আহমেদ রিয়াজ
বাতি জ্বালিয়ে খাটের দিকে তাকাতেই অবাক হয়ে গেল নূরী। ও কে? পা দুলিয়ে বসে আছে ওর খাটের ওপর।
নূরীরা গিয়েছিল বাইরে। সপ্তাহে একদিন বাবা ওদের নিয়ে বিকেলের দিকে বেরিয়ে যান। তারপর কোনো একটা রেস্টুরেন্টে রাতের খাবার খেয়ে ওরা ঘরে ফেরে। আজ শুক্রবার। বেশ ঘুরল ওরা। আজ অবশ্য অনেক দূরের একটা রেস্টুরেন্টে গিয়েছিল। ঢাকা থেকে প্রায় চল্লিশ কিলোমিটার দূরে- সাভার।
নূরীর ঘরটা দুদিকে খোলা। দক্ষিণ ও পূর্ব দিক। দক্ষিণ দিকে একটা বারান্দা। আর পূর্ব দিকে বিশাল একটা জানালা। যদিও বারান্দায় খুব একটা যায় না ও। বেশিরভাগ সময় বন্ধই থাকে। আর ঘর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় ও বারান্দার দরজা বন্ধ করে যায়। আজও বন্ধ করে গিয়েছিল। এখনও বন্ধই আছে। আর জানালা তো বন্ধই থাকে। কেবল বিদ্যুত চলে গেলে ও জানালাটা খোলে। নয়ত বন্ধ থাকে। জানালায় গ্রিল দেয়া। মোটা কাঁচ লাগানো। সুতি কাপড়ের মোটা পর্দাও ঝুলছে। বোঝা যায় জানালা দিয়ে বা বারান্দা দিয়ে ওর ঘরে ও ঢোকেনি। বাকি থাকে দরজা। দরজাটা বাইরে থেকে লাগানো ছিল। তাহলে কেমন করে ঢুকল ও?
নূরী ভয় পেয়ে চিৎকারই দিয়ে ফেলত। কেমন করে যেন সেটা যেন ও বুঝতে পারল। ঠিক চিৎকার দেয়ার আগমূহুর্তে ও বলল, চেঁচামেচি করে লাভ নেই। আমি তোমার কোনো ক্ষতি করব না। তোমার ঘরটা আমার পছন্দ হয়েছে। একটু বসেই চলে যাব। তোমাকে বিরক্ত করব না।
নূরী বলল, তুমি কে?
ও বলল, এখনও বুঝতে পারছ না? এই দ্যাখো, বলেই ওর দুটো পাখা দেখাল। নূরী বলল, তোমার কি পাখাও আছে নাকি?
ও হাসল। হাসতে হাসতে বলল, পরীদের পাখা থাকে জানো না?
নূরী বলল, ও। তুমি তাহলে পরী? তোমাকে প্রথমে দেখেই আমি সন্দেহ করেছিলাম। পরী ছাড়া এত সুন্দর কেউ কখনো হয়? তা তুমি পরী হও আর ভূত হও, এ ঘরে ঢুকলে কেমন করে?
পরী বলল, সেটা জানা কি খুব দরকার? আমাকে তোমার ভালো লাগেনি? আমার সাথে গল্প করতে ভালো লাগছে না?
নূরী বলল, তুমি কতক্ষণ গল্প করতে চাও?
পরী বলল, তুমি কি সময় মেপে গল্প করো নাকি?
নূরী বলল, হ্যাঁ। কারণ আমাকে আগামী কাল স্কুলে যেতে হবে। স্কুলের পড়াগুলোতে একটু চোখ বোলাতে হবে। সময় নেই।
পরী বলল, আচ্ছা ঠিক আছে। তোমার যখন সময়ের অভাব, তখন আর কী করা। চলি।
নূরী বলল, কিন্তু তুমি এ ঘরে ঢুকলে কেমন করে?
পরী বলল, এটা শোনার সময় তোমার হবে?
নূরী বলল, এটুকু বলেই তুমি চলে যাবে। পাঁচ মিনিটের মধ্যে।
পরী বলল, উঁহু। পাঁচ মিনিটের মধ্যে বলা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। আসলে তোমরা সময় মেপে চলতে চলতে সবকিছুতেই সময়ের হিসাব করো। এটা ঠিক নয়। সবকিছু কি সময় মেপে করা যায়? তুমিই বলো। কী এমন পড়া তোমার?
নূরী বলল, আগামীকাল আমার দুটো ক্লাস টেস্ট আছে। ক্লাস টেস্ট বোঝো?
