মূল : ভ্লাদিমির বাইকো
অনুবাদ: হাসান খুরশীদ রুমি
ইউক্রেনের লোক কথা
অনেক অনেক কাল আগের কথা। ভয়ঙ্কর এক ড্রাগন এক গ্রামে হানা দিয়ে একে একে সকলকেই খেয়ে ফেলল। শেষে একদিন দেখা গেল এক বুড়ো ছাড়া আর কেউ বেঁচে নেই।
ড্রাগন নিজেকে বলল, “একে আমি আগামীকাল সকালের নাস্তায় খাব।”
ঠিক এই সময় এক গরীব ছেলে গ্রামের ভিতর দিয়ে যাচ্ছিল। সে গিয়ে সেই বুড়োর কুড়ের দরজায় টোকা দিল আর বলল রাতটা কাটাতে চায় তারে কুড়েঘরে।
“তোমার কি জীবনের ওপর বিরক্ত লেগে গেল নাকি?”, বুড়ো তাকে জিজ্ঞেস করল।
“এমন কথা বলছ কেন?”, ছেলেটা জিজ্ঞস করল।
বুড়ো তখন ড্রাগনের কথা বলল যে, গ্রামের সবাইকে খেয়ে ফেলেছে, সেই শুধু বাকি আছে। আগামীকাল তাকেও খেয়ে ফেলবে।
সব শুনে ছেলেটা বলল, “সে তোমাকে খেতে পারবেনা, গলায় আটকে যাবে!”
পরদিন সকালে ড্রাগন গ্রামে ফিরে এল। বলল, “বাহ বেশ! গতকাল রেখে গেলাম একজন, আজ হয়ে গেল দুইজন!”
“সাবধান, গলায় আটকে মরো না আবার!”, ছেলেটা বলল।
ড্রাগন তার দিকে আশ্চর্য হয়ে তাকাল। “তার মানে, আমার চেয়ে তুমি নিজেকে বেশি শক্তিশালী মনে করো নাকি?”, ড্রাগন জিজ্ঞেস করল।
“আমি মনে করছি না, আমি তাই-ই !”
“তুমি - শক্তিশালী ? বিশ্বাস হচ্ছে না। আমার শক্তি দেখ !”
একটা পাথর তুলে ড্রাগন সেটাকে এমন চাপ দিল যে একেবারে গুঁড়োগুঁড়ো হয়ে ধুলো হয়ে মিলিয়ে গেল।
“ও তেমন কিছু না !”, ছেলেটা বলল। “এমন করে চাপ দাও যাতে ওটা থেকে পানি বের হয়।”
বলেই সে একটা পনির তুলে নিল, যা কাপড় দিয়ে পেঁচান রয়েছে শুকানোর জন্য। ওটা
একটা পাথর এমন ভাব করে সে চাপ দিতে লাগল। আর তারপরই ওটা থেকে যেন পানি
বেরিয়ে আসতে লাগল।
“এইভাবেই চাপতে হয়!”, বলল ছেলেটা।
“হ্যাঁ, বুঝতে পারছি তুমি আমার চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী !”, ড্রাগন বলল। “চল আমরা বন্ধু হয়ে যাই।”
“ঠিক আছে, তুমি যখন বলছ !”, ওরা ড্রাগনের জন্য ঘর বানাল। ড্রাগন তাকে তার নাম জিজ্ঞেস করল।
“সবাই আমাকে ইভান দি ড্রাগন কিলার নামে ডাকে!”, ছেলেটা জবাবে বলল।
এই কথাটা শুনে ড্রাগন ভয় পেয়ে গেল। “ও আবার না আমাকে মেরে ফেলে! ভাবল সে।
খাবারের সময় ড্রাগন বলল, “ইভান, যাও রান্নার জন্য একটা ষাঁড় ধরে নিয়ে এস!”
