্কার পাওয়া হলো না। পুরস্কার পেলাম আমি। দিন কয়েক
পর আমাদের স্কুলের ছবি তোলা প্রতিযোগিতায় আমি সবার উৎসাহে ছবিটা জমা
দিলাম। প্রতিযোগিতার বিচারক হিসেবে এসেছিলেন শহরের স্বনামধন্য ফটোগ্রাফার
আজফার ভাই, তিনি ছবি দেখে বললেন, “সত্যি বলছেন এটা আপানাদের স্কুলের ক্লাস
এইটের একটা ছেলের ছবি! কোথায় তাকে ডাকুন। আমার বিশ্বাস হচ্ছে না।”
বিশ্বাস হওয়ার কথা না। অসাধারণ ছবি হয়েছে। নিজের বলে বাড়িয়ে বলছি না,
সত্যিই অসাধারণ। জাহাঙ্গীর ছবিঘর থেকে বাঁধাই করার পর দেখে তো আমার নিজেরই
মনে হচ্ছিল ঢাকার কোনো চিত্র প্রদর্শনীর ছবি।
আমাকে পুরষ্কৃত করা হলো। আজফার ভাই আমার মধ্যে আন্তর্জাতিক মাপের
ফটোগ্রাফারের ভবিষ্যত আবিষ্কার করে প্রতিভাকে বিকশিত হতে দেয়ার জন্য দেশ ও
দশের প্রতি আহ্বান জানালেন। প্রতিভার মূল্য, ভবিষ্যত, দেশের তরুণ সমাজ এসব
নিয়ে তিনি জ্ঞানগর্ভ অনেক কথা বললেন আর সুধীজনেরা খুব হাততালি দিল।
পুরস্কার একটা বুলেট ভাইও আমাকে দিলেন। সেই ক্যামেরাটা। সেদিন রাতেই
ক্যামেরাটা বুলেট ভাইয়ের বাবা আমার কাছ থেকে নিয়ে গিয়েছিলেন, পরে
শুনেছিলাম সেটা তার মামার কাছে ফেরতও পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। বুলেট ভাই
সন্ধ্যায় বাসায় এসে ক্যামেরাটা আমার হাতে দিয়ে বলল, “নে। এই তোর জিনিস!”
বুলেট ভাইয়ের বাবা ক্যামেরা নেয়ার সময় কড়া কয়েকটা কথা শুনিয়েছিলেন। আমি বললাম, “তোমার ক্যামেরা তোমার কাছে থাক। তোমার বাবা...”
“আরে। এটা বাবার ক্যামেরা নাকি! আমি মামাকে খবরটা জানিয়ে বলেছিলাম, এই
ক্যামেরা এখন তোরই পাওয়া উচিত। মামা সঙ্গে সঙ্গে পাঠিয়ে দিয়েছেন। নে। ধর।”
তারপর একটু গলা বদলে বলল, “আরে আমি কি দৌড়-ঝাঁপ এসব পারি নাকি! এগুলো তো
চোর-বাটপারের কারবার। মানুষের ভয়ে দৌড়াতে হয় চোরকে। পুলিশের হাত থেকে
বাঁচতে লাফ দিতে হয় ডাকাতকে। আমি তো এই প্রতিযোগিতায় অংশই নিয়েছিলাম তোর
প্রতিভাটা সবাইকে জানানোর জন্য। অন্যরা বুঝবে না, তুই নিশ্চয়ই বুঝতে
পারছিস?”
“পারছি।”
“তুই হাসছিস কেন?”
“বাহ! তুমি এমন মহামূল্য একটা জিনিস উপহার দিলে। খুশি হয়েছি। হাসব না।”“
“তাহলে ঠিক আছে। আমি আবার ভেবেছিলাম তুই আমার কথাটা বিশ্বাস না করে হাসছিস।”
“কী বলো! তোমার কথা বিশ্বাস করবো না!”
