ইকবাল খন্দকার
আমাদের গ্রামটা তখন বেশ ফাঁকা ছিল। পুরো গ্রামে বিশটা বাড়ি ছিল কিনা সন্দেহ। যেহেতু বাড়ি কম, অতএব মানুষও কম। কোন কোলাহল নেই, নিরব নিস্তব্ধ চারদিক। দিনে দুপুরে হাঁটাচলা করতেই কেমন যেন ভয় ভয় করত। বিশেষ করে আমাদের গ্রামে বড় বড় কয়েকটা গাছ ছিল- গাব গাছ আর বট গাছ। আমরা এসব গাছের ধারে-কাছে যেতাম না। কারণ মা বাবা সব সময় আমাদের সতর্ক করে দিতেন, এই সব গাছে নাকি ভুত থাকে। সুযোগ পেলেই ঘাড় মটকাবে।
মা বাবার কথা যে সত্য, সেটা বোঝা যেত গাছগুলোর ডাল পালার দিকে তাকালেই। কী বড় বড় ডাল! এক একটা ডালে রাজ্যের ঝোপ। প্রতি ডালে যদি দশটা করে ভূত বসে থাকে, গল্পগুজব করে তবু কেউ টের পাবে না।
আমাদের পাশের বাড়িতে একটা ছেলে বেড়াতে আসত প্রায়ই। ছেলেটার নাম ছিল করিম। বয়সে আমার চেয়ে দুতিন বছরের বড় ছিল। তবে সে আমার সাথে এমন ভাবে মিশত, আমার মনেই হতোনা আমি তার ছোট। আমরা নানা রকম পরিকল্পনা করতাম একসঙ্গে। কোথায় মাছ ধরতে যাবো, কখন পাখির বাসা খুঁজতে যাবো, কার গাছের ফল পেড়ে খাবো- সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে যেত করিম আসার সঙ্গে সঙ্গেই। তবে এসব পরিকল্পনা আমরা যেখানে সেখানে বসে করতাম না। কারণ মা বাবা শুনে ফেললে পিঠে যে শুধু লাঠি ভাঙবেন তা-ইনা, দুএক বেলা খাবারও বন্ধ রাখতে পারেন। এজন্য আমরা চুপচাপ চলে যেতাম বাড়ির বাইরে। মন খুলে বুদ্ধি পরামর্শ করে দুজন দুদিক দিয়ে ঢুকতাম বাড়িতে। কেউ যদি কিছু টের পেয়ে যায়, সেই ভয়ে।
একবার এক ছুটিতে বেড়াতে এলো করিম। এসেই দৌড়ে চলে এলো আমাদের বাড়িতে। আমি তখন ঘুমাচ্ছিলাম। করিমের ধাক্কায় ঘুম ভেঙে গেলো। সে কিছু না বলে ইশারা দিলো বাইরে যাওয়ার জন্য। আমি কোন কথা বাড়ালাম না। বাড়ি থেকে বের হয়ে সোজা গিয়ে দাঁড়ালাম গোয়াল ঘরের পেছনের চিকন পথটায়। তারপর দুজনে কুশল বিনিময় করতে করতে চলে গেলাম বিলপাড়। এরই মধ্যে করিম জানাল এবার সে পুরো এক সপ্তাহ থাকবে। পরীক্ষা শেষ, তাই স্কুল বন্ধ। শুনে আমি লাফিয়ে উঠলাম আনন্দে। এক সপ্তাহ দুজন এক সাথে থাকার সৌভাগ্য এর আগে কখনও হয়নি। করিম বলল, “সারা সপ্তাহের পরিকল্পনাটা এখনই করে ফেলতে চাই।”
কিন্তু বসবো কোথায়? বিলপাড়ে অনেক মানুষ। সবাই বিল পাহারা দিচ্ছে। প্রায় শুকিয়ে যাওয়া বিল থেকে পাশের পাড়ার ছেলেরা মাছ চুরি করতে আসে তো, তাই। কোন নির্জন জায়গা নেই। আশে পাশে তাকিয়ে দেখলাম একমাত্র বটতলাটাই ফাঁকা আছে। কিন্তু বটতলায় গিয়ে বসার মতো সাহস আমার নেই। কে জানে কখন ঘাড়ের ওপর লাফিয়ে পড়ে ভূত। করিম খুব করে বোঝাল। বলল, “এতো ভয় পেলে জীবন চলে না। এছাড়া কেউ তো আমাদের বেঁধে রাখবে না। ভুতের আনাগোনা পেলে ঝেড়ে দৌড় দেব। দৌড় আমরা কম জানি না। বরাবরই ফার্স্ট হই। সবচেয়ে বড় কথা হল আর কোথাও নির্জন জায়গা নেই।” অতএব আমরা গিয়ে বসলাম বটতলায়। ভয়ে আমার বুক কাঁপতে শুরু করলেও করিমকে সেটা বুঝতে দিলাম না লজ্জায়।
