তোমার আঁকা ছবিটি এক্ষুণি পাঠিয়ে দাও। তোমার নাম, স্কুলের নাম, শ্রেণী, বয়স উল্লেখ করে ছবি মেইল কর এই ঠিকানায়: kidz@bdnews24.com
অথবা
চিঠি পাঠাতে পারো নিচের ঠিকানায়-
কিডজ, বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম
১৭ (রেড ক্রিসেন্ট কনকর্ড টাওয়ার,
১৭তম তলা) মহাখালী বাণিজ্যিক এলাকা
ঢাকা ১২১২, বাংলাদেশ।
বিভোরের বন!
জানো, বিভোরের নিজের একটি বন আছে! শুধু তাই না, তোমাদের জন্য বিভোর ওর বনের একটি সুন্দর ছবিও এঁকে পাঠিয়েছে, দেখেছ? বিভোরের পুরো নাম আলিশা মেহজাবিন বিভোর। পড়ে শহীদ বীর উত্তম লে. আনোয়ার গার্লস কলেজ নামের স্কুলটির প্রথম শ্রেণিতে।
নদীতে ছুটছে স্টিমার
মিষ্টি একটা নদীতে ছুটছে ছোট্ট একটা স্টিমার। কেমন হয়েছে ছবিটা? কে এঁকেছে? তাইমিয়া জামান। ও কিশোরগঞ্জের আফতাব উদ্দীন স্কুল এন্ড কলেজে, তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ে। থাকে বাজিতপুরে।
কোরবানির ঈদে তুমিও কি এমনি করেই গরু কিনে এনেছিলে?
কোরবানির ঈদে তুমিও কি এমনি করেই গরু কিনে এনেছিলে? ছবিটি এঁকেছে তানমীন আক্তার তানিয়া। ও লালমাটিয়া উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে, নবম শ্রেণীতে পড়ে।
তোমার গরুর রং কি সাদাই ছিল?
তোমার গরুর রং কি সাদাই ছিল? নাকি অন্য কোন রঙের? এই ছবিটিও তানমীন আক্তার তানিয়া-ই এঁকেছে।
দেখো, মহাবিশ্ব থেকে আমাদের পৃথিবী
দেখো, মহাবিশ্ব থেকে আমাদের পৃথিবী, আর আমাদের প্রতিবেশী গ্রহ শনিকে কেমন দেখায়? অদ্ভূত এই ছবিটি কে এঁকেছে জানো? সামিমা আফরোজ আনিতা। ও সবুজ সখা কিন্ডারগার্টেনে, পঞ্চম শ্রেণীতে পড়ে।
স্বপ্নের মতো শহর!
আমাদের শহর যদি এমন হতো, প্রত্যেকটি বাড়ির আশেপাশেই থাকতো প্রচুর গাছপালা! তেমনই এক স্বপ্নের বাড়ির ছবি এঁকেছে সারাফ নাওয়ার আনাম। ও রাজধানী ঢাকার রামপুরায় অবস্থিত কর্ডোভা ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে, প্লেগ্রুপে পড়ে।
স্বপ্নের মতো শহর!
আমাদের শহর যদি এমন হতো, প্রত্যেকটি বাড়ির আশেপাশেই থাকতো প্রচুর গাছপালা! তেমনই এক স্বপ্নের বাড়ির ছবি এঁকেছে সারাফ নাওয়ার আনাম। ও রাজধানী ঢাকার রামপুরায় অবস্থিত কর্ডোভা ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে, প্লেগ্রুপে পড়ে।
ঈদের খুশি ভাগ করে নাও সবার সাথে
ঈদের দিনটিতে তোমরাও তো সবাই এমনি করে নামাজের পরে সব্বার সাথে কোলাকুলি করেছো, তাই না? ঈদের খুশি সবার সাথে ভাগ করে নেয়ার এই ছবিটি এঁকেছে তানমীন আক্তার তানিয়া। ও লালমাটিয়া উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণীতে বিজ্ঞান শাখায় পড়ে।
জলরঙে জোৎস্না রাতে বাড়ি
জলরঙে ধবধবে জ্যোৎস্না রাতে সুন্দর একটা বাড়ির ছবিটি এঁকেছে মারজানা। ও কক্সবাজারের বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমিতে ৩য় শ্রেণীতে পড়ে। ওর বয়স ৮ বছর।
গ্রামের অলস দুপুর
তোমাদের শহরের অলস দুপুরগুলো কেমন হয়? গ্রামের দুপুরও কিন্তু সেরকমই চুপচাপ, কোন হৈ-হুলোড় নেই। কেবল ঘরের হাঁস-মুরগিগুলো উঠোনে ঘুরে বেড়ায়। গ্রামের এরকমই এক অলস দুপুরের ছবি এঁকেছে ফাবিহা আনবার নাফিজা। ও মালিবাগে থাকে। পড়ে সাউথ পয়েন্ট স্কুলে, ক্লাশ ওয়ানে। ওর বয়স? ৮ বছর।
ভূত! ভূত! ভূত!