“তাহলে একটু সবাইকে বলিস আর কী!”
মোস্তফা মামুন/এবি/এমআইআর/০৪ ডিসেম্বর
- মেয়েটি মাকড়সা হয়ে গেল - কাজী কেয়া
- কাজলকাকা ভূত নয় - ইমতিয়ার শামীম
- অর্পণের মা - আলী হাবিব
- রাশিয়ান রূপকথা: ধপাস ভালুক - রহীম শাহ
- মুখোশ রহস্য - আহমেদ রিয়াজ
- মুরগী ছানা তিতি - আরিফুন নেছা সুখী
- অহংকারী রাজকন্যা - বিএম বরকতউল্লাহ
- পুতুল ভূত - রানা জামান
- রাখাল ও জাদুর আম গাছ - হুমায়ুন কবীর ঢালী
- দুষ্টু ছানাদের গল্প - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- তুতুন - আল নাহিয়ান
- সাইকেল বাবু - লিটন মহন্ত
- রূপকথা নীল পূর্ণিমার সোমেশ্বরী - রবীন ভাবুক
- পরীরাণী - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- সাদাসোনা মেঘ, নীল ঘুড়ি আর খোলা মাঠে একা ছেলেটা - নূর সিদ্দিকী
- অন্ধকারের এক রহস্যমানুষ আর রাজহাঁস - মিন্টু হোসেন
- চকোলেট দৌড় - সোহানা রহমান
- স্কুলপড়ুয়া পাখি, প্রজাপতি আর ছড়া - মেহেরুবা নিশা
- গরুর ঘায়ে! - আহমেদ রিয়াজ
-
ঝুমি ও একটি কুকুর -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
উপন্যাস: পিশাচ-কন্যা -
সামান্থা লি
রূপান্তর: অনীশ দাস অপু - অক্স ও বুল (সায়েন্স ফিকশন গল্প) - আবুল কালাম আজাদ
- আমি ভূত - সোহানা রহমান
- সবুজ মাঠ - শিবলী নোমান
- মন্দ মানুষ - চন্দন চৌধুরী
- ঈদে মুক্তির আনন্দ - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- জোনাকিদের গ্রহে ভয়েজার ১ - মিন্টু হোসেন
- তর্ক-বিতর্ক - পাভেল মহিতুল আলম
- খরচি মামার সাইকেল - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
- লাল জামা - বিএম বরকতউল্লাহ্
- আমার বন্ধু ডোরেমন - আহমেদ রিয়াজ
-
অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস অজানা দ্বীপে অভিযান -
মূল : এডগার অ্যালান পো
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- ঢেউয়ের বন্ধুরা - নূর সিদ্দিকী
- ভাষা - জাহিদুল আলম
- বর্ণান্ধ - মারিয়া হোসেন
- ভূতের সঙ্গে আড়ি - মুহসীন মোসাদ্দেক
- নরহরি দাস - উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
- কাকদের পুরীষ উৎসব! - মহিউদ্দীন আহ্মেদ
- সে সত্যিই ছিল একটা বাচ্চা পরি - মেহেরুবা নিশা
-
মেঘকন্যা আর টুনটুনিছানা -
বিএম বরকতউল্লাহ্
- নবম মাত্রার গোবট - ধ্রুব নীল
-
পরী এবং পরিবেশ -
মাহাবুবুল হাসান নীরু
- দুঃখী বুড়ি ও নেংটি ইঁদুর - বিএম বরকতউল্লাহ্
- ভালো 'মন খারাপ' - চন্দন চৌধুরী
- রকির চাওয়া - জুবায়ের হুসাইন
- মৌমাছি ও কাঠুরিয়া - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- ফিরে দেখা - রবীন ভাবুক
- মতির মাথায় গাব - ধ্রুব নীল
- প্রজাপতি হবো - এনায়েত রসুল
- চাঁদনি-হালুয়া - সঞ্চারিণী
- জলে কোলাহল - চন্দন চৌধুরী
