
কার যেন একটা পোষা কাঁকড়া হারিয়ে গেছে। দেখো তো, খুঁজে পাও কিনা!

হারিয়ে যাওয়া বিড়ালটা দেখো তো, কেমন সিংহের মতো দেখতে!

এই হারিয়ে যাওয়া প্রাণীটাকে চিনেছো? হ্যাঁ, একটা পোষা মাছি!

দেখো, আমি সাইকেল চালাতে পারি!

সাইকেল চালানোর সময়েও হেলমেট পরা উচিত।

আরে, এই সাইকেল শুধু চালানোই যায় না, পরাও যায়!

যদি সাইকেল চালাতেই হয়, তাহলে এই সাইকেল-ই চালাবো!

দেখো, এই সাইকেলটা কী সুন্দর!

এই সাইকেলটা কীভাবে চালাবে, শুনি?

কুকুরের আকৃতির এই শার্পনারটা তো বেশ দুষ্টু!

এটাও কিন্তু শার্পনার, তোমার টিফিন বক্স না!

এই শার্পনারকে ফিশিং গেইমসের মাছ ভেবে যে কেউ-ই ভুল করতে পারে!

এই শার্পনারটা যেমন দুষ্টু, তেমনি মজারও বটে!

বুদ্ধি থাকলে বর্ষায় টাকা দিয়ে ছাতা কিনতে হয় না!

বাঁচাও!

বলো তো আমি কে, কেচি না কাঁকড়া?

শিক্ষক বললেন, আমি নাকি জীবনে উপরে উঠতে পারব না। এক্ষুণি যাচ্ছি!

ওই মই দিয়ে আর কতো উপরে ওঠা যায়! উপরে উঠলে এই সিঁড়ি দিয়ে যেতে হবে!

হুহ! উপরে উঠতে হয় নৌকো দিয়ে। এই যে আমরা নৌকোয় করে পৃথিবীরই উপরে উঠে গেলাম!

আমি হলাম সুপারম্যান! সুপারম্যানকে ঢুঁশ মারা এত্তো সোজা!

বাসার সামনে বেঞ্চি বানালাম একটু বসবো বলে, উনি এসেছেন নাস্তা খেতে! এবার বোঝো মজা!

ইশ! অল্পের জন্য ফসকে গেলো!

এটা হল একটা ক্লাশরুমের ছবি। ক্লাশরুমের একজন শিক্ষক আর কয়েকজন শিক্ষার্থী থাকে।

একী? আমাদের ক্লাশরুমে এরা কারা দেখো তো?

আমি মৎস্য-শিক্ষক, আর ওরা মৎস্য-শিক্ষার্থী!

ইঁদুর দিয়ে পিসি চালানো! এবার বোঝো ঠ্যালা।

ইয়া ঢিসা ঢিসা ঢিসা!

এই মনস্টারটা তো দেখি আমার চেয়েও অদ্ভূত।

দেখো তো, কোন কেকগুলো দুষ্টু কেক, আর কোন কেকগুলো ভাল কেক?

দেখতে প্যাকম্যান গেইম মনে হলেও এইগুলোও কিন্তু আসলে এক-একটা কেকই!

আর এই কেকগুলো দিয়ে তো রীতিমতো মারিও গেইম-ই বানানো হয়েছে!

ভাল করে ব্যায়াম করে নেই, পেটের ডিমগুলোর জন্য আজকে অনেক রক্ত লাগবে।

পেয়েছি একটা মানুষ, ওর কাছ থেকেই রক্ত খাব!

ওরে বাবা! ও তো মানুষ না, লোহার মূর্তি! মাঝখান দিয়ে আমার হুলটাই বরবাদ হয়ে গেল!

এই স্যান্ডেলে খুবই মজা। যখন ইচ্ছা, খুলে টাইপ করতে পারবে!

উঁহু, এটা কেডস নয়, স্যান্ডেল!

এটার কী নাম দেওয়া যায়, বলো তো?

এই স্যান্ডেল পায়ে দিয়েও ঘুরতে পারো, আবার সুযোগ মতো গুলতি বানিয়ে আমও পাড়তে পারো

এটা কিন্তু ট্রান্সফরমার স্যান্ডেল! যখন প্রয়োজন হবে, আপনা-আপনি অপটিমাস হয়ে যাবে!

এই তুষারমানবটা কেমন?

ছিনতাই খালি মানুষই করে, তুষারমানবরা করে না?

আহ্... গাজর খেতে কতো মজা!

একেই বলে কারো পৌষ মাস, কারো সর্বনাশ!

অপরাধ করলে শাস্তি তো পেতেই হবে। তাই বলে এত্তো উঁচু থেকে ঝুলিয়ে রাখবে!