দেখো তো, ভূতটা কী খুব বেশি ভয়ংকর? নাকি ভূতটার সঙ্গে বন্ধুত্ব করাই যায়? যদি ভাবো, ভূতটার সঙ্গে বন্ধুত্ব করবে, তাহলে আমার কিছু করার নেই। কারণ, ভূতটা এঁকেছে তানজিনা তারান্নুম নুরিন। সুতরাং, ভূতটার খবর ও-ই জানে, তাই না? নুরিন ঢাকার লিটিল জুয়েলস স্কুলে, ক্লাশ টুতে পড়ে।
আফরাহ-র গ্রাম
ছবিটি আফরাহ-র গ্রামের ছবি। ওর গ্রামের ছবি এঁকে পাঠিয়েছে ও নিজেই। ৫ বছর বয়সী আফরাহ শহীদ আনোয়ার গার্লস স্কুলে নার্সারিতে পড়ে।
আমার দেশের গ্রামের বাড়ি
jvwgmv ZvbwRg ieŸvbx _v‡K biI‡q‡Z, ÷¨v‡fÄv‡i| wKš‘ Ii Avmj evwo Avgv‡`i evsjv‡`‡kB| GLv‡bB Ii MÖv‡gi evwo, MÖv‡gi Avi `kUv evwoi g‡Zv| †mB evwoi Muv †Nu‡l bvbv MvQMvQvwj| †mB evwoi AvwObvq D‡o †eovq cÖRvcwZ| wVK †Zvgv‡`i MÖv‡gi evwoiB g‡Zv| †mB MÖv‡gi evwowUiB Qwe Gu‡K cvwV‡q‡Q jvwgmv| I biI‡qi B›Uvib¨vkbvj ¯‹zj Ad ÷¨v‡fÂv‡i †MÖW Iqv‡b co‡Q| Ii eqm 6 eQi|
রঙিন কাঠঠোকরা!
রঙচঙে এই কাঠঠোকরাটির ছবি কে এঁকেছে বলো তো? তোমাদেরই বন্ধু তূর্ণ। ওর পুরো নাম রেদোয়ান রশীদ তূর্ণ। থাকে জাপানে। ৬ বছর বয়সী তূর্ণ জাপানের সাইতামার ওকুবো-হিগাসি এলিমেন্টারি স্কুলে প্রথম শ্রেণীতে পড়ে।
রাঙা টিয়ে
গাছের ডালে বসে আছে এক রাঙা টিয়ে। ঠোঁট তার টুকটুকে লাল। সুন্দর এই ছবিটা এঁকেছে মাহির ফয়সাল প্রত্যয়। ও রাজধানী ঢাকার খিলগাঁওয়ের শহীদ বাবুল একাডেমিতে কেজিতে পড়ে। ওর বয়স ৬ বছর।
অপু আর দূর্গার ছবি
অপু আর দূর্গা- নাম দু’টো কি চেনা চেনা লাগছে? যদি না চিনে থাকো, মানে তুমি পথের পাঁচালি কি আম-আঁটির ভেঁপু, কোনটিই পরোনি। নইলে ভাই-বোন বললেই তো ওদের কথা মনে পড়ে! ছবির ভাই-বোনদের দেখেও আমার ওদের কথাই মনে পড়লো। ওরা কী সুন্দর মাঠে নিজেদের মনে খেলা করছে। মিষ্টি এই ছবিটা কে এঁকেছে জানো? তোমাদেরই বন্ধু তুসু মাহমুদ। ও ইন্টারন্যাশনাল টুর্কিশ হোপ স্কুলে চতুর্থ শ্রেণীতে পড়ে।
গ্রামে গ্রামে এসেছে বসন্ত
শীতকাল চলে গেছে, এসেছে বসন্ত। আর তাই গ্রামের মানুষের মনেও অনেক আনন্দ। এমনি এক আনন্দমুখর গ্রামের ছবি এঁকেছে মাহির ফয়সাল প্রত্যয়। ও ঢাকার খিলগাঁওয়ের শহীদ বাবুল একাডেমীতে পড়ে।
