আহমেদ রিয়াজ
গাধুর খুব মন খারাপ। বাবা ওকে ডানে যেতে বললে বামে যায়। মা বামে যেতে বললে ডানে যায়। কেন যে যায়, নিজেও জানে না। কেবলই উল্টো কাজ করে। গাধুটাকে নিয়ে মায়ের যেমন দুঃখ। বাবারও। বাবা মাকে বললেন, নিশ্চয়ই তুমি ছোটবেলায় ওর মতো ছিলে। তোমাকে ডানে যেতে বললে বামে যেতে।
গাধাও মা-ও কম যায় না। তারস্বরে চেঁচিয়ে বললেন, তুমি মনে হয় খুব কথা শুনতে। তুমিও তো ছোটবেলায় বামে যেতে বললে ডানে যেতে। যেতে না?
বাবা গাধা বললেন, কে বলেছে তোমাকে?
মা গাধা বললেন, আমি জানি।
বাবা গাধা বললেন, কেমন করে জানো?
মা গাধা বললেন, আমাদের গাধুটাকে দেখলেই বোঝা যায়। ও ঠিক তোমার মতো হয়েছে।
বাবা গাধা একটা কাশি দিয়ে বললেন, সে যাক। নিজেদের ছোটবেলা নিয়ে এই বয়সে
এসে ঝগড়াঝাটি করে লাভ নেই। তারচেয়ে আমাদের গাধুটাকে কীভাবে ঠিকঠাক মতো
চালানো যায়, সেটাই ভাবি।
মা গাধা বললেন, রক্তের ডাক এড়ানো যায় না। ওর রক্তের মধ্যেই মিশে আছে গাধামি। ও গাধাই হবে।
বাবা গাধা বললেন, তোমার কথা ঠিক নয়। শুনেছি ঠিক মতো লেখা পড়া করলে নাকি গাধাও ঠিক হয়ে যায়।
মা গাধা অবাক হয়ে বললেন, সত্যি!
বাবা গাধা বললেন, তবে আর বলছি কী! একেবারেই ঠিক কথা।
মা গাধা বললেন, কিন্তু গাধাদের লেখাপড়া করার জায়গা কোথায়? গাধাদের জন্য তো আর স্কুল নেই। আছে?
বাবা গাধা বললেন, নেই কে বলল। আছে। মানুষের স্কুলেই গাধাদের জন্য আলাদা বসার জায়গা আছে।
মা গাধা বললেন, কী যা তা বলছ। মানুষের স্কুলে গাধাদের কি ঢুকতে দেয়?
বাবা গাধা বললেন, দেয়। একদিন আমি নিজের কানেই শুনেছি। এক টিচার তার এক
ছাত্রকে চেঁচিয়ে বলছেন গাধা কোথাকার! কাকে গাধা বলেছে টিচার জানো?
মা গাধা অবাক হয়ে বললেন, কাকে?
বাবা গাধা বললেন, কাকে বলেছে তা-ও বুঝতে পারোনি? আসলেই তুমি একটা গাধি।
ব্যস। ওতেই রেগে গেলেন মা গাধা। আবারও তারস্বরে চেঁচিয়ে বললেন, শোনো গাধি
হয়ে জন্মেছি বলে বার বার মনে করিয়ে দিও না। তুমি গাধা হয়ে জন্মেছ বলেই আমি
গাধি হয়ে জন্মেছি। তুমি আর আমি সমান। বুঝেছ? তুমি নিজেই তো একটা গাধা।
আমাদের গাধু তো এজন্যই এখনও গাধা রয়ে গেল।
বাবা গাধা বললেন, তুমিও তো বার বার নিজের দোষ ঢাকার জন্য আমার ছোটবেলা
টেনে আনছ। ছোটবেলায় আমরা কে কী ছিলাম সেটা বড় কথা নয়। বড় কথা হচ্ছে আমরা
বড় হয়ে কে কী করছি।
মা গাধা বললেন, খুব বড় বড় কথা হচ্ছে। ছোটবেলায় যেমন পিঠের উপর বোঝা বয়ে বেড়াতে, এখনও তো তা-ই করতে হচ্ছে তোমায়।
বাবা গাধা বললেন, তুমি তো বোঝা বয়ে বেড়াচ্ছ।
মা গাধা বললেন, গাধা হয়ে জন্মলে এমন বোঝা বয়েই বেড়াতে হবে। ওটাই গাধাদের কাজ।
বাবা গাধা বললেন, কিন্তু আমি চাইনা আমাদের গাধুও বোঝা বয়ে বেড়াক। তুমি চাও?