যাক, পালানো গেছে... আরে! পা টেনে ধরলো কে?

পালাও... ওমা! ঘোড়া এমন উল্টো হয়ে ঝুলে থাকলে পালাবো কি করে!

দেখেছো, আমার মুখটা কত্তো ফরসা!

ও বাবা! আমার বিড়াল দেখি আমাকেই লাথি মারে!

যাহ, চাকা খুলে গেলো যে!

বাঁচাও! ক্ষ্যাপা ষাড়!

ইশ, অল্পের জন্য ফসকে গেলো!

এক্ষুণি আমার টিয়া পাখি চাই। নইলে ফেলে দিলাম কিন্তু!

এক্ষুণি আমার টিয়া পাখি চাই। নইলে ফেলে দিলাম কিন্তু!

লোভ করে আবার ওগুলোতে কামড় দিতে যেও না! ওগুলো পিজ্জা না, পিলো!

ভাবছো, ও বুঝি চাঁদের বুড়ির নাতনি, তাই চাঁদের গায়ে শুয়ে আছে! না, এটাও পিলো!

এই পিলোটার মজা দেখেছো, আলোও জ্বলে!

যদি বলি, এটাও পিলো? এবার তো পিলো শব্দের মানেই পাল্টে গেলো!

ভয় পেলে নাকি? না, ওরা পাথরে না, পিলোতে লাফ দিচ্ছে!

এই ডাকটিকিটে কে আছে বলো তো? হ্যাঁ, মিকি মাউস!

আর এটাতে বালুকে জড়িয়ে ধরে আছে জঙ্গল বুকের মুগলি।

১০১ ডালমেশিয়ানের কথা মনে আছে?

এই ডাকটিকিটে স্লিপিং বিউটি আর তার সঙ্গী-সাথীরা কেমন মজা করছে দেখো!

আআআ... সিমসন কিভাবে চেঁচাচ্ছে দেখছো?

নাও, সূর্যের মিষ্টি খাও!

দেখো, আমি হাত দিয়ে দৌড়েই তোমাদের আগে যাবো, হুহ!

এ্যাই মেয়ে, কোথায় যাও?

তোমার নাকটা এমন খসখসে কেনো?

পোঁওওওওও!

জেব্রাটাকে কে চালাচ্ছে বলো তো?

এগুলো কি টেবিল-চেয়ার, না আমার আত্মীয়-স্বজন!

হুহ, সিংহ কি আর আমাকে ধরতে পারবে!

ট্রা-লা-লা-লা-লা, আমি এক জেব্রা!

ও কিন্তু সাধারণ কোনো উট না, রীতিমতো স্পাইডার ক্যামেল! হু হু!

ও কিন্তু সাধারণ কোনো উট না, রীতিমতো স্পাইডার ক্যামেল! হু হু!

আচ্ছা, এটা উট না ভেড়া?

হাসবে না, মাত্র কোক খেলো যে!

উটটা কি সুন্দর হাসছে দেখেছো?

উফ! কী গরম! গরমে মরে গেলাম!

এই গরমে কেউ ঘুরতে বেড়োয়? গাধা কোথাকার!

কী! তোমাদের বৃষ্টি চাই? আচ্ছা, দিচ্ছি।

তোমরা শুধু শুধু ছাতা কিনেছো। বুদ্ধি থাকলে টাকা দিয়ে ছাতা কিনতে হয় না, একটা জিরাফ কিনলেই হয়!

উফ! ডিমটা এত্তো ভারি! কেউ কি আমাকে সাহায্য করবে?

আমি সাহায্য করতে পারবো না। দেখছো না, আমার কী ভীষণ অসুখ!

একদম ডিস্টার্ব করবে না। আমরা গান করছি দেখছো না!

আমিও পারবো না। আমার কেমন জানি লাগছে!

আমরা একটা জটিল গাণিতিক হিসাব করছি। আপাতত আমরাও তোমাকে সাহায্য করতে পারবো না।

দাঁড়াও, আমি তোমাদের সাহায্য করার ব্যবস্থা করছি। একটা ফোন করে আসি।

ইয়াহ! এসে গেছে সুপার পিঁপড়া! কার সাহায্য লাগবে?

এই কুকুরটা আবার বৃষ্টি খুব ভয় পায়। তাই তো দেখো না, মেঘ করতেই রেইনকোট পরে বসে আছে!

বলো তো, এটা কী? বলতে পারলে একটা লেবেঞ্চুস!

এটা কিন্তু খরগোশ, বালিশ না! ওকে মাথার নিচে দিয়ে ঘুমোতে যেও না যেনো।

খাবারটা শেষ পর্যন্ত কে খেতে পারবে, বলো তো দেখি?