শহীদ মিনারে ফুলেল শ্রদ্ধা
ছবিটার মতোই তোমরাও নিশ্চয়ই ২১ ফেব্রæয়ারিতে ফুল দিতে গিয়েছিলে শহীদ মিনারে। কিংবা ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নিজেরাই রাত-দিন খেটে তৈরি করেছিলে শহীদ মিনার। তারপর সেই শহীদ মিনারে দিয়েছিলে শ্রদ্ধা-মাখা ফুল। শহীদ মিনারে এমনি ফুলেল শ্রদ্ধা জানানোর ছবিটি এঁকেছে নাফিসা সুলতানা। ও মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি এন্ড গার্লস হাই স্কুলের ৫ম শ্রেণীতে পড়ে। ওর বয়স ১০ বছর।
স্টিললাইফ!
অনেকই তো জীবনের ছবি দেখলে। এবার তাহলে একটা স্টিল লাইফ নিয়ে আঁকা ছবি দেখা যাক, কেমন? ছবিটি এঁকেছে আহনাফ ইসলাম। ও গভঃ ল্যাবরেটরি স্কুলে ৪র্থ শ্রেণীতে পড়ে।
সব্জি বিক্রেতা
গ্রামের রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে এক সব্জি বিক্রেতা। ঘাড়ে তার সব্জি বয়ে নেয়ার টুকরি। গ্রামের সোঁদা-গন্ধওয়ালা এই ছবিটা এঁকেছে মুহতাসিম জামান খান জাবির। ও ঢাকার সানিডেল স্কুলে কেজি- ওয়ানে পড়ে। মানে তো বুঝতেই পারছো, ওর বয়সও খুব কম, মাত্র ৫ বছর।
সবুজ গ্রামের সবুজ ভোর
কী সুন্দর না গ্রামটা? শীতের শান্ত নদী, আর তারপাশে গাছপালা ঘেরা কয়েকটা আধাপাকা ঘর। আবার দেখো, সকাল হতে না হতেই গ্রামের কর্মঠ মানুষেরা পাখিদের সঙ্গে সঙ্গে নিজেরাও কাজে নেমে গেছে, তারা নৌকো নিয়ে নদী পাড়ি দিতে লেগে গেছে। মিষ্টি এই ছবিটা এঁকে পাঠিয়েছে তাসনিম আহমেদ আনিক। তৃতীয় শ্রেণীতে পড়া আনিকার বয়স ১০ বছর।
যুদ্ধ জয়ের সূর্য
দেখেছো, এই মুক্তিযোদ্ধারা কিন্তু দেশ স্বাধীন করে এসেছে। দেখো না, ওদের একজনের হাতে রাইফেল, আরেকজনের হাতে আমাদের স্বাধীন দেশের লাল-সবুজ পতাকা। আর তাই তো সূর্যটাও যেনো একটু বেশি সুন্দর হয়েই উঠেছে! অসাধারণ এই ছবিটি পাঠিয়েছে নুসরাত আহমেদ অমি। ৭ বছর বয়সের অমি পড়ে কেজিতে।
গ্রামের নদী, নদীতে সেতু
দেখেছো, কী সুন্দর একটি গ্রাম। আর গ্রামটি কিন্তু একদম অজপাড়াগাঁও নয়, নদীর বুকে রীতিমতো একটি সেতুও আছে। ছবিটা এঁকেছে মাশরুরা জাহিন। ও আইডিয়াল স্কুলে প্রথম শ্রেণীতে পড়ে। আর ছবিটার একটা মজা খেয়াল করেছো, ও কিন্তু ছবিটা এঁকেছে কম্পিউটারেই!