মা গাধা বললেন, আমিও চাই না।
বাবা গাধা বললেন, এ জন্যই তো আমাদের গাধুকে একটা স্কুলে ভর্তি করিয়ে দিতে চাই। মানুষের স্কুলে।
মা গাধা বললেন, মানুষের স্কুলে কি আমাদের গাধুকে নেবে?
বাবা গাধা বললেন, কেন নেবে না? অবশ্যই নেবে। ওই যে বললাম একদিন আমি এক টিচারকে বলতে শুনেছিলাম গাধা কোথাকার! ওটা কাকে বলেছে জানো?
মা গাধা জানতে চাইলেন, কাকে বলেছে?
বাবা গাধা বললেন, একটা গাধাকে বলেছে। কেন বলেছে জানো?
মা গাধা আবারও জানতে চাইলেন, কেন বলেছে?
বাবা গাধা বললেন, ওর ঠিকানা জানার জন্য বলেছে। টিচার আসলে জানতে চেয়েছিলেন
ও কোন জঙ্গলের গাধা। মনে হয় ওর স্কুলের বেতন বাকি পড়ে গিয়েছিল। স্কুলের
বেতন বাকি পড়ে গেলে টিচারদের মাথা খারাপ হয়ে যায়। ঘন ঘন নোটিশ পাঠায়
ছাত্রদের বাবা-মার কাছে। অনেক সময় পরীক্ষাও দিতে দেয় না।
মা গাধা বললেন, উঁহ্! তুমি ঠিক কথা বলছ না। টিচাররা এমন হতেই পারেন না। টিচাররা তো আর তোমার আমার মতো গাধা নন।
বাবা বললেন, তুমি আসলেই একটা গাধি। টিচারদের সম্পর্কে তুমি কী জানো শুনি? কিছুই জানো না।
মা বললেন, তুমি মনে হয় খুব জানো!
বাবা গাধা বললেন, জানিই তো।
মা গাধা বললেন, কী কী জানো শুনি?
বাবা গাধা বললেন, টিচারদের হাতে একটা লাঠি থাকবে। ইয়া বড়।
মা গাধা অবাক হয়ে বললেন, লাঠি আবার কেন? লাঠি তো শুনেছি পুলিশের হাতে
থাকে। চোর-ডাকাত পেটানোর জন্য। ছাত্ররা কি চোর না ডাকাত যে ওদের শায়েস্তা
করতে লাঠি লাগবে?
বাবা গাধা বললেন, কী জানি। সেটা জানি। টিচারদের রকম সকম বুঝি না।
মা গাধা জানতে চাইলেন, টিচারদের মাথা বুঝি সবসময় গরম থাকে?
বাবা গাধা বললেন, থাকতেই পারে। গাধা, গরু, ছাগল, মানুষ-সবাইকে এক সাথে পড়াতে গেলে মাথা তো গরম হতেই পারে।
মা গাধা বললেন, সবাইকে এক সাথে পড়ান নাকি টিচাররা?
বাবা গাধা বললেন, পড়ানই তো। আমি নিজের কানেই শুনেছি- এক টিচার বলছেন এই
গাধা এদিকে আয়। আবার আরেকজনকে বলছেন, এই গরু তুমি পড়া শিখে আসিসনি কেন?
অন্য এক ছাত্রকে বলছেন, তুই একটা ছাগল, এটা কী লিখেছিস?
মা গাধা চমকে ওঠলেন। বললেন, বলো কী! গাধা, গরু, ছাগল, মানুষ- সবাইকে এক সাথে পড়ান? সবার ভাষা তিনি বুঝতে পারেন?
বাবা গাধা বললেন, মনে হয় পারেন। না পারলে সবার সাথে কথা বলেন কী করে?
মা গাধা বললেন, আর কেউ পড়ে না? মানে বাঘ, সিংহ, শেয়াল, সাপ- এরা কেউ পড়তে যায় না?
বাবা গাধা বললেন, মনে হয় ওদের লেখা পড়া করার ইচ্ছে নেই। কিংবা টিচাররা ওদের স্কুলে ভর্তি নেন না।
মা গাধা বললেন, তাহলে ভালোই হয়েছে। তুমি ভাবো একবার আমাদের গাধু একটা সিংহের পাশে বসে লেখাপড়া করছে!