ইভান ষাঁড় আনতে গেল, পালের ষাঁড়গুলোর লেজে লেজে বাঁধতে শুরু করল সে।
ড্রাগন ধৈর্য্য ধরে অপেক্ষা করতে লাগল, শেষ পর্যন্ত নিজেই গেল ব্যাপারটা দেখতে।
“কী করছ, ইভান?”, জিজ্ঞেস করল সে।
“আমি একটা ষাঁড় নিয়ে যাব না। সবচাইতে সুবিধে হবে একসঙ্গে সবগুলো ষাঁড় নিয়ে যেতে পারলে!”, জবাবে ইভান বলল।
“তোমার প্লেগ হোক! এভাবে তো তুমি আমার পুরো পালটাকে শেষ করে দিবে দেখছি!”
একটা ষাঁড় মেরে, ওটার চামড়া চড়িয়ে ওটাকে টেনে হিচঁড়ে বাসায় নিয়ে গেল।
চামড়াটা ইভানকে দিয়ে বলল, “এই যে চামড়াটা নাও আর পানি ভর্তি করে নিয়ে এস!”
ইভান চামড়টা নিয়ে কোনো রকমে টেনে নিয়ে গেল। একটা কুয়োয় ওটা ফেলল, কিন্তু
ওটা আর তুলতে পারল না। শেষে একটা কোদাল বানাল সে। তারপর কুয়োর চারধারের
মাটি খুঁড়ে তুলতে লাগল।
ওদিকে ড্রাগন কী ঘটছে দেখার জন্য ছুটে এল।
“কী করছ, ইভান ?”, জিজ্ঞেস করল সে।
“আমি চামড়ায় করে পানি নিতে চাইছি না। কুয়োটাই তুলে নিয়ে যাই তাহলে ঝামেলা কম হয় !”
“প্লেগ হোক তোমার !” ড্রাগন চেঁচিয়ে বলল। ইভানের শক্তির কথা ভেবে ভয় পেয়েছে সে, নিজেই চামড়ায় পানি ভরে নিয়ে গেল।
“যাও, কিছু শুকনো কাঠ নিয়ে এস।” ইভানকে বলল সে। “একটা শুকনো ওক গাছ উপড়ে নিও, তাতেই হবে।”
ইভান রাগ করার ভান করল।
“আমি না ! আমি একটা ওক গাছ নিয়ে মাথা ঘামাতে চাই না!” বলল সে। “অন্তত বিশটি ওক গাছ তুলে আনতে বল আমাকে।”
ড্রাগন রান্না করে গিলতে শুরু করে দিল, কিন্তু ইভান, খেল না। খেলে ড্রাগন
দেখবে সে কম খাচ্ছে। তখনই বুঝে ফেলবে ওর গায়ে জোর নেই। যখন ড্রাগন
বেশিরভাগ খাবার খেয়ে ফেলল, বলতে গেলে তেমন খাবার ছিল না, তখন ছেলেটা খেতে
বসল। মাত্র কয়েক চামচ খাবার ছিল, তাই খেতে বসল ও টেবিলে। চামচ দিয়ে খেল।
“পেট ভরল না !”, বলল সে।
“চল আমার মায়ের কাছে, সে আমাদের জন্য কিছু পিঠা বানিয়ে দিবে !”, ড্রাগন বলল।
“চল !”, বলল ইভান। মনে মনে সে ভাবল, “এবার আমি শেষ !”