পরী বলল, কেন বুঝব না? অবশ্যই বুঝি। আমাদেরও ক্লাস হয়।
নূরী অবাক হয়ে বলল, তোমাদেরও ক্লাস হয়! কী ক্লাস হয় তোমাদের?
পরী বলল, অনেক রকম ক্লাস। তোমাদের যেরকম ক্লাস, আমাদেরও সেরকম ক্লাস। যেমন ধরো তোমরা ভাষা শেখার ক্লাস করো। আমাদেরও ভাষা শেখার ক্লাস আছে। যে যত বেশি ভাষা জানবে, সে তত বেশি জায়গায় যেতে পারবে। বাংলা ভাষা শেখার ক্লাস আমার খুব ভালো লাগে। আমাদেরও ক্লাস টেস্ট হয়। ক্লাস টেস্টে আমি সবচেয়ে বেশি মার্ক পেয়েছি। সেজন্যই তোমার এখানে আসার অনুমতি পেয়েছি।
নূরী বলল, কোথাও যেতে হলে তোমাদেরও অনুমতি নিতে হয় নাকি?
পরী বলল, অবশ্যই নিতে হয়। আমরা তো পরী। কে কখন কী ভাবে বন্দি করে ফেলে, ঠিক আছে নাকি? তাই আগে থেকে জানিয়ে আসতে হয়। তারপর আমাদের ম্যাডাম যখন অনুমতি দেন, তখনই কেবল আমরা আসতে পারি।
নূরী বলল, না জানিয়ে আসতে পারো না?
পরী বলল, নাহ্! না জানিয়ে আসা যায় না। না জানিয়ে কেমন করে আসব?
নূরী বলল, এখন যেমন করে এসেছ?
পরী বলল, এখন তো পাখায় ভর করে এসেছি। উড়ে উড়ে এসেছি।
নূরী বলল, না জানিয়ে বুঝি আসা যায় না?
পরী বলল, পাখাই তো দেবে না।
নূরী অবাক হয়ে বলল, পাখা দেবে না মানে?
পরী বলল, ও তুমি তো জানো না। আমাদের পাখা দুটো কিন্তু খুলে রাখা যায়। আমাদের পাখা জমা থাকে আমাদের দলনেত্রীর কাছে। কোথাও যাওয়ার অনুমতি পেলেই তবে পাখা দুটো দেয়া হয়। তার আগে নয়।
নূরী বলল, ও এবার বুঝেছি। তা পাখা ওলট পালট হয়ে যায় না?
পরী বলল, হয় না আবার! এই যে দ্যাখো-
বলেই নিজের পাখা দুটো দেখিয়ে বলল, এই ডানপাশের পাখাটা আমার। আর বাম পাশের পাখাটা হলুদপরীর। তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে হলুদপরীর পাখা নিয়ে বেরিয়ে এসেছি। এতক্ষণে নিশ্চয়ই হইচই শুরু হয়ে গেছে।
নূরী ভালো মতো পাখা দুটো লক্ষ্য করল। বলল, কিন্তু আমার কাছে তো একই রকম মনে হচ্ছে।
পরী বলল, তোমার কাছে একই রকম মনে হতেই পারে। খুব সূক্ষ্ম পার্থক্য তোমাদের চোখে ধরা পড়বে না। কারণটা কী জানো?
নূরী বলল, না। কিন্তু তোমার মতো আমারও দুটো চোখ। অবশ্য তোমার চোখ দুটো আমার চেয়ে অনেক সুন্দর। সুন্দর চোখে মনে হয়, আরও ভালো দেখা যায়।
পরীটা হাসল। হাসতে হাসতে বলল, উঁহু। তোমাদের এখানে বড্ড ধুলোবালি। ধুলোবালি তো সবকিছু কেমন ঝাপসা দেখায়। আমি যদি সাতদিন তোমাদের এখানে আসি, তাহলে আমিও চোখে ঝাপসা দেখা শুরু করব।
নূরী সেই তখন থেকে দাঁড়িয়ে আছে। দাঁড়িয়েই গল্প করছে পরীর সাথে। এতক্ষণ ও দাঁড়িয়ে থাকে না। পা ব্যথা করে। নূরী বলল, আমি তোমার পাশে বসব?
পরী বলল, সে কী! তোমার নিজের বিছানায় বসতে তুমি আমার কাছে অনুমতি চাইছ? বসো বসো। আচ্ছা তোমার সময় আছে তো?
নূরী পরীর পাশে বসতে বসতে বলল, কেন?