বাবা গাধা বললেন, সিংহের পাশে বসে লেখাপড়া করলে কী হবে?
মা গাধা বললেন, কী হবে মানে? লেখাপড়া করতে করতে যদি সিংহটার খিদে পেয়ে যায় তখন তো আমাদের গাধুকেই খাবার বানিয়ে খেয়ে ফেলবে।
বাবা গাধা বললেন, তুমি আসলেই একটা গাধি। খিদে পেলে এক ছাত্র কি অন্য ছাত্রকে খেয়ে ফেলে নাকি?
মা গাধা বললেন, সিংহের বেলায় সেটা বলা যায় না। দেখা গেল টিচারকেই গিলে
খেয়ে ফেলল। তখন? তখন কে ওদের লেখাপড়া শেখাবে? খিদে পেলে সিংহদের কি হুঁশ
থাকে?
বাবা গাধা এবার কী যেন ভাবলেন। তারপর বললেন, তাহলে তো মানুষের স্কুলে আমাদের গাধুকে ভর্তি করানোয় বেশ বিপদ আছে দেখছি।
মা গাধা বললেন, মানুষের স্কুলে ছাড়া আর কোনো স্কুল নেই?
বাবা গাধার তখনই মনে পড়ল একটা স্কুলের কথা। আর মনে পড়তেই চার পায়ে তিড়িং করে লাফিয়ে উঠে বললেন, পেয়েছি!
মা গাধা বললেন, কী পেয়েছ?
বাবা গাধা বললেন, খড় পেয়েছি।
মা গাধা কিছুই বুঝতে পারলেন না। হাঁ করে তাকিয়ে রইলেন বাবা গাধার দিকে।
বেশ কিছুক্ষণ। তারপর এক সময় হাঁ বন্ধ করে বললেন, খড় দিয়ে কী হবে?
বাবা গাধা বললেন, ওটা তুমি বুঝবে না। আমি এখনই আমাদের গাধুর স্কুলে ভর্তির ব্যবস্থা করছি।
বলেই আর দেরি করলেন না বাবা গাধা। চারপায়ে ছুটতে লাগলেন। বনের ঠিক
মাঝামাঝি শেয়াল পন্ডিতের একটা পাঠশালা আছে। ওখানে বনের পশুরা লেখাপড়া
শিখতে যায়। ওখানেই গাধুকে ভর্তি করিয়ে দেবেন।
২
পণ্ডিত শেয়ালের পাঠশালা। বনের নানান পশুরা লেখাপড়া শিখতে এসেছে এখানে।
সজারু, সাপ, গণ্ডার, জিরাফ, উল্লুক, বানর-সবাই। একটু পর গাধুও হাজির হলো।
গাধুকে দেখে পণ্ডিত শেয়াল জানতে চাইলেন, এসেছিস তাহলে? তোর ভর্তির দরখাস্ত পেয়েছি।
তারপর একটা জায়গা দেখিয়ে বললেন, ওই ওখানে গিয়ে বস।
গাধু বসতে বসতে পাঠশালার দিকে নজর বোলালো। আটচালার একটা ঘরকেই পাঠশালা
বানিয়েছেন শেয়াল পণ্ডিত। ঘরটা খড়ের তৈরি। বনের মধ্যে ইট-বালু সিমেন্টের ঘর
পাবে কোথায় ওরা? ঘরের মেঝেটাও খড় দিয়ে বিছানো। খড়ের উপরই বসে পড়ল গাধু।
মেঝেতে বিছানো খড়ের দিকে তাকিয়ে চোখ দুটো চক চক করে ওঠল গাধুর। আহ! কী
সুন্দর খড়। এমন খড় দেখলে কেবল চিবোতেই ইচ্ছে করে। আনমনে দুটো খড় তুলে
মুখেও পুরে দিল ও।
গাধু ভেবেছিল পণ্ডিত মশাই হয়ত দেখেনি। কিন্তু পণ্ডিত বলে কথা! আর সে পণ্ডিত যদি শেয়াল হয় তাহলে তো কথাই নেই, তার চোখ ফাঁকি দেয় কার সাধ্যি? গাধুকে খড় চিবোতে ঠিকই দেখে ফেলেছেন পণ্ডিত শেয়াল। আর দেখেই খেঁকিয়ে ওঠলেন, খড় খাসত?