এই যে এভাবে মারামারি করতে হয়!

ওরা চুপিচুপি কী বলে?

কী মজা! আমরা বাসে করে পিকনিকে যাচ্ছি।

হায় হায়! বাস তো চলে গেলো! এখন কী করি?

কেনো? ডাইনি বুড়িকে বলো, তার যাদুর ঝাড়– নিয়ে আসতে!

কী ব্যাপার? ডাইনি বুড়ি এখনো আসছে না কেনো?

তাইতো! আসছে না কেনো?

আসবে কি করে? দেখছো না, ডাইনি বুড়ির কী হাল!

বাসায় সিডির স্তুপ হয়ে গেছে, এই ঘড়িটা কিনে নাও। সময় তো দেখতেই পারবে, সঙ্গে এটাতে তোমার রাজ্যের যতো সিডি আছে, সেগুলোও রাখতে পারবে।

দেখেছো, তোমার মতোই কী দুরন্ত এই সিডি হোল্ডারের মানুষগুলো!

ইশ! সিডির চাপ খেয়েই কুকুর দুটোর চোখ একদম কোটর ছেড়ে বেরিয়ে আসতে চাইছে!

এই সিডি হোল্ডারগুলো কিন্তু পেঁচিয়ে যায়নি। এগুলো আসলেও এরকমই।

এটা কিন্তু ফুলদানি না, সিডি হোল্ডারই!

এই সুমো কুস্তিগীর কতো কষ্টেই না তোমার সিডিগুলো ধরে রেখেছে। তোমার সিডিগুলো না জানি কত্তো ভারি!

ম্যাডাম, এটাই কি নিউটনের মাথায় পড়া সেই আপেল?

আরে, ওটা তো আমার আপেল। আমার আপেল চু-রি-ক-রে-ছে! চোর চোর!

ফ্লিনস্টোন তো ঠিকমতো চিল্লাতেও পারছে না। ওকে চেঁচাতে সাহায্য করতে কি দেয়া যায় বলো তো?

ভুভুজেলা!

ওরা আপেলটা নিয়ে এতো চিল্লাচিল্লি করছে কেনো? আমি রাজা, আপেলও আমার।

ধুর, ওসব চিল্লাচিল্লিতে কান দিও না। তারচেয়ে আমার বাজনা শোনো।

ধুর, ওসব চিল্লাচিল্লিতে কান দিও না। তারচেয়ে আমার বাজনা শোনো।

ওরা আপেলটা নিয়ে এতো চিল্লাচিল্লি করছে কেনো? আমি রাজা, আপেলও আমার।

ভুভুজেলা!

ফ্লিনস্টোন তো ঠিকমতো চিল্লাতেও পারছে না। ওকে চেঁচাতে সাহায্য করতে কি দেয়া যায় বলো তো?

আরে, ওটা তো আমার আপেল। আমার আপেল চু-রি-ক-রে-ছে! চোর চোর!

ম্যাডাম, এটাই কি নিউটনের মাথায় পড়া সেই আপেল?

শুধু কি ডলফিনই লাফাতে জানে? আমাদের ফুটবলাররাও কম যায় না!

দেখছো, মেয়েটাকে ডলফিনটা কী সুন্দর করে আদর করে দিচ্ছে।

হু হু, মানুষের সঙ্গে ওদের ভাব আরো বেশি!

এই ছবিটার কাহিনী কি, বলো তো?

শুধু তো বিড়ালের সঙ্গে কেনো, গরুর সঙ্গেও কি ওদের কম ভাব!

দেখেছো, বিড়াল আর ডলফিনে কতো ভাব!

বইগুলো তো আসলে আমাদের মগজের মতোই, তাই না?

এই বুকশেলফে তুমি বই-ও রাখতে পারবে, আবার ভেতরে বসে বই পড়তেও পারবে।

এটাকে আবার ইঞ্জিনের চেইন ভেবে ভুল করো না।

এই শেলফে তুমি বই রাখতে পারবে, কিন্তু সি-স খেলতে পারবে না। কারণ, এটা তো আর সি-স’র মতো দুলবে না!

বই পড়বে, নাকি আপেল খাবে?

ভাবছো, সাগর থেকে একটা জাল ধরে এনে দেয়ালে ঝুলিয়ে দিয়েছে। মোটেও না, এটাও একটা বুকশেলফ।

হ্যাঁ, এই বুকশেলফের সব বইগুলো ‘রিড’ মানে পড়তে হবে।

এটা কিন্তু শ্বেতভল্লুক নয়, এটা একটা বুকশেলফ!