করিম নানা রকম পরিকল্পনা করতে শুরু করল। আমি তেমন কোন কথা না বলে শুধু হ্যাঁ হ্যাঁ করে যেতে লাগলাম। আর বারবার তাকাতে লাগলাম বটগাছের ডালের ঝোঁপগুলোর দিকে। করিমের অনেকগুলো পরিকল্পনার মধ্যে একটা পরিকল্পনা ছিল- পরের দিন খুব ভোরে আমরা বিলে মাছ ধরতে নামব। চুরি করব না, আমাদের জমি থেকেই ধরব। নিজ হাতে বড় মাছ ধরার মধ্যে একটা আনন্দ আছে। এছাড়া সকাল বেলা সবাইকে মাছ দিয়ে চমকে দেওয়ার ব্যাপারটা তো আছেই। আমি একমত প্রকাশ করলাম করিমের সাথে। সিদ্ধান্ত হলো- ফজরের আজান দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সে এসে আমাকে ডাক দেবে। আমি তখন বেরিয়ে যাবো আস্তে করে। কথাবার্তা শেষ করে আমরা উঠে দাঁড়ালাম বসা থেকে। বাড়ির দিকে পা বাড়াতে বাড়াতে আরো বেশ ক’বার তাকালাম ডালের দিকে। করিমকে জিজ্ঞাসা করলাম,“আচ্ছা, আমাদের সব পরামর্শ ভুত শুনে ফেলেনি তো? ” করিম হেসে বলল, “তুই কীযে বলিস না! ভূতের খেয়ে দেয়ে আর কাজ নেই, আমাদের কথা শুনতে আসবে। শোন, মাথা থেকে এসব আজগুবি চিন্তা দূর কর।”
বাড়ি আসলাম। রাতে একটু পড়াশোনা করে শুয়ে পড়লাম। কিন্তু কোনভাবেই ঘুম আসছিল না। শুধু মনে হচ্ছিল- কখন আজান দেবে, আর কখন বিলে যাব। এপাশ ওপাশ করছিলাম। শোয়া থেকে উঠে-বসেও ছিলাম তিন চার বার। তারপর হঠাৎ কখন ঘুমিয়ে পড়ি, টের পাইনি। ঠকঠক করে আওয়াজ হলো দরজায়। সঙ্গে সঙ্গে ঘুম ভেঙে গেল আমার। ঘাড় উঁচু করে তাকালাম পাশের খাটে। যদিও অন্ধকারের জন্য দেখা যাচ্ছে না, তবু নাক ডাকানো শুনে বুঝতে পারলাম ভাইয়া গভীর ঘুমে। অতএব নিশ্চিন্তে বেরিয়ে পড়লাম ঘর থেকে। বাইরে এসেই দেখি করিম দাঁড়িয়ে আছে মাছ ধরার সরঞ্জাম নিয়ে। অন্ধকারে তার মুখ দেখা যাচ্ছে না। কিন্তু এতো অন্ধকার কেন ঠিক বুঝলাম না। আযানের সময় তো প্রায়ই উঠি। অন্যদিন তো এতো অন্ধকার থাকে না। মনে হয় আজ আকাশে অনেক মেঘ। আমি কয়েকবার বাবার ঘরের দরজার দিকে তাকিয়ে হাঁটতে লাগলাম করিমের পিছুপিছু। দেড় মিনিটের মধ্যে পৌঁছে গেলাম বিলপাড়। অন্ধকারের জন্য তখনও করিমের মুখটা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে না। আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম, “এতো অন্ধকারে মাছ ধরতে নামাটা কি ঠিক হবে?” সে বলল, “আরে কিছু হবে না। দেরি করলে লোকজন চলে আসতে পারে।”
