এটি একটি মজার সিনেমা। মিস্টার ইনক্রেডিবল মেট্রোভিল শহরের এক সুপার হিরো। তার স্ত্রী প্লাস্টিক উইম্যান হেলেন ওই শহরের আরেক সুপার হিরোইন। তারা শহরময় ঘুরে বেড়ায় আর বিপদে পড়া মানুষদের বাঁচায়। সেই সাথে অপরাধীদের শাস্তি দেয়। এভাবে মেট্রোভিল শহরে তারা জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
তাদের গায়ে আছে প্রচণ্ড শক্তি। আর এই শক্তির কারণে মানুষকে বাঁচাতে গিয়ে তারা বাড়িঘর, রাস্তাঘাট সবকিছু ভেঙেচুড়ে ফেলে। আর তাই একদল শান্তি প্রিয় লোক এই সুপার হিরোদের উপর ক্ষেপে ওঠে। তারা চায় শান্তিপূর্ণ জীবন, দরকার নেই তাদের সুপারহিরোদের। একসময় তাদেরকে বাধ্য করা হয় স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে।
মনের দুঃখে মিস্টার ইনক্রেডিবল আর প্ল্লাস্টিক উইম্যান মানুষের উপকার করা বাদ দিয়ে ঘর-সংসার শুরু করে। তারপর ১৫ বছরে তাদের মোট ৩টি বাচ্চা হয়। বাবা-মা সুপারহিরো হলে বাচ্চা-কাচ্চারা কি আর ঠিক থাকে! তাদের শরীরেও সুপার পাওয়ার চলে আসে। যেমন তাদের বড় মেয়েটি পারে অদৃশ্য হয়ে যেতে, বড় ছেলেটি এত জোরে দৌড়তে পারে যে, টিচার তাকে ধরে শাস্তি দিতে চাইলেও পারে না। কারণ ততক্ষণে সে এক দৌড়ে পগারপার। আর তাদের একদম ছোট পিচ্চি ভাইটার তো অদ্ভুত শক্তি, সে আগুন-লোহা-বরফ-মাটি, চাইলে যে কোন কিছু হয়ে যতে পারে। এভাবেই তাদের সুখের সংসার চলছিল।
একদিন মিস্টার ইনক্রেডিবল বিপদে পড়ে। তার পুরনো শত্রু তাকে কৌশলে আটকে ফেলে। তাকে বাঁচাতে গিয়ে প্লাস্টিক উইম্যান হেলেনও ধরা পরে। কী আর করা, এবার বাচ্চা দুটোই এগিয়ে আসে। তারপর? সেটা জানতে না হয় ছবিটা দেখে ফেলো। টান টান উত্তেজনা ভরা ছবিটি দেখতে বসলে শেষ না করে উঠতে পারবে না।
বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম/শারমীন আফরোজ/এবি/এমআইআর/ নভেম্বর ১৭