সবচেয়ে ছোট্ট স্যান্ডউইচ এটা। খাবে নাকি?

এরকম টাই স্যান্ডউইচ পেলে কিন্তু মন্দ হয় না, হাঁটতে হাঁটতেই খাওয়া যাবে।

জন্মদিনে এরচেয়ে সুন্দর গিফট কী আর হয়! এত্তোবড়ো আর কত্তো সুন্দর একটা স্যান্ডউইচ!

এই পিয়ানো স্যান্ডউইচটা দিয়ে কী করবে? খাবে, না বাজাবে?

ও কিন্তু কারো হাত খাচ্ছে না, ও একটা স্যান্ডউইচ-ই খাচ্ছে!

ছবি ১ : বলো তো এটা বিড়াল, না ল্যাম্প?

ছবি ২ : এগুলো কিন্তু সোফা! তোমাকে বসতে হবে ওদের ভ‚ড়ির উপরে!

ছবি ৩ : কী? বিছানাটা পছন্দ হয়েছে তো?

ছবি ৪ : এমনি একটা ডাইনোসর বিছানা পেলে তো আরো ভালো!

ছবি ৫ : এটাও কিন্তু কাঁচি-ই, গিরগিটি না!

ছবি ৬ : হাতির পেটে এমনি টিভি তো দেখতে ভালোই লাগে।

ছবি ৭ : কোন টিভিটা বেশি পছন্দ হলো, হাতি টিভি, না পান্ডা টিভি ?

ছবি ১ : আমিই কিন্তু বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট্ট ফ্যান। আমার ছবি কিডজে আসবে না তো কোথায় আসবে!

ছবি ২ : আর আমি হলাম বাংলাদেশের সবচেয়ে বুড়ো ফ্যান। বুড়ো হলে কী হবে! আমার ‘এনার্জি’ দেখেছো?

ছবি ৩ : খোকা হও আর বুড়ো হও, আমিই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড়ো ফ্যান! কিভাবে মুখে এঁকেছি, দেখেছো?

ছবি ৪ : তুমি আর কী ফ্যান! আমার মুখ দেখেছো? পুরো বাঘই সেজেছি আমি।

ছবি ৫ : তুমি বাঘ সাজলে কি হবে? তোমাকে দেখে তো খালি হাসিই পায়। আমার সাজ দেখো। দেখলেই মনে হয় বাঘ হালুম বলে ঘাড় কামড়ে ধরলো!

ছবি ৬ : শুধু বাঘ সাজলেই ভয়ংকর হয় নাকি? আমাকে দেখো। যতো বড়ো মুখ বানিয়েছি, সব প্রতিপক্ষকে আমি একাই খেয়ে ফেলতে পারবো, হুহ!

ছবি ৭ : হেহ! বোকাগুলো মুখে এঁকে মনে করে বাঘ হয়ে গেছে! আরে, বাংলাদেশে বাঘ তো দুই প্রকার। এক, আমরা যারা সুন্দরবন থেকেও বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের খেলা দেখি। আর দ্বিতীয় প্রকার হলো যারা বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের হয়ে খেলে বাঘা বাঘা সব ক্রিকেট দলকেও হারিয়ে দেয়।

ছবি ৭ : ধুত্তোর! এর চেয়ে আমরা নিজেরা নিজেরা ক্রিকেট খেলি, ওটাই অনেক মজার।

ছবি ৬ : কি ব্যাপার? সবাই শুয়ে পড়েছে কেনো? ওরা কি রাতে কেউ ঘুমায়নি?

ছবি ৫ : ওমা! এরা দেখি আবার মাঠে খেলা বাদ দিয়ে নাচতে লেগেছে! মাঠ কি একটা নাচার জায়গা নাকি!

ছবি ৪ : আহারে! আজকে বেচারার আর ব্যাটিংই করা হলো না!

ছবি ৩ : ওরা তো বলই করতে পারে না, ফিল্ডিং করবে কী! ওভাবে গড়িয়ে গড়িয়ে কি কেউ বল করে!

ছবি ২ : আরে! হলুদ দলের ক্যাপ্টেন তো দেখি ফিল্ডিংই সাজাতে জানে না! দলের সবাইকে বুঝি স্লিপে দাড় করাতে হয়!

ছবি ১ : অনেক হয়েছে। পিছনের দুষ্টুটাকে আর খেলা দেখতে দিবো না, হুহ!

ছবি ৬ : বাঁচাও!!! আমাকে খেয়ে ফেললো।

ছবি ৫ : হা হা! এবার দেখো কী মজা!

ছবি ৪ : ও বাবা! একি ভয়ংকর বই!