করিমের গলার আওয়াজ কেমন যেন অন্য রকম মনে হল। মনে হল অন্য কেউ কথা বলছে। আমি অবাক হলাম না। কারণ ঘুম থেকে উঠলে গলার স্বর একটু অন্য রকমই লাগে। করিম এতো তাড়াহুড়ো করতে লাগলো যে আমি আর আপত্তি করার সুযোগ পেলাম না। জামাকাপড় গুটিয়ে নেমে পড়লাম বিলে। করিমও গুটালো জামাকাপড়। তবে নামার আগে কিসের যেন একটা পুটলি লুকিয়ে রাখলো ঝোঁপের মধ্যে। আমি সে দিকে তাকাতেই ধমকে উঠল সে, “যে কাজ করতে এসেছিস, সে কাজ কর। এতো কথা বলিস না।”
এবার করিমের গলাটা শুধু অন্যরকমই না, একেবারে অদ্ভূত শোনা গেল। আমি তার দিকে ভাল করে তাকালাম। সঙ্গে সঙ্গে সে মুখ ঘুরিয়ে নিল। তারপর লম্বা লম্বা পায়ে এগিয়ে যেতে লাগল খাদের দিকে। এমনিতে বিলে তেমন পানি না থাকলেও খাদে তখন অনেক পানি। যে কেউ ডুবে যাবে। কিন্তু করিম এক লাফে নেমে পড়ল খাদে। নেমেই ডাকতে লাগল আমাকে,“ আয় আয়। বেশি পানি নেই, ডুববি না।” আমি জোর গলায় বললাম,“না,আসব না। খাদে অনেক পানি। ডুবে যাব।” করিম রেগেমেগে বলতে লাগল, “কে বলেছে অনেক পানি! দেখতে পাচ্ছিস না আমার মাত্র হাঁটু পানি?” যদিও অন্ধকারের জন্য তেমন দেখা যাচ্ছে না, তবু আমি ভালভাবে তাকিয়ে দেখলাম সত্যি সত্যি হাঁটু পানিতে দাঁড়িয়ে আছে করিম। দেখে আমি তো একেবারে থ। যে খাদে কম পক্ষে পাঁচ হাত পানি হবে, সেখানে কিনা তার হাঁটুপানি হচ্ছে!
হঠাৎ করিম আমার হাত ধরে টানতে লাগল। কিন্তু খাদ থেকে কীভাবে সে এতো তাড়াতাড়ি আমার কাছে এলো, হাত ধরলো- বুঝতে পারছিলাম না। আমি হাত ছাড়িয়ে নেওয়ার জন্য যেই তার হাতের দিকে তাকালাম, দেখি সে দাঁড়িয়ে আছে খাদেই। তার হাত দুটি লম্বা হয়ে এসে আমার হাত ধরেছে। শুধু তাই নয়,তখনও আমাকে টানছে খাদে নামানোর জন্য। আর আমি প্রাণপণে চেষ্টা করছি হাত ছাড়িয়ে নিতে। একসময় টের পেলাম কে যেন আমার গলা চেপে ধরেছে। তারপর আর কিছু বলতে পারব না।
কে যেন আমার চোখেমুখে ঠাণ্ডা পানি ছিটিয়ে দিল। চোখ খুলে দেখি মা-বাবা ভাইয়াসহ গ্রামের শতশত মানুষ ঘিরে রেখেছে আমাকে। এতো মানুষ কেন? জিজ্ঞাসা করতেই জানতে পারলাম, রাতে আমি ভূতের খপ্পরে পড়েছিলাম। ওটা আসলে করিম ছিল না, ছিল ভূত। আর তখনও রাত পোহাতে ঘণ্টা তিনেক বাকি ছিল। করিম এসেছিল সময় মতই। বারবার দরজায় নক করার পরও যখন সাড়া শব্দ পাচ্ছিল না, তখন সে ডাক দিয়েছিল আমাকে। এতে ঘুম ভেঙে যায় ভাইয়ার। আমাকে ঘরে না দেখে তারা খুঁজতে থাকে এদিক সেদিক। এক সময় আমাকে তারা উদ্ধার করে বিল থেকে। সবাই নিশ্চিত,আর কিছুক্ষন পরে গেলে আমাকে আর জীবিত পাওয়া যেত না।
- মেয়েটি মাকড়সা হয়ে গেল - কাজী কেয়া
- কাজলকাকা ভূত নয় - ইমতিয়ার শামীম
- অর্পণের মা - আলী হাবিব
- রাশিয়ান রূপকথা: ধপাস ভালুক - রহীম শাহ
- মুখোশ রহস্য - আহমেদ রিয়াজ
- মুরগী ছানা তিতি - আরিফুন নেছা সুখী
- অহংকারী রাজকন্যা - বিএম বরকতউল্লাহ
- পুতুল ভূত - রানা জামান
