মূল : ফ্রাঙ্ক বাউম
ভাষান্তর : বিদ্যুত
[লেখক পরিচিতি : খ্যাতনামা আমেরিকান লেখক ও চিত্র পরিচালক ফ্রাঙ্ক বাউমের জন্ম ১৮৫৬ সালের ১৫ মে নিউইয়র্কে। উপন্যাসের পাশাপাশি শিশুতোষ গল্প লিখে তিনি পৌঁছে গিয়েছিলেন খ্যাতির শীর্ষে। ‘দি ওয়ান্ডারফুল উইজার্ড অফ ওজ’ তার সর্বাধিক পাঠকনন্দিত শিশুসাহিত্য। ৫৫টি উপন্যাস, ৮২টি ছোটগল্প আর ২০০টি কবিতা লিখে তিনি সমৃদ্ধ করে গেছেন আমেরিকান সাহিত্যকে। ফ্রাঙ্ক বাউমের মৃত্যু ১৯১৯ সালের ৬ মে।]
মেরু ভালুকদের যে রাজার কথা আমি বলছি, সে থাকতো সুদূর উত্তর মেরুর বরফ-ঢাকা এক রাজ্যে। বয়সে একটু বুড়ো হলেও সে ছিলো অনেক জ্ঞানী আর খুব বন্ধুবৎসল। ঘন সাদা লোমে ঢাকা ছিল তার বিশাল রাজসিক দেহ। সূর্যের আলোয় তার ধবধবে সাদা লোমগুলো চকচক করতো ঠিক খাঁটি রুপোর মতোই। তার নখগুলো ছিলো যেমন শক্ত তেমনই ধারালো। খুব সহজেই পিচ্ছিল বরফের ওপর দিয়ে হাঁটতে কিংবা জোরে দৌড়াতে পারতো সে। আর এমন শক্ত আর ধারালো নখের কারণেই সে ছিলো দক্ষ শিকারী।
ভালুকরাজকে দেখলেই মেরু রাজ্যের সব সিল মাছদের আত্মারাম একবারে খাঁচাছাড়া হয়ে যেতো, ভয়ে তারা পালিয়ে যেতো দিকবিদিক যেকোনো নিরাপদ আশ্রয়ে। কিন্তু গাংচিলদের সে ছিলো খুবই প্রিয়পাত্র। কারণ তার শিকারের মাংসে ওরাও যে ভাগ বসাতে পারতো শেষবেলায়। রাজা ভালুক যেসব এলাকায় শিকার করতো, প্রজা ভালুকরা ভুলেও সেসব এলাকায় পা ফেলতো না। পাছে যদি রাজা ক্ষেপে যান! তবে বিপদ-আপদে কিংবা অসুখ হলে তারা ঠিকই রাজার কাছে চলে আসতো পরামর্শের জন্য।
যেসব নেকড়ের দল খাবারের আশায় মাঝেমধ্যে মেরু ভালুকদের রাজ্যে চলে আসতো,
তাদের বিশ্বাস ছিলো- ভালুকরাজ হয় একজন জাদুকর, না হয় কোনো ক্ষমতাধর পরীর
বরপ্রাপ্ত। কারণ এ পৃথিবীর কোনো শক্তিই আজ পর্যন্ত তার কোনো ক্ষতি করতে
পারেনি। শিকার করতে গিয়ে সে খালি হাতে ফিরেছে, এমন কথা কোনোকালেই কেউ
শোনেনি। তাছাড়া দিনের পর দিন, বছরের পর বছর, তার শরীর ও শক্তি এতোটাই বেড়ে
যাচ্ছিলো যে সবার পক্ষে এমন মনে হওয়াটাই ছিলো স্বাভাবিক।
কিন্তু একদিন ভালুকরাজের জ্ঞান, শক্তি আর দক্ষতা কোনো কাজেই এলো না তার।
অন্য দিনের মতো ওইদিনও গুহা থেকে বের হয়ে সে যাচ্ছিলো শিকারের খোঁজে। পথে
চোখে পড়লো গ্রীষ্মের তাপে বরফ গলে তৈরি হওয়া আঁকাবাঁকা পথে ভাসমান এক
জলযান। আরোহী ছিলো কয়েকজন মানুষ। এমন অদ্ভুত প্রাণী এর আগে কখনো দেখেনি
সে। তাই খাবারের আশায় গন্ধ শুঁকে শুঁকে এগিয়ে গেলো নৌকাটির দিকে। কিন্তু
পানির কাছাকাছি পৌঁছানো মাত্রই বিকট এক শব্দে চমকে উঠলো সে। কিছু একটার
ধাক্কায় ধপাস করে পড়ে গেলো শক্ত বরফের ওপর। তার বিশাল দেহটি কাঁপতে কাঁপতে
অসাড় হয়ে গেল। শত চেষ্টা করেও সে আর উঠে দাঁড়াতে পারলো না। তার চোখের
সামনের সাদা বরফের রাজ্য মুহূর্তেই ঢেকে গেল গাঢ় অন্ধকারে।
জ্ঞান ফেরার পর সারা দেহে প্রচণ্ড ব্যথা টের পেলো সে। ভালুকরাজ লক্ষ্য করলো, তার সব লোম তুলে নিয়ে গেছে সেই অদ্ভুত প্রাণীগুলো। তার নিথর দেহ যখন পড়েছিলো সাদা বরফের ওপর, তখন আকাশে চক্কর দিচ্ছিলো হাজার হাজার গাংচিল। ওরা বলাবলি করছিল, শেষ পর্যন্ত কী ভালুকরাজ মারাই গেলেন! তবে কি আজ আমাদের বন্ধুর মাংসই খেতে হবে শেষপর্যন্ত!