ছবি ৩ : এখনি হিসাব করে বের করছি, কোন দিক দিয়ে পড়ে!

ছবি ২ : এই বই পড়ে কোন দিক দিয়ে?

ছবি ১ : এই, আমি বইয়ের গুহায় পড়তে বসেছি। কেউ ডিস্টার্ব করবে না।

খোকাবাবু নড়াচড়া করো না, দেখছো না ছবি তুলছি!

আমি জানি তুই কাজটা করতে পারবি

বাস্কেটবল খেলাটা আমাকে শিখতেই হবে

অনেকদিন পরে আইসক্রিম খাচ্ছি

আমার এই ছবিটা সুন্দর, তাই না!

আমরা দুই বন্ধু লালু আর কালু

বন্ধু হবে?

আমরা ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে ছবি তুলি না

বন্ধু তুমি কি রাগ করেছো?

আমরা তিন বন্ধু, ইস্কুলে পড়ি!

বিশ্বাস করো, আমরা দুইজনই ফুটবলের বিরাট ভক্ত।

তুই আমাদেরকে ফেলে একা একা খেলা দেখতে যাচ্ছিস?

ফুটবলের ইতিহাসটা একটু ভালো করে দেখা দরকার।

ফুটবল খেলা দেখতে একটু আয়েস করে বসাই ভালো।

খেলা দেখার সময় বড়দের সঙ্গে বেয়াদবি?

আমার খুব হাসি পাচ্ছে, দাঁড়াও হেসে নিই আগে।

বলতে পারবে, আমরা কতজন আছি এখানে?

লেজটায় নতুন কালার করালাম, ভালো লাগছে না?

কি ব্যাপার! তোমরা আমার দিকে তাকিয়ে আছো কেনো?

আমি কিন্তু লোভী নই!

এই মাইরটা কিন্তু কইলাম নতুন শিখছি!

আমি বদলা নিয়েই ছাড়বো

আমি কিন্তু আবারো মাইন্ড করলাম

আর হাটতে ভালো লাগে না, একটু উড়ে দেখি!

কওতো দেখি, কি যন্ত্রণা!

কাজ করতে করতে তো হাফিয়ে গেলাম, আম্মুটা যে কই!

আম্মুর সঙ্গে দুষ্টুমি করতে গিয়ে প্যান্ট গেঞ্জি ভিজিয়ে ফেলেছি তো!

আমাকে গোসল করাতে আজ আর আম্মুর কষ্ট করতে হবে না।

সেই সকালে বেড়িয়েছি, বাসায় ফিরে আম্মুকে যে কি বলবো!

আম্মু! আমি ঘুমিয়ে গেলাম তো, তুমি কই?

আয় তোকে মার্শাল আর্ট শিখাই

লজ্জা পাইছি!

বল তোকে কে লাগিয়েছে আমার পিছনে?

আজকে আমি দাঁত মেজেছি!

তোমরা থামো, আমি এবার গান গাবো।

সুন্দর লাগছে না?

এবারের অলিম্পিকে পুরস্কার পেতেই হবে

আমরা দুই ভাই সাদা আর কালো

মডেলিং এ নাম দিয়েছি

আমি হলাম কুকুর সমাজের সুপার ডগ

এটা কি গাড়ি!

চাকা এত্ত ছোট কেন?

এতো দেখি বুট জুতো!

হাসিটা সুন্দর না?

রাস্তাঘাটে কুমির ঘুরে বেড়াচ্ছে!

আহ্ গোলমাল করো নাতো, দেখছো না কথা বলছি?

দেখোতো আমাকে জেমস বন্ডের মতো লাগে কিনা?

আমি বলেই এতো কিছু করছি! ফাজলামো নাকি?

বুড়ো হয়ে গিয়েছি তো তাই চোখে দেখি না।

বেঁচে থাকো বাবা!

বিশ্বাস করো! এটা একটা গাড়ি।

এত বড়ো জুতো কার?

দেখেছো, আরো একটা বিড়াল।

দেখো তো এটা কার মাথা খুলে গাড়িতে লাগিয়েছে?

বিড়ালটা কি ইঁদুর ধরতে যাচ্ছে নাকি?

এক চাকার বাইকও দেখে নাও!

এটা হলো মিসাইল বাইক!

বাইকের সারা শরীর জুড়ে শুধু হর্ন

এমন বাইক চালায় কিভাবে?

কি বলা যায় এটাকে? বাইক নাকি ‘কার-বাইক’

সব্বোনাশ, এতা মোটা চাকা এই বাইকের!

সমাধিক্ষেত্রেও বাইক!

লোকটা বোধহয় পুরো সংসারকেই টেনে নিয়ে যায় এই বাইকে!