- রাখাল ও জাদুর আম গাছ - হুমায়ুন কবীর ঢালী
- দুষ্টু ছানাদের গল্প - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- তুতুন - আল নাহিয়ান
- সাইকেল বাবু - লিটন মহন্ত
- রূপকথা নীল পূর্ণিমার সোমেশ্বরী - রবীন ভাবুক
- পরীরাণী - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- সাদাসোনা মেঘ, নীল ঘুড়ি আর খোলা মাঠে একা ছেলেটা - নূর সিদ্দিকী
- অন্ধকারের এক রহস্যমানুষ আর রাজহাঁস - মিন্টু হোসেন
- চকোলেট দৌড় - সোহানা রহমান
- স্কুলপড়ুয়া পাখি, প্রজাপতি আর ছড়া - মেহেরুবা নিশা
- গরুর ঘায়ে! - আহমেদ রিয়াজ
-
ঝুমি ও একটি কুকুর -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
উপন্যাস: পিশাচ-কন্যা -
সামান্থা লি
রূপান্তর: অনীশ দাস অপু - অক্স ও বুল (সায়েন্স ফিকশন গল্প) - আবুল কালাম আজাদ
- আমি ভূত - সোহানা রহমান
- সবুজ মাঠ - শিবলী নোমান
- মন্দ মানুষ - চন্দন চৌধুরী
- ঈদে মুক্তির আনন্দ - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- জোনাকিদের গ্রহে ভয়েজার ১ - মিন্টু হোসেন
- তর্ক-বিতর্ক - পাভেল মহিতুল আলম
- খরচি মামার সাইকেল - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
- লাল জামা - বিএম বরকতউল্লাহ্
- আমার বন্ধু ডোরেমন - আহমেদ রিয়াজ
-
অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস অজানা দ্বীপে অভিযান -
মূল : এডগার অ্যালান পো
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- ঢেউয়ের বন্ধুরা - নূর সিদ্দিকী
- ভাষা - জাহিদুল আলম
- বর্ণান্ধ - মারিয়া হোসেন
- ভূতের সঙ্গে আড়ি - মুহসীন মোসাদ্দেক
- নরহরি দাস - উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
- কাকদের পুরীষ উৎসব! - মহিউদ্দীন আহ্মেদ
- সে সত্যিই ছিল একটা বাচ্চা পরি - মেহেরুবা নিশা
-
মেঘকন্যা আর টুনটুনিছানা -
বিএম বরকতউল্লাহ্
- নবম মাত্রার গোবট - ধ্রুব নীল
-
পরী এবং পরিবেশ -
মাহাবুবুল হাসান নীরু
- দুঃখী বুড়ি ও নেংটি ইঁদুর - বিএম বরকতউল্লাহ্
- ভালো 'মন খারাপ' - চন্দন চৌধুরী
- রকির চাওয়া - জুবায়ের হুসাইন
- মৌমাছি ও কাঠুরিয়া - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- ফিরে দেখা - রবীন ভাবুক
- মতির মাথায় গাব - ধ্রুব নীল
- প্রজাপতি হবো - এনায়েত রসুল
- চাঁদনি-হালুয়া - সঞ্চারিণী
- জলে কোলাহল - চন্দন চৌধুরী
- এক টুকরো মেঘ ও দুঃখী গাছ - বিএম বরকতউল্লাহ
- আমার রোবট 'রবি' - মোঃ মিন্টু হোসেন
- কত আটায় কত রুটি - আবুল কালাম আজাদ
- আংটি - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- শহরে একদিন - আহমেদ রিয়াজ
- পল্টুর বন্ধু - আহসান হাবীব
-
হরর গল্প -