কিন্তু যখন তার লোমহীন দেহটি খানিক নড়ে উঠলো আর মুখ থেকে ক্লান্ত গোঙানির শব্দ শোনা গেল তখন গাংচিলেরা নিশ্চিত হলো যে নাহ্ তাদের বন্ধু জীবিতই আছে। একটি গাংচিল বলে উঠলো, নেকড়েদের কথাই ঠিক। ভালুকরাজ এক মহান জাদুকর। মানুষরাও তাকে হত্যা করতে পারেনি। কিন্তু লোমহীন দেহে তার খুব কষ্ট হচ্ছে। আমরা কি নিজেদের পালকগুলো ধার দিয়ে তার বন্ধুত্বের প্রতিদান দিতে পারি না?
প্রস্তাবটি অন্য গাংচিলদেরও মনঃপূত হলো। ডানার নিচের নরম পালকগুলো ঠোঁট
দিয়ে তুলে তুলে তারা ঢেকে দিল রাজার লোমহীন দেহ। তারপর সমস্বরে বললো, হে
সাহসী বন্ধু! তোমার হারিয়ে যাওয়া ঝাঁকড়া লোমের মতো আমাদের এই পালকগুলোও
নরোম আর সুন্দর। হিমশীতল বাতাস থেকে এগুলো তোমাকে রক্ষা করবে। তোমার
শরীরকে উষ্ণ রাখবে তারা। মনে সাহস রাখো বন্ধু! আমরা তোমার দীর্ঘায়ু কামনা
করছি।
গাংচিলদের কাছ থেকে বন্ধুত্বের এমন অসাধারণ প্রতিদান পেয়ে সব দুঃখ-কষ্ট
ভুলে গেল ভালুকরাজ। আগের মতোই সাহস আর শক্তি ফিরে পেলো সে। ধীরে ধীরে
গাংচিলদের পালকগুলো এমনভাবে তার শরীরে গেঁথে গেল যেন ওগুলোই তার হারিয়ে
যাওয়া সেই রূপালি লোম। বেশিরভাগ পালকই ছিল সাদা। তবে ধূসর-রঙা গাংচিলদের
পালকের কারণে তাকে অদ্ভুতও লাগছিল খানিকটা।
গ্রীষ্মের বাকি দিনগুলো এবং তারপরের অন্ধকার ছয় মাস নিভৃতেই কাটিয়ে দিলো
শ্বেতভালুকদের রাজা। একমাত্র শিকার করা ছাড়া অন্য কোনো কারণেই গুহা থেকে
বের হতো না সে। তবে শরীরে পাখির পালক লাগানোর কারণে সে মোটেই লজ্জিত ছিল
না। কিন্তু তারপরও নিজের জ্ঞাতিভাইদের পুরোপুরি এড়িয়ে চলতেই পছন্দ করতো
সে। তার ওই নিঃসঙ্গ দিনগুলোতে সে শুধু মানুষ নামের ক্ষতিকর প্রাণীগুলোর
কথাই ভেবেছে।
তার স্মৃতিতে বারবার হানা দিয়েছে পিলে চমকানো সেই বিকট শব্দ। সেই দুঃখের
দিনগুলোতে ভালুকরাজ সঙ্কল্প করেছিল এমন বিপজ্জনক প্রাণীদের ধারেকাছেও সে
আর যাবে না কখনো। কারণ, ওই ঘটনা তার জ্ঞান আর অভিজ্ঞতাকে আরো সমৃদ্ধ
করেছিল।
অনেক দিন পরের কথা। রাতের চাঁদ খসে পড়ার পর আকাশে হাজির হলো নতুন
গ্রীষ্মের প্রথম সূর্য। শ্বেত ভালুকদের রাজ্যে ফিরে এলো ঝলমলে রোদ, সাতরঙা
রংধনু আর নীল জলে সাদা হিমগিরি। গ্রীষ্মের প্রথম দিনেই দুটি শ্বেত ভালুক
শিকারের কায়দা-কানুন নিয়ে শলাপরামর্শের জন্য চলে এলো তাদের রাজার গুহায়।
আর অন্যটি ভয়ে দৌড়ে পালিয়ে গেলো তার সঙ্গী-সাথীদের কাছে। রাজার এমন অদ্ভুত
পরিবর্তনের কথা সে দ্রুত জানিয়ে দিলো পুরো রাজ্যে। শ্বেত ভালুকেরা জরুরি
বৈঠকে বসলো বরফ ঢাকা এক বিশাল মাঠে। সেখানে রাজার অদ্ভুত পরিবর্তন নিয়ে
দীর্ঘক্ষণ চললো গুরুগম্ভীর সব আলোচনা আর নানান তর্ক-বিতর্ক।
কেউ একজন বললো, আসলে সে আর এখন ভালুক নয়। তাকে পাখিও বলা যায় না। সে এখন
