এই ‘মা দিবস’ পালনের চিন্তাটা কিন্তু বেশ পুরনো। এমনকি কয়েক হাজার বছর আগেও
মা দিবস পালন করা হত। মিশর, রোম ও গ্রিসে মা দিবস পালন করা হত খ্রিস্টের
জন্মের অনেক আগে থেকেই। তবে সে মা দিবসটা এখনকার মা দিবসের মতো ছিল না।
তখনকার মা দিবস ছিল দেবতাদের মায়ের দিবস। সেদিন বিভিন্ন দেবতার মায়ের
আরাধনা করা হত। আরাধনা করা হত দেবী আইসিসের কিংবা সিবিলির অথবা রিয়ার।
সত্যিকারভাবে
মায়েদের জন্য দিবস পালন শুরু হয় ১৬ শতকে এসে, ইংল্যান্ডে। দিনটিকে ওরা
বলত, মাদারিং ডে। এদিন সরকারি ছুটিও ছিল। মাদারিং ডে তে পরিবারের সবাই
মায়ের কাছে এসে, মায়ের সঙ্গে সারাদিন কাটাত। তবে শেষতক এই দিবসটি তেমন
প্রসার লাভ করেনি।
ব্
রিটিশরা যে পৃথিবীর নানা অঞ্চলে উপনিবেশ স্থাপন করেছিল। এমনকি আমেরিকাও ছিল ব্রিটিশ উপনিবেশ। তখন ইংল্যান্ড থেকে দলে দলে লোকজন আমেরিকায় গিয়ে বসবাস করতে শুরু করে। আমেরিকায় আসা এই ব্রিটিশরা আমেরিকাতেও মাদারিং ডে চালু করার চেষ্টা করে। শেষ পর্যন্ত অবশ্য সে চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়।
আরও অনেক পথ পেরিয়ে অবশেষে সরকারিভাবে মা দিবস উদযাপন শুরু হয় ১৯১৪ সালে। তখনকার আমেরিকান প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন মে মাসের দ্বিতীয় রবিবারকে জাতীয় মা দিবসের স্বীকৃতি দেন। পরে আমেরিকার স্বীকৃত এই মা দিবসকেই আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয় ১৯৬২ সালে। বাংলাদেশও এই দিনটিকেই মা দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। সে হিসেবেই, এ বছর মা দিবস হচ্ছে ১২ মে।
এমনি নানা দেশে নানা দিনে মা দিবস পালন করা হয়। তবে বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন দিনে পালন করা হলেও, মা দিবসের মূল কথা কিন্তু একটাই- মার প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করা। একযোগে সব্বাই মিলে সকল মাকে ভালোবাসা জানানো, সম্মান জানানো, শ্রদ্ধা জানানো।
বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম/এনজে/সাগর/মে ১১/১৩