গাধু বলল, জ্বি স্যার খাই।
পণ্ডিত শেয়াল বললেন, তাহলে তো বড় চিন্তার কথা। নাহ্! তোকে তো এই স্কুলে রাখা যাবে না।
গাধুরও কিন্তু খুব ইচ্ছে লেখাপড়া শিখবে। বাবা-মার মুখ উজ্জল করবে। এর মধ্যেই ওরা বাবা-মা বনের সবাইকে বলে বেড়াচ্ছে- আমাদের গাধু লেখাপড়া শিখতে স্কুলে ভর্তি হয়েছে। ও ঠিক প্রথম হবে। কিন্তু টিচার শেয়াল যদি ওকে স্কুলে না রাখেন তাহলে ও প্রথম হবে কেমন করে?
গাধু জানতে চাইল, কেন স্যার?
পণ্ডিত শেয়াল বললেন, আমি ভুলেই গিয়েছিলাম যে তোরা গাধারা খড় খাস। তোর মুখে দুটো খড়ের টুকরো আটকে আছে। আমি তোকে বরখাস্ত করলাম। তোর আর স্কুলে আসার দরকার নেই।
গাধু আবারও জানতে চাইল, কেন স্যার?
পণ্ডিত শেয়াল বললেন, কেন আবার? পড়তে এসে শেষে আমার পাঠশালাটাই গিলে খাবি। তারচেয়ে ঘরে ফিরে যা। যেদিন খড় খাওয়া ভুলতে পারবি, সেদিন থেকে স্কুলে আসবি।
গাধু আর কী করে। পাঠশালা থেকে বেরিয়ে এল।
তারপর?
তারপর কী হলো সেটা আর বলা যাবে না। কারণ সুকুমার বড়ুয়া এ পর্যন্তই লিখেছেন। কী লিখেছেন সুকুমার বড়ুয়া?
নেপাল খুড়োর আটচালায়
শেয়াল গুরুর পাঠশালায়
গাধায় দিলো দরখাস্ত
খড় বিছানো মেঝের পরে
শেয়াল বসে তারস্বরে
প্রশ্ন করেন : খড় খাসত?
থাকরে বাবা পড়তে এসে
পাঠশালাটাই গিলবি শেষে
করছি তোকে বরখাস্ত।
কাজেই এরপর কী হলো সেটা যদি সুকুমার বড়ুয়ার পাঠশালা নামের ছড়ায় না থাকে, এই পাঠশালা নামের গল্পটায় কেমন করে থাকবে। কারণ এই গল্পটা তো সুকুমার বড়ুয়ার পাঠশালা নামের ছড়া থেকেই লেখা হয়েছে।
- কাজলকাকা ভূত নয় - ইমতিয়ার শামীম
- অর্পণের মা - আলী হাবিব
- রাশিয়ান রূপকথা: ধপাস ভালুক - রহীম শাহ
- মুখোশ রহস্য - আহমেদ রিয়াজ
- মুরগী ছানা তিতি - আরিফুন নেছা সুখী
- অহংকারী রাজকন্যা - বিএম বরকতউল্লাহ
- পুতুল ভূত - রানা জামান
- রাখাল ও জাদুর আম গাছ - হুমায়ুন কবীর ঢালী
- দুষ্টু ছানাদের গল্প - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- তুতুন - আল নাহিয়ান
- সাইকেল বাবু - লিটন মহন্ত
- রূপকথা নীল পূর্ণিমার সোমেশ্বরী - রবীন ভাবুক
- পরীরাণী - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- সাদাসোনা মেঘ, নীল ঘুড়ি আর খোলা মাঠে একা ছেলেটা - নূর সিদ্দিকী
- অন্ধকারের এক রহস্যমানুষ আর রাজহাঁস - মিন্টু হোসেন
- চকোলেট দৌড় - সোহানা রহমান
- স্কুলপড়ুয়া পাখি, প্রজাপতি আর ছড়া - মেহেরুবা নিশা
- গরুর ঘায়ে! - আহমেদ রিয়াজ
-
ঝুমি ও একটি কুকুর -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
উপন্যাস: পিশাচ-কন্যা -
সামান্থা লি
রূপান্তর: অনীশ দাস অপু - অক্স ও বুল (সায়েন্স ফিকশন গল্প) - আবুল কালাম আজাদ
- আমি ভূত - সোহানা রহমান
- সবুজ মাঠ - শিবলী নোমান
- মন্দ মানুষ - চন্দন চৌধুরী
- ঈদে মুক্তির আনন্দ - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- জোনাকিদের গ্রহে ভয়েজার ১ - মিন্টু হোসেন
- তর্ক-বিতর্ক - পাভেল মহিতুল আলম
- খরচি মামার সাইকেল - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
- লাল জামা - বিএম বরকতউল্লাহ্