ওরা ড্রাগনের মায়ের বাসায়, বিশ ব্যারেল পিঠা খাওয়ার জন্য দাঁড়িয়ে রইল।
ইভান এবং ড্রাগন টেবিলে বসল খেতে। ড্রাগন একের পর এক পিঠা গিলতে লাগল,
ইভান ভান করল পিঠা খাওয়ার। সে তার জামার আস্তিন এবং পকেটে ঢোকাতে লাগল।
বিশ ব্যারেল পিঠা দ্রুত সাবাড় হয়ে গেল। ড্রাগন খাওয়া শেষে উঠে দাঁড়িয়ে
বলল, “চল পাথর চিপে দেখি কে কত শক্তিশালী।
“চল !” ইভান বলল। মাঠে একটা পাথর পেল ওরা, ড্রাগন ওটাকে এমন এক চাপ দিল যে ধুলো হয়ে উড়ে গেল।
“এ্যাঁ! আর এমন কি!”, ইভান বলল। “তুমি এমনভাবে চাপ দাও যাতে পানি বের হয়।”
সে একটা পাথর তুলে নিয়ে শক্ত করে চেপে ধরে চাপ দিল, এর ফলে জামার ভেতরে রাখা পিঠাগুলো থেকে রস বের হতে থাকল।
“দেখ ? এইভাবে করতে হবে!”, বলল ইভান।
ড্রাগন ভয় পেল ব্যাপারটা দেখে।
“ঠিক আছে, ইভান, চল দেখি কে কত জোরে শিস দিতে পারে!”, বলল ড্রাগন। সে এত জোরে শিস দিল যে গাছ নুইয়ে পড়ল মাটিতে।
“এবার আমি কি করব ?”, ইভান নিজেকে প্রশ্ন করল। এদিক ওদিক তাকায় সে, দেখল
এক টুকরো লোহা পড়ে আছে। বলল, “চোখ বন্ধ করো, ড্রাগন, আমি এত জোরে শিস দিব
যে তোমার চোখ উপড়ে আসবে !”
ড্রাগন চোখ বন্ধ করল। ইভান লোহাটা তুলে নিয়ে এমন আঘাত করল ড্রাগনকে যে চোখ মুখ কুঁচকে গেল ব্যাথায়।
তুমি ঠিক বলেছ, আমার চোখ সত্যি সত্যি উপরে আসছিল!”, ড্রাগন বলল।
এত ভয় পেল সে যে ইভানের সঙ্গে এক জায়গায় থাকতে ভয় পেল। তাই সে গ্রামের
আরেক কোনায় ইভানের জন্য একটা ঘর বানিয়ে দিল। তারপর ড্রাগন মা এবং ড্রাগন
মাথা ঘামাতে লাগল কী করে ইভানকে মেরে ফেলা যায়।
“ওর বাড়িসহ ওকে পুড়িয়ে মেরে ফেলি !”, বলল ওরা।
কিন্তু ইভান ওদের আলাপ শুনে ফেলল এবং ঘরে বাইরে লুকিয়ে থাকল।
ওরা ইভানের বাড়ি পুড়িয়ে ফেলল, এক সময় সে ওর বাড়ির জায়গায় এসে দাঁড়াল। ওখানে দাঁড়িয়ে সে গা ঝাড়তে লাগল যেন ছাই ঝাড়ছে সে।
ড্রাগন এসে দেখল ওকে এবং হতভম্ব হয়ে গেল।
“তুমি বেঁচে আছ, ইভান !”, চেঁচিয়ে বলল ড্রাগন।
“কেন বাঁচব না !”, ইভান বলল। “তবে রাতে আরাম পাচ্ছিলাম না, খালি মনে হচ্ছিল মাছি কামড়াচ্ছে আমাকে।”
“ইভানের কাছ থেকে আমার সরে পড়াটাই ভালো, যাকে আগুন কিছু করতে পারেনি, ওরে
বাপরে !” ড্রাগন নিজে নিজে বলল। এই ভেবে সে এলাকা ছেড়ে চলে, আর কখনোই দেখা
যায় নি।
ইভান দ্য ড্রাগন কিলার। মূল রুশ থেকে ইংরেজিতে অনুবাদঃ ইরিনা ঝালেজনোভা
বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম/হাসান খুরশীদ রুমী/এবি/ জানুয়ারি ২০০৯
- বাবা - হুমায়ূন কবীর ঢালী
- হেস্কু - মাহফুজুর রহমান
- বুদ্ধি - সাদিয়া ইসলাম বৃষ্টি
- নজরুল ও জুটুর গল্প - রহীম শাহ
- মেয়েটি মাকড়সা হয়ে গেল - কাজী কেয়া
- কাজলকাকা ভূত নয় - ইমতিয়ার শামীম
- অর্পণের মা - আলী হাবিব
