এইটাকে কম্পিউটার মনে করে গেম খেলতে বসে যেও না, তারচেয়ে খেতো বসে যাও মজা পাবে।
অবাক হওয়ার কী আছে? খাবার জিনিস বলে কি ওদের গানবাজনার শখ নেই!
তোমাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিই, এটা হচ্ছে তরমুজ কন্যা।
ব্যং মনে করে ওয়াক থু করো না, এটা খুব মজাদার একিট খাবার।
খাবার দিয়ে আঁকা একটি ছবি।
পাউরুটি বাবাজির মন খারাপ কেন বলতে পারবে>
জিরাফ খাচ্ছে সবুজ পাতা। কিন্তু ও কি জানে ওকে বানানো হয়েছে চকলেট দিয়ে।
স্ট্রতে ভুল করে চুমুক দিলেই বুঝবে কী ভুলটাই না করেছো।
মহাকাশের ছবি নয়, মজাদার একটি কেক এটি।
এমন সুন্দর বাগান কার না ভালো লাগে! কিন্তু এটাও যে আরেক মজার খাবার।
মজার কেক দিয়ে বানানো একটি গিটার।
এই চুপ! কেউ বিরক্ত করো না।
আমি সবুজ গাছের সাগরে ডুবে গেলাম। প্লীজ আমাকে বাঁচাও!
সত্যি করে বলছি, আমি বিড়াল না। আমি আসলে খরগোশ।
মাউসটা (ইদুঁর) যে কোথায় লুকালো?
যাহ! বৃষ্টিতে ভিজে আমার মেকআপটাই নষ্ট হয়ে গেল।
এটা কি? এটা কি খায় না মাথায় দেয়?
আয়, আয় কাছে আয় তোদের অনেক আদর করবো।
আহ! এখন মনে হচ্ছে পৃথিবীর সব সুখ গোসলে।
মনে রেখো, আজকের খেলায় মুরগীদের দল যেন কোন ভাবেই পেরে না ওঠে।
ভালো করে প্র্যাকটিস কর। ওই উট পাখির দলকে আমাদের হারাতেই হবে।
মজার খাবারটা ভালোমতো খেয়াল করো নৌকার দাঁড় বাইছে কে যেনো!
এইটা কোন প্রাণী? গোল গোল চোখ!
একটা কুকুর শুয়ে আছে খাবারটার মধ্যে। আজব তাই না!
মিষ্টি একটা মেয়ে মাথায় ফুল গুজেছে দেখো!
জুল জুল চোখে তাকিয়ে আছে কে ও?
দেখো তো ওরা দুই বন্ধুতে কী করছে?
এরা দুই বন্ধু। রাম গরুরের ছানা নয়, সবসময় হাসছে দেখো।
চুপ চুপ কেউ কথা বলো না, এখানে একটা খরগোশ ঘুমুচ্ছে!
এই প্রাণীটির নাম কিন্তু আমি জানি না। তোমরা কেউ বলতে পারবে?
এই বিড়ালটা ভীষণ রেগে আছে। সাবধান আচঁড়ে দেবে!
এই বিড়ালটা বেশ ফ্যাশন সচেতন। দেখছো না চোখে সানগ্লাস পড়েছে।
এই বিড়ালটি চোখ উল্টে মজা করছে দেখো
এইটা রূপকথার সেই ব্যাঙ রাজপুত্র।
এই কুকুর ছানাটি গুমিয়ে আছে। ডিস্টার্ব করো না। ও কিন্তু রেগে যাবে।
এই খরেগাশ ছানাগুলো গান গাইছে। বলেআ তো কী গান?
কি যে লেখে বুঝি না! বাঘ-ভাল্লুকের কথা লেখলেই বুঝি গল্প হয়ে যায়। এর থেকে তো আমিই ভালো লিখতে পারি।
গল্পটাতো মনে হয় আমার লেখা। ওরা কি তাহলে আমারটা নকল করেছে!
আব্বু, ভালো করে ধরো। আমি একটা মজার গল্প পড়ছি। আমাকে ভালোমত না ধরলে কিন' তুমি তোমার আদরের মেয়েকে হারাবে বলে দিলাম।
আম্মু যে কি সব বই কিনল একটা বইও ভালো লাগে না।
আম্মুটা যে কি, একটা বইও কিনে দিল না। শুধু মুখে এই ছবি আঁকিয়ে দিল
সালাম চত্বরে চলছে ক্ষুদে বই লেখকদের আড্ডা। তোমরা চাইলে অটোগ্রাফ নিতে পার।
: জানেন, বই মেলাতে আমার ছেলেটা একটা বই লিখেছে।
: এতেই এত কথা বলছেন, আমার মেয়ে দশটা বই লিখেছে। আরও দশটা সামনে আসছে। কই আমিতো একবার বললাম না।
 বুঝেছ বাবা, বই পড়তে হয় সানগ্লাস চোখে দিয়ে।
আমি এটা এমনি এমনি মুখে ধরেছি। তোমরা আবার মনে করোনা আমি খেতে যাচ্ছি।
আরেকটু উঁচু কর তাহলেই বার্গারটা হাতের কাছে চলে আসবে
প্রতিদিন সকালে, বিকালে, দুপুরে আর রাত্রে ব্যায়াম করি। দেখতো বন্ধুরা আমার ফিগারটা কেমন হয়েছে।
এই পুচকি বিড়াল তোমার তলোয়ার পড়ে গেছে এবার তুমি হেরে গেছ।
বাঁশ বেয়ে বেয়ে আজ চাঁদে উঠে যাবো। রুখবে আমায় কে?