অর্ধেক ভালুক, অর্ধেক পাখি। আর এ কারণেই সে আমাদের রাজা থাকার অযোগ্য।
তার পরিবর্তে কে আমাদের রাজা হবে? জিজ্ঞেস করলো অন্য একটি ভালুক।
ওই পাখি-ভালুকের সঙ্গে যুদ্ধ করে যে জয়ী হতে পারবে, সেই হবে আমাদের রাজা।
বৃদ্ধ এক ভালুক ঘোষণা করলো। যার গায়ে শক্তি বেশি, সেই কেবল আমাদের শাসন
করতে পারে।
দীর্ঘক্ষণ চুপ করে থাকার পর দানবাকৃতির আরেকটি শ্বেত ভালুক সামনে এসে
দাঁড়ালো। তার নাম ছিল উফ্। সে বললো- আমি তার সঙ্গে যুদ্ধ করবো। আমার
জাতিতে আমিই সবচেয়ে শক্তিশালী। আমিই হবো শ্বেত ভালুকদের রাজা।
তার এই কথা সবাই মাথা ঝুঁকিয়েই মেনে নিলো। রাজার কাছে পাঠানো হলো বিশেষ
দূত। জানিয়ে দেয়া হলো, তাকে যুদ্ধ করে হারাতে হবে উফ্কে। তা না হলে ছাড়তে
হবে রাজ্য। বিশেষ দূত রাজাকে গিয়ে বললো, যার গায়ে পাখির পালক সে কখনো
ভালুক হতে পারে না। আর যে দেখতে আমাদের মতো, রাজা হিসেবে তাকেই আমরা মান্য
করবো।
‘আমি পালক পরি কারণ আমার তা ভালো লাগে।’ গর্জন করে উঠলো ভালুকরাজ। ‘তাছাড়া
আমি কি জাদুকর নই? তবে তারপরও আমি যুদ্ধ করবো। যদি উফ্ আমাকে হারাতে পারে
তবে আমার বদলে সেই হবে তোমাদের রাজা।’
ভালুকরাজ তার বন্ধু গাংচিলদের কাছে গেলো। আসন্ন এই যুদ্ধের কথা তাদেরকে
জানালো। গভীর আত্মবিশ্বাস নিয়ে বললো, আমিই জয়ী হবো। আমার প্রজারা এখনো
ন্যায়ের পথেই আছে। তাদের মতো একজনকেই তারা রাজা হিসেবে পেতে চায়।
সবকিছু শুনে গাংচিল বললো, মানুষের রাজ্য থেকে পালিয়ে আসা এক ঈগলের সঙ্গে
গতকাল আমার কথা হয়েছে। সেখানে রূপার মতো চকচকে লোম দিয়ে তৈরি একটি পোশাক
সে দেখেছে। আমার ধারণা, ওগুলো আপনারই লোম। আপনি চাইলে একশো গাংচিল পাঠিয়ে
আমি সেই পোশাক এনে দিতে পারি।
‘ওদের পাঠিয়ে দাও’ রানী গাংচিলকে ভালুকরাজ বললো। নির্দেশ পেয়েই সেই একশো
গাংচিল উড়ে গেল দক্ষিণে- মানুষের রাজ্যের দিকে। টানা তিন দিন, তিন রাত ওরা
চষে বেড়ালো গ্রামের পর গ্রাম, শহরের পর শহর। ওরা ছিল সাহসী, জ্ঞানী আর
বুদ্ধিমান। ঠিক চতুর্থ দিনের মাথায় এক ঘোড়ার গাড়ির পেছনের আসনে ওরা খুঁজে
পেলো সেই পোশাক। সেটাকে নিয়ে আবারো এক সঙ্গে উড়ে চললো মেরুরাজ্যের দিকে।
সপ্তম দিনে লড়াই হওয়ার কথা, তার আগেই পৌঁছতে হবে তাদের, কিন্তু ইতিমধ্যেই
দেরি করে ফেলেছিলো ওরা।
অন্যদিকে শক্ত বরফে নখ ঘষে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিলো ভালুকদের
রাজা। এক কামড়ে একটি বড় সিল মাছের হাড়গোড় ভেঙে দিয়ে দাঁতের শক্তিও
পরীক্ষাও করেছিলো সে। আর রানী গাংচিল দলবল নিয়ে তার গায়ের পালকগুলো সাজিয়ে
দিয়েছিলো সযত্নে।
দেখতে দেখতে সপ্তম দিন এসে গেলো। কিন্তু একশো গাংচিলের কোনো হদিসই নেই!