এতো পুরো অ্যান্টিক বাইক!

ওরেব্বাবা বাইক, নাকি টর্পেডো!

কত্তোগুলো হেডলাইট, দেখোছো?

বন্ধুদের পুরো দল নিয়ে চলার জন্যই কি এই মোটর সাইকেল?

বিড়ালের ঘুম: গাড়িটা চলতে শুরু করলে কী হবে এখন?

বিড়ালের ঘুম: বাহ্! হাত পা ছড়িয়ে শুয়েছে কেমন, দেখো।

বিড়ালের ঘুম: ওরে বাবা, পড়ে যাবে তো!

বিড়ালের ঘুম: কতো ছোট্ট বিড়াল। নাশতা খাওয়ার বাটিতেই জায়গা হয়ে গেছে!

বিড়ালের ঘুম: এখন যেন গাড়ি স্টার্ট কোরো না! ভয় পাবে বিড়ালছানাটি।

বিড়ালের ঘুম: ফুলের টবকেই ওরা বিছানা বানিয়ে ফেললো।

বিড়ালের ঘুম: ভিক্টোরিয়ান সোফার হাতল। মহারাজ বিড়াল মনে হয় এটি!

বিড়ালের ঘুম: জানালার বন্ধনীতেও ভালোই তো ঘুমুচ্ছে এই বিড়ালটি!

বিড়ালের ঘুম: গাছটাকেই কি বাড়ি বানিয়ে ফেললো এই বিড়ালছানা?

অযথাই খালি রঙ ঢালছে, তাই ভাবছো বুঝি?

ছোট ছোট ঘরে কিম্ভুতকিমাকার এসব আবার কি?

এটা কিন্তু সীমানা প্রাচীর। কিসের সীমানা, সেটাই খালি দেখার বাকি!

এগুলো তো মাছের মতো লাগছে। বালুর মাছ?

নকশাগুলো কিন্তু বেশ সুন্দরই হয়েছে! ওনারাই এই নকশার কারিগর।

সারি সারি উট আছে দেখছি! অবশ্য উট তো বালুর রাজ্যেই থাকে।

আঁকিবুকি শেষ, এবার দেখার পালা। সবার মতো আমরাও দেখবো পুরো ছবিটা।

এবার দেখো তো দেখি, কী বিশাল একটা কার্পেটের মতো লাগছে না?

বাগান দিয়ে তৈরি দুর্গ। কিন্তু গরু-ছাগল এলেই সব শেষ।

শুধু গাছ লাগালেই হবে, গাছের যত্নও তো নিতে হবে, নাকি?

লাফ দেবার ভঙ্গিতে কয়েকটি ডলফিন। যদিও ওরা একবারও পানিতে লাফ দিতে পারেনি।

দুই বুড়ো গল্প করছে, নাকি ঝগড়া করছে?

বাগানবাড়ির সামনে সেকি নাচ!

ঘাসের তৈরি হলে কী হবে, খেলতে কিন্তু সবারই ভালো লাগে।

বাগানে তৈরি বাগানের মানুষ। কিন্তু ওরা খুজছেটা কী?

কমলার খোসায় তৈরি হচ্ছে কমলাবাবু

আমার নাম কমলাবাবু

হ্যালো কমলাবাবু, তুমি কেমন আছো?

উফ, পা বড্ড চুলকাচ্ছে, আমাকে কেউ একজোড়া জুতা কিনে দেবে?

কম্পিউটারে আমি নিয়মিত বিডিকিডস পড়ি

বড্ড ঘুম ধরেছে, ঘুমাতে গেলাম, টাটা, পরে কথা হবে

এইটাকে কম্পিউটার মনে করে গেম খেলতে বসে যেও না, তারচেয়ে খেতো বসে যাও মজা পাবে।

অবাক হওয়ার কী আছে? খাবার জিনিস বলে কি ওদের গানবাজনার শখ নেই!

তোমাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিই, এটা হচ্ছে তরমুজ কন্যা।

ব্যং মনে করে ওয়াক থু করো না, এটা খুব মজাদার একিট খাবার।

খাবার দিয়ে আঁকা একটি ছবি।

পাউরুটি বাবাজির মন খারাপ কেন বলতে পারবে>

জিরাফ খাচ্ছে সবুজ পাতা। কিন্তু ও কি জানে ওকে বানানো হয়েছে চকলেট দিয়ে।

স্ট্রতে ভুল করে চুমুক দিলেই বুঝবে কী ভুলটাই না করেছো।

মহাকাশের ছবি নয়, মজাদার একটি কেক এটি।

এমন সুন্দর বাগান কার না ভালো লাগে! কিন্তু এটাও যে আরেক মজার খাবার।

মজার কেক দিয়ে বানানো একটি গিটার।

এই চুপ! কেউ বিরক্ত করো না।

আমি সবুজ গাছের সাগরে ডুবে গেলাম। প্লীজ আমাকে বাঁচাও!