মিস্ট্রেস স্যারি মূল : উইলিয়াম টেন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- নিলেশের অন্য ভূবন - আফরোজা অদিতি
- ভাষার খোঁজে নেপালে - সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ
- গিফট - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- ভূত শিকার - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
-
ডানাকাটা পাখি ও সীম বীজ -
চন্দন চৌধুরী
- গোয়েন্দা মেনু'দা - রবীন ভাবুক
- তিনা আর লাল গোলাপ - আফরোজা অদিতি
- পরীটি কি জাদু জানে - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- আরকনির রুমাল - মোঃ মিন্টু হোসেন
- পুষ্পিতার ঈদ - আফরোজা আদিতি
- হাতির ডিম - আহমেদ রিয়াজ
- কঙ্ক - শুভ অংকুর
- বিন্নির খুশি - এনায়েত রসুল
- প্রান্ত ও তার এ্যাডনোক্সিয়ান বন্ধু (সায়েন্স ফিকশান) - আবুল কালাম আজাদ
- এক যে ছিলো রাসেল - বেবী মওদুদ
- আতঙ্কের প্রহর [রহস্য গল্প] - অনীশ দাস অপু
- ঈদ শপিং - আহসান হাবীব
- উপন্যাস- আলিবাবা ও চালিচার - শিবব্রত বর্মন
- মৌমাছি - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
- সূত্রধর স্যার - জাহিদুল আলম
-
কোনো এক অমাবস্যার রাতে -
আহমেদ রিয়াজ
- বিজ্ঞানী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গড়ে আটকা এক নেকড়ে - মোঃ মিন্টু হোসেন
- প্রজাপতি - এনায়েত রসুল
- পরী এসেছিল - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- বিচ্ছু ভাগনের কাণ্ড - জাহিদুল আলম
- নিশান আর ব্ল্যাকহোল - আফরোজা অদিতি
- পরীর বন্ধু অহনা - এনায়েত রসুল
-
স্যারের বিপদ -
জাহিদুল আলম
-
নতুন স্যার -
আবুল কালাম আজাদ
-
মিকাই-এর বাঘের ছানা -
মিন্টু হোসেন
-
আলুভর্তা -
জান্নি রোদারি
অনুবাদ: জামিল বিন সিদ্দিক -
বেকার আয়না -
জাহিদুল আলম
-
একদিন রাতে ধবধবে বিড়ালটা -
আহমেদ রিয়াজ
- অবাক বইপাঠ - মুনির রানা
- জোকার - শিবব্রত বর্মন
- ইঁদুরের ভোজ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ভৌতিকবাড়ি - অনীশ দাস অপু
- মেলায় মাঠে পিউস - আফরোজা অদিতি
-
মিস্ট্রেস স্যারি -
মূল : উইলিয়াম টেন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
ভয়ঙ্কর এক লোক -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
তেরো তলা -
মূল : ডন উলফসনে
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
টুঙ্গিপাড়ার খোকা -
বেবী মওদুদ
-
রাতের আতঙ্ক -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
বৃক্ষপরী টিয়া -
আফরোজা অদিতি
-
গেকো -
অনীশ দাস অপু
-
ময়না -
আফরোজা অদিতি
-
রাজকন্যা মাঈশা আর বলঢাঁশের গল্প -
আশরাফুল ইসলাম সাগর
-
শেয়াল দেবতার প্রতিহিংসা -
মূল : রবার্ট ব্লচ