ওদের প্রতীক্ষায় সবাই তাকিয়ে থাকতো দক্ষিণ আকাশের দিকে। যথাসময়ে মেরু
রাজ্যের সব শ্বেত ভালুক উপস্থিত হলো রাজার গুহার সামনে। পরে উপসি'ত হলো
রাজা হওয়ার দাবিদার সেই ভালুক উফ্।
নিজের শক্তি আর সাহসের ওপর অগাধ বিশ্বাস তার। ‘আমার এক আঁচড়ে ওই
পাখি-ভালুকের সব পালক কোথায় উড়ে যাবে!’ অহঙ্কার করে বললো উফ্। অন্যরাও
হেসে উৎসাহ দিলো তাকে। লড়াইয়ের আগে লোম ফিরে না পেয়ে মন খারাপ ছিলো
ভালুকরাজের। তারপরেও নিজের সিদ্ধান্তে সে ছিলো অটল। রাজসিক ভঙ্গিতেই গুহা
থেকে বের হয়ে এলো সে। প্রচন্ড গর্জনে কাঁপিয়ে তুললো আকাশ-বাতাস। সেই গর্জন
শুনে তো উফ্-এর আধমরা অবস্থা!
উফ্ বুঝতে পারলো এমন জ্ঞানী আর মহাশক্তিধর রাজার সঙ্গে লড়াই করা যেনতেন
ব্যাপার নয়। কিন্তু রাজাকে দুই-এক ঘা দেয়ার পরে তার আত্মবিশ্বাস বেড়ে গেলো
কয়েক গুণ। সে চিৎকার করে বলে উঠলো, ‘কাছে আয়, আরো কাছে আয়, পাখি-ভালুক!
আমি তোর সব পালক তুলে নেবো।’
তার এই ঔদ্ধত্যে ভালুকরাজ ক্রুদ্ধ হয়ে উঠলো। পাখির মতো গা ঝাঁড়া দিয়ে
বিশাল দেহ নিয়ে সে ঝাঁপিয়ে পড়লো তার প্রতিপক্ষের ওপর। তার ধারালো নখের এক
আঁচড়ে ডিমের খোসার মতো পটপট শব্দে ভেঙে গেল উফ্-এর মাথার শক্ত খুলি। আর
তার নিথর দেহটি লুটিয়ে পড়লো রাজার পায়ের সামনে।
উপস্থিত ভালুকেরা আতঙ্কিত হয়ে যখন উফ্ এর এই নির্মম পরিণতি দেখছিলো, তখন
দক্ষিণের আকাশ কালো করে ফিরে এলো সেই একশো গাংচিল। উড়ে এসে ভালুক রাজার
গায়ে তারা জড়িয়ে দিলো তারই লোম দিয়ে তৈরি সেই পোশাক। সূর্যের কিরণে রূপার
মতোই ঝলমল করে উঠলো সেই সাদা লোম। শ্রদ্ধায় সবাই একসঙ্গে মাথা নত করলো
মহান রাজার সামনে।
মেরু রাজ্যের সব শ্বেত ভালুকেরা আর বন্ধু গাংচিলেরা তাদের জ্ঞানী ও সম্মানিত রাজাকে আবার দেখতে পেলো সেই পুরনো চিরচেনা রূপেই।
- বাবার মুখে হাসির জন্য - বিএম বরকতউল্লাহ্
- বাবা - হুমায়ূন কবীর ঢালী
- হেস্কু - মাহফুজুর রহমান
- বুদ্ধি - সাদিয়া ইসলাম বৃষ্টি
- নজরুল ও জুটুর গল্প - রহীম শাহ
- মেয়েটি মাকড়সা হয়ে গেল - কাজী কেয়া
- কাজলকাকা ভূত নয় - ইমতিয়ার শামীম
- অর্পণের মা - আলী হাবিব
- রাশিয়ান রূপকথা: ধপাস ভালুক - রহীম শাহ
- মুখোশ রহস্য - আহমেদ রিয়াজ
- মুরগী ছানা তিতি - আরিফুন নেছা সুখী
- অহংকারী রাজকন্যা - বিএম বরকতউল্লাহ
- পুতুল ভূত - রানা জামান
- রাখাল ও জাদুর আম গাছ - হুমায়ুন কবীর ঢালী
- দুষ্টু ছানাদের গল্প - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- তুতুন - আল নাহিয়ান
- সাইকেল বাবু - লিটন মহন্ত
- রূপকথা নীল পূর্ণিমার সোমেশ্বরী - রবীন ভাবুক
- পরীরাণী - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- সাদাসোনা মেঘ, নীল ঘুড়ি আর খোলা মাঠে একা ছেলেটা - নূর সিদ্দিকী
- অন্ধকারের এক রহস্যমানুষ আর রাজহাঁস - মিন্টু হোসেন
- চকোলেট দৌড় - সোহানা রহমান
- স্কুলপড়ুয়া পাখি, প্রজাপতি আর ছড়া - মেহেরুবা নিশা
- গরুর ঘায়ে! - আহমেদ রিয়াজ
-
ঝুমি ও একটি কুকুর -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
উপন্যাস: পিশাচ-কন্যা -
সামান্থা লি