- রাশিয়ান রূপকথা: ধপাস ভালুক - রহীম শাহ
- মুখোশ রহস্য - আহমেদ রিয়াজ
- মুরগী ছানা তিতি - আরিফুন নেছা সুখী
- অহংকারী রাজকন্যা - বিএম বরকতউল্লাহ
- পুতুল ভূত - রানা জামান
- রাখাল ও জাদুর আম গাছ - হুমায়ুন কবীর ঢালী
- দুষ্টু ছানাদের গল্প - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- তুতুন - আল নাহিয়ান
- সাইকেল বাবু - লিটন মহন্ত
- রূপকথা নীল পূর্ণিমার সোমেশ্বরী - রবীন ভাবুক
- পরীরাণী - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- সাদাসোনা মেঘ, নীল ঘুড়ি আর খোলা মাঠে একা ছেলেটা - নূর সিদ্দিকী
- অন্ধকারের এক রহস্যমানুষ আর রাজহাঁস - মিন্টু হোসেন
- চকোলেট দৌড় - সোহানা রহমান
- স্কুলপড়ুয়া পাখি, প্রজাপতি আর ছড়া - মেহেরুবা নিশা
- গরুর ঘায়ে! - আহমেদ রিয়াজ
-
ঝুমি ও একটি কুকুর -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
উপন্যাস: পিশাচ-কন্যা -
সামান্থা লি
রূপান্তর: অনীশ দাস অপু - অক্স ও বুল (সায়েন্স ফিকশন গল্প) - আবুল কালাম আজাদ
- আমি ভূত - সোহানা রহমান
- সবুজ মাঠ - শিবলী নোমান
- মন্দ মানুষ - চন্দন চৌধুরী
- ঈদে মুক্তির আনন্দ - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- জোনাকিদের গ্রহে ভয়েজার ১ - মিন্টু হোসেন
- তর্ক-বিতর্ক - পাভেল মহিতুল আলম
- খরচি মামার সাইকেল - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
- লাল জামা - বিএম বরকতউল্লাহ্
- আমার বন্ধু ডোরেমন - আহমেদ রিয়াজ
-
অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস অজানা দ্বীপে অভিযান -
মূল : এডগার অ্যালান পো
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- ঢেউয়ের বন্ধুরা - নূর সিদ্দিকী
- ভাষা - জাহিদুল আলম
- বর্ণান্ধ - মারিয়া হোসেন
- ভূতের সঙ্গে আড়ি - মুহসীন মোসাদ্দেক
- নরহরি দাস - উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
- কাকদের পুরীষ উৎসব! - মহিউদ্দীন আহ্মেদ
- সে সত্যিই ছিল একটা বাচ্চা পরি - মেহেরুবা নিশা
-
মেঘকন্যা আর টুনটুনিছানা -
বিএম বরকতউল্লাহ্
- নবম মাত্রার গোবট - ধ্রুব নীল
-
পরী এবং পরিবেশ -
মাহাবুবুল হাসান নীরু
- দুঃখী বুড়ি ও নেংটি ইঁদুর - বিএম বরকতউল্লাহ্
- ভালো 'মন খারাপ' - চন্দন চৌধুরী
- রকির চাওয়া - জুবায়ের হুসাইন
- মৌমাছি ও কাঠুরিয়া - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- ফিরে দেখা - রবীন ভাবুক
- মতির মাথায় গাব - ধ্রুব নীল
- প্রজাপতি হবো - এনায়েত রসুল
- চাঁদনি-হালুয়া - সঞ্চারিণী
- জলে কোলাহল - চন্দন চৌধুরী
- এক টুকরো মেঘ ও দুঃখী গাছ - বিএম বরকতউল্লাহ
- আমার রোবট 'রবি' - মোঃ মিন্টু হোসেন
- কত আটায় কত রুটি - আবুল কালাম আজাদ