- আমার বন্ধু ডোরেমন - আহমেদ রিয়াজ
-
অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস অজানা দ্বীপে অভিযান -
মূল : এডগার অ্যালান পো
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- ঢেউয়ের বন্ধুরা - নূর সিদ্দিকী
- ভাষা - জাহিদুল আলম
- বর্ণান্ধ - মারিয়া হোসেন
- ভূতের সঙ্গে আড়ি - মুহসীন মোসাদ্দেক
- নরহরি দাস - উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
- কাকদের পুরীষ উৎসব! - মহিউদ্দীন আহ্মেদ
- সে সত্যিই ছিল একটা বাচ্চা পরি - মেহেরুবা নিশা
-
মেঘকন্যা আর টুনটুনিছানা -
বিএম বরকতউল্লাহ্
- নবম মাত্রার গোবট - ধ্রুব নীল
-
পরী এবং পরিবেশ -
মাহাবুবুল হাসান নীরু
- দুঃখী বুড়ি ও নেংটি ইঁদুর - বিএম বরকতউল্লাহ্
- ভালো 'মন খারাপ' - চন্দন চৌধুরী
- রকির চাওয়া - জুবায়ের হুসাইন
- মৌমাছি ও কাঠুরিয়া - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- ফিরে দেখা - রবীন ভাবুক
- মতির মাথায় গাব - ধ্রুব নীল
- প্রজাপতি হবো - এনায়েত রসুল
- চাঁদনি-হালুয়া - সঞ্চারিণী
- জলে কোলাহল - চন্দন চৌধুরী
- এক টুকরো মেঘ ও দুঃখী গাছ - বিএম বরকতউল্লাহ
- আমার রোবট 'রবি' - মোঃ মিন্টু হোসেন
- কত আটায় কত রুটি - আবুল কালাম আজাদ
- আংটি - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- শহরে একদিন - আহমেদ রিয়াজ
- পল্টুর বন্ধু - আহসান হাবীব
-
হরর গল্প -
মিস্ট্রেস স্যারি মূল : উইলিয়াম টেন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- নিলেশের অন্য ভূবন - আফরোজা অদিতি
- ভাষার খোঁজে নেপালে - সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ
- গিফট - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- ভূত শিকার - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
-
ডানাকাটা পাখি ও সীম বীজ -
চন্দন চৌধুরী
- গোয়েন্দা মেনু'দা - রবীন ভাবুক
- তিনা আর লাল গোলাপ - আফরোজা অদিতি
- পরীটি কি জাদু জানে - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- আরকনির রুমাল - মোঃ মিন্টু হোসেন
- পুষ্পিতার ঈদ - আফরোজা আদিতি
- হাতির ডিম - আহমেদ রিয়াজ
- কঙ্ক - শুভ অংকুর
- বিন্নির খুশি - এনায়েত রসুল
- প্রান্ত ও তার এ্যাডনোক্সিয়ান বন্ধু (সায়েন্স ফিকশান) - আবুল কালাম আজাদ
- এক যে ছিলো রাসেল - বেবী মওদুদ
- আতঙ্কের প্রহর [রহস্য গল্প] - অনীশ দাস অপু
- ঈদ শপিং - আহসান হাবীব
- উপন্যাস- আলিবাবা ও চালিচার - শিবব্রত বর্মন
- মৌমাছি - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
- সূত্রধর স্যার - জাহিদুল আলম
-
কোনো এক অমাবস্যার রাতে -
আহমেদ রিয়াজ
- বিজ্ঞানী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গড়ে আটকা এক নেকড়ে - মোঃ মিন্টু হোসেন
- প্রজাপতি - এনায়েত রসুল
- পরী এসেছিল - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- বিচ্ছু ভাগনের কাণ্ড - জাহিদুল আলম
- নিশান আর ব্ল্যাকহোল - আফরোজা অদিতি
- পরীর বন্ধু অহনা - এনায়েত রসুল
-
স্যারের বিপদ -
জাহিদুল আলম
-
নতুন স্যার -
আবুল কালাম আজাদ
-