রূপান্তর: অনীশ দাস অপু - অক্স ও বুল (সায়েন্স ফিকশন গল্প) - আবুল কালাম আজাদ
- আমি ভূত - সোহানা রহমান
- সবুজ মাঠ - শিবলী নোমান
- মন্দ মানুষ - চন্দন চৌধুরী
- ঈদে মুক্তির আনন্দ - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- জোনাকিদের গ্রহে ভয়েজার ১ - মিন্টু হোসেন
- তর্ক-বিতর্ক - পাভেল মহিতুল আলম
- খরচি মামার সাইকেল - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
- লাল জামা - বিএম বরকতউল্লাহ্
- আমার বন্ধু ডোরেমন - আহমেদ রিয়াজ
-
অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস অজানা দ্বীপে অভিযান -
মূল : এডগার অ্যালান পো
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- ঢেউয়ের বন্ধুরা - নূর সিদ্দিকী
- ভাষা - জাহিদুল আলম
- বর্ণান্ধ - মারিয়া হোসেন
- ভূতের সঙ্গে আড়ি - মুহসীন মোসাদ্দেক
- নরহরি দাস - উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
- কাকদের পুরীষ উৎসব! - মহিউদ্দীন আহ্মেদ
- সে সত্যিই ছিল একটা বাচ্চা পরি - মেহেরুবা নিশা
-
মেঘকন্যা আর টুনটুনিছানা -
বিএম বরকতউল্লাহ্
- নবম মাত্রার গোবট - ধ্রুব নীল
-
পরী এবং পরিবেশ -
মাহাবুবুল হাসান নীরু
- দুঃখী বুড়ি ও নেংটি ইঁদুর - বিএম বরকতউল্লাহ্
- ভালো 'মন খারাপ' - চন্দন চৌধুরী
- রকির চাওয়া - জুবায়ের হুসাইন
- মৌমাছি ও কাঠুরিয়া - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্
- ফিরে দেখা - রবীন ভাবুক
- মতির মাথায় গাব - ধ্রুব নীল
- প্রজাপতি হবো - এনায়েত রসুল
- চাঁদনি-হালুয়া - সঞ্চারিণী
- জলে কোলাহল - চন্দন চৌধুরী
- এক টুকরো মেঘ ও দুঃখী গাছ - বিএম বরকতউল্লাহ
- আমার রোবট 'রবি' - মোঃ মিন্টু হোসেন
- কত আটায় কত রুটি - আবুল কালাম আজাদ
- আংটি - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- শহরে একদিন - আহমেদ রিয়াজ
- পল্টুর বন্ধু - আহসান হাবীব
-
হরর গল্প -
মিস্ট্রেস স্যারি মূল : উইলিয়াম টেন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- নিলেশের অন্য ভূবন - আফরোজা অদিতি
- ভাষার খোঁজে নেপালে - সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ
- গিফট - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- ভূত শিকার - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
-
ডানাকাটা পাখি ও সীম বীজ -
চন্দন চৌধুরী
- গোয়েন্দা মেনু'দা - রবীন ভাবুক
- তিনা আর লাল গোলাপ - আফরোজা অদিতি
- পরীটি কি জাদু জানে - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- আরকনির রুমাল - মোঃ মিন্টু হোসেন
- পুষ্পিতার ঈদ - আফরোজা আদিতি
- হাতির ডিম - আহমেদ রিয়াজ
- কঙ্ক - শুভ অংকুর
- বিন্নির খুশি - এনায়েত রসুল
- প্রান্ত ও তার এ্যাডনোক্সিয়ান বন্ধু (সায়েন্স ফিকশান) - আবুল কালাম আজাদ
- এক যে ছিলো রাসেল - বেবী মওদুদ
- আতঙ্কের প্রহর [রহস্য গল্প] - অনীশ দাস অপু
- ঈদ শপিং - আহসান হাবীব
- উপন্যাস- আলিবাবা ও চালিচার - শিবব্রত বর্মন
- মৌমাছি - মোস্তফা কামাল বিপ্লব
- সূত্রধর স্যার - জাহিদুল আলম
-
কোনো এক অমাবস্যার রাতে -
আহমেদ রিয়াজ