পরী বলল, গল্প করার জন্য। তোমাদের সবকিছুই সময় মেপে। শুনেছি এখন নাকি তোমাদের রান্নাও হয় সময় মেপে?
নূরী বলল, তা হয়। আমাদের ক্লাস, পরীক্ষা, বাইরে যাওয়া, ঘুমুতে যাওয়া- সবকিছুই সময় মেপে। তোমাদের ক্লাস কি সময় মেপে হয় না?
পরী বলল, না। আমাদের ক্লাস কতক্ষণ ধরে হয় কেউ জানে না। যার যখন যে ক্লাস করতে ভালো লাগে সে তখন সেই ক্লাস করে। আমাদের ওখানে তো কোনো ঘড়ি নেই। আমরা সময় মেপে কিছুই করি না। সামান্য একটা গোল যন্ত্রের কাছে তোমরা কেমন অসহায়, বন্দি- ভাবতেই অবাক লাগে।
নূরী বলল, এটা হচ্ছে সময়ানুবর্তিতা- বুঝলে?
পরী জানতে চাইল, এটা কি তোমাদের নিজেদের তৈরি করা?
নূরী বলল, নাহ্! একসময় ইংরেজ নামের একটা জাতি আমাদের দুশো বছর শাসন করেছিল। ওরাই আমাদের সময়ানুবর্তিতার শিক্ষা দিয়ে গেছে।
পরী বলল, বুঝেছি। ওই যন্ত্রটার বহুল ব্যবহারও ওরাই শিখিয়েছে?
নূরী বলল, হতে পারে। এটা নিয়ে কখনো ভাবিনি।
পরী বলল, তোমাদের কোনো না কোনোভাবে বন্দি করে রাখার চেষ্টা ওরা করেছিল। এবং পেরেছে। সত্যিই তোমরা বন্দি হয়ে আছো।
নূরী বলল, শুধু আমরা কেন? পুরো পৃথিবীই তো সময় মেনে চলে।
পরী বলল, তাহলে ওরা বেশ ভালো ব্যবসায়ী ছিল বলে মনে হয়।
নূরী বলল, সেটা ঠিক বলেছ। ওরা বেশ ভালো ব্যবসায়ীও ছিল। কিন্তু তুমি কেমন করে বুঝলে?
পরী বলল, আমাদের দর্শন ক্লাসও হয়, জানো? তবে অতো কঠিন কিছু নয়। তোমরা দর্শন বলতে যেটা বোঝো, সেরকম নয়। আমাদের দর্শন মানে হচ্ছে কোনো প্রাণী বা বস্তুকে দ্যাখো, তাকে উপলব্ধি করো, তাকে বুঝতে চেষ্টা করো। সেটাই মিলিয়ে নিলাম। পুরো দুনিয়া যখন সময় মেনে চলে, তখন কী পরিমাণ ঘড়ির দরকার একবার ভেবে দেখো। ঘড়ির ব্যবসা নিশ্চয়ই বেশ জমজমাট তোমাদের এখানে।
নূরী বলল, তোমাদের দর্শন ক্লাস মনে হচ্ছে বেশ ভালোই জমে। আর কী কী ক্লাস হয় তোমাদের?
পরী বলল, গণিত, বিজ্ঞান, জ্যোর্তিবিদ্যা, জাদুবিদ্যা-সব।
নূরী জানতে চাইল, গণিত শিখে কী করবে তোমরা? তোমাদের কি গণিত লাগে?
পরী বলল, এখনও জানি না গণিত আমাদের কী কাজে লাগে। তবে নিশ্চয়ই কোনো না কোনো কাজে লাগবে। তা না হলে শেখানো হত না। দরকার ছাড়া কোনো জিনিস আমাদের শেখানো হয় না।
নূরী বলল, আমাদের শেখানো হয়। এই যেমন ধরো রান্না। আমার মা নিয়মিত রান্নার ক্লাস করেন। কিন্তু কখনো বাসায় তিনি রান্না করেন না।
পরী বলল, তাহলে তোমাদের রান্না কে করে?
নূরী বলল, কে আবার? বাবুর্চি।
পরী জানতে চাইল, তোমাদের সব মানুষের রান্নাই কি বাবুর্চি করে?
নূরী বলল, না।
পরী জানতে চাইল, বাবুর্চিরা দেখতে কেমন? ওরা কি অন্য কোনো দেশ থেকে এসেছে?