- আংটি - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- শহরে একদিন - আহমেদ রিয়াজ
- পল্টুর বন্ধু - আহসান হাবীব
-
হরর গল্প -
মিস্ট্রেস স্যারি মূল : উইলিয়াম টেন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- নিলেশের অন্য ভূবন - আফরোজা অদিতি
- ভাষার খোঁজে নেপালে - সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ
- গিফট - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- ভূত শিকার - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
-
ডানাকাটা পাখি ও সীম বীজ -
চন্দন চৌধুরী
- গোয়েন্দা মেনু'দা - রবীন ভাবুক
- তিনা আর লাল গোলাপ - আফরোজা অদিতি
- পরীটি কি জাদু জানে - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- আরকনির রুমাল - মোঃ মিন্টু হোসেন
- পুষ্পিতার ঈদ - আফরোজা আদিতি
- হাতির ডিম - আহমেদ রিয়াজ
- কঙ্ক - শুভ অংকুর
- বিন্নির খুশি - এনায়েত রসুল
- প্রান্ত ও তার এ্যাডনোক্সিয়ান বন্ধু (সায়েন্স ফিকশান) - আবুল কালাম আজাদ
- এক যে ছিলো রাসেল - বেবী মওদুদ
- আতঙ্কের প্রহর [রহস্য গল্প] - অনীশ দাস অপু
- ঈদ শপিং - আহসান হাবীব
- উপন্যাস- আলিবাবা ও চালিচার - শিবব্রত বর্মন
- মৌমাছি - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
- সূত্রধর স্যার - জাহিদুল আলম
-
কোনো এক অমাবস্যার রাতে -
আহমেদ রিয়াজ
- বিজ্ঞানী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গড়ে আটকা এক নেকড়ে - মোঃ মিন্টু হোসেন
- প্রজাপতি - এনায়েত রসুল
- পরী এসেছিল - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- বিচ্ছু ভাগনের কাণ্ড - জাহিদুল আলম
- নিশান আর ব্ল্যাকহোল - আফরোজা অদিতি
- পরীর বন্ধু অহনা - এনায়েত রসুল
-
স্যারের বিপদ -
জাহিদুল আলম
-
নতুন স্যার -
আবুল কালাম আজাদ
-
মিকাই-এর বাঘের ছানা -
মিন্টু হোসেন
-
আলুভর্তা -
জান্নি রোদারি
অনুবাদ: জামিল বিন সিদ্দিক -
বেকার আয়না -
জাহিদুল আলম
-
একদিন রাতে ধবধবে বিড়ালটা -
আহমেদ রিয়াজ
- অবাক বইপাঠ - মুনির রানা
- জোকার - শিবব্রত বর্মন
- ইঁদুরের ভোজ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ভৌতিকবাড়ি - অনীশ দাস অপু
- মেলায় মাঠে পিউস - আফরোজা অদিতি
-
মিস্ট্রেস স্যারি -
মূল : উইলিয়াম টেন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
ভয়ঙ্কর এক লোক -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
তেরো তলা -
মূল : ডন উলফসনে
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
টুঙ্গিপাড়ার খোকা -
বেবী মওদুদ
-
রাতের আতঙ্ক -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
বৃক্ষপরী টিয়া -
আফরোজা অদিতি
-
গেকো -
অনীশ দাস অপু
-
ময়না -
আফরোজা অদিতি
-
রাজকন্যা মাঈশা আর বলঢাঁশের গল্প -