মিকাই-এর বাঘের ছানা -
মিন্টু হোসেন
-
আলুভর্তা -
জান্নি রোদারি
অনুবাদ: জামিল বিন সিদ্দিক -
বেকার আয়না -
জাহিদুল আলম
-
একদিন রাতে ধবধবে বিড়ালটা -
আহমেদ রিয়াজ
- অবাক বইপাঠ - মুনির রানা
- জোকার - শিবব্রত বর্মন
- ইঁদুরের ভোজ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ভৌতিকবাড়ি - অনীশ দাস অপু
- মেলায় মাঠে পিউস - আফরোজা অদিতি
-
মিস্ট্রেস স্যারি -
মূল : উইলিয়াম টেন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
ভয়ঙ্কর এক লোক -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
তেরো তলা -
মূল : ডন উলফসনে
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
টুঙ্গিপাড়ার খোকা -
বেবী মওদুদ
-
রাতের আতঙ্ক -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
বৃক্ষপরী টিয়া -
আফরোজা অদিতি
-
গেকো -
অনীশ দাস অপু
-
ময়না -
আফরোজা অদিতি
-
রাজকন্যা মাঈশা আর বলঢাঁশের গল্প -
আশরাফুল ইসলাম সাগর
-
শেয়াল দেবতার প্রতিহিংসা -
মূল : রবার্ট ব্লচ
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু - ফার্স্ট হওয়ার ঝামেলা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- শূন্যে ডানা মেলে - এনায়েত রসুল
-
একটু উষ্ণতার জন্য -
মূল : হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান এন্ডারসন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
শামন্তীর শীতবেলা -
মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
রাতের অতিথি -
আহমেদ রিয়াজ
- চৈতি আপু - ইমদাদুল হক মিলন
- তেতুল গাছ - আহসান হাবীব
- টুশির গল্প - বেবী মওদুদ
- চড়ুই পাখিদের ঘরের ঘটনা - ধ্রুব এষ
- বিলাই মা বিলাই ছা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- এক শিশি আলতা - এনায়েত রসুল
- কুলরাজা কুলরাণী - শাশ্বত ভট্টাচার্য
- ছায়ার মানুষ - আহমেদ রিয়াজ
- আলতা কন্যার জন্মদিন - মারুফ রেহমান।
- লেজ উঁচিয়ে - আহমেদ রিয়াজ
- ভৌতিক গল্প : থাবা - অনীশ দাস অপু
- রাজার ঈগল পাখি (কম্বোডিয়ার লোককাহিনী) - অনুবাদ: মৃত্যুঞ্জয় রায়
- আকাশ ছুঁয়ে উড়বো - এনায়েত রসুল
- আবু আর বাবু - বেবী মওদুদ
-
ভূতুড়ে বানর -
মূল : স্টিফেন কিং
অনুবাদ : অনীশ দাস অপু - কার ছবি - ইমদাদুল হক মিলন
- ঝন্টু মন্টুর দাদি - আহসান হাবীব
- সন্ধ্যার বিচিত্র ঘটনা - ধ্রুব এষ
-
তিন রাজপুত্র -
অনুবাদ : শিবব্রত বর্মন
মূল গল্প: আইজাক আসিমভ - নওরিনের স্কুল - এনায়েত রসুল
- বংশী নদীর ঘটনা - হামিদ কায়সার
- মাকড়সার চন্দ্র ভ্রমণ - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- ইঁদুর সাহেবার হলিডে - মিজানুর খান
- জাদুর ঢোল - আহমেদ রিয়াজ
- ক্যামডেন কিলার - অনীশ দাস অপু
- পরীর দেশে - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- পিঁপড়ে যখন হাতির বন্ধু - আহমেদ রিয়াজ
- সাগর পরী - মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
বৃষ্টি তুমি এসো না -
অনীশ দাশ অপু
মূল রচনা: আইজাক আসিমভ - ঝমঝমে আষাঢ়ে - আহমেদ রিয়াজ
-