- বিজ্ঞানী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গড়ে আটকা এক নেকড়ে - মোঃ মিন্টু হোসেন
- প্রজাপতি - এনায়েত রসুল
- পরী এসেছিল - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- বিচ্ছু ভাগনের কাণ্ড - জাহিদুল আলম
- নিশান আর ব্ল্যাকহোল - আফরোজা অদিতি
- পরীর বন্ধু অহনা - এনায়েত রসুল
-
স্যারের বিপদ -
জাহিদুল আলম
-
নতুন স্যার -
আবুল কালাম আজাদ
-
মিকাই-এর বাঘের ছানা -
মিন্টু হোসেন
-
আলুভর্তা -
জান্নি রোদারি
অনুবাদ: জামিল বিন সিদ্দিক -
বেকার আয়না -
জাহিদুল আলম
-
একদিন রাতে ধবধবে বিড়ালটা -
আহমেদ রিয়াজ
- অবাক বইপাঠ - মুনির রানা
- জোকার - শিবব্রত বর্মন
- ইঁদুরের ভোজ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ভৌতিকবাড়ি - অনীশ দাস অপু
- মেলায় মাঠে পিউস - আফরোজা অদিতি
-
মিস্ট্রেস স্যারি -
মূল : উইলিয়াম টেন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
ভয়ঙ্কর এক লোক -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
তেরো তলা -
মূল : ডন উলফসনে
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
টুঙ্গিপাড়ার খোকা -
বেবী মওদুদ
-
রাতের আতঙ্ক -
শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
বৃক্ষপরী টিয়া -
আফরোজা অদিতি
-
গেকো -
অনীশ দাস অপু
-
ময়না -
আফরোজা অদিতি
-
রাজকন্যা মাঈশা আর বলঢাঁশের গল্প -
আশরাফুল ইসলাম সাগর
-
শেয়াল দেবতার প্রতিহিংসা -
মূল : রবার্ট ব্লচ
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু - ফার্স্ট হওয়ার ঝামেলা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- শূন্যে ডানা মেলে - এনায়েত রসুল
-
একটু উষ্ণতার জন্য -
মূল : হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান এন্ডারসন
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু -
শামন্তীর শীতবেলা -
মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
রাতের অতিথি -
আহমেদ রিয়াজ
- চৈতি আপু - ইমদাদুল হক মিলন
- তেতুল গাছ - আহসান হাবীব
- টুশির গল্প - বেবী মওদুদ
- চড়ুই পাখিদের ঘরের ঘটনা - ধ্রুব এষ
- বিলাই মা বিলাই ছা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- এক শিশি আলতা - এনায়েত রসুল
- কুলরাজা কুলরাণী - শাশ্বত ভট্টাচার্য
- ছায়ার মানুষ - আহমেদ রিয়াজ
- আলতা কন্যার জন্মদিন - মারুফ রেহমান।
- লেজ উঁচিয়ে - আহমেদ রিয়াজ
- ভৌতিক গল্প : থাবা - অনীশ দাস অপু
- রাজার ঈগল পাখি (কম্বোডিয়ার লোককাহিনী) - অনুবাদ: মৃত্যুঞ্জয় রায়
- আকাশ ছুঁয়ে উড়বো - এনায়েত রসুল
- আবু আর বাবু - বেবী মওদুদ
-
ভূতুড়ে বানর -
মূল : স্টিফেন কিং
অনুবাদ : অনীশ দাস অপু - কার ছবি - ইমদাদুল হক মিলন
- ঝন্টু মন্টুর দাদি - আহসান হাবীব
- সন্ধ্যার বিচিত্র ঘটনা - ধ্রুব এষ
-
তিন রাজপুত্র -
অনুবাদ : শিবব্রত বর্মন
মূল গল্প: আইজাক আসিমভ - নওরিনের স্কুল - এনায়েত রসুল
- বংশী নদীর ঘটনা - হামিদ কায়সার
- মাকড়সার চন্দ্র ভ্রমণ - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- ইঁদুর সাহেবার হলিডে - মিজানুর খান
- জাদুর ঢোল - আহমেদ রিয়াজ
- ক্যামডেন কিলার - অনীশ দাস অপু