আশরাফুল ইসলাম সাগর
-
শেয়াল দেবতার প্রতিহিংসা -
মূল : রবার্ট ব্লচ
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু - ফার্স্ট হওয়ার ঝামেলা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- শূন্যে ডানা মেলে - এনায়েত রসুল
-
একটু উষ্ণতার জন্য -
মূল : হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান এন্ডারসন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
শামন্তীর শীতবেলা -
মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
রাতের অতিথি -
আহমেদ রিয়াজ
- চৈতি আপু - ইমদাদুল হক মিলন
- তেতুল গাছ - আহসান হাবীব
- টুশির গল্প - বেবী মওদুদ
- চড়ুই পাখিদের ঘরের ঘটনা - ধ্রুব এষ
- বিলাই মা বিলাই ছা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- এক শিশি আলতা - এনায়েত রসুল
- কুলরাজা কুলরাণী - শাশ্বত ভট্টাচার্য
- ছায়ার মানুষ - আহমেদ রিয়াজ
- আলতা কন্যার জন্মদিন - মারুফ রেহমান।
- লেজ উঁচিয়ে - আহমেদ রিয়াজ
- ভৌতিক গল্প : থাবা - অনীশ দাস অপু
- রাজার ঈগল পাখি (কম্বোডিয়ার লোককাহিনী) - অনুবাদ: মৃত্যুঞ্জয় রায়
- আকাশ ছুঁয়ে উড়বো - এনায়েত রসুল
- আবু আর বাবু - বেবী মওদুদ
-
ভূতুড়ে বানর -
মূল : স্টিফেন কিং
অনুবাদ : অনীশ দাস অপু - কার ছবি - ইমদাদুল হক মিলন
- ঝন্টু মন্টুর দাদি - আহসান হাবীব
- সন্ধ্যার বিচিত্র ঘটনা - ধ্রুব এষ
-
তিন রাজপুত্র -
অনুবাদ : শিবব্রত বর্মন
মূল গল্প: আইজাক আসিমভ - নওরিনের স্কুল - এনায়েত রসুল
- বংশী নদীর ঘটনা - হামিদ কায়সার
- মাকড়সার চন্দ্র ভ্রমণ - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- ইঁদুর সাহেবার হলিডে - মিজানুর খান
- জাদুর ঢোল - আহমেদ রিয়াজ
- ক্যামডেন কিলার - অনীশ দাস অপু
- পরীর দেশে - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- পিঁপড়ে যখন হাতির বন্ধু - আহমেদ রিয়াজ
- সাগর পরী - মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
বৃষ্টি তুমি এসো না -
অনীশ দাশ অপু
মূল রচনা: আইজাক আসিমভ - ঝমঝমে আষাঢ়ে - আহমেদ রিয়াজ
-
ভৌতিক হাত -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প: কার্ল জ্যাকবির ‘দ্য হ্যান্ড’ -
বাবার জন্য ভালোবাসা -
মুহাম্মদ নাহিয়ান বিন খালেদ
- সেন্টমার্টিনে বাবার সাথে - জারিন তাসনিম অতসী
-
ভৌতিক ঘুড়ি -
অনীশ দাস অপু
মূল: কার্ল জ্যাকবি’র ‘দ্যা কাইট’ - ফুটবল প্রেমিক - রাশেদ শাওন
- ঘটনাটা সত্য - এনায়েত রসুল
- ভুতুড়ে বাড়ি - অনীশ দাস অপু
- ইচ্ছাপূরণ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- মায়ের কাছে ফেরা - বেবী মওদুদ
- স্বপ্ন - শিবব্রত বর্মন
- মেলায় যাবো - এনায়েত রসুল
- কুমড়ো দানব - অনীশ দাস অপু
- আসলে ছবিটা মেঘের - ধ্রুব এষ