সত্যি করে বলছি, আমি বিড়াল না। আমি আসলে খরগোশ।

মাউসটা (ইদুঁর) যে কোথায় লুকালো?

যাহ! বৃষ্টিতে ভিজে আমার মেকআপটাই নষ্ট হয়ে গেল।

এটা কি? এটা কি খায় না মাথায় দেয়?

আয়, আয় কাছে আয় তোদের অনেক আদর করবো।

আহ! এখন মনে হচ্ছে পৃথিবীর সব সুখ গোসলে।

মনে রেখো, আজকের খেলায় মুরগীদের দল যেন কোন ভাবেই পেরে না ওঠে।

ভালো করে প্র্যাকটিস কর। ওই উট পাখির দলকে আমাদের হারাতেই হবে।
.jpg)
মজার খাবারটা ভালোমতো খেয়াল করো নৌকার দাঁড় বাইছে কে যেনো!
.jpg)
এইটা কোন প্রাণী? গোল গোল চোখ!
.jpg)
একটা কুকুর শুয়ে আছে খাবারটার মধ্যে। আজব তাই না!
.jpg)
মিষ্টি একটা মেয়ে মাথায় ফুল গুজেছে দেখো!
.jpg)
জুল জুল চোখে তাকিয়ে আছে কে ও?
.jpg)
দেখো তো ওরা দুই বন্ধুতে কী করছে?
.jpg)
এরা দুই বন্ধু। রাম গরুরের ছানা নয়, সবসময় হাসছে দেখো।
.jpg)
চুপ চুপ কেউ কথা বলো না, এখানে একটা খরগোশ ঘুমুচ্ছে!
.jpg)
এই প্রাণীটির নাম কিন্তু আমি জানি না। তোমরা কেউ বলতে পারবে?
.jpg)
এই বিড়ালটা ভীষণ রেগে আছে। সাবধান আচঁড়ে দেবে!
.jpg)
এই বিড়ালটা বেশ ফ্যাশন সচেতন। দেখছো না চোখে সানগ্লাস পড়েছে।
.jpg)
এই বিড়ালটি চোখ উল্টে মজা করছে দেখো
.jpg)
এইটা রূপকথার সেই ব্যাঙ রাজপুত্র।

এই কুকুর ছানাটি গুমিয়ে আছে। ডিস্টার্ব করো না। ও কিন্তু রেগে যাবে।
.jpg)
এই খরেগাশ ছানাগুলো গান গাইছে। বলেআ তো কী গান?











কি যে লেখে বুঝি না! বাঘ-ভাল্লুকের কথা লেখলেই বুঝি গল্প হয়ে যায়। এর থেকে তো আমিই ভালো লিখতে পারি।

গল্পটাতো মনে হয় আমার লেখা। ওরা কি তাহলে আমারটা নকল করেছে!

আব্বু, ভালো করে ধরো। আমি একটা মজার গল্প পড়ছি। আমাকে ভালোমত না ধরলে কিন' তুমি তোমার আদরের মেয়েকে হারাবে বলে দিলাম।

আম্মু যে কি সব বই কিনল একটা বইও ভালো লাগে না।

আম্মুটা যে কি, একটা বইও কিনে দিল না। শুধু মুখে এই ছবি আঁকিয়ে দিল

সালাম চত্বরে চলছে ক্ষুদে বই লেখকদের আড্ডা। তোমরা চাইলে অটোগ্রাফ নিতে পার।

: জানেন, বই মেলাতে আমার ছেলেটা একটা বই লিখেছে।
: এতেই এত কথা বলছেন, আমার মেয়ে দশটা বই লিখেছে। আরও দশটা সামনে আসছে। কই আমিতো একবার বললাম না।
: এতেই এত কথা বলছেন, আমার মেয়ে দশটা বই লিখেছে। আরও দশটা সামনে আসছে। কই আমিতো একবার বললাম না।

বুঝেছ বাবা, বই পড়তে হয় সানগ্লাস চোখে দিয়ে।

আমি এটা এমনি এমনি মুখে ধরেছি। তোমরা আবার মনে করোনা আমি খেতে যাচ্ছি।

আরেকটু উঁচু কর তাহলেই বার্গারটা হাতের কাছে চলে আসবে

প্রতিদিন সকালে, বিকালে, দুপুরে আর রাত্রে ব্যায়াম করি। দেখতো বন্ধুরা আমার ফিগারটা কেমন হয়েছে।

এই পুচকি বিড়াল তোমার তলোয়ার পড়ে গেছে এবার তুমি হেরে গেছ।

বাঁশ বেয়ে বেয়ে আজ চাঁদে উঠে যাবো। রুখবে আমায় কে?