নদীর তীরে সবুজ গ্রাম!
নদীর তীরে সবুজ এই গ্রামের ছবিটি এঁকে পাঠিয়েছে আফিয়া তাসনিম কাশফিয়া। ও মোহাম্মদপুর গার্লস হাই স্কুলে পঞ্চম শ্রেণীতে পড়ে।
রাতের অদ্ভূত সুন্দর বনানী
গভীর রাতে কখনো বনে গিয়েছো? সেটা যে দেখতে কত্তো সুন্দর! আর রাতের বেলা বনের আকাশে যে কত্তো তারা দেখা যায়! যারা দেখোনি, তারা তাসিনের এই ছবিটা দেখে কিছুটা কল্পনা করতে পারো। ও-ও কিন্তু তোমাদের মতোই ছোট্ট। ও থাকে গুলশানে, আর পড়ে গুলশানেরই এমডিআইসি’তে, দ্বিতীয় শ্রেণীতে।
পাল তুলে ভেসে যাচ্ছে নৌকাখানা
ছবির মতো সুন্দর একটা নদীতে লাল রঙের পাল তুলে ছোট্ট একটা নৌকা চলেছে। লাল রঙের জামা পরে সেই ছোট্ট নৌকার দাঁড় বাইছে মাঝি। ছবিটি এঁকে পাঠিয়েছে ফাতেমা জান্নাত মীম। ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আইডিয়াল রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এন্ড কলেজে ৯ম শ্রেণীতে পড়ে।
ভাষা শহীদদের ছবি।
বন্ধুরা তোমরা নিশ্চই ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের কথা ভোলনি।তাদেরই স্মরনে এবারের আকা ছবি।
ছবিটি পাঠিয়েছে:
মুবতাসিম আহমেদ রাখিন
৪র্থ শ্রেনী
সাউথ ব্রিজ ইস্কুল,উত্তরা,ঢাকা।
নৌযাত্রা
ওরা যাবে অনেক দূরে। কি দিয়ে যাবে? যেসব গ্রামে নদী কিংবা খাল আছে, সেসব গ্রামে সবাই দূরে যায় নৌকায় করে। ওরা-ও নৌকায় করে অনেক দূরে যাচ্ছে। আর সেই ছবিটাই এঁকেছে তাহসিন জান্নাত মুনিয়া। ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আইডিয়াল রেসিডেন্সিয়াল স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ে।
বাসায় ফেরা
সারাদিনের কাজ শেষে বাড়িতে ফিরে আসছে বাবা-মা। আর তাদের সঙ্গে ফিরছে সারাদিন দুষ্টুমি করে গ্রাম মাতিয়ে বেড়ানো ছোট্ট খোকন। সুন্দর এই গল্পের ছবিটি এঁকেছে ফাতেমা জান্নাত মীম। ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আইডিয়াল রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এন্ড কলেজে নবম শ্রেণীতে পড়ে।
মৃত্যুর মুখে বীর
মুক্তিযুদ্ধের এই করুণ ছবিটি এঁকেছে মুবতাসিম আহমেদ রাখিন। ও সাউথ ব্রিজ স্কুলে চতুর্থ শ্রেণীতে পড়ে। মুক্তিযোদ্ধারা এমন পরিস্থিতিতেও ‘৭১-এ পরেছিলেন। তবু তারা কখনোই মাথা নোয়ান নি, বরং গর্বে বুক ফুলিয়ে বলতেন- ‘জয় বাংলা’।
প্রিয় বাবা
বাবার কাছ থেকে উপহার নেয়ার চমৎকার এই ছবিটি এঁকে পাঠিয়েছে লায়লা ফারিন। সে বিএন স্কুলের তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ে। তার বয়স ৯ বছর।
ফড়িং আর মাছ
এই সুন্দর ছবিটি এঁকে পাঠিয়েছে শ্রেয়া আফরিন রেজা। সে সানিডেল স্কুলের কেজি ১ এ পড়ে। তার বয়স ৬ বছর।