- এক টুকরো মেঘ ও দুঃখী গাছ - বিএম বরকতউল্লাহ
- আমার রোবট 'রবি' - মোঃ মিন্টু হোসেন
- কত আটায় কত রুটি - আবুল কালাম আজাদ
- আংটি - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- শহরে একদিন - আহমেদ রিয়াজ
- পল্টুর বন্ধু - আহসান হাবীব
-
হরর গল্প -
মিস্ট্রেস স্যারি মূল : উইলিয়াম টেন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- নিলেশের অন্য ভূবন - আফরোজা অদিতি
- ভাষার খোঁজে নেপালে - সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ
- গিফট - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- ভূত শিকার - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
-
ডানাকাটা পাখি ও সীম বীজ -
চন্দন চৌধুরী
- গোয়েন্দা মেনু'দা - রবীন ভাবুক
- তিনা আর লাল গোলাপ - আফরোজা অদিতি
- পরীটি কি জাদু জানে - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- আরকনির রুমাল - মোঃ মিন্টু হোসেন
- পুষ্পিতার ঈদ - আফরোজা আদিতি
- হাতির ডিম - আহমেদ রিয়াজ
- কঙ্ক - শুভ অংকুর
- বিন্নির খুশি - এনায়েত রসুল
- প্রান্ত ও তার এ্যাডনোক্সিয়ান বন্ধু (সায়েন্স ফিকশান) - আবুল কালাম আজাদ
- এক যে ছিলো রাসেল - বেবী মওদুদ
- আতঙ্কের প্রহর [রহস্য গল্প] - অনীশ দাস অপু
- ঈদ শপিং - আহসান হাবীব
- উপন্যাস- আলিবাবা ও চালিচার - শিবব্রত বর্মন
- মৌমাছি - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
- সূত্রধর স্যার - জাহিদুল আলম
-
কোনো এক অমাবস্যার রাতে -
আহমেদ রিয়াজ
- বিজ্ঞানী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গড়ে আটকা এক নেকড়ে - মোঃ মিন্টু হোসেন
- প্রজাপতি - এনায়েত রসুল
- পরী এসেছিল - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- বিচ্ছু ভাগনের কাণ্ড - জাহিদুল আলম
- নিশান আর ব্ল্যাকহোল - আফরোজা অদিতি
- পরীর বন্ধু অহনা - এনায়েত রসুল
-
স্যারের বিপদ -
জাহিদুল আলম
-
নতুন স্যার -
আবুল কালাম আজাদ
-
মিকাই-এর বাঘের ছানা -
মিন্টু হোসেন
-
আলুভর্তা -
জান্নি রোদারি
অনুবাদ: জামিল বিন সিদ্দিক -
বেকার আয়না -
জাহিদুল আলম
-
একদিন রাতে ধবধবে বিড়ালটা -
আহমেদ রিয়াজ
- অবাক বইপাঠ - মুনির রানা
- জোকার - শিবব্রত বর্মন
- ইঁদুরের ভোজ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ভৌতিকবাড়ি - অনীশ দাস অপু
- মেলায় মাঠে পিউস - আফরোজা অদিতি
-
মিস্ট্রেস স্যারি -
মূল : উইলিয়াম টেন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
ভয়ঙ্কর এক লোক -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
তেরো তলা -
মূল : ডন উলফসনে
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
টুঙ্গিপাড়ার খোকা -
বেবী মওদুদ
-
রাতের আতঙ্ক -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
বৃক্ষপরী টিয়া -