তোমরা হয়তো একটা উড়ন্ত পাখি দেখে থাকবে।  কিন্তু তোমরা কখনো আমার মত উড়ন্ত কুকুর দেখনি।
তোমরা হয়তো একটা উড়ন্ত পাখি দেখে থাকবে।  কিন্তু তোমরা কখনো আমার মত উড়ন্ত কুকুর দেখনি।
 হ্যান্ডেলটা ছেড়ে দাওতো, তোমার জন্যে ঠিক মত চালাতেও পারছি না।
তোমরা একটু সামনে থেকে সরো , বলটা লেগে যেতে পারে কিন্তু!
বাচ্চারা তোমরা মনযোগ দাও। এটা হল একটা ক্রিষ্টমাস গাছ
নগরে শুধু বিল্ডিং আর বিল্ডিং, দু্‌ একটা গাছ থাকলে খূব ভালো হত।
ফ্ল্যাট রেডি আছে, তোমার কোনটি চাই।
বিস্কুট নগরের ট্রেন লাইন। চলে গেছে বিল্ডিং এর নিচ দিয়ে।
বিল্ডিংটা অদ্ভুত তাই না। অনেকটা যোগ চিহ্নের মত।
নগরের ডানপাশে বয়ে চলা নদী, খুব সুন্দর তাই না?
নগরের ডানপাশে বয়ে চলা নদী, খুব সুন্দর তাই না?
এক নজরে বিস্কুট নগরের অর্ধাংশ
এটা সম্ভবত বিস্কুট নগরের যাদুঘর।
দেখেছ কত বড় বিল্ডিং, চড়তে চাও সেখানে?
বিস্কুট নগরের একমাত্র স্টেডিয়াম। এখানে শুধু ফুটবল খেলা হবে।
রোদ লাগলে চুল নষ্ট হতে পারে, তাই এ ব্যবস্থা।
ঘুমুবার সময়ও চলের প্রতি রাখতে হবে বিশেষ নজর।
সাজানো গোছানো ছিমছাম চুল, সুন্দর লাগছে তাই না?
ফ্যাশানটা ঠিক রাখার জন্য সবসময় ওকে মাথায় হাত দিয়ে রাখতে হয়।
চুলগুলো এলোমেলো থাকলেও ওকে সুন্দর লাগছে, কি বলেলা?
মনে হচ্ছে ও প্রতিদিন চুলে ঘি মাখে।
চলের ভারে পুতলিটা মনে হয় একটু কাত হয়ে গেছে।
মনে হচ্ছে পুতুলটার চেয়ে তার চুল বেশি লম্বা।
চুলের স্টাইলই বলে দিচ্ছে ওর মন খারাপ
এই পুতুলের হেয়ার স্টাইলকে নির্ঘাত ‘এক চোখা কাট’ বলা যায়।
সুইয়ের ফাকে গল্পের সেই সাত বামন আর তার বোন। ডাইনি বুড়িটাও আছে কিন্তু।
চলছে বক্সিং ম্যাচ। কিন্তু জায়গাটা একটা ম্যাচকাঠির চেয়েও ছোট।
তারকাটার মাথায় রকস্টার। কান পাতলেই শোনা যাবে গান।
সুইয়ের মাথায় পথ আর সে পথে হেটে চলছে খুকুমনি।
সুইয়ের ফাকে রাজা আর তার ছয় রাণী।
তারকাটার ছোট্ট মাথায় কে যেন বসে আছে।
বড়শির মাথায় দাড়িয়ে আছে মোট পাঁচজন!
সুইয়ের ছিদ্রে দাড়িয়ে আছে ‘স্ট্যাচু অব লিবার্টি’।
মজার খাবার - আনারস
মজার খাবার - বাদাম
মজার খাবার - কফি
মজার খাবার - নারিকেল
মজার খাবার - চকলেট
মজার খাবার - কেক
মজার খাবার - কেক
মজার খাবার - বার্গার
মজার খাবার - ব্রকলী
ময়ূর বসে আছে তার পেখম খুলে। কী খুব চমৎকার না?
সবুজ হাতি দেখেছো কখনো? না দেখে থাকলে ঘাস দিয়ে বানানো এই হাতিটিকে দেখ। কী সুন্দর বাচ্চা কাচ্চা নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে সে।

বলতো দেখি এটা সত্যিকারের গাধা নাকি মিথ্যামিথ্যি গাধা?