পরীর কথা শুনে নূরী হাসতে লাগল। হাসতে হাসতে বলল, ওরা আমাদের মতোই মানুষ। ওদের কাজই হচ্ছে রান্না করা। যেমন ধোপা। ধোপাদের কাজ হচ্ছে কাপড় ধোয়া। তারপর ধরো দারোয়ান। ওর কাজ হচ্ছে পাহারা দেয়া। ক্লিনারের কাজ হচ্ছে ঘর-দোর পরিষ্কার রাখা। মালির কাজ হচ্ছে বাগানের গাছপালার যত্ন করা। ড্রাইভারের কাজ হচ্ছে গাড়ি চালানো। তোমাদের এমন নেই?
পরী বলল, নাহ্! আমাদের সব কাজ আমরাই করি। আমাদের সবকিছু শিখে রাখতে হয়। যে যখন যে কাজের সুযোগ পায়, সে সেই কাজ করে। আমরা সবাই আনন্দ নিয়েই কাজ করি।
নূরী বলল, আমাদের মধ্যে কিন্তু তা নেই। যে যত বেশি কাজ না করে থাকতে পারে-এটাই চেষ্টা করে প্রায় সবাই। আবার কিছু আলসে আছে, যারা কাজই করতে চায় না।
পরী বলল, আলসে কী?
নূরী বলল, ও মা! তুমি আলসে কী সেটাও জানো না? কোন দেশে থাকো তুমি?
পরী হেসে বলল, জানো না বুঝি? পরীর দেশে থাকি। আলসে কী বলো না?
নূরী বলল, যারা কাজ করতে ভয় পায় এবং কাজ করে না, তারাই হচ্ছে আলসে। তোমাদের মধ্যে কোনো আলসে নেই?
পরী বলল, নাহ্! নেই দেখেই তো জানি না আলসে কী। আজ জানলাম। তোমাদের মধ্যে কাজ না করেও অনেকে থাকতে চায়? বড্ড অবাক হলাম তোমার কথা শুনে। কেমন করে থাকে কাজ না করে?
নূরী বলল, তা ছাড়া সবাইকে কাজ করতে হবে-এমন তো কোনো কথা নেই। সবাই কেন কাজ করবে?
পরী বলল, তোমাদের দেশের নিয়ম কেমন, বুঝি না। আমরা জানি কাজ করলে ভালো থাকা যায়। সুন্দর থাকা যায়। তাই আমরা সবাই কাজ করি। তোমার মনে হয় ঘুমুনোর সময় হয়ে গেছে। তোমরা তো আমার সময় মেনে চলো। তুমি তাহলে ঘুমোও।
নূরী বলল, তুমি কেমন করে যাবে?
পরী বলল, যেভাবে এসেছিলাম।
নূরী জানতে চাইল, কীভাবে এসেছিলে?
পরী বলল, সেটা আমাদের একটা গোপন রহস্য। এই রহস্য কোনো মানুষকে শেখানোর নিয়ম নেই। তবে তোমাকে আমি একটা সূত্র দিতে পারি। তোমাকে বলেছিলাম না আমাদের জ্যোর্তিবিদ্যা ও জাদুবিদ্যা শেখানো হয়, ওখান থেকেই গোপন রহস্যটা শেখানো হয়। চলি। ভালো থেকো।
তারপর হঠাৎ নেই। নূরীর মনে হল ঘরটা এতক্ষণ ভরা ভরা লাগছিল। হঠাৎ নূরীর মনে হল, ঘরটা শূন্য হয়ে গেছে। আবার কবে পরীটা আসে কে জানে?
আহমেদ রিয়াজ/এবি/এমআইআর/১৪ এপ্রিল
- মেয়েটি মাকড়সা হয়ে গেল - কাজী কেয়া
- কাজলকাকা ভূত নয় - ইমতিয়ার শামীম
- অর্পণের মা - আলী হাবিব
- রাশিয়ান রূপকথা: ধপাস ভালুক - রহীম শাহ
- মুখোশ রহস্য - আহমেদ রিয়াজ
- মুরগী ছানা তিতি - আরিফুন নেছা সুখী
- অহংকারী রাজকন্যা - বিএম বরকতউল্লাহ
- পুতুল ভূত - রানা জামান
- রাখাল ও জাদুর আম গাছ - হুমায়ুন কবীর ঢালী
- দুষ্টু ছানাদের গল্প - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- তুতুন - আল নাহিয়ান
- সাইকেল বাবু - লিটন মহন্ত
- রূপকথা নীল পূর্ণিমার সোমেশ্বরী - রবীন ভাবুক
- পরীরাণী - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- সাদাসোনা মেঘ, নীল ঘুড়ি আর খোলা মাঠে একা ছেলেটা - নূর সিদ্দিকী
- অন্ধকারের এক রহস্যমানুষ আর রাজহাঁস - মিন্টু হোসেন
- চকোলেট দৌড় - সোহানা রহমান
- স্কুলপড়ুয়া পাখি, প্রজাপতি আর ছড়া - মেহেরুবা নিশা
- গরুর ঘায়ে! - আহমেদ রিয়াজ
-
ঝুমি ও একটি কুকুর -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
উপন্যাস: পিশাচ-কন্যা -
সামান্থা লি
রূপান্তর: অনীশ দাস অপু - অক্স ও বুল (সায়েন্স ফিকশন গল্প) - আবুল কালাম আজাদ
- আমি ভূত - সোহানা রহমান
- সবুজ মাঠ - শিবলী নোমান
- মন্দ মানুষ - চন্দন চৌধুরী
- ঈদে মুক্তির আনন্দ - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- জোনাকিদের গ্রহে ভয়েজার ১ - মিন্টু হোসেন
- তর্ক-বিতর্ক - পাভেল মহিতুল আলম
- খরচি মামার সাইকেল - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
- লাল জামা - বিএম বরকতউল্লাহ্
- আমার বন্ধু ডোরেমন - আহমেদ রিয়াজ
-
অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস অজানা দ্বীপে অভিযান -
মূল : এডগার অ্যালান পো
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- ঢেউয়ের বন্ধুরা - নূর সিদ্দিকী
- ভাষা - জাহিদুল আলম
- বর্ণান্ধ - মারিয়া হোসেন
- ভূতের সঙ্গে আড়ি - মুহসীন মোসাদ্দেক
- নরহরি দাস - উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
- কাকদের পুরীষ উৎসব! - মহিউদ্দীন আহ্মেদ
- সে সত্যিই ছিল একটা বাচ্চা পরি - মেহেরুবা নিশা
-
মেঘকন্যা আর টুনটুনিছানা -
বিএম বরকতউল্লাহ্
- নবম মাত্রার গোবট - ধ্রুব নীল
-
পরী এবং পরিবেশ -
মাহাবুবুল হাসান নীরু
- দুঃখী বুড়ি ও নেংটি ইঁদুর - বিএম বরকতউল্লাহ্
- ভালো 'মন খারাপ' - চন্দন চৌধুরী
- রকির চাওয়া - জুবায়ের হুসাইন
- মৌমাছি ও কাঠুরিয়া - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- ফিরে দেখা - রবীন ভাবুক
- মতির মাথায় গাব - ধ্রুব নীল
- প্রজাপতি হবো - এনায়েত রসুল
- চাঁদনি-হালুয়া - সঞ্চারিণী
- জলে কোলাহল - চন্দন চৌধুরী
- এক টুকরো মেঘ ও দুঃখী গাছ - বিএম বরকতউল্লাহ
- আমার রোবট 'রবি' - মোঃ মিন্টু হোসেন
- কত আটায় কত রুটি - আবুল কালাম আজাদ
- আংটি - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- শহরে একদিন - আহমেদ রিয়াজ
- পল্টুর বন্ধু - আহসান হাবীব
-
হরর গল্প -
মিস্ট্রেস স্যারি মূল : উইলিয়াম টেন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- নিলেশের অন্য ভূবন - আফরোজা অদিতি
- ভাষার খোঁজে নেপালে - সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ
- গিফট - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- ভূত শিকার - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
-
ডানাকাটা পাখি ও সীম বীজ -
চন্দন চৌধুরী