আফরোজা অদিতি
-
গেকো -
অনীশ দাস অপু
-
ময়না -
আফরোজা অদিতি
-
রাজকন্যা মাঈশা আর বলঢাঁশের গল্প -
আশরাফুল ইসলাম সাগর
-
শেয়াল দেবতার প্রতিহিংসা -
মূল : রবার্ট ব্লচ
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু - ফার্স্ট হওয়ার ঝামেলা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- শূন্যে ডানা মেলে - এনায়েত রসুল
-
একটু উষ্ণতার জন্য -
মূল : হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান এন্ডারসন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
শামন্তীর শীতবেলা -
মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
রাতের অতিথি -
আহমেদ রিয়াজ
- চৈতি আপু - ইমদাদুল হক মিলন
- তেতুল গাছ - আহসান হাবীব
- টুশির গল্প - বেবী মওদুদ
- চড়ুই পাখিদের ঘরের ঘটনা - ধ্রুব এষ
- বিলাই মা বিলাই ছা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- এক শিশি আলতা - এনায়েত রসুল
- কুলরাজা কুলরাণী - শাশ্বত ভট্টাচার্য
- ছায়ার মানুষ - আহমেদ রিয়াজ
- আলতা কন্যার জন্মদিন - মারুফ রেহমান।
- লেজ উঁচিয়ে - আহমেদ রিয়াজ
- ভৌতিক গল্প : থাবা - অনীশ দাস অপু
- রাজার ঈগল পাখি (কম্বোডিয়ার লোককাহিনী) - অনুবাদ: মৃত্যুঞ্জয় রায়
- আকাশ ছুঁয়ে উড়বো - এনায়েত রসুল
- আবু আর বাবু - বেবী মওদুদ
-
ভূতুড়ে বানর -
মূল : স্টিফেন কিং
অনুবাদ : অনীশ দাস অপু - কার ছবি - ইমদাদুল হক মিলন
- ঝন্টু মন্টুর দাদি - আহসান হাবীব
- সন্ধ্যার বিচিত্র ঘটনা - ধ্রুব এষ
-
তিন রাজপুত্র -
অনুবাদ : শিবব্রত বর্মন
মূল গল্প: আইজাক আসিমভ - নওরিনের স্কুল - এনায়েত রসুল
- বংশী নদীর ঘটনা - হামিদ কায়সার
- মাকড়সার চন্দ্র ভ্রমণ - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- ইঁদুর সাহেবার হলিডে - মিজানুর খান
- জাদুর ঢোল - আহমেদ রিয়াজ
- ক্যামডেন কিলার - অনীশ দাস অপু
- পরীর দেশে - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- পিঁপড়ে যখন হাতির বন্ধু - আহমেদ রিয়াজ
- সাগর পরী - মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
বৃষ্টি তুমি এসো না -
অনীশ দাশ অপু
মূল রচনা: আইজাক আসিমভ - ঝমঝমে আষাঢ়ে - আহমেদ রিয়াজ
-
ভৌতিক হাত -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প: কার্ল জ্যাকবির ‘দ্য হ্যান্ড’ -
বাবার জন্য ভালোবাসা -
মুহাম্মদ নাহিয়ান বিন খালেদ
- সেন্টমার্টিনে বাবার সাথে - জারিন তাসনিম অতসী
-
ভৌতিক ঘুড়ি -
অনীশ দাস অপু
মূল: কার্ল জ্যাকবি’র ‘দ্যা কাইট’ - ফুটবল প্রেমিক - রাশেদ শাওন
- ঘটনাটা সত্য - এনায়েত রসুল
- ভুতুড়ে বাড়ি - অনীশ দাস অপু
- ইচ্ছাপূরণ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- মায়ের কাছে ফেরা - বেবী মওদুদ
- স্বপ্ন - শিবব্রত বর্মন
- মেলায় যাবো - এনায়েত রসুল