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু - ফার্স্ট হওয়ার ঝামেলা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- শূন্যে ডানা মেলে - এনায়েত রসুল
-
একটু উষ্ণতার জন্য -
মূল : হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান এন্ডারসন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
শামন্তীর শীতবেলা -
মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
রাতের অতিথি -
আহমেদ রিয়াজ
- চৈতি আপু - ইমদাদুল হক মিলন
- তেতুল গাছ - আহসান হাবীব
- টুশির গল্প - বেবী মওদুদ
- চড়ুই পাখিদের ঘরের ঘটনা - ধ্রুব এষ
- বিলাই মা বিলাই ছা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- এক শিশি আলতা - এনায়েত রসুল
- কুলরাজা কুলরাণী - শাশ্বত ভট্টাচার্য
- ছায়ার মানুষ - আহমেদ রিয়াজ
- আলতা কন্যার জন্মদিন - মারুফ রেহমান।
- লেজ উঁচিয়ে - আহমেদ রিয়াজ
- ভৌতিক গল্প : থাবা - অনীশ দাস অপু
- রাজার ঈগল পাখি (কম্বোডিয়ার লোককাহিনী) - অনুবাদ: মৃত্যুঞ্জয় রায়
- আকাশ ছুঁয়ে উড়বো - এনায়েত রসুল
- আবু আর বাবু - বেবী মওদুদ
-
ভূতুড়ে বানর -
মূল : স্টিফেন কিং
অনুবাদ : অনীশ দাস অপু - কার ছবি - ইমদাদুল হক মিলন
- ঝন্টু মন্টুর দাদি - আহসান হাবীব
- সন্ধ্যার বিচিত্র ঘটনা - ধ্রুব এষ
-
তিন রাজপুত্র -
অনুবাদ : শিবব্রত বর্মন
মূল গল্প: আইজাক আসিমভ - নওরিনের স্কুল - এনায়েত রসুল
- বংশী নদীর ঘটনা - হামিদ কায়সার
- মাকড়সার চন্দ্র ভ্রমণ - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- ইঁদুর সাহেবার হলিডে - মিজানুর খান
- জাদুর ঢোল - আহমেদ রিয়াজ
- ক্যামডেন কিলার - অনীশ দাস অপু
- পরীর দেশে - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- পিঁপড়ে যখন হাতির বন্ধু - আহমেদ রিয়াজ
- সাগর পরী - মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
বৃষ্টি তুমি এসো না -
অনীশ দাশ অপু
মূল রচনা: আইজাক আসিমভ - ঝমঝমে আষাঢ়ে - আহমেদ রিয়াজ
-
ভৌতিক হাত -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প: কার্ল জ্যাকবির ‘দ্য হ্যান্ড’ -
বাবার জন্য ভালোবাসা -
মুহাম্মদ নাহিয়ান বিন খালেদ
- সেন্টমার্টিনে বাবার সাথে - জারিন তাসনিম অতসী
-
ভৌতিক ঘুড়ি -
অনীশ দাস অপু
মূল: কার্ল জ্যাকবি’র ‘দ্যা কাইট’ - ফুটবল প্রেমিক - রাশেদ শাওন
- ঘটনাটা সত্য - এনায়েত রসুল
- ভুতুড়ে বাড়ি - অনীশ দাস অপু
- ইচ্ছাপূরণ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- মায়ের কাছে ফেরা - বেবী মওদুদ
- স্বপ্ন - শিবব্রত বর্মন
- মেলায় যাবো - এনায়েত রসুল
- কুমড়ো দানব - অনীশ দাস অপু
- আসলে ছবিটা মেঘের - ধ্রুব এষ
- কাশেম আলী গরু চরাতো - আনিসুল হক
-