- গোয়েন্দা মেনু'দা - রবীন ভাবুক
- তিনা আর লাল গোলাপ - আফরোজা অদিতি
- পরীটি কি জাদু জানে - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- আরকনির রুমাল - মোঃ মিন্টু হোসেন
- পুষ্পিতার ঈদ - আফরোজা আদিতি
- হাতির ডিম - আহমেদ রিয়াজ
- কঙ্ক - শুভ অংকুর
- বিন্নির খুশি - এনায়েত রসুল
- প্রান্ত ও তার এ্যাডনোক্সিয়ান বন্ধু (সায়েন্স ফিকশান) - আবুল কালাম আজাদ
- এক যে ছিলো রাসেল - বেবী মওদুদ
- আতঙ্কের প্রহর [রহস্য গল্প] - অনীশ দাস অপু
- ঈদ শপিং - আহসান হাবীব
- উপন্যাস- আলিবাবা ও চালিচার - শিবব্রত বর্মন
- মৌমাছি - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
- সূত্রধর স্যার - জাহিদুল আলম
-
কোনো এক অমাবস্যার রাতে -
আহমেদ রিয়াজ
- বিজ্ঞানী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গড়ে আটকা এক নেকড়ে - মোঃ মিন্টু হোসেন
- প্রজাপতি - এনায়েত রসুল
- পরী এসেছিল - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- বিচ্ছু ভাগনের কাণ্ড - জাহিদুল আলম
- নিশান আর ব্ল্যাকহোল - আফরোজা অদিতি
- পরীর বন্ধু অহনা - এনায়েত রসুল
-
স্যারের বিপদ -
জাহিদুল আলম
-
নতুন স্যার -
আবুল কালাম আজাদ
-
মিকাই-এর বাঘের ছানা -
মিন্টু হোসেন
-
আলুভর্তা -
জান্নি রোদারি
অনুবাদ: জামিল বিন সিদ্দিক -
বেকার আয়না -
জাহিদুল আলম
-
একদিন রাতে ধবধবে বিড়ালটা -
আহমেদ রিয়াজ
- অবাক বইপাঠ - মুনির রানা
- জোকার - শিবব্রত বর্মন
- ইঁদুরের ভোজ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ভৌতিকবাড়ি - অনীশ দাস অপু
- মেলায় মাঠে পিউস - আফরোজা অদিতি
-
মিস্ট্রেস স্যারি -
মূল : উইলিয়াম টেন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
ভয়ঙ্কর এক লোক -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
তেরো তলা -
মূল : ডন উলফসনে
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
টুঙ্গিপাড়ার খোকা -
বেবী মওদুদ
-
রাতের আতঙ্ক -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
বৃক্ষপরী টিয়া -
আফরোজা অদিতি
-
গেকো -
অনীশ দাস অপু
-
ময়না -
আফরোজা অদিতি
-
রাজকন্যা মাঈশা আর বলঢাঁশের গল্প -
আশরাফুল ইসলাম সাগর
-
শেয়াল দেবতার প্রতিহিংসা -
মূল : রবার্ট ব্লচ
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু - ফার্স্ট হওয়ার ঝামেলা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- শূন্যে ডানা মেলে - এনায়েত রসুল
-
একটু উষ্ণতার জন্য -
মূল : হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান এন্ডারসন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
শামন্তীর শীতবেলা -
মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
রাতের অতিথি -
আহমেদ রিয়াজ
- চৈতি আপু - ইমদাদুল হক মিলন
- তেতুল গাছ - আহসান হাবীব
- টুশির গল্প - বেবী মওদুদ
- চড়ুই পাখিদের ঘরের ঘটনা - ধ্রুব এষ
- বিলাই মা বিলাই ছা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- এক শিশি আলতা - এনায়েত রসুল
- কুলরাজা কুলরাণী - শাশ্বত ভট্টাচার্য
- ছায়ার মানুষ - আহমেদ রিয়াজ
- আলতা কন্যার জন্মদিন - মারুফ রেহমান।
- লেজ উঁচিয়ে - আহমেদ রিয়াজ
- ভৌতিক গল্প : থাবা - অনীশ দাস অপু
- রাজার ঈগল পাখি (কম্বোডিয়ার লোককাহিনী) - অনুবাদ: মৃত্যুঞ্জয় রায়
- আকাশ ছুঁয়ে উড়বো - এনায়েত রসুল
- আবু আর বাবু - বেবী মওদুদ
-
ভূতুড়ে বানর -
মূল : স্টিফেন কিং
অনুবাদ : অনীশ দাস অপু - কার ছবি - ইমদাদুল হক মিলন