- কুমড়ো দানব - অনীশ দাস অপু
- আসলে ছবিটা মেঘের - ধ্রুব এষ
- কাশেম আলী গরু চরাতো - আনিসুল হক
-
অদৃশ্য শত্রু -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প : ফিলিপ কে. ডিক - জাদুকর - সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল
-
জানের দুশমন -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প : হেনরি কুটনার - ভালোবাসার সবুজ গাছ - ইমরুল ইউসুফ
- বড়দিনের রাতে - অনীশ দাস অপু
- দেহহীন - শিবব্রত বর্মন
- নীলুর নীল চশমা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- রহস্যভেদী - রকিব হাসান
- দুষ্টু বিড়াল - অনীশ দাস অপু
- অপেক্ষা - মোস্তফা মামুন
- ঈশানপুরের অপুর কান্ড - সুমন কায়সার
- রাজা যখন গাছে - আহমেদ রিয়াজ
- অন্যরকম ভালোলাগা - শুভ অংকুর
- পৃথিবীর জন্য ভালোবাসা (সায়েন্স ফিকশন) - শুভ অংকুর
- কিং মিঠু - মোস্তফা মামুন
- প্রেতাত্মা - অনীশ দাস অপু
- রোবট - আনিসুল হক
- চতুর্দশতম/চৌদ্দ - নঈম তারিক
- জিকুর স্বপ্ন - আহসান হাবীব
- চোর - রকিব হাসান
- ছায়াহীন - শিবব্রত বর্মন
- ঈদের আগের রাত - মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
মেরু ভালুকদের রাজা -
মূল : ফ্রাঙ্ক বাউম
ভাষান্তর : বিদ্যুত - গাধার টুপি - আহমেদ ফারুক
- আলসে বালক আর গরুর গল্প - মো. গোলাম রহমান
- অতি চালাকির সাজা! - এনায়েত রসুল
- মাছরাঙা আর রূপোর চামুচ - মোস্তফা হোসেইন
- হাবা রাকিবের কাণ্ড - মারুফ রেহমান
- বিড়ালের বন্ধুত্ব - রূপান্তর : আবুল বাসার
- গণেশ চ্যাটার্জি আর তার কালো কুকুর - নাফে মোহাম্মদ এনাম
- শিউ-পিউর বন্ধু তানতুলু - নূর সিদ্দিকী
- মেছোভূত - ইকবাল খন্দকার
- অ্যারোসল ভূত - শাকিল ফারুক
- পাঠশালা - আহমেদ রিয়াজ
- যুদ্ধের গল্প - ফরহাদ সাফায়েতুল কবীর
- বোকাতু - আরিফ হাসান
- রূপকথার ইলিশ - অর্জিতা মাধুর্য
- সীনের বাবা সীনের মা - আহমেদ রিয়াজ
- চাঁদ - পান্থ বিহোস
- মায়ের ভাষা - মুহাম্মদ মুনতাসির আলী
- জিন্নাহ'র না জানা গল্প - আহমেদ রিয়াজ
- ঘুম পাহাড়ের আজব পাখি - আ হ মে দ ফা রু ক
- উপহাস - আহমেদ রিয়াজ
-
ড্রাগনের যম ইভান -
মূল : ভ্লাদিমির বাইকো
অনুবাদ: হাসান খুরশীদ রুমি - টিনা আপুর জাদুর কাঠি - এনায়েত রসুল
- তারা পড়তে দেখলে - ধ্রুব এষ
- বাঘ-সিংহের গল্প - আহমেদ রিয়াজ
-
লুকোচুরি -
নিকোলাই নসভ
অনুবাদ: হাসান খুরশীদ রুমী - রহস্যময় কিশোর যোদ্ধা - আহমেদ রিয়াজ
- অদ্ভূতুড়ে কিন্তু ভূতুড়ে নয় - বিজয় মজুমদার
- তিন ভূতুড়ে - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- মরগানস উডসের ভূত - অনীশ দাস অপু
- মহাকাশে সু ভূতের অভিযান - বিধান রিবেরু
- জামাটা কোথায় গেল - আহমেদ রিয়াজ
- মি. হাকলি - নূর সিদ্দিকী
- বুলেট ভাইয়ের হাইজাম্প - মোস্তফা মামুন