অদৃশ্য শত্রু -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প : ফিলিপ কে. ডিক - জাদুকর - সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল
-
জানের দুশমন -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প : হেনরি কুটনার - ভালোবাসার সবুজ গাছ - ইমরুল ইউসুফ
- বড়দিনের রাতে - অনীশ দাস অপু
- দেহহীন - শিবব্রত বর্মন
- নীলুর নীল চশমা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- রহস্যভেদী - রকিব হাসান
- দুষ্টু বিড়াল - অনীশ দাস অপু
- অপেক্ষা - মোস্তফা মামুন
- ঈশানপুরের অপুর কান্ড - সুমন কায়সার
- রাজা যখন গাছে - আহমেদ রিয়াজ
- অন্যরকম ভালোলাগা - শুভ অংকুর
- পৃথিবীর জন্য ভালোবাসা (সায়েন্স ফিকশন) - শুভ অংকুর
- কিং মিঠু - মোস্তফা মামুন
- প্রেতাত্মা - অনীশ দাস অপু
- রোবট - আনিসুল হক
- চতুর্দশতম/চৌদ্দ - নঈম তারিক
- জিকুর স্বপ্ন - আহসান হাবীব
- চোর - রকিব হাসান
- ছায়াহীন - শিবব্রত বর্মন
- ঈদের আগের রাত - মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
মেরু ভালুকদের রাজা -
মূল : ফ্রাঙ্ক বাউম
ভাষান্তর : বিদ্যুত - গাধার টুপি - আহমেদ ফারুক
- আলসে বালক আর গরুর গল্প - মো. গোলাম রহমান
- অতি চালাকির সাজা! - এনায়েত রসুল
- মাছরাঙা আর রূপোর চামুচ - মোস্তফা হোসেইন
- হাবা রাকিবের কাণ্ড - মারুফ রেহমান
- বিড়ালের বন্ধুত্ব - রূপান্তর : আবুল বাসার
- গণেশ চ্যাটার্জি আর তার কালো কুকুর - নাফে মোহাম্মদ এনাম
- শিউ-পিউর বন্ধু তানতুলু - নূর সিদ্দিকী
- মেছোভূত - ইকবাল খন্দকার
- অ্যারোসল ভূত - শাকিল ফারুক
- পাঠশালা - আহমেদ রিয়াজ
- যুদ্ধের গল্প - ফরহাদ সাফায়েতুল কবীর
- বোকাতু - আরিফ হাসান
- রূপকথার ইলিশ - অর্জিতা মাধুর্য
- সীনের বাবা সীনের মা - আহমেদ রিয়াজ
- চাঁদ - পান্থ বিহোস
- মায়ের ভাষা - মুহাম্মদ মুনতাসির আলী
- জিন্নাহ'র না জানা গল্প - আহমেদ রিয়াজ
- ঘুম পাহাড়ের আজব পাখি - আ হ মে দ ফা রু ক
- উপহাস - আহমেদ রিয়াজ
-
ড্রাগনের যম ইভান -
মূল : ভ্লাদিমির বাইকো
অনুবাদ: হাসান খুরশীদ রুমি - টিনা আপুর জাদুর কাঠি - এনায়েত রসুল
- তারা পড়তে দেখলে - ধ্রুব এষ
- বাঘ-সিংহের গল্প - আহমেদ রিয়াজ
-
লুকোচুরি -
নিকোলাই নসভ
অনুবাদ: হাসান খুরশীদ রুমী - রহস্যময় কিশোর যোদ্ধা - আহমেদ রিয়াজ
- অদ্ভূতুড়ে কিন্তু ভূতুড়ে নয় - বিজয় মজুমদার
- তিন ভূতুড়ে - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- মরগানস উডসের ভূত - অনীশ দাস অপু
- মহাকাশে সু ভূতের অভিযান - বিধান রিবেরু
- জামাটা কোথায় গেল - আহমেদ রিয়াজ
- মি. হাকলি - নূর সিদ্দিকী
- বুলেট ভাইয়ের হাইজাম্প - মোস্তফা মামুন
-
একা কবরস্থানে -
মূল : অ্যালভিন শোয়ার্জ