সুন্দর প্রকৃতি
চমৎকার এই ছবিটি এঁকেছে লায়লা ফারিন। সে বি. এন. স্কুলের তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ে। তার বয়স ৯ বছর।
সবুজ গ্রাম
নিকুঞ্জ-২, ঢাকা থেকে সুন্দর এই ছবিটি এঁকে পাঠিয়েছে মারিয়া মারজুন নূর মাহি। সে ল্যান্ড মার্ক কলেজ স্কুলের ৫ম শ্রেণীতে পড়ে। বয়স ১০ বছর।
রংধনু
উপরের ছবিটি এঁকেছে জাহিন ফাইজা। ও ঢাকার এমডিসি মডেল ইনস্টিটিউটের পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র। জাহিনের বয়স ৯ বছর ৮ মাস। (ছবির নাম-ফাইজা)
গ্রামের ছবি
আমাদের দেশের গ্রামের এমন চমৎকার ছবিটি এঁকেছে ইশরাক ইবনে মুফতি (আকসার)। ও পড়ে মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীতে
গ্রামের ছবি
গ্রামের এমন চমৎকার ছবিটি এঁকেছে তাশফিয়া ফাতেমা প্রাপ্তি। প্রাপ্তির বয়স ৯ বছর আর ও পড়ে ভিকারুননিসা নূন স্কুলে।
আমাদের দেশের গ্রাম
আমাদের দেশের এমন চমৎকার গ্রামের ছবিটি এঁকেছে আফিয়া তাসনিম কাশফিয়া। কাশফিয়ার বয়স ১০ বছর আর ও পড়ে মোহাম্মদপুর গার্লস হাই স্কুলের চতুর্থ শ্রেণীতে।
গ্রামের দৃশ্য
গ্রামের এই চমৎকার দৃশ্যটি একেঁছে পূজা পারমিতা। পূজা ব্লুমিং চাইল্ড হাই
স্কুলে চতুর্থ শ্রেণীতে পড়ে। এই ক্লাশের সেরা ছাত্রী পূজা। বুঝেতই পারছো
ওর রোল নং ১।
একটি জিরাফ আর তার ছানা খাবার খাচ্ছে
একটি জিরাফ আর তার ছানা খাবার খাচ্ছে এই ছবিটিতে। কিন্তু মজার ব্যাপার কি জানো, ছবিটি কিন্তু আঁকা নয়। লেগো দিয়ে বানানো। আর এই চমৱকার দৃশ্যটি কে বানিয়েছে জানো, ছোট্ট মেয়ে নুদরাত সরকার লাবিবা। ওর বয়স পাঁচ বছর।
বন্যা
বন্যার পানিতে ডুবে গেছে ঘর বাড়ি, গাছপালা সব। আকাশেও কালো মেঘের ঘনঘটা। আরও বৃষ্টি হবে মনে হচ্ছে। এর মধ্যে নৌকা নিয়ে বেড়িয়েছে দেওয়ান রোদেলা আশরাফী। তার বয়স আট বছর।
মাছ
মাছ খুব প্রিয় জুলকার নাইন ঈনাবের। তার বাসার অ্যাকুরিয়ামেও সম্ভবত অনেক মাছ আছে। ছবিটি দেখে কি তাই মনে হচ্ছে না? ঈনাব ইসলামী ব্যাংক ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে দ্বিতীয় শ্রেণীতে পড়ে।
তোমার জানালা খুলতেই যদি সুন্দর এক নদীর বুকে ভোরের লাল সুর্য দেখা যায়, তাহলে কেমন হবে! সেটা জানতে উমামা সামিহার আঁকা এই ছবিটি দেখ।
উমামা সামিহা
স্কুল - স্কলাস্টিকা প্রাইভেট লি:
ক্লাস - নার্সারি
স্কুল - স্কলাস্টিকা প্রাইভেট লি:
ক্লাস - নার্সারি
আর কদিন পরে একুশে ফেব্রুযারি, ভাষা শহীদদের স্মরণে তাই শহীদ মিনারের ছবি এঁকেছে তোমাদের বন্ধু সাদিয়া জুমানা
সাদিয়া জুমানা
স্কুল - স্কলাস্টিকা প্রাইভেট লি:
ক্লাস - কেজি-টু
স্কুল - স্কলাস্টিকা প্রাইভেট লি:
ক্লাস - কেজি-টু