ভৌতিক হাত -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প: কার্ল জ্যাকবির ‘দ্য হ্যান্ড’ -
বাবার জন্য ভালোবাসা -
মুহাম্মদ নাহিয়ান বিন খালেদ
- সেন্টমার্টিনে বাবার সাথে - জারিন তাসনিম অতসী
-
ভৌতিক ঘুড়ি -
অনীশ দাস অপু
মূল: কার্ল জ্যাকবি’র ‘দ্যা কাইট’ - ফুটবল প্রেমিক - রাশেদ শাওন
- ঘটনাটা সত্য - এনায়েত রসুল
- ভুতুড়ে বাড়ি - অনীশ দাস অপু
- ইচ্ছাপূরণ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- মায়ের কাছে ফেরা - বেবী মওদুদ
- স্বপ্ন - শিবব্রত বর্মন
- মেলায় যাবো - এনায়েত রসুল
- কুমড়ো দানব - অনীশ দাস অপু
- আসলে ছবিটা মেঘের - ধ্রুব এষ
- কাশেম আলী গরু চরাতো - আনিসুল হক
-
অদৃশ্য শত্রু -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প : ফিলিপ কে. ডিক - জাদুকর - সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল
-
জানের দুশমন -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প : হেনরি কুটনার - ভালোবাসার সবুজ গাছ - ইমরুল ইউসুফ
- বড়দিনের রাতে - অনীশ দাস অপু
- দেহহীন - শিবব্রত বর্মন
- নীলুর নীল চশমা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- রহস্যভেদী - রকিব হাসান
- দুষ্টু বিড়াল - অনীশ দাস অপু
- অপেক্ষা - মোস্তফা মামুন
- ঈশানপুরের অপুর কান্ড - সুমন কায়সার
- রাজা যখন গাছে - আহমেদ রিয়াজ
- অন্যরকম ভালোলাগা - শুভ অংকুর
- পৃথিবীর জন্য ভালোবাসা (সায়েন্স ফিকশন) - শুভ অংকুর
- কিং মিঠু - মোস্তফা মামুন
- প্রেতাত্মা - অনীশ দাস অপু
- রোবট - আনিসুল হক
- চতুর্দশতম/চৌদ্দ - নঈম তারিক
- জিকুর স্বপ্ন - আহসান হাবীব
- চোর - রকিব হাসান
- ছায়াহীন - শিবব্রত বর্মন
- ঈদের আগের রাত - মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
মেরু ভালুকদের রাজা -
মূল : ফ্রাঙ্ক বাউম
ভাষান্তর : বিদ্যুত - গাধার টুপি - আহমেদ ফারুক
- আলসে বালক আর গরুর গল্প - মো. গোলাম রহমান
- অতি চালাকির সাজা! - এনায়েত রসুল
- মাছরাঙা আর রূপোর চামুচ - মোস্তফা হোসেইন
- হাবা রাকিবের কাণ্ড - মারুফ রেহমান
- বিড়ালের বন্ধুত্ব - রূপান্তর : আবুল বাসার
- গণেশ চ্যাটার্জি আর তার কালো কুকুর - নাফে মোহাম্মদ এনাম
- শিউ-পিউর বন্ধু তানতুলু - নূর সিদ্দিকী
- মেছোভূত - ইকবাল খন্দকার
- অ্যারোসল ভূত - শাকিল ফারুক
- পাঠশালা - আহমেদ রিয়াজ
- যুদ্ধের গল্প - ফরহাদ সাফায়েতুল কবীর
- বোকাতু - আরিফ হাসান
- রূপকথার ইলিশ - অর্জিতা মাধুর্য
- সীনের বাবা সীনের মা - আহমেদ রিয়াজ
- চাঁদ - পান্থ বিহোস
- মায়ের ভাষা - মুহাম্মদ মুনতাসির আলী
- জিন্নাহ'র না জানা গল্প - আহমেদ রিয়াজ
- ঘুম পাহাড়ের আজব পাখি - আ হ মে দ ফা রু ক
- উপহাস - আহমেদ রিয়াজ
-
ড্রাগনের যম ইভান -
মূল : ভ্লাদিমির বাইকো
অনুবাদ: হাসান খুরশীদ রুমি - টিনা আপুর জাদুর কাঠি - এনায়েত রসুল
- তারা পড়তে দেখলে - ধ্রুব এষ
- বাঘ-সিংহের গল্প - আহমেদ রিয়াজ
-
লুকোচুরি -
নিকোলাই নসভ
অনুবাদ: হাসান খুরশীদ রুমী - রহস্যময় কিশোর যোদ্ধা - আহমেদ রিয়াজ
- অদ্ভূতুড়ে কিন্তু ভূতুড়ে নয় - বিজয় মজুমদার