অনুবাদ : হাসান খুরশীদ রুমী - তৈল মর্দন - সজ্জাদ কবীর
- ঝিন্টু - মানিক চন্দ্র দাস
- রবীন-মাহিনের মুক্তি... - আহসান হাবীব
- মামার ঘড়ি - পান্থ বিহোস
- তৃষার ভালো লাগা - এনায়েত রসুল
- খরগোশের টাকা চাষ - ভাষান্তর- মৃত্যুঞ্জয় রায়
- ঈদের চাঁদ - আশীষ চক্রবর্ত্তী
-
স্টোরিটেলার -
নিকোলাই নসভ
রূপান্তর : হাসান খুরশীদ রুমী - একটা গাছের চারা - আশরাফুল আলম পিনটু
- পাহাড় যখন সরে যায় - আমীরুল ইসলাম
- ঝিম দুপুরের গল্প - শাকিল ফারুক
- জেলে আর সোনার মাছ - রহীম শাহ
- কুয়োর ব্যাঙের সমুদ্র যাত্রা - বিজয় মজুমদার
- পুতুল - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
-
হানাবাড়ির উন্মাদ -
মূল : ইলেন এ. কিউল
অনুবাদ : অনীশ দাস অপু - চ্যালেঞ্জ! - রকিব হাসান
- রাজা এলেন - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- চুরি বিদ্যা বড়ো বিদ্যা - মোস্তফা মামুন
- আসলে কী ঘটেছিল - ইমদাদুল হক মিলন
- শিয়াল রাজার সাজা - এনায়েত রসুল
- রূপোলি রেণু - আলী ইমাম
- প্যালিনড্রোমিক ফর্ক... - আহসান হাবীব
- ঘড়ি উদ্ধার - আহমেদ রিয়াজ
- অপু আর তপু - আশরাফুল আলম পিন্টু
- সাদা মেঘ ও কাশফুলেরা - আহমেদ রিয়াজ
- মনের ভয় - ফাতেমা ফেরদৌস (পিংকি)
- চাঁদের বন্ধু খরগোশ - রেহানা পারভীন রুমা
- দুষ্টু টুলু - এনায়েত রসুল
- রেডিও - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- ঠাকুরমার ঝুলি এবং ইবু - আহমেদ ফারুক
- আষাঢ়ে হাতি ও রাজার গল্প - আহমেদ রিয়াজ
- সুন্দর - মঈনুল আহসান সাবের
-
ছোট্ট তুষারমানব -
কোরিয়ার রূপকথা
রূপান্তর : মো. গোলাম রহমান - ঘুপুর বন্ধু টুনু আর চি - এনায়েত রসুল
- এটা আমার বাবার গল্প, মায়েরও - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- চাষা ও তার গরু - আহমেদ রিয়াজ
- সহকারী গোয়েন্দা - মোস্তফা মামুন
- লাল বেলুন - আমীরুল ইসলাম
- ডান-বাম - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
-
শেষ যাত্রা -
মূল : কার্ল জ্যাকবি
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু - লিটুর ঘুম আসে না - মোস্তফা মামুন
- ভূতটা খোলা মাঠে একা শুয়ে আছে - আহমেদ রিয়াজ
- কিসমতের বিচার - হুমায়ূন কবীর ঢালী
- নিপুর আশ্রয় - এনায়েত রসুল
- দুই ভূতের কান্ড - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
কান্নার দাগ -
আফ্রিকার রূপকথা
রূপান্তর : আবুল বাসার - নূরী ও পরী - আহমেদ রিয়াজ
-
প্রকৃতি কন্যার দোলনা ঘর -
শোহেইল মতাহির চৌধুরী
- ছোট্ট জাদু-নুড়ি - আমীরুল ইসলাম
- জাদুর আয়না - রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- বিন্নির খুশি - এনায়েত রসুল
- ঘুম পাহাড়ের আজব পাখি - আহমেদ ফারুক