-
একা কবরস্থানে -
মূল : অ্যালভিন শোয়ার্জ
অনুবাদ : হাসান খুরশীদ রুমী - তৈল মর্দন - সজ্জাদ কবীর
- ঝিন্টু - মানিক চন্দ্র দাস
- রবীন-মাহিনের মুক্তি... - আহসান হাবীব
- মামার ঘড়ি - পান্থ বিহোস
- তৃষার ভালো লাগা - এনায়েত রসুল
- খরগোশের টাকা চাষ - ভাষান্তর- মৃত্যুঞ্জয় রায়
- ঈদের চাঁদ - আশীষ চক্রবর্ত্তী
-
স্টোরিটেলার -
নিকোলাই নসভ
রূপান্তর : হাসান খুরশীদ রুমী - একটা গাছের চারা - আশরাফুল আলম পিনটু
- পাহাড় যখন সরে যায় - আমীরুল ইসলাম
- ঝিম দুপুরের গল্প - শাকিল ফারুক
- জেলে আর সোনার মাছ - রহীম শাহ
- কুয়োর ব্যাঙের সমুদ্র যাত্রা - বিজয় মজুমদার
- পুতুল - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
-
হানাবাড়ির উন্মাদ -
মূল : ইলেন এ. কিউল
অনুবাদ : অনীশ দাস অপু - চ্যালেঞ্জ! - রকিব হাসান
- রাজা এলেন - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- চুরি বিদ্যা বড়ো বিদ্যা - মোস্তফা মামুন
- আসলে কী ঘটেছিল - ইমদাদুল হক মিলন
- শিয়াল রাজার সাজা - এনায়েত রসুল
- রূপোলি রেণু - আলী ইমাম
- প্যালিনড্রোমিক ফর্ক... - আহসান হাবীব
- ঘড়ি উদ্ধার - আহমেদ রিয়াজ
- অপু আর তপু - আশরাফুল আলম পিন্টু
- সাদা মেঘ ও কাশফুলেরা - আহমেদ রিয়াজ
- মনের ভয় - ফাতেমা ফেরদৌস (পিংকি)
- চাঁদের বন্ধু খরগোশ - রেহানা পারভীন রুমা
- দুষ্টু টুলু - এনায়েত রসুল
- রেডিও - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- ঠাকুরমার ঝুলি এবং ইবু - আহমেদ ফারুক
- আষাঢ়ে হাতি ও রাজার গল্প - আহমেদ রিয়াজ
- সুন্দর - মঈনুল আহসান সাবের
-
ছোট্ট তুষারমানব -
কোরিয়ার রূপকথা
রূপান্তর : মো. গোলাম রহমান - ঘুপুর বন্ধু টুনু আর চি - এনায়েত রসুল
- এটা আমার বাবার গল্প, মায়েরও - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- চাষা ও তার গরু - আহমেদ রিয়াজ
- সহকারী গোয়েন্দা - মোস্তফা মামুন
- লাল বেলুন - আমীরুল ইসলাম
- ডান-বাম - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
-
শেষ যাত্রা -
মূল : কার্ল জ্যাকবি
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু - লিটুর ঘুম আসে না - মোস্তফা মামুন
- ভূতটা খোলা মাঠে একা শুয়ে আছে - আহমেদ রিয়াজ
- কিসমতের বিচার - হুমায়ূন কবীর ঢালী
- নিপুর আশ্রয় - এনায়েত রসুল
- দুই ভূতের কান্ড - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
কান্নার দাগ -
আফ্রিকার রূপকথা
রূপান্তর : আবুল বাসার - নূরী ও পরী - আহমেদ রিয়াজ
-
প্রকৃতি কন্যার দোলনা ঘর -
শোহেইল মতাহির চৌধুরী
- ছোট্ট জাদু-নুড়ি - আমীরুল ইসলাম
- জাদুর আয়না - রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- বিন্নির খুশি - এনায়েত রসুল
- ঘুম পাহাড়ের আজব পাখি - আহমেদ ফারুক