- তিন ভূতুড়ে - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- মরগানস উডসের ভূত - অনীশ দাস অপু
- মহাকাশে সু ভূতের অভিযান - বিধান রিবেরু
- জামাটা কোথায় গেল - আহমেদ রিয়াজ
- মি. হাকলি - নূর সিদ্দিকী
- বুলেট ভাইয়ের হাইজাম্প - মোস্তফা মামুন
-
একা কবরস্থানে -
মূল : অ্যালভিন শোয়ার্জ
অনুবাদ : হাসান খুরশীদ রুমী - তৈল মর্দন - সজ্জাদ কবীর
- ঝিন্টু - মানিক চন্দ্র দাস
- রবীন-মাহিনের মুক্তি... - আহসান হাবীব
- মামার ঘড়ি - পান্থ বিহোস
- তৃষার ভালো লাগা - এনায়েত রসুল
- খরগোশের টাকা চাষ - ভাষান্তর- মৃত্যুঞ্জয় রায়
- ঈদের চাঁদ - আশীষ চক্রবর্ত্তী
-
স্টোরিটেলার -
নিকোলাই নসভ
রূপান্তর : হাসান খুরশীদ রুমী - একটা গাছের চারা - আশরাফুল আলম পিনটু
- পাহাড় যখন সরে যায় - আমীরুল ইসলাম
- ঝিম দুপুরের গল্প - শাকিল ফারুক
- জেলে আর সোনার মাছ - রহীম শাহ
- কুয়োর ব্যাঙের সমুদ্র যাত্রা - বিজয় মজুমদার
- পুতুল - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
-
হানাবাড়ির উন্মাদ -
মূল : ইলেন এ. কিউল
অনুবাদ : অনীশ দাস অপু - চ্যালেঞ্জ! - রকিব হাসান
- রাজা এলেন - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- চুরি বিদ্যা বড়ো বিদ্যা - মোস্তফা মামুন
- আসলে কী ঘটেছিল - ইমদাদুল হক মিলন
- শিয়াল রাজার সাজা - এনায়েত রসুল
- রূপোলি রেণু - আলী ইমাম
- প্যালিনড্রোমিক ফর্ক... - আহসান হাবীব
- ঘড়ি উদ্ধার - আহমেদ রিয়াজ
- অপু আর তপু - আশরাফুল আলম পিন্টু
- সাদা মেঘ ও কাশফুলেরা - আহমেদ রিয়াজ
- মনের ভয় - ফাতেমা ফেরদৌস (পিংকি)
- চাঁদের বন্ধু খরগোশ - রেহানা পারভীন রুমা
- দুষ্টু টুলু - এনায়েত রসুল
- রেডিও - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- ঠাকুরমার ঝুলি এবং ইবু - আহমেদ ফারুক
- আষাঢ়ে হাতি ও রাজার গল্প - আহমেদ রিয়াজ
- সুন্দর - মঈনুল আহসান সাবের
-
ছোট্ট তুষারমানব -
কোরিয়ার রূপকথা
রূপান্তর : মো. গোলাম রহমান - ঘুপুর বন্ধু টুনু আর চি - এনায়েত রসুল
- এটা আমার বাবার গল্প, মায়েরও - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- চাষা ও তার গরু - আহমেদ রিয়াজ
- সহকারী গোয়েন্দা - মোস্তফা মামুন
- লাল বেলুন - আমীরুল ইসলাম
- ডান-বাম - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
-
শেষ যাত্রা -
মূল : কার্ল জ্যাকবি
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু - লিটুর ঘুম আসে না - মোস্তফা মামুন
- ভূতটা খোলা মাঠে একা শুয়ে আছে - আহমেদ রিয়াজ
- কিসমতের বিচার - হুমায়ূন কবীর ঢালী
- নিপুর আশ্রয় - এনায়েত রসুল
- দুই ভূতের কান্ড - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
কান্নার দাগ -
আফ্রিকার রূপকথা
রূপান্তর : আবুল বাসার - নূরী ও পরী - আহমেদ রিয়াজ
-
প্রকৃতি কন্যার দোলনা ঘর -
শোহেইল মতাহির চৌধুরী
- ছোট্ট জাদু-নুড়ি - আমীরুল ইসলাম
- জাদুর আয়না - রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- বিন্নির খুশি - এনায়েত রসুল
- ঘুম পাহাড়ের আজব পাখি - আহমেদ ফারুক