- ঝন্টু মন্টুর দাদি - আহসান হাবীব
- সন্ধ্যার বিচিত্র ঘটনা - ধ্রুব এষ
-
তিন রাজপুত্র -
অনুবাদ : শিবব্রত বর্মন
মূল গল্প: আইজাক আসিমভ - নওরিনের স্কুল - এনায়েত রসুল
- বংশী নদীর ঘটনা - হামিদ কায়সার
- মাকড়সার চন্দ্র ভ্রমণ - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- ইঁদুর সাহেবার হলিডে - মিজানুর খান
- জাদুর ঢোল - আহমেদ রিয়াজ
- ক্যামডেন কিলার - অনীশ দাস অপু
- পরীর দেশে - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- পিঁপড়ে যখন হাতির বন্ধু - আহমেদ রিয়াজ
- সাগর পরী - মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
বৃষ্টি তুমি এসো না -
অনীশ দাশ অপু
মূল রচনা: আইজাক আসিমভ - ঝমঝমে আষাঢ়ে - আহমেদ রিয়াজ
-
ভৌতিক হাত -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প: কার্ল জ্যাকবির ‘দ্য হ্যান্ড’ -
বাবার জন্য ভালোবাসা -
মুহাম্মদ নাহিয়ান বিন খালেদ
- সেন্টমার্টিনে বাবার সাথে - জারিন তাসনিম অতসী
-
ভৌতিক ঘুড়ি -
অনীশ দাস অপু
মূল: কার্ল জ্যাকবি’র ‘দ্যা কাইট’ - ফুটবল প্রেমিক - রাশেদ শাওন
- ঘটনাটা সত্য - এনায়েত রসুল
- ভুতুড়ে বাড়ি - অনীশ দাস অপু
- ইচ্ছাপূরণ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- মায়ের কাছে ফেরা - বেবী মওদুদ
- স্বপ্ন - শিবব্রত বর্মন
- মেলায় যাবো - এনায়েত রসুল
- কুমড়ো দানব - অনীশ দাস অপু
- আসলে ছবিটা মেঘের - ধ্রুব এষ
- কাশেম আলী গরু চরাতো - আনিসুল হক
-
অদৃশ্য শত্রু -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প : ফিলিপ কে. ডিক - জাদুকর - সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল
-
জানের দুশমন -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প : হেনরি কুটনার - ভালোবাসার সবুজ গাছ - ইমরুল ইউসুফ
- বড়দিনের রাতে - অনীশ দাস অপু
- দেহহীন - শিবব্রত বর্মন
- নীলুর নীল চশমা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- রহস্যভেদী - রকিব হাসান
- দুষ্টু বিড়াল - অনীশ দাস অপু
- অপেক্ষা - মোস্তফা মামুন
- ঈশানপুরের অপুর কান্ড - সুমন কায়সার
- রাজা যখন গাছে - আহমেদ রিয়াজ
- অন্যরকম ভালোলাগা - শুভ অংকুর
- পৃথিবীর জন্য ভালোবাসা (সায়েন্স ফিকশন) - শুভ অংকুর
- কিং মিঠু - মোস্তফা মামুন
- প্রেতাত্মা - অনীশ দাস অপু
- রোবট - আনিসুল হক
- চতুর্দশতম/চৌদ্দ - নঈম তারিক
- জিকুর স্বপ্ন - আহসান হাবীব
- চোর - রকিব হাসান
- ছায়াহীন - শিবব্রত বর্মন
- ঈদের আগের রাত - মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
মেরু ভালুকদের রাজা -
মূল : ফ্রাঙ্ক বাউম
ভাষান্তর : বিদ্যুত - গাধার টুপি - আহমেদ ফারুক
- আলসে বালক আর গরুর গল্প - মো. গোলাম রহমান
- অতি চালাকির সাজা! - এনায়েত রসুল
- মাছরাঙা আর রূপোর চামুচ - মোস্তফা হোসেইন
- হাবা রাকিবের কাণ্ড - মারুফ রেহমান
- বিড়ালের বন্ধুত্ব - রূপান্তর : আবুল বাসার
- গণেশ চ্যাটার্জি আর তার কালো কুকুর - নাফে মোহাম্মদ এনাম
- শিউ-পিউর বন্ধু তানতুলু - নূর সিদ্দিকী
- মেছোভূত - ইকবাল খন্দকার
- অ্যারোসল ভূত - শাকিল ফারুক
- পাঠশালা - আহমেদ রিয়াজ
- যুদ্ধের গল্প - ফরহাদ সাফায়েতুল কবীর
- বোকাতু - আরিফ হাসান
- রূপকথার ইলিশ - অর্জিতা মাধুর্য
- সীনের বাবা সীনের মা - আহমেদ রিয়াজ
- চাঁদ - পান্থ বিহোস
- মায়ের ভাষা - মুহাম্মদ মুনতাসির আলী
- জিন্নাহ'র না জানা গল্প - আহমেদ রিয়াজ
- ঘুম পাহাড়ের আজব পাখি - আ হ মে দ ফা রু ক