- কাশেম আলী গরু চরাতো - আনিসুল হক
-
অদৃশ্য শত্রু -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প : ফিলিপ কে. ডিক - জাদুকর - সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল
-
জানের দুশমন -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প : হেনরি কুটনার - ভালোবাসার সবুজ গাছ - ইমরুল ইউসুফ
- বড়দিনের রাতে - অনীশ দাস অপু
- দেহহীন - শিবব্রত বর্মন
- নীলুর নীল চশমা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- রহস্যভেদী - রকিব হাসান
- দুষ্টু বিড়াল - অনীশ দাস অপু
- অপেক্ষা - মোস্তফা মামুন
- ঈশানপুরের অপুর কান্ড - সুমন কায়সার
- রাজা যখন গাছে - আহমেদ রিয়াজ
- অন্যরকম ভালোলাগা - শুভ অংকুর
- পৃথিবীর জন্য ভালোবাসা (সায়েন্স ফিকশন) - শুভ অংকুর
- কিং মিঠু - মোস্তফা মামুন
- প্রেতাত্মা - অনীশ দাস অপু
- রোবট - আনিসুল হক
- চতুর্দশতম/চৌদ্দ - নঈম তারিক
- জিকুর স্বপ্ন - আহসান হাবীব
- চোর - রকিব হাসান
- ছায়াহীন - শিবব্রত বর্মন
- ঈদের আগের রাত - মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
মেরু ভালুকদের রাজা -
মূল : ফ্রাঙ্ক বাউম
ভাষান্তর : বিদ্যুত - গাধার টুপি - আহমেদ ফারুক
- আলসে বালক আর গরুর গল্প - মো. গোলাম রহমান
- অতি চালাকির সাজা! - এনায়েত রসুল
- মাছরাঙা আর রূপোর চামুচ - মোস্তফা হোসেইন
- হাবা রাকিবের কাণ্ড - মারুফ রেহমান
- বিড়ালের বন্ধুত্ব - রূপান্তর : আবুল বাসার
- গণেশ চ্যাটার্জি আর তার কালো কুকুর - নাফে মোহাম্মদ এনাম
- শিউ-পিউর বন্ধু তানতুলু - নূর সিদ্দিকী
- মেছোভূত - ইকবাল খন্দকার
- অ্যারোসল ভূত - শাকিল ফারুক
- পাঠশালা - আহমেদ রিয়াজ
- যুদ্ধের গল্প - ফরহাদ সাফায়েতুল কবীর
- বোকাতু - আরিফ হাসান
- রূপকথার ইলিশ - অর্জিতা মাধুর্য
- সীনের বাবা সীনের মা - আহমেদ রিয়াজ
- চাঁদ - পান্থ বিহোস
- মায়ের ভাষা - মুহাম্মদ মুনতাসির আলী
- জিন্নাহ'র না জানা গল্প - আহমেদ রিয়াজ
- ঘুম পাহাড়ের আজব পাখি - আ হ মে দ ফা রু ক
- উপহাস - আহমেদ রিয়াজ
-
ড্রাগনের যম ইভান -
মূল : ভ্লাদিমির বাইকো
অনুবাদ: হাসান খুরশীদ রুমি - টিনা আপুর জাদুর কাঠি - এনায়েত রসুল
- তারা পড়তে দেখলে - ধ্রুব এষ
- বাঘ-সিংহের গল্প - আহমেদ রিয়াজ
-
লুকোচুরি -
নিকোলাই নসভ
অনুবাদ: হাসান খুরশীদ রুমী - রহস্যময় কিশোর যোদ্ধা - আহমেদ রিয়াজ
- অদ্ভূতুড়ে কিন্তু ভূতুড়ে নয় - বিজয় মজুমদার
- তিন ভূতুড়ে - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- মরগানস উডসের ভূত - অনীশ দাস অপু
- মহাকাশে সু ভূতের অভিযান - বিধান রিবেরু
- জামাটা কোথায় গেল - আহমেদ রিয়াজ
- মি. হাকলি - নূর সিদ্দিকী
- বুলেট ভাইয়ের হাইজাম্প - মোস্তফা মামুন
-
একা কবরস্থানে -