- পরীর দেশে - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- পিঁপড়ে যখন হাতির বন্ধু - আহমেদ রিয়াজ
- সাগর পরী - মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
বৃষ্টি তুমি এসো না -
অনীশ দাশ অপু
মূল রচনা: আইজাক আসিমভ - ঝমঝমে আষাঢ়ে - আহমেদ রিয়াজ
-
ভৌতিক হাত -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প: কার্ল জ্যাকবির ‘দ্য হ্যান্ড’ -
বাবার জন্য ভালোবাসা -
মুহাম্মদ নাহিয়ান বিন খালেদ
- সেন্টমার্টিনে বাবার সাথে - জারিন তাসনিম অতসী
-
ভৌতিক ঘুড়ি -
অনীশ দাস অপু
মূল: কার্ল জ্যাকবি’র ‘দ্যা কাইট’ - ফুটবল প্রেমিক - রাশেদ শাওন
- ঘটনাটা সত্য - এনায়েত রসুল
- ভুতুড়ে বাড়ি - অনীশ দাস অপু
- ইচ্ছাপূরণ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- মায়ের কাছে ফেরা - বেবী মওদুদ
- স্বপ্ন - শিবব্রত বর্মন
- মেলায় যাবো - এনায়েত রসুল
- কুমড়ো দানব - অনীশ দাস অপু
- আসলে ছবিটা মেঘের - ধ্রুব এষ
- কাশেম আলী গরু চরাতো - আনিসুল হক
-
অদৃশ্য শত্রু -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প : ফিলিপ কে. ডিক - জাদুকর - সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল
-
জানের দুশমন -
অনীশ দাস অপু
মূল গল্প : হেনরি কুটনার - ভালোবাসার সবুজ গাছ - ইমরুল ইউসুফ
- বড়দিনের রাতে - অনীশ দাস অপু
- দেহহীন - শিবব্রত বর্মন
- নীলুর নীল চশমা - মৃত্যুঞ্জয় রায়
- রহস্যভেদী - রকিব হাসান
- দুষ্টু বিড়াল - অনীশ দাস অপু
- অপেক্ষা - মোস্তফা মামুন
- ঈশানপুরের অপুর কান্ড - সুমন কায়সার
- রাজা যখন গাছে - আহমেদ রিয়াজ
- অন্যরকম ভালোলাগা - শুভ অংকুর
- পৃথিবীর জন্য ভালোবাসা (সায়েন্স ফিকশন) - শুভ অংকুর
- কিং মিঠু - মোস্তফা মামুন
- প্রেতাত্মা - অনীশ দাস অপু
- রোবট - আনিসুল হক
- চতুর্দশতম/চৌদ্দ - নঈম তারিক
- জিকুর স্বপ্ন - আহসান হাবীব
- চোর - রকিব হাসান
- ছায়াহীন - শিবব্রত বর্মন
- ঈদের আগের রাত - মৃত্যুঞ্জয় রায়
-
মেরু ভালুকদের রাজা -
মূল : ফ্রাঙ্ক বাউম
ভাষান্তর : বিদ্যুত - গাধার টুপি - আহমেদ ফারুক
- আলসে বালক আর গরুর গল্প - মো. গোলাম রহমান
- অতি চালাকির সাজা! - এনায়েত রসুল
- মাছরাঙা আর রূপোর চামুচ - মোস্তফা হোসেইন
- হাবা রাকিবের কাণ্ড - মারুফ রেহমান
- বিড়ালের বন্ধুত্ব - রূপান্তর : আবুল বাসার
- গণেশ চ্যাটার্জি আর তার কালো কুকুর - নাফে মোহাম্মদ এনাম
- শিউ-পিউর বন্ধু তানতুলু - নূর সিদ্দিকী
- মেছোভূত - ইকবাল খন্দকার
- অ্যারোসল ভূত - শাকিল ফারুক
- পাঠশালা - আহমেদ রিয়াজ
- যুদ্ধের গল্প - ফরহাদ সাফায়েতুল কবীর
- বোকাতু - আরিফ হাসান
- রূপকথার ইলিশ - অর্জিতা মাধুর্য
- সীনের বাবা সীনের মা - আহমেদ রিয়াজ
- চাঁদ - পান্থ বিহোস
- মায়ের ভাষা - মুহাম্মদ মুনতাসির আলী
- জিন্নাহ'র না জানা গল্প - আহমেদ রিয়াজ
- ঘুম পাহাড়ের আজব পাখি - আ হ মে দ ফা রু ক
- উপহাস - আহমেদ রিয়াজ
-
ড্রাগনের যম ইভান -
মূল : ভ্লাদিমির বাইকো
অনুবাদ: হাসান খুরশীদ রুমি - টিনা আপুর জাদুর কাঠি - এনায়েত রসুল
- তারা পড়তে দেখলে - ধ্রুব এষ