- উপহাস - আহমেদ রিয়াজ
-
ড্রাগনের যম ইভান -
মূল : ভ্লাদিমির বাইকো
অনুবাদ: হাসান খুরশীদ রুমি - টিনা আপুর জাদুর কাঠি - এনায়েত রসুল
- তারা পড়তে দেখলে - ধ্রুব এষ
- বাঘ-সিংহের গল্প - আহমেদ রিয়াজ
-
লুকোচুরি -
নিকোলাই নসভ
অনুবাদ: হাসান খুরশীদ রুমী - রহস্যময় কিশোর যোদ্ধা - আহমেদ রিয়াজ
- অদ্ভূতুড়ে কিন্তু ভূতুড়ে নয় - বিজয় মজুমদার
- তিন ভূতুড়ে - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- মরগানস উডসের ভূত - অনীশ দাস অপু
- মহাকাশে সু ভূতের অভিযান - বিধান রিবেরু
- জামাটা কোথায় গেল - আহমেদ রিয়াজ
- মি. হাকলি - নূর সিদ্দিকী
- বুলেট ভাইয়ের হাইজাম্প - মোস্তফা মামুন
-
একা কবরস্থানে -
মূল : অ্যালভিন শোয়ার্জ
অনুবাদ : হাসান খুরশীদ রুমী - তৈল মর্দন - সজ্জাদ কবীর
- ঝিন্টু - মানিক চন্দ্র দাস
- রবীন-মাহিনের মুক্তি... - আহসান হাবীব
- মামার ঘড়ি - পান্থ বিহোস
- তৃষার ভালো লাগা - এনায়েত রসুল
- খরগোশের টাকা চাষ - ভাষান্তর- মৃত্যুঞ্জয় রায়
- ঈদের চাঁদ - আশীষ চক্রবর্ত্তী
-
স্টোরিটেলার -
নিকোলাই নসভ
রূপান্তর : হাসান খুরশীদ রুমী - একটা গাছের চারা - আশরাফুল আলম পিনটু
- পাহাড় যখন সরে যায় - আমীরুল ইসলাম
- ঝিম দুপুরের গল্প - শাকিল ফারুক
- জেলে আর সোনার মাছ - রহীম শাহ
- কুয়োর ব্যাঙের সমুদ্র যাত্রা - বিজয় মজুমদার
- পুতুল - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
-
হানাবাড়ির উন্মাদ -
মূল : ইলেন এ. কিউল
অনুবাদ : অনীশ দাস অপু - চ্যালেঞ্জ! - রকিব হাসান
- রাজা এলেন - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- চুরি বিদ্যা বড়ো বিদ্যা - মোস্তফা মামুন
- আসলে কী ঘটেছিল - ইমদাদুল হক মিলন
- শিয়াল রাজার সাজা - এনায়েত রসুল
- রূপোলি রেণু - আলী ইমাম
- প্যালিনড্রোমিক ফর্ক... - আহসান হাবীব
- ঘড়ি উদ্ধার - আহমেদ রিয়াজ
- অপু আর তপু - আশরাফুল আলম পিন্টু
- সাদা মেঘ ও কাশফুলেরা - আহমেদ রিয়াজ
- মনের ভয় - ফাতেমা ফেরদৌস (পিংকি)
- চাঁদের বন্ধু খরগোশ - রেহানা পারভীন রুমা
- দুষ্টু টুলু - এনায়েত রসুল
- রেডিও - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- ঠাকুরমার ঝুলি এবং ইবু - আহমেদ ফারুক
- আষাঢ়ে হাতি ও রাজার গল্প - আহমেদ রিয়াজ
- সুন্দর - মঈনুল আহসান সাবের
-
ছোট্ট তুষারমানব -
কোরিয়ার রূপকথা
রূপান্তর : মো. গোলাম রহমান - ঘুপুর বন্ধু টুনু আর চি - এনায়েত রসুল
- এটা আমার বাবার গল্প, মায়েরও - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- চাষা ও তার গরু - আহমেদ রিয়াজ
- সহকারী গোয়েন্দা - মোস্তফা মামুন
- লাল বেলুন - আমীরুল ইসলাম
- ডান-বাম - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
-
শেষ যাত্রা -
মূল : কার্ল জ্যাকবি
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু - লিটুর ঘুম আসে না - মোস্তফা মামুন
- ভূতটা খোলা মাঠে একা শুয়ে আছে - আহমেদ রিয়াজ
- কিসমতের বিচার - হুমায়ূন কবীর ঢালী
- নিপুর আশ্রয় - এনায়েত রসুল
- দুই ভূতের কান্ড - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
কান্নার দাগ -
আফ্রিকার রূপকথা
রূপান্তর : আবুল বাসার - নূরী ও পরী - আহমেদ রিয়াজ
-
প্রকৃতি কন্যার দোলনা ঘর -
শোহেইল মতাহির চৌধুরী
- ছোট্ট জাদু-নুড়ি - আমীরুল ইসলাম
- জাদুর আয়না - রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- বিন্নির খুশি - এনায়েত রসুল
- ঘুম পাহাড়ের আজব পাখি - আহমেদ ফারুক