মূল : অ্যালভিন শোয়ার্জ
অনুবাদ : হাসান খুরশীদ রুমী - তৈল মর্দন - সজ্জাদ কবীর
- ঝিন্টু - মানিক চন্দ্র দাস
- রবীন-মাহিনের মুক্তি... - আহসান হাবীব
- মামার ঘড়ি - পান্থ বিহোস
- তৃষার ভালো লাগা - এনায়েত রসুল
- খরগোশের টাকা চাষ - ভাষান্তর- মৃত্যুঞ্জয় রায়
- ঈদের চাঁদ - আশীষ চক্রবর্ত্তী
-
স্টোরিটেলার -
নিকোলাই নসভ
রূপান্তর : হাসান খুরশীদ রুমী - একটা গাছের চারা - আশরাফুল আলম পিনটু
- পাহাড় যখন সরে যায় - আমীরুল ইসলাম
- ঝিম দুপুরের গল্প - শাকিল ফারুক
- জেলে আর সোনার মাছ - রহীম শাহ
- কুয়োর ব্যাঙের সমুদ্র যাত্রা - বিজয় মজুমদার
- পুতুল - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
-
হানাবাড়ির উন্মাদ -
মূল : ইলেন এ. কিউল
অনুবাদ : অনীশ দাস অপু - চ্যালেঞ্জ! - রকিব হাসান
- রাজা এলেন - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- চুরি বিদ্যা বড়ো বিদ্যা - মোস্তফা মামুন
- আসলে কী ঘটেছিল - ইমদাদুল হক মিলন
- শিয়াল রাজার সাজা - এনায়েত রসুল
- রূপোলি রেণু - আলী ইমাম
- প্যালিনড্রোমিক ফর্ক... - আহসান হাবীব
- ঘড়ি উদ্ধার - আহমেদ রিয়াজ
- অপু আর তপু - আশরাফুল আলম পিন্টু
- সাদা মেঘ ও কাশফুলেরা - আহমেদ রিয়াজ
- মনের ভয় - ফাতেমা ফেরদৌস (পিংকি)
- চাঁদের বন্ধু খরগোশ - রেহানা পারভীন রুমা
- দুষ্টু টুলু - এনায়েত রসুল
- রেডিও - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- ঠাকুরমার ঝুলি এবং ইবু - আহমেদ ফারুক
- আষাঢ়ে হাতি ও রাজার গল্প - আহমেদ রিয়াজ
- সুন্দর - মঈনুল আহসান সাবের
-
ছোট্ট তুষারমানব -
কোরিয়ার রূপকথা
রূপান্তর : মো. গোলাম রহমান - ঘুপুর বন্ধু টুনু আর চি - এনায়েত রসুল
- এটা আমার বাবার গল্প, মায়েরও - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- চাষা ও তার গরু - আহমেদ রিয়াজ
- সহকারী গোয়েন্দা - মোস্তফা মামুন
- লাল বেলুন - আমীরুল ইসলাম
- ডান-বাম - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
-
শেষ যাত্রা -
মূল : কার্ল জ্যাকবি
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু - লিটুর ঘুম আসে না - মোস্তফা মামুন
- ভূতটা খোলা মাঠে একা শুয়ে আছে - আহমেদ রিয়াজ
- কিসমতের বিচার - হুমায়ূন কবীর ঢালী
- নিপুর আশ্রয় - এনায়েত রসুল
- দুই ভূতের কান্ড - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
কান্নার দাগ -
আফ্রিকার রূপকথা
রূপান্তর : আবুল বাসার - নূরী ও পরী - আহমেদ রিয়াজ
-
প্রকৃতি কন্যার দোলনা ঘর -
শোহেইল মতাহির চৌধুরী
- ছোট্ট জাদু-নুড়ি - আমীরুল ইসলাম
- জাদুর আয়না - রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- বিন্নির খুশি - এনায়েত রসুল
- ঘুম পাহাড়ের আজব পাখি - আহমেদ ফারুক