- বাঘ-সিংহের গল্প - আহমেদ রিয়াজ
-
লুকোচুরি -
নিকোলাই নসভ
অনুবাদ: হাসান খুরশীদ রুমী - রহস্যময় কিশোর যোদ্ধা - আহমেদ রিয়াজ
- অদ্ভূতুড়ে কিন্তু ভূতুড়ে নয় - বিজয় মজুমদার
- তিন ভূতুড়ে - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
- মরগানস উডসের ভূত - অনীশ দাস অপু
- মহাকাশে সু ভূতের অভিযান - বিধান রিবেরু
- জামাটা কোথায় গেল - আহমেদ রিয়াজ
- মি. হাকলি - নূর সিদ্দিকী
- বুলেট ভাইয়ের হাইজাম্প - মোস্তফা মামুন
-
একা কবরস্থানে -
মূল : অ্যালভিন শোয়ার্জ
অনুবাদ : হাসান খুরশীদ রুমী - তৈল মর্দন - সজ্জাদ কবীর
- ঝিন্টু - মানিক চন্দ্র দাস
- রবীন-মাহিনের মুক্তি... - আহসান হাবীব
- মামার ঘড়ি - পান্থ বিহোস
- তৃষার ভালো লাগা - এনায়েত রসুল
- খরগোশের টাকা চাষ - ভাষান্তর- মৃত্যুঞ্জয় রায়
- ঈদের চাঁদ - আশীষ চক্রবর্ত্তী
-
স্টোরিটেলার -
নিকোলাই নসভ
রূপান্তর : হাসান খুরশীদ রুমী - একটা গাছের চারা - আশরাফুল আলম পিনটু
- পাহাড় যখন সরে যায় - আমীরুল ইসলাম
- ঝিম দুপুরের গল্প - শাকিল ফারুক
- জেলে আর সোনার মাছ - রহীম শাহ
- কুয়োর ব্যাঙের সমুদ্র যাত্রা - বিজয় মজুমদার
- পুতুল - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
-
হানাবাড়ির উন্মাদ -
মূল : ইলেন এ. কিউল
অনুবাদ : অনীশ দাস অপু - চ্যালেঞ্জ! - রকিব হাসান
- রাজা এলেন - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- চুরি বিদ্যা বড়ো বিদ্যা - মোস্তফা মামুন
- আসলে কী ঘটেছিল - ইমদাদুল হক মিলন
- শিয়াল রাজার সাজা - এনায়েত রসুল
- রূপোলি রেণু - আলী ইমাম
- প্যালিনড্রোমিক ফর্ক... - আহসান হাবীব
- ঘড়ি উদ্ধার - আহমেদ রিয়াজ
- অপু আর তপু - আশরাফুল আলম পিন্টু
- সাদা মেঘ ও কাশফুলেরা - আহমেদ রিয়াজ
- মনের ভয় - ফাতেমা ফেরদৌস (পিংকি)
- চাঁদের বন্ধু খরগোশ - রেহানা পারভীন রুমা
- দুষ্টু টুলু - এনায়েত রসুল
- রেডিও - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- ঠাকুরমার ঝুলি এবং ইবু - আহমেদ ফারুক
- আষাঢ়ে হাতি ও রাজার গল্প - আহমেদ রিয়াজ
- সুন্দর - মঈনুল আহসান সাবের
-
ছোট্ট তুষারমানব -
কোরিয়ার রূপকথা
রূপান্তর : মো. গোলাম রহমান - ঘুপুর বন্ধু টুনু আর চি - এনায়েত রসুল
- এটা আমার বাবার গল্প, মায়েরও - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
- চাষা ও তার গরু - আহমেদ রিয়াজ
- সহকারী গোয়েন্দা - মোস্তফা মামুন
- লাল বেলুন - আমীরুল ইসলাম
- ডান-বাম - শাহ্নেওয়াজ চৌধুরী
-
শেষ যাত্রা -
মূল : কার্ল জ্যাকবি
রূপান্তর : অনীশ দাস অপু - লিটুর ঘুম আসে না - মোস্তফা মামুন
- ভূতটা খোলা মাঠে একা শুয়ে আছে - আহমেদ রিয়াজ
- কিসমতের বিচার - হুমায়ূন কবীর ঢালী
- নিপুর আশ্রয় - এনায়েত রসুল
- দুই ভূতের কান্ড - শাহনেওয়াজ চৌধুরী
-
কান্নার দাগ -
আফ্রিকার রূপকথা
রূপান্তর : আবুল বাসার - নূরী ও পরী - আহমেদ রিয়াজ
-
প্রকৃতি কন্যার দোলনা ঘর -
শোহেইল মতাহির চৌধুরী
- ছোট্ট জাদু-নুড়ি - আমীরুল ইসলাম
- জাদুর আয়না - রূপান্তর : অনীশ দাস অপু
- বিন্নির খুশি - এনায়েত রসুল
- ঘুম পাহাড়ের আজব পাখি - আহমেদ ফারুক