তোমরা হয়তো একটা উড়ন্ত পাখি দেখে থাকবে। কিন্তু তোমরা কখনো আমার মত উড়ন্ত কুকুর দেখনি।

তোমরা হয়তো একটা উড়ন্ত পাখি দেখে থাকবে। কিন্তু তোমরা কখনো আমার মত উড়ন্ত কুকুর দেখনি।

হ্যান্ডেলটা ছেড়ে দাওতো, তোমার জন্যে ঠিক মত চালাতেও পারছি না।

তোমরা একটু সামনে থেকে সরো , বলটা লেগে যেতে পারে কিন্তু!

বাচ্চারা তোমরা মনযোগ দাও। এটা হল একটা ক্রিষ্টমাস গাছ

নগরে শুধু বিল্ডিং আর বিল্ডিং, দু্ একটা গাছ থাকলে খূব ভালো হত।

ফ্ল্যাট রেডি আছে, তোমার কোনটি চাই।

বিস্কুট নগরের ট্রেন লাইন। চলে গেছে বিল্ডিং এর নিচ দিয়ে।

বিল্ডিংটা অদ্ভুত তাই না। অনেকটা যোগ চিহ্নের মত।

নগরের ডানপাশে বয়ে চলা নদী, খুব সুন্দর তাই না?

নগরের ডানপাশে বয়ে চলা নদী, খুব সুন্দর তাই না?

এক নজরে বিস্কুট নগরের অর্ধাংশ

এটা সম্ভবত বিস্কুট নগরের যাদুঘর।


দেখেছ কত বড় বিল্ডিং, চড়তে চাও সেখানে?

বিস্কুট নগরের একমাত্র স্টেডিয়াম। এখানে শুধু ফুটবল খেলা হবে।

রোদ লাগলে চুল নষ্ট হতে পারে, তাই এ ব্যবস্থা।

ঘুমুবার সময়ও চলের প্রতি রাখতে হবে বিশেষ নজর।

সাজানো গোছানো ছিমছাম চুল, সুন্দর লাগছে তাই না?

ফ্যাশানটা ঠিক রাখার জন্য সবসময় ওকে মাথায় হাত দিয়ে রাখতে হয়।

চুলগুলো এলোমেলো থাকলেও ওকে সুন্দর লাগছে, কি বলেলা?

মনে হচ্ছে ও প্রতিদিন চুলে ঘি মাখে।

চলের ভারে পুতলিটা মনে হয় একটু কাত হয়ে গেছে।

মনে হচ্ছে পুতুলটার চেয়ে তার চুল বেশি লম্বা।

চুলের স্টাইলই বলে দিচ্ছে ওর মন খারাপ

এই পুতুলের হেয়ার স্টাইলকে নির্ঘাত ‘এক চোখা কাট’ বলা যায়।

সুইয়ের ফাকে গল্পের সেই সাত বামন আর তার বোন। ডাইনি বুড়িটাও আছে কিন্তু।

চলছে বক্সিং ম্যাচ। কিন্তু জায়গাটা একটা ম্যাচকাঠির চেয়েও ছোট।

তারকাটার মাথায় রকস্টার। কান পাতলেই শোনা যাবে গান।

সুইয়ের মাথায় পথ আর সে পথে হেটে চলছে খুকুমনি।

সুইয়ের ফাকে রাজা আর তার ছয় রাণী।

তারকাটার ছোট্ট মাথায় কে যেন বসে আছে।

বড়শির মাথায় দাড়িয়ে আছে মোট পাঁচজন!

সুইয়ের ছিদ্রে দাড়িয়ে আছে ‘স্ট্যাচু অব লিবার্টি’।

মজার খাবার - আনারস

মজার খাবার - বাদাম

মজার খাবার - কফি

মজার খাবার - নারিকেল

মজার খাবার - চকলেট

মজার খাবার - কেক

মজার খাবার - কেক

মজার খাবার - বার্গার

মজার খাবার - ব্রকলী

ময়ূর বসে আছে তার পেখম খুলে। কী খুব চমৎকার না?

সবুজ হাতি দেখেছো কখনো? না দেখে থাকলে ঘাস দিয়ে বানানো এই হাতিটিকে দেখ। কী সুন্দর বাচ্চা কাচ্চা নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে সে।

বলতো দেখি এটা সত্যিকারের গাধা নাকি মিথ্যামিথ্যি গাধা